এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • ২০১৯ নির্বাচন ইত্যাদি

    pi
    নাটক | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬৫৮৫০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রঞ্জন | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:১৮379258
  • কে যে কার ঘুম ভাঙায় ভাই!
    যতদিন লেফট যা ছিল -- তাই আছে থাকবে, কেন পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল সে নিয়ে ভাবাকে 'তাত্ত্বিক আলোচনা' বলে এড়িয়ে যাবে, ৩৪বছরের ক্ষমতায় ধ্বস নামাকে তাদের কোন দায়িত্ব নেই শুধু কিছু অতিবদ আর বুজির দিকে আঙুল তুলে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকবে, ততদিন বাস্তবতাও এদের বুড়োআঙুল দেখিয়ে যাবে। জ্যোতি বাবুর বাজপেয়ীর হাতধরা ছবিও ভুলে গেলে ভাল।
    মাঠ-ময়দানের রাজনীতিকে শুধু মনুমেন্ট ময়দানে আটকে রইল আর যুক্তফ্রণ্ট সরকার হোল সংগ্রামের হাতিয়ার! তাই সরকার নেই তো সংগ্রাম ও নেই। বরফি জাদুকর আপনাদের যে ঘুম পাড়িয়েছে তার থেকে জাগাবে কে ?
    এই মায়াপাতায় বছরের পর বছর খালি অন্যদের দিকে আঙুল না তুলে নিজেরা কেন ক্রমাগতঃ খালি বঙ্গে নয় গোটা দেশে মেইনস্ট্রিম রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ছেন ভাবুন।
    এতদিন কারাতবাবু তৃতীয় ফ্রন্টের কথা বলতেন, ডাক দিতেন, এমনকি দরকার হলে মায়াবতী বা জয়াতেও আপত্তি নেই বলতেন; এখন ওরা কেউ পোঁছে না। কংগ্রেসুও না।
    জ্যোতিবাবুর শতবার্ষিকী পালনেও পিছিয়ে গেছল সমাজবাদী পার্টি। লালুভুলু কেউ ডাকে না।
    একটু নিজের গায়ে চিমটি কেটে দেখুন, জেগে আছেন কি না !
  • মানিক | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:২৭379259
  • আপাততঃ বামেদের, বামেদের বলছি কেন, সিপিএমের পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার কোন সম্ভাবনা নেই। তৃণমূল থেকে যাবে, সেটাই সম্ভব। কয়েক বছর বাদে হয়তো বিজেপি। ত্রিপুরার অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয় বিজেপি এলে দমন পীড়নের মাত্রা বাড়বে। তিনুরা চুরি টুরি করে, কিন্তু সরাসরি মারপিট একটু কম করে। তাই একেবারে বাস্তব ভাবলে, আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব যারা কলকাতায় আছে তাদের কথা ভাবলে আপাততঃ পিসীর দলই ভাল।

    আজকে হয়তো রাহুলবাবা কোনোক্রমে এর ওর হাতে পায়ে ধরে ক্ষমতায় এল। কিন্তু অর্থনীতির দিক দিয়ে বিজেপি আর কংগ্রেসের কোন মৌলিক ফারাক নেই। বামেদের কোন প্রভাবই ক্ষমতার কাছে থাকবে না, তাই কংগ্রেসের নিও লিবারেলরা খুবই তেড়ে ফুঁড়ে উঠবে বলে ধরা যায়। শেষ অবধি পরের টার্মে বিজেপি আবার ফেরত আসবে এটা বলা হয়তো যায়। সেক্ষেত্রে বিজেপি পিসীর কানে ধরে পশ্চিমবঙ্গের বাম শক্তিকে শেষ করাবে। এমনিতে পিসীর বামেদের মারতে আপত্তি নেই, নারদা সারদার ভয়ে আরো উৎসাহ নিয়ে কাজটা করবে। আর বছর দশেকের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সিপিএম বলে কিছু প্রকাশ্যে থাকবে না।

    অতঃপর কি হইবে?

    লিখতে লিখতে মনে এল, ত্রিপুরায় যদি বিজেপি যেতে, সেটা কি লোকের ভোট পেয়েছে বলে জিতবে?
  • PT | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:২৮379260
  • "জ্যোতি বাবুর বাজপেয়ীর হাতধরা ছবিও ভুলে গেলে ভাল।"

    এই ঘটনা তো তিনোরা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। যদিও এসব গোধরা বা বাবরির অনেক আগের ঘটনা। তাহলে তো বাজপেয়ী-আদবানীদের সঙ্গে জুড়ে জরুরী অবস্থার বিরুদ্ধতা করারও নিন্দে করতে হয়।

    সেদিনের তিনোদের অনশন মঞ্চে বিজেপি নেতাদের উপস্থিতির প্রতিবাদ যারা করেনি তারা বিষবৃক্ষের বীজ পুঁততে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষে সাহায্য করেছিল। তার মধ্যে নানা রঙের বামেরাও ছিল। গুরুর পুরনো পাতা ঘেঁটে বের করা যাবে নাকি কারা সেদিন বিজেপি নেতাদের উপস্থিতির প্রতিবাদ করেছিল?

    "বিজেপি পিসীর কানে ধরে পশ্চিমবঙ্গের বাম শক্তিকে শেষ করাবে"-সেটা ঐ অনশন মঞ্চে কিংবা আরো আগে RSS-এর সদর দপ্তরে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন আগে পর্যন্ত এই মায়াপাতাতেও বহু দিনের রাজনীতি করা পন্ডিতেরাও তিনোকে সঙ্গ দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ার সওয়াল করেছে।

    এখানে কেবল মাত্র একজনই প্রতিদিন ২৪ ঘন্টা ধরে "নাগপুরের ইচ্ছাফুল/পচ্চিমবঙ্গে তিনোমুল" মন্ত্রটি জপে যচ্ছে বহুদিন ধরে।
  • dd | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৫২379261
  • এটাও ভালো।

    কালীঘাটের কুর্তি/ নাগপুরের ফুর্ত্তি
  • মানিক | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৫৯379262
  • জ্যোতিবাবু বাজপেয়ীর হাত ধরেছিলেন, কিন্তু বাজপেয়ীর মন্ত্রী হন নি। দুটোর মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ। হ্যান্ডশেক করা আর বুকে হাত দেবার মধ্যে যতটা তফাৎ, তার চেয়েও বেশী তফাৎ। দুটোকেই অমুক লোক মেয়েটিকে ছুঁয়েছিল বলে এক গোত্রে ফেলা যায় না।
  • sm | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১১:৩৬379263
  • মানিকের,এই রকম শিশুসুলভ মার্কা পোস্ট চোখে কড় কড় করছে।
    জ্যোতি বসু, পক্ককেশ বিচক্ষণ প্রবীণ নেতা।বহুদশক মাঠে ময়দানে রাজনীতি করা ব্যক্তি। ভারতীয় সংসদীয় রাজনীতি বিলক্ষন গুলে খেয়েছেন।উনি জানেন বিজেপি হলো আর এস এস এর মুখচ্ছবি।আর এস এস এর কার্যকলাপ ওনার অবহিত ছিল।সুতরাং এই মিলমিশের দায়িত্ব অস্বীকার করা যাবে কেমন করে?আর হাত ধরে একই মঞ্চ শেয়ার করা তো ওনার ব্যক্তিগত ডিসিশন নয়,পুরো পার্টির সমর্থন ছিলো নিশ্চয়।
    যদিও আমার কাছে রাজনীতিতে কেউই অস্পৃশ্য নয়।বিজেপি ভোটে জিতে আসা একটি দল।
  • sm | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১১:৪০379264
  • এখন তো অনেক নিচু তলার বাম সমর্থক, বিজেপির দিকে ঝুঁকেছে বা ভোট দিচ্ছেন।তো,এটাও তো রাজনীতি!যদি কিছু বাম সমর্থক মনে করেন,বর্তমানে, বিজেপি পাওয়ারে এলে তৃণমূল কে টাইট দেওয়া যাবে,তো কি করা যাবে!
    এই ভাবার রাইট তাঁদের আছে।
    কিন্তু শাক দিয়ে মাংস ঢেকে কি লাভ হচ্ছে?
  • রঞ্জন | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১২:২০379265
  • @মানিক,
    ১)ঠিকই বলেছেন। দুটো ছবি তুল্যমূল্য নয়।
    আমার বক্তব্য হল এইসব চূটকি দিয়ে মায়াপাতা ভরিয়ে কী লাভ?
    একজন যদি এখানে নাগপুর-কালীঘাটের যোগসূত্র মন্ত্র জপে নিজেকে সাধকের সেলফ সার্টিফিকেট দিয়ে তৃপ্তি পান তো সেই তুরীয় মার্গে থাকুন গে', তাতে কি বংগে বা গোটা দেশে বামেদের শক্তি বৃদ্ধি হবে?
    প্রশ্নটা তো শুধু কে কবে কার হাত ধরেছিল, কে কাকে চোখ ইশারায় ডাক দিয়েছিল'র নয়, প্রশ্ন কেন বিজেপিকে ঠেকানো যাচ্ছে না ?
    দেখুন, ২০১৬'র নির্বাচনে বামেরা রাহুলবাবার হাত ধরেছিল। সেবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা ও পুলিশ কমিশনার সৌমেনবাবুর গুন্ডামি বুথ দখল রুখতে সক্রিয়তার প্রশংসা সমস্ত সিপিএম নেতারা করেছিলেন। বিমান, মিশ্র সবাই দাবি করেছিলেন সিক্সার হাঁকানোর, ২০০ সিট পাওয়ার।
    কিন্তু ফল কি হল?
    আমারও মনে হয়েছিল যে বামেরা ক্ষমতায় ফিরবে। একতরফা হবে না।
    শেষে ত্রিপুরা থেকে কমঃ মানিক নিজের দলের অবস্থানকে ছাগলের তৃতীয় ছানা বললেন। দু'বছর পরে নিজের ও তাই হল।
    কিন্তু কেন? এটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
    তাই বিশ্বজুড়ে দক্ষিণ পন্থার উত্থান ও লিবারেল পুঁজিবাদের সংকটের মুখে বামরাজনীতির গ্রহণযোগ্যতা ক্রমশঃ কমছে, নবীন প্রজন্মের কাছে আকর্ষণ হারাচ্ছে। এটা নিয়ে বিশ্লেষণ করে রণনীতি ও অল্টারন্যারেটিভ নির্মাণের কাজে হাত না লাগিয়ে খালি একে ওকে দোষ দিয়ে হবে টা কী? বামদলগুলোয় খালি পাকাচুল ও টাক চোখে পড়ে ; হিন্দি বলয়েও।
    ২) ২০১৯ এর নির্বাচন ও পরবর্তী সম্ভাবনা নিয়ে আপনার অনুমানের সঙ্গে ১০০% সহমত। তাই ভয় পাচ্ছি। কাল কত্থা হল ছত্তিশগড়ের কোরবা শিল্পনগরীর এক ভ্রাতৃপ্রতিমের সঙ্গে। মূলতঃ ঢাকুরিয়ার ছেলে, কট্টর বাম, ২০১১তে আবাপ শুনত না, শুধু ২৪ ঘন্টা দেখত।
    এবারের দুটো ইলেকশনে কংগ্রেস প্রার্থীর জন্যে একটি ওয়ার্ডে লীড ডাবল করার দায়িত্ব নিয়ে সফল।
    ও বলছে সারাদেশে বিজেপি হারুক কিন্তু বঙ্গে জিতুক। ঘাসফুল যেন না যেতে!
    আমি হরিফায়েড!
    ৩) একজন লিখেছেন ঃ বামের বিকল্প আরও ভাল বাম।
    অস্পষ্ট কথা না বলে বলুন কোন কোন বিন্দুতে আরও ভাল হতে হবে। আগে বলুন খারাপটা কী ছিল?
    নইলে প্রত্যেকবার এই আফশোস করতে হবে --আমরা জনতাকে ঠিক করে
    বোঝাতে পারি নি।
  • PT | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১২:৩১379266
  • যারা এত বোঝে তারা সততার সঙ্গে নিজেদের ও বন্ধুদের সাম্প্রতিক অতীতের অবস্থান পরিষ্কার করেনা কেন? এইসব মানুষের সমর্থনে বা অসমর্থনেই তো বামেরা শক্তিহীন বা শক্তিশালী হয়!!

    যাদবপুর লোক সভা কেন্দ্রে সেদিনের সেই তিনো সমর্থক সুসি, পুততুন্ডু ইত্যাদিরা প্রার্থী দাঁড় করিয়েছে সামান্য হলেও বাম ভোট কাটার জন্য। তারা কি এখনো কিছু বোঝেনি নাকি এখনো বালখিল্যতা প্র্যাকটিশ করে চলেছে?
  • রঞ্জন | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১৩:২৯379269
  • পিটি,
    সত্যি কথা, মার্ক্সবাদের সংকট খবরের কাগজ পড়েই বোঝা যায়। সারা দেশে কেন সিপিএম সেমিকোলন হচ্ছে? কেরালায় আয়াপ্পান মন্দিরে ঢোকার প্রশ্নে কেন বেশির ভাগ মহিলারাই বিরুদ্ধে তাও বোঝা যায়। প্রতি ইলেকশনের আগে বামনেতারা কেন ফুরফুরা শরীফে আশীর্বাদ চাইতে যেতেন তাও লিকে দিয়েচে।
    দাদা, অংক কী সোজা।
    কয়েকবছর আগে এই পাতাতেই কেউ বলেছিলেন অমিত শাহ কি মুকুলের থেকেও--? এক্ষণ মনে হয় উত্তর পেয়ে গেছেন।
    তা সব প্রশ্নের উত্তর যদি আপনার জানাই থাকে তো কিছু বলার নেই। কারণ আমি কিছুই জানি না। শুধু প্রশ্ন করি, একদিন উত্তর পাব এই আশায়,
    এলোপাথাড়ি ছাতার বাড়ি ধুপুস ধাপুস চালিয়ে যান!
    কাটলাম।
  • PT | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১৩:৫৭379270
  • শুধু এইটুকুই বোঝা গেল যে এখনো তিনো-সরকারকে চোখের মণির মত আগলে রাখতে চায় অনেকেই!!
  • PT | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:০৭379271
  • যারা মার্কসবাদের সংকট নিয়ে এই গরমে ঘর্মাক্ত হচ্ছে তারা নিজেদের অস্তিত্বের সংকট নিয়ে ভাবা শুরু করুকঃ
  • রঞ্জন | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:১১379272
  • পিটি,
    একজন তার সুরে সুর না মিললেই বলছে -- এ তো ইমরানের ভাষায় কথা বলছে।
    আরেকজন মতে না মিললেই --এখনো তিনো-সরকারকে চোখের মণির মত আগলে রাখতে চায় !!
    দু'জনই এই বাইনারির বাইরে কোন অবস্থানএর অস্তিত্ব মানবেন না।
    ব্রেশ! লড়ে যান।
  • PM | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:১২379274
  • রন্জনদা, ২০৭ থেকে ১১ পর্জ্যন্ত সকলে বলে গেলেন বিজেপি কাগুজে বাঘ পঃবঃ এ, যাকে সিপিয়েম ব্যবহার করে সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করতে। " কেন বিজেপিকে ঠেকানো যাচ্ছে না? " এ প্রশ্নের উত্তর তো আপনারা দেবেন, মানে বালখিল্য়্সুলভ "যে আসে আসুক" বা " রুটি পালটান " তত্বের প্রবক্তারা।

    এখন বাজারে বামেরা নেই, সিপিয়েম ও নেই --- সেই ঘেউ ঘেউ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ পাবলিকদের দৌড় একটু দেখা যাক। এই তো সময়।

    আমি মনে প্রানে চাই বামেরা এখন বেশ কিছুদিন ক্ষমতায় না আসুক। রুটি গুলো ভালো করে ভাজা ভাজা হোক। বামেরা কোনোকালে না এলেও ঠিক আছে।

    অপানার কোনো কালেই বামেদের ওপোর কোনো ভরসা ছিলো না -- এখনো রাখবেন ন প্লিজ
  • PM | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:১২379273
  • রন্জনদা, ২০৭ থেকে ১১ পর্জ্যন্ত সকলে বলে গেলেন বিজেপি কাগুজে বাঘ পঃবঃ এ, যাকে সিপিয়েম ব্যবহার করে সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করতে। " কেন বিজেপিকে ঠেকানো যাচ্ছে না? " এ প্রশ্নের উত্তর তো আপনারা দেবেন, মানে বালখিল্য়্সুলভ "যে আসে আসুক" বা " রুটি পালটান " তত্বের প্রবক্তারা।

    এখন বাজারে বামেরা নেই, সিপিয়েম ও নেই --- সেই ঘেউ ঘেউ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ পাবলিকদের দৌড় একটু দেখা যাক। এই তো সময়।

    আমি মনে প্রানে চাই বামেরা এখন বেশ কিছুদিন ক্ষমতায় না আসুক। রুটি গুলো ভালো করে ভাজা ভাজা হোক। বামেরা কোনোকালে না এলেও ঠিক আছে।

    অপানার কোনো কালেই বামেদের ওপোর কোনো ভরসা ছিলো না -- এখনো রাখবেন ন প্লিজ
  • PT | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:১৫379275
  • বলতেই হলঃ
    কেননা বামেদের শেষ করার জন্য RSS-এর কলেবর বৃদ্ধির পেছনে তিনোর প্রত্যক্ষ মদতের নিন্দা না শোনার জন্য এইজাতীয় সিদ্ধান্তে পৌঁছতেই হল। এখন অবস্থাটা অতি অব্শ্যই বাইনারি। কারা বিজেপির মদত্কারীদের নিন্দা করছে আর কারা নিন্দা করছে না-আপাততঃ এর মাঝামাঝি কোন অবস্থান নেই।
  • sm | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:২০379276
  • হা, হা।এই মুহূর্তে কারা তিনো দের টাইট দেবার মতলব ভাঁজছে?
  • মানিক | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ২১:৩৫379277
  • রঞ্জন,

    সারা পৃথিবীতে দক্ষিণপন্থার উত্থান নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ সত্যি। এটা ঠেকানোর উপায় কি কেউ জানে না। আমি জানি না, সিপিএম জানে না, আপনিও মনে হয় জানেন না। কাজেই অমুক পার্টি আমার কথামত তমুক করলেই সমাধান, ব্যাপারটা এত সহজ নয়।

    পিটির বক্তব্য আমি যেটুকু বুঝি, তৃণমূল বিজেপির সহযোগী দল। কথাটা হয়তো খুব মিথ্যে নয়। মমতার সাথে আরএসএস ও বিজেপির সম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাস আছে। বাজপেয়ীর মন্ত্রিসভায় অংশগ্রহণ। বঙ্গারু লক্ষণের ছুতো করে বেরিয়ে আসা। আবার ফেরত যাওয়া। আরএসএসের সম্বর্ধনা নেওয়া। সেখানে আরএসএসের মা দুর্গা বলে লাফালাফি। ইদানিং কালে রামমন্দির খ্যাত আদবানীর এথিক্স কমিটির মিটিং আটকে রাখা যাতে নারদায় অভিযুক্ত তৃন এমপিরা বিপদে না পড়ে। এই ভোটের মরশুমে আবাপতে মমতার বক্তব্য, আরএসএস তো ভাল। শুধু ব্যাটারা বিজেপির সাথে মিশে গোল্লায় গেল। কুর্তা পাজামার কথা আর বলছি না, যদিও সেটা ফিস ফ্রাইয়ের চেয়ে সিরিয়াস ব্যাপার।

    আমার মনে হয় এই জায়গায় একমত হলে পিটির সাথে আপনার মতভেদ অনেকটাই কেটে যাবে।
  • pi | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ২১:৩৭379280
  • অনেকে দেখলাম এই পোস্ট শেয়ার করেছেন, সিকিও করেছে দেখলাম। কিন্তু কথা হল, নোটা মানেই সরকার গঠনের গুরুত্ব না বোঝা, এটা কেমন যুক্তি?
    ভোট বয়কট আর নোটা তো এক জিনিস নয়!

    কোন প্রার্থীই ঠিক না মনে হলে লোকে করবে কী?

    এই লেখাতে স্বাস্থ্যের বেসরকারিকরণ নিয়ে বলা আছে, তো স্বাস্থ্যের বেসরকারিকরণ কোন দল আটকেছে বা আকটিভলি করেনি, সে দলের নামটা বলা হোক একটু।

    পোস্টটা রইল।

    "শিক্ষিত মধ্যবিত্তদের মধ্যে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবে NOTA র ব্যবহার একধরণের তাত্ত্বিক স্বীকৃতি লাভ করছে, তা সে তাঁরা সকলে শেষপর্যন্ত NOTA এ ছাপ দিন বা না দিন। যোগেন্দ্র যাদবের মত গণ আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী থেকে চন্দ্রিল ভট্টাচার্যের মত শখের প্রতিবাদীরা অনেকেই NOTA কে একটি প্রায় বৈপ্লবিক পদক্ষেপ হিসেবে প্রচার করছেন। এইবারের মত এত গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন, যেটা আমাদের মত অনেকের কাছেই ফ্যাসিবাদের ওপর রেফারেন্ডাম তাতে NOTA একটি আত্মধ্বংসী পদক্ষেপ সেটা বলাই বাহুল্য। কিন্তু তার বাইরে গিয়েও সামগ্রিক গণতান্ত্রিক পরিসরে সমাজের উচ্চশিক্ষিত, উচ্চবিত্ত অংশের NOTA প্রেম একটা ভেবে দেখার বিষয়। ভেবে দেখুন একমাত্র নির্বাচনে ছাড়া (আর মালটিপল চয়েস প্রশ্নপত্র ছাড়া) ব্যবহারিক জীবনের অন্য কোনো ক্ষেত্রে কিন্তু আমরা None of the Above এই অপশন বাছি না। যদিও আমরা জানি রাজনীতির মত আরো অনেক ক্ষেত্রই একই রকম অবক্ষয়ী, একই রকম অস্বচ্ছ তাও আমরা ভেবেচিন্তে একটা কিছু বাছি। আমরা জানি সব বেসরকারি হাসপাতালই অসৎ তাও অসুস্থ হলে none of the above বলে গোমূত্র খেয়ে বসে থাকি না। একটা কিছু বাছি। আমরা জানি সব বেসরকারি স্কুলই মূলত অর্থ দোহনের প্রকল্প। কিন্তু সেখানেও NOTA বোতাম টেপার বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নিই না। ভাবি, ঝাড়ি,বাছি। তাহলে সরকার কি সবচেয়ে ফেলনা যাতে আমরা নিশ্চিন্তে "ওপরের কাউকে আমি পছন্দ করি না" ভেবে হাত পা ঝেড়ে নিতে পারি? পারি, কারণ আমাদের কাছে সরকার সত্যিই ফেলনা। দীর্ঘকালীন বেসরকারিকরণ প্রকল্প আমাদের কাছে সরকারকে গুরুত্বহীন করে তুলেছে। আমরা সরকারি হাসপাতালে যাই না, আমাদের সন্তান সরকারি স্কুলে পড়ে না, আমরা আশা রাখি তাদের সরকারি চাকরির দোরে হত্যে দিতে হবে না। সরকারি প্রকল্প আমাদের কাছে 'ট্যাক্সপেয়ারের' টাকার নয়ছয় (অবশ্যই ডাইরেক্ট ট্যাক্সপেয়ারের)। সুতরাং আমরা NOTA র বিপ্লব করতে পারি। আমাদের কাছে সরকার জীবনমরণের প্রশ্ন নয়। তবে আদপেই চাকরি না তৈরি হলে কলকাতাতেও হবে না হায়দ্রাবাদেও হবে না এটা একটু ভেবে দেখলে সরকার গঠন প্রক্রিয়াটি এতটা গুরুত্বহীন নাও মনে হতে পারে।NOTA প্রতিবাদের সহজতম পথ কারণ সব্বাই যদি সমানরকম খারাপ হয় তাহলে আমাকে আর তুলনা করতে হয় না, চিন্তা করতে হয় না, বিশ্লেষণ করতে হয় না। এরপর যে সরকারই আসুক আমি তার খাবো পোরবো না, আর মোটামুটি জাতিধর্ম ও বর্ণবিশ্লেষণ করে নিশ্চিন্তে বলা যায় যেই আসুক আমার ফ্রিজ খুলে মাংসের চরিত্রবিচার করবে না। অতএব আসুন NOTA র পথে যাত্রা করে আমরা ইতিহাসের সহজতম স্থানটি অর্থাৎ নিরপেক্ষ স্থান দখল করি - এবং সদা-সর্বদা সঠিক হওয়ার ট্র‍্যাক রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখি। কে না জানে সবাই ভুল এর চেয়ে বেশি ঠিক কথা দুনিয়ায় নেই।

    - Shinjini Basu"
  • dd | ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ২১:৫০379281
  • এটিও চমোৎকার

    পিসী রানী, ভাইপো রাজা
    আলিমুদ্দিনে মাছ ভাজা
  • অন্য টই | ২৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:১৭379282
  • রাজনৈতিক হিংসা এবং স্বপ্নভঙ্গের শূন্যতা বিষয়ে একটি অসম্পূর্ণ আলোচনা
    Comment from এলেবেলে on 28 April 2019 23:03:44 IST 230123.142.1278.247 (*) #

    আপাতত ব্যস্ত ভোটগ্রহণের কাজে। আপনারা সিপিএম-এর গ্রাসরুটের আওয়াজ শুনতে পান কি? সিপিএমের বর্তমান স্টান্স যে কোনও মূল্যে দিদিকে হটানো। তাদের সে মুরোদ আপাতত নেই। তাই নিজের নাক কেটে পরের যাত্রাভঙ্গ করতে সিপিএমের নীচুতলা চুপচাপ পদ্মফুলে ছাপ দিচ্ছে এবার। ২০২১এ তারা রাজ্যে বিজেপিকে চায়। তারা জানে লোকসভায় বিজেপি গোটা ১৪ আসন পেলে তিনোর নেতারা মুখিয়ে থাকবে বিজেপিতে যাওয়ার জন্য। তারা ঝাঁপাচ্ছে ২০২৬ এর বিধানসভার জন্য। শুনতে খুব দুইএ -দুইএ চার মনে হতে পারে। পিটির তো হবেই। কিন্তু কথাটা মাথায় রাখুন। গত পঞ্চায়েতে গণনার কাজে ব্যস্ত থাকার সময় এ ফর্মুলা আমি একাধিক বাম কর্মী সমর্থকের মুখে শুনেছি।
  • PT | ২৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৩৩379283
  • এখন গোড়া কেটে আগায় জল ঢালার গপ্প শুরু হয়েছেঃ

    কথা ছিল RSS-এর হাত ধরে বামেদের উৎখাত করার। সেইমত সাফল্যের সঙ্গে কাজও শুরু হয়েছিল। বিজেপির ভোট ২০%-এর নীচে রাখাতে পারলে কোনই সমস্যা নেই। কিন্তু বিজেপি কিষেণজী নয় যে নিকেষ করে দেওয়া যাবে। রাজ্যসরকারের মদতে RSS/বিজেপি ফেঁপে-ফুলে সাবালক দৈত্য হয়ে উঠে এখন ফ্রাঙ্কেসটাইনদিদিকে রাজপাট খোয়ানোর ভয় দেখাতে শুরু করেছে।

    এইবারে এই গর্ধ্ভনিন্দিত রাজনৈতিক কৌশলের জন্য কাকে দোষ দেওয়া যাবে? কমুনিস্টরা তো চিরকালই সব সমস্যার জন্যেই দায়ী। তাইত কবি বলিয়াছেনঃ
    খর্দাতে হয়নি বৃষ্টি/ যত দোষ কমুনিস্টির (বা ঐরকম একটা কিছু)।

    অন্য-টই-বাবু, আরেকটু বিশ্বাসযোগ্য কোন গপ্প ফাঁদুন।
  • sm | ২৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৪৬379284
  • বামেদের কোন প্রচার চোখে পড়ছে?মনে হচ্ছে না,যে ফাঁকা ময়দান বি জে পি র জন্য ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে?
    না, না, দোষ দেওয়া যাবে না।ওনারা তো কষ্টি পাথর।নিপাতনে সিদ্ধ।
    তিন আর চারের দৌড়টা ভালো জমেছে।
  • :-)) | ২৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৪৮379285
  • অন্য টই থেকে কমেন কপি করে দিতে গপ্পো ফাঁদার অভিযোগ এল। ঠিক করে পড়েও না আবার বারফাট্টাই দেকো না।
  • amit | ২৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৫৮379286
  • তাহলে গল্প কি দাঁড়ালো শেষ পর্যন্ত ?

    যে বামেরা চায় যে ২০১৯ এ বিজেপি গোটা চোদ্দ সিট্ পেলে দলে দলে তিনোরা বিজেপিতে যাবে, তার ফলে ২০২১ এ বিজেপি পব তে ক্ষমতায় আসবে আর দিদি সদলবলে বিদেয় হবে, আর তার পর বামেরা ২০২৬ তে সর্বশক্তি না কি যেন নিয়ে ঝাঁপাবে আর ক্ষমতায় ফিরে আসবে। এই "যা শত্রূ পরে পরে " মাস্টার প্ল্যান এলেবেলে বা অন্য টই (কে বলেছেন কে জানে) নাকি একাধিক বাম সমর্থক এর থেকে শুনেছেন (সেটা দুজন কিনা জানি না )।

    হায়। নস্ত্রাদামুস আজ বেঁচে থাকলে এনাদের একটু পায়ের ধুলো চেটে যেতেন, কিন্তু তিনি কবে পটকে গেছেন। স্বর্গে পায়ের ধুলো কুরিয়ার করে পাঠানো যায় না ?
  • sm | ২৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:০৩379287
  • তাহলে,বামেরা এবার কি করছে?চুপ চাপ,পদ্মে ছাপ দিচ্ছে না?
    যাঁরা এটা মানে না,তাঁরা তো কল্প লোকের গল্প লেখক!যত্ত সব,পাগলের কারখানা!
  • Amit | ২৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:১৬379288
  • যেটা মাথায় আসে না, বামেদের নিয়ে এখনো এতো চিন্তা কেন কিছু লোকের ? তারা ক্ষমতা থেকে চলে গেছে তো প্রায় ৮ বছর, বিরোধী হিসেবেও তাদের ক্ষমতা নগন্য। তো এতো তাদের নিয়ে এখনো এতো সমস্যা কেন ?

    বিজেপি বা যারা ক্ষমতায় আসতে পারে ভাবছে, তারা লড়ূক আর যারা তাদের ঠেকাতে পারে ঠেকাক। এতে বামেদের রোল কোথায় ?

    এখানে বাম বলতে পরিণত বাম মনস্ক বা একটিভ বাম কর্মী দের কথাই বলা হচ্ছে। কেও কবে কোনো ইলেকশন এ একবার বামকে ভোট দিয়েছিলেন, এখন বিজেপিকে ভোট দিচ্ছেন, সেসব উড়ো খয়ি দের কথা না। একবার ভোট দিলেই আশা করি কেও ছাপ মারা বাম হয়ে যান না।
  • sm | ২৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৩২379289
  • ওই সব চায়ের দোকানের কথা অন্যত্র বললে ভালো হয়।বামেরাই ইউপিএ সরকার কে ভেঙেছিল,কোন কারণ ছাড়াই।
    সেই বামেরাই কোন প্রতিবাদ,আন্দোলন না করে কংগ্রেস এর সঙ্গে জোট করে পব তে মাগনায় ক্ষমতায় আস্ তে চেয়েছিল।একবারও নিচু তলার কমরেড দের কথা ভাবে নি।যাঁরা নাকি বছরের পর বছর কংগ্রেসী দের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে ছিল।বহু পরিবার প্রচুর ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়েছে।উভয় পক্ষেরই।কারণ আলিমুদ্দিনের কাছে নিচু তলার কর্মীদের সেন্টিমেন্টের মূল্য খুব নগন্য।ঠিক যেমন এখন দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে,যাঁরা পদ্ম তে ছাপ দিচ্ছে,তাঁরা নাকি উড়ো খই।
    সাব্বাশ!
  • Amit | ২৯ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৪৬379291
  • অন্যদের চায়ের দোকানের কথা বলতে বারণ করে যারা নিজেরা নর্দমার ধারে বসে ফালতু কথা বলে, সেই সব এলিমেন্ট দের সাথে আলোচনায় যাওয়ার বিন্দুমাত্রও আগ্রহ নেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন