এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৬৯১৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | 233.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১৮:৪৫662752
  • চাটুজ্জ্যে ও প্রচুর পড়াশোনা করত।এত পড়াশোনা করে এত ভাট লেখাপত্তর !
  • PT | 213.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১৯:০৭662753
  • এই বাক্যদ্বারা কি প্রমাণিত হল যে আপনি ভারত ও রাশিয়ার ঐতিহাসিক সম্পর্কে ওয়াকিবহাল?
  • কল্লোল | 111.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১৯:০৯662754
  • পিটি। তোমার আস্থা থাকা বা না থাকায় কিছু এসে যায় না। তুমি মনে করো কারুরই আস্থা নেই মানবাধিকার কর্মীদের ওপর, সেটা তোমার মনে করা মত্র।
    অম্বিকেশবাবু ও তার সাথে আরও একজন-এর কেস নিয়ে এপিডিআরও রাস্তায় নেমেছে। অম্বিকেশবাবুর সিপিএমযোগ আছে, তাই উনি এপিডিআর-এ যাবেন না। ফলতঃ আক্রান্ত আমরা। তা করুন। তার সাথে এপিডিআরের কোন বিবাদ নাই।
    কিন্তু মানবাধিকার কমিশন লাটে উঠে যাওয়ার পিছনে মানবাধিকার কর্মীদের দায়িত্ব বোঝা গেলো না।
    আর ইতিহাসের কথা তুললে তো আবার অতীতবিলাসীতা হবে। বামেরা যে জনসঙ্ঘের হাত ধরলো জরুরী অবস্থায়। মোরারজী দেশাইয়ের সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থায় ভ্টদানে বিরত থেকে সরকারটা ফেললো। আর তারই অভিঘাতে বিজেপির জম্মো হলো। আজ সেই জনসঙ্ঘ বিজেপি হয়ে ওঠার পিছনে তবে তো বামেদেরও দায়ী করতে হয়।
  • PT | 213.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ২০:০৩662755
  • কল্লোলদা, তুমি বামেদের পছন্দ করনা সেটা পরিষ্কার। কিন্তু তাই বলে এত হাসাতে হবে?

    "অম্বিকেশবাবুর সিপিএমযোগ আছে, তাই উনি এপিডিআর-এ যাবেন না"-এটা একটা অভিনব তথ্য। তার মানে মানবাধিকার কর্মীরা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কোন মানবধিকার লঙ্ঘণের ব্যাপারে নাক গলায় না?

    কিন্তু "তারই অভিঘাতে বিজেপির জম্মো হলো"-মানে বিজেপির জন্ম হওয়ার জন্যেও বামেরা দায়ী এর চাইতে বেশী হাস্যকর আর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা শুনেছি বলে মনে করতে পারিনা। এই জোকটা আদবাণী বা মোদিকে পাঠিয়ে দিও। ওনারা হেসে আনন্দ পাবেন!!

    আসল কথাটার উত্তর পাচ্ছি না। জরুরী অবস্থা থেকে কিছু শিক্ষা নিয়েছি কি? নিলে চল্লিশ বছর বাদে মানবাধিকার কমিশন উবে যায় কি করে? আর সেই শিক্ষায় শিক্ষিত বাঙালীরা সে ব্যাপারে চুপ করে অছে কেন?
  • ranjan roy | 132.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ২২:০০662756
  • হচ্ছিল" জরুরী অবস্থার" কথা।
    এখানে কেউ কেউ বললেন একটু বিশদে বলতে।
    তাই কিছু লিখলাম।
    পিটি বললেন বঙ্গে জরুরী অব্স্থার নায়ক সিধুবাবুকে কেন আড়াল করা হচ্ছে গোছের কিছু। শেষে নিজেই লিং দিলেন।
    সেই লিং থেকে দেখা গেল সিপিএম নেতারা সেই কুখ্যাত নায়ক সিদ্ধার্থার (মানুবাবুর) প্রযত্নে গ্রেফতারি এড়িয়েছেন।
    তো পিটি বললেন--সিদ্ধার্থ বললেই মানতে হবে?
    আরে বাবা, সিধুর লিং তো বড় মুখ করে আপনি দিয়েছেন, আমি দিইনি।
    আবার গর্ব করে বলেছেন--ভাগ্যিস এই লিং পাওয়া গেছল।
    আগে বললেন রাশিয়াকে বদনাম করছি। শেষে পিটির লিং ও আরেক্জনের লিংয়ে খোদ কমরেড অনিল বিশ্বাসের বক্তব্যে দেখা গেল রাশিয়া খোলাখুলি ইন্দিরার স্বৈরাচারী শাসনকে সমর্থন করেছিল।
    byas পিটি পালটি খেয়ে নিজের অভূতপূর্ব ব্যাখ্যা হাজির করলেন--- রাশিয়ার ভয়ে ইন্দিরা সিপিএম নেতাদের গ্রেফতার করেনি।
    এমন খোরাক বহুদিন হয়নি।

    আরেকজন ডিডিকে ব্যঙ্গ করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনায় কম্যুনিস্টদের ভূমিকার খবর দেওয়ার ক্লেম করে একটি লিং দিলেন।
    কিন্তু পর্বত মূষিক প্রসব করল।
    একটি মার্ক্সিস্ট পত্রিকায় কমরেড অনিল বিশ্বাসের সেই রিপোর্টে দেখা গেল ডিডি সংসদে গোপালনের বক্তব্য ঠিকও কোট করেছিলেন।
    কিন্তু অনিল আমি যা বলেচি তার পর কোন নতুন মাত্রা যোগ করতে পারেন নি। বামদলগুলোর মধ্যে মতভেদ ছিল বলেছেন। অ-বামদল গুলোর কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বামেদের নীতিগত অনীহা স্পষ্ট করেছেন, কিন্তু বামেরা বাস্তবে কোন আন্দোলন করেছিল সেটাই বলেন নি।
    এখন পিটি বলছেন--পুরনো লেবু কচলে কি লাভ?
    যদিও উনি যখন তখন সবাইকে ইতিহাস চর্চা করতে বলেন।
    আমাকে বলছেন অর্ধেক ইতিহাস? আরে, উনি পুরো ইতিহাস বলুন না! শুনে ঋদ্ধ হই। "নিরপেক্ষ" ইতিহাসই বলুন না, আমাকে ব্যঙ্গ না করে।
    পেলাম তো গোটা দুই লিং? সিধু-অনিল! নিজেরা দিয়ে নিজেরাই মুখ লুকোতে জায়গা খুঁজছেন।
  • PT | 213.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ২২:৫৭662757
  • RR
    আপনি অতীত আঁকড়ে পরে থাকুন। সময় পেলে বর্তমানে ফিরলে দেখবেন আজকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা মাস্টারদের চড়-থাপ্পর মারছে।

    In an unprecedented incident, Trinamool Congress Chhatra Parishad (TMCP) supporters allegedly manhandled the Vice Chancellor of Calcutta University, Suranjan Das on Wednesday.

    Besides the Vice Chancellor being manhandled, teachers and officers of the university were allegedly beaten up by sticks by TMCP supporters in a bid to disperse them while they were staging a sit-in over the suspension of a Finance Officer.

    অর্থাৎ কিনা বাঙালী যতই লম্বা ঝুলের পাঞ্জাবী গায়ে গীটার বাজিয়ে জরুরী অবস্থার জন্মদিন পালন করুক, জরুরী অবস্থা থেকে তারা কোনই শিক্ষা লাভ করেনি। চল্লিশ বছরের আগের গুন্ডাগার্দি সিদ্ধার্থ রায়ের উত্তরসূরীর হাত ধরে নবরূপে ফিরে এসেছে।

    আপনি জরুরী অবস্থার ইতিহাস লেখার সময়ে যে কোন কারণেই হোক সেই সিদ্ধার্থ রায়ের প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছেন। সেটা লিপিবদ্ধ থাকার কারণে এখন আর অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। এখন সিপিএম বা রাশিয়াকে হাজার গাল দিয়েও সেই অস্বাভাবিক ইতিহাস চর্চাকে মুছে দেওয়া যাবে না।
  • sm | 233.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ২৩:১৩662758
  • না প্রমান করে আপনি ভারত রাশিয়া সম্পর্ক নিয়ে ওয়াকিবহাল কিন্তু পল্লব্গ্রাহিতা বা বদহজম দোষে দুষ্ট।যে বাখ্যা টি দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ আপনার মনগড়া।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ২৩:২৭662759
  • পিটি।
    আমি লিখেছি - অম্বিকেশবাবু ও তার সাথে আরও একজন-এর কেস নিয়ে এপিডিআরও রাস্তায় নেমেছে।
    - স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই নেমেছে। কিন্তু অম্বিকেশবাবুর অ্যাজেন্ডা আলাদা। উনি এপিডিআরের হাত ধরবেন না। তাই............।

    "মানে বিজেপির জন্ম হওয়ার জন্যেও বামেরা দায়ী এর চাইতে বেশী হাস্যকর আর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা শুনেছি বলে মনে করতে পারিনা।"
    ঠিক। তেমনি মমতার উত্থানের জন্য মানবাধিকার কর্মীরা দায়ী, এর চাইতে বেশী হাস্যকর আর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা শুনেছি বলে মনে করতে পারিনা।
    দুক্ষেত্রেই কিন্তু হাত ধারাটা কমন। সে ইন্দিরা হঠাতেই হোক বা সিপিএম হঠাতেই হোক।
  • সুশ্রুত সরখেল | 212.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ২৩:৩৩662760
  • ৩০০০ এর জেল যাওয়ার খবরেও শান্তি নাই! এদের দাবীটা কি?
  • সুশ্রুত সরখেল | 212.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ২৩:৩৫662762
  • এই শুনি সিপিএমের নাকি দেখা মেলেনি, তাই ঐ লিঙ্ক দিলাম তবে হ্যাঁ গজালটা মিসিং ছিল।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ২৩:৩৬662763
  • সিধু রায় আর পিয়োদাসমুন্সীর মতো চতুর, দুকান কাটা নির্লজ্জ ও ক্ষমতালোভী মানুষ ভারতের রাজনীতিতে কম আছে। ১৯৭৭এ যেভাবে এরা ইন্দিরার ওপর সব দায় চাপিয়ে নিজেরা সাধু সাজলো, আবার পরে পায়ে ধরে তারই কোলে চড়লো - শয়তানির এ এক চরম উদাহরণ।

    কিন্তু তাতে ৭২-৭৭ সিপিএমের প্রতিবাদহীণতার দায় স্খলন হয় না।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ২৩:৪২662764
  • সুসা। ৩০০০ জেলে যাওয়া, ১১০০ খুন হওয়া, আরও প্রচুর সংখ্যায় আত্মগোপন করা - এসবই সত্য।
    কিন্তু ৭২ থেকে ৭৭ সিপিএম একটি ভূখ মিছিল করা ছাড়া পবতে কোন আন্দোলন করে নি।
    মুখেই জগৎ মাত করেছেন - অত্যাচারের পরিনাম বাংলা হবে ভিয়েৎনাম। কোথায় কি?
  • ranjan roy | 132.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ২৩:৫১662765
  • ওপরে fact নিকের লেখা পোস্ট থেকেঃ
    "140,000 people had been arrested without trial during the twenty months of Gandhi's Emergency. Jasjit Singh Grewal estimates that 40,000 of them came from India's two percent Sikh minority."
    আর এটাও সত্যি "The Economist described the movement as "the only non-left revolutionary force in the world". It said that the movement was "dominated by tens of thousands of RSS cadres, though more and more young recruits are coming". Talking about its objectives it said "its platform at the moment has only one plank: to bring democracy back to India".

    বিনাবিচারে আটক ১,৪০,০০০ এর মধ্যে ৩,০০০ সিপিএম।
    আর এস এস, সমাজাবাদী ও আকালিদের তুলনায় কতটুকু?
    বোম্বে ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকেরা গণ স্বাক্ষর দিয়ে প্রতিবাদ পত্র পাঠিয়ে গ্রেফতার হলেন।
    কোলকাতার শিক্ষক কমরেডরা?
    লোকসভা রাজ্যসভা মিলিয়ে ৮০- জনের মত সাংসদ জেলে, সিপিএম এর মাত্র একজন। সেও বন্ধু মানুবাবুর পরামর্শ না শুনে দিল্লি যাওয়ায় (পিটির লিং)।
    তাই জেপি ও জর্জের এবং আর এস এসের মুভমেন্টকে "দি ইকনমিস্ট " পত্রিকা বলছে "the only non-left revolutionary force in the world".
    তাও মানতে হবে গণতন্ত্র পুনঃ প্রতিষ্ঠায় বামেদের অবদান!!
  • ranjan roy | 132.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ২৩:৫৫662766
  • আর সিপিএম নেতা গোপালন সংসদে জানালেন যে বেশ কিছু কংগ্রেস কর্মীও জেলে ছিল।
    আন্দোলন ছাড়া ভিজিবিলিটি? তাও নেতারা বাইরে থেকে? সিধুবাবুর সঙ্গে সমঝোতা করে?(পিটির লিং)
    এই নাকি কমিউনিস্ট পার্টির অবদান।
    কেবল ১৯৪২ এ জনজোয়ারের সময় কমিউনিস্ট নেতাদের যুদ্ধের সপক্ষে প্রচার ও রিলিফ কমিটি চালানোর সঙ্গে কিছুটা মেলে!
  • PT | 213.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০১:০৪662767
  • কল্লোঅলদা

    তথ্যবিকৃতি ১।
    "বামেরা যে জনসঙ্ঘের হাত ধরলো জরুরী অবস্থায়।"
    জরুরী অব্স্থার সময়ে বামেরা জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃতাধীন জনতা পার্টির হাত ধরেছিল। তখন জনসঙ্ঘের কোন আলাদা অস্তিত্ব ছিল না।

    তথ্যবিকৃতি ২।
    "(বামেরা) মোরারজী দেশাইয়ের সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থায় ভ্টদানে বিরত থেকে সরকারটা ফেললো।"
    ১৯৭৭-এর লোকসভায় CPI+CPIM+FB+RSP=7+22+2+4 অর্থাৎ বামেদের দখলে মোট ৩৫ টি সিট ছিল। তার সঙ্গে Peasants and Workers Party of India-র ৫-টা সিট জুড়লে মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৪০। সেখানে Bharatiya Lok Dal/Janata Party-এর সিট ছিল ২৯৮-টা। আর ইতিহাস বলছেঃ Through 1979, support for Morarji Desai had declined considerably due to worsening economic conditions as well as the emergence of allegations of nepotism and corruption involving members of his family. Desai's confrontational attitude eroded his support.[1] His main rival Charan Singh had developed an acrimonious relationship with Desai.[15] Protesting Desai's leadership, Singh resigned and withdrew the support of his BLD. Desai also lost the support of the secular and socialist politicians in the party, who saw him as favouring the Hindu nationalist BJS.[6]
    অর্থাৎ মোরারজির সরকারের পতনের সঙ্গে বামেদের বিশেষ কোন সম্পর্ক নেই।

    তথ্যবিকৃতি ৩।
    "মমতার উত্থানের জন্য মানবাধিকার কর্মীরা দায়ী, এর চাইতে বেশী হাস্যকর আর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা শুনেছি বলে মনে করতে পারিনা।"
    কোথাও কখনো এমন কথা বলিনি। কিন্তু APDR সিঙ্গুরে তিনো-বিজেপি-মাওবাদীদের সঙ্গে মাখামাখি করছিল সেটা দেখানোর জন্য কাগজের লিং দিয়েছি বার চল্লিশেক। আর APDR-এর ধরি-মাছ-না-ছুঁই-পানি সদস্য/কর্মী সুজাত ভদ্র নিয়মিত তিনোদের মিটিং-এ যেতেন। কাজেই মমতার উত্থান নয়, মমতার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পেছনে APDR-এর কাঠবিড়ালীর সেতুবন্ধন সুলভ অবদান অবশ্যই আছে।

    আর আজ যারা ইন্দিরা হঠানোর জন্য বামেদের জনতা পার্টির হাত ধরার সমালোচনা করে তাদের জরুরী অবস্থার সমর্থক বলে ধরে নেওয়া ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই।
  • Mmu | 87.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০২:২৮662768
  • বিক্ষোভের মধ্যেই তৃণমূলে গেলেন রাজারহাটের তাপস

    নিজস্ব সংবাদদাতা

    কলকাতা, ১ জুলাই, ২০১৫, ১৫:৩৭:২৫

    e e print

    1

    জল্পনা চলছিল বেশ অনেক দিন ধরে। শেষ পর্যন্ত সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলেই যোগ দিলেন রাজারহাট-গোপালপুর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তাপস চট্টোপাধ্যায়। তাঁর পুরবোর্ডের মেয়াদ ফুরনোর পরে সম্প্রতি ওই পুরসভায় প্রশাসক বসানো হয়েছে। আগামী অক্টোবরে রাজারহাট এবং বিধাননগর পুরসভাকে সংযুক্ত করে নতুন পুর-নিগমের ভোট হওয়ার কথা। তার কয়েক মাসের মধ্যেই বিধানসভার ভোট। এই পরিস্থিতিতে রাজারহাটের এক সময়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা তাপসবাবুকে তৃণমূলের দলে টানা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    সিপিএম ছেড়ে তাপসবাবুর শাসক দলে যোগদান অবশ্য খুব মসৃণ হচ্ছে না! এমনিতেই রাজারহাট-নিউটাউন এলাকা তৃণমূলের গোষ্ঠী-দ্বন্দ্বে জর্জরিত। তার উপরে তাপসবাবুর মতো দাপুটে নেতার অনুপ্রবেশ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে প্রভাব ফেলবে বলেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দলের অন্দরের সমীকরণে রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত এখন কোণঠাসা। তাঁর শিবিরের ধারণা, তাপসবাবুকে দলে নিয়ে আসা হল বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের হাত শক্ত করে তাঁদের আরও বিপাকে ফেলতে। আগামী বিধানসভা ভোটে তাপসবাবুই সব্যসাচীর কেন্দ্র থেকে টিকিট পেতে পারেন বলেও দলের একাংশের ধারণা। এ সমস্ত জল্পনা এবং আশঙ্কার জেরেই বুধবার নিউটাউনে রীতিমতো পথে নেমে তাপসবাবুকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ শুরু করেছে তৃণমূলের একাংশ। তাদের দাবি, ‘সিপিএমের হার্মাদ, তৃণমূলের উপরে অত্যাচারী তাপস চট্টোপাধ্যায়কে দলে নেওয়া চলবে না’। দলীয় সূত্রের খবর, বিক্ষোভ এড়িয়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশি নিরাপত্তায় তৃণমূল ভবনে নিয়ে যেতে হয়েছে তাপসবাবুকে। সেখানে তাপসবাবুর হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দিয়েছেন দলের যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হাজির ছিলেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং কৃষিমন্ত্রী তথা রাজারহাট-গোপালপুরের বিধায়ক পূর্ণেন্দু বসু।

    তৃণমূলে যোগদানের পরে প্রত্যাশিত ভাবেই পত্রপাঠ তাপসবাবুকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে সিপিএম। দলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদক গৌতম দেব বলেছেন, ‘তাপসবাবু পার্টির শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ তো বটেই, পার্টির প্রতি বিশ্বাসঘাতকতাও করেছেন। তাঁর এই কাজে রাজারহাট ও নারায়ণপুর এলাকার মানুষ গভীর ভাবে মর্মাহত। তাঁকে গঠনতন্ত্রের ১৯(১৩) ধারা অনুযায়ী দল থেকে বহিষ্কার করা হল। এখন থেকে কোনও পার্টি সদস্য ও সমর্থক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন না’। সিপিএমে থেকেই তাপসবাবু তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে গভীর যোগাযোগ রেখে চলতেন বলেও অভিযোগ করেছেন গৌতমবাবু। তবে তার জন্য আগেই কেন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হল না, সেই প্রশ্ন উঠছে সিপিএমের অন্দরেই।

    চার বছর আগে বিধানসভা ভোটে তাপসবাবু হেরে যাওয়ার পর থেকেই তাঁর তৃণমূলে যাওয়ার জল্পনা চলছে। বারেবারেই তৃণমূল নেতৃত্ব চেষ্টা করেছেন, রাজারহাটের এই নেতার হাতে দলের পতাকা ধরানোর। নানা কারণে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। সপ্তাহদুয়েক আগে সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদকমণ্ডলী গঠনের দিন প্রতিবাদ জানিয়ে বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন তাপসবাবু। সিপিএম নেতৃত্বের একাংশের ধারণা ছিল, সেটাই তাঁর দল ছাড়ার চূড়ান্ত ক্ষেত্র প্রস্তুতি! তাঁর তৃণমূলে যাওয়ার জল্পনা আরও পাকা হওয়ার পরে মঙ্গলবার দিনভর সিপিএম নেতাদের কারও ফোন ধরেননি তাপসবাবু। তখনই সিপিএম নেতৃত্ব বুঝে যান, কী হতে চলেছে! তাপসবাবুর যুক্তি, সিপিএমের মধ্যে বয়স্কদেরই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তার ফলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা যাচ্ছে না। আর সেই সঙ্গেই তিনি চান ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের কাজে সামিল হতে’। এমনকী, তৃণমূল নেত্রীর মধ্যে বামপন্থার কিছু গুণও তিনি খুঁজে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাপসবাবু।
  • Mmu | 87.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০২:৫৫662769
  • এবার কি হবে ? জানি কি হবে। মিলিয়ে দেখে নেবেন গুরুর পাঠক রা।

    দিন দিন যা হচ্ছে তাতে করে একটা দিন এমন আসতে চলেছে গোটা টিএম সি দল টাই নবাগত কমরেড রা খেয়ে নেবে।। কেননা এখন যা হচ্ছে সবই ঐ নবঃ কম দের দয়ায়। গোস্ঠী সংঘ্ষ`? সেটা কি? নব বনাম আদি।
    তাপস চাটুজ্যে র মতো একজন একনিস্ঠ কমঃ গোটা উত্তর ২৪ পরগনায় আছে বলে মনে হয় না। সব টাই বামেদের গট আপ। এদের সি পি এম থেকেই পাঠানো হয়েছে জেনে রাখবেন। দলটাকে শেষ করে দিয়ে এরা ফিরে যাবে। মমতা ব্যানার্জী র পক্ষে এত কিছু দেখা সম্ভব নয় জানি। তবুও তিল তিল করে তার তৈরি করা দলটা তো এরা শেষ করে দেবে। তাই আমার মনে হয় নেত্রীকেই এদিকে একটু নজর দিতে হবে।
  • কল্লোল | 111.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৫:৪২662770
  • মমতার উথানে - APDR-এর কাঠবিড়ালীর সেতুবন্ধন সুলভ অবদান অবশ্যই আছে।
    সেটা হলে, বিজেপির উত্থানেও সিপিএমের কাঠবেড়৯ হাত অবশ্যই আছে।
    আমি দুটোর কোনটাই মনে করি না। কিন্তু তোমার যুক্তিতে তাইই হয়।

    আমি জরুরী অবস্থার সমর্থক!!! হাহাপেফেগে। প্রায় গোটা জরুরী অবস্থাটা জেলেই কাটিয়েছি।
  • কল্লোল | 111.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৬:২১662771
  • না ম্মু। গোটা সিপিএমকে তৃণমূলে আনার কোন ইচ্ছেই তৃণমূলের নেই। তৃণমূল শুধু সিপিএমএর "সম্পদ"দের চায়।
    এরপর হয়্তো তপন-সুকুর।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৭:৪৪662773
  • ম্মু, অত চিন্তা করবেন না। তিনোমুলকে শেষ করার প্রয়োজনীয় রসদ তিনোমুলের ভেতরেই আছেঃ

    "কখনও ছাত্রদের হাতে অধ্যক্ষের হেনস্থা। কখনও কলেজের স্টাফরুমের বাইরে শিক্ষককে প্রহার। কখনও বা শিক্ষিকাকে রেপ করিয়ে দেওয়ার হুমকি। জেলায় জেলায় শিক্ষকদের গায়ে হাত তোলার ঘটনা বারবারই সামনে আসছিল। গত সপ্তাহেই আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের ঘরে ভাঙচুর চলেছিল। বাদ রইল না কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ও।

    বুধবার ভরদুপুরে উপাচার্যের সামনেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে শিক্ষকদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে এক দল হামলাকারী। তারা শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের কর্মী-সমর্থক বলেই অভিযোগ। অবাধ লাথি-ঘুষিতে এক শিক্ষকের মুখ ফুলে যায়। তাঁর জামাকাপড় ছিঁড়ে দেওয়া হয়। পুরো ঘটনাটাই ঘটে উপাচার্য এবং সহ-উপাচার্যের চোখের সামনে। হেনস্থার হাত থেকে বাঁচেননি তাঁরাও। স‌ংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সাক্ষী থাকেন এ সব কিছুরই।
    http://www.anandabazar.com/calcutta/calcutta-university-professors-staffs-allegedly-assaulted-by-tmcp-1.169056#
  • কল্লোল | 111.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৮:০২662774
  • পিটি উবাচ।
    তথ্যবিকৃতি ১।
    "বামেরা যে জনসঙ্ঘের হাত ধরলো জরুরী অবস্থায়।"
    জরুরী অব্স্থার সময়ে বামেরা জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃতাধীন জনতা পার্টির হাত ধরেছিল। তখন জনসঙ্ঘের কোন আলাদা অস্তিত্ব ছিল না।
    - জরুরী অবস্থায় কোন জনতা পার্টি ছিলো না।
    The Janata party was officially launched on 23 January 1977 when the Janata Morcha, Charan Singh's Bharatiya Lok Dal, Swatantra Party, the Socialist Party of India of Raj Narain and George Fernandes, and the Bharatiya Jana Sangh (BJS) (ঈশেন মোটা হরফ বা তলদাগের বন্দোবস্তো কর)joined together, dissolving their separate identities (the merger of all party organisations was to be completed after the election).
    https://en.wikipedia.org/wiki/Janata_Party#Creation
    তাহলে জরুরী অবস্থায় বামে রা জনসঙ্ঘের হাত ধরেছিলো। ইতিহাস তাই বলে।

    তথ্যবিকৃতি ২।
    "(বামেরা) মোরারজী দেশাইয়ের সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থায় ভ্টদানে বিরত থেকে সরকারটা ফেললো।"
    ১৯৭৭-এর লোকসভায় CPI+CPIM+FB+RSP=7+22+2+4 অর্থাৎ বামেদের দখলে মোট ৩৫ টি সিট ছিল। তার সঙ্গে এঅসন্ত্স অন্দ Workers Party of India-র ৫-টা সিট জুড়লে মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৪০। সেখানে Bharatiya Lok Dal/Janata Party-এর সিট ছিল ২৯৮-টা।
    অর্থাৎ মোরারজির সরকারের পতনের সঙ্গে বামেদের বিশেষ কোন সম্পর্ক নেই।
    - ইতিহাস বলছে বিষয়টা অন্য রকম।
    President Reddy appointed Charan Singh as the Prime Minister of a minority government on the strength of 64 MPs, calling upon him to form a new government and prove his majority. The departure of Desai and the BJS had considerably diminished Janata's majority, and numerous Janata MPs refused to support Charan Singh. MPs loyal to Jagjivan Ram withdrew themselves from the Janata party. Former allies such as the DMK, Shiromani Akali Dal and the Communist Party of India (Marxist) had distanced themselves from the Janata party.
    অতএব - "মমতার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পেছনে APDR-এর কাঠবিড়ালীর সেতুবন্ধন সুলভ অবদান অবশ্যই আছে" এটা হলে - বামেদেরও বিজেপির উত্থানে কাঠবিড়ালীর সেতুবন্ধন সুলভ অবদান অবশ্যই আছে।

    যদিও আগেই বলেছি আমি দুটোর কোনটাই মনে করি না।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৮:২৩662775
  • মোটা দাগের সত্যি প্রয়োজনঃ

    dissolving their separate identities (the merger of all party organisations was to be completed after the election).
    অর্থাৎ জনসঙ্ঘের আর কোন অস্তিত্ব থাকবে না এটাই ছিল শর্ত।

    the Communist Party of India (Marxist) had distanced themselves from the Janata party.
    এই দূরত্ব তৈরি করে সিপিএম জনসঙ্ঘের দিকে যায়নি কেননা তখন জনসঙ্ঘের কোন অস্তিত্বই ছিল না। আর ২২ টা মাত্র সিট নিয়ে মোরারজিকে বাঁচানোর মত সংখ্যাও সিপিএমের ছিল না। কিন্তু এই দৃষ্টিকোণ থেকে লিখলে ঘনঘটার আসল নায়্ক চরণ সিং-কেই বাদ দেওয়া হয় যে!!

    ঐ জন্যেই তো বার বার বলি যে অর্ধ ইতিহাসের চর্চা বন্ধ হোক।
  • সুশ্রুত সরখেল | 212.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৯:৪১662776
  • http://blogs.timesofindia.indiatimes.com/folk-theorem/bengal-politics-doggy-style/

    In this chaotic universe, stuff like law and order is out of control: local media reports 491 murders in Bengal in the last six months, all politically motivated. The districts of East Midnapore and Murshidabad are on top with 60 killings each, followed by North 24-Parganas with 56.
  • কল্লোল | 135.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৯:৪৯662777
  • পিটি।
    ১) জনসঙ্ঘের অস্তিত্ব বিলোপ হবে নির্বাচনের পর। অর্থাৎ নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের সময় জনসঙ্ঘ খুব বেশী রকমই ছিলো।
    ২) ভাবের ঘরে চুরি বোঝো? জনতা থেকে সরে ও দূরে দাঁড়ালো কারাকারা? অন্যান্যদের সাথে জনসঙ্ঘের সাংসদ (তখন ৯৫জন) ও সিপিএমের সাংসদরাও। কে কার কাছে এলো?
    জনসঙ্ঘের অস্তিত্ব? চরণ সিংএর অভিযোগ ছিলো অটলবিহারী-আদবানি ও তাদের চ্যালারা দ্বৈত সদস্যপদ রেখে চলছিলো - জনতা পার্টি ও জনসঙ্ঘ। তারা জনসঙ্ঘ ভেঙ্গে দেয় নি, গোপনে সংগঠন রেখে দিয়েছিলো। সেটা তো তখন সিপিএম জেনে গেছে। তারপরেও...........

    আরে! তুমি ও ইতিহাস চর্চাকেই অতীতবিলাসীতা ভাবো। তোমার তো ওরকম মনে হবেই।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৯:৫২662779
  • "সেটা তো তখন সিপিএম জেনে গেছে। তারপরেও..........."
    ঝেড়ে কাশ। কি বলতে চাইছ?
    জয়প্রকাশের আন্দোলনের সঙ্গে যোগ না দিয়ে ইন্দিরার জরুরী অবস্থা জিইয়ে রাখা উচিত ছিল সিপিএমের?
  • কল্লোল | 135.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৯:৫৪662780
  • শুনেছি জ্যোতিবাবু এর বিরোধী ছিলেন। উনি সে সময় পোল্যান্ডে গেছিলেন। ফলে দলের মধ্যে বিতর্কে থাকতে পারেন নি।
    তবে এসব শোনা কথা।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৯:৫৬662781
  • এমনটি হয়ে থাকলে জ্যোতিবাবুর বিদেশ যাত্রায় দেশের উপকারই হয়েছিল।
  • কল্লোল | 135.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ১০:০৫662782
  • ঝেড়ে আর কাশবো কি!
    আমি তো কোথাও সেরকম লিখি নি।
    আমি বারবার লিখেছি, "যদিও আগেই বলেছি আমি দুটোর কোনটাই মনে করি না।"
    অর্থাৎ ইন্দিরাকে হঠাতে জনসঙ্ঘের হাত ধরেছিলো সিপিএম। তাতে বিজেপির উত্থানের দায় সিপিএম-এ বর্তায় না।
    তেমনই সিপিএম হঠাতে তৃণমূলের সাথে অনেকে হাত মিলিয়েছিলো। তাতেও তৃণমূলের ক্ষমতায় আসার দায় তাদের উপর বর্তায় না।
    বিজেপির উত্থান ও ক্ষমতায় আসার দায় কংগ্রেসের ব্যার্থতা। তৃণর উত্থান ও ক্ষমতায় আসার দায় সিপিএমের ব্যার্থতা।
    আর যদি এদিকে কাঠবিড়া৯ হয় তো ওদিকেও কাঠবিড়া৯।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ জুলাই ২০১৫ ১০:১৮662785
  • "তৃণর উত্থান ও ক্ষমতায় আসার দায় সিপিএমের ব্যার্থতা।"
    একদল যাবে ও আর এক দল আসবে-এ নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই।
    আপত্তি APDR ও অন্যান্য অতিবাম সংগঠনের ভন্ডামি ও দ্বিচারিতা নিয়ে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন