এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৬৯১৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ঊমেশ | 118.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৪:১৯662819
  • আমার মনে হয় বাংলা'র লোকজন এই শাসক দলের গুন্ডামী আর দাদাগিরি তে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।
    এটাই তাদের ভবিতব্য, এই সার কথা জেনে গেছে।
    তাই ওটা আর ভালো থাকা, মন্দ থাকার মধ্যে হিসাবে ধরে না।

    তবে শুনেছি কলকাতা আর শহরতলী'র রাস্তা-ঘাট নাকি বেশ ভালো হয়েছে।
  • Bratin | 122.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৪:৩৬662820
  • উমেশ সেটা সিপির্ম কোন লোকজন ছোখে দেখেনি।বাকিরা দেখেছে ;))
  • Rectangular Parallelepiped | 117.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৫:১৫662821
  • দুর্জনের কথায় কান না দেওয়াই বিদগ্ধ ব্যক্তির ধর্ম। কান না দিলেই হয়।

    দুর্জনে বলে ইতিহাস-প্রসিদ্ধ কিছু ব্যক্তির আমলে ইউরোপের কোনো কোনো দেশে রাস্তাঘাটের উন্নতি হয়েছিলো, বাস-ট্রেন সময়ে চলতো, কিন্তু...

    বছর কয়েক আগে জনৈক সাংবাদিক প্রতিদিনে এই নিয়ে আবেগঘন লেখাও লিখেছিলেন। তাই বলি দুর্জনের কথায় কান দেবেন না।
  • | 77.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৫:২৪662823
  • অরি দিল পে নিয়ে নিয়েছে ঃ((
  • সিকি | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৫:২৪662822
  • এই যেমন জরুরি অবস্থার স্মৃতিচারণ চলছে, সবাই বলছে ইন্দিরা কী ডাইনি ছিল, সঞ্জয় কেমন ডাকাত ছিল, কিন্তু এই শহরেই আজও অনেকে স্মৃতিচারণ করেন সেই সব দিনগুলোর - বাসট্রেন সময়ে চলত, সবাই কাঁটায় কাঁটায় নটায় অফিসে আসত - এইসব।

    যাই হোক, আমার বাবা রাসচা ছিল আজীবন - দু হাজারে রিটায়ার করেছে, কখনও দেরিতে মাইনে পেয়েছে শুনি নি। রিটায়ারমেন্টের পরে পেনশন চালু করতে চক্কর কাটতে হত, ঠিক ঠিক লোককে খুশি না করলে মাসের পর মাস বছরের পর বছর পেনশন আটকে থাকত, কিন্তু মাইনে - নাঃ, শুনি নি।
  • a | 30.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৫:৩৮662824
  • এটাও শুনেছি " মাসিমা ভোট টা লাল এ না পড়লে পেনশন টা আটকে যাবে"।
  • ঊমেশ | 118.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৫:৪৬662825
  • আমি আগেই হাত তুলে দিই, আমি নিজেও দেখিনি বাংলা'র নতুন রাস্তা-ঘটের কি অবস্থা।

    আমি আগেও বলেছি, সবই শোনা কথা।
  • | 77.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৫:৫০662826
  • রাস্তা ঘাট, ফুটপাতের অনেক উন্নতি হয়েছে। কোনো বিশেষ রঙের নয়, নিরপেক্ষ চশমা পড়লেও দেখা যাবে।
  • quark | 24.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৮:৫৭662827
  • আর কম্পালসারি ওয়েটিং এর লম্বা লিস্ট? এও নিশ্চয় আরো লম্বা ছিল?
  • SS | 106.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৯:২৮662829
  • ঠাট্টা করব কেন? কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত দু দিনে কি হয়েছে ডিটেলে জানি না। কিন্তু কলেজে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাঙচুর, শিক্ষকদের হেনস্থা, ঘেরাও এসব কি নতুন ব্যাপার? আমার নিজের পরিবারের দু তিনজন কলেজের অধ্যাপক ছিলেন আশি নব্বই এর দশকে আর এই শতাব্দির প্রথম কয়েক বছর। একজন একটি ইউনিভার্সিটির ভিসি ছিলেন। শিক্ষকদের হেনস্থার গল্প প্রচুর শুনেছি।
  • Du | 34.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ২২:৪৮662830
  • এমনকি বাস স্ট্যান্ড গুলো~ও খুব ভালো হয়েছে - সেখানে দাঁড়িয়ে আনুকূল্য, অনুপ্রেরণা এইসব বানান শেখা যায়, না দেখে উপায় আছে।
  • | 183.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ২৩:১৬662831
  • স্কুলের সবাই সময়মত মাইনে পায়!!প্রায় প্রত্যেকমাসে নাকি মাইনে পেতে অর্ধেকমাস কেটে যায়? রাস্তাঘাট ভালো হয়েছে এইটা আমিও শুনেছি।পাড়ার গলিটলিও পিচঢালা হয়েছে-দেখেও এলাম। তারসঙ্গে এও দেখলাম কাট আউটের চড়াবাজার- নেতাজির জন্মদিনে তাঁর এক পুঁচকে ছবির সঙ্গে এক মহামানবের আকাশছোঁয়া কাট আউট। সবাই লিলিপুট, উনিই একমাত্র গ্যালিভারঃ)
  • Bratin | 122.*.*.* | ০৩ জুলাই ২০১৫ ২৩:৫৮662832
  • এই তো দু দি অবধি দেখে ফেলেছে।;)))

    ও ঈ রকম ভুল বানান ওয়ালা কিছু কাজ সিপিএম আমলে হলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হত। এই আর কী!! ;)))
  • Du | 34.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ০০:৩০662833
  • ভুল বানান নিয়ে তো কিছু বলিনি! নিজে বানান ভুল লিখে থাকতে পারি তাই হয়তো ব্রতীন এরম ভাবছে। লোহার/কংক্রিটের স্ট্যান্ডে নিজের অধিকারেই দাঁড়ানো যেত কি বসা যেত। এই সব কিছুই এখন কারো আনুকুল্যে বা বা অনুপ্রেরনায় পেতে হচ্ছে এবং সেটা গায়েও লাগছে না, বরং ফোকটে হাসিমুখের আশীর্বাদ দেখে মন ভরে উঠছে এইটাই তো আসল কথা।
  • | 183.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ০১:৪৬662834
  • আহা,আশীর্বাদ কখনো বেশি হয়্না। আর এক্সারসাইজ ও খুব জোরকদমে চলছে। আন্ডারপাসের সিঁড়ি দিয়ে দুবার যাতায়াত করলে হাঁটু আর পায়ের যে ব্যায়াম হচ্ছে-তাতে অস্থিবিশারদদের পসার বাড়ছে বই কমছে না।বাইরে রাস্তা পেরোবার যো নেই,নীল পুলিশ ঘেঁটি ধরে খেঁদিয়ে দিচ্ছে।আমার বাবা কাঁদতে কাঁদতে নিউটাউনের সিঁড়ি ভেঙে বাড়ি এসে ক্রেপ ব্যান্ডেজ লাগিয়ে ওনাকে দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন।
  • S | 139.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ০৫:৩৪662835
  • আচ্ছা এইখানে একটা জানা আরেকটা শোনা কথা বলে দি। নব্বইয়ের দশকে ইস্কুল শিক্ষকদের মাইনে পেতে দেরি হোতো, পেনসন পেতে বছর ২ এক ঘুড়তে হোতো। সেগুলো পরবর্তি কালে অনেক বেটার হয়েছিলো। শুনেছি, দিদি ক্ষমতায় আসার পরে নাকি মাইনে এক্দম মাসের শুরুতেই আসছে - অবশ্যি সেটি অনেকদিন আগে শোনা কথা।

    আর "মাসিমা ভোট টা লাল এ না পড়লে পেনশন টা আটকে যাবে" এইগুলো যাস্ট ফালতু কথা/থ্রেট। পাড়ার মস্তান ইয়ে ক্যাডার পেনসন আটকাবে? সে তার নিজের পেনসন মনে হয় একদিন আগে করিয়ে নিতে পারবে কিনা সন্দেহ, অন্যের পেনসন আটকাবে।
  • Bratin | 122.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ০৮:০০662837
  • এ টা দু দি একদম ঠিক বলেছে। প্রত্যেক টা নতুন করা বাস স্ট্যান্ড কোন বিধায়কের ফান্ড থেকে তা স্পষ্ট উল্লেখ করা অছে।
  • aranya | 83.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ০৯:৪৫662838
  • আর একটা কথাও শুনেছি উমেশ, হাসপাতালে নাকি বেটার সার্ভিস পাওয়া যাচ্ছে।
    তবে সুশাসনের অভাব-টা বড়ই চোখে লাগে
  • PM | 116.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ০৯:৪৯662840
  • আমার যদ্দুর মনে পড়ছে, নব্বই দশকের শেষ দিকে কিছু বছর স্কুল শিক্ষকদের মাইনে ঘোষনা করেই মাসের দ্বিতীয় বা ৩ য় সপ্তাহে হত। এটা কতোদিন চলেছিলো জানি না। কেউ ভ্যালিডেট করুন প্লিজ কারন আমার তথ্য সুত্র খবরের কাগজ। শুনেছি ৭৭ এর আগে ২-৩ মাস মাইনে পাওয়া যেতো না। সেই সময় বেশীর ভাগ স্কুল সরকারী ছিলো না। এটার সত্যতাও কেউ বলুন।

    যদি সরকার বলে প্রতি মাসে ৩য় সপ্তাহের প্রথম দিন মাইনে হবে, সেটা কি দেরী বলে গন্য হবে? মাইনে তো ১ মাস অন্তর-ই পাওয়া যাচ্ছে সেক্ষেত্রে শুধু মাস পয়্লা পাওয়া যাচ্ছে না--এই আর কি
  • | ০৪ জুলাই ২০১৫ ১০:৫৪662842
  • দুটো খ অরই সত্যি বলে জানি। প্রথম যখন ১ তারিখ থেকে ২য় বা ৩য় হপ্তায় সরে সেই পিরিয়ডটা বেশ সমস্যার। একবার নিয়মে পড়্দ ģএলে আর সমস্যা নেই।
  • | ০৪ জুলাই ২০১৫ ১০:৫৪662841
  • দুটো খ অরই সত্যি বলে জানি। প্রথম যখন ১ তারিখ থেকে ২য় বা ৩য় হপ্তায় সরে সেই পিরিয়ডটা বেশ সমস্যার। একবার নিয়মে পড়্দ ģএলে আর সমস্যা নেই।
  • | ০৪ জুলাই ২০১৫ ১০:৫৫662843
  • খবর
  • Rectangular Parallelepiped | 151.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ১০:৫৬662844
  • সমস্ত ডিপার্তমেন্টের চেক একসাথে সই/ক্লিয়ারেন্স অ্যাদমিনিস্ট্রেটিভ দিক থেকে অসুবিধার বলে ফেজে ফেজে করা হত। কিছুক্ষেত্রে এক তারিখ, কিছু ক্ষেত্রে তিন তারিখ, কিছু ক্ষেত্রে দশ তারিখ। যেমন যাদবপুরেই সম্ভবত দ্বিতীয় সপ্তাহে ছিলো। এটা এমন কিছু বিরাট ব্যাপার নয়।

    তবে কিছুদিন আগের স্বীকারোক্তি আর শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন ঘটনা, কামদুনি/সারদা ইত্যাদির পর রাস্তা আর ছবিওয়ালা বাসস্ট্যান্ডে এসে দাঁড়ানোটা বেশ কৌতুকময়।
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ১১:২৪662845
  • ৭০-৮০র দশকে কংগ্রেস আমল থেকেই প্রাইভেট স্কুলগুলোয় মাইনে তিন মাস পরে একসাথে আসত। আমাদের বাড়ির লোকজনকেই দেখেছি। সেটা কিন্তু ৩৬ গড়, এম পিওতেও ছিল। ৯০ এর দশকে সব জায়গাতেই ট্রেজারি থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে চেক ভাঙিয়ে মাইনে নেওয়া শুরু হলে এই অনিশ্চয়তা অনেক কমে যায়। আমি ঠিক জানি না, কিন্তু বাম আমলে মাইনে ঠিক মতই দেওয়া হত বলে আমার ইম্প্রেশন (৯০এর শেষ থেকে তো বটেই!)।
    কাজেই এখন নিয়মিত মাসপয়লায় মাইনে শুনে অবাক হলাম।
    আর ৪৯% বকেয়া ডিএ নিয়ে অসন্তোষ তো আছে।
    তবে নাকতলায় রাস্তাঘাট ভালো হয়েছে, বাঙ্গুর এভিনিউয়ের খালের সৌন্দর্যকরণ হয়েছে। এই দুই পাড়াতেই বৃষ্টিতে জল জমা কমেছে এবং শুধু ত্রিফলা নয়, আলো বেড়েছে।
    কিন্তু খোদ মেয়রের ওয়ার্ডে, বেহালায় জমা জলের সমস্যা ভয়াবহ।
    বাঘাযতীন থেকে বাঁশদ্রোণী এলাকায় পানীয় জল অপরিস্রুত, জল কিনে খাই।
    কথা হচ্ছে এহ বাহ্য। প্রত্যেক সরকারই আগের কিছু অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করে; কিছু নতুন কাজ অসমাপ্ত রেখে বিদায় নেয়। সব নতুন সরকারই আগের সরকারকে কোষাগার নিঃস্ব করার জন্যে দায়ী করে-- কী বঙ্গে কী দিল্লিতে।
    কিন্তু এগুলি দিয়ে গুন্ডামি, দাদাগিরি, পুলিশকে মার, দশগুণ বেশি দলতন্ত্র--ইত্যাদি জাস্টিফাই করা যায় না।

    আবার এমার্জেন্সির গল্প
    ===============
    হ্যাঁ, ইন্দিরার ইমার্জেন্সির প্রথম বছরে "হটাৎ" ট্রেন সময়মত চলতে লাগল। [ শ্যাম বেনেগালের 'মন্থন' ফিল্মের শুরুর সিকোয়েন্সটা মনে করুন।]
    এটা মধ্যবিত্তের জন্যে অনেক বড় স্বস্তির কারণ হয়েছিল। মুদি দোকানে সবাইকে সমস্ত কমোডিটির স্টক ডিসপ্লে করতে বাধ্য করা হল। ফুড ইন্স্পেক্টররা যখন তখন স্টক চেক করতে এসে বেশি মাল পেলে বাজেয়াপ্ত করতে লাগল এবং কালোবাজারির অভিযোগে গ্রেফতার করে মোটা টাকা পেয়ে ছেড়ে দিতে লাগল। বাজারে ফুড ইন্সপেক্টর জামাইয়ের দর উঠল।
    কালোবাজারির অভিযোগে ট্রেডারদের ভারত রক্ষা আইনে (DIR) গ্রেফতার করা হল। সমস্ত ছোট ব্যাপারী একদিনে জনসংঘের সমর্থক হয়ে গেল।
    ওদের লিফলেটে দেখলাম--
    " ছোটেঁ জেল মেঁ যায়,
    মোটেঁ মজা উড়ায়।
    ইয়ে হ্যায় তেরি ডি আই আর,
    শুন লো প্রিয় শেঠি সরকার।"
    [ তখন পি সি শেঠি মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী]।
    হুসেন ইন্দিরাকে দেবী দূর্গা বানিয়ে ছবি আঁকলেন।

    দ্বিতীয় বছরেই এমার্জেন্সির রং চটে গিয়ে কংকালটা বেরিয়ে পড়ল।
    ট্রেনের সময়ও আস্তে আস্তে ঢিলে হতে লাগল। কালোবাজারিও শুরু হল। কারখানায় স্ট্রাইক নিষিদ্ধ, কিন্তু মালিকদের লক আউট ঘোষণা করা বে আইনী হল না।
    জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে।
    এদিকে নতুন উৎপাত- সঞ্জয় গান্ধীর নেতৃত্বে যুব কংগ্রেসের দল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। উনি বিশাল কাফিলা নিয়ে রোড শো করবেন। তার বাইকবাহিনী জীপবাহিনীকে রাস্তার সমস্ত পেট্রোল পাম্প মাগনায় পেট্রোল দিতে বাধ্য।
    ওরা ফাংশান করলে সবাইকে বিনে পয়সায় গাইতে বাজাতে হবে। মাইক প্যান্ডেল--সেও বিনে পয়সায়।
    একেবারে শেকসপিয়রের নাটকের মত প্রিন্সের সঙ্গে ওর যত সাঙ্গপাঙ্গ ছোটবেলার খেলার সাথী ফলস্টাফ, হলের দল পরাক্রমী হয়ে উঠল।
    এরাই ইন্দিরাকে ডোবাল।
  • জেলুসিল | 208.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ১১:২৭662846
  • বিপ পাল আর আলিমুদ্দিন দুয়েরই কোষ্ঠকাঠিন্য আছে।
  • উমেশ | 96.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ১১:৪৩662847
  • কামুদনি/সারদা, শাসক দলের দাদাগিরি, পুলিশী অপশাসন এসব মনে হয় না বাংলা'র মানুষদের আর ভাবায়।
    এগুলো-ই স্বাভাবিক বলে ধরে নিয়েছে।

    ২০১১ এর আগেও এসব ছিল,কিন্তু ওপরের নেতা/দাদাদের পুরোট কন্ট্রোলে ছিল, তাই কখনো বাধন ছাড়া হয়ে পড়েনি, একটা লিমিটের বাইরে যেত না।
    কিন্তু দিদি আসার পর ওদের ধর্মের ষাড়ের মতো ছেড়ে দিয়েছে। "চড়ে খা গে যা" এর মতো। বাকি যা গন্ডোগোল হবে সেটা দিদি সামলে নেবে।
    এখন মনে হয় না এসব আর কন্ট্রোলে আসবে।
    কাজকর্ম নেই, ভবিষ্যৎ বলে কিছু নেই, রক্ত গরম তরুণ সমাজ করবেটাই বা কি?
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ১২:১৫662848
  • নসবন্দীর বারসি মন্ডীর ঘটনা
    ===================
    সঞ্জয় গান্ধীর প্রিয় জোর করে নসবন্দীর গ্রাউন্ড স্টোরি ইমার্জেন্সির উত্তুঙ্গ দিনে কোন ন্যাশনাল মিডিয়া বের করতে পারেনি। কড়া সেন্সর।
    বের করেছিল মুম্বাইয়ের একটি লিটল ম্যাগ--"ফালক্রাম"। এতে যুক্ত ছিলেন ঔপন্যাসিক সাইরাস মিস্ত্রি, কবি নিসিম ইজকিয়েল এবং লেখক ফারুক ধোন্ডি ও প্রদীপ গুহ।
    জানুয়ারি ১৯৭৬। পুনের ২২০ কিমি দুরে বারসি নগরে মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলে বার্তা গেল যে ১০ দিনে ১০০০ লোকের স্টেরিলাইজেশন করতে হবে। সঞ্জয়ের আদেশ। কোথায় পাবে ১০০০ ভলান্টিয়র? প্রথম দু দিন শূন্য।
    দি গার্ডিয়ান পত্রিকার বর্তমান দিল্লি প্রতিনিধি মহেশ রহমান তখন সবে ফালক্রাম ম্যাগে এডিটর হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
    খবর শুনে তিনি পৌঁছে গিয়ে দেখলেন বাকি আটদিন ধরে দুটো ট্রাক টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে। রাস্তা থেকে পুলিশের সাহায্যে যাকে তাকে রাস্তা থেকে তুলে আনছে। মিউনিসিপ্যালিটির স্টাফ ও ডাক্তাররা মিলে জোর করে নসবন্দী করছে। কৃষিপণ্যের মন্ডী হল বারসি। স্বাভাবিক ভাবেই গাঁ থেকে চাষীরা মাল কেনা বেচা করতে ওখানে আসছে। ব্যস্‌, তোল আর--!
    এদের মধ্যে কেউ কেউ অবিবাহিত, কেউ হাড়খটখটি বুড়ো, কারো মাত্র একটাই সন্তান। তাতে কি আসে যায়! টার্গেট পুরো হল। কিন্তু স্থানীয় এক ফোটোগ্রাফারের ক্যামেরায় তার কিছু দৃশ্য ধরা রইল। আর ফাল্ক্রাম ম্যাগে মহেশের কলমে ছবিশুদ্ধ বেরোল সেই রিপোর্ট।
    এই ঘটনা, বলা বাহুল্য দেশের বেশ কিছু জায়গায় ঘটেছিল।

    বড় প্রতিরোধ গড়ে ওঠেনি কেন?
    ===================
    আসলে এই ঘটনা ভারতের ইতিহাসে অভূতপূর্ব। কংগ্রেসের মধ্যেই একটা অংশ, যেমন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জগজীবন রাম চাইছিলেন প্রধানমন্ত্রী হতে। উনি চাইছিলেন ইন্দিরা এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় মেনে পদত্যাগ করুন, তাহলে সিনিয়র হিসেবে উনিই--। কিন্তু ভবি ভোলবার নয়।
    বিরোধী দলগুলোর সমস্ত বড় নেতারা জেলে। বিশেষ করে জয়প্রকাশ নারায়ণ, যাঁকে দ্বিতীয় গান্ধী বলা হচ্ছিল।
    বামেদের বেশির ভাগ নেতারা বাইরে। কিন্তু ইন্দিরার ক্যাম্পেন-- যে এমার্জেন্সির বিরোধ করা আমেরিকান সিআইয়ের ষড়যন্ত্র-- তাঁরা ঘায়েল ও কনফিউজড। এদিকে সোভিয়েত ব্লক ইন্দিরাকে সমর্থন দিচ্ছে। তাই দক্ষিণপন্থীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইন্দিরার বিরোধিতা করতে তাঁদের আটকাচ্ছিল।
    কিন্তু আন্ডারগ্রাউন্ড প্রতিরোধ দানা বাঁধছিল জনগণের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে। আরেকটু সময়ের দরকার ছিল, সবাই ভেবেছিল এটা পাঁচবছর চলবে।
    কিন্তু ইন্দিরা হটাৎ একবছর আটমাসের মাথায় এমার্জেন্সি তুলে নেওয়ায় আর ইলেক্শন ঘোষণা করায় সব ক্যালকুলেশন কাচ্চি হয়ে গেল।
  • PM | 59.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ১২:২১662849
  • সরকার পাল্টালেও এক্ষুনি এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের সম্ভবনা কম।

    ৭২-৭৭ এর পরে বামেদের কাজটা কতটা কঠিন ছিলো সেটা এখন বোঝা যাচ্ছে। জ্যোতি বসুর মত শক্ত প্রশাসক বামেরাও পাবে না নিকট ভবিষ্যতে।

    সুতরাং এই সরকার গেলেও খুব বেশী আশার আলো দেখছি না
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০১৫ ১২:৫২662851
  • ইমার্জেন্সি উঠল কেন?
    =================
    উপরে উদ্ধৃত প্রয়াত অনিল বিশ্বাস মশাইয়ের বাগাড়ম্বর ভরা প্রবন্ধটি অনৃতভাষণ এবং ইকুইভোকেশনের দোষে দুষ্ট।
    ইমার্জেন্সি কোন গণ আন্দোলনের জোরে ওঠেনি। প্রকাশ্য আন্দোলন মিটিং মিছিল ধর্ণা সমাবেশ ১৯৭৬এ অসম্ভব ছিল।
    ইন্দিরা তখন পাওয়ার কনসোলিডেট করে সম্রাজ্ঞী ক্যাথারিন! ওভারকনফিডেন্ট!
    এদিকে পশ্চিম দুনিয়ায় কথা উঠছে, প্রবন্ধ বেরোচ্ছে। পিটিশন আসছে। ইন্দিরা ভাবলেন ইলেক্শন করে গোটা বিশ্বকে দেখিয়ে দেবেন যে জনগণ ইমার্জেন্সি চায়, কোথাও কোন বিরোধ নেই। উনি নিজেও তাই বিশ্বাস করতেন। গোয়েন্দা বিভাগ সতর্ক করেছিল। উনি স্তাবকদের কথাকে বেশি গুরুত্ব দিলেন। জগজীবন রাম দিন গুণছিলেন। ইমার্জেন্সি উঠতেই উনি ইন্দিরার ছত্রছায়া থেকে বেরিয়ে এসে অনুসূচিত জাতি ভোটকে ইন্দিরার বিরুদ্ধে একত্র করলেন।
    কাশ্মীরি গেট এলাকায় বুলডোজার চালানো ও মুসলিম এলাকাতে জোর করে নসবন্দীর ঘটনা মুসলিম ভোটব্যাংককে ইন্দিরার বিরোধী করে তুলল। ইন্দিরা ও সঞ্জয় হারলেন।

    শেষ কথাঃ বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার ও ৪৪তম সংশোধন (পাইয়ের অনুরোধে)
    ======================================
    ইন্টার্নাল এমার্জেন্সি ঘোষণা করে ইন্দিরা সংবিধানসম্মত ভাবেই আর্টিকল ১৯ ও ২১ কে স্থগিত করলেন। ওতে কী আছে?

    আর্টিকল ১৯এ ফ্রিডম অফ স্পীচ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে জমায়েতের অধিকার আছে। ডিক্টেটর হতে গেলে এগুলো বন্ধ হওয়া দরকার। উনি তাই করলেন।

    আর্টিকল ২১ এ সুরক্ষিত আছে ব্যক্তি নাগরিকের জীবন স্বাধীনতার অধিকার। ফলে বিনা পর্যাপ্ত কারণে কাউকে বন্দী করা যাবে না। আর বন্দী করলেও হেবিয়াস কর্পাসের রিটে বন্দীকে আদালতে প্রস্তুত করতে হবে।
    তাই হাইকোর্ট সরকারী উকিলের তর্ক খারিজ করে হেবিয়াস কর্পাসের রিট জারী করতে লাগল। কিন্তু ইতিমধ্যেই সুপ্রীম কোর্টে ইন্দিরার বশংবদ জজদের বসানো হয়ে গেছে। তাঅই সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্টের পদক্ষেপ স্টে করে দিল।

    ৪৪তম সংশোধন
    ===========
    জনতা সরকার ২/৩ অংশের বেশি মেজরিটি নিয়ে লোকসভাতে এল। কিন্তু রাজ্যসভাতে ১/৩ এর বেশি ছিল না।
    তবু ৪৪তম সংশোধন দুই হাউসেই বিনা বিরোধ পাস হয়ে গেল। তাতে সুনিশ্চিত করা হল যে ভবিষ্যতে ইন্টার্নাল এমার্জেন্সিতে আর্টিকল ১৯ স্থগিত করা যাবে না। আর কোন এমার্জেন্সিতেই আরটিকল ২১ স্থগিত করা যাবে না।

    তাই করাপশনের বিরুদ্ধে আন্নার আন্দোলনকে সংবিধান বিরোধী ঘোষণা করেও মনমোহন সরকার বলপ্রয়োগ করে ওদের জেলে পুরতে পারেনি।
    [অতীত চর্চা ও চর্বিতচর্বণ সমাপ্তঃ))]
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ প্রতিক্রিয়া দিন