এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কি ভাবছেন সবাই(২)

    Ishan
    অন্যান্য | ১৮ অক্টোবর ২০০৬ | ৭৯২৩৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Arijit | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১৪:০৯697475
  • মাহিন্দ্রার মালিকের মন্তব্য কোথায় আছে?
  • r | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১৪:১৬697476
  • TOI
  • Arijit | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১৫:১৪697477
  • আমার ধারণা মমতা জানে না যে ও আপাতত: এজেন্টের কাজ করছে। সিরিয়াসলি - মনে হয় পুরোটাই ওকে দিয়ে করানো হচ্ছে, শিখণ্ডি বানিয়ে। ও নিজের রাজনৈতিক ফায়দা (আপাতদৃষ্টিতে) গুণতে ব্যস্ত।
  • Arijit | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১৫:১৫697478
  • TOI টা এম্নি ভাটের যে ওখানে কিস্যু খুঁজে পাওয়া যায় না। একটা প্রপার ওয়েবসাইট বানাতে শিখলো না।
  • r | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১৭:৪৭697479
  • সবকিছু নেটে পড়লে হবে? কাগজ কিনে পড়ো।
  • Suvajit | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১৮:৪৩697480
  • তাহলে মিডিয়া কার এজেন্ট হিসাবে কাজ করছে, এবং অতীতকালে এই ধরনের আন্দলোনে এবং সাম্প্রতিককালে পস্কো প্রকল্পের বিরূদ্ধে আন্দোলনে সিপিএম কার এজেন্ট হিসাবে কাজ করেছে/করছে এরকম বহু প্রশ্নের উত্তর বাকি থাকে।
    মমতা যেমন বলেছেন যে ওনার কিছু যায় আসে না, তেম্নি ভাবে নিরুপম সেনও স্বীকার করেছেন যে ঐ ৪০০ একর জমি যা গাড়ীর পার্টসের জন্য তা অন্যত্র সরিয়ে নিলে গাড়ীর দাম বাড়বে। তার মানে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেবার অপশন আছে কিন্তু সেটা টাটার জন্য কস্ট এফেক্টিভ অপশন না। তাহলে (হনুর কথা অনুযায়ী) সব কিছু অপশনই টাটাদের শর্ট ও লং টার্ম স্বার্থের কথা মাথায় রেখে বিবেচনা করা হচ্ছে।
    আবার নিরূপমবাবুর বলেছেন ৯৯৭ একর জমির মালিক ১৩০০০, সুতরাং জনপ্রতি জমি অল্প, এই অল্প জমি নিয়ে পরিবার প্রতিপালন চলে না। এই ১৩০০০এর মধ্যে ১০০০০এর বেশী জামির দাম নিয়ে নিয়েছে, ২০০০ মালিক নেন নি। তার মানে বিতর্কিত ৪০০ একর জমি এই ২০০০ মালিকের। অর্থাৎ যাদের কাছে জমি বেশী ছিলো, তারা এই জমি থেকেই পরিবার প্রতিপালন করতো এবং এখন তারাই জমি বেচতে অনিচ্ছুক।
    টাটারা বলেছে ওরা ১৫০০ কোটি টাকা ইনভেস্ট করেছে, তাহলে জমির পিছনে কত খরচা করেছে ? হিসাবমতো একর প্রতি ৩ লাখ করে ধরলেও হচ্ছে ৩০ কোটি টাকা, যা টাটা এখনো সরকারকে দিয়েছে কিনা জানা নেই। তাহলে একটা গাড়ী কারখানা করতে শিল্পপতির ২% এরো কম বিনিয়োগ জমির পিছনে করতে হচ্ছে, এরমধ্যে বিতর্ক ১%এরও কম বিনিয়োগের ওপর, এবং এই ১% এরও কম বিনিয়োগজনিত সমস্যার জন্য টাটা প:ব: ছেড়ে চলে যাবে বলে থ্রেট দিচ্ছে আর মিডিয়া সেটা খাচ্চে?
  • r | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১৯:০৩697481
  • মেইনস্ট্রিম মিডিয়া বৃহৎ পুঁজির ম্যান্ডেট বিক্রি করছে- সবসময় সব জায়গায় তাই করে। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই।

    অনিচ্ছুক চাষীদের মধ্যে শ্রেণীবিভাগ আছে- এক, জমির মালিক, দুই, বর্গাদার ও খেতমজুর। বর্গাদার ও খেতমজুরদের গল্পটা পুনর্বাসন ও জীবিকার গল্প। এই গল্পটা যদি প্রধান হত তাহলে চারশ একর নিয়ে এই লাঠালাঠি হত না। লাঠালাঠি হত পুরো জমিটা নিয়ে। রাজ্য সরকার যদি সুষ্ঠু জীবিকা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে পারে তাহলে এই অংশের বিক্ষোভ মোকাবিলা করা যায়। আপাতত: যাবতীয় শলাপরামর্শ যাঁরা চেক নেবেন, অর্থাৎ যাঁরা আইনীভাবে জমির মালিক তাঁদের নিয়ে। তাঁদেরই একজন গোপাল সাঁতরা খুব সম্প্রতি দিল্লি রোডের ধারে এক বড় আকারের জমি বেসরকারী শিল্পপতিকে বিক্রি করেছেন। জমি যদি গ্রাসাচ্ছাদনের মূল উপায় হত, তাহলে এই জমি বিক্রি করা হল কেন সেই প্রশ্ন ওঠে।

    এইবার প্রশ্ন টাটার বিনিয়োগ নিয়ে। বিনিয়োগের একটা বড় অংশ হল সাঙ্ক কস্ট অর্থাৎ যে খরচা আর ফেরৎ পাওয়া যায় না। কাজেই টাটাকে যদি সিঙ্গুর ছাড়তে হয় তাহলে যে পয়সা গচ্চা যায় তা শুধু জমির দাম নয়, অর্থাৎ বিনিয়োগের ১-২% নয়। এতদিন সিঙ্গুর প্রকল্পের জন্য যত বিনিয়োগ করা হয়েছে তার সিংহভাগটাই গচ্ছা যাবে। বরং জমির খরচ গচ্চা যাবে না, কারণ হাই কোর্টের নির্দেশের পরে ঐ জমির মালিকানা টাটার, যদি না সুপ্রীম কোর্ট এর উল্টো আদেশ দেয়। এই সাঙ্ক কস্টের সাথে যোগ হবে নতুন জায়গায় প্রকল্প তৈরি করার খরচ। কাজেই ব্যালান্স শীটের এই হিসেবটা খুব পরিষ্কার। টাটা এত বিনিয়োগ করে ফেলেছে বলেই আদৌ সিঙ্গুর ছাড়বে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ, বিনিয়োগের মোটে ২% নিয়ে ঝামেলা বলে নয়। তবে গত এক বছর কি তারও বেশি সময় ধরে টাটা কোনো ব্যাক-আপ বা কন্টিনজেন্সি প্ল্যান না বানিয়ে সিঙ্গুরের ভরসায় বসে আছে, তাও বিশ্বাস হয় না।
  • r | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১৯:১৮697482
  • তো এই গল্পটিতে আপাতত: ন্যায় অন্যায়, বেদনা সমবেদনার শতকরা ভাগ যৎসামান্য। যতক্ষণ বিতর্কটা জমি অধিগ্রহণ আইন-শিল্পায়নের মডেল-উচ্ছেদ ও পুনর্বাসন নীতি নিয়ে ছিল, ততক্ষণ সেই গল্পে বিভিন্ন "ন্যায়পরায়ণ" "বিবেকবান" কুশীলবদের ইন্টারভেনশন ও এনেগেজমেন্টের ভূমিকাও ছিল। এখন প্রত্যেক স্টেকহোল্ডার নিজের লভ্যাংশ ম্যাক্সিমাইজ করার জন্য লড়ে যাচ্ছে- এটাই স্বাভাবিক, এবং আলোচনার টেবিলে বসে এই ভাগাভাগির হিসেবটাও করে নেওয়াই সাধারণভাবে মঙ্গলজনক। সরকার বাজারদরের থেকে কম দাম দিয়েছে, এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি বাজারদরটা পাইয়ে দিতে পারেন, তাহলে সেখানকার মানুষ স্বাভাবিকভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে থাকবে। আবার যাঁরা মনে করবেন যে সিঙ্গুরের কারখানা তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ, যার মধ্যে অনেকটা সেন্টিমেন্টও আছে,- তার অনুকূল তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে থাকবে না।
  • shyamal | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১৯:৫৭697483
  • সিঙ্গুর কি হতে পারত সেটা এই লেখাটা পড়লে বুঝবেন। http://www.telegraphindia.com/1080811/jsp/frontpage/story_9676358.jsp

    আমার মনে হয় টাটার চলে যাওয়ার হুমকিটা মোটেও ফাঁকা আওয়াজ নয়। ন্যানোর জন্য আরো তিন চারটে রাজ্য তাদের ডাকছে। তাদের কি দায় পড়েছে মমতার মত একটি নন-এনটিটির গালি শোনার? আর টাটা গেলে অন্য কোম্পানি আসবে যাঁরা বলেন, তাঁরা হয়তো এতই কম বয়েসী যে নকশাল আমলে প: বঙ্গের যে ক্ষতি হয়েছে তা সম্বন্ধে তাঁদের ধারনাই নেই। এখন প্রতিটা রাজ্য নিজেকে শিল্পপতিদের কাছে বিক্রি করার জন্য নিজেকে আকর্ষনীয় করার চেষ্টা করছে। এই মার্কেটিংএ প: বঙ্গের নাজেহাল অবস্থা।
    প: বঙ্গ এমনিতেই শিক্ষা, শিল্প, স্বাস্থ্য, আয়, বিদ্যুৎ ইত্যাদিতে গুজরাত, তামিলনাডু, কেরল, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, হিমাচল, মহারাষ্ট্রের চেয়ে অনেক পেছনে। আরো পিছিয়ে যাবে কিছু বুদ্ধিমান ব্যক্তির দৌলতে।
  • Suvajit | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২০:৪১697485
  • শ্যামলবাবুর দেওয়া লিংকটার পরিপ্রেক্ষিতে- রুদ্রপুর আর সিঙ্গুর এক নয় শ্যামলবাবু। আমি গেছি রুদ্রপুরে। একটা অংশ তো জঙ্গল, রিসার্ভ ফরেস্ট। বাকি গ্রামাঞ্চলেও সিঙ্গুরের মতো এত আবাদি জমি নেই যে বছরের বেশীর ভাগ সময় কৃষিকাজ হবে। তাছাড়া একদিকে পাহাড় থাকার জন্য যোগাযোগ ব্যাবস্থাও বিশেষ উন্নত ছিলো না। পশ্চিমবঙ্গে এই রকম কোনো জায়গায় শিল্প করতে কেউ উদ্যোগী হলে সকলেই সমর্থন করবে।
  • Ishan | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২২:০২697487
  • রঙ্গনের শ্রেণীবিভাগে জমিমালিকদের কয়েকটা সেকশন বাদ পড়ে গেছে। এক। কিছু জমি মালিক আছেন, যাঁরা চাষবাস একেবারে করেন না, "শহর' এ থাকেন। দুই। আরেকটি দল আছেন, যাঁরা মূলত: অন্য কাজ করেন, জমির উপর নির্ভরশীল নয়। জমি ভাগে দেওয়া আছে, বা পার্টটাইম চাষ করেন।

    এই দুটো সেকশন প্রথম থেকেই জমি দিয়ে দিতে কোনো আপত্তি করেননি। কারণ জমিটা এঁদের কাছে প্রায় লায়াবিলিটি। সিঙ্গুর নিয়ে বেশ কটা স্টাডি হয়েছে, যাতে এঁদের কথাটা ধরা হয়নি।

    সিঙ্গুরের জমি হস্তান্তরে মূল আপত্তিটা আসছে ছোটো/মাঝারি চাষী আর ক্ষেতমজুর/ভাগচাষীদের দিক থেকে। রিয়েল এস্টেটে দাঁও মারব যে জমিমালিকরা ভেবেছিলেন, তাঁরা কেউই রিস্ক নিয়ে জমি ফেলে রাখেননি। টাকা নিয়ে জমি দিয়ে দিয়েছেন।
  • lcm | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২২:২৮697488
  • বোঝা গেল! সব দোষ মমতার, সব দোষ নিরুপম সেন-এর, সব দোষ wbidc-র, সব দোষ বন্ধ্‌ প্রিয় বাংলার মানুষের, সব দোষ বাংলার ফালতু মিডিয়ার - প্রায় দু বছর ধরে "আমরা কমিটেড'
    ডুগডুগি বাজিয়ে এখন যারা হুমকি দেখাছেন যারা তারা নির্দোষ। কারণ মানুষের উন্নতির জাদুকাঠি তাদের হাতে আছে। দুটো লাস পড়লে তারা বলবেন নো প্রবলেম আমরা আছি, দু চারটে প্রতিবাদ, গুলি/টুলি চললে বলবেন নো প্রবলেম আমরা আছি.... এরকম করতে করতে পন্থনগর তৈরী হলে বলবেন - চল ফোট্‌। হাতে পায়ে ধরে যদি বলেন - যাবেন না হুজুর, তখন বলবেন ঠিক আছে, অনেক পয়সা এখানে নষ্ট করেছি, ওটাকে নুন বা তেল কারখানা করে দেবো, বা গাড়ির ইউন্ডশিল্ড ওয়াইপার তৈরী হবে ওখানে।
    নাসিরুদ্দিনের সেই গল্পের কথা মনে পড়ে, যেখানে বাড়িতে চুরি হয়েছে, সবাই এসে নাসিরুদ্দিনকে দোষ দিচ্ছে - এরকম দরজা কেউ হাট করে খুলে রাখে...ইতাদি.. সব শুনে নাসির বলে, যা! চোরের দেখছি কোনো দোষই নেই !
  • c | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২২:৩২697489
  • পান্তোনগর!
  • r | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২২:৪২697490
  • এই সব তো হল নৈর্ব্যক্তিক বিশ্লেষণ।

    ব্যক্তিগত স্তরে ব্যাপারটা কিরকম? বাবা-মার কাছে থাকব বলে কলকাতায় প্রায় নগণ্য চাকরির সুযোগ সঙ্কেÄও ফিরে আসা একজন হিসেবে, এবং বৃহৎ পুঁজির দাসত্ব করে খাওয়াপরা জোটানো একজন হিসেবে আমি দ্বর্থ্যহীনভাবে চাই সিঙ্গুরে টাটার কারখানা হোক, বৃহৎ পুঁজি আরও আরও আসুক। যাঁরা কলকাতার বাইরে থাকেন, তাঁদের কাছে এই ব্যক্তিগত ইনভল্‌ভমেন্টের জায়গাটা ছুঁতে পারা অসুবিধাজনক। যেহেতু আমি জানি আমার রুজিরোজগার কিভাবে ও কোথা থেকে আসতে পারে, আমি এই প্রোজেক্টের একজন পরোক্ষ স্টেকহোল্ডার। একজন লিবারেল মধ্যবিত্ত হিসেবে আমি চাই, সাপও মরবে, ও লাঠিও ভাঙবে না। অর্থাৎ চাষী, টাটা, রাজ্য সরকার ও মমতা সবাই নিজের নিজের ভাগ বুঝে নিয়ে সুখেশান্তিতে ঘরকন্না করুক, সবাই দুধুভাতু খাক। আর একজন আধাপ্রাক্তন বামপন্থী হিসেবে আমি চাই...... ঐ আর কি! সবাই তো জানে স্বঘোষিত বামপন্থীরা কি চায়। ;-)
  • c | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২২:৫০697491
  • অঘোষিত
  • c | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২২:৫৪697492
  • জ্ঞানগর্ভ এইসব আলোচনা থেকে কত কিই যে জানা যায়! সত্যি তো!
  • dd | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২৩:২৫697493
  • r যে কি ঠিক ঠিক ল্যাখে। পড়লেই মনে হয় বোধোয় আমি ই য্যানো লিখলাম। এম্নি সত্যি কথা। ও:।
    তবে ওনার লাস লাইন নিয়ে আমার কিছু আসরফী আছে :

    1 বামপন্থা বলে কোনো একক ইউনিট আর নেই কো। সেই ষাঠ দশক থেকেই। দ্যাখেন না ছি পি এম নকশালে ক্যামন মারামারি। সুতরাং "বামপন্থীরা কি যে চায়...." বল্লে চলে না।
    2 জানি না বুঝি না, কোনো তথ্য নেই। হেথায় মানে কর্নাটকে কি করে এতো SEZ ইত্যকার দমাদম হয়ে যায়। লোকসংখ্যার চাপ কম ঠিক কথা (প: ব:'র তুলনায়), কিন্তু সেটাই কি একমাত্র কারন?
    3 আধা প্রাক্তন আবার ক্যামন কথা? স্লাইটলি প্রেগন্যান্টের মতন শোনায়।
  • Arpan | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২৩:২৯697494
  • রংগনের ১০:৪২ গতে করা পোস্টটি একদম সত্যি কথা।
  • r | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২৩:৩৮697496
  • আসরফীর উত্তর:

    ১। :-(

    ২। :-X

    ৩। :-))
  • c | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২৩:৪০697497
  • আহা যেতে যেতে হয়তো এখনো খানিকটা রয়ে গেছে,যেমন ঢেউয়ের ক্রেস্ট চলে গেলেও টেইল রয়ে যায়।
  • lcm | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২৩:৫০697498
  • r-এর মন্তব্যে "..সবাই দুধুভাতু খাক...' - এটাই ইয়ে মানে... বিশেষ করে ঐ "সবাই' পার্টটা...। অবশ্য "দুধুভাতু'-টাও...কবি-র রেসিপি অনুযায়ী হলে ভালো হয়... আমস্বত্ত, কলা, সন্দেশ... কিন্তু, পাতে পিঁপড়ে কেঁদে গেলে চলবে না :-)
  • c | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ২৩:৫৪697499
  • আহা, পিঁপড়েদের জন্যেও থাকবে। রসগোল্লার কফোঁটা রস, দুধের তলানি, কয়েকদানা চিনি...
  • shyamal | ২৪ আগস্ট ২০০৮ ০৪:৪৩697500
  • বাঙালিদের সঙ্গে আমেরিকানদের একটা জায়গায় মিল আছে। দুজনেরই নিজের ওপর আস্থা অতিশয় বেশি। অন্যের কাছ থেকে শিখতে চায়না। আমেরিকানরা বলে আমরা, গ্রেট। ইউরোপ, এশিয়ার থেকে কি শিখব? আপনি কোন আমেরিকান নেতাকে বলতে শুনবেন না যে ঐ দেশে এটা আমাদের চেয়ে ভাল, কাজেই আমরা সেটা অনুসরন করলে দেশের ভাল হবে।

    বাঙালিরাও কিছুটা তাই। আমরা শিখব গুজরাটি, পাঞ্জাবি, তামিল, দিল্লিবাসী, রাজস্থানির কাছ থেকে? আমরা গ্রেট। ওরা ব্যবসাদারদের চামচেগিরি করে। আমরা পাঞ্জাবি-পায়জামা পরে কাঁধে ময়লা শান্তিনিকেতনী ব্যাগ নিয়ে ঘুরি। ওদের চেয়ে কত্ত বুদ্ধিমান। সব বাঙালি নয়, তবে অনেকেই।
  • c | ২৪ আগস্ট ২০০৮ ০৬:০৭697501
  • তবে তো বাঙালির আমেরিকান হতে আর দেরি নেই! বাহবা বাহবা!
    আর চিন্তা নেই,চাঁদে যাবার লাইনে দাঁড়িয়ে গেলো বাঙালি! :-)))
  • c | ২৪ আগস্ট ২০০৮ ০৬:২০697502
  • গুজরাটী,রাজস্থানী এরা নিজেরাও তো ভালো ব্যবসাদার! কোন্‌ দু:খে ব্যবসাদারের চামচেগিরি কত্তে যাবে?
    যেসব বাঙালি এসব বলে তাদের নাকে ঘুষি মেরে দেবেন তো শ্যামল!
  • lcm | ২৪ আগস্ট ২০০৮ ১২:২৯697503
  • মুখ্যমন্ত্রী (তথা, সরকার) সিঙ্গুরের চাষীদের রিহ্যাব প্যাকেজ দেবার কথা ভাবছেন। ... state government was preparing a new package for those farmers, who had lost their land in Singur but refused to accept the compensation...

    http://tinyurl.com/5kbyub

    যাক! এই ঝামেলা থেকে মনে হচ্ছে এবারের মতন রেহাই।
    সাপ মারো, লাঠিও ভাঙ্গো...
  • h | ২৪ আগস্ট ২০০৮ ১৩:০২697504
  • আমার আজ কয়েকটি অবসারভেশন আছে :

    ক। ২৪ ঘন্টা চ্যানেলে একটা খবর বার বার সকাল থেকে অন্তত বিশ বার রিপিট করা হয়েছে। বৈদ্যবাটীতে টাটা প্রকল্পের কর্মীদের ভয় দেখিয়েছে, তৃণমূল। আমার মনে হয় এই প্রচারটা যদি ১০০% সত্যি হয়, না হওয়ার কোন কারণ নেই কারণ মারামারি ভয় দেখানোটা আমাদের রাজনীতির একটা পার্ট, তা হলেও ২৪ ঘন্টা এখনো পর্যন্ত তৃণমূলের পক্ষ থেকে ধর্নার জায়্‌গায় কোন গন্ডগোলের খবর দিতে পারে নি। এবং আমি মনে করি বৈদ্যবাটীর ঘটনার অধিক প্রচার শান্তির পরিবেশ বিঘ্নিত করছে। নিন্দনীয় প্রচেষ্টা।
    ভয় দেখানো/মারামারি/খুনোখুনি এই গুলোতে আমাদের সমস্ত রাজনৈতিক দল ই তাদের কৃতিঙ্কÄ দাবী করতে পারে। আর পুলিশ মিলিটারি তো রয়েইছে, মানুষের উপরে আক্রমন আনার জন্য। এছাঢ়া রয়েছে উত্তেজনা ছড়ানোর মত ফাল্‌তু লোক জন। রাজনৈতিক দলের বাইরের লোকেরাও দাবী করতে পারে। আমার কাছে এই প্রশ্নে, অন্তত সুশীল হার্মাদ নিরপেক্ষে কারো বিন্দুমাত্র ক্রেডিবিলিটি নাই।

    খ। সমস্য যদি মিটেও যায়, অর্থাৎ যদি অনিছুক জমির মালিক রা 'উন্নততর' কম্পেনসেশন পান ও তাহলেও ১৮৯৪ এর অধিগ্রহণ আইনের সংশোধন অবশ্য কর্তব্য। এবং কম্পেন্সেশন প্যাকেজের আওতায়, দিনমজুর, ক্ষেতমজুর, অন্যান্য অসংগঠিত কৃষি বা কৃষিপন্য জীবিদের আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত সারা দেশে।

    গ। কৃষির ভিত্তির উপরে দাঁড়িয়ে শিল্পময় ভবিষ্যতের যে শ্লোগান সেটা ঢপ ঢাপ বাদ দিয়েও মূলত রুরাল কনজিউমার ইকোনোমি পশ্চিম বঙ্গে তৈরী হয়েছে এই দাবী। আমার মতে সিংগুরের অধিগ্রহণের পদ্ধতি ও রাজনীতি এবং সে অঞ্চলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যা রেজাল্ট, তাতে সিংগুর সমস্যার আশু সমাধানের প্রসেস আরম্ভ আইনি রিকোর্সে শুরু করে দিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ
    করা উচিত। কারণ সিপিআইএম এবং তৃণমূল আর অন্যান দলগুলোর সকলেরি বিভিন্ন শ্লোগান আর নির্বাচনী ইশেতেহার র‌্যাটিফিকেশন জরুরী। এবং নির্বাচনের চেয়ে বড় রেফারেন্ডাম আর হয় না।

    ঘ। মিডিয়া কমপ্লিটলি ট্যাবলয়েডাইজড। সুস্থ মস্তিষ্কের কোন দাম নেই।
  • h | ২৪ আগস্ট ২০০৮ ১৩:১২697505
  • ঙ। মধ্যবিত্ত প্রফেশনালের স্বার্থকে জাতীয় বা রাজ্যের স্বার্থ হিসেবে আমি মানতে পারবো না। মানবার মত আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি এখনো আসে নি। দীর্ঘদিন জনকল্যাণ ও আইনের শাসনের অভিজ্ঞতা যদি এদেশে আমার জীবৎঅকালে হয়, তাইলে তখন মেনে নেবো। এখনো সেরকম পরিস্থিতি এসেছে বলে মনে হয় না।
  • bitoshok | ২৪ আগস্ট ২০০৮ ১৪:১২697507
  • h

    ক) শুধু ২৪ ঘণ্টা নয়। স্টার আনন্দ-ও ঐ খবর দেখাচ্ছে।

    খ) এই শিল্প বনাম কৃষি-এই তর্ক টাই আমার অবান্তর মনে হয়। আমার কাছে অনেক বেশি জরুরি মানুষের বেচে থাকার অধিকার। Tata-র ব্যবসা করার অধিকার টাই অধিকার আর সিঙ্গুর, ভোপালের মানুষের জন্যে 'ফোট বে'?

    গ) বঙ্গদেশীয় মিডিয়া এখন অর্ধশিক্ষিত, সবজান্তা লোকেদের বিচরণক্ষেত্র।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন