এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • উঁহু | 51.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ২৩:০৯555222
  • মনে হয় না অনির্বাণ ট্রল করছে। গুরুর রেসিডেন্ট শাইনিং যারা - একক, ডিসি ইত্যাদি, ইদানিং আবাজ খাবার ভয়ে একটু গায়ে চাদর জড়িয়ে নিয়েছেন নিজেদের শাইনত্ব লুকিয়ে ফেলতে। কিন্তু অনির্বাণের বক্তব্যে নতুন কিসু নাই। বিভিন্ন সময়ে একক, ডিসিরা গুরুর পাতায় গরিব লোক, ব্যাগড়াবাবু ও সুন্দরবনের সব বাঘ মেরে হটিয়ে দেবার জন্য সওয়াল করেছেন। ডিসি কুদানকুলামে উদয়কুমারকে হটিয়ে দেবার উদাহরণ টেনে বারবার আক্ষেপ করেছেন নন্দীগ্রামে বুদ্ধবাবুর ম্যানেজ করতে না পারা নিয়ে। এখন নব্য শাইনিং দেখে আদি শাইনিংদের এট্টু চোখ ধাঁধিয়ে গেছে আর কি। আমাদেরও এককবাবুর বিবিধ ভায়োলেন্ট বক্তব্য পড়ে বিভিন্নসময়ে ঐরকম হয়েছিল। সাউথ আফ্রিকার এপার্থেইস্ট কি ক্ল্যাসিস্ট ফ্যাসিস্ট কিচু না, হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন কেস। ও সয়ে যাবে।
  • হেঁয়ালি | 49.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ২৩:০৪555220
  • "আমি চাই আমার শহর ঝকঝকে তকতকে হোক। " - তাতে অনির্বাণের কী সুবিধা হবে বুঝছি না।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২২:৪৬555219
  • সানসেট দেখতে দেখতে আর বিয়ার খেতে খেতে সুইসাইড করলে সেই জায়গাটার নাম দেওয়া উচিত সুইসাইড পয়েন্ট laugh
     
    তবে অনির্বান নির্ভেজাল ট্রোল করছেন।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ৩১ মে ২০২৬ ২২:১৬555217
  • সোশ্যাল সেফটি নেট তৈরি করা নিয়ে মতামত বলতে গিয়ে জানা গেল অনির্বাণ এর কাছে একটাই উপায় আছে সুইসাইড করে নেওয়া। তো এইসব লোকজনকে নিয়ে আর কিছুই বলার নেই।

    অনির্বাণ আপনি বলছেন আপনি সবার জন্য চাইছেন কিন্তু হকার স্বার্থপর। কিন্তু যা বললেন, দেখলাম তাতেও স্বার্থপরের মতই নিজের জন্যই চাইছেন। ফাঁকা রাস্তা, এসি ক্যাব নিজের স্বাছন্দ্যের জন্য চাইছেন অন্য কারোর জন্য নয়। মনে রাখবেন ভারতবর্ষে আপনি সংখ্যালঘু আর গরিব দিন আনা মানুষ সংখ্যাগুরু আর ভারতবর্ষ এখনো খাতায় কলমে ডেমোক্রেসি। আজ সম্পদ শুষে এসে মুষ্টিমেয়র হাতে জমা পড়েছে, তাই মুখখানা লাল দেখাচ্ছে। তাই বলে শরীরের অসুস্থতা কমেনি মোটেই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানীয় জল সব কিছুতে আফ্রিকার দেশের মতো অবস্থা ভারতে। আপনি যদি আপার্টহাইডের সাউথআফ্রিকার হোয়াইট টাউন চান আর বাকিদের মেরে ভাগানোর তাল করেন তাহলে আপনি একজন স্বার্থপর ক্লাসিস্ট।
  • ভালো অনির্বাণ (সংগৃহীত) | 2601:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২২:০৭555216
  • Facebook: Link to the original post: https://www.facebook.com/share/p/1Qw4j3ttxj/

    "ঝাঁ চকচকে রাস্তা চাই, বিদেশের মতো দেখতে স্টেশন চাই, ফটোশ্যুট করার জন্যে ঝলমলে নদীর পাড় চাই - এবং যারা এইগুলি চাইছে না তারা অশিক্ষিত, দেশকে গরিব রাখতে চায়, এরা নিজেদের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে হকারদের রাখুক, বেআইনি জায়গা হকাররা দখল করে থাকবে কেন?"
    এটাই হলো মোটের উপর যুক্তি। শুনতে কি দারুণ না? আবেগ দিয়ে নয় বাস্তবতা দিয়ে ভাবতে হবে যাতে দেশের উন্নতি হয়। আবেগ দিয়ে উন্নতি হয় না। দৃঢ় পদক্ষেপ লাগে। অর্থাৎ যেন এই যে বন, নদ-নদী, নদীর পাড়, হকার সবকিছুর উচ্ছেদ হচ্ছে সেখানে দুইপক্ষের একজন আবেগী যে এইগুলি রুখতে চায় অন্যজন বিশাল অর্থনীতি বোদ্ধা যুক্তিবাদী - এইরকম শোনাচ্ছে তো?

    আসুন যারা খুব যুক্তিবাদী সাজছে তাদের কয়েকটি প্রশ্ন করি। যে যেখানে এইসব কিছু উচ্ছেদ করে দেওয়ার পক্ষে দাঁড়াবে তাদের এই প্রশ্নগুলি করুন -

    (১) তারা বলছে হকাররা "বেআইনি দখল" করে আছে। ঠিক আছে। কিন্তু তারা আগে বলুক — এই মানুষগুলো যাবে কোথায়?

    ভারতবর্ষের জিডিপি-তে কৃষি থেকে আসা অংশ ক্রমহ্রাসমান অথচ দেশের সর্বোচ্চ মানুষ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে এই পেশার সাথেই যুক্ত। কৃষি এতো অলাভজনক হওয়ায় মানুষ অন্যান্য সেক্টরে কাজের খোঁজে বেড়ানো শুরু করেছে।
    সরকারের নিজের সংস্থা NSSO-র তথ্য বলছে, কৃষি ছেড়ে আসা কোটি কোটি মানুষের মধ্যে কারখানা-শিল্প নিয়েছে নগণ্য একটা অংশকে। PLFS ২০২২-২৩ বলছে ম্যানুফ্যাকচারিং-এ নতুন কাজ তৈরি হচ্ছে না বললেই চলে। এমনকি মোদী সরকারের "স্কিল ইন্ডিয়া" প্রকল্পে যারা ট্রেনিং পেয়েছে তাদের ৭০%-এর বেশি চাকরি পাননি — এটা সরকারের নিজের CAG রিপোর্ট বলছে। এখন তারা বলুক যে এই কোটি মানুষ ফুটপাতে না দাঁড়ালে কোথায় দাঁড়াবে?

    (২) "বিদেশের মতো সব ঝাঁ চকচকে চাই" যারা বলছে। মনে রাখবেন তারাই আপনি কি পোশাক পড়বেন, কোন ভাষায় কথা বলবেন ইত্যাদি সব স্বদেশী চায়। যেই উচ্ছেদের প্রসঙ্গ আসে সাথে সাথে বিদেশী মডেল এদের চোখে ভালো হয়ে যায়। কিন্তু, বিদেশে কি দেখতে পাওয়া যায়?
    ব্যাংককের রাস্তার খাবারের দোকানের কথা কে না জানে? খাদ্যরসিক মানুষ সারাদিন ব্যাংককের খাবারের ভিডিও দেখছে। এমনকি এটি UNESCO স্বীকৃত। শহরের পর্যটন আয়ের প্রায় ২০% আসে এই রাস্তার অর্থনীতি থেকে। সেখানকার সরকার জোনিং করে দিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধির ট্রেনিং দিয়েছে, ছোট ঋণের ব্যবস্থা করেছে। দেশের অর্থনীতিতে সেটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
    সিঙ্গাপুরে সরকার নিজে হকার সেন্টার বানিয়ে দিয়েছে, হকারদের ভর্তুকি দিচ্ছে। পরিণাম কী জানেন? সেখানকার দোকান Michelin Star পেয়েছে। Michelin Star হলো রান্নায় অস্কার পাওয়ার মতো সম্মান।
    নিউ ইয়র্কে দেখুন। ওখানে ফুড ট্রাককে লাইসেন্স দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যবিধি মানলেই ছাড়।
    প্যারিসে পৌরসভা নিজে থেকে জায়গা দেয়। সেই জায়গার ভাড়া নেয়। এবং প্যারিস হকারদের নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসাবে দেখে।
    এই উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবে না। তাহলে? কোন বিদেশের গল্প শোনাচ্ছে তারা?

    (৩) "আবেগ নয়, বাস্তবতা দিয়ে ভাবতে হবে"? পরিসংখ্যান দিক ওরা ওদের উন্নয়নের মডেলের। কীরকম বাস্তবতা দেখি আমরাও একটু।
    দিল্লিতে ওরা যে বড় উচ্ছেদ ঘটালো তারপর ওই পরিবারগুলো কোথায় গেল, কী করছে, আয় কত হলো — এই তথ্য কি সরকার কোথাও প্রকাশ করেছে? Habitat International আর মুম্বাই হাইকোর্ট নিযুক্ত কমিটির পুরনো রিপোর্ট বলছে, জোরপূর্বক উচ্ছেদের পর পারিবারিক আয় গড়ে ৭৭% কমে গেছে এবং স্কুলছুট হয় ৫০% শিশু।
    এগুলির দায় কার? তারা সেই দায় পালনে কী ভূমিকা নিয়েছে?

    (৪) ওরা যে বলছে উচ্ছেদ হলে "উন্নয়ন হবে"। কোন মডেলে হবে সেটা? ওরা কিছু বলতে পারছে? উচ্ছেদের পরে কী? ধাপে ধাপে দেখাতে পারবে কীভাবে উন্নয়ন আসবে উচ্ছেদ করে?
    "মেট্রো হবে, মল হবে" - এই তো যুক্তির হতশ্রী দশা!
    ওদের এই মডেলেই নয়া রায়পুর বানানো হয়েছিল পরিকল্পিত শহর হিসেবে। আজ সেখানে মানুষ নেই, ভুতুড়ে শহর হয়ে জায়গাটা পড়ে আছে। ওরা উদাহরণ দেবে গুরুগ্রামের DLF — যেখানে ঢুকতে গেলে পকেটে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা চাই। স্থানীয় ছোট বিক্রেতাদের ঢোকার অনুমতি নেই। ফলাফল? দেশের ক্রাইমে অন্যতম প্রধান জায়গা।
    যারা এখানে উচ্ছেদের জন্যে লাফাচ্ছে তারা নিজেদের কন্যাসন্তানকে ওখানে চাকরি করতে পাঠায় না। এতটাই 'সুরক্ষিত'!
    তাহলে উচ্ছেদের পরে এইরকম শহর বানিয়ে দিল ভালো কথা। কিন্তু, এই উচ্ছেদের পর কত লাখ চাকরি হবে, কত বছরে, কে দেবে — এর কোনো হিসেব আছে? ক্ষমতা থাকে তো সরকার আমাদের ডাকুক। আমরা যারা বিরোধিতা করছি আমাদের প্রশ্নের ধাপে ধাপে উত্তর দিক।

    (৫) এদের অন্যতম হাতিয়ার হলো হকারদের "বেআইনি" বলা। ঠিক আছে, তাহলে আইনের কথাতেই আসি।
    দেশজোড়া হকারদের বিদ্রোহের ফলে তৎকালীন ইউপিএ সরকার ২০১৪ সালে — Street Vendors (Protection of Livelihood and Regulation of Street Vending) Act - এই আইন তৈরি করে। সেই আইন বলছে: প্রতিটা শহরে টাউন ভেন্ডিং কমিটি গঠন করতে হবে, পাঁচ বছর অন্তর সমীক্ষা হবে, ভেন্ডিং জোন চিহ্নিত হবে, হকারদের সার্টিফিকেট দিতে হবে।
    যারা বেআইনি বেআইনি করে লাফাচ্ছে — তারা একটু তথ্যপ্রমাণ সহ আমাদের জানিয়ে যাক যে
    মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ, বিহার, দিল্লি এবং এখন বাংলায় যে হকার উচ্ছেদ চলছে তার আগে এই সমীক্ষা হয়েছে? যদি হয়ে থাকে সেই কমিটিতে কি হকার প্রতিনিধি আছেন? তাঁকে কারা নির্বাচন করলো? আইন অনুযায়ী তাদের বিকল্প জায়গা কি দেওয়া হয়েছে? CAG আর মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট বলছে, ২০২১ সালেও দেশের মাত্র ৩০% পুরসভা এই কমিটি তৈরি করেছে, সমীক্ষা তারও কম হয়েছে। এখানে ওরা যুক্তি দিতে পারে রেলের ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য নয়। এখানে মৌলিক প্রশ্ন - রেল তো এদের থেকেই ভাড়া নিতে পারে। যারা ইতিমধ্যে ওখানে রয়েছে। ওদেরকে তুলে বড়ো বড়ো কম্পানিকেই তো সেখানে বসাবে। শিক্ষা খাতে টাকা বাড়াতে পারছে না, স্বাস্থ্যখাতে টাকা বাড়াতে পারছে না, অন্তত ভারতবর্ষের মানুষের অন্যতম প্রাণ রেলটা ছেড়ে দিক। সেখানে যে বিপুল সংখ্যক গরিব মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন তাদের কতজন প্রতিদিন ১০০ টাকার চা আর ২০০ টাকার ভাত খেতে পারবে?

    (৬) প্রচুর কমেন্ট আসছে "এদের নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাখো"। তারপর এদের প্রোফাইলগুলো গিয়ে দেখছি। কারও আর্থিক অবস্থা নিয়ে কটুক্তি করার শিক্ষা আমাকে আমার বাড়িতে দেয়নি। কিন্তু, এরা নিজেরাও হয়তো উপলব্ধি করতে পারেনি যে কীভাবে এরা নিজেরাও সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এদের উপর নির্ভরশীল।
    NITI Aayog-এর ২০২২ রিপোর্ট বলছে, ভারতের শহুরে কর্মশক্তির ৮২% অপ্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরে আছে। যাদের পেটের ভাত মারতে এরা উচ্ছ্বসিত সেই চাওয়ালা, অটোচালক, রাজমিস্ত্রি, গৃহ পরিচারিকা — সবাই এটির অংশ।
    এদের দাবি এরা সকালে শহরে ট্রেন ধরে আসবে তারপর পরিষেবা দিয়ে বিকেলে ট্রেন ধরে বাড়িতে ফিরে যাবে। শহরে এদের কোনো জায়গা নেই।
    এই কথাটা এরা মুখ ফুটে বলতে পারছে না। শহুরে যেসব বাবু-বিবিরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছে তারা বিজেপির ওই নিচুতলার গরিব কর্মীটিকেও এই চোখেই দেখে। জেনে রাখুন।

    (৭) এদের আরও এক যুক্তি হলো "যারা বিরোধিতা করছে তারা দেশকে গরিব রাখতে চায়"। তাই? তাহলে সেই পরিসংখ্যানটাই দেখা যাক। গত বারো বছরে মোদীজির "উন্নয়নের" জোয়ারে— কর্মসংস্থানের হার CMIE অনুযায়ী ২০১৭ সালের ৪৪% থেকে ২০২৪ সালে ৪০%-এ নেমেছে। ক্ষুধা সূচকে ভারত ১২৫টি দেশের মধ্যে ১১১ নম্বরে নেমে গেছে। এমনকি সেটা নেপাল, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশেরও নিচে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের নিজস্ব হিসেব বলছে যে মূল্যস্ফীতি ধরলে গ্রামীণ মজুরির প্রকৃত বৃদ্ধি নেই। মানে আপনার মনে হতে পারে যে আজ থেকে বারো বছর আগের থেকে আজকে আপনার মাইনে অনেক বেশি। কিন্তু টাকার মূল্য প্রতিদিন যেভাবে কমছে, দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি যেভাবে হচ্ছে সেখানে দেখা যাচ্ছে যে আপনার অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং আরও খারাপ হয়েছে।
    তাহলে আপনাদের মডেল কোন গরিবকে নিস্তার দিচ্ছে? কতজনকে বড়োলোক করেছে?

    (৮) বুলডোজার চালানো কি একমাত্র পদক্ষেপ? ওরা বলছে কিছু ভালোর জন্যে কিছু খারাপ সহ্য করতে হয়। এদিকে ব্যাখ্যা করতে পারছে না যে ভালোটা কী হচ্ছে? জিজ্ঞাসা করলে বলছে 'দৃঢ় পদক্ষেপ লাগে'। তার ফলাফলটা আমাদেরও বোঝানো হোক! একতরফা সমীক ভট্টাচার্যকে বলতে দিলে হবে? আমাদের সামনে বসানো হোক। আমরা প্রশ্ন করি। সাহস থাকলে সামনে বসিয়ে উত্তর দেওয়া হোক আমাদের।
    মিউনিসিপ্যাল বন্ড জারি করে ভেন্ডিং জোন বানানো, সকল হকারদের নথিভুক্ত করা, ক্ষুদ্রঋণ ও বীমার ব্যবস্থা করা, প্রতিটা শহরে ভেন্ডিং কমিটির নির্বাচন বাধ্যতামূলক করা। এগুলি করলে কি ক্ষতি হতো আমি জানতে চাই।

    আমি জানি এতকিছু পড়ে উত্তর দিতে না পেরে তারা বের করবে সবচেয়ে অশ্লীল যুক্তিটি।

    "এরা কোথায় যাবে সেটা সরকারের দায় নয়।"

    তাহলে দেখা যাক সরকার এদের দায়িত্ব না নিলে যারা এদের বিরোধিতা করছে তাদের কী অবস্থা হবে! যদিও এখানে প্রশ্ন করা যেতো যে,
    যে দেশে কর্মশক্তির ৮২% অপ্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরে, সেই দেশে সরকার যদি বলে "এদের দায় আমার নয়" — তাহলে সরকার আসলে কার দায় নিচ্ছে? ৮২% মানুষের দায় না নিলে যে ১৮% বাকি থাকে, তারা একা কি দেশটা চালাবে? এই দেশের উন্নয়ন, সবকিছু কি শুধুই এদের জন্যে? আদৌ সেটা হবে কি?

    এই ৮২% মানুষ শুধু "গরিব" নয় — এরা দেশের সবচেয়ে বড় ভোক্তাগোষ্ঠী। এরা রোজ যা আয় করে তার প্রায় পুরোটাই স্থানীয় বাজারে খরচ করে। চাল, তেল, সবজি, বাসভাড়া, বাচ্চার পড়ার খরচ। এই খরচ থেকে আরেকজনের আয় হয়, সেই আয় থেকে আরেকজনের — এটাই অর্থনীতিতে demand multiplier। এই শৃঙ্খলটা ছিঁড়ে দিলে শুধু গরিব মানুষ মরে না, পুরো অর্থনীতিতে ধ্বস নামে। ভারতে মানুষ জিনিস কিনছে না। এটা সরকারি পরিসংখ্যান বলছে। তাই তাদের জিএসটি ২.০ করতে হলো। যাতে মানুষ জিনিস কিনতে উৎসাহ পায়। কিন্তু, ভেবে দেখুন তার ফলে এক প্যাকেট বিস্কুটের দামও কমেনি। অর্থাৎ ট্যাক্সের ছাড় সরাসরি গেল কম্পানির মুনাফায়। এবং ভাতা কোনো ভিক্ষা নয়। মার্কেট যখন এইরকম অচল হয়ে যায় ক্রেতার অভাবে তখন মৃত মানুষকে কোনোরকমে বাঁচিয়ে রাখতে মার্কেটে মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকে যৎসামান্য বৃদ্ধির জন্যে সরকার নিজের স্বার্থে ভাতা দেয়।

    পৃথিবীতে এই অবস্থা আগেও হয়েছে।

    ১৯৯০-এর দশকে আর্জেন্টিনা IMF-এর পরামর্শে ঠিক এই কাজটাই করেছিল — সরকারি ব্যয় কমানো, দুর্বলদের ভর্তুকি বন্ধ করে দেওয়া, বাজারকে নিজের মতো চলতে দেওয়া। ফল কী হয়েছিল? ২০০১ সালে দেশ দেউলিয়া হয়ে গেছিল। মধ্যবিত্ত রাতারাতি দরিদ্র হয়ে ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে রাস্তায় নেমে গেছিল। ব্যাংকের সামনে লাইন পড়ল। ভয়াবহ সামাজিক কলহ সৃষ্টি হলো। সেখানকার সরকার পড়ে গেল। এক বছরে পাঁচজন প্রেসিডেন্ট বদলানো হলো।

    কারণটা খুব সহজ। যখন সরকার দুর্বল মানুষের দায়িত্ব নেওয়া বন্ধ করে, তখন সেই মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হারিয়ে যায়। ক্রয়ক্ষমতা হারালে বাজারে বিক্রি কমে। বিক্রি কমলে ছোট ব্যবসা বন্ধ হয়। ছোট ব্যবসা বন্ধ হলে আরও বেকারত্ব বাড়ে। বেকারত্ব বাড়লে আরও ক্রয়ক্ষমতা কমে। এটা একটা মৃত্যুকূপের মতো — একবার শুরু হলে থামানো ভয়ঙ্কর কঠিন।

    ভারতে এই লক্ষণগুলি কিন্তু দেখা যাচ্ছে। গ্রামীণ মজুরি বাড়ছে না, FMCG কোম্পানিগুলো নিজেরাই বলছে গ্রামীণ চাহিদা কমছে, ছোট প্যাকেটের বিক্রি বাড়ছে কারণ মানুষ এক কেজির জায়গায় আধা কেজি কিনছে। এটা সমৃদ্ধির লক্ষণ নয় বরং বিপদের লক্ষণ।

    এই যে নিজের পছন্দের দলের জন্যে এই দেশের এবং এই দেশের গরিব মানুষের জন্যে কবর খোঁড়ায় যারা উচ্ছ্বাসিত জানবেন ওদের এই কবরে ফেলেই ওদের সরকারের লোকজন বিপদের দিনে বিদেশে পালাবে।

    তথ্যসূত্র (ফুটনোট)
    1. ১. NSSO Employment-Unemployment Survey (68th Round, 2011-12) – কৃষি ছেড়ে আসা শ্রমিকের তথ্যের জন্য: https://mospi.gov.in/unit-level-data-labour২.
    2. Periodic Labour Force Survey (PLFS) 2022-23 Annual Report – ম্যানুফ্যাকচারিং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত: https://mospi.gov.in/periodic-labour-force-survey-plfs৩.
    3. CAG Report on Skill India Mission (Report No. 12, 2023) – প্রশিক্ষণ পরবর্তী চাকরির হার: https://cag.gov.in/en/audit-report/details/118011৪.
    4. UNESCO Intangible Cultural Heritage – Bangkok Street Food (Nomination file, 2019): https://ich.unesco.org/en/RL/nuad-thai-traditional-massage-01384?
    5. (উল্লেখ্য, ব্যাংকক স্ট্রিট ফুড আলাদা তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়াধীন ছিল, পর্যটন আয়ের ২০% সংক্রান্ত তথ্য: https://www.bangkokpost.com/thailand/special-reports/1427953/bangkok-street-food-a-20-year-retrospective)৫.
    6. Michelin Guide Singapore – Hawker Chan (1 Star) related report: https://guide.michelin.com/sg/en/article/dining-out/hawker-chan-singapore-first-michelin-starred-street-food৬.
    7. New York Food Truck Permit – NYC Health Dept: https://www.nyc.gov/site/doh/business/food-operators/mobile-food-vending.page৭.
    8. Paris Marchés (street markets) – Mairie de Paris: https://www.paris.fr/pages/les-marches-parisiens-2420৮.
    9. Habitat International Coalition – Eviction Impact Assessment reports: https://www.hic-gs.org/document.php?pid=2706
    10. (সাধারণ তথ্যের জন্য; নির্দিষ্ট ৭৭% আয় হ্রাস ও ৫০% স্কুলছুটের ডেটা বিভিন্ন এনজিও রিপোর্টে, যেমন: https://yuvaindia.org/wp-content/uploads/2020/01/Eviction-Impact-Assessment-Report.pdf)৯.
    11. CMIE Unemployment Rate Data (2017 vs 2024): https://unemploymentinindia.cmie.com/১০.
    12. Global Hunger Index 2023 – India rank 111 out of 125: https://www.globalhungerindex.org/india.html১১.
    13. EAC-PM Working Paper on Real Rural Wages (2023): https://eacpm.gov.in/reports/১২.
    14. NITI Aayog – Report on India's Informal Economy (2022): https://www.niti.gov.in/sites/default/files/2022-07/Informal-Economy-in-India.pdf১৩.
    15. Argentina IMF crisis 2001 – overview: https://www.imf.org/external/np/exr/center/mm/eng/mm_rs_01.htm১৪.
    16. GST 2.0 reform press coverage (The Hindu BusinessLine, 2023): https://www.thehindubusinessline.com/economy/gst-20-need-for-rate-rationalisation-and-simplification/article66773340.ece১৫.
    17. FMCG Rural Demand slowdown reports: https://www.business-standard.com/industry/fmcg-sector-slowdown-124022100052_1.html
  • lcm | ৩১ মে ২০২৬ ২১:৫১555215
  • সেটা তো লিভিং স্পেস .. যতই ভার্টিকাল লিভিং হোক - এক জায়গায় আর কত লোক একসঙ্গে থাকবেন ... লোক দূর থেকে আসবেন কাজের জন্য ... কিন্তু আসবেন, অর্থাৎ কিনা সারাদিন, এমনকি রাতে (মেডিক্যাল কর্মী, সিকিউরিটি ...) ... একদম কাছাকাছি, গায়ে গায়ে লেগে থাকবেন বেশি-আয় এবং কম-আয়ের মানুষ ... থাকতেই হবে ... সেটাই স্ট্রাকচার ...
  • @lcm | 40.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ২১:৪১555214
  • উনি লিখেছেন - "স্কিল্ড লেবার ট্রেনে করে জোনে ঢুকবে, কাজ করে জোন থেকে বেরিয়ে যাবে।"
     
    পক্ষেবিপক্ষে মতামত নাই, কিন্তু আলোচনা ইন্টারেস্টিং লাগছে।
  • lcm | ৩১ মে ২০২৬ ২১:৩৯555213
  • খেয়াল রাখতে হবে, উল্টোটা কিন্তু সম্ভব ...
  • lcm | ৩১ মে ২০২৬ ২১:৩৭555212
  • কয়েকেদিন আগে লিখেছিলাম, সেখান থেকে একটু আবার দিই --
     
    মর্ডান সোশ্যাল স্ট্রাকচার এখনও এভাবে তৈরি হয় নি যেখানে ধনী ব্যক্তিরা কম আয়ের মানুষের কোনোরকম সাহচর্য ছাড়া জীবনযাপন করতে পারবেন... অর্থাৎ কিছু ধনী মানুষ নিজেরা একটা কলোনী তৈরি করল, সেখানে আর কাউকে লাগবে না, তারা নিজেরাই সেলফ সাফিশিয়েন্ট, সেই জনপদে অন্য কাউকে কাজ করতে বা কোনো কারণে আসতে হবে না, বা, কাউকে কাছাকাছি থাকতে হবে না... এমন এখনও হয় নি.. ( আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ভবিষ্যৎএ হবে কিনা সেটা অন্য বিষয়...)... তো এই পরিস্থিতিতে, বেশি আয়ের মানুষ এবং কম আয়ের মানুষকে কাছাকাছি থাকতে হচ্ছে, অস্তিত্বের তাগিদে... এবং সেক্ষেত্রে কম আয়ের মানুষকে বেঁচে থাকার মতন ন্যুনতম সাপোর্ট না দিলে, ধনীরাও বাঁচবেন না..
  • X | 103.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ২১:৩৬555211
  • @Anirban - দয়া করে "একা একা দূরে কোনো হোটেলে গিয়ে সুইসাইড করে নেওয়া?" এরকম বাঁদুরে প্ল্যান করবেন না। - সেলফিস মর্কটের মতো। হোটেলের বা হোমস্টের যতো ঝামেলা - প্লাস মামদো হয়ে জ্বালাবেন আরো দুশো বছর। তার থেকে নিজের বাড়িতে করুন যা করার - আর যদি তা না থাকে তো ভারতীয় রেল এ ঝামেলা কম।
  • Anirban | 51.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ২১:২৬555210
  • নাহ, ওরকম প্রথম বিশ্ব তৃতীয় বিশ্ব হার্ড সীমানা আর নেই। ইন্ডিয়াতে যেটা আছে, সেটা হলো লো রিস্ক লো রিটার্ন বনাম হাই রিস্ক হাই রিটার্ন মেন্টালিটির সংঘর্ষ। এই যে চাকরি যাবার কথা লিখল, এই হচ্ছে ভয় নিয়ে বেঁচে থাকবার নমুনা। আমরা তো কর্পোরেটে ঢুকেছি অনিশ্চয়তাকে মেনে নিয়েই। ইস্কুলমাস্টারের চাকরি খুঁজে সন্তুষ্ট থাকিনি তো। তাহলে ভয় খাচ্ছিস কেন্? স্টেকটা বাড়া। চাকরি চলে গেলে আরেকটা চাকরি খুঁজে নেব। সেই কনফিডেন্স আছে। আচ্ছা, ধর যদি না পাই? ধর যদি ​​​​​​​সেই দম্পতির ​​​​​​​মতো হয় যারা ​​​​​​​ব্যাঙ্গালোরে ​​​​​​​হাইক্লাস ​​​​​​​লাইফস্টাইলে ​​​​​​​এতটাই ​​​​​​​অভ্যস্ত ​​​​​​​হয়ে ​​​​​​​গেছিল ​​​​​​​যে দুজনেরই ​​​​​​​চাকরি ​​​​​​​যাবার পর ​​​​​​​কলকাতা ​​​​​​​ফিরে ​​​​​​​সুইসাইড ​​​​​​​করে? এই গল্পটা ​​​​​​​বাঙালিদের ​​​​​​​খুব ​​​​​​​প্রিয়। ​​​​​​​দুজন কনসেনটিং এডাল্ট সমাজের তোয়াক্কা না করে বোল্ড ডিসিশন নিচ্ছে তাতে আপত্তির কি আছে? ভয়েরই বা কি আছে? ​হ্যাঁ, শুরুতেই শহর ছেড়ে যাব না নিশ্চয়। চেষ্টা করব কাজ জোটানোর। তারপর সঞ্চয় ফুরিয়ে এলে কয়েকটা বিয়ারক্যান কিনে গ্রামে ফিরে যাব। সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে বোরড হয়ে গেলে সুইসাইড করে নেব। এরকম শুনলে বাঙালি আঁতকে ওঠে। দাদা সুইসাইডাল নাকি? এদেশের লোক চায় ভয়ে ভয়ে জড়িয়েমড়িয়ে এট এনি কস্ট বেঁচে থাকব। আচ্ছা ধরুন ডেভেলপমেন্ট নেই, স্পেশাল ইকোনোমিক জোন নেই, আদিগন্ত ট্রেড ইউনিয়ন, সেই শহরে জীবন অনিশ্চিত হবে না? আর ইউ শিওর? চাকরি না হয় যাবে না, ক্যান্সার ধরা পড়লে প্ল্যানটা কি? জীবনের সব সঞ্চয় উড়িয়ে চিকিৎসা করে আল্টিমেটলি মরে যাওয়া? বেটার কি এটা নয় যে জাস্ট একটা ভ্যাকেশন প্ল্যান করে একা একা দূরে কোনো হোটেলে গিয়ে সুইসাইড করে নেওয়া? কোনটা স্বার্থপর? ফুটপাতের হকারের কাছে ড্রেনের ওপর দোকানটাই সবকিছু হলেই সেটা সিস্টেমের কাছে ইম্পর্টেন্ট হয়ে যায় না। সিস্টেম ডিজাইন করতে গেলে কিছু হিউম্যান স্যাক্রিফাইস করতে হবে।
  • X | 103.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ২১:২৪555209
  • dc ঠিকই বলেছেন- আমার এক বন্ধু বলছিল যে ভারত দশ বছরে অনেক এগিয়েছে, কারণ এখন অনসাইট থেকে চকলেট আনলে মেয়ে বিরক্ত হয়- কারণ লুরুতে কমপ্লেক্সের পাশের দোকানেই সে সব পাওয়া যায়। এ বুদ্ধবাবুর খুব বড় ফ‍্যান আবার। তো এসব মহাজন আছে অনেক
  • M | 2a0b:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২১:২৩555208
  • dc-র পছন্দের স্বার্থপর ক্যাপিটালিস্ট হল সিপিআইএম আর অপছন্দের নিঃস্বার্থ ক্যাপিটালিস্ট হল বিজেপি। এই তো ব্যাপার।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২১:০৫555207
  • স্বার্থপর ক্যাপিটালিস্টদের সাথে তো আমি সবসময়েই একমত! কিন্তু সেরকম কেউ তো এখানে নেই!
  • উঁহু | 103.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ২১:০৪555206
  • ট্রোল নয়। ক্লাসিক শাইনিং। এরকম লোক আমরা প্রায়সই দেখি, স্পেশ্যালি আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে।
  • ,,, | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২০:৫৮555205
  • সে কি! ডিসি স্বার্থপর ক্যাপিটালিস্টদের সঙ্গে দ্বিমত হচ্ছে? এখনও হুইস্কি পড়েনি পেটে? নাকি অনেকখানি পড়ে গেছে?
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২০:৫১555204
  • "আমি চাই আমার ট্যাক্সি পেতে অসুবিধে হলে হলুদ ট্যাক্সি উঠে গিয়ে শহরে যেন এপক্যাব নেবে আসে"
     
    এরকম লজিকালি ইনকনসিস্টেন্ট আর্গুমেন্ট কিন্তু রিয়েল লাইফেও শুনেছি :-)
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২০:৪৯555203
  • অনির্বাণ নিক থেকে যিনি লিখছেন তিনি মোস্ট প্রোব্যাবলি ট্রোল করছেন। তবে ঠিক এইরকম লজিকাল ইনকন্সিসটেন্সিতে ভরা আর্গুমেন্ট করতে আমি রিয়েল লাইফেও দুয়েকজনকে ব্যাঙ্গালোর বা চেন্নাইতে দেখেছি। হাইজিনিক আনহাইজিনিক ইত্যাদি নিয়ে এই বাছবিচার দুয়েকজন করে, কিন্তু দ্যাশটা যে ইন্ডিয়া, এখানে যে সমস্ত কিছুতে আল্টিমেট করাপশান, সেটা ভুলে যায়। বিশ্বগর যেহেতু বলেছে ভিক্সিত ভারত তাই ভিকাস এর দিকে যতোটা ঝোল টানা যায়, কিন্তু ভারত যে আসলে একটা আন্ডারডেভেলপড থার্ড ওয়ার্ল্ড দেশ, যেখানে কিছুই ঠিক করে কাজ করেনা, ক্যাপিটালিজমের বদলে ক্রোনি ক্যাপিটালিস্টরা দেশটা চালাচ্ছে, সেটা ভুলে যায় :-)
  • @অনির্বানের জাঙিয়ায় ঢোকা শু | 2001:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২০:৩৫555202
  • না হে বহেনচোদ স্বার্থপর তুমিই। তোমার বাপও তোমায় শুধু তোমারটুকুই বুঝতে শিকিয়েচে। হকার ত তাও নিজের ছেলের কথা ভাবে তুমি ত নিজের নাক আর পোঁদের বাইরে কিচুই ভেবে উঠতে পারচ না। কাল কি পরশু নিজের চাকরিখানা গেলে তকন ওই হকারদের কাচে যেও। যেটুকু আচে তার থেকেই তোমায় ভিক্কে দেবে।
  • X | 103.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ২০:৩০555201
  • "হকার চায় তার দোকানটা যাতে ভেঙে না দেওয়া হয় যাতে সে ছেলেটাকে বারোক্লাস পাশ করিয়ে ইঞ্জিনিয়ার বানাতে পারে। হকারের চাহিদা স্বার্থপর। সিস্টেম যদি হকারের চাহিদার নিরিখে ডিজাইন করা হতে থাকে, তাহলে আমরা যেটা পাব সেটাই আজকের কলকাতা। আমি চাই আমার ট্যাক্সি পেতে অসুবিধে হলে হলুদ ট্যাক্সি উঠে গিয়ে শহরে যেন এপক্যাব নেবে আসে। তাতে ট্যাক্সি ড্রাইভার সুইসাইড করলে আমি মনে করি ট্যাক্সি ড্রাইভার স্বার্থপর হয়ে সিস্টেমকে ইমোশোন্যালি ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করছে।"
     
    Is he for real?
  • Anirban | 51.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ২০:১৩555200
  • অর্গানাইজড হলেই রেগুলেশন আসবে। কিন্তু যারা নিউ ইয়র্ক নিয়ে জ্ঞান দিচ্ছিল, সেখানে অবৈধ হকারদের ফুটপাতে বসতে দেয় কিনা এই প্রশ্ন তারা সকলেই এড়িয়ে গেছে। খুব ভাল।
     
    ১৬:১৪ গুছিয়ে লিখেছেন। পয়েন্ট ধরে ধরেই উত্তর দিচ্ছি। প্রথমত, দামী কফি খুব খারাপ হতেই পারে। কিন্তু আমি চাই দামের মধ্যে যেন কতকগুলো শর্ত ধরা থাকে। যেমন, কফিটা যে বানিয়ে দিচ্ছে, সে যেন পরিষ্কার জামা পরে থাকে। যেসব সরঞ্জাম ব্যবহার করছে, সেগুলো যেন তকতকে হয়। পাড়ার মন্টুদা কোনোদিন না ধোয়া সসপ্যানে দারুন স্বাদের চা বানালে আর সৌখিন ক্যাফে প্রচুর দাম নিয়ে কফির বদলে গরম জল পরিবেশন করলে আমি বাড়ি ফিরে গুগল রিভিউতে ক্যাফের নামে খিস্তি লিখব এবং চাইব মন্টুর দোকান ভেঙে যাক কেননা ওটা একটা সাবস্ট্যান্ডার্ড এস্ট্যাব্লিশমেন্ট। এবার গভর্নমেন্ট যদি মন্টুকে ভালো দোকান করে দেয় এবং মন্টু যদি ট্রেনিং নিয়ে ভালো দোকান মেন্টেন করতে পারে, তাতে আমার আপত্তি নেই প্রোভাইডেড গভর্নমেন্ট কাজটা ওয়েলফেয়ারের জন্য করছে না, নিজের রেভেনিউ বাড়ানোর জন্য মার্কেটকে বাইপাস না করে করছে। কিন্তু সেটা মন্টু ও গভর্নমেন্টের ব্যাপার। তারা এতদিনে নেগোশিয়েট করতে পারেনি যখন, ইন দ্যাট কেস, মন্টু মাস্ট গো।
     
    দ্বিতীয় পয়েন্ট নিয়ে কিছু বলার নেই। রেস্টুরেন্ট হাইজিন মেন্টেন করতে ব্যর্থ হলে চাইব ফুড পুলিশ ধরুক। কিন্তু সেটার দোহাই দিয়ে হকারদের আনহাইজিনিক পরিবেশ বজায় রাখতে বলব না। ইন ফ্যাক্ট, গয়ংগচ্ছ পরিবেশ বলেই এই লোক পচা মাছ সার্ভ করার সাহস পাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে এর রেস্টুরেন্ট গুটিয়ে দিন। একটাই কথা — বেটার সার্ভিস ডিম্যান্ড করুন। আপনি আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের সামনে বসে আছেন।
     
    তৃতীয়ত, আমি কেন সিস্টেমের স্টেকহোল্ডার আর হকার কেন নয়, তার কারণ আমার চাহিদাগুলো আমাদের জন্য, হকারের চাহিদাগুলো শুধু তার নিজের জন্য। আমি চাই আমার শহর ঝকঝকে তকতকে হোক। হকার চায় তার দোকানটা যাতে ভেঙে না দেওয়া হয় যাতে সে ছেলেটাকে বারোক্লাস পাশ করিয়ে ইঞ্জিনিয়ার বানাতে পারে। হকারের চাহিদা স্বার্থপর। সিস্টেম যদি হকারের চাহিদার নিরিখে ডিজাইন করা হতে থাকে, তাহলে আমরা যেটা পাব সেটাই আজকের কলকাতা। আমি চাই আমার ট্যাক্সি পেতে অসুবিধে হলে হলুদ ট্যাক্সি উঠে গিয়ে শহরে যেন এপক্যাব নেবে আসে। তাতে ট্যাক্সি ড্রাইভার সুইসাইড করলে আমি মনে করি ট্যাক্সি ড্রাইভার স্বার্থপর হয়ে সিস্টেমকে ইমোশোন্যালি ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করছে। অতএব সিস্টেমের স্টেকহোল্ডার হব আমরা। আজকের সিস্টেমে আমার চাহিদা পূরণ হচ্ছে না, আবার হকারের ছেলে যে কষ্ট করে পড়াশোনায় কম্পিট করে কর্পোরেট চাকরি জুটিয়ে শহরে একটা ভালো জীবনের স্বপ্ন দেখছে, সিস্টেম তাকেও ঠকাচ্ছে। কেবল হকার ফুটপাতে দোকান সাজিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণ করছে। এই ভিশিয়াস সাইকেল থেকে বেরোনোর জন্য যেকোনো সরকারকে স্বাগত।
  • বামরাম | 2600:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২০:০৮555199
  • ডিপি গুয়েভরা হৃদয় গোবর পোরা
  • অজানা | 27.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ১৬:৫৯555198
  • হকাররা হাইজিন মেনটেন করে কিনা, বিবিধ কর দিচ্ছে কিনা, বেআইনি কিনা এগুলো কোনো কথা নয়। আসল উদ্যেশ্য যেটা মনে হয়, unorganized বিক্রেতাদের সরিয়ে organized সেটআপ তৈরি করাই উদ্যেশ্য। তার জন্য eco system ভেঙে গেল কিনা সেটা বিবেচ্য নয়। স্টেশনে স্টেশনে অবৈধ দোকান ভেঙে এখন লাইসেন্সড ভেন্ডর (অবাঙালি) বসায় চা ৫ টাকা থেকে সোজা ২০ টাকা। লাভ কার হচ্ছে বুঝে নিন।
  • @Anirban | 119.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ১৬:১৪555197
  • Anirban নামের নিক নিয়ে যিনি লিখেছেন তাঁকে কয়েকটি কথা বলার ছিল :

    প্রথমত, এই যে বলছেন : "পঞ্চাশ টাকা দিয়ে চা-কফি কিনে খেতে আপত্তি নেই। কলকাতায় যে এখনো দশটাকায় কফি পাওয়া যায় সেটাই হাস্যকর ব্যাপার।"

    কলকাতায় যে এখনো দশটাকায় কফি পাওয়া যায় সেটা হাস্যকর ব্যাপার তো মোটেই নয়, চায়ের ঠিকঠাক দাম দশটাকাই হওয়া উচিত। আমার নিজের মনে হয় একটি ছোট ভাঁড় তিন চুমুকের দুধ-চায়ের বা দুধ দিয়ে ইনস্ট্যান্ট কফির দাম ১ ০ - ১ ৫ টাকার বেশি হবার কোন সঙ্গত কারণ নেই। সাউথ ইন্ডিয়ান কফি পঞ্চাশ থেকে সত্তরের মধ্যে বিক্রি করে, তাও যতটুকু দেয় সেই অনুযায়ী আমার মনে হয় বেশি দাম চায়। চাইলে কলকাতায় বিস্তর দামি কাফে আছে, Bunaphile বা Blue Tokai ধরণের , তাদের চা বা কফি এমন কিছু আহামরি নয়, ২ ৫ ০ টাকা দিয়ে এক কাপ Americano, আমি বহুবার কিনে খেয়ে দেখেছি, ট্যালটেলে । কাজেই প্রচুর দাম দিলেই যে ভালো জিনিস পাবেন, তার কোন মানে নেই।

    দুই, আপনি লিখেছেন, "আনহাইজিনিক হকারদের কাছ থেকে খাবার কিনে খাওয়ার প্রশ্নই ওঠেনা, এটা পাবলিক সেফটি ইস্যু"

    এই unhygienic ব্যাপারটা কোনমতেই অস্বীকার করা যাবে না, কিন্তু দোষটা হকার বা ঝুপড়ির খাবার যারা বানায় তাদের একার নয়, ব্যাপারটা সিস্টেমিক। যেমন কলকাতায় যদি ধরেন, খাবারের জায়গাগুলোর সেফটি ইন্সপেকশন বা লাইসেন্সিং বেশ ঢিলেঢালা, যার জন্য যে যা পারে করে খায়, এটা হকার বলে নয়, আপনার খানদানী দামি খাবার দোকানগুলোতেও একই অবস্থা ।

    আমি বহু পুরোনো কিন্তু অসাধারণ খাবার বানায় এমন জায়গায় খেয়ে দেখেছি, এবং অনেক সময় তাদের মালিকদের সঙ্গে আড্ডা মেরে দেখেছি, যে এরা কেন জায়গাগুলোকে একটু ভালো করে সাজিয়ে খাবারের জায়গাটিকে আরেকটু স্বাস্থসম্মত করে তোলে না। এনাদের বক্তব্য হচ্ছে সেসব করতে গেলে এনারা কাস্টমার হারাবেন । হতে পারে। এদের clientele তো যারা ভাবে "আনহাইজিনিক হকারদের কাছ থেকে খাবার কিনে খাওয়ার প্রশ্নই ওঠেনা", তারা নন, সাধারণ মানুষ, যারা অত ভেবেচিন্তে খেতে ঢোকেন না। সরকার যদি খাবার এস্টাব্লিশমেন্ট আইন বলবৎ করে inspection করে সেসব ও হবে নিশ্চয়ই, কারণ এদের revenue বেশ ভাল, কাজেই ব্যাপারটা এরা যে পয়সার অভাবে করতে পারে না তা নয় কিন্তু। তার ওপর আজকাল ফুড Vlogging আর পডকাস্টের বাজারে ব্যাপারটা আরো জটিল হয়ে গেছে, লোকে ওই একটা image কেই হৈ হৈ করে বিক্রি করে ( একটা উদাহরণ দিই, পরোটা ওয়ালা রাজুদা, আপনাদের ভাষায় হকার, কলকাতার জনৈক স্ট্রিট ভেন্ডর যিনি পরোটা বিক্রি করে বিখ্যাত হয়েছেন, তিনি lionel মেসির সঙ্গে সেলফি তুলে রীতিমতন সেলেব্রিটি status পেয়েছেন, দেখুন https://www.instagram.com/reel/DSMXzX9AZ0J/ )। এবার আপনি হয়তো বলবেন ধুর মশাই কি সব cringe কিন্তু এই যে একটা ইমেজ তৈরী হয় এটাকে তো অস্বীকার করতে পারবেন না, এর একটা অন্য ইকোসিস্টেম, এই ভদ্রলোক স্ট্রিট ফুড ভেন্ডর, পরোটা বিক্রি করেন, লোকে খায়, ছবি তোলে, কোথাও দেখবেন না হাইজিন নিয়ে কারো মাথাব্যথা আছে । এরোকো আরেকটি উদাহরণ টেরিটি বাজারের সকালের চীনা জলখাবার। জায়গাটার হাইজিন বলে কিছু নেই, , খাবার আগেকার দিনে যাই হয়ে থাকুক, আজকাল এমন কিছু আহামরি না হোক, কিন্তু মানুষ যায় তো। আরেকটি ব্যাপার খেয়াল রাখবেন, কলকাতার street food এর যা বাজার আর যা স্কেল, সেই অনুপাতে কিন্তু কলকাতায় অন্তত বড় ধরণের খাবার জনিত মহামারী যেখানে এক সঙ্গে বহু মানুষ আক্রান্ত হলেন বা মারা গেলেন রাস্তার খাবার খেয়ে খবর পাবেন না। তার একটা কারণ এদের turnover, এত মানুষ একসঙ্গে খাচ্ছেন কিনছেন, ব্যবসা চলছে। কাজেই এই street food কে নানান রকম ভাবে বিবেচনা করা যায়।

    তাই বলে নামকরা, ঝাঁ চকচকে তারকাখচিত খাবার এস্টাব্লিশমেন্ট গুলোতে জায়গায় সব hygienic ? আমার সন্দেহ আছে। নিজের এই এপ্রিল মাসে কলকাতায় থাকার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, দক্ষিণ কলকাতার একটি অতি নামকরা রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবারে পচা মাছ সার্ভ করেছে, ধরিয়ে দেবার পর ম্যানেজার মশাই কিছুতেই মানতে চান না, ওঁরা নাকি একটি লট থেকেই সব মাছ নিয়ে আসেন, অন্য গুলো তো অত খারাপ না, ইত্যাদি যুক্তি দিচ্ছেন (পরে যখন দেখলেন মাছটি সত্যিই পচা, তখন আর কি করেন, অবশ্য খাবারের দামও নেন নি )। এরকম আরো উদাহরণ রয়েছে। বিখ্যাত ফুড ব্লগার ইন্দ্রজিৎ লাহিড়ী একটি সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে দেখলাম বলেছেন যে তিনি একটি রীতিমতন নামকরা মিষ্টির দোকান থেকে মিষ্টি আনিয়ে পর পর দু দিন মিষ্টিতে মানুষের পায়ের নখ পেয়েছেন, কাজেই দোষ শুধু যারা ঝুপড়িতে রান্না করে দিন চালাচ্ছেন বা খাবারের হকিং করছেন, স্ট্রিট ফুড বেচছেন তাদের একার নয়,বা এরকম নয় যে নামি দামি জায়গা থেকে খাবার কিনে খেলে সব ঠিক আছে ।
     
    সে যাই হোক, অনস্বীকার্য যে কলকাতার একটা জমজমাট স্ট্রিট ফুড কালচার আছে, তাকে অবশ্যই আরো ভালো আরো hygienic ইত্যাদি করা যায়, তবে যারা স্ট্রিট হকার এই মানুষগুলোকে উঠিয়ে দিয়ে তাদের ব্যবসা মেরে আর সেই মানসিকতাকে প্রশ্রয় দিলে আখেরে যে খুব উন্নতি হবে, তার কোন মানে নেই, বরং আরো ক্ষতি হবে । বরং যেটা দরকার, সার্বিক quality কন্ট্রোল, একটা মানবিক administration।

    তিন, আপনি যে লিখেছেন "সিস্টেমের স্টেকহোল্ডার আমার মতো ট্যাক্সপেয়াররা, হকার বা ভিখিরিরা নয়", এই কথাটা অত্যন্ত আপত্তিকর, একটি সভ্য সমাজে তো নয়ই। সিস্টেমের স্টেকহোল্ডার সবাই। হকার, ভিখিরিরা কি মানুষ নয় নাকি, আশ্চর্য্য ব্যাপার ? মানুষের জন্য সিস্টেম না সিস্টেমের জন্য মানুষ ?
  • @মানালিদিমণি | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ১৫:৩৮555196
  • কল্যাণজেঠুমণির মাথা ফাটায়৷ ফাটা মাথা নিয়ে রাস্তায় কাতরানোয় কেমন লাগল মানালিদিমণি ( আদর করে ডাকলাম আর কি)?
     
    অসিতদাদুভাইয়ের গ্রেপ্তারেই বা কেমন লাগল? উনি কিন্তু দুর্নীতির জন্য গ্রেপ্তার হন নি। উনি সহ আরো অনেকে প্রতিবাদ করতে গিয়ে গ্রেপ্তার। দারুণ ব্যাপার না, মানালিদিমণি?
  • রাগা | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ১৫:৩২555195
  • এটা দেখলেন?
     
    রাহুলের সঙ্গে ছাত্রছাত্রীরা বসে পরীক্ষার খাতার কপি দেখিয়ে বোঝাচ্ছে।
    অন্য পরীক্ষার ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে বেশ ভাল আলোচনাও দেখলাম রাগার পেজে।
    অটোওয়ালাদের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে তাঁদের অসুবিধে নিয়েও।
     
    রাগা বাংলায় এই উচ্ছেদ হওয়া হকারদের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন তো?
  • Manali Moulik | ৩১ মে ২০২৬ ১৫:৩২555194
  • হ‍্যাঁ আমি আদর করে পিপি বলতাম। প্রেসিডেন্সির এক সিনিয়র দাদা আরো ভালোবেসে মিষ্টিপিসি বলতো। সে আবার পুয়ের্তো রিকো নিয়ে এখন উচ্ছ্বসিত। পবর খবর বেশী পড়ছে না।
    মানকানালি দেখলাম। কী বলবেন এদের তো ট্রাইবাল, সংখ‍্যালঘু আর মহিলাদের উপর জন্মাবধি underestimated করার ইচ্ছে। উপরে ভালো হওয়ার চমক দেখিয়ে এইসব...যেমন অন্নপূর্ণা ভান্ডার। জানি না আদৌ কী হবে! ওই আশায় মরে চাষা টাইপ ব‍্যাপার আর কী...
    সেই Toni Morison এর black never grows in the eyes of white ধরণের ব‍্যাপার।
    যাগ্গে, ডট দি, মদনজেঠুর বাড়ি পুলিশ গেছে নাকি? আহা, সানগ্লাসের সমাহার দেখে চোখ ঠিকরে যাবে এখন!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত