মাননীয় স্বপন দাশগুপ্ত মহাশয় (Member of the West Bengal Legislative Assembly)
মাননীয় আপনি শুধু B.J.P নয় ট্রটস্কিবাদী হিসাবেও নাকি পরিচিত।
[প্রাথমিকভাবে ট্রটস্কিবাদে আকৃষ্ট পরে ইংল্যান্ডে থাকাকালীন
থ্যাচারপন্থী হয়ে ওঠেন।*]
আমি নিজে ট্রটস্কিবাদী এবং ভারতে যে মূল সমস্যা গুলো দেখা যায় এর সাথে আপনি ও আশা করছি একমত হবেন
১. ব্যাংক, বীমা, এবং বৃহৎ শিল্পের জাতীয়করণ।
২. ভূমি সংস্কার ও কৃষি সমবায় গঠন।
৩. নারী শ্রমিকদের সমান মজুরি ও কাজের সমান সুযোগ।
৪. বেকারত্ব দূরীকরণ ও কর্মের গ্যারান্টি।
৫. বিনামূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা ও নূন্যতম খাবারে যোগান।
এই সমস্যা সমাধানের জন্য আপনিকি চেষ্টা করবেন? যদি করেন তাহলে SOP টা কি হবে তা কি পাবলিকলি প্রকাশ করবেন? যদি না করেন তাহলে বলবেন কি কারণে এই মৌলিক সমস্যা গুলো এড়িয়ে যাচ্ছেন ?
না কি সাবাল্টার্ন স্টাডিজ এর উপর একজন লেখক নিজেই ................
“Adivasi Politics in Midnapur, c. 1760-1924” (সাবাল্টার্ন স্টাডিজ IV, রণজিত গুহ সম্পাদিত, ১৯৮৫), এখানে আপনার লেখা টা আছে।
জিস্ট
[এখানে আপনি পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর (বিশেষ করে জঙ্গল মহল অঞ্চল — গড়বেতা, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম ইত্যাদি) এর আদিবাসী (প্রধানত সাঁওতাল, মাহাতো, ভূমিজ প্রভৃতি) রাজনীতির স্বায়ত্তশাসিত ঐতিহ্য ও প্রতিরোধের ইতিহাস তুলে ধরেন। এবং দেখান যে, এই অঞ্চলের আদিবাসী রাজনীতি শুধু গান্ধীবাদী/জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অংশ নয়, বরং তার থেকে আলাদা, স্বতন্ত্র একটি ধারা — যা উপনিবেশিক শাসন, জমিদারি শোষণ, দিকু (বহিরাগত) শোষক ও বাণিজ্যিক বেনিয়া গিরির বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছে। এবং অভিজাত জাতীয়তাবাদী ও ঔপনিবেশিক ইতিহাসচর্চার সমালোচনা করেন, কারণ এই ইতিহাসচর্চা আদিবাসী বিদ্রোহগুলোকে “আদিম,” “স্বতঃস্ফূর্ত,” বা “অপরাধমূলক” বলে খারিজ করে দেয়। এর পরিবর্তে, আপনি প্রান্তিক আদিবাসীদের সচেতন রাজনৈতিক সক্রিয়তা, সংগঠন এবং স্বায়ত্তশাসিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন।] এবং উপরোক্ত ৫ টি সমস্যা কে মৌলিক সমস্যা ধরে নিয়েই আপনার কাজ আরম্ভ হযেছে কিছু মনে পড়ে ?