এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ২১:৫৭556187
  • //আগে শরিয়াফ্যাসিস্টদের ঠেকান, তারপর অন্য ফ্যাসিজম খুঁজবেন। সাধারণ মানুষ এটা টের পেয়ে গেছে, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে বেশি চয়েস থাকে না।//
     
    যে সব হকারদের দোকান ভাঙা হচ্ছে, এগুলো তাদেরকে গিয়ে বোঝান।
  • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ২১:৫৩556186
  • //সুতরাং যে সমাজতন্ত্রের মডেল গোটা দুনিয়া থেকে উঠে গেল আইরন কার্টেন র ফল র পরে সেই সমাজতন্ত্রের মডেলই ম্যাজিক সমাধান ছিল ? সিরিয়াসলি ? :) ://
     
    এটা সাধারন লজিকের ব্যাপার। একটা সরকার ভাতার পিছনে বছরে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করছে। কিন্তু তার এক দশমাংশ দিয়েও কোন নতুন সরকারি শিল্প তৈরি করা হচ্ছে না। বেসরকারি বিনিয়োগও হচ্ছে না। দেশের অর্থ দেশ ছেড়ে বিদেশে পালাচ্ছে। দেশে প্রবল বেকারত্ব। এই স্থানে কি সরকারি বিনিয়োগের প্রয়োজন ছিল না! মোদি দশ বছরে দেড়শো লক্ষ কোটি টাকা শুধু ঋণ নিয়েছে। তার বদলে সরকারি অ্যাসেট কি তৈরি করতে পেরেছে? এই ঋণের এক দশমাংশও যদি শিল্পের পিছনে খরচ করত। তাহলে দেশে পনেরো লক্ষ কোটি টাকার সরকারি বিনিয়োগ হত। প্রয়োজন অনুসারে সরকারের মুভ করতে পারাটা কি দেশের জন্য কোন সমাধান নয়। সরকারের কাজ কী তাহলে? দুর্নীতি করা, আর খেলা মেলা পুজো করা?
     
    আর সমাজতন্ত্র সাম্যবাদ এগুলোই আধুনিক ধারনা। পুঁজিবাদই সমাজের প্রাচীনতম বিষয়। সে কারনেই পুঁজিবাদকে সমাজে সহজভাবে স্থাপন করা গেছে। খুব একটা অসুবিধা হয়নি। কারন পুঁজিবাদী এলিমেন্টগুলো আগে থেকেই সমাজে উপস্থিত ছিল। বরং সমাজতন্ত্রকে সমাজে টিকে থাকার জন্য লড়াই করতে হয়েছিল। কারন সমাজতান্ত্রিক এলিমেন্ট আগে থেকে সমাজে উপস্থিত ছিল না। কিন্তু ব্যর্থ সমাজতন্ত্রের মধ্যে থেকেই কিছু সমাজতান্ত্রিক এলিমেন্ট তৈরি হয়। যাদের কাঁধে ভর করেই ভবিষ্যতে সারা পৃথিবীতে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। একটা নতুন বিষয়কে সমাজে একবারে প্রতিষ্ঠিত করা যায় না। সেই বিষয়কে জানার বোঝার জন্য একটু সময় লাগে। কিন্তু যে সব রাষ্ট্র আগে থাকতে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর কাঠামোকে গ্রহণ করতে পারবে। তারাই ভবিষ্যতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
  • T | ১৬ জুন ২০২৬ ২১:২৫556185
  • আগে শরিয়াফ্যাসিস্টদের ঠেকান, তারপর অন্য ফ্যাসিজম খুঁজবেন। সাধারণ মানুষ এটা টের পেয়ে গেছে, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে বেশি চয়েস থাকে না।
  • *&^ | ১৬ জুন ২০২৬ ২১:১০556184
  • সুতরাং যে সমাজতন্ত্রের মডেল গোটা দুনিয়া থেকে উঠে গেল আইরন কার্টেন র ফল র পরে সেই সমাজতন্ত্রের মডেলই ম্যাজিক সমাধান ছিল ? সিরিয়াসলি ? :) :) :)
  • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ২০:৫৭556183
  • যদিও কংগ্রেস সরকার যতদিন ছিল, ততদিন এই বেসরকারি প্রভুদের নিয়ন্ত্রনে রেখেছিল। যার কারনে ইকোনমির ভালোই গ্রোথ হয়েছিল। কিন্তু মোদি এসে সেই নিয়ন্ত্রন সরিয়ে দেয়। যার ফলে পুঁজি প্রথমে ক্রোনি ও পরে ফিউডাল এর রূপ নেয়। সামাজ তন্ত্রের সামন্ত তন্ত্রীকরন। খুব ইন্টারেস্টিং বিষয়।
  • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ২০:৫১556182
  • //ঠিক কতটা খোলা উচিত ছিল ? মানে বাজার।//
     
    আমরা বাজার যতটা খুলেছি তাতে ভারত আজ ক্যাপিটালিস্ট দেশে পরিনত হয়েছে। ঠিক ততটাই খোলা উচিৎ ছিল, যাতে ভারত একটি সোসালিস্ট বা সমাজতান্ত্রিক দেশ হত। এক্ষেত্রে সমাজতন্ত্র হল বেসরকারিকরনের পাশাপাশি সরকারিকরন। যদি অতিমাত্রায় বেসরকারিকরন হতে থাকে, তাহলে সরকারী সিদ্ধান্তগুলিও অনেকটা পুঁজিপতিদের হাতে চলে যায়। বর্তমানে সরকার ভাতায় খরচ করছে। কিন্তু নতুন কোন সরকারি শিল্প কি হচ্ছে? সমাজতন্ত্র হলে এই অসুবিধাগুলো হত না।
  • *&^ | ১৬ জুন ২০২৬ ২০:৪০556181
  • ঠিক কতটা খোলা উচিত ছিল ? মানে বাজার।
  • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ২০:২৯556180
  • // তবে এলপিজি গ্যাস ছিল .. কিন্তু পন্ডিতদের মতে সে সময় এই গ্যাস ছাড়া উপায় ছিল না ...//
     
    বাজারকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খুলে ফেলা হয়েছিল। লিডারশিপের অভাব ছিল।
  • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ২০:১৩556179
  • রাহুল গান্ধী বা তার *ক্লোন
  • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ২০:১৩556178
  • না, রাহুল গান্ধী বা তার ১৯ঃ০৮ এর মতো কুরুচিকর পোস্ট করবেন না। রাহুল গান্ধীর যতো স্পিচ দেখেছি, উনি অত্যন্ত ওয়েল স্পোকেন আর ওয়েল ম্যানার্ড।
  • ডেলুলু | ১৬ জুন ২০২৬ ২০:০০556177
  • Delusional
  • *&^ | ১৬ জুন ২০২৬ ১৯:৫৬556176
  • আচ্ছা এই তরমুজ টা আসলে রাহুল গান্ধীর বাংলা ভার্সন এআই ক্লোন নয়তো ? মানে এই লেভেলের ডিল্যুশন অজ্জিনাল পাওয়া চাপের কিন্তু।
  • lcm | ১৬ জুন ২০২৬ ১৯:৪৬556175
  • " ... যদি রাজীব গান্ধীও বেচে থাকতেন, তাহলে ভারত আজ থাকত চিনেরও আগে ... "
     
    কি হইলে কি হইত -এ নিয়ে নেটে নানারকম থিওরি শুনলেও এটা কোনোদিন শুনি নি ...
    রাজীব গান্ধী মারা যান ১৯৯১ সালের মে মাসে ... এরপর নরসিমা রাও প্রধানমন্ত্রী হন এবং মনমোহন সিং অর্থমন্ত্রী হন ... তারা চালু করলেন নতুন ইকনমিক পলিসি যার তিনটে পিলার ছিল - LPG - লিবারাইজেশান, প্রাইভেটাইজেশন, গ্লোবাইলাইজেশান ... এ কি তবে এলপিজি গ্যাস ছিল .. কিন্তু পন্ডিতদের মতে সে সময় এই গ্যাস ছাড়া উপায় ছিল না ...
  • ডেলুলু? | ১৬ জুন ২০২৬ ১৯:৩২556174
  • ডেলুলু মানে?
  • | ১৬ জুন ২০২৬ ১৯:১৬556173
  • তরমুজের মত ডেলুলু কম দেখেছি।
  • r2h | ১৬ জুন ২০২৬ ১৯:১৩556172
    • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ১৮:৪০
    • দ্যাখেন, "ফ্যাসিস্ট" কথাটা খুব একটা লাইটলি ব্যবহার করা উচিত না। আমি বিজেপিকে, বা আরও সঠিক করে বললে আরেসেসকে, ফ্যাসিস্ট মনে করি তাদের কিছু নির্দিষ্ট আইডিওলজির জন্য, আর তারা যেসব পলিসি ফলো করে, তার জন্য। অর্থাত আরেসেসের যে ওয়ার্ল্ডভিউ, সেটা ফ্যাসিস্ট। এ নিয়ে অনেক তর্কও হয়েছে, আরেসেসকে ফ্যাসিস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা যায় কিনা সেসব নিয়ে অনেকরকম মত আছে। আমার মনে হয় যায়। এই প্রসঙ্গে ইয়েচুরির এই পুরনো কমেন্টটা খুঁজে পেলাম, যেটা এখনও প্রাসঙ্গিক।
     
    হ্যাঁ, একেবারেই।

    তরমুজ, মরিচঝাঁপির সঙ্গে রাম মন্দির বাবরি মসজিদ, তার সঙ্গে যুক্ত অনেকগুলি দাঙ্গা, জাতিগত বিদ্বেষ, বিচার বিভাগের প্রহসন- ইত্যাদি মিলিয়ে টিলিয়ে, ধনী দরিদ্র জাতি, চীনের ফ্যাসিস্ট সরকার - সব মিলিয়ে খুবই ঘেঁটে গেল। সামাজবিজ্ঞানের বেশি কিছু আমি পড়িওনি জানিও না, তবে যদ্দুর জানি স্বৈরাচার স্বেচ্ছাচার ফ্যাসিবাদ ইত্যাদি ইত্যাদি জিনিসপত্রগুলির মোটের ওপর নির্দিষ্ট সংজ্ঞা ব্যাখ্যা এইসব আছে। তো এখানে সেসব গোলমাল হয়ে যাচ্ছে।
  • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ১৯:০৮556171
  • //এই তরমুজটা মহা ছোটোলোক। বাজে বকছে।//
     
    মনিকা ও মাই ডার্লিং।
  • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ১৯:০৬556170
  • ফ্যাসিজম হল জাতিসত্ত্বার অভ্যুত্থান। এবার বুঝতে হবে ফ্যাসিস্টরা জাতি বলতে কি বুঝছে? ভারতীয় একটি জাতি। বাঙালি একটি জাতি। ব্রাহ্মন, ক্ষত্রিয়, বৈষ্য, শূদ্র জাতি। ধনী দরিদ্র- জাতি। অন্য দিকে হিন্দু বা মুসলিম কোন জাতি নয়। আরএসএস এর একটা ব্রাহ্মন্যবাদী দৃষ্টিকোন রয়েছে। কিন্তু সেটা দেশ চালানোর কাজে উপযোগি নয়। বর্তমানে ক্রোনি ক্যাপিটালিস্টদের নিয়ে একটা অভ্যুত্থান ঘটাতে চাইছে। কিন্তু ক্রোনি ফ্যাসিবাদ পৃথিবীতে পরীক্ষিত নয়। এবং পুঁজির অন্য একটি চরিত্র রয়েছে। ফ্যাসিজমের চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর হল সামন্ত তান্ত্রিক অভ্যুত্থান। যেটা ভারতে বেশি চলে। এবং এ দেশের সঙ্গে যার একটা চারিত্রিক মিল রয়েছে। এবং এদেশে যেটা পরীক্ষিত।
  • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ১৮:৪৪556169
  • //তাই নাকি? আডবানীর রথ, রাম মন্দির, গুজরাট গোধরা গোলয়ালকর ইত্যাদি ইত্যাদি সব, মানে একী কথা শুনি হায়।//
     
    সে তো সিপিএমও মরিচঝাপি করেছে। এক একটা দল তাদের দলীয় চরিত্র অনুসারে কিছু কর্মকান্ড করে থাকে। কোথাও সংখ্যাগুরুকে তোল্লাই দেওয়া হয় তো কোথাও সংখ্যালঘুকে তোল্লাই দেওয়া হয়। যদি লিমিটে থাকে তাহলে কোন অসুবিধা নেই। গোধরায় লিমিট ছাড়িয়ে ছিল। মরিচঝাপিতেও লিমিট ছাড়িয়ে ছিল। কিন্তু 2014 তে দেশের সাধারন মানুষ হিন্দুত্বের প্রশ্নে বিজেপিকে ভোট দেয়নি। এবং বিজেপিও হিন্দুত্বকে সেভাবে ব্যবহার করেনি তদকালীন সময়ে।
  • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ১৮:৪০556168
  • দ্যাখেন, "ফ্যাসিস্ট" কথাটা খুব একটা লাইটলি ব্যবহার করা উচিত না। আমি বিজেপিকে, বা আরও সঠিক করে বললে আরেসেসকে, ফ্যাসিস্ট মনে করি তাদের কিছু নির্দিষ্ট আইডিওলজির জন্য, আর তারা যেসব পলিসি ফলো করে, তার জন্য। অর্থাত আরেসেসের যে ওয়ার্ল্ডভিউ, সেটা ফ্যাসিস্ট। এ নিয়ে অনেক তর্কও হয়েছে, আরেসেসকে ফ্যাসিস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা যায় কিনা সেসব নিয়ে অনেকরকম মত আছে। আমার মনে হয় যায়। এই প্রসঙ্গে ইয়েচুরির এই পুরনো কমেন্টটা খুঁজে পেলাম, যেটা এখনও প্রাসঙ্গিক।
     
     
    CPM general secretary Sitaram Yechury Thursday said the social atmosphere in the country is being “very sharply polarised and divided” and “methods” that are “chillingly reminiscent” of what was seen in Europe in the 1930s are being used to create conditions for the rise of “fascism”.
     
    এখন কথা হলো, ফ্যাসিজম কোন দেশেই বেশীদিন টেকেনি, ইন্ডিয়াতেও আরও অনেক বছর টিকবে না বলেই মনে হয়। তবে আরেসেসের বিষ নির্মূল করার জন্য আমাদের ইন্ডিয়ানদের কি মূল্য দিতে হবে জানিনা।
  • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ১৮:৩৭556167
  • //প্রকৃত ফ্যাসিস্ট ছিল ইন্দিরা গান্ধী। যে ফ্যাসিজম দেশের জন্য হয়ত ভালো ছিল।"
     
    এইটা আজকের সেরা নমুনা। বাঁধিয়ে রাখা হোক :) :) :)//
     
    অবশ্যই। ইন্দিরা গান্ধীকে হারিয়ে প্রধান মন্ত্রী হলেন মোরারজী দেশাই। তখন ভারতে সাধারন মানুষের সম্পত্তির অধিকার ছিল একটি মৌলিক অধিকার। জনতা দলের (বিজেপির পূর্বপুরুষ) প্রধানমন্ত্রী মোরারজী দেশাই ক্ষমতায় এসেই সংবিধান সংশোধন করে এই অধিকারকে মৌলিক অধিকারের তালিকা থেকে সরিয়ে দিল। এর থেকেই বোঝা যায় ইন্দিরা গান্ধীর একনায়কতন্ত্র দেশের জন্য কতটা দরকার ছিল। যদি রাজীব গান্ধীও বেচে থাকতেন, তাহলে ভারত আজ থাকত চিনেরও আগে। 2014 সালেও ভারত চিনের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছিল। অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করতেন, 2020 সাল নাগাদ ভারত চিনকে পিছনে ফেলে দেবে। কিন্তু মোদি এসে পুরো বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে।
  • r2h | ১৬ জুন ২০২৬ ১৮:২৯556166
    • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ১৮:২২
    • ... অর্থ-ব্যবস্থার বারোটা বাজিয়ে এখন ফ্যাসিস্ট হয়েছে। 2014 তে মোদি যখন ক্ষমতায় এল, তখন ধর্মের জিগির ততটা ছিল না। ...
     
    তাই নাকি? আডবানীর রথ, রাম মন্দির, গুজরাট গোধরা গোলয়ালকর ইত্যাদি ইত্যাদি সব, মানে একী কথা শুনি হায়।
  • r2h | ১৬ জুন ২০২৬ ১৮:২৬556165
    • Partha | ১৬ জুন ২০২৬ ০৮:৪৪
    • ... ভদ্রলোক শিক্ষিত বাঙালি -- সিপিএম সিপিআই বিজেপি সবাই যে কোনো মূল্যে, যে কোনো জালিয়াতি, দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে মমতাকে টেনে নামাবেই।
     
    উফ।
    তৃণমূলের পরাজয় আনন্দেরই হত- যদি তাতে বিজেপির বদলে অন্য কোন দলের লাভ হত। বাম বা কং- একেবারে শক্তিহীন হয়ে গেল- এইটা দুঃখের ও ভয়ের। না হলে এরকম একটা আপাদমস্তক চোরেদের পার্টির তো অনেক আগেই হেরে যাওয়া উচিত ছিল। তৃণমূল জিতে গেলে সেটাও দু;খেরই হত, মুশকিল হল তৃণমূলের হারের পেছনে এসআইআরের ভূমিকা অস্বীকার করার কোন জায়গা নেই - কিন্তু সময় থাকতে রাজনৈতিক দলগুলি সেটা নিয়ে কথা বলেনি, আর এখনকার বিক্রি হয়ে যাওয়া সংবাদমাধ্যমের বাজারে সেটা নিয়ে কোন কথা টথা তেমন হবে না।
    আর জনতার মধ্যে একদলের বিদ্বেষ সুযোগ পেয়েই টগবগ করছে, একদল ভীত সন্ত্রস্ত, আরও নানান লোক নানান রকম।
    তো অন্ধকার সময় সব নিয়েই।
     
    একেকেটা সময় আসে যখন যেকোন মূল্যে একটা দল যাক- সেরকম মনে হয়। ২০১১ তে সিপিএমকে নিয়েও সেরকম মনে হয়েছিল- এবং সেই মনে হওয়াকে যুক্তিযুক্তই মনে করি। একটা দল সাড়ে তিন দশক ক্ষমতায় থেকে ভেতরে ভেতরে এমন ঘুণে ধরে গেল, যে তারা পরবর্তী দুই দশকে ক্ষমতায় ফিরতে তো পারলোই না, এমনকি প্রধান বিরোধী দল হিসেবেও টিঁকলো না- এটাকে ব্যাখ্যা করার একমাত্র পথ হল এইটা মেনে নেওয়া যে তাদের গণভিত্তি ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেছিল।

    ২০১১র পর অনেক সিপিয়েম সমর্থক - দেখ কেমন লাগে, পাঁচিলে বসে বাদামভাজা খাওয়া- এই মোডে চলে গেছিলেন। পার্টি পলিটিকস তো এমনভাবে হয় না- যে এতদিন আমি তোমার উপকার করছিলাম, আমাকে ভোট দিলে না তাই আমি গোঁসাঘরে ঢুকে খিল দিলাম।
     
    তো কেউ মনে প্রানে তৃণমূলের পতন চাইলে তাকে দোষ দেওয়ার কিছু নেই। কিন্তু তৃণমূলের পতন চেয়ে বিজেপিকে আনতে চাইলে তো সন্দেহ আছে।
    ওদিকে এনসিপিআই- ওর প্রতিষ্ঠাতা না সম্পাদক না সভাপতি কে যেন একজন তো বলেছেন দেখলাম উনি আরএসএসের ভাবাদর্শে বিশ্বাসী। তো ঠিকই আছে।
     
    রাজনৈতিক দলকে সমর্থক বা বিরোধিতা- সে তো মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপার। আর ভোটে জালিয়াতি টালিয়াতি কোন পার্টি না করে- কং বাম তৃণমূল সবাই করেছে। পুলিশকে নিজের কাজে লাগানো- সেও ঐ।
    কিন্তু আর পাঁচটা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিজেপির তফাত অন্য জায়গায়। ভারতের বহুত্ববাদী গঠনের একেবারে বিপরীতমুখী গতি- চলতে থাকলে আমরা কোন পতনের দিকে যাবো আর তার থেকে ফেরা কীভাবে হবে, সেইটা বড় প্রশ্ন। তো ঐখানে ঐ ফ্যাসিজম ট্যাসিজম আসে।
  • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ১৮:২২556164
  • না বিজেপির ফ্যাসিজম, ফ্যাসিজমেরও ফাঁকিবাজী। অনেকটা সেই সব ছাত্র ছাত্রীদের মা বাবার মত। যারা পরীক্ষায় ভাল ফল না করতে পারলে বলে, আমার ছেলের মাথা ভাল কিন্তু পড়ে না। এটা বলে না, যে আমার ছেলে গোবর গনেশ। বিজেপির ফ্যাসিজমও ঐ রকম। দেশের অর্থ-ব্যবস্থার বারোটা বাজিয়ে এখন ফ্যাসিস্ট হয়েছে। 2014 তে মোদি যখন ক্ষমতায় এল, তখন ধর্মের জিগির ততটা ছিল না। ছিল ইকোনমিকে খুলে দিয়ে প্রচুর বাণিজ্য ও কর্ম সংস্থানের জিগির। কিন্তু সেই পরিসেবা দিতে ব্যর্থ হয়ে এখন ফ্যাসিস্ট হয়েছে। চিন বা অন্যান্য ফ্যাসিস্ট সরকার ও ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গেও যার একটা মূলগত পার্থক্য রয়েছে।
  • Manali Moulik | ১৬ জুন ২০২৬ ১৮:১৬556163
  • ডেকাডেন্ট কথাবার্তা
  • Manali Moulik | ১৬ জুন ২০২৬ ১৮:১৫556162
  • এই তরমুজটা মহা ছোটোলোক। বাজে বকছে।
  • )(* | ১৬ জুন ২০২৬ ১৭:৫৫556161
  • "প্রকৃত ফ্যাসিস্ট ছিল ইন্দিরা গান্ধী। যে ফ্যাসিজম দেশের জন্য হয়ত ভালো ছিল।"
     
    এইটা আজকের সেরা নমুনা। বাঁধিয়ে রাখা হোক :) :) :)
  • r2h | ১৬ জুন ২০২৬ ১৭:৫৫556160
    • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ১৬:৪০
    • চিনেও তো ফ্যাসিস্ট সরকার রয়েছে। ...
     
    এইটা আবার কবে হল?
    মানে ইস্কুলে ব্যকরণের মাস্টারমশাই পান থেকে চুন খসলে পিটিয়ে দেন সুতরাং তিনি ফ্যাসিস্ট- ব্যাপারটা তো সেরকম না বলেই জানি।
  • r2h | ১৬ জুন ২০২৬ ১৭:৪৯556159
    • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ১৬:০০
    • ... বিজেপি / আরেসেসের বিরোধিতা করি আরেসেসের হিন্দুত্ব আইডিওলজির জন্য, মুসলমান বা সংখ্যালঘুদের সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন বানিয়ে ফেলেছে সেইজন্য। পবতে বিজেপি ক্যান্ডিডেট সরাসরি বললেন যে মুসলমানদের জন্য তিনি কোন কাজ করবেন না, সেইজন্য বিরোধিতা করি। আরেসেসের মনুবাদী, হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিস্ট আইডিওলজির জন্য বিরোধিতা করি।
     
    হ্যাঁ, একেবারে একমত। একটি জনগোষ্ঠীকে ধরে আলাদা করে দেওয়া, এবং সিস্টেমিকেলি পুরো জিনিসটাকে নর্মালাইজ করে দেওয়া - এই জিনিসটা অন্য অপরাধগুলির থেকে বড় ও সাংঘাতিক, এবং দীর্ঘমেয়াদী।
    এই যে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা খুব খোলাখুলি হেট স্পিচ দিচ্ছে, তৎকালীন বিরোধী দলনেতা, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর ভোটের প্রচারে সংখ্যাগুরু ধর্মের বাড়িতে ধর্মীয় পতাকা ওড়াতে পরামর্শ - এই জিনিসগুলি বিপদের লক্ষণই শুধু না, ইতিহাসে এরকম হয়েওছে আগে; কিন্তু তারপরেও প্রচুর লোক এগুলিকে উপেক্ষা করে উন্নয়ন নামক মায়ামৃগ- যেখানে কিনা এই দলের অন্যান্য জায়গায় সুশাসন বা সুনীতি বা উন্নয়নের কোন উদাহরণ নেই -এইটা ভয়ানক, এবং প্রতিরোধযোগ্য।
     
    • তরমুজ | ১৬ জুন ২০২৬ ১৬:৪৯
    • ...অন্য দল দুর্নীতি করলে সেটা দুর্নীতি। কিন্তু বিজেপি দুর্নীতি করলে ফ্যাসিস্ট। ...
     
    এইটা অতি ভুলভাল ইন্টারপ্রিটেশন। দুর্নীতি করলে ফ্যাসিস্ট কেন হবে। ফ্যাসিস্ট বলে ফ্যাসিস্ট। দুর্নীতিগ্রস্ত বলে দুর্নীতিগ্রস্ত। যেমন তৃণমূল দুর্নীতিগ্রস্ত- এতে তর্কের কোন অবকাশ নেই। কিন্তু ফ্যাসিস্ট কিনা- সেটা তর্কযোগ্য। ফ্যাসিস্টের দোসর ইত্যাদি বলা যায়, কিন্তু ফ্যাসিস্ট মার্কার জন্য যে নীতি টীতি আবশ্যক সেসব তৃনমূলের কখনো ছিল না। ফ্যাসিজমের জন্য যদ্দুর জানি জাতিগত ফ্যাক্টর এবং সমাজ ও অর্থনীতির কঠোর নিয়ন্ত্রন আবশ্যক।

    সাংবিধানিক নিয়ম কানুন প্রসেস ইত্যাদি বেমালুম ভুলে গিয়ে পুলিশি স্বেচ্ছাচার, অভিযুক্তকে হেনস্থা - এই জিনিসগুলি নর্মালাইজ করে ফেলা- কোমরে দড়ি দিয়ে হাঁটানো- আজ ডিম ছোঁড়া, কাল সেই ডিম পাথর ছোঁড়ায় পর্যবসিত হবে না- তা কেউ বলতে তো পারেই না, বরং সে সম্ভাবনা প্রচুর; বুলডোজার, এনকাউন্টার- এইগুলি যেমন শুধু নর্মালাইজড হয়ে গেছে তা না, গোরবান্বিতও হয়ে গেছে।

    কাল দেখলাম কোন এক তৃণমূল নেতার অন্তঃসত্বা স্ত্রীকে কারা লাথি মেরেছে। তার সঙ্গেই দেখলাম এক কুচো বিজেপি সমর্থক সমর্থন করে নিদান দিয়েছে, যে অন্তঃসত্বা বাম মহিলা দেখলে তাদের ল্যাঙ মেরে ফেলে দিতে। পাঁচঘরা সীমান্তে কিশোরীর বিষয়ে নিদানগুলিও সমাজ মাধ্যমে ঘুরছে। তো এই বড় স্কেলে ডিহিউম্যানাইজ করে দেওয়া- এইটা সব থেকে বড় ব্যাপার। এবং আবারও, ইতিহাসে এমন হয়েছে। আমরা সবাই সেসব জানি, কিন্তু বিপুল সংখ্যক মানুষ উদ্বাহু হয়ে সেসবকে স্বাগত জানাচ্ছে- এই জম্বিপনা প্রতিরোধযোগ্য।

    প্রতিরোধ করবে কে সে হল প্রশ্ন। আমি রাস্তায় নামবো না তা আমি জানি। হারানোর অনেক কিছু আছে। সমর্থন করবো না, এইটুকুই সম্বল।
  • গুলিসুতো | ১৬ জুন ২০২৬ ১৭:৩৩556158
  • পার্থ মানে ছোট্টবেলায় আরএসএস পার্থর পোস্টটা পড়লাম। দুটো খটকা। ঊনি লিখেছেন -
    "কিন্তু রাস্তায় রকে গ্রামে ও শহরে কান পাতলেই যে বিজেপি আসছেই এবার, এই হুইস্পারিং ক্যাম্পেন চালানো হয়েছিলো, তিনি তাকে অগ্রাহ্য করেছেন।"
    এই হুইস্পারিং ক্যাম্পেন বিজেপি চালালো? লোকে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ফিসফাস করে বলেই জানি আর প্রোপাগান্ডা চলে হোয়াটস্যাপে বা লাউডস্পিকারে। হুইস্পারিং ক্যাম্পেনটা কি জিনিস? তাতে কি কানে বাতাস লাগে?
     
    দ্বিতীয়ত, উনি লিখেছেন -
    "বাংলার বাইরেও এবং বাংলাদেশেও এই হুইস্পারিং ফিসফাস অন্তরালের প্রোপাগাণ্ডা ক্রমাগত চালিয়ে যাওয়া হয়েছে, যাতে লোকে বিজেপিকেই ভোট দেয়।"
    বাংলাদেশেও বিজেপি গিয়ে হুইস্পারিং প্রোপাগান্ডা চালিয়েছে? আর সেই ফিসফাসের এমন জোর বাংলাদেশ থেকে লোক এসে বিজেপিকে ভোট দিয়ে গেল? পার্থবাবু কি ব্রুকলিন থেকে দূরবীন দিয়ে এসব দেখলেন? প্রশ্ন রৈল আমাদের নোমদা থুড়ি পার্থদার কাছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত