এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ডিমউইট | ২৫ জুন ২০২৬ ০৪:০৪556698
  • ইস প্রতি নয় প্রতি দুটো
  • ডিমউইট | ২৫ জুন ২০২৬ ০৪:০২556697
  • দিত = প্রতি
  • ডিমউইট | ২৫ জুন ২০২৬ ০৩:৫৯556696
  • ডিম খাবার খরচা অনেক। বেশি ডিম তো খাওয়া উচিতই নয়। কাউকে নাকি আটটা ডিম খেতে দেখে নাকি কমলকুমার মজুমদার বলেছিলেন এর জন্যে (সাইড এফেক্ট সামলাবার জন্য)চারটে মাগি রাখতে হবে। দিত ডিম তাহলে একটা। সোজা অঙ্ক। ও না খাওয়াই ভালো।
  • অপ্রাকৃত | ২৫ জুন ২০২৬ ০৩:১২556695
  • ইসকন আমিষ খাবার সার্ভ করে না কে বলল? উল্টে আমিষ খাবার সার্ভ করলে অফিসাররাই তো ওদের ব‍্যান করে দিচ্ছে। এই তো দিল্লির খবর ২০১৩ সালে

    "South Corporation, after finding the smell of red meat and iron pieces in midday meals supplied by ISKCON (International Sri Krishna Conscious Society) Food Relief Foundation to South Corporation schoolchildren, has prohibited it from supplying midday meals to about 90,000 students. It may be stated in this connection that last December (2013) the students of Delhi’s Jai pur primary school had complained of pieces of dead rat and bits of iron in their midday meal. The Corporation had sent the food for testing to FICCI Research and Analysis Centre which confirmed that the food was harmful for human consumption”

    https://www.milligazette.com/news/4-national/10057-iskcon-banned-from-supplying-midday-meals/#google_vignette
     
    সুপ্রাচীন ঐতিহ‍্য!
  • wrong perception | ২৫ জুন ২০২৬ ০২:৩৪556694
  • Virat Kohli eats eggs. His standard breakfast routine heavily features eggs, usually combining three egg whites with one whole egg along with spinach, black pepper, and cheese.
  • syandi | ২৫ জুন ২০২৬ ০২:১৫556693
  • ২৫ জুন ২০২৬ ০২:০৫, প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট নিলেই হল।
  • প্রোটিন সোর্সের প্রশ্ন | ২৫ জুন ২০২৬ ০২:০৫556691
  • ইসে, প্রশ্ন একটা ছিল।
    প্ল্যান্ট প্রোটিন খেয়ে বিরাট কোহলী সর্বোচ্চ পর্যায়ে পার্ফর্ম করে কিভাবে?
  • Manali Moulik | ২৫ জুন ২০২৬ ০১:২৪556690
  • তারাতলার অবস্থা ভয়াবহ।
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ০১:০৫556689
  • @lcm, আচ্ছা
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ০১:০৪556688
  • ****ঘাপলা নয়। একটা অডিট কেসে জড়িয়ে গেছে। ঘাপলা আছে কি না সেটা ও বলতে পারবে।
  • lcm | ২৫ জুন ২০২৬ ০১:০৪556687
  • সিএ ... মানে, চার্টাড একাউন্টেন্ট ... না না, আমি নই ... ওসব অনেক জটিল ঝামেলার কাজ ...
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ০০:৫৯556686
  • সিএ হলে একটু দরকার ছিলো, একজন পরিচিত একটা ঘাপলা মার্কা অডিট কেসে জড়িয়ে গেছে। বেরোতে পারছে না।
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ০০:৫০556685
  • @lcm, আপনি কি সিএ?
  • lcm | ২৫ জুন ২০২৬ ০০:৪৪556684
  • অ্যাঁ! ... এইচআর এর চাকরি করতে গেলে ক্যালকুলাস গুলে খেতে হয়! ... মাই গুডনেস! ভালো করে গুলে খাওয়া তো দূরের কথা, কাঁচা চিবিয়ে বদহজম হয়ে ক্যালকুলাস নিয়ে এক বিশ্রি অবস্থা হয়েছিল, কোনোরকমে এ যাত্রায় বেঁচে গেছি... এইচআর এর চাকরি পেতাম না ...
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ০০:২০556683
  • আর প্রথম বিশ্বের দেশে ইকোনমিস্টরাও সামলায়। তারাও টেকনিক্যাল লোক। স্নাতকে অঙ্ক ছাড়া ইকোনমিস্ট হওয়া যায় না। এবং ইকোনমিক্সও একটা টেকনিক্যাল সাবজেক্ট। সেখানেও ক্যালকুলাস, স্ট্যাট গুলে খেতে হয়।
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ০০:১৬556682
  • //কোম্পানিতে এইচআর বা সিএসআর সামলাবে কারা?//
     
    সিএস, সিএ, সিএমএ রা সামলায়। তারাও টেকনিক্যাল লোক। তার জন্য ক্যালকুলাস গুলে খেতে হয়।
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ০০:১২556681
  • @মানালি, সেজন্যই তো আমি আগেই বললাম যে, আর্গুমেন্ট সমাজ বিজ্ঞানীদের জন্য সার্ভাইভ করার অস্ত্র। যদি টেক কেন্দ্রিক হিটলারের জন্ম না হত। তাহলে সমাজ বিজ্ঞানীদেরও কোনো প্রয়োজন ছিল না। ভারতে সমাজ বিজ্ঞানীরা কি মানুষের পেটের খিদে মিটিয়েছে? তার জন্য কৃষি বিজ্ঞানীর দরকার ছিল। সবচেয়ে বড় কথা যদি আর্গুমেন্ট না থাকে তাহলে টেক-বিহীন সমাজেও ননটেকনিক্যাল হিটলারেরা তৈরি হবে। এবং ননটেকনিক্যাল হিটলারেরাই অন্য ননটেকনিক্যাল হিটলারদের রিপ্লেস করে দেবে। যেমন একজন টেকনিক্যাল লোকই অন্য একজন টেকনিক্যাল লোককে রিপ্লেস করে। সেজন্য আর্গুমেন্ট, তর্কবিতর্ক জরুরি।
  • lcm | ২৫ জুন ২০২৬ ০০:০৯556680
  • ডিম নিয়ে বাজে পান ...
    ডিমের অংক : ডিমসাম
    ডিমের মজা : ডিমউইট
    কম ডোজের ডিম : ডিমার

    এক ছোকরা বলেছিল - যে দোকানের জুতো পড়লে খালি ডিম খেতে ইচ্ছে হয় - Khadim
  • syandi | ২৫ জুন ২০২৬ ০০:০৭556679
  • | ২৪ জুন ২০২৬ ২৩:১৪,
     
    অরিজিৎ- এর লেখাটা কাইণ্ডলি দিতে পারবেন এখানে?
  • syandi | ২৫ জুন ২০২৬ ০০:০৪556678
  • অ্যানিম্যাল প্রোটিন সোর্সগুলো অর্থাৎ মাছ,মাংস, ডিম — এগুলো প্ল্যান্ট প্রোটিন সোর্সগুলোর চাইতে অনেক বেশী প্রোটিন-ডেনস্ড। অর্থাৎ যদি ধরি আমার ডেইলি প্রোটিন চাহিদার জন্য একপিস মাছ আর একশ গ্রাম চিকেন লাগবে, তাহলে সমপরিমাণ প্রোটিন প্ল্যান্ট প্রোটিন সোর্সগুলোর থেকে পেতে হলে হয়ত এককড়াই ডাল খেতে হবে (এককড়াই ডাল খেলে পেটখারাপ হওয়া অবশ্যম্ভাবী)। এটার কারণ হল
    ১) প্ল্যান্ট প্রোটিন সোর্সগুলো মাছ-মাংস-ডিমের মত অত প্রোটিন-ডেনস্ড নয়।
    ২) প্ল্যান্ট প্রোটিনগুলো আমদের দেহ প্রাণীজ প্রোটিনের মত ভালভাবে রাখতে পারে না। প্রাণীর কোষে কোন সেল-ওয়াল থাকে না, তাই প্রানীজ প্রোটিন সোর্স খেলে আমাদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেমের পক্ষে তুলনামূলকভাবে সহজ হয় প্রাণীজ প্রোটিনকে আ্যাবসর্ব করতে। অপরপক্ষে প্ল্যান্ট সেলগুলি ঘেরা থাকে সেলিউলোজ এবং হেমিসেলিউলোজের শক্ত বর্মদ্বারা। সেলিউলোজ এবং হেমিসেলিউলোজকে ভেঙ্গে ফেলার মত এনজাইম মানুষের ডাইজেসটিভ ট্র্যাকে থাকে না যদিও গরু-মোষ জাতীয় চারপেয়ে ম্য়ামালদের এই এনজাইম থাকে। সেই কারণেই আপনি যেটুকু প্ল্যান্ট প্রোটিন খাচ্ছেন তার একটা বিরাট অংশ আপনার কোন কাজে না লেগে কমোডে নিক্ষেপিত হচ্ছে।

    ৩) এছাড়া গাছ-গাছড়ার প্রাকৃতিক ডিফেন্স মেক্য়ানিজমের অংশ হিসাবে প্ল্যান্ট বেসড প্রোটিন সোর্সের মধ্য়ে antinutrients এর উপস্থিতি আমাদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেমের কাজটা আরও কিছুটা কঠিন করে দেয়। এই anti-nutritional factors গুলোর কাজই হল আমদের protease এনজাইম (যেটা pancreas থেকে বের হয়)-কে ইনহিবিট করা। protease এনজাইম হল সেই এনজাইম যে প্রোটিনকে ভেঙ্গে অ্যামিনো অ্যাসিডে টুকরো টুকরো করে ফেলে, আর তারপরে এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো আমাডের দেহ অ্যাবসর্ব করে ফেলে। সুতরাং protease এনজাইমকে ইনহিবিট করা মানে প্রোটিন ভাঙবে না।

    এই গেল খুব সাদামাটাভাবে বললে যেটা দাঁড়ায়। এখানে অরিনলান আছেন যিনি ডাক্তার, কেকে আছেন বায়োলজিস্ট। ওনারা আরো ভালভাবে এবং আরো ডিপে গিয়ে বলতে পারবেন।
     
  • Manali Moulik | ২৫ জুন ২০২৬ ০০:০০556677
  • কিন্নর রায়ের সম্পাদনায় 'লুপ্ত জীবিকা, লুপ্ত কথা' বলে একটা অপূর্ব বই আছে। তাতে ডিম নিয়ে একটি রম‍্যরচনা ছিলো। এতো ডিম দেখে সেকথা মনে পড়ছে
  • lcm | ২৪ জুন ২০২৬ ২৩:৫৮556676
  • ডিম তো শুধু প্রোটিন নয়, একটা ১০৫ গ্রামের দুটো ডিমে ১৩ গ্রাম প্রোটিন, কিন্তু অন্যান্য জিনিসও তো আছে - বলে কিনা বাচ্চা বুড়ো সকলের সুষম খাবার
  • Manali Moulik | ২৪ জুন ২০২৬ ২৩:৫২556675
  • প্রথম ধারণাগত জিনিস কনসেপ্ট
     
     
    টাইপোর জন‍্য দুঃখিত।
  • Manali Moulik | ২৪ জুন ২০২৬ ২৩:৫১556674
  • মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক? মালিক শ্রমিক সম্পর্কও বিজ্ঞানের উপর নির্ভরশীল। সমাজ বিজ্ঞানের অনুপ্রবেশ তখনই হয়। যখন সেই সম্পর্কের মধ্যে বিবাদ তৈরি হয়। এবং এই বিবাদের ফল হিসেবেই মার্কসবাদ থেকে হিন্দুত্ববাদ সব কিছুর জন্ম। না হলে আপনিই বলুন না, একটা টেক কোম্পানিতে একজন সমাজ বিজ্ঞানীর কী কাজ?
     
     
    যে কোনো সম্পর্কের মধ‍্যেই কন্ট্রাডিকশন থাকবে। তথাকথিত টেক মেন্টালিটি কখনো মনুষ‍্যসমাজ চালাতে পারে না। মালিক - শ্রমিক সম্পর্ক যেমন নির্ভরশীল বিবাদের উপর তেমন সামাজিক উৎপাদন বলেও একটি বিষয় আছে। নাহলে মানুষ যন্ত্র হয়ে যেত। টেক কোম্পানিতে এইচআর বা সিএসআর সামলাবে কারা? উৎপাদন ব‍্যবস্থার স্তরভিত্তিক আলোচনা যদি কাজ না করে তবে পক্ষান্তরে ওই হিটলারের টেক-কেন্দ্রিক ফ‍্যাসিসজ আর ঘৃণার চাষকেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে। মানুষ বারো ঘন্টা কাজ করে এসে হোয়া ইউনিভার্সিটিতে গ্লাস ভরে ঘৃণা গিলবে, কাটাছেঁড়া তথ‍্য পাবে, অতলান্তিক ভালগারিটির আর যৌন বিকৃতির সমুদ্রে ডুববে। প্রথম ধারণাগত জিনিস oncept'. তার উপরেই সবটা দাঁড়িয়ে থাকে এবং প্রযুক্তি কখনো শূন‍্যে বিকশিত হয়না। অ‍্যান্টাগোনিজম থাকাটাই মানবসমাজের জীবনের স্পন্দন।
  • তরমুজ | ২৪ জুন ২০২৬ ২৩:৩৪556673
  • //কেবল সার্ভাইভাল বলছেন কেন? টেকনোলজি উৎপাদন শক্তির চালিকা পদ্ধতি হলেও উৎপাদন সম্পর্ক তো সমাজ বিজ্ঞানের উপরেই নির্ভর করে। সমাজবিজ্ঞানের লেন্স ছাড়া সেগুলো সমাধানও অসম্ভব।//
     
    টেকনোলজি শুধু উৎপাদনের চালিকা শক্তি নয়। বিজ্ঞান ও টেকনোলজি উৎপাদনের সবকিছু। বরং এটা বলতে পারেন টেকনোলজিটা আধুনিক না প্রাচীন। সেটা অন্য প্রশ্ন।
     
    উৎপাদন সম্পর্ক কী? মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক? মালিক শ্রমিক সম্পর্কও বিজ্ঞানের উপর নির্ভরশীল। সমাজ বিজ্ঞানের অনুপ্রবেশ তখনই হয়। যখন সেই সম্পর্কের মধ্যে বিবাদ তৈরি হয়। এবং এই বিবাদের ফল হিসেবেই মার্কসবাদ থেকে হিন্দুত্ববাদ সব কিছুর জন্ম। না হলে আপনিই বলুন না, একটা টেক কোম্পানিতে একজন সমাজ বিজ্ঞানীর কী কাজ?
  • Manali Moulik | ২৪ জুন ২০২৬ ২৩:২১556672
  • সমাজ বিজ্ঞানীরা তো টেকনিক্যাল কাজ করতে পারবে না। সুতরাং আর্গুমেন্ট সমাজ বিজ্ঞানীদের সার্ভাইভালের জন্য অত্যাবশ্যক।
     
    কেবল সার্ভাইভাল বলছেন কেন? টেকনোলজি উৎপাদন শক্তির চালিকা পদ্ধতি হলেও উৎপাদন সম্পর্ক তো সমাজ বিজ্ঞানের উপরেই নির্ভর করে। সমাজবিজ্ঞানের লেন্স ছাড়া সেগুলো সমাধানও অসম্ভব।
     
    যাইহোক, যশোর প্রেক্ষাপটের উপর প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত অসামান‍্য ঐতিহাসিক উপন‍্যাস 'সাদা ঘোড়ার সওয়ার' কেউ পেলে বা পিডিএফ অ‍্যাকসেস করতে পারলে প্লিজ দেবেন তো।
  • syandi | ২৪ জুন ২০২৬ ২৩:২০556671
  • Manali Moulik | ২৪ জুন ২০২৬ ২২:৪৭,
    হ্যাঁ, এটা পড়া আছে। আরে না না নেমড্রপ হবে কেন? অত ধরলে তো আড্ডাটাই হবে না।
  • | ২৪ জুন ২০২৬ ২৩:১৪556670
  • সয়াচাঙ্ক প্রসেসড ফুড। খুব একটা স্বাস্থ্যকর খাবার নয়। আর পূব আর দক্ষিণ দিকের মানুষদের প্রাণীজ প্রোটিন পছন্দ করার একটা জেনেটিক কারণ আছে। গতকাল অরিজিৎ লিখেছিল।
     
    একটা মিউটেটেড জিন — ১৩৯১০T — এই জিন বাচ্চাবয়সের পরেও দুধ জাতীয় খাবার হজম করার ক্ষমতা দেয়। এই জিনের উপস্থিতি দেখা যায় উত্তর ও পশ্চিম ভারতের প্রায় ৪০% শতাংশ মানুষের মধ্যে, আর পূর্ব/দক্ষিণ ভারতে ১% মানুষের মধ্যে। কাজেই এই উত্তর বা পশ্চিম ভারতের তুলনায় পূর্ব/দক্ষিণ ভারতে ল্যাক্টোজ ইন্টলারেন্স খুবই বেশি। এইটাই মূল কারণ এই অঞ্চলগুলোতে অল্টারনেটিভ অ্যানিম্যাল প্রোটিনের খোঁজে আমিষ খাবারের দিকে এদিককার মানুষের অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার। এদিকের মানুষের ডাইজেস্টিভ সিস্টেম তৈরীই হয়ে গেছে সেই অনুসারে।
    রেফারেন্স - আর্লি ইন্ডিয়ান্স, টোনি জোসেফ।
     
    হ্যাঁ ঢাকায় এক ডাক্তারের কাছে মাদ্রাসায় পিডোফিল মলেস্টারের হাতে আক্রান্ত শিশুদের ভয়াবহ কাহিনী পড়েছি।
  • r2h | ২৪ জুন ২০২৬ ২৩:১১556669
    • Bratin Das | ২৪ জুন ২০২৬ ২২:৩০
    • ... 100 গ্রাম মাছ হজম করা যত টা সহজ, ডাল ইত্যাদি যে 100 গ্রাম এর সম পরিমাণ প্রোটিন ...
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত