এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৪৪556728
  • যে সময়ে ইরাণ এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্ক খারাপ ছিলো, তখন পাকিস্তানিরা আফগান পাসপোর্টে সোভিয়েত দেশে যেতো। ইরাণীরা নিতো আফগান পাসপোর্ট।
    আবার প্যালেস্তেনিয়ানদের যেহেতু ইজ্রায়েল সরকার পাসপোর্ট দিতো না, তারাও নিতো আফগান পাসপোর্ট বিদেশ ভ্রমণের জন্য।
  • lcm | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৪০556727
  • যারা নাগরিক তাদের সবার পাসপোর্ট থাকে না।
    জেনারেলি, যাদের পাসপোর্ট আছে তারা সেই দেশের নাগরিক। (ব্যতিক্রম আছে, কিন্তু বিশেষ ক্ষেত্রে এবং বিরল)
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৪০556726
  • "অন্য ট্র্যাভেল ডকুমেন্টের" কথায় মনে পড়ল, প্রয়াত কবি দাউদ হায়দারের কাছে ঐ জিনিস দেখেছি। উনি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে প্রথমে ভারতে আসেন, তারপরে নোবেলজয়ী (এবং নাৎসি) লেখক গুয়েন্টার গ্রাসের সাহায্যে তৎকালীন পশ্চিম জার্মানির বাসিন্দা হন, উদ্বাস্তু হিসেবে। কিন্তু জার্মান ভাষাটা তেমনভাবে রপ্ত করতে না পারায় জার্মান নাগরিকত্ব পেলেন না। অথচ নানান দেশে ট্র্যাভেল করার জন্য ওঁর কাছে এক বিশেষ ধরণের ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট ছিলো। অনেক উদ্বাস্তুদের কাছেই এরকম ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট থাকে, যারা স্টেটলেস।
  • xyz | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৩৩556725
  • যে জিনটার কথা কিছু পাতা আগে রয়েছে, সেটা ল্যাক্টেজ তৈরী করতে সাহায্য করে। ল্যাক্টেজ মানে দুধ বা দুধজাত খাবার হজম করার এনজাইম। এই জিনের বিন্যাস ভারতের ক্ষেত্রে একটা সরলরেখা বরাবর কমেছে। উত্তরপশ্চিমে ৪০% লোকের মধ্যে দেখা যায়, দক্ষিণ আর পূর্বে বড়জোর ১%, উত্তরপূর্বে কিছু জনগোষ্ঠীর মধ্যে নেইই। ফলে, ডায়েটারি প্রেফারেন্স সেইভাবেই তৈরী।
     
    স্কুলগোয়িং বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বাইরে থেকে মনে হতে পারে রেলিভ্যান্ট নয়। কিন্তু আদতে খুবই রেলিভ্যান্ট। Kuchay et al এর ২০১১ সালের একটা পেপারে বলছে ভারতে বাচ্চাদের মধ্যে ৩-৫ বছর বয়স থেকে ল্যাক্টেজ তৈরী হওয়া কমতে থাকে, ৭-৮ বছরের মধ্যে প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এবং পনীর জাতীয় খাবারের সঙ্গে ব্লোটিং, বদহজম, ডায়েরিয়া জাতীয় উপসর্গ অনেক ক্ষেত্রেই ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্সের সঙ্গে জড়িত।
     
    কাজেই এই ৭-৮ বছর বয়সের পর থেকে দুধের চেয়ে বেশি কাজ দেয় অন্য প্রাণীজ প্রোটিন। ডিম সবচেয়ে শস্তায় কমপ্লিট ফুড। প্রোটিন, বি১২, heme iron ইত্যাদি যেগুলো বডি সহজে অ্যাবসর্ব করতে পারে। এর ইকুইভ্যালেন্ট উদ্ভিজ্জ প্রোটিন নিতে গেলে সেই খাবারের পরিমাণ এতই বেড়ে যাবে যেটা খাওয়া সম্ভব নয়। খরচের দিক দিয়েও বেশি। সয়াবীন কাগজেকলমে শস্তা মনে হলেও তার অন্য সমস্যা আছে — প্রসেসড চাঙ্ক, হজমের ক্ষেত্রে সহজ নয় ইত্যাদি।
     
    ছাগল দিয়ে হাল চাষ হয় না। নাগপুরী ছাগল দিয়ে দেশ শাসন হয় না।
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:২৮556724
  • আমেরিকাতেইতো অসংখ্য নাগরিকের কাছে পাসপোর্ট নেই। অথচ তারা ১০০% বৈধ নাগরিক।
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:২৫556723
  • হ্যাঁ, পাসপোর্ট অনেক দেশেই নাগরিকত্বের কাগজ নয়। সুইটজারল্যান্ডেও নাগরিকত্বের কাগজ পাবার পরে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা যায়, না করলেও চলে। আবার অনেক সময়ে অনাগরিককেও বিশেষ কারণে পাসপোর্ট দেওয়া হয়, নানান দেশে।

    এসবের প্রত্যক্ষ করেই লিখছি। ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট সমস্ত সময়ে পাসপোর্ট না ও হতে পারে।

    ১) আমাদের এই সুইটজারল্যান্ডের অনেক নাগরিকের কাছেই পাসপোর্ট নেই।
    ২) যে সমস্ত দেশে পাসপোর্ট ছাড়া ট্র্যাভেল করা যায়, সেসমস্ত দেশে যেতে হলে আমাদের পাসপোর্ট লাগে না। ঠিক যেমন নেপালে বাই রোড যেতে আগে ভারতীয়দের পাসপোর্ট লাগত না, সম্ভবতঃ উড়ানের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম ছিলো বা এখনও আছে।
    ৩)ভারতে এইরকমের কোনও নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়া হয় না, বা হতো না, ফলে বকলমে পাসপোর্টকেই নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে ধরা হতো, যেটা সম্ভবতঃ ঠিক নয়।
    ৪)আমাদের যেমন নাগরিকত্বের জন্য নিজস্ব ডকুমেন্ট আছে, ভারতে সেরকম কিছু নেই। সুইস নাগরিকত্ব পাবার পরে যদি সুইস পাসপোর্টও নেওয়া হয়, তখন ভারতীয় নাগরিকত্ব তথা পাসপোর্ট প্রত্যর্পন করা হয়। কিন্তু সেখানেও একটা ব্যাপার আছে। প্রথমে নাগরিকত্ব প্রত্যর্পন করাটা আবশ্যিক এবং বাধ্যতামূলক, যেহেতু ভারত দ্বৈত নাগরিকত্ব দেয় না। কিন্তু পাসপোর্ট প্রত্যর্পন করাটা আবশ্যিক নয়, কিন্তু ঐ পাসপোর্টে ট্র্যাভেল করলে সেটা ভারতের আইনে বেআইনি।
  • | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:১৯556722
  • ভারতে সয়াবীন চাষ হয় না কে বলল। সয়াবীন মহারাষ্ট্রে প্রচুর চাষ হয়। অন্যত্রও হয় নিশ্চয়ই। পুণেতে আমাদের সোসাইটিতে কাজ করত সুশীলা আন্টি, ওদের বেশ খানিকটা খেতিজমি ছিল। প্রত্যেক বছর একবার চাষ শুরু করার সময় আরেকবার ফসল তোলার সময় ৬ -৭ দিন করেছুটি নিত। ওদের খেতিতে ইন্দ্রায়ণী ধান, সয়াবীন আর চিনেবাদাম চাষ করত। এমনিও সয়াবীনের মিস্ত মস্ত খেত দেখেছি।
  • lcm | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:০১556721
  • ডাল বিনস ... এরা সব কাছাকাছি .. সব ভাই ভাই ...লেজিউম ফ্যামিলি ...
  • Dhuttor | ২৫ জুন ২০২৬ ১৩:০৬556720
  • @b,
     
    ঠিকই বলেছেন | আমি এই গত মে মাসেই দার্জিলিং গেছি আমার নেপালী গাইড কাম ড্রাইভার বলেই দিলেন যে বিফ না খেলে ওনারা থাকতেই পারবেননা | নেপালি বিফ আইটেম শুকুটা মাসু ওনার খুবই ফেবারিট | জোর দাবি করলেন বিফ স্যুপ খেয়েই ওনারা কোভিদ থেকে বেঁচে গেছেন পাহাড়ে | উত্তর পূর্বের বাদবাকি শহরেও নিশ্চয় একই ট্রেন্ড থাকবে |
  • হেঁয়ালি | ২৫ জুন ২০২৬ ১২:৫৪556719
  • খাওয়া একটা স্থানীয় ব্যাপার। সয়াবিন/টোফু দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার খাবার। ভারতে চাষ হচ্ছে দেখিনি। রাজমা হিমাচল বা উত্তরাখণ্ডের মত পাহাড়ি জায়গায় চাষ হয়। আটা রেশনে দেওয়া শুরু হয় পঞ্চাশের মন্বন্তরের সময় বা আরো পরে যখন আমেরিকা থেকে গম আনানো হত। ভারতে যেখানে জল বেশি সেখানে ধান আর যেখানে জল কম সেখানে লোকেরা রাগি জোয়ার বাজরা খেয়ে বেঁচে এসেছে।
  • Bratin Das | ২৫ জুন ২০২৬ ১২:৫৩556718
  • ডালের মত সয়াবীন তো খুব পুষ্টিকর শুনেছি
  • b | ২৫ জুন ২০২৬ ১২:৪৩556717
  • জেমিনিকে সনাতনীরা যেমন তথ্য দেবেন সে তেমনই ওগরাবে।
    উত্তরপূর্ব পুরোটাই বাদ !
  • Bratin Das | ২৫ জুন ২০২৬ ১২:৪২556716
  • এবারে কলকাতায় এলে তোমাকে মিষ্টি হাবে নিয়ে যাবো দেখি কত মিষ্টি খেতে পারো
  • Dhuttor | ২৫ জুন ২০২৬ ১২:৩৮556715
  • @এলসিএমদা,
     
    হ্যাঁ ডালের কথাও জেমিনী বলেছিলো | গোবলয়ে দুগ্ধ জাত বস্তু ছাড়াও সয়াবিন ডাল রাজমা ইত্যাদি থেকেও প্রোটিনের জোগাড় হয় অনেক | আমি নিজে হয়তো এটা তেমন জোর দিয়ে লিখিনি | তবে আমার প্রশ্ন হলো যে যে ধরুন ১০০ গ্রাম মাংস (রেড মিট ), ১০০ গ্রাম মাছ এবং ১০০ গ্রাম দুগ্ধজাত খাদ্য বা ডাল সয়াবিন রাজমা এদের থেকে সংগৃহীত প্রোটিনের গুণমান বা চরিত্র কি একই ? এটাই মূল প্রশ্ন |
     
    আরেকটা কথা | এটাও বড়ই চিন্তার বিষয় | দেশে এখন ধনী দরিদ্র পার্থক্য ক্রমশ বাড়ছে, AQI প্রতি শীতে আকাশছোঁয়া হয়, দূষণে আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, মূল্যবৃদ্ধি এখন চড়চড় করে বাড়ছে যেহেতু দুহপ্তা আগে পশ্চিম এশিয়াতে যুদ্ধ থেমে গেলেও এখনো পেট্রোল ডিজেল রান্নার গ্যাসের দাম কমেনি তাহলে এতো বড় বড় বিষয় ছেড়ে কেন শুধুই আমিষ নিরামিষ নিয়ে বিবাদ বিতর্ক কেনো ? সংবিধান বলছে মানুষ তার ইচ্ছামত প্রোটিন খাবে তাহলে আইন করে মাছমাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে কার লাভ ?
  • lcm | ২৫ জুন ২০২৬ ১১:৪১556714
  • মানে ... আঞ্চলিক ইয়েতে তো ডাল অবশ্যি থাকার কথা ...
  • lcm | ২৫ জুন ২০২৬ ১১:৩৯556713
  • ধুত্তোর ভাই,
    সেকি! ডাল এর কথা বলে নি ... মুসুর মুগ বিউলি অড়হর তুর উরদ... মানে, বিনস ...
  • lcm | ২৫ জুন ২০২৬ ১১:৩৪556712
  • যদুবাবু বোতিন দের ধারণা যেমন আছে থাক ... ঘাঁটবো না ... তেমন কিছু না করেও অনেক কিছু করছি - বহু দিন ধরে বহু যত্নে এমন একটা ইমেজ লালনপালন করে কর্মজীবন কাটিয়ে দিলাম, প্রায় মেরে এনেছি, আর কটা দিন ... একবার পারফরম্যান্স ইভালুয়েশনে বস এক জায়গায় লিখেছিল - হার্ড ওয়ার্কিং ... ছাপা কপিটাতে পেন দিয়ে গুরু স্টাইলে হার্ড(৯) করে দিয়ে বিবেকের দংশন থেকে  ...  
  • Dhuttor | ২৫ জুন ২০২৬ ১১:২৯556711
  • কিছুদিন আগে জেমিনিতে উপমহাদেশে প্রোটিন নিয়ে সার্চ করে একটা জিনিস দেখেছিলাম | দক্ষিণ এশিয়াতে মূলতঃ তিনটি আঞ্চলিক প্রোটিন সংস্কৃতি আছে |
    ১ | মাংস ভিত্তিক : এই ধরণের খাদ্যাভ্যাসে প্রোটিনের মূল চাহিদা আসে বিভিন্ন ধরণের মাংস থেকে যার মধ্যে অনেকটাই আমাদের ভাষাতে রেড মিট | মূলতঃ পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল ইত্যাদি অঞ্চল এর মানুষ এই শ্রেণীতে পড়ে যারা তাদের দৈনিক প্রোটিন পার ক্যাপিটার সিংহভাগ মাংস রেড মিট থেকে আহরণ করে |
    ২ | মৎস্য ভিত্তিক : বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, ভারতের উপকূলীয় অঞ্চল যেমন পশ্চিমবঙ্গ কেরল তামিল নাড়ু ইত্যাদিতে মানুষের খাদ্যে প্রোটিনের যোগান আসে মাছ থেকে | তবে এসব অঞ্চলে মাংসের প্রভাবও যথেষ্টই আছে |
    ৩ | দুধ ভিত্তিক : ভারতের পাঞ্জাব হরিয়ানা রাজস্থান উত্তরপ্রদেশ মধ্যপ্রদেশ গুজরাট (অর্থাৎ আমাদের পরিচিত গোবলয়ের একটা বড় অংশ ) এরা নিজেদের দৈনিক প্রোটিন জোগাড় করে দুগ্ধজাত খাদ্য যেমন পনির, দুধ ঘি মাখন এসব থেকে | এছাড়া সয়াবিন ডাল রাজমা প্রভৃতির চাহিদাও অনেক |
    এখন এই তিন ধরণের প্রোটিন গ্রহণের উপকারিতা কি একই ? গুরুতে অনেক এক্সপার্ট আছেন তাদের উদ্যেশে এই প্রশ্ন রইলো যে ধরুন ১০০ গ্রাম মাংস (রেড মিট ), ১০০ গ্রাম মাছ এবং ১০০ গ্রাম দুগ্ধজাত খাদ্য বা ডাল সয়াবিন রাজমা এদের থেকে সংগৃহীত প্রোটিনের গুণমান কি একই ?
  • lcm | ২৫ জুন ২০২৬ ১১:১২556710
  • ভীমনাগ, নকুড়, যতীন .... এসব খাবার সময় প্রোটিন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট এর ব্যাপারটা ঠিক মাথায় আসে না ... মন একটা তূরীয় পর্যায়ে উঠে যায় কিনা ...
  • b | ২৫ জুন ২০২৬ ১০:২১556708
  • প্রাণীজ প্রোটিনে হরিদ্বারের মালাই দুধ , ভীমনাগের দই, কে সি দাশের রসগোল্লা, যতীন আর মাখনের সন্দেশ এগুলো ইনক্লুডেড তো ?
  • kk | ২৫ জুন ২০২৬ ০৯:৪০556707
  • "এখানে অরিনলান আছেন যিনি ডাক্তার, কেকে আছেন বায়োলজিস্ট। ওনারা আরো ভালভাবে এবং আরো ডিপে গিয়ে বলতে পারবেন।"
     
    স্যান্ডি,
    আমি এই বিতর্কটায় অংশ নেওয়া থেকে দূরে থাকছি। আমি নিউট্রিশনের একটা কোর্স করেছিলাম। তো আমার পড়াশোনা অনুযায়ী পুরোমাত্রায় প্ল্যান্টবেসড খাবারদাবার খেয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ্য ও ফিট থাকা সম্ভব। অনেক রোগ প্রতিরোধও সম্ভব। আমি ধর্মীয়, রাজনৈতিক বা সামাজিক কারণে কাউকে জোর করে নিরামিষ খাওয়ানোর সমর্থন কখনোই করিনা। কিন্তু নিউট্রিশনের দিক থেকে ব্যাপারটা ঠিক অত লিনিয়ার নয়। এর বহুমাত্রিক দিক আছে। তবে এই মূহুর্তে আমার অত লেখার বা তর্কে অংশ নেবার মত ঠিক পরিস্থিতি নেই। তোমাদের আলোচনা চলুক। আমি পড়ছি।

    অন্য পোস্টে প্ল্যান্টবেসড খাবার ও পার্ফরম্যান্সের কথা দেখলাম। কার্ল লিউইস, প্যাট্রিক বাবুমিঞা, অ্যালেক্স মর্গ্যান অনেকেই তো আছেন। পার্ফরম্যান্সের অসুবিধা হয়না। এমনকি মাসল বিল্ডও করা যায়। আমি নিজেও করেছি।
  • Bratin Das | ২৫ জুন ২০২৬ ০৮:০৪556706
  • আই স্যান্ডি গুছিয়ে বলে দিয়েছি আমি ওটাই বলতে চাইছিলাম
  • Bratin Das | ২৫ জুন ২০২৬ ০৮:০১556705
  • আমার পছন্দ এই অর্ডারে ​​​​​​​
     
    মাটন
    মাছ
    ডিম
    চিকেন
  • Bratin Das | ২৫ জুন ২০২৬ ০৭:৫৯556704
  • এই প্রসংগে ( বানান দেখাতে কেমন হল ) বলি
    লসাগু দা আমি যখন MAKAUT পড়াতাম( 2021 সালে ) একটা টক দিয়েছিল তাতে ৪০০০+ অডিয়েন্স ছিল আর প্রায় আড়াই ঘন্টা ধরে প্রোগ্রাম টা চলেছিল
  • Bratin Das | ২৫ জুন ২০২৬ ০৭:৫১556703
  • যাদু বাবু র 4 টা এগারো একেবারে খাপে খাপ পাঁচুর বাপ wink
  • ar | ২৫ জুন ২০২৬ ০৭:৩১556702
  • পাসপোর্ট একটা International Travel Document, ভারতীয় পাসপোর্টও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু ভারতীয় পাসপোর্টের প্রথম পাতায়, মানে যেখানে ছবি থাকে, সেখানে লেখা থাকত বা থাকে, "Nationality = Indian"। আরো আগে লিখত "Nationality Status = Citizen of India"। অর্থাৎ নাগরিক না হলে আপনি ভারতীয় পাসপোর্টের অধিকারী হতে পারবেন না।
    এখন দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় পাসপোর্ট, আধার কার্ড, ভোটার আইডি কোনটাই ভারতীয় নাগরিকত্বের conclusive প্রমাণ নয়। তাহলে কি, ক্রমে আসিতেছে, সরকারের ইস্যু করা Religious Identity Card? সেখানে আপনার ধর্মীয় পরিচয় লেখা থাকবে, আর তারই ব'লে সরকার আপনার নাগরিকত্ব যাচাই করে নেবে!!

    খরচ যেখানে মাত্রাতিরিক্ত নয় (আঠাশ ডলার, ভারতে করলে পাঁচ থেকে ছয়শ টাকা), সেখানে Renunciation এর জটিলতার জন্য MEA এই রকম একটা প্রচার করবে এইটা ভাবা বেশ চাপের।

     
  • অরিন | ২৫ জুন ২০২৬ ০৬:৩৭556701
  • https://passportindia.gov.in/AppOnlineProject/pdf/passports_act.pdf
     
    ১৯৬৭ র ভারতীয় পাসপোর্ট আইনে (ওপরের লিঙ্ক) পাসপোর্ট "বা" ট্রাভেল ডকুমেন্ট বলে লেখা আছে। এদিকে পৃথিবীর অন্যত্র যেমন ধরুন আওতেয়ারোয়া নিউজিল্যাণ্ডে সরকার পাসপোর্টের সংজ্ঞা নিরূপণ করতে গিয়ে লিখছেন, "passport means a document that is issued by or on behalf of the Government of any country, and that purports to establish the identity and nationality of the holder; but does not include such a document that has expired or that has been cancelled"
    কিন্তু সেসব ক্ষেত্রেও পাসপোর্ট দেবার উদ্দেশ্য তাকে ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট রূপেই দেখানো, যার জন্য কারো যদি অন্য রকমের ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট থাকে, সে পাসপোর্ট নাও পেতে পারে।
     
    আপনি নাগরিক না হলে পাসপোর্ট পাবার অধিকারী নন, ভারত বলছে তার উদ্দেশ্য দেশ থেকে দেশান্তর। ভারত আবার দ্বৈত নাগরিকত্ব সমর্থন করে না, যদিও overseas citizen বলে একটা সোনার পাথরবাটির ব্যবস্থা করা আছে, দীর্ঘমেয়াদী ভিসা বলা যেতে পারে। OCI card পাওয়া খরচসাপেক্ষ ও বেশ ঝামেলার।
    এবার আপনি অন্য দেশের নাগরিক হয়ে গেলে আপনার ভারতীয় পাসপোর্ট নিকটস্থ এমব্যাসিতে জমা দিতে হবে, তাতেও বেশ খরচা আছে। আবার এও দেখেছি বহু লোক অন্য দেশের নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও পুরনো ভারতীয় পাসপোরট নিয়ে যাতায়াত করে (মানে জমা দেয়নি), মনে হয়না ভারতীয় ইমিগ্রেশন নাগরিকত্ব চেক করে, বিশেষ করে যারা দেশীয় নাগরিকের লাইনে গিয়ে দাঁড়ান। হতে পারে এইসব ঝামেলার জন্য হয়ত পাসপোর্ট আর নাগরিকত্বের প্রমাণ আলাদা করে দিতে বলছে। বেশীর ভাগ দেশে এই ধরণের সমস্যা হয় না (সম্ভবত)। হয়ত e-passport আর electronic gate করবে, এর জন্যেই এই সব করছে।
  • যদুবাবু | ২৫ জুন ২০২৬ ০৪:১১556699
  • এই লসাগুদা বিনয় কর্চ্ছে, এক্ষুণি একটা জটিল লগ সাইন ট্যান এক্সপোনেনশিয়াল মডিফায়েড বেসেল ডিভাইডেড বাই কনফ্লুয়েন্ট হাইপারজ্যোমেট্রিক ফাংশন ছুঁড়ে মারলেই মুখে মুখে দুপাতা বাই-পার্টস ইন্টিগ্রেশন করে এক লাইনে সরল করে আন্সার বলে দেবে। নেহায়েত, গুরুর লেখার কলে গ্রিকট্রিক লেখা যায় না তাই ... নৈলে ...

    ওদিকে এই খবরটা দেখলাম। দেখেই ঘাবড়ে গেলাম।

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত