এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • হ্যাট | ২৫ জুন ২০২৬ ১৯:১১556758
  • আর ঢব্বাজের কথা কেই বা শুনতে চায়?
  • হ্যাট | ২৫ জুন ২০২৬ ১৯:০৯556757
  • "মিড ডে মীল ১৯৯৫ সালের অগস্ট মাসে শুরু হয়েছিল"
     
    কী খেলে কনফি নিয়ে কিস্যু না জেনেও এত ভাট বকা যায়? সামান্য সার্চেই জানা যায় কোন সালে কীভাবে চালু হয়েছিল।
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৮:২২556756
  • বা তাদের বাচ্চারা যদি সরকারি ইস্কুলে পড়ে থাকে তাহলেও চলবে।
    সঙ্গে হেরিটেজ স্কুলের নিরামিষ আহারের তুলনামূলক আলোচনাও হতে পারে।
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৮:২০556755
  • এখানে নিশ্চয় অনেক উপভোক্তা আছে সরকারি ইস্কুলের মিড ডে মীল যারা খেয়েছে। কীরকম খাবার তারা খেয়েছে, জানলে ভালো হতো।
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৮:১৮556754
  • কোন সাল থেকে দিচ্ছে? ১৯৯৯, ২০০০ সালে আমার মেয়ে অবৈতনিক সরকারি ইস্কুলে পড়েছে, ইস্কুলে খাবার দিতো না।
  • হে হে | ২৫ জুন ২০২৬ ১৮:১৩556753
  • নাহে ডটচাড্ডি কলকেতার স্কুলেও মিড ডে মিল দেয়। সরকারি আর সরকার গ্রান্টেড স্কুলে দেয়। তুমি ত ভারতের লোকই নও খামোখা তোমার কথা শুনব কেন? তুমি রেপ হও নি রেপ নিয়ে তোমার কথা শুনব না। খুন হও নি খুন নিয়েও শুনব না৷ চল আগে বাড়ো।
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৭:৫৪556752
  • মিড ডে মীল ১৯৯৫ সালের অগস্ট মাসে শুরু হয়েছিল, তবে কোলকাতার ইস্কুলে সম্ভবতঃ মিড ডে মীল দেয় না, অন্ততঃ ১৯৯৯-২০০০ সালে নির্ঘাৎ দিতো না।আমার মেয়ে তখন পড়ত কোলকাতার ইস্কুলে, সেখানে খাবার দাবারের কোনও গল্পই ছিলো না।
    যা বুঝছি এটা গ্রামীণ বা মফস্বলের ইস্কুলের জন্যেই হবে।
    এখানে গুরুর ভাটিয়ালিতে মিড ডে মীলের সরাসরি উপভোক্তাদের থেকে তাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কথা জানতে চাই।
    তার পরে ডিম, সয়াবিন, ইসকন, ইত্যাদি নিয়ে আলোচনাও করব।
  • সোয়া | ২৫ জুন ২০২৬ ১৭:১০556751
  • আর এই সয়া বস্তুটি কি ? সেই আদিকালের নিউট্রেলা, তাই তো ?
     
     
    সোয়া বিন
     
    নিউট্রেলা তার প্রসেসড অবতার।
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ১৬:৫৬556750
  • ইসকন খাবারের দায়িত্ব নেওয়ার ফলে যারা স্কুলে রান্নার কাজ করতেন। তারাও তো বেকার হয়ে গেলেন।
  • Aniruddha Garai | ২৫ জুন ২০২৬ ১৬:৪৮556748
  • আসলে খাবার নিয়ে কেউ কোনোদিন প্রশ্ন করেনি। বাঙালি শহুরে হওয়ার স্বপ্নে বুঁদ হয়ে ছিল তো এতদিন। গ্রাম ছিল ঘৃণ্য আর শহরেই মোক্ষ। এখন আবার লোকে "অল্টারনেট লাইফস্টাইল" খুঁজতে গ্রামে জমি টমি কিনছে।
  • Aniruddha Garai | ২৫ জুন ২০২৬ ১৬:৪৫556747
  • সয়া আদতে প্যাকেজ করা ছিবড়া মাল। যদিও আমরা ছিবড়া মাল খেতেই অভ্যস্ত।
  • | ২৫ জুন ২০২৬ ১৬:৪১556746
  • আর এই সয়া বস্তুটি কি ? সেই আদিকালের নিউট্রেলা, তাই তো ? অনেক অনেক দিন আগে তো একবার এসেছিল, চামড়া না চিউংগাম বুঝতে পারল না বলে বাঙালী নিতে পারল না। ইদানীং আবার ফিরে এসেছে, সাত্ত্বিকতার প্রভাবে হয়ত এবারে বেশী করে খেয়ে গেল।
     
  • Aniruddha Garai | ২৫ জুন ২০২৬ ১৬:৩৫556745
  • এই সরকারের নীতি উপড়ে ফেলা। এরা মানুষের চেতনা থেকে ইতিহাসকে উপড়ে ফেলবে, শহর থেকে হকারকে উপড়ে ফেলবে, অরণ্য থেকে আদিবাসীকে, তারপর অরণ্যকেই উপড়ে ফেলবে, সমুদ্রের তলা থেকে কোরাল উপড়ে ফেলবে, খাবার থেকে ডিম উপড়ে ফেলবে। তারপর নিজেদের বুলডোজার চালাবে।
     
    এটা শুধু এই সরকারের নীতি বললে ভুল হবে। প্রত্যেক সরকারই এই কাজ করেছে। এরা লাজলজ্জা ত্যাগ করে খুব aggressively করছে এই যা।
  • | ২৫ জুন ২০২৬ ১৬:০১556744
  • আর ভারতে নাগরিকত্বের প্রমাণ কী ? খুব সোজা। ট্রাইবুনাল দিয়ে ঘুরে আসতে হবে। চোদ্দপুরুষ অবশ্য লেগে যাবে সেখান থেকে বেরোতে।
  • | ২৫ জুন ২০২৬ ১৫:৫৬556743
  • লোকে ভেবেছিল ভাজপা বাঙালীকে আলাদা করে বেশী ভালবাসে। মাছটাছ খেল, ঝালমুড়িও হল, ফলে খাওয়াদাওয়া যেমন চলছিল চলবে। এখন দেখছে, ও বাবা, এ তো দু'মাসেই ফাল হয়ে বেরোচ্ছে, ফলে বলতেও পারছে না এ কী হল, ছড়িয়ে ফেললাম তো, তাই সয়া - টোফু এটাসেটার গুণাগুণের বিচার অথবা স্কুল কী খেতে আসার জায়গা ইত্যাদি যুক্তি আসছে। এ যে কতবড় শয়তানি যে বাচ্চাদের পছন্দের খাবার তুলে দেওয়া হচ্ছে আর ইডিওলজি আর শুদ্ধতার নামে সাত্ত্বিকতার ঢপ গেলানো হচ্ছে। বিজ্ঞান - জিন - অ্যামিনো অ্যাসিড এসব তো নাগপুরকে দেখিয়ে লাভ নেই, সব কিছুই গোমুত দিয়ে ধুয়ে দেবে। আর এই ঢপসাত্ত্বিক খাবারে কিন্তু প্যাঁজ - রসুন - মুসুর ডালও থাকবে না। ওসবও অসৈরণ খাবার।
     
  • অরিন | ২৫ জুন ২০২৬ ১৫:৪৪556742
  • মানে মুগ মুসুর রাজমা যেমন ডাল বা খিচুড়ি করে খাওয়াটা ঘরে ঘরে সাধারণ ব্যাপার। সয় সেরকম দেখিনি।
     
    কাঁচা সোয়াবিন (যেরকম কড়াইশুঁটি/মটরশুঁটি কাঁচা খাওয়া যায়) মারাত্মক জিনিস, phytate lectin এসব থাকার জন্য কেউ খায় না, এমনকি edemame ও স্টীম করা হয়। এমনিতেও এত ভাল কিছু খেতে নয় (আপরুচি খানা, ডি:), খিচুড়ি বাদ দিন, যা সাইজ, ডাল করলেও ভাল লাগৈর কথা নয়। নাহলে বড়ি টাইপের প্রসেসিং, বা "দুধ" কাটিয়ে "ছানা" ঠিক আছে।
  • Aniruddha Garai | ২৫ জুন ২০২৬ ১৫:৩৮556741
  • https://www.facebook.com/share/p/17AeWkLfcX/
     
    নীলাঞ্জন মিশ্র লিখছেন—
     
    বাঁদিকে সয়াবিন আর ডানদিকে তার ছিবড়ে বা বর্জ্য। সয়াবিন থেকে তেল বার করে নেওয়ার পর তার ছিবড়েটাকে কারখানায় প্রসেস করে নানারকম প্রিজার্ভেটিভ দিয়ে বাজারে সেই ছিবড়েকে গরীবের প্রোটিন বলে বিক্রি করা হয়। দেশের অনেক বাপ আছে। তারাই ঠিক করে কে ধনী কে গরীব। কোনটা ধনীর প্রোটিন হবে কোনটা গরীবের। এই সয়াবিন ছিবড়ার প্যাকেটের গায়ে দেখা যায় দেশের বাবাদের নাম বড় বড় অক্ষরে লেখা। তিন দশক আগেও কোনও পরিবার এই ছিবড়া বর্জ্যের কথা জানতো না। এই বর্জ্য বা ছিবড়া ছাড়াই অজস্র পুষ্টিকর খাবার বাংলার গ্রামে গ্রামে আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিলো আছে থাকবে। বাংলার পুষ্টির জন্য "পনীর রাজমা চাভোল ছোলে চানা" বা সয়াবিনের নামে সয়াবিনের বর্জ্য বা ছিবড়ার দরকার নেই। বাংলার অজস্র শাক, সবজি, শতাধিক মাছের প্রজাতি, নিজস্ব নানা জাতের মুরগি ও তার ডিম, নানারকম দেশী ফল, নানা জাতের দেশী ডাল, তৈলবীজ, নানাধরণের মিলেট, নানা জাতের অসাধারণ দেশী ধান ছিলো। এখনও আছে তবে অনেকটাই সবুজ বিপ্লবের কুপ্রভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। বাংলাকে, সারা দেশকে তার বিপুল খাদ্যবৈচিত্র‍্য থেকে বঞ্চিত করেছে মুনাফা ও ইন্ডাস্ট্রিনির্ভর বেসরকারী নানা উদ্যোগ। যেসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কোনওভাবেই মানুষের ভালো করা নয়। মানুষের পুষ্টি বলতে এখানে ভাবা হয় রেশনের চাল, এদিক সেদিক থেকে আনা ডাল, চরম ভেজাল তেলমশলা, আলু, চালানি মাছ আর হরমোন অ্যান্টিবায়োটিক ঠাসা কোম্পানীর গ্যাদগ্যাদে মুরগির মাংস৷ মানুষও সেসব মাথা নীচু করে মেনে নিয়ে পা থেকে মাথা অবধি রোগ ভরে চলেছে হেলেদুলে। নানা জায়গায় টিকি বাঁধা আছে নানা ডাক্তার আর হাসপাতালে আর আছে জীবন যৌবন এক করে রোজগার করা কিছু টাকা। সেই টাকা এহেন জীবনযাত্রার অনিবার্য পরিণতির পায়ে নিবেদিত। এইতো চোস্ত জীবন! এইজন্যেই তো মানুষ হয়ে জন্মানো!
     
    ভাবতে হবে যারা লোহালক্কড় থেকে ডেটা সব বেচে, তারা হঠাৎ খাবার আর ওষুধ কেনাবেচা ধরলো কেন? লোহালক্কড়, ইলেকট্রনিক্স, ডেটা এসবে ব্যবসা হচ্ছিল না? গোটা দেশের নদী সমুদ্র পাহাড় আদিবাসী জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করে "সিল্পো" করেও তাদের মুনাফা হচ্ছিল না? হঠাৎ তারা চাল বেচবে, ডাল বেচবে, বিদেশের তেলবীজ কিনে এনে কাউকে না জানিয়ে ভিটামিন ফর্টিফিকেশন করে তেল বেচবে, পামতেল সয়াতেল দিয়ে বিস্কুট আইসক্রিম সহ নানা খাবার বানাবে, সর্ষের তেল বেচবে, আবার নানারকম হাইলি হ্যাজার্ডাস বা ব্যাপক ক্ষতিকর পেস্টিসাইডের ব্যবসাও করবে, দেশে কীটনাশকের ব্যবহার ও ক্যানসার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকবে আর মানুষ ভাববে কোন জেলা রাজ্য কটা ক্যান্সার হাসপাতাল পেলো, কত দ্রুত সেই হাসপাতালে মর্গে বা শ্মশানে দৌড়ে যেতে পারলো, সেটাকেই উন্নয়ন বলে।
     
    পোল্ট্রিতে কী দুর্গন্ধ। সারাদিন মুরগি ঝিমায়। সেই স্ট্রেসড হরমোন ঠাসা রোগগ্রস্ত মুরগির মাংস আমাদের কাছে কী উপাদেয়! সয়া মূলত হাজার হাজার হেক্টরে চাষ হয় পশুখাদ্য উৎপাদনের জন্য। অবশ্যই কিছুটা তেল মানুষের জন্যও বিক্রি হয়। সেই তেল বার করার পর সয়াবীনের ছিবড়া দিয়ে এই অদ্ভুত বিস্বাদ পাউডার মাখা খাবার তৈরী হয়। দেশে গরীব থাক। গরীবরা সয়াবিনের ছিবড়ে খাক। দেশের ফসল ও ফসল বৈচিত্র‍্য চুলায় যাক। মাইলের পর মাইল এক ফসল চাষ হোক। সেই চাষ টিকিয়ে রাখতে গ্যালন গ্যালন মাটির তলার সুপেয় জল তোলা হোক। টন টন কীটনাশক দেওয়া হোক। কিছু বললেই বলবে এত লোকসংখ্যা খাওয়াবো কীকরে? সেই এক পুরানো ঢপের যুক্তি। এদিকে দেশের সরকারী খাদ্যভান্ডার থেকে ১৮-২০ লক্ষ মেট্রিক টন চাল গম পচে যাবে। প্রচুর সবজি নষ্ট হবে। ১.৫৫ লক্ষ কোটি টাকার খাবার এক বছরে নষ্ট হবে অথচ ৪০% এরো বেশি মানুষ দেশে দুবেলা পেট ভরে খেতে পাবেনা। দেশ hunger index-এ ১০২, food security তে ৬৬-৬৮ র‍্যাংক করবে!
     
    সাধারণ মানুষও কোনও খোঁজ না নিয়ে লেখাপড়া না করে এসব যুক্তি মেনে নেবে। নিজেদের টাকায় কেনা খাবারের প্যাকেট পড়ে দেখবে না। পালিশমারা চাল ডাল, ইচ্ছেমতো বানানো আজেবাজে ভেজাল ভরা তেল, দুর্গন্ধ পোল্ট্রির হরমোন ঠাসা ডিম মাংস, চালানি মাছ এসব খেয়ে ঢেঁকুর তুলে পোগোতির পথে এগিয়ে যাবে। দেশের ধান মিলেট যব, নানা জাতের ডাল, তৈলবীজ সহ যাবতীয় বৈচিত্র‍্য ধ্বংস করে একইধরণের কিছু প্রোডাক্ট, যা সব খেতে বিস্বাদ বা স্বাদহীন, সেইসব যেমন প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরা পনীর, বাজারি বাঁজা বীজে তৈরী প্রিম্যাচিওর ধান ডাল তেল এসব খাইয়ে মানুষের মা বাপ হয়ে থাকা যাবে। কে অত তলিয়ে খোঁজ নেবে যেখানে চাষ হচ্ছে সেখানকার মানুষ জল মাটি বাতাস জীববৈচিত্র‍্যের কী অবস্থা?
     
    একটাই জীবন, মাথা নীচু করে সব মেনে নিয়ে, গলায় মোটা বেল্ট বেঁধে সকাল থেকে রাত দু চার মুঠো ওষুধ, ইঞ্জেকশন নিয়ে কোনওক্রমে কাটিয়ে একদিন টেঁসে গেলেই তো হলো। এত জীবনজ্বালার চেয়ে প্রসেসড ফুড খেয়ে যত দ্রুত টাঁসা যায় ততই মঙ্গল।
     
    এই পানীর রাজমা ছোলে চাভোল সয়াবিনছিবড়ের জীবন কি অত সহজ নাকি!!!
  • xyz | ২৫ জুন ২০২৬ ১৫:৩৩556740
  • এদিকে সেই হরিয়ানাতেই দেখা গেল মাংস না খেলে কুস্তি লড়তে পারছে না। অবশ্য দঙ্গলের মেয়েগুলো সনাতনীদের কাছে এখন অ্যান্টি-ন্যাশনাল।
  • xyz | ২৫ জুন ২০২৬ ১৫:৩১556739
  • এই অজ-স্টাইল লজিকটা দুদিন ধরে শোনা যাচ্ছে। হরিয়ানার লোকে দুধ ঘি পনীর খেয়ে ইয়াব্বড় বড় কাম করে ফেলছে, তাহলে এখানে পারবে না কেন? হরিয়ানার অ্যাভারেজ লোকজনের মধ্যে ল্যাক্টোজ টলারেন্স বেশি, বাংলায় কম, উত্তরপূর্বে আরো কম। ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকাল সার্ভে রিপোর্ট বলে যে সমস্ত অঞ্চলে দুধ বা দুধজাত খাবারের কনজাম্পশন বেশি, সেখানে বাকি প্রাণীজ প্রোটিনের কনজাম্পশন কম, অ্যান্ড ভাইসি ভার্সা।
  • Bratin Das | ২৫ জুন ২০২৬ ১৫:২৬556738
  • ওসব বললে হবে ??!!
     
    শেওবাগ গুছিয়ে দুধ খেয়ে ওইরকম ছক্কা মারতে পারে। নো চালাকি !!
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৫:০৩556737
  • সুইটজার্ল্যান্ডের বা জার্মানির ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টগুলো হচ্ছে একেকটা ফুটস্টেপ টু সিটিজেনশিপ। প্রথমে ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে (ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট হিসেবে) এখানে আসবে, তারপরে উদ্বাস্তু হবার আবেদন এবং সঙ্গে ভারতীয় রেস্টুরেন্টে চাকরি, পরের স্টেপ আবেদন রিজেক্ট হবেই হবে, ততদিনে চাকরির উপার্জন এবং ধারদেনা করে একটি বিয়ে (বিয়েগুলো পোর্তুগাল বা পোল্যান্ডে, ওখানে সর্বনিম্ন রেট চার্ট), এর পরের স্টেপ ঐসব দেশের নাগরিকত্ব নেওয়া।
    আফ্রিকায় অন্যরকমের হিসেব। সেখানে উদ্বাস্তু হবার গল্প নেই। সেখানে স্থানীয় মেয়েদের বিয়ে করে নাগরিকত্ব। না পেলেও ব্যবসা, চাকরি। ভারতীয় পাসপোর্ট থাকলে অনেক ক্ষেত্রে সুবিধা, ট্র্যাভেলের ক্ষেত্রে।
  • হেঁয়ালি | ২৫ জুন ২০২৬ ১৫:০১556736
  • মানে মুগ মুসুর রাজমা যেমন ডাল বা খিচুড়ি করে খাওয়াটা ঘরে ঘরে সাধারণ ব্যাপার। সয় সেরকম দেখিনি।
  • হেঁয়ালি | ২৫ জুন ২০২৬ ১৫:০০556735
  • সয়াবিন চাষের ব্যাপারটা জানতাম না। তাও মনে হয় সয়াবিন চাষ ভারতে যারা করে নিজেরা স্টেপল খাবার হিসেবে খায় না। ফুড প্রসেসররা বেশিরভাগ কিনে নিয়ে যায় চানক, সয় দুধ বা টোফু বানানোর জন্য।
  • xyz | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৫৫556734
  • Livestock emissions are a global crisis. A child's one egg a week is not. If you're genuinely concerned about methane, start with the 22,000 cows that supply ISKCON's own dairy—not with a hungry child's only source of complete protein.
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৫৪556733
  • "সেটা ডুয়াল সিটিজেনশিপ ... বা, সিটিজেন বাই ইনহেরিটেন্স ..."
    উঁহু! তা নয়, কোনওভাবে ভারতে এসে পাসপোর্ট বানিয়েছে তারা।
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৫৩556732
  • "সমুদ্রের নীচে খাবারের জন্য এখনও সেভাবে মানুষের হাত পরে নি ..."
    ভাগ্যিস হাত পড়ে নি!
    তবে অনেকেরই সী ফুডে allergy থাকে।
  • lcm | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৪৮556731
  • সেটা ডুয়াল সিটিজেনশিপ ... বা, সিটিজেন বাই ইনহেরিটেন্স ...
  • lcm | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৪৭556730
  • এনিম্যাল বেসড ফুড প্রডাক্টের একটা অন্য দিক আছে -
     
    Livestock production accounts for 14-18 percent of global greenhouse gas emissions, including 32 percent of methane gas emissions worldwide, and significantly impacts climate change.

    More than two-thirds of all agricultural land is devoted to growing feed for livestock, while only 8 percent is used to grow food for direct human consumption.
     
    সমুদ্রের নীচে খাবারের জন্য এখনও সেভাবে মানুষের হাত পরে নি ...
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৪৭556729
  • আমি ইয়োরোপ এবং আফ্রিকার প্রচুর দেশে ট্র্যাভেল করবার সুবাদে বলতে পারি অসংখ্য মানুষের সঙ্গে আলাপ হয়েছে, যাদের কাছে ভারতীয় পাসপোর্ট আছে, অথচ তারা একজনও ভারতীয় নয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত