এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ২৩:১২556788
  • //অভিন্ন শরিয়াবিধি হলে খুশি হতো কারা হাত তোলো।//
     
    আপনি এত বড়ো সংখ্যালঘু বিদ্বেষী হলেন কী করে? মানে এর পিছনে কোন কারন আছে কী? না কিছু একটা হওয়া দরকার, তাই সামনের উপর যেটা আছে সেটাই হয়ে গেলাম। সে রকম কিছু।
  • :X | ২৫ জুন ২০২৬ ২৩:০৮556787
  • নোংরা চাড্ডিটা আবার নোংরামি শুরু করেছে। সবাইকে মোদীর মত ইসলামের ভয় দেখাচ্ছে ঘিনঘিনে মহিলা। আগেও এরকম করেছে কল্পনার বাংলাস্তানের ভয় দেখানোর কথা বলে গেছে। এর পেয়ারের প্রকাশক ছাগুনি মনে হয় লাথ মেরেছে। সেজন্য ২৪ ঘন্টা এখেনে পড়ে থাকে আর ইসলাম বিদ্বেষ ছড়িয়ে যায়।
    নোংরামহিলাযোষিতাচাড্ডি তোমার পেয়ারের ছাগুনি প্রকাশক ছাড়া বিশেষ কেউ শরিয়াবিধি নিয়ে খুশী হবে না।
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ২৩:০৫556786
  • ছোট বেলায় যখন ইতিহাস পড়েছি। তখন বিভিন্ন সাম্রাজ্যের ক্রিতদাস কাঠামো পড়ে অবাক হতাম। ক্রিতদাসেরা সংখ্যায় অনেক ছিলো। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তারা তাদের দাসত্ব থেকে মুক্তি পেত না। সেটা কী করে সম্ভব হতো? সে সময় দাসেদের নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য আজকের মতো আধুনিক অস্ত্র শস্ত্রও ছিল না। তবুও তারা দাসত্ব থেকে পালাতে পারতেন না। এবং সারা জীবন শোষিত হতেন। পরে বুঝতে পারলাম এর একটা কারন ছিল তাদের খাদ্য।
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ২২:৫৩556785
  • অভিন্ন শরিয়াবিধি হলে খুশি হতো কারা হাত তোলো।
  • ওদিকে | ২৫ জুন ২০২৬ ২২:৪০556784
  • সোমবার বিধানসভায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পেশ করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, বর্তমানে দেশের মধ্যে অসম, উত্তরাখণ্ড এবং গোয়ায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এই বিল বিধানসভায় পাশ হয়ে পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এ রাজ্যই হবে দেশের চতুর্থ রাজ্য, যেখানে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হবে।
  • মিড-ডে | ২৫ জুন ২০২৬ ২২:৩১556782
  • গার্গী দত্তগুপ্ত লিখেছেন,

    "মিডডে মিল নিয়ে নিউজফীডে একের পর এক লেখা আসছে। কেউ বলছেন ট্যালট্যালে ডালের কথা, এক গজদন্তমিনারবাসিনী লেখিকা লিখেছেন, বিভিন্ন সূত্রে তিনি জানতে পেরে একেবারে বিস্ময়াভিভূত হয়ে পড়েছেন যে ডিম নাকি সপ্তাহে একদিন দেওয়া হয়। তাও আধখানা! আমি ডুয়ার্সের একটা গার্লস স্কুলে চাকরি করি। চাকরির বয়স হল বিশ বছর। বুঝতেই পারছেন অভিজ্ঞতা নেহাত কম হল না। আমাদের স্কুলে অধিকাংশ বাচ্চারা আসে পার্শ্ববর্তী চা-বাগানগুলো থেকে। শহর সংলগ্ন কলোনি অঞ্চলগুলো থেকে নিম্নবিত্ত পরিবারের বাচ্চারাও পড়তে আসে। মা লোকের বাড়িতে কাজ করেন, সকালে বেরিয়ে যান, অনেক বাচ্চাই সেকারণে সকালে খেয়ে আসতে পারে না। বাগানের মেয়েদের, সাড়ে দশটায় যখন স্কুল শুরু হয় তার অনেক আগেই বেলা নটা সোয়া নটার মধ্যে বাগানের গাড়ি বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে দেয়। এই বাচ্চারা বাড়ি থেকে কেউ কেউ খেয়ে আসে চা আর বাসি রুটি। অনেকেই খেয়ে আসে না। প্রায় প্রতিদিন দ্বিতীয় পিরিয়ড থেকে পেটে ব্যথার কমপ্লেন নিয়ে বাচ্চারা এসে হাজির হয় স্টাফরুমে। না খেয়ে আসা বা শুধু চা আর বাসি রুটি খেয়ে আসা, দুই কারণেই গ্যাস, পেটব্যথা, বমি এসব আকছার আমাদের দেখতে হয়। চোখের সামনে দিনের পর দিন বাচ্চাদের না খাওয়া মুখগুলো যে দিদিমণি মাস্টারমশাইরা দেখেন, তাদের আপ্রাণ চেষ্টা থাকে একটা বেলা অন্তত যাতে বাচ্চাগুলো তৃপ্তি করে খেতে পারে।

    আমরা বাচ্চাদের আধখানা ডিম দেওয়ার কথা ভাবতেই পারি না। এই কথা যারা প্রচার করছেন তারা হয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অসত্য বলছেন নাহলে বাচ্চাদের খাবার নিয়ে তারা গুরুতর গাফিলতিতে যুক্ত।
    আমাদের স্কুলে বাচ্চারা কী খায়?

    ১. ভাত, ডাল, সোয়াবিন আলুর তরকারি সপ্তাহে দুদিন
    ২. আলু দিয়ে ডিমের ঝোল, ভাত সপ্তাহে দুদিন (হ্যাঁ, গোটা ডিম)
    ডাল, পাঁচমিশালি তরকারি, ভাত/ খিচুড়ি পাঁপড় পাঁচমিশালি তরকারি সপ্তাহে একদিন।
    ৩. সবজি দিয়ে ডাল, আলুমাখা/ ডিমের ভুর্জি/ আলুভাজা, ভাত সপ্তাহে একদিন।

    তিন চার মাসে একবার চিকেন খাওয়ানোর সংস্থান করা যায়। বিশেষ দিনগুলোয় যেমন শিশু দিবস, শিক্ষক দিবস, অ্যানুয়াল স্পোর্টসের দিনে পনীর দিয়ে আলুর দম, ফ্রায়েড রাইস, মিষ্টি। তবে আমাদের ছাত্রীরা অনেকেই 'মিঠা ভাত' খুব একটা তৃপ্তি করে খায় না। খাদ্যাভ্যাস ম্যাটার করে, বুঝলেন!

    আমাদের স্কুলের ছাত্রী সংখ্যা উনিশশোর কাছাকাছি। ফাইভ থেকে এইট অব্দি বেশিরভাগ মেয়েই মিডডে মিল খায়। বিশ্বাস যদি না হয়, আসবেন আমাদের স্কুলে। অন্যের মুখে ঝাল না খেয়ে দেখেই যান না, কীভাবে স্কুলগুলোয় দিদিমণি মাস্টারমশাইরা ওইটুকু বরাদ্দ টাকাতেও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন একটু যাতে ভালো খাওয়ানো যায়! দিনের শেষে বাচ্চাগুলো পেট ভরে খেলে বড্ড শান্তি হয়। বিশ্বাস করুন, এইসব কুৎসা, মিথ্যে রটনা তখন আর গায়ে লাগে না।"
  • X | ২৫ জুন ২০২৬ ২২:২৫556781
  • গত বছর ইস্কনের একটা সাধু বিবেকানন্দ কে নিয়ে গাল পেড়েছিল - মাছ মাংস কি করে খায় সন্ন্যাসী হলে - ওদিকে নিজে ব্র্যান্ডের পোশাক পড়ে এসি রুমে বসে প্রবচন দেয়।
     
    যে কোন বাবাজি ইত্যাদি যারা এত হাই প্রোফাইল লাইফ লিড করে - সবকটাই ভন্ড- মানে ভাঁড়
  • Manali Moulik | ২৫ জুন ২০২৬ ২২:২০556780
  • আমার CBSE বোর্ডের ক্লাস নাইনে পাঠরতা কাজিন সিস্টার সম্প্রতি মাছ ডিম ও মাংস ত‍্যাগ করেছে। বৈষ্ণব জীবন পালন করছে। বাড়ির সবাই থেকে টিচার বুঝিয়ে ফেলিওর। আমি প্রশ্ন করতে বললো, "আমার প্রভু বলেছেন"। কে প্রভু? শ্রীকৃষ্ণ। কৃষ্ণঠাকুর নিরামিষ খেতেন জানলি কী করে? আমি জানি। কোনোভাবেই সে আমিষ খাদ‍্য এখন খায় না।
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ২২:০৫556779
  • যেসব বাচ্চাদের বাড়িতে পুষ্টিকর খাদ্যের অভাব নেই। তারা যদি কেবল নিরামিষ খাদ্যই গ্রহণ করে। তাহলে তাদের জন্য সেটা ঠিক আছে বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু যেসব পরিবারের বাচ্চারা তাদের বাড়িতে ঠিক ঠাক পুষ্টিকর খাবার খেতে পায় না। তাদের জন্য প্রাণীজ প্রোটিন ভীষণ প্রয়োজনীয়।
  • | ২৫ জুন ২০২৬ ২১:৪৩556778
  • এদিকে ডিম্মিডিয়া (সৈকত এই নামটা হেবি দিয়েছে) তো আরশোলাদের খবর দেবে না, আমিই বলে যাই। আজ যন্তর মন্তরে (সেদিন থেকে টানা আছে ওরা।) ডায়াপার নিয়ে প্রোটেস্ট করছে ওরা। বক্তব্য ১০টাকার ডায়াপারে ১ ফোঁটাও লিক হয় না কিন্তু ধর্মেন্দ্র প্রধানের সব পরীক্ষাতেই লিক হতেই থাকে। কাজেই ওকে হাজার হাজার ডায়াপার দেওয়া হোক।
  • তরমুজ | ২৫ জুন ২০২৬ ২১:৪৩556777
  • নিয়মিত আমিষ ভোজনের মাঝে দু একদিন ইসকনের খাবার সুস্বাদু লাগতে পারে। প্রতিদিন খেলে ভাল লাগবে না। আর আমার মত যাদের নিয়মিত বীফ খাওয়ার অভ্যাস আছে। তাদের তো আরোই ভালো লাগবে না।
  • | ২৫ জুন ২০২৬ ২১:৩৩556776
  • ভারতের লাখো শিশুরা এবং তাদের বাবা-মায়েরা, সারা দিনে একটি স্কোয়ার মিল যোগাড় করতে পারেন না। ফলে স্কুলে যাওয়া তাদের কাছে বিলাসিতা মাত্র, পরিবারের আয়ে একটা এক্সট্রা হাত আর মাথা হিসেবে কাজ করাই ভাল অপশান এই শিশুদের এবং তাদের বাবা মায়েদের। এইটার সমাধান খুঁজতে করা একটি জনস্বার্থ মামলার ফল হিসেবে একটি আদালতের রায়ে নেহাৎ নিমরাজি হয়ে সরকার এই প্রকল্প শুরু করতে বাধ্য হয়। টাকা কে দেবে, তা নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্যে ঠেলাঠেলি অব্যাহত। এটা চলছে আজও। প্রকল্প শহর গ্রাম নির্বিশেষে সমস্ত সরকারী ও সরকারপোষিত স্কুলের জন্য প্রযোজ্য। কলকাতায় তিতি রায় এবং পিয়ালী ব্যনার্জী, আমার বন্ধু, দুজনের স্কুলেই মিড ডে মিল চালু।,পিয়ালীদের স্কুলে ছাদে নিয়মিত কিছু শাক সবজীর চাষ করে মিড ডে মিলে পর্যাপ্ত পুষ্টি যোগানোর জন্য। এছাড়া সরকারের দেওয়া টাকায় ডিম সপ্তাহে একদিন আছেই। আগে মানে শুন্য দশকে কোন্নগরে স্কুলে দেখেছি সারপ্রাইজ ইনস্পেকশানও হত মিড ডে মিল ঠিকঠাক পাচ্ছে কিনা বাচ্চারা দেখার জন্য।

    এমন প্রকল্প যা সয়াসরি ভোট এনে দেয় না সেটা হয়ত উঠেই যেত যদি না স্বাধীন ভারতের সবথেকে সফল প্রকল্প হয়ে উঠতো। দুর্নীতি সত্ত্বেও পাবলিক মানির অনেকটাই উদ্দিষ্ট বেনেফিশিয়ারির কাছে পৌঁছল। প্রকল্পটা বেঁচে গেল। ক্ষুধানিবারণ আর পুষ্টির দিকটা ছাড়া, আরেকটা ভালো দিক পাওয়া গেল; ছাত্রছাত্রীরা পরিবারের রোজগার বাড়ানোর জন্য স্কুল ছেড়ে কাজে লেগে যাওয়ার সংখ্যা কমলো। স্কুলে উপস্থিতি বাড়লো। ১৯৯৫ এ চালু হলেও ২০০১ এ সুপ্রীম কোর্ট রায় দেয় রান্না করা খাবার দেবার জন্য। এতে ছাত্রছাত্রীদের শুকনো খাবার বাড়ি নিয়ে যাবার এবং পুষ্টি পর্যাপ্ত না পাবার সমস্যাটা মেটে। এইসময়ই খিচুড়ি, ডিম ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় ঢোকানো হয় যাতে জঁ দ্রেজে, প্রতীচি ট্রাস্ট ইত্যাদিদের ইনপুট ছিল।

    মিড ডে মিল ভারতের লাখ লাখ শিশুর সারাদিনের একমাত্র খাবার। একমাত্র। না পেলে তারা না খেয়ে থাকবে, শাকপাতা কুড়িয়ে খাবে। এটা বাস্তব।
     
    ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের অধীনে যে NFHS জরিপ (National Family Health Survey) হয়, তার তথ্য বলছে এই দেশে পাঁচ বছরের কমবয়সী শিশুদের মধ্যে ৩৫.৫% স্টান্টিং (বয়স অনুপাতে খর্বতা), ১৯.৩% ওয়েস্টিং (ওজন অনুপাতে ক্ষীণতা) এবং ৩২.১% আন্ডারওয়েট-এ ভুগছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে শিশুদের অপুষ্টিজনিত অসুবিধা প্রায় কাছাকাছি, তবে ওজন অনুযায়ী ক্ষীণতা বেড়েছে। একাধিক জেলায় আন্ডারওয়েট শিশুর হার ২৭ শতাংশের বেশি, বেশ কিছু জেলাতে সিভিয়ার ম্যালনিউট্রিশনের প্রকোপ মারাত্মক। পূর্বতন সরকারের সময় মিড ডে মিলে ডিম দেওয়া হত, সপ্তাহে এক পিস করে চিকেনও দেওয়া হত কোথাও। যদিও সেই মিড ডে মিল নিয়ে দুর্নীতিও কম হয়নি। খাবারের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল কিছু। তবু একেবারে দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারের অভিভাবকেরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতেন যাতে সে অন্তত পেটভরে দুটো খেতে পায়। প্রয়োজনীয় পুষ্টির কিছুটা সে যেন পায় অন্তত।

    আপাতত সেই সুযোগ কেড়ে নিল বর্তমান সরকার। মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইস্কনকে। শিশুদের পাতে আর ডিম চিকেন পেঁয়াজ রসুন পড়বে না। এতে কেউ কেউ বলছেন ইস্কন নাকি দারুণ খেতে দেয়টেয়, এবং সয়াবিন রাজমা ডাল খেলেই তা ডিমের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

    মিড ডে মিলে যে সয়াবিন বড়ি বা চাঙ্কস দেওয়া হয়, তা প্রোটিন আইসোলেট নয়। কম-প্রসেসড গোটা সয়াবিন বা টেক্সচার্ড সয়া প্রোটিনের স্কোর ডিমের তুলনায় অনেকটাই কম। রাজমার অবস্থা আরও দুর্বল। প্রতি ১০০ গ্রাম সিদ্ধ রাজমায় প্রোটিন থাকে মাত্র ৮-৯ গ্রাম, যেখানে ডিমে থাকে প্রায় ১৩ গ্রাম—অর্থাৎ ডিমের তুলনায় প্রায় ৬০% কম। রাজমার অ্যামিনো অ্যাসিড প্রোফাইলও ডিমের তুলনায় অসম্পূর্ণ। তবুও যদি এসব মেনে নিই, একশো গ্রাম পরিমাণ রাজমার বাটিভর্তি ঘন ডাল প্রতিটি ছাত্রছাত্রী পাবে তাদের প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট হিসেবে?

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে পার্থক্যটা, তা হল—সয়াবিন বা রাজমায় ভিটামিন বি১২ এবং প্রাকৃতিক ভিটামিন ডি একেবারেই নেই, কারণ এগুলি উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে কখনোই পাওয়া যায় না। ডিম এই দুটি অত্যাবশ্যক পুষ্টিগুণের অন্যতম সহজলভ্য সুলভ উৎস। ডিমে কোলিনও আছে প্রচুর পরিমাণে, যা মস্তিষ্কের বিকাশে জরুরি—সয়াবিন বা রাজমায় তা নগণ্য বললেই চলে।

    এবার একটু দামে আসা যাক। সাত টাকা দাম ধরলে দুটো ডিমের দাম ১৪ টাকা। মোটামুটি একশ গ্রাম। সেই একই পরিমাণ পনীরের দাম ৩৫-৪০ টাকা। যে দামে খাবার দেবে বলছে, সেই দামে কত টুকরো পনীর পাবে শিক্ষার্থীরা?

    রাজ্য সরকারের কৃপাধন্য ইস্কন ভারতের আর কোন কোন রাজ্যে খাবার নিয়ে স্ক্যাম করেছে। অন্ধ্রপ্রদেশে মিড ডে মিলের চাল চুরি এবং তা বাইরের বাজারে বিক্রির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিল ইস্কন। কর্ণাটকে বিজেপি সরকার থাকাকালীন গুরুতর আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে যুক্ত হয় ইস্কন। চারজন ট্রাস্টি একসঙ্গে পদত্যাগ করেন। তহবিলের অর্থ তছরুপ এবং বিদেশী মুদ্রা সম্পর্কিত অনুদান আইন (FCRA) লঙ্ঘন করে অক্ষয়পাত্র (নব্য হিন্দুদের উচ্চারণে আকসায় পাত্রা) ব্যাঙ্গালোর শাখা একাই একটি অর্থবর্ষে ৩৪ কোটি টাকা পেয়েছিল। এছাড়া কম পরিমাণ খাদ্য দেওয়া ও খাদ্যের মান নিয়েও একাধিক অভিযোগ বিভিন্ন সময় নথিভুক্ত হয়েছে, অভিযোগ উঠেছে মুম্বই হরিয়ানাতেও।
  • r2h | ২৫ জুন ২০২৬ ২১:৩১556775
  • হ্যাঁ। যদি নিতে চায় বা পারে আরকি। লোকবল, টাকা, অনেক ফ্যাক্টর আছে। সিপিএম যেমন কোভিডের সময় থেকে যাদবপুরে শ্রমজীবি ক্যান্টিন করেছিল।
    তবে রাজনৈতিক দল ঠিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মত কাজ করবে কিনা- তা নিয়ে অবশ্যই অনেক তর্ক আছে।

    ভারতের নানান রাজ্যে রাজনৈতিক দলগুলি ভোটের আগে মদ, বিরিয়ানি, ক্যাশ দেয়। তৃণমূল না হয় সারা বছর ডিম দিল, কী আর এমন ক্ষতি হবে।
  • কৌতূহলী | ২৫ জুন ২০২৬ ২১:১৫556774
  • এটা আবার হয় নাকি?সরকারেআছে ভাজপা আর বাচ্চাদের ডিম খাওয়ানোর দায়িত্ব নেবে তৃণমূল সিপিএম?
  • r2h | ২৫ জুন ২০২৬ ২১:০৬556773
  • ইস্কনের খাবার খেতে ভালো। তবে ঐ হাতির দেখানোর দাঁত আর চিবনোর দাঁত, মন্দির, কেটারিঙের খাবার আর স্কুলের খাবার একরকম সুস্বাদু হবে - তার সম্ভাবনা অতি ক্ষীণ।
    আর পুষ্টিগুণ, আবারও। আমেরিকায় যেমন গরীব লোকেরা ওবেসিটিতে ভোগে বেশি বলে পড়েছিলাম কোথায়।
  • r2h | ২৫ জুন ২০২৬ ২১:০৪556772
  • এইটা অবশ্য ক্ষেত্র সমীক্ষা না করে মন্তব্য করা বোধহয় ঠিক না। সম্ভাবনা আছে তো বটেই। কিন্তু শহরাঞ্চলে খাদ্য সমস্যা, ক্ষুধা ইত্যাদির প্রকোপ কেমন, সেসব নিয়ে কোথায় কী কাজকর্ম আছে ইত্যাদি।

    মাঠে ময়দানে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরাও কিছু বলতে পারবেন। ইমানুলদা যেমন মানিকতলা খালপাড়ের বাচ্চাদের স্কুল চালানো, বিভিন্ন সামাজিক উদযাপন ইত্যাদি নিয়ে কাজ করেন বহু বছর ধরে। উনি কিছু প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা বলতে পারবেন অবশ্যই।

    তৃণমূল আছে কী নেই কে জানে। ওদের তহবিলে টাকা তো কম থাকার কথা না। পার্টির যা অবস্থা তাতে আর কোনদিন ভোটে জেতা তো দূরের কথা প্রার্থীও দিতে পারবে কিনা সন্দেহ। তো ঐ তহবিলের টাকা দিয়ে বাচ্চাদের ডিম খাওয়ানোর কর্মসূচী নিতে পারে।
    সিপিয়েম কোভিডের সময় চমৎকার করছিল। তবে ওদের বোধহয় আবার তেমন টাকা কড়ি নেই। লোকজন চাঁদা দিলে ডিমের মাধ্যমে বেশ জনসংযোগ হতে পারে।
  • Dhuttor | ২৫ জুন ২০২৬ ২০:৪৮556771
  • আমার সমগ্র শিক্ষা মিশনের কোলকাতা জেলা অফিসের সোর্স ভদ্রলোক জানাচ্ছেন যে ইস্কন এর মিড্ ডে মিল এর নিরামিষ মেনুর ফলে সরকারী স্কুল গুলোতে স্টুডেন্ট এনরোলমেন্ট কমবার আশংকা অনেকটাই আছে l বস্তির শিশুরা স্কুলে পড়তে আসতো ফ্রিতে ডিম চিকেন খাবে বলে এখন তারা কি ছোলা আর ডাল খেতে আসবে ?
  • Dhuttor | ২৫ জুন ২০২৬ ২০:৪০556770
  • ইস্কনের মিড ডে মিল মেনু কোলকাতা জেলার জন্যে l সোমবার - সয়াবিন ভাত, মঙ্গলবার - ডাল ভাত আলুভাতে, বুধবার - ভাত মটরপনির, বৃহস্পতিবার - ভাত ও ছোলাকুমড়ো, শুক্রবার - ভাত ও মিক্স ভেজ / ছোলা ডাল, শনিবার - খিচুড়ি পাঁপড় মিস্টি l সমগ্র শিক্ষা মিশনের কোলকাতা জেলা অফিসে আমার এক পরিচিত ব্যাক্তি আছেন তার থেকে এটা পেয়েছি l
  • r2h | ২৫ জুন ২০২৬ ২০:৩৬556769
  • এবার মিড ডে মিল ব্যাপারটাতে নানান বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছিল। জঁ দ্রেজ, পবতে প্রতীচী। এগুলি নিয়ে আলোচনা হত টত, বিশেষজ্ঞরা কারা, তাদের কি ক্রেডেনশিয়াল, সেসব লোকে জানতো। সেসবের কী গতি হল তাও একটা প্রশ্ন।

    অমর্ত্য সেন এট আলকে চাড্ডিমহলে ভিলেন ঠাউরানো হয়েছে অনেকদিন হল, ওয়েলফেয়ার ইকনমি ইত্যাদির কী ব্যাপার তাই বা কে জানে। তো সেসব নিয়ে ঠিক কী কী হচ্ছে, সেসব প্রশ্ন।
  • r2h | ২৫ জুন ২০২৬ ২০:২৮556768
  • গুগল করে দেখছিলাম, একটা ব্যাপার ছিল - "Every child in every place and Government assisted Primary Schools with a prepared midday meal with a minimum content of 300 calories and 8–12 grams of protein each day of school for a minimum of 200 days"

    তো, এই পুষ্টিগুণের ব্যাপারটা হিসেব করা হচ্ছে কিনা, হয়ে থাকলে সেসব কোন সংস্থা মনিটর করছে, না হয়ে থাকলে সেই আইন কীভাবে পরিবর্তন হল, এইসব। কারন এটা মিড ডে মিল অ্যাক্টের ক্লজ, এখন তো পিএম পোষণ, তাতে কী আইন জানি না।
     
    ত্রিপুরাতে এই চাল ডাল সব্জি তেল প্রোটিন-এর মাপ খুব নিক্তি মেপে চলতে হত বলে শুনেছিলাম। সে অবশ্য লেট নাইন্টিজ আর্লি ২০০০ এর কথা, তারপর তো কত কী হল।
     
    মিড ডে মিল আর পিএম পোষনের তুলনা করে দেখলাম, খারাপ কিছু মনে হল না। কিন্তু মিড ডে মিলে ক্লাসরুম হাঙ্গার জিনিসটার বদলে পি এম পোষনে হোলিস্টিক গ্রোথ বলে একটা জিনিস এসেছে - সেটা ভেগ মনে হল।
    আর অডিট এবং নজরদারি- এতে একটা স্থানীয় নজরদারির ব্যাপার আছে- সেটা একদিকে খারাপ না, অন্যদিকে এর ওপর আবার প্রশাসনের নজরদারি না থাকলে খাপ তৈরি হবে, আর তার নানান জিনিস আছে।
    তো এই দুটো জিনিস খুবই বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

    ক্যালরি, পুষ্টিগুণের হিসেবটা বোধহয় সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
  • হ্যাট | ২৫ জুন ২০২৬ ১৯:৪১556767
  • ধ্যার্বাল, এর সঙ্গে আলোচনা করতে যাবে কোন ভদ্রলোকে? এটা নোংরা চাড্ডি, এখনি ইস্কন কত ভাল আর নিরামিষে কত পুষ্টি, নিজে কবে কত নিরামিষ খেয়ে ইংলিশ চ্যানেল সাঁতরে পেরিয়েছে সেই গুলগুলো নামাতে থাকবে।
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৯:৩৯556766
  • মিড ডে মীলের মেন্যুকার্ড কোথায় প্রকাশিত হয়েছে জানা যাবে? এখানে না পেস্টালেও লিংক দিন আপনারা।
    এ অনেকটা কাগে কান নিয়ে গেল গোছের মেন্যুর মতো লাগছে।
    এই হলে সেই হবে, তারপরে বুঝি ঐ হবে, সেই ঐ এর পরে সেই সেই সেই হবে গোছের ত্যানা পেঁচানো।
    মিড ডে মীলে গোরুর কাবাব দেবে না হ্যাম বেকন দেবে সেই নিয়ে এমন উৎকন্ঠা যে কেউ ফুটবলটাও দেখছে না।
    হেরেছে তো কী হয়েছে? পরের ভোটে জিতো। তাই বলে এতো কান্নাকাটি? বাচ্চাদের মতো...
  • r2h | ২৫ জুন ২০২৬ ১৯:৩৫556765
  • অনেক পুরনো একটা সাদা কালো সিনেমার সুপারহিট গান ছিল- একজন এক ছোট্ট শিশুকে নিয়ে গান গাইছে- হিন্দু বনেগা না তু মুসলমান বনেগা/ ইনসান কা অওলাদ হ্যায় তু ইনসান বনেগা।

    এখন প্রায়োরিটিটা সরকারিভাবে উল্টে গেছে।
  • r2h | ২৫ জুন ২০২৬ ১৯:৩০556764
  • আমি সরকারি স্কুলে পড়িনি, সরকারপোষিত বেসরকারি অবৈতনিক স্কুলে পড়েছি, আমাদের সময় মিড ডে মিল চালু হয়নি, হলেও আমার ধারনা স্বচ্ছল মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে আমি তা খেতাম না।

    তবে মা সহ অন্য কয়েকজন নিকটাত্মীয়ের গ্রাম বা মফস্বলের সরকারি স্কুলে চাকরি প্রসঙ্গে সুবিধাবঞ্চিত, প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়াদের মিড ডে মিলের ওপর নির্ভরতা, এর গুরুত্ব নিয়ে অনেক গল্প শুনেছি। মা চাকরি জীবনের শুরু থেকে হাই স্কুলে পড়াতো, মিড ডে মিল চালু হওয়ার পর সকালের স্কুলের প্রাথমিক বিভাগের বাচ্চাদের মিড ডে মিলের দায়িত্ব এল- অনেক বাচ্চা নিজের হাতে খেতেই শেখেনি ঠিক করে। সেই সব নিয়ে খুবই হৃদয়স্পর্শী অভিজ্ঞতা, তবে ফার্স্ট হ্যান্ড না হলে সেসব লেখা যায় না, লেখার মানেও হয় না।
    খুবই দুঃখজনক যে শিশুদের খাওয়া নিয়ে এইরকম রাজনীতি ইত্যাদি হচ্ছে।

    ইনফ্যাক্ট আলোচনার ধারাটা অনেকটাই ভুলভাল। ক্রিকেটার, সেলিব্রিটি, সচেতন শিক্ষিত ট্রেইন্ড মানুষ যেভাবে ডায়েট প্ল্যান করে প্রাণীজ প্রোটিনের ঘাটতি পুরন করতে পারে, একটি প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়া শিশুর তো সেটা করতে পারার প্রশ্ন নেই।

    অন্য দিকে অনেকে বলছে সপ্তাহে মাত্র একদিন ডিম দেওয়া হত, তা বাদ গেলে আর এমন কী। প্রশ্নটা হওয়া উচিত ছিল উন্নয়নই যদি হয় তাহলে একদিনটা তিনদিন হবে না কেন?
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৯:২৩556763
  • কংগ্রেস আমলে প্রাইমারি ইস্কুলে খাবার দিতো। আমরা যারা অবৈতনিক ইস্কুলে পড়েছি, দুপুরে ভিটামিন ব্রেড দিতো এক টুকরো করে। অনেকেই বাড়ি নিয়ে যেতো ভাইবোনদের সঙ্গে ভাগ করে খাবে বলে।
  • r2h | ২৫ জুন ২০২৬ ১৯:২০556762
  • শুকনো খাবারের বদলে সদ্য রান্না করা খাবারের ব্যাপারটা যদ্দুর জানি প্রতীচী ট্রাস্টের রেকমেন্ডেশন ছিল - বলা হয়েছিল শুকনো খাবার দিলে বাচ্চারা, বিশেষ করে মেয়েরা বাড়িতে অভুক্ত ছোট ভাইবোনদের খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যাবে।
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৯:১৯556761
  • যাই হোক, সরকারি মিড ডে মীল খাওয়া লোকেরা কৈ?
    হেরিটেজ স্কুলেও মীল দেয়, নানান রকমের মীল, সবই নিরামিষ।

    আসলে এদের এখন হাত কামড়ানোর মত পরিস্থিতি, তাই এত জ্বলছে।
  • r2h | ২৫ জুন ২০২৬ ১৯:১৮556760
  • জাতীয় স্তরে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প হিসেবে তো ১৯৯৫ সালেই হয়েছিল, নাকি?

    এর আগে আলাদা আলাদা রাজ্য সরকারের আলাদা আলাদা উদ্যোগ ছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ফান্ডেড, নির্দিষ্ট নিয়ম নীতি - এইসব তো যদ্দুর জানি ৯৫-ই, ১৫ই আগস্ট।

    খুঁজেপেতে দেখিনি অবশ্য, ভুলও হতে পারে।
  • . | ২৫ জুন ২০২৬ ১৯:১৫556759
  • The Cooked Mid-Day Meal Programme was officially introduced in West Bengal in January 2003, initially starting as a pilot in 1,100 schools across six districts. This followed the national rollout of the dry ration scheme, which began on August 15, 1995, and the subsequent Supreme Court mandate for hot cooked meals in 2001.
    Government of West Bengal +1
    The state expanded and adapted the scheme across several key timelines:
    • 2010: The first dedicated community kitchen for Mid-day meals in Kolkata was inaugurated for urban municipal schools.
    • 2021: The national initiative, including its operations in West Bengal, was renamed to the PM POSHAN scheme.
      PM Poshan +4
    • January 2003: Cooked meals were first introduced in 1,100 selected schools across six districts.
    • 2004: The program was revised centrally to provide cooked food to all children in Classes I to V across Government and aided primary schools.
    • 2007-2008:
      The Mid-Day Meal program was extended statewide to cover Upper Primary students (Classes VI to VIII).
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত