এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Manali Moulik | ২৮ জুন ২০২৬ ২০:২৬556998
  • মানালি
    তোমার জন‍্য দীর্ঘ লাইন রয়েছে দেখে ইনি কিঞ্চিৎ কনফিউজড হয়ে এরম কোশ্চেন হেঁকেছেন।
     
     
    বিন্দুদি, আমায় এটা প্রশংসা করলেন না নিন্দা করলেন?
  • X | ২৮ জুন ২০২৬ ১৯:৫৬556997
  • এদিকে বিশ্বগাড়ুর মেডেল নিয়ে ব‍্যাপার টা টোটাল খিল্লির পর্যায়ে চলে গেছে। ইসরায়েলের পরে এবারে সেশেলস্ ও একটা বৃষ পূরীষ মেডেল বানিয়েছে বিকাশ পুরুষ এর জন‍্য - তার সার্টিফিকেট এ টাইপো ভরা
  • ar | ২৮ জুন ২০২৬ ১৯:৪৬556996
  • @২৮ জুন ২০২৬ ১৭:২০
    "যেমন,
    "কুড়োবা কুড়োবা কুড়োবা লিজ্জে,
    কাঠায় কুড়োবা কাঠায় লিজ্জে।
    কাঠায় কাঠায় ধূল পরিমাণ,
    বিশ গণ্ডা হয় কাঠার সমান"।

    এর মানে কি খোদায় মালুম! "
    ----------------------

    খোদায় জানালেন যে তিনি সেই অতিমারীকালে ০৮-০৬-২০ এ আপনার এই মালুম (!) প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন। তা খোদা ব'লে কী মানুষ নয়!!
    ফিরে দেখাঃ

    "@রঞ্জন

    ছড়াটি জমির ক্ষেত্রফল মাপা বা কালি করার ছড়া।

    কুড়োবা অর্থে বিঘে। ২০ কাঠায় ১ বিঘে (বাঙ্গলাতে, বিহারে বেশি ছিল)।
    লিজ্জে হল, "ধর" বা "লিবে"
    ধূল হল এক গণ্ডা।

    কুড়োবা x কুড়োবা = (ক্ষেত্রের) কুড়োবা লও
    যার মানে হল,
    ১ বিঘে x ১ বিঘে = জমির মাপ ১ বিঘে
    কাঠা x কুড়োবা = (ক্ষেত্রের) কাঠায় লও
    কাঠা x কাঠা = (ক্ষেত্রের) ধুল (বা গণ্ডায়) লও
    যত মোট ধুল বা গণ্ডা হবে তার প্রতি ২০ গণ্ডা ক্ষেত্রকে (জমিকে) ১ কাঠা ধরে নিতে হবে।
    বাংলাতে জমির মাপে এখনও বর্গ কথাটা ব্যবহার করা হয় না।

    সূত্রঃ হরির চরণ ছুঁয়ে, তিনিই সহায়!!"

    পুনঃ- আমাদের সময়ে মাধ্যমিক (বা উঃ মাঃ হতে পারে) বাংলা পাঠ্যবইএ একটা ছোট অংশ ছিল, নাম সম্ভব্ত "সেকালের ইংরাজী শিক্ষা"। রাজনারায়ণ বসুর বইএর ছড়াটা ওখানেই পড়ি। ওখানেই আরো একটা মুক্ত ছিল, 'ইন মাই হাউস, এভরিডে টোয়েনটু লিভস ফল"!!

    @অরিন, রাজনারায়ণ বসুর বইএর লিংকটার জন্য ধন্যবাদ!
  • r2h | ২৮ জুন ২০২৬ ১৯:৪৩556995
  • তা ঠিক তবে ধরুন আমেরিকা থেকে রওনা দিলাম, আর এয়ারপোর্টে বললো তোমার পাসপোর্ট কই।
    তবে টম হ্যাংক্সের দিন গিয়াছে, এখন ডিটেনশন সেন্টারে নিয়ে ফেলবে।

    তামাশা করছি বটে, তবে উদ্বেগ ও সম্ভাবনাগুলি বাস্তব। চারদিকে হচ্ছে তো।
  • :|: | ২৮ জুন ২০২৬ ১৯:৩৮556994
  • উনিশটা কুড়ি: টার্মিনালে রাখলে তো ভালো। নিজেকে টম হ্যাঙ্কস মনে হবার একটা সম্ভাবনা আছে। বাংলাদেশ বর্ডারের পাশে খোলা আকাশের নীচে ফেলে রাখলে কি হবে সেটাই ভাবার কথা। সেই যাপন এতটাই বাস্তব যে সেটি একটা সিনেমার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠার যোগ্যতাটুকুও অর্জন করতে পারে না।
  • :|: | ২৮ জুন ২০২৬ ১৯:৩১556993
  • চারটে চুয়াল্লিশ, পাঁচটা 48, এবং বিশেষ করে ছটা দুইয়ের লিংক সহ পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। মনটা খুশী খুশী লাগছে।
    আর ১৭টা ২০-র শুভঙ্করী আর্যা প্রসঙ্গে এয়াই-এর মত হলো:
    "এটি বাংলার ঐতিহ্যবাহী শুভঙ্করী আর্যা বা প্রাচীন ভূমি পরিমাপের (বিঘা-কাঠা-গণ্ডা) ছড়া। প্রাচীন ও মধ্যযুগে যখন কড়াক্রান্তি, গণ্ডা এবং কাঠার হিসাব প্রচলিত ছিল, তখন খুব সহজে জমির ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার জন্য গণিতবিদ শুভঙ্কর এই ছড়াগুলো তৈরি করেছিলেন।
    আপনার দেওয়া ছড়াটির অর্থ এবং এর পেছনের হিসাব নিচে সহজ করে তুলে ধরা হলো:
    ছড়াটির অর্থ ও হিসাব:
    ১. কুড়োবা ও বিঘা: 'কুড়োবা' (সংস্কৃত কুড়ব থেকে আগত) মূলত বিঘা-ই নির্দেশ করে। গ্রামীণ মাপে ২০ কাঠায় ১ কুড়োবা বা ১ বিঘা ধরা হয়। ছড়ার প্রথম লাইনে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের পরিমাপে এই এককগুলো কীভাবে নিতে হবে (কুড়োবা দিয়ে কুড়োবা, বা কাঠা দিয়ে কুড়োবা) তা বলা হয়েছে।
    ২. ধূল ও কাঠা: তৃতীয় ও চতুর্থ লাইনে বলা হয়েছে, মাপার সময় কাঠা ও কাঠা গুণ করলে 'ধূল' পরিমাণ পাওয়া যায়। এরপর সেই 'ধূল' বা সমষ্টিকে ২০ দিয়ে ভাগ বা বিশ্লেষণ করলে ১ কাঠার প্রমাণ বা মান পাওয়া যায়।
    ঐতিহ্যবাহী ভূমি পরিমাপের একক:
    • ৪ কড়া = ১ গণ্ডা
    • ২০ গণ্ডা = ১ কাঠা
    • ১৬ ছটাক (বা ১৬ কাঠা) = ১ বিঘা
    • ২০ কাঠা = ১ বিঘা"
  • r2h | ২৮ জুন ২০২৬ ১৯:২০556992
  • আচ্ছা, দেশের বাইরে থাকে, সারের কল্যানে পাসপোর্ট বাতিল- এমন লোককে আর ফিরে দেশে ঢুকতে দেবে? নাগরিকত্ব নিয়েই যদি সন্দেহ হয়। দ্য টার্মিনাল?
  • X | ২৮ জুন ২০২৬ ১৮:২৯556991
  • সুখবর - রাজ্যের ৫১ টি আই টি আই বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হবে - আজকেই আবাপ জানিয়েছে
  • তরমুজ | ২৮ জুন ২০২৬ ১৭:২৭556990
  • @কৌতুহলী, ঠিক আছে
  • Ranjan Roy | ২৮ জুন ২০২৬ ১৭:২০556989
  • অরিন
    আমার ছোটবেলাতেও চার বছর বয়সে বাবা কয়েকটি বই কিনে এনেছিল
    বাংলায় বর্ণ পরিচয় এবং সহজ পাঠ--দুটোই দুই ভাগে।
    আর ইংলিশ ওয়ার্ডবুক এবং অঙ্কের প্রাথমিক ধারণার জন্যে ধারাপাত।
     
    ওয়ার্ড বুকে এই ছড়াটা ছিল। আমার ওই ক'টা লাইন ছাড়া আর মনে নেই।
    ধারাপাতে মুখস্থ করতে হত--কড়াকিয়া, গণ্ডাকিয়া, পণকিয়া, শতকিয়া এই সব এবং কিছু শুভংকরের আর্যা।
    যেমন,
    "কুড়োবা কুড়োবা কুড়োবা লিজ্জে,
    কাঠায় কুড়োবা কাঠায় লিজ্জে।
    কাঠায় কাঠায় ধূল পরিমাণ,
    বিশ গণ্ডা হয় কাঠার সমান"।
     
    এর মানে কি খোদায় মালুম!
     
    পাঁচ বছর বয়সে কোলকাতায় এসে স্কুলে বেবি ক্লাসে ভর্তি হয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। ওই দুটো বই স্কুলে আর পড়ানো হত না। বর্ণ পরিচয়ও না।
     
    আমার মায়ের(১৯২৪ সালে) পূববাংলার নেত্রকোণায় গ্রামে জন্ম। তিনিও ছোটবেলায় ওই দুটো বই পড়েছেন। ওনার ছড়াটা মুখস্থ ছিল। আর ছিল এইচ বোসের 'কুন্তলীন' ছড়াটা।
  • কৌতূহলী | ২৮ জুন ২০২৬ ১৭:১৮556988
    • তরমুজ | ২৮ জুন ২০২৬ ১৪:৫৮556986
    • আমার একটা অনুরোধ আছে। আমি গতকাল ভাটে ইনফ্লেশনের উপর একটা পোস্ট করেছি।
    আপনি পোস্টটা আলাদা একটা টই খুলে করে রাখুন। ভাটে তো কিছুটা পরেই ডুবে যাবে।
  • | ২৮ জুন ২০২৬ ১৬:১০556987
  • হুতোকে বলার, অযাচিতভাবেই যে সার - এর জন্য অ্যাপ্লাই করা উচিত ছিল। হয়ত নাম কেটে যেত কিন্তু করা তো থাকত এবং পরে নাম তোলার সুযোগ থাকত কারণ আমি তো জানি, দীর্ঘদিন বিদেশবাসী, পঃবঃ এ কোনদিন ভোট দেয়নি, আইটি সেলের যাবতীয় রচা কথা বমি করে উগড়ে দেয়, চেনামহলে, সেও সার - অ্যাপ্লাই করে, নাম বাদ যায় কিন্তু আগস্টে ভারতে আসতে বলা হয়েছে। তাকে বলেছিলাম, তার নাম নিশ্চয় উঠবে, পলিটিকাল স্টান্সটা দেখালেই হবে, তারপর তার নামটা ভুতুড়ে ভোটারে পরিণত হবে, বিজেপি সুবিধে পাবে, ভোটার লিস্ট তো এখন তাদেরই, যদিও এসবে সে খুশীই হবে। দিনের শেষে তো সবাই বোড়ে, দেশী বা বিলিতি করসেবক সবাই অথবা যারা আইটি সেলের ভুল ধরছে, সবাই। কেউই পুতুলনাচের বাইরে নয়, সিস্টেম মোটামুটি এই বন্দোবস্ত করে ফেলতে পেরেছে, একদিকে জনকল্যাণমূলক ও প্রোগ্রেসিভ নীতি, অন্যদিকে ন্যারেটিভ তৈরী করে সবাইকে তার মধ্যে ফেলে দেওয়া।
  • তরমুজ | ২৮ জুন ২০২৬ ১৪:৫৮556986
  • আমার একটা অনুরোধ আছে। আমি গতকাল ভাটে ইনফ্লেশনের উপর একটা পোস্ট করেছি। অর্থনীতির ছাত্র ছাত্রীদের অনুরোধ, এই লেখাটা মেথড হিসাবে অ্যাকাডেমির ক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন না। আমি এখানে একটা জটিল বিষয়কে সোজা ভাবে বুঝিয়েছি। অ্যাকাডেমিতে শর্টকাট মারবেন না। প্রপার মেথডলজি ব্যবহার করবেন। এটা পড়ে ওভারঅল কনসেপ্ট নিতে পারেন।
  • b | ২৮ জুন ২০২৬ ১২:২২556985
  • এইটা উপলবাবুর জন্যে(https://www.bbc.com/news/articles/c1dy5y3y2g3o)
    অবশ্য নবদূর্গে কয়লা নিয়ে যাবার মতো ব্যপার হবে হয়তো.
  • হেঁয়ালি | ২৮ জুন ২০২৬ ১১:৫৩556984
  • সবচে দাম বেড়েছে মাছ মাংসের
  • শ্রাবণী | ২৮ জুন ২০২৬ ১১:৩১556983
  • আমি আগে জিনিসপত্রের দাম বাড়া কমা বুঝতাম না কারণ বাজার দোকান করতাম না। কিন্তু আজকাল বিগ বাস্কেট, ব্লিনকিট রেগুলার করি তাতেও বেশ ভালো মালুম দিচ্ছে। আমার রেগুলার কেনা আইটেম গুলো মোটামুটি একই থাকে। নিত‍্য প্রয়োজনীয় সবজি ফল দুধ ডিম, যা দাম বেড়েছে তাতে প্রায় ৪০-৫০% বেশী বিল হচ্ছে। সেদিন পনির কিনলাম দেখি প‍্যাকেটের দাম এক কিন্ত পরিমান অর্ধেক।
    কলকাতায় আমাদের সোসাইটি হল হাই এন্ড, ভোটে লোকজন রীতিমত এনডোর্স করেছে অচ্ছে দিনকে, এখনো উথালপাতাল হচ্ছে আদিখ‍্যেতায় যে অবশেষে ধরায় স্বর্গ আগত প্রায়। এদিকে প্রেসওয়ালা গাড়ি ধোয়ার লোকের যুগ্গি ভেঙে গেছে তারা সব আশপাশ ছেড়ে চলে গেছে। কাজের মেয়েরাও অনেকে চলে গিয়ে ডিমান্ড সাপ্লাইয়ের তারতম‍্যে রেট বাড়িয়ে দিচ্ছে। এবারে গিয়ে দেখলাম বেশ নাজেহাল পাবলিক, স্বর্গের রাস্তাও যেন ইথানল মিনিস্টারেরই বানানো মালুম হচ্ছে।
    জোকস অ‍্যাপার্ট, দৈনন্দিন খরচা বেশ চোখে পড়ার মত বেড়েছে। বেশী পয়সা দিয়ে পিওর পেট্রল ভরাতে হচ্ছে। যেটা অনেক আগে প্রেডিক্টেড ছিল যে সবদিক থেকে আস্তে আস্তে গলা চেপে ধরবে বিশেষ করে স‍্যালারিড ট‍্যাক্সপেয়ারদের, সে সময় উপস্থিত। ইকনমির যে মা বোন করে ছেড়েছে এই শেষ ন বছরে তার থেকে ঘুরে দাঁড়ানো টাফ হবে, ইকনমিস্ট রা বলছে আমি নই।
  • dc | ২৮ জুন ২০২৬ ০৯:১৭556982
  • আজ সকালে মুদি দোকানে গেছিলাম কিছু জিনিষ কিনতে। এক ডজন ডিম কিনলাম, তার দাম ৯৬ টাকা, অর্থাত পার ডিম ৮ টাকা। আমি দোকানির দিকে খুব করুন মুখে তাকিয়ে বললাম, দেখুন তো জিনিসের দাম কিরকম বাড়ছে! সেদিনও ডিম ছিল জোড়া দশ টাকা, আর আজ একেকটা আট টাকা! দোকানি আমার খুব বন্ধু, তিনি বললেন, কি করা যাবে, আপনাদের বাঙ্গালে তো সবাই সবাইকে ডিম ছুঁড়ে মারছে, তাই ডিমের দাম বাড়ছে (তিনি তামিল এল্লামে ওয়ার্ডটা ইউজ করেছিলেন)। আমিও বললাম হ্যাঁ, কোথায় ওমলেট বানাবে, তা না, ছুঁড়ে মারছে। কি অবস্থা!
  • r2h | ২৮ জুন ২০২৬ ০৯:১২556981
  • ঠিক, ঠিক, রাজনারায়ন বসু, ইংরেজি ঘোষানোর ছড়া পড়ে এইটাই মনে করার চেষ্টা করছিলাম, অরিনদাকে ধন্যবাদ।
    এই যুগেও কেউ ঐ জিনিস অভ্যাস করেছেন জেনে অবাক হলাম। আমি ভাবতাম এ প্রাচীন ব্যাপার।
  • অরিন | ২৮ জুন ২০২৬ ০৬:০২556980
  • এ কথাগুলো রাজনারায়ণ বসুর সেকাল আর ও একাল বই (২২ এর পাতা)থেকে নেওয়া। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ও সেখান থেকেই লিখে থাকবেন।
  • চাষা | ২৮ জুন ২০২৬ ০৫:৫৯556979
  • ঐ রক্তারক্তি হান্টার গ্যাদারার টাইপ ফিলিংসই তো চাই যাতে শেষে স্ক্যাভেঞ্জার হতে অসুবিধে না হয়
  • চাষা | ২৮ জুন ২০২৬ ০৫:৪৮556978
  • ফিলোসফার বিজ্ঞলোক
    প্লৌম্যান চাষা
    পমকিন লাউকুমড়ো
    কুকুমবার শশা
    হবে হয়ত
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (সেই সময়) তে পড়েছি
  • রামু | ২৮ জুন ২০২৬ ০৪:৪৪556977
  • পামকিন লাউকুমড়ো 
    প্ল্যাওম্যান চাষা 
    ব্রিঞ্জল বার্তাকু 
    কুকাম্বার শশা
  • :|: | ২৮ জুন ২০২৬ ০৪:২৭556976
  • ২৩টা পনেরো: এটাও বলা অসম্ভব। উনিজিকে ট্র্যাক করবে এমন জিপিয়েস পয়দা হয়নি।
  • :|: | ২৮ জুন ২০২৬ ০৪:২০556975
  • আচ্ছা ছোটবেলায় একটা ছড়া বলতুম ইংরিজি সহজে মনে রাখার জন্য। তো সেখানে ছিলো
    পামকিন লাউকুমড়ো
    প্ল্যাওম্যান চাষা
    কুকাম্বার শশা ইত্যাদি।
    কিছুতেই পুরোটা মনে পড়ছে না। অস্বস্তি হচ্ছে। যদি কেউ পুরোটা লিখে দেন তো কৃতজ্ঞ হৈ।
    ধন্যবাদ।
  • X | ২৮ জুন ২০২৬ ০১:১৫556974
  • আমাদের বাজারে প্লাস্টিকের ব‍্যাগ ব‍্যান হয়েছে - সাধু উদ্যোগ। কিন্তু মাছ মাংস ও সিন্থেটিক কাপড়ের ব‍্যাগে দিচ্ছে- সে প্রায় রক্তারক্তি কাণ্ড- হান্টার গ‍্যাদারার মাফিক ফিলিং নিয়ে বাজার করে ফিরছি।
  • তরমুজ | ২৮ জুন ২০২৬ ০০:৩৯556973
  • এই সংক্রান্ত বিষয়ের উপর অর্থনীতিবিদ অরুন কুমারের এই ইন্টারভিউটা শুনতে পারেন।
     
  • তরমুজ | ২৮ জুন ২০২৬ ০০:১১556972
  • মোদি সরকারের আমলে যত দুর্নীতি হয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্নীতি হল মুদ্রাস্ফীতি বা মূল্যবৃদ্ধি। শুধু সবচেয়ে বড় দুর্নীতিই নয়। সব দুর্নীতির শেকড়। মোদি সরকারের আমলে শুধু কর্পোরেট লোন মাফ করা হয়েছে প্রায় 10 লক্ষ কোটি টাকা বা তারও বেশি। মোট লোন মাফ করা হয়েছে প্রায় 18 লক্ষ কোটি টাকা। তার মধ্যে কৃষি লোন মাফ হয়েছে মাত্র 1.5 লক্ষ কোটি টাকার মতো। বাকি লোনের বেশির ভাগটা বিভিন্ন ভাবে বড় পুঁজিপতিদেরই মাফ করা হয়েছে। বর্তমানে শুধু কেন্দ্র সরকারের ঋণের পরিমান প্রায় 200 লক্ষ কোটি টাকা। তার মধ্যে মোদি সরকারের আমলেই প্রায় 140 লক্ষ কোটি টাকা ঋণ করা হয়েছে। এই বিপুল পরিমান টাকার হিসাবের কোন স্বচ্ছতা নেই। কিন্তু দেশে যদি মূল্যবৃদ্ধি বা মুদ্রাস্ফীতি করা যায়। তাহলে সেই অস্বচ্ছ হিসাবকে স্বচ্ছ করা যায়। ...... মূদ্রাস্ফীতি কী? মূদ্রাস্ফীতি হল দ্রব্যের বর্ধিত দাম। অর্থাৎ একই দ্রব্যের জন্য অতিরিক্ত দাম। একই দ্রব্যের জন্য যে অতিরিক্ত দামটা দেওয়া হচ্ছে। ঐ অতিরিক্ত দামের মধ্যে দুর্নীতির টাকাকে অ্যাডযাস্ট করা যায়। যেমন জিএসটি কালেকশন বেশি হচ্ছে। তাহলে বাজারে কি বেশি ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে? একদমই না। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য জিএসটি কালেকশন বেশি হচ্ছে। কারন জিএসটির হিসাব হয় শতাংশে। দশ টাকার মাল যদি কুড়ি টাকা হয়। তাহলে কুড়ি টাকার উপর জিএসটি দিতে হবে। এইভাবে যে ট্যাক্স আদায় হলো। সেই ট্যাক্সের টাকা খরচ করা হবে ডোমেস্টিক মার্কেটের বর্ধিত দ্রব্য মূল্য অনুসারে। সুতরাং মূদ্রাস্ফীতির ফলে যে তারতম্য তৈরি হল। অর্থাৎ অতিরিক্ত দাম দিয়ে কম দামের দ্রব্য ক্রয় করা হল। এর ফলে এই অতিরিক্ত টাকাটা চলে গেল কিছু ক্রোনির হাতে। এইভাবে দুর্নীতির টাকাকে অ্যাডযাস্ট করা যায়। এর জন্য কিছু ইনফ্লেটেড জিডিপি তৈরি করতে হয়।
     
    ইনফ্লেটেড জিডিপি বুঝতে গেলে আগে জিডিপি বুঝতে হবে। আপনি দশ টাকা দিয়ে কোন দ্রব্য ক্রয় করলেন। এই দ্রব্যটা আপনি ক্রয় করতে পারলেন। কারন হয় আপনি আয় করেছেন, না হয় আগে আপনি বা অন্য কেউ ঐ অর্থ আয় করে সঞ্চয় করেছেন। অর্থাৎ এই অর্থ কাউকে না কাউকে আয় করতে হয়েছে। আপনি যখনই ঐ অর্থ আয় করলেন। তখনই আপনার আয়ের পরিমান টাকা সরকার ছাপাবে। সরকার এই যে টাকা ছাপালো। এটাকে বলে জিডিপি বৃদ্ধি বা গ্রোথ। অর্থাৎ একটি অর্থবর্ষে সরকার যত টাকা ছাপায়, সেটা হল সরকারের জিডিপি গ্রোথ। এই টাকা ছাপানো একটা জটিল প্রক্রিয়া। দেশে কত আয় হচ্ছে ও তার জন্য কত টাকা ছাপতে হবে। এটা একদম নিখুত ভাবে করা সম্ভব না বলে। সরকার মোটামুটি 5% টাকা বেশি ছাপে। এই 5% যে অতিরিক্ত টাকা ছাপা হল। এটাকে বলা হয় ইনফ্লেশন। অর্থাৎ দেশে আয় বা উৎপাদন হল না। কিন্তু টাকা ছাপা হল। এবার এই অতিরিক্ত 5% টাকা দ্রব্যের দাম 5% বাড়াবে। একে বলে মূল্যবৃদ্ধি।
     
    একটি দেশে 5% ইনফ্লেশনকে মোটামুটি স্বাস্থ্যকর ইনফ্লেশন ধরা হয়। ইনফ্লেশন 5% এর যত উপরে উঠবে তত অস্বাস্থ্যকর হতে থাকবে। আদর্শ ইনফ্লেশন প্রতি বছর কিন্তু বেড়ে চলবে না। 5% ইনফ্লেশনের অর্থ হল। পরবর্তী কালের জন্য দেশকে টার্গেট দেওয়া হল ঐ 5% ইনফ্লেশনকে জিডিপি তে পরিনত করার জন্য। যদি সরকার দেখে দেশ ঐ 5% ইনফ্লেশনকে জিডিপি তে কনভার্ট করতে পারছে না। তাহলে সরকার ইনফ্লেশন আর বাড়াবে না। অর্থাৎ 5% এর বেশি ইনফ্লেশন কখোনই হবে না। অর্থনীতিবিদ অরুন কুমার দেখিয়েছেন। বর্তমান ভারতের মোট জিডিপির(জিডিপি গ্রোথ নয়) প্রায় 40% ইনফ্লেটেড। যদিও এক্ষেত্রে উনি খুব সোজা হিসাব করেছেন। জটিল হিসেবের মধ্যে যাননি। জটিল হিসেব করলে ইনফ্লেশন ভ্যালু আরও বেশি। আর এই অতিরিক্ত ভ্যালুই সাধারন মানুষের সঞ্চয় কমাচ্ছে। এবং কতিপয় ক্রোনির পকেট ভরছে। অনেকের মতে মনমোহন সিং এর আমলে ভারতের জিডিপি আন্ডার ভ্যালু ছিল। এবং মোদি সরকারের আমলে ওভার ভ্যালু। তাহলে এই সরকার অর্থব্যবস্থার কতটা সর্বনাশ করলে, আন্ডার ভ্যালু এস্টিমেশনকে রিকভার করে প্রায় 40% ওভার ভ্যালু করেছে। আসলে সংখ্যাটা 50%। এটা দুর্নীতি ছাড়া আর কী? আগ্রহি ব্যক্তিরা এই নিয়ে চর্চা করতে পারেন। কিছুদিন আগে অভিজিত বিনায়ক বাবুও সম্ভবত এই নিয়েই একটা ইন্টারভিউ দিয়েছেন। এখনো শোনা হয় নি। শুনবো।
  • :{ | ২৭ জুন ২০২৬ ২৩:১৬556971
  • | ২৭ জুন ২০২৬ ২৩:১৫556970
  • ২২ঃ৩২, তা ঠিক, UCC চালু করেছে, কোরাপশনের অভিন্ন বিধি (বা নীতি)।

    কিন্তু, বলুন তো, উনীজী এখন কোন দেশে ?
  • তরমুজ | ২৭ জুন ২০২৬ ২২:৪৩556969
  • ভাবেশ জোশী সুপারহিরোর মত সিনেমা ভারতীয় ইন্ডাস্ট্রিতে আর একটাও হয়েছে? যদি কেউ না দেখে থাকেন। ইউ টিউবে আছে, দেখে নিতে পারেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত