এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • তরমুজ | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:৪৭557598
  • //আমি এখানে এই পর্যন্ত যা লিখেছি। সেখানে সমাজতন্ত্র সম্পর্কে কোথায় লিখেছি?//
     
    সমাজতন্ত্র আমার রাজনৈতিক মতাদর্শ। কিন্তু আমার মস্তিষ্কের সবটুকু নয়। ..... এছাড়া কেন মৌলিক কিভাবে মৌলিক, সময় হলে জানতে পারবেন। আস্তে আস্তে আস্বাদন করুন। বুঝতে চেষ্টা করুন।
  • Manali Moulik | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:৪১557597
  • এই ফেজটা আমার স্বচক্ষে দেখা।
    এর পেছনে অন‍্য কারণ
     
     
    নিশ্চয়ই দিদি। সেই অভিজ্ঞতা প্লিজ শেয়ার করবেন। আসলে ওরা খুব লজিক‍্যালি আইডিয়াটাকে কোপ করতে পেরেছিলো যে এশিয়াতে চলবে কোন্ জিনিসটা ভালো? এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটা কোপিং করে এবং মানিয়ৃ নিয়ে এগিয়ে যেতে পেরেছে। তাই ষ্টিফেন লিকক এর মতো ওয়েষ্টার্ণ গবেষকরা একে গাল দিলেও যৌক্তিকতা অস্বীকার করতে পারেননি।
    আমার ইমেল এটা ডট দি
    [email protected] সময় সুযোগের অভাবে আগে পারিনি। আজ দিয়ে রাখলাম।
  • তরমুজ | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:৪১557596
  • //মৌলিক যদি আপনি মনেও করেন, সমাজতান্ত্রিক দেশ সম্পর্কে আপনার ধারণাটা আদতে কী?//
     
    আমি এখানে এই পর্যন্ত যা লিখেছি। সেখানে সমাজতন্ত্র সম্পর্কে কোথায় লিখেছি?
  • তরমুজ | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:৩৮557595
  • //মার্কসিজম অবশ‍্যই বিজ্ঞান কারণ সেটা বিশ্লেষণাত্মকভাবে সবটা প্রমাণ করেছে। এবার মার্কস যেমন কোনো ত্রিকালজ্ঞ মুনি নন//
     
    বিশ্লেষণাত্বক ভাবে প্রমান করেছে, তাই বিজ্ঞান। এটা ভুল ধারনা। মার্কসবাদে কার্য কারন সম্পর্ক আছে তাই বিজ্ঞান। সাহিত্যেও বিশ্লেষণ থাকে। কিন্তু কার্য কারন সেভাবে থাকে না। তার বদলে আবেগ থাকে। তাই সাহিত্য বিজ্ঞান নয়। আর মার্কসবাদ বিজ্ঞান বলেই পরিবর্তনশীল। অর্থাৎ এই বিষয়টি ডেভলপ করবে। পরিবর্তিত সমাজ ও সময়ের সাথে নতুন নতুন ধারনা তৈরি হবে। যার গোড়াপত্তন করেছেন কার্ল মার্কস। যার বিশেষ ধারনা ও সূত্র আছে। সুতরাং এটা বিজ্ঞান।
  • . | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:৩৫557594
  • মৌলিক কেন? বা মৌলিক যদি আপনি মনেও করেন, সমাজতান্ত্রিক দেশ সম্পর্কে আপনার ধারণাটা আদতে কী?
    ভেঙে ভেঙে উদাহরণ সহযোগে লিখুন।
  • তরমুজ | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:২৮557593
  • @ডট, আমার সিদ্ধান্তগুলি মৌলিক। তাই মুখস্তর প্রশ্নই ওঠে না। আমি এখন যা বলে যাচ্ছি, পরবর্তীকালে সেগুলো অন্যরা মুখস্ত করবে।
  • . | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:২২557592
  • "এবার দেখুন কিছু মনে করবেন না প্লিজ, সোভিয়েতের পতন বা আরো অনেক ইউরোপীয় কমিউনিস্ট দেশ ভেঙে যাবার পরেও কিন্তু চিন সগৌরবে চলিতেছে। "
    এই ফেজটা আমার স্বচক্ষে দেখা।
    এর পেছনে অন‍্য কারণ
  • . | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:২০557591
  • তরমুজ শুধু মুখস্থ করলে তো হবে না। জিনিসটা বুঝতে হবে, প্রশ্ন করতে হবে।
  • Manali Moulik | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:১৯557590
  • দ‍্যাখেন
    রঞ্জন স‍্যারের সঙ্গে আমি সহমত। মার্কসিজম অবশ‍্যই বিজ্ঞান কারণ সেটা বিশ্লেষণাত্মকভাবে সবটা প্রমাণ করেছে। এবার মার্কস যেমন কোনো ত্রিকালজ্ঞ মুনি নন তাই ওনার চিন্তাধারাও মূলত তিনটে স্তম্ভের উপর ডিপেন্ড করেছে। লেনিন তাঁর 'থ্রি সোর্সেস অভ মার্কসিসমে ' সেটাই বলছেন। ব্রিটিশ অর্থনীতির ক্ষেত্রে স্মিথ বা রিকার্ডো ওনার ভালোমতো গুলে খাওয়া, লেবার থিওরি অনেকাংশে জন লক দ্বারা অনুপ্রাণিত। সেখানে লেবার বলতে মেটেরিয়াল ও মনুষ‍্যশ্রম দুটোকেই বোঝায়। এখন বলবো, বেন্থাম, হেগেল, লক, স্মিথ বা ফয়েরবাখের তুলনায় মার্কসের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গী বহু এগিয়ে তার কারণ উনি জার্মানি, ফ্রান্স ও ইংল‍্যান্ডের মতো তিনটে দেশের সমাজ ও অর্থনীতিকে বাস্তবে দেখে বিশ্লেষণের সুযোগ পেয়েছিলেন। তাই বেন্থামের মতো ইংল‍্যান্ডর এলিটিষ্ট পুঁজিবাদী ধারা যেমন তাতে ছিলো না, তেমনই হেগেলের জার্মানির যে শতধা বিভক্ত অভিজ্ঞতা ও যন্ত্রণা, তার থেকে একটা সেন্ট্রালাইজেশনের ঝোঁক ( আ সর্ট অভ নিউ লেভিয়াথান আফটার থমাস হবস) সেটা ওনার মধ‍্যে নেই। সবটা নিয়েই করেছেন যুক্তিনিষ্ঠ বিশ্লেষণ। আবার দেখবেন, ইউরোপের ফিউডাল ষ্টেজ থেকে ক‍্যাপিটালিজমে যাত্রার পথটা এখানে পেলেও এগ্রিকালচারাল কমিউনিটির জন‍্য সমাধান পাওয়া খুব মুশকিল। এটার জন‍্য ফিরতে হবে এশিয়ায়। মার্কস ও লেনিনের সঠিকতম প্রয়োগ সেখানে করছেন মাও সে তুং। এবার দেখুন কিছু মনে করবেন না প্লিজ, সোভিয়েতের পতন বা আরো অনেক ইউরোপীয় কমিউনিস্ট দেশ ভেঙে যাবার পরেও কিন্তু চিন সগৌরবে চলিতেছে। এখন সিসিপি তো মাও বা লিন পিয়াও এর নীতি নেয় না, কিন্তু 1978 তে সিয়াওপিং লাফটা দিতে পারলেন মাওয়ের নির্মিত প্ল‍্যাটফর্মেরই উপর। Vamshi Vakulavaranam এর বই 'Class and inequality in China and India : 1950 to 2010 " একটা ডায়াগ্রাম বর্জিত, থিওরি গর্জিত দারুণ বই। এছাড়া মুফাওয়াদা পল, ফ্রাঁসোয়া লারুয়েল আর স্লাভয় জিজেক দ্রষ্টব‍্য। প্রথম দুটো দর্শন আর ক্ষমতার গোলচক্কর আর তৃতীয়টা কেস ষ্টাডি।
  • তরমুজ | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:১৬557589
  • সাথে এই লেখাটাও পড়তে পারেন। যদিও লেখাটা আকারে ছোট।
     
  • তরমুজ | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:১৩557588
  • যদিও লেখাটা খুব ছোট। কারন এই বিষয়ের উপর একটা সিরিজ বানাতে চেয়েছিলাম। পরের অধ্যায়গুলো লেখা হয়নি। সময় পেলে লিখব।
     
  • তরমুজ | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:০৯557587
  • এছাড়া সাম্যবাদ তো কিছু বিশেষ কন্ডিশনের উপর নির্ভরশীল। সেজন্য বর্তমান সমাজে প্রকৃত সাম্যবাদ কল্পনা করা যাবে না। তাই সাম্যবাদ প্রয়োগের জন্য এক বিশেষ অবস্থা কল্পনা করে নিতেই হবে। মার্কসবাদকে বিজ্ঞান হিসাবে এই কারনেই ধরে নেওয়া হয়। কারন এর প্রতিটি বিষয় কার্য কারন সম্পর্কের উপর নির্ভরশীল। মার্কসের বা আমার স্পেকুলেশন ভুল হতেই পারে। কিন্তু কেন ভুল? তার জন্যও একটা কার্য কারন সম্পর্ক থাকতে হবে। আমার মনে হচ্ছে মার্কস ভুল, তাই ভুল, এটা তো কোনো কারন হতে পারে না। আর একারনেই মার্কসবাদ বিজ্ঞান। আর বিজ্ঞান বলেই পরিবর্তনশীল। .... আর রবিনসন কি বলেছে সেটা রবিনসন প্রমান করবে। আমি যেটা বলেছি সেটা আমি প্রমান করব। রবিনসনের তত্ত্বকে নির্ভর করে কোনো আউটপুট দেওয়াটা তো আমার কাজ নয়। .... টেকনোলজির উন্নতির সাথে সাথে শোষণ বাড়ছে কারন প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদন করছে। পণ্যের একটা বিশেষ ডিজাইন হয়। এই ডিজাইনটা করছে পুঁজিপতিরা। কারন তাদের উদ্দেশ্যই শোষণ করা। আর এই জায়গা থেকে আসে শ্রেণিসংগ্রাম। গুরুতে(খেরোতে) একদম প্রথম নিবন্ধ এই নিয়েই লিখেছিলাম। একদম এই বিষয় নয়। কিন্তু পণ্য ও বিজ্ঞান সংক্রান্ত। পণ্য‍=প্রযুক্তি=বিজ্ঞান, এই ধারনাটা পুঁজিবাদীরা সাধারন মানুষের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। যার ফলে সমাজে একটা ভ্রান্ত ধারনা তৈরি হচ্ছে। এটাই ছিল বিষয়। একবার পড়ে দেখতে পারেন। .... এছাড়া দ্বন্দ্বিক বস্তুবাদ তত্ত্ব সেটা সম্পূর্ণ অন্য বিষয়। হ্যাঁ কিন্তু এর সাথে রিলেটেড।
  • Manali Moulik | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:০৫557586
  • নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস,
    ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস।
    নদীর ওপারও দেখি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে
    যাহা কিছু সুখ তার সকলই ওপারে!
     
    এই প্রসঙ্গে হাইনরিখ হাইনের একটা ছোটো অনুবাদ কবিতা মনে পড়ে গেলো
     
    উত্তরে বুনো নগ্ন পাহাড় প'রে
    দাঁড়ায় পাইন আকাশে নয়ন তুলে
    যেন বরফের রূপোলি কাপড় পরে
    স্বপ্ন সে দেখে বেদনায় বুক ভরে
     
    স্বপ্ন সে দেখে দূরে মরভূমি তটে
    সেই যে দেশে প্রভাতে সূর্য ওঠে
    তপ্ত পাহাড়ে বেদনায় বুক ভরে
    দাঁড়িয়ে রয়েছে পামগাছ মরুতটে
  • X | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:০৪557585
  • @তরমুজ - এই ৫০০ বা ১০০০ বছরের রেঞ্জ টা আপনি উনিজির থেকে নিয়েছেন না উনিজি আপনার থেকে?
     
    তবে যা হোক, বহু দিন বাদে মার্কসবাদ সর্বশক্তিমান, কারণ ইহা বিজ্ঞান- এই মহান আপ্তবাক‍্যটি শোনা গেলো
  • . | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:০১557584
  • বাই দ‍্য ওয়ে — মার্কসিজম কে বিজ্ঞান কেন বলা হচ্ছে, সেটার পেছনে একটা মজার ব‍্যাপার আছে।
    নাউকা наука বলে শব্দটাকে সরাসরি বিজ্ঞান হিসেবে অনুবাদ করার মুর্খামি।
    এই কেলো কে বা কারা করেছে তা জানা নেই। কিন্তু মোক্ষম একটা ভুল জিনিস শিখিয়ে দিয়েছে যাইহোক, বিশেষত যারা প্রশ্নহীন আনুগত‍্যে বিশ্বাসী তাদের জন‍্য।
  • . | ১৩ জুলাই ২০২৬ ২৩:৫০557583
  • তরমুজের মার্কসিজম পড়াটা কেমন যেন প্রশ্নহীন আনুগত্যের মতো করে পড়া। বাট রঞ্জনদার বিশ্লেষণটা অনেক যুক্তিযুক্ত। তৃতীয়ত সমাজতান্ত্রিক দেশে বাস করে হাতে কলমে এবং থিওরি সহযোগে মার্কসীয় ফিলসফির সংস্পর্শে আসার দরুন এটুকু বলতে পারি যে বাস্তব অনেকটাই হটকে। আমি এখনও নিয়মিত প্রাক সমাজতান্ত্রিক বেশ কয়েকটি দেশে নিয়মিত যাতায়াত তো করিই সে দেশ গুলোর মানুষজনের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব আছে। আপনাদের ধারণা থেকে আসল বাস্তবের মিল প্রায় নেই। সমস্ত সমাজব‍্যবস্থাতেই মানুষের সুবিধা অসুবিধা তৃপ্তি অতৃপ্তি সমস‍্যা গর্জে ওঠা থাকে। কোনওটাই অপটিমাম নয়। এবং প্রত‍্যেকটাই একে অপরের থেকে ভিন্ন হলেও নদীর এপার ওপারের মতো তো বটেই।
  • তরমুজ | ১৩ জুলাই ২০২৬ ২৩:৪৩557582
  • @রঞ্জন রায়, মার্কসবাদ বিজ্ঞান বলেই চলতে থাকা জরুরী। সেজন্য মার্কসবাদের স্টাডি হওয়া দরকার। আর স্পেকুলেশন হতে যাবে কেন? বিজ্ঞান কার্য কারন সম্পর্কের মধ্যে আবদ্ধ। যদি কোনো কিছু আগামী দিনের কোনো নতুন প্রমানের ভিত্তিতে খারিজ হতে পারে বা আপেক্ষিকতার যে বিষয়টা আপনি উল্লেখ করলেন। সেখানে সময় একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই সময়ের কার্য কারন বিশ্লেষণেই আমার মনে হয়েছে 500 থেকে 1000 বছরের মধ্যে পৃথিবীতে সাম্যবাদের আবির্ভাব হবে। অর্থাৎ 500 বছর পর সমাজতন্ত্র থেকে সাম্যবাদে রূপান্তরন শুরু হবে। 1000 বছর পর সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠিত হবে। এবার কথা হল সমাজ তো কোনো জড় পদার্থ নয়। অর্থাৎ এর আপেক্ষিকতা অনেক বেশি। সুতরাং সমাজের এই আপেক্ষিক চরিত্রের জন্য বিজ্ঞানের স্পেকুলেটিভ আচরনও বেড়ে যায়। এবং এই স্পেকুলেটিভ নেচারের মধ্যেও একটা কার্য কারন সম্পর্ক আছে। সুতরাং এটা বিজ্ঞান। শুধু বিজ্ঞানের প্রকৃতি একটু আলাদা। সেজন্য মার্কসবাদের একটা বিষয় হিসাবে চর্চা হওয়াটা জরুরী।
  • Ranjan Roy | ১৩ জুলাই ২০২৬ ২৩:০৪557581
  • মার্ক্সীয় অর্থনীতি বাওয়াল এবং তরমুজ -মানালী বিতর্কে আমার দু'পয়সা ঃ
    ১.০
    এক, মার্ক্স কথিত সাম্যবাদ কবে আসবে -- ৫০০ না ১০০০ বছরে-- এধরণের স্পেকুলেশন মার্ক্সের দর্শন এবং মূল্যবোধের বিরোদী। মার্ক্স ত্রিকালজ্ঞ ঋষি মুনি নন। এবং মার্ক্সবাদ কোন স্থান কালের অতীত অন্তিম সত্যের বদলে সমস্ত সত্যকে আপেক্ষিক এবং নির্দিষ্ট স্থান-কালে সীমাবদ্ধ মানে।
    দুই, মার্ক্সবাদকে "বিজ্ঞান" (?) মানলে তাকে কার্ল পপার কথিত 'ফলসিফিকেশন' সূত্র দিয়ে যাচাই করতে হবে।
    অর্থাৎ পপার বলছেন বিজ্ঞানের সত্য হল কন্টিঞ্জেট ট্রুথ-- তা আগামীদিনে কোন নতুন এভিডেন্সের ভিত্তিতে সংশোধিত বা খারিজ হতে পারে। তা না হলে সেটা থিওরি বা স্পেকুলেশন মাত্র, বিজ্ঞান নয়।
     
    তিন, মার্ক তাঁর মহাগ্রন্থ ক্যাপিটালে সাম্যবাদী সমাজ নিয়ে কোন কিছু বলেন নি। কারণ, ক্যাপিটালের উদ্দেশ্য ছিল পুঁজিবাদী ব্যবস্থা, বিশেষ করে, উৎপাদন পদ্ধতির চুলচেরা বিশ্লেষণ। সেটা উনি সফল ভাবে করেছেন।
    জোন রবিন্সনের মতে মার্কস যা করেছেন তা হোল ক্যাপিটালিস্ট ইকনমির লং টার্ম ডায়নামিক্সের বিশ্লেষণ। যেমন কেইন্সীয় তত্ত্ব হোল শর্টটার্ম স্ট্যাটিক্স।
    রবিন্সনের মতে মার্ক্সের তোলা প্রশ্ন এবং বিশ্লেহণ ভ্যালিড, খালি অ্যানালিটিক্যাল টুলসগুলো বড্ড ক্রউড এবং সেকেলে। আজকাল অনেক ভাল টুলস আছে।
     
    চার, মার্ক্স সাম্যবাদী সমাজের কথা বলেছেন সংক্ষেপে কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টোতে, বিস্তারিত গোথা প্রোগ্রাম এবং আরও অনেক লেখাতে। তাঁর সিদ্ধান্তের ভিত্তি ঐতিহাসিক বস্তুবাদ বা ইতিহাসের বিশ্লেষণে দ্বান্দ্বিক পদ্ধতির প্রয়োগে উৎপাদন ব্যবস্থা ও উৎপাদন সম্পর্কের দ্বন্দ্ব (শ্রেণীসংগ্রাম?) হোল সমাজ বিকাশ এবং পরিবর্তনের মূল চালিকা শক্তি।
     
    ( ইকনমিক্সের মার্জিনালিস্ট স্কুল যেভাবে ক্যালকুলাসের পার্শিয়াল ডিফারেনশিয়েশন ্প্রয়োগ করে মার্জিনাল আউটপুটের ভিত্তিতে রেমুনারেশন দেওয়া ন্যায়োচিত বলে সিদ্ধ করে তা একেবারে ভুল)। এটা নিয়ে পরে কথা বলা যাবে।
    ===================================================================
    ২.০
    মার্ক্সের তত্ত্বের দুটো উপপাদ্য আজ ভুল মনে হচ্ছে।
     
    এক, স্টেট দুর্বল হতে হতে হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে? না, বরং দিন দিন শক্তিশালী হয়ে হবস্‌ কথিত লেভিয়াথান বা চাপলিনের 'বিগ ব্রাদার' হয়ে আমাদের ব্যক্তিগত স্পেসে ঢুকে পড়ছে।
    দুই, মার্ক্সের আশা ছিল টেকনোলজির উন্নতির সংগে সঙ্গে শ্রমিকের নেসাসিটি লেবার কম হবে, সার্প্লাস লেবার কম হবে। শ্রমিক অনেক খালি সময় পাবে সংস্কৃতি, খেলাধূলো এবং নিজের জীবনে স্বামী হয়ে উন্নত জীবন যাপন করবে। আজ উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে শ্রমিকের জীবনে টিভি, মোবাইল, স্কুটার ইত্যাদি ভোগ্যপণ্যের প্রবেশ ঘটেছে। কিন্তু শোষণের হার অনেক বেড়েছে।
    হয়ত রবিনসন যেমন বলেছিলেন-- মার্ক্সের শোষণের তত্ত্ব ঠিক, কিন্তু লেবার থিওরি অব ভ্যালু ভুল।
  • Manali Moulik | ১৩ জুলাই ২০২৬ ২২:৪৯557580
  • কেউ ঝামেলা করার ট্রেনিং দেন? মানে একটু অল্প টক্সিক হওয়ার? আমার লাগবে ভীষণভাবে।
  • albert banerjee | ১৩ জুলাই ২০২৬ ২০:৫৮557579
  • শুন্য থেকে শুরু করা যাক
    আমার প্রথম প্রশ্ন ​​​​​​​মার্ক্সিয় ​​​​​​​ভাষায় ​​​​​​​এই //:-{ | ১২ জুলাই ২০২৬ ২৩:০১// মালকে কি বলে?
  • জয় | ১৩ জুলাই ২০২৬ ২০:৫০557578
  • - জয় গৌর নিতাই devil
  • কৌতূহলী | ১৩ জুলাই ২০২৬ ২০:৪৯557577
  • @তরমুজ, আপনার বই পুরুষ নিকের আর্টিকেলগুলো পড়ছি। খুব সহজ ভাষায় সুন্দর করে লিখেছেন। আরও লিখুন প্লিজ।
  • কৌতূহলী | ১৩ জুলাই ২০২৬ ২০:২৩557575
  • তরমুজ | ১২ জুলাই ২০২৬ ২১:৪৮
    মার্ক্সীয় টারমিনোলজিতে বোধহয় বেতন পেলেই তাঁকে শ্রমিক বলে না। যারা ওয়েজ পায় তারাই শ্রমিক। এর বাইরের অবস্থানে যারা থাকে, যারা স্যালারি পায়, তারা পেটি বুর্জোয়া।
  • Manali Moulik | ১৩ জুলাই ২০২৬ ১৮:২২557574
  • :-{ | ১২ জুলাই ২০২৬ ২৩:০১557572
    এটা কোথাকার শাখামৃগ রে?
     
    আজকে কি ধর্মঘট ডাকা হয়েছে নাকি? কমিউনিটি সার্ভিস করে এসে পরিশ্রান্ত। কেউই কোথাও নেই। ইভেন তরমুজও বোধহয় ফ্রিজে তোলা।
  • albert banerjee | ১৩ জুলাই ২০২৬ ০০:১৭557573
  • ১২ জুলাই ২০২৬ ২৩:০১
    এরপর কিন্তু আমি দায়ী থাকবো না। একটা মহামায়ন কীর্তন লিখবো কি?
  • :-{ | ১২ জুলাই ২০২৬ ২৩:০১557572
  • তরমুজ না, কৌতূহলী। কাকোল্ড ফ্যান্টাসিও হতে পারে। তবে সেটা মহিলার স্বামীর না কৌতূহলীর, সেটা ডিপেন্ড করছে কাকে চুদতে দেয়।
  • X | ১২ জুলাই ২০২৬ ২২:১৬557571
  • @তরমুজ আপনার এই রোমান্টিক ভাবটাকে limerence বলে।
     
    মানালির কমান্ড্যান্টে সম্বোধন দেখে সেই 'চিনের চেয়ারম‍্যান, আমাদের চেয়ারম‍্যান' এর নকশা মনে এলো
  • তরমুজ | ১২ জুলাই ২০২৬ ২১:৪৮557570
  • আপনি শ্রমের যে ধারনা দিলেন সেটা ভ্রান্ত ধারনা। শ্রম বলতে কেবল কায়িক বা দৈহিক শ্রম বোঝায় না।ইঞ্জিনিয়ার কোনো যন্ত্র ডিজাইন করলে সেটাও শ্রম। এমনকি প্রধান ইনভেস্টর যদি তার কোম্পানির এমডি বা সিইও হন। সেক্ষেত্রে সেও শ্রমিক। শিক্ষক থেকে শুরু করে সেনা, গবেষক, আমলা, সবাই শ্রমিক। এবং পারিশ্রমিক হিসাবেই তারা তাদের বেতন পান। এই বেতনের আবার দুটো ভাগ, স্যালারি ও মজুরী। মজুরীকে বলা হয় ডাইরেক্ট কস্ট বা এক্সপেন্স। এক্ষেত্রে মানুষের পরিবর্তে যদি রোবোট পণ্য উৎপাদন করে। তাহলে রোবোট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি বা এনার্জি ও কাঁচামাল ডাইরেক্ট এক্সপেন্সের মধ্যে আসবে। যা মজুরীর সমান বা যেটাকে মজুরী বলে ধরে নেওয়া যায়। কারন সবই ডাইরেক্ট এক্সপেন্স। এবং আমি এই যে ব্যাখ্যাটা দিলাম এটা কোনো মার্কসীয় ব্যখ্যা নয়। এটা বাস্তব পুঁজিবাদী ব্যখ্যা। সুতরাং কোনো পণ্য উৎপাদিত হলে তার মজুরী থাকবেই। অন্যদিকে স্যালারি মজুরীতে বা মজুরী স্যালারিতে কনভার্ট হতে পারে। অতএব মজুরী বা শ্রম ছাড়া কোনো উৎপাদন হওয়া সম্ভব নয়। .... এর আর একটা দ্বন্দ্ব রয়েছে। রোবোটই যদি সব উৎপাদন করে। তাহলে সেই উৎপাদিত পণ্যও কি রোবোট ভোগ করবে? আর মুনাফাই বা নেবে কে? মালিক না রোবোট? অর্থাৎ যদি ব্যক্তি কোনো পণ্য ভোগ করে। সেই ভোগের জন্য দরকার হয় আয়ের। যখনই ব্যক্তি সেই আয় করে, তখন ধরে নেওয়া হয় সেই ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে উৎপাদন করল। আর উৎপাদন হলে সে শ্রমও দিল। যার ফল হিসাবে সে ঐ উৎপাদিত পণ্য ভোগ করতে পারবে। এবং আবার বলবো, এখানে যে ব্যাখ্যাগুলো দিলাম, এগুলো কোনোটাই মার্কসবাদী ব্যখ্যা নয়। এগুলো প্রত্যেকটা বাস্তব পুঁজিবাদী ব্যাখ্যা।
  • Dhuttor | ১২ জুলাই ২০২৬ ২১:১৮557569
  • @ মানালী, @ তরমুজ, ধরুন একজন ব্যবসায়ী গাড়ীর ইঞ্জিনের পার্টস তৈরী করেন l এখন তার ফ্যাক্টরিতে ১০০ জন শ্রমিক কাজ করেন l মার্ক্সবাদের নিয়ম অনুযায়ী এই ব্যাবসায়ী সবসময়ে মুনাফার তোলবার চেষ্টা করবেন l তাই শ্রমিকেরা একজোট হয়ে প্রতিবাদ শুরু করলো l এখন ব্যাবসায়ী ভয় পেয়ে গিয়ে নিজের ফ্যাক্টরী বন্ধ করে দিয়ে যা পেলেন সেইটা একটা gift সিটির ফরেন ফান্ডে বিনিয়োগ করলেন এবং নিজের মার্কেট শেয়ার ধরে রাখতে গিয়ে নিজে ফ্যাক্টরী প্রোডাকশন বন্ধ করে চীন থেকে ইম্পোর্ট করতে লাগলেন l এর ফলে তার মুনাফা অটুট রইলো কিন্তু শ্রমিকের কোন প্রয়োজন রইলোনা তার l তার মানে বর্তমানের স্পেকুলেশন বেসড financialised অর্থনীতিতে শ্রমিকের কোন প্রয়োজন কি আদৌ আছে ? শ্রমিক না থাকলেও কিন্তু মালিক দিব্যি প্রফিট করতে পারছেন তাহলে কি আদৌ বর্তমানের উৎপাদন ব্যবস্থাতে শ্রমিকের প্রয়োজন নেই ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত