এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • X | ১৫ জুলাই ২০২৬ ২০:৩৬557658
  • @কৌতূহলী - আমার বক্তব্য হচ্ছে- এখানে তসলিমার "নারী পরিচয় " টা এখানে গৌন হওয়া উচিত যে যদি তিনি পুরুষ বা LGBTQ হতেন তা হলেও- একজন মানুষ মৌলবাদের শিকার এভাবে দেখলে ভালো।
  • albert banerjee | ১৫ জুলাই ২০২৬ ২০:২৪557657
  • // তবে একজন মুক্তচিন্তক বা লেখিকাকে কোনো সম্প্রদায় চাইলেই নিশ্চয়ই দেশ থেকে বের করে দেওয়া যায় না?// না যায় না জেলে ভরা যায় না। কোনোমানুষ কেই যায় না। তবে একটাই জিনিস দেখার তসলিমা ২০০৭ সালে বাঁচেন না ২০২৬ সালে। তিনি যে মুক্ত চিন্তার কথা বলেন সেই কথা পৃথিবীর যে কোনো মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে বলা উচিত। আজ সারা বিশ্বজুড়ে যে ভাবে মৌলবাদী চিন্তা বাড়ছে আসা করবো তসলিমা তার প্রতিবাদ করবেন।
  • কৌতূহলী | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৯:৩৯557656
  • X | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১২:০৬
    যা যা বলেছেন তার সাথে আমি অন্তত একমত। 
    কিন্তু 
    • মানুষ এর অধিকার এর থেকে জেন্ডার এজেন্ডা টা কেন আগে আসবে? বেশ একটু ব‍্যাকওয়ার্ড আর অকওয়ার্ড লাগলো
    এইটা পড়ে চমকে গেলাম। জেন্ডার এজেন্ডা আগে আসবে না কেন?আর সবচেয়ে বড় কথা, জেন্ডার এজেন্ডা তো মানুষের অধিকারের সাথেই ওতপ্রতভাবে জড়িত। 
     
    আর মানালীর  ''সো-কল্ড ফেমিনিজমের প্রয়োজন নেই'' এটা পড়েও অবাক হলাম। এটাই বা কেন? 
  • Ranjan Roy | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৯:২১557655
  • তরমুজ
    একটা অনুরোধ।
     
    কারও বক্তব্যের যত ইচ্ছে সমালোচনা করুন, বিরোধিতা করুন, কিন্তু বক্তাকে ছাড়ান দিন, ব্যক্তিগত আক্রমণ করার ইচ্ছে দমন করুন।
    নইলে আলোচনার পরিবেশ থাকে না। পালটা গালমন্দ শুরু হয়। পরিবেশ নষ্ট হয়।
  • Manali Moulik | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৭:৪৫557654
  • আর তরমুজের অ‍্যসেসমেন্ট ভীষণ বিরক্ত লাগলো। আওয়ামী পর্বের পর দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক এমনিতেই ভেঙে পড়েছে অনেকটা। বাণিজ্য ও কূটনৈতিক বন্ধনে বরং চিনের সঙ্গে আমরা অনেক বেশী সংবদ্ধ। এবার যদি চিন মনে করে বাংলাদেশের মাটি ব‍্যবহার করবে তবে ওদের পাকিস্তানি সেন্টিমেন্ট ইউজ করেই সেটা করা যায়। শকুন আর তার চেলা উকুন উভয়েরই অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তথৈবচ। গ্লোবাল স্ফিয়ারে চেয়েচিন্তে চলতে গেলে চিনের মতো একটি সুপার পাওয়ার ওদের এক আঙুলে নাচাতে পারে। এবার তসলিমাকে সসম্মানে ফিরিয়ে আনার জন‍্য ওপারে সংখ‍্যালঘুরা অ‍ত‍্যাচারিত হবে, মানেটা কী? যার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষারই নখের যোগ‍্য নয় নাইন্টি ফাইভ পার্সেন্ট অশিক্ষিত অশালীন বাংলাদেশী, তারা নিজস্ব দেশেরই অপর মানুষদের অত‍্যাচার করবে বলে সেটা মেনে নিতে হবে? এগানেই বিবমিষা জাগে জানেন তো! এবার ধরুন ওইরকম পরিস্থিতির উদ্রেক করে বলে দিলো কেউ মেয়েরা ক্লাস ফাইভের বেশী পড়বে না। নইলে আমরা ছাওয়াল নিয়ে বাওয়াল করবো, যেটা একমাত্র পারি। সেটা হলে তো আর আমাকেও স‍্যালিনচার বা ব্রেখট পড়তে হতো না, এখানে ডায়ালেক্টিক‍্যাল মেটেরিয়ালিজম্ নিয়েও হ‍্যাজ নামাতে হতো না। অ‍্যাদ্দিনে না হোক তিনছানার মা হয়ে যেতাম ! তো এই ইনহিউম‍্যান পিকিউলিয়ারিটিকে যদি কেউ এজেন্ট হয়েও বাঁদরামো ছাড়িয়ে দেয়, সেটা তো আমার সোজা বুদ্ধিতে সমর্থনযোগ‍্য।
  • Manali Moulik | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৭:৩৪557653
  • //যেটা একটু ঠোক্কর খেলাম - "নারী" পড়লেই মনে হয় কেউ আঁট ঘাট বেঁধে রচনা লিখতে চলেছে- আর রচনা মানেই তো সেই রকম ধোঁয়া ধোঁয়া ব‍্যাপার।

    মানে একটা উনিশ কুড়ি বছরের মেয়ে এরকম ভাববেই বা কেন? মানুষ এর অধিকার এর থেকে জেন্ডার এজেন্ডা টা কেন আগে আসবে? বেশ একটু ব‍্যাকওয়ার্ড আর অকওয়ার্ড লাগলো//
     
     
    আমিও কট্টরভাবে যেকোনো মতবাদের চর্চার বিরুদ্ধে। সো-কল্ড ফেমিনিজমের প্রয়োজন নেই। প্রকৃত সাম‍্য ও জেন্ডার আইডেন্টিটি ব‍্যতিরেকে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা হোক সেটাই প্রত‍্যাশা। তবে একজন মুক্তচিন্তক বা লেখিকাকে কোনো সম্প্রদায় চাইলেই নিশ্চয়ই দেশ থেকে বের করে দেওয়া যায় না? কালো কাপড়ে নিঃশ্বাস বন্ধ জম্বি হয়ে বাঁচার বিরোধিতা করে একজন নারীর কঠিনতম পথে সফল অভিযান। এটাই মূল বিষয় আরকী
  • albert banerjee | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৭:০৫557652
  • // কারন আপনি যে চাড্ডি সে তো আমি প্রথম দিনই ধরে ফেলেছিলাম।//
    এইখানথেকেই আরম্ভ হয় বিজ্ঞানের শুরু।  বিজ্ঞানে প্রথমেই কিছু ধরতে নেই। আপনারেই ধরে ফেলা শেষ টা অনেকটা এক্স সিএম মমতা ব্যানার্জীর মাওবাদী ধরার কেসের মতো লাগছে। 
  • | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৬:৪৪557651
  • কমিউনিজমে ইনকুইজিশনও আছে। বিংশ শতক জুড়ে দেশে দেশে সেসব হয়েছে।
  • Ranjan Roy | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৬:২০557650
  • তরমুজ
    বড় তাড়াতাড়ি সরলীকরণ করছেন।
    আইনস্টাইন, হেগেল কান্ট, মার্ক্স, ব্রেখট সবাই পুঁজিবাদী সমাজে জন্মেছেন। নীলস বোর, ওপেনহাইমার এবং আজকের পদার্থ বিদ্যা, রসায়ন ও চিকিৎসাবিদ্যার যত কিছু যুগান্তকারী আবিষ্কার সব পুঁজিবাদী সমাজেই হয়েছে।
    তাহলে আপনার বক্তব্যের ভিত্তি কী?
    পুঁজিবাদী সমাজে খালি টেকনোলজি নয়, বিশুদ্ধ জ্ঞান চর্চার জন্যেও আর্থিক বিনিয়োগ হয়।
    ২ বিজ্ঞান অবশ্যই যুক্তির সহায়তা নেয়, কিন্তু যুক্তি মানেই বিজ্ঞান নয়। কার্য কারণ সম্পর্ক মানেই বিজ্ঞান নয়, যদিও ওগুলো ছাড়া বিজ্ঞানের চর্চা অসম্ভব।
     
    ৩ সমস্ত দর্শনেই নিজস্ব যুক্তি আছে। প্রমাণ ও ভ্রান্তি/হেতু ইত্যাদির চর্চা আছে।
    এমনকি বেদান্তেও আছে। নাগার্জুনের মাধ্যমিক দর্শনে আছে। ন্যায় দর্শনে আছে। বুদ্ধের প্রতীচ্যসমুৎপাদ তত্ত্ব ওনার দর্শনের কার্য ও কারণের যুক্তি পরম্পরা।
    ৪ মার্ক্সবাদও দর্শন। তাই তারও যুক্তি নিয়ে আলোচনা আছে। কিন্তু মার্ক্সবাদ একটি মতাদর্শ, যেমন হিন্দুত্ব একটি মতাদর্শ বা ইডিওলজি। কোন ইডিওলজি পুরোপুরি বিজ্ঞান পদবাচ্য নয়। দর্শন মানব বিজ্ঞানের একটি শাখা। অর্থনীতিও তাই। এগুলো আমাদের অমাজকে বুঝতে সাহায্য করে। কিন্তু বিজ্ঞান নয়।
    ৫ অন্তিম বিচারে মার্ক্সবাদও ধর্ম, নিরীশ্বরবাদী ধর্ম। যেমন হারারি বলেছেন--মার্ক্সবাদের সেক্রেড বুক আছে, প্রফেটও আছে। এবং তার ভক্তরা তার কোন উপপাদ্যকে ভুল বলে স্বীকার করতে চায় না।
     
    ৬ এংগেলস মার্ক্সের সমাজবাদকে তাঁড় সমসাময়িক অন্য সব সমাজবাদের তুলনায় বৈজ্ঞানিক বলেছেন --কারণ ওগুলো চিন্তাবিদের সদিচ্ছার ফল মাত্র-যেমন ফেবিয়ান ও ক্রিশ্চান সমাজবাদ। ওগুলো কাল্পনিক বা ইউটোপিয়।
    কিন্তু মার্ক্সের সমজবাদের ধারনা ব্যক্তির শুভ চিন্তা নিরপেক্ষ, সাপেক্ষ নয়।
     
    অর্থাৎ উনি দেখাতে চেয়েছেন (উৎপাদিকা শক্তি ও উৎপাদন সম্পর্কের দ্বন্দ্বকে ভিত্তি করে) সমাজবাদ মানব সমাজের ভবিতব্য, যা আপনার আমার চাওয়া না চাওয়ার উপর বা কারো হৃদয় পরিবর্তনের উপর নির্ভরশীল নয়। ভালো কথা।
     
    তাতে মার্ক্সিজম বিজ্ঞান হয়ে যায় না।
  • . | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৫:৪৭557649
  • তসলিমাকে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেললেই মনে হয় ভালো হতো, তাই না?
  • . | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৫:৪৩557648
  • মৃত থেকে হৃত তৃণমূলে মদনদা।
  • তরমুজ | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৪:১৪557647
  • //সাম্যবাদ আমার মনে হয় আইডিয়াল গ্যাস বা আইসোলেটেড সিস্টেম এর মতো যার কোনো উদহারণ পাওয়াযায় না। //

    তা তো হবেই। কারন আপনি যে চাড্ডি সে তো আমি প্রথম দিনই ধরে ফেলেছিলাম। আমার আর্বান গুরুদেব তত্ত্বের (বাম+চাড্ডি=আর্বান গুরুদেব) আপনি হলেন এক বাস্তব উদাহরন। আর্বান গুরুদেব উৎপত্তি রহস্য লেখাটা আবার দিলাম। আজকের দিনে খুব দরকার। তাছাড়া সাম্যবাদ একটা বিজ্ঞান। আইডিয়াল সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা করা না গেলেও সমাজ তত্ত্বের কিছু বিষয়, যেগুলো সমাজে প্রয়োজনীয় সেগুলোর তত্ত্বায়নের স্বার্থে সাম্যবাদের অ্যাকাডেমিক স্টাডির দরকার আছে। যেমন শ্রমের মূল্য, চিন্তার মূল্য, পড়াশোনার মূল্য, গবেষণার মূল্য, ইত্যাদি। এগুলোর তত্ত্বায়ন না ঘটানো গেলে, শুধু সমাজ বিজ্ঞান নয় প্রকৃতি বিজ্ঞানও পিছিয়ে পড়বে। কারন পণ্য = প্রযুক্তি = বিজ্ঞান, এই ধারনার মাধ্যমে পুঁজিবাদী সমাজ সেই সমস্ত গবেষণাকে গ্রাহ্যই করবে না যে গবেষণাগুলো কোনো পণ্য উৎপাদন করতে পারে না। বা ভালো মুনাফা দিতে পারে না। আর এই পণ্য, মুনাফা ও কুসংস্কারের ফাঁকতালে ধর্ম ঢুকে পড়বে। আর এই রকম সমাজে কোনো আইনস্টাইন তৈরি হতে পারে না। সমাজ বিজ্ঞান ছেড়েই দিলাম। প্রকৃতি বিজ্ঞানের উপর মৌলিক গবেষণা করার জন্য ফান্ডিং পাওয়া যায় না। তাই মানব সমাজের অগ্রগতির স্বার্থে সাম্যবাদের তত্ত্বায়নের প্রয়োজন আছে।
     
  • তরমুজ | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১৩:৩৬557646
  • //এঁবং Sir এ নাম বাদ পড়া বা ট্রাইবুনাল অতি ধীর গতিতে এগোনো। এর সম্বন্ধেও কথা বলবেন।//
     
    কিছুদিন আগে শমীক ভট্টাচার্যের সুভাষ চন্দ্র সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করা। এবং তার কয়েকদিন আগে অরুনাচল প্রদেশের একটা লোকাল সংস্থা উনিজীর দপ্তরে রিপোর্ট করে যে চিন বেশ কিছুদিন ধরে অরুনাচল প্রদেশের ভেতরে ঢুকে বসে আছে। তার উত্তরে বলা হয় 'কোই নহি আয়া। কুছ নেহি হুয়া'। এবং তারপর থেকে ঐ অবস্থাতেই আছে। এর মধ্যে কিরেন ঋজিজু জানায় অরুনাচল প্রদেশের সীমান্তবর্তি এলাকায় বড় বড় রাস্তা তৈরি করা হবে। তার কিছুদিন আগে জাপান ভারত থেকে আম ইমপোর্ট বন্ধ করে বাংলাদেশ থেকে ইমপোর্ট শুরু করে। নেপাল ভারতের থেকে তেল আমদানি বন্ধের হুমকি দিতে থাকে। তার কিছুদিন আগে প.ব. বিধানসভা ভোটের আগে দিল্লিতে আর এস এস এর দপ্তরে চিন সরকারের একটা প্রতিনিধি দল এসে গোপন বৈঠক করে যায়। এটা রিপোর্ট হয়। খুব সমালোচনাও হয়। .... বিজেপি অপদার্থ হতে পারে। কিন্তু এত বোকা নয় যে সীমান্তবর্তি এলাকায় বড় বড় পাকা রাস্তা বানানোর অর্থ হল চিনের সুবিধা করে দেওয়া বা সুভাষচন্দ্র বসুর নামে খারাপ কথা বলার অর্থ হল বাঙালি আবেগে আঘাত করা। এটুকু জানে না। কিন্তু তারা পরের পর এই ধরনের কাজ করে যাচ্ছে। আর এর মধ্যে তসলিমা নাসরিনের ভারত আসা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
  • albert | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১২:৫৩557645
  • বাদ
    ব্যাড
  • albert banerjee | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১২:৫৩557644
  • এঁবং Sir এ নাম ব্যাড পড়া বা ট্রাইবুনাল অতি ধীর গতিতে এগোনো। এর সম্বন্ধেও কথা বলবেন।
  • albert banerjee | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১২:৪৭557643
  • তসলিমা নাসরীন, যিনি ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে তাঁর নারীবাদী লেখা এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির আপসহীন সমালোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেন, বাবরি-পরবর্তী বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের কাহিনী তুলে ধরা তাঁর উপন্যাস ‘লজ্জা’ প্রকাশের পর তাঁর মৃত্যুদণ্ডের সপক্ষে একাধিক ফতোয়া জারি হলে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যান।
    ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় এক দশক কাটানোর পর, তিনি ২০০৪ সালে ভারতে চলে আসেন এবং কলকাতাকে স্থায়ী আবাসস্থল করেন। বাংলাভাষী এই শহরটিকে তিনি নির্বাসনের পর খুঁজে পাওয়া তাঁর নিকটতম সাংস্কৃতিক আশ্রয়স্থল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
    ২০০৭ সালের নভেম্বরে সেই সম্পর্কটি আকস্মিকভাবে শেষ হয়ে যায়। তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘দ্বিখণ্ডিতা’-র অংশবিশেষ প্রকাশিত হওয়ায় মুসলিম সংগঠনগুলোর একাংশের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, যার চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে কলকাতার বিভিন্ন অংশে সহিংস বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে।
    ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার এরপর নাসরিনকে কলকাতা ছাড়তে বলে। তাঁকে প্রথমে জয়পুর এবং পরে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হয়, যেখানে তিনি প্রথমে গৃহবন্দী ছিলেন। অবশেষে কেন্দ্র থেকে তাঁকে একটি দীর্ঘমেয়াদী আবাসিক অনুমতিপত্র এবং একাধিকবার প্রবেশের ভিসা মঞ্জুর করা হয়।
    তসলীমা (anti-fundamentalist) একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসছেন। কিন্তু আরএসএস বা বিজেপি বা বজরং দল যারা মোটামুটি ঘোষিত ফান্ডামেন্টালিস্ট তাদের সম্পর্কে আশ্চর্য ভাবে নীরব।
  • albert banerjee | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১২:২৫557642
  • তসলিমা আসছেন ভালো আমি সাপোর্ট করি। ফিদা হুসেনের ছবি আবার প্রদর্শিত হোক তও দাবি করি। কুনাল কামরাকে বলতে দেওয়াহোক তাও দাবি জানালাম। গৌরী লঙ্কেশ, ফাদার স্ট্যান্ড স্বামী, এদের কথা ও হোক। সোশ্যাল মিডিয়া যে ভাবে ব্লক করছে তার বিরোধিতা করছি। আরো অনেক দাবি আছে। সব গুল না করে যদি তসলিমার আগমন কে নিয়ে বিজেপি নাচানাচি করে তা হলে তাদের হাতে বড়ো তামাক ছাড়া আর কিছু থাকবে না। এখানে একটা কথা বলার আছে নির্বাচিতা কলাম ছাড়া তসলিমার বাকি সব লেখা আমার ডাস্টবিনের যোগ্য মনে হয়েছে।
    তবে তিনি নিশ্চয় সাংবাদিক দের উত্তর দেবেন এবং "রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ" সম্পর্কে যা বলেছেন বা সেলিনা হোসেন সম্পর্কে তার উত্তর দেবেন।
  • | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১২:২৩557641
  • আর এইটা ভাজপার বেশ প্রিয় খেলা। তসলিমার বেলা বাংলা - বাঙালী তুলে ধরা হবে, যদিও উনি বাংলাদেশের কিন্তু ভোটের লাগি গ্রেটার বাংলাদেশ লোকের মাথায় গোঁজা হবে। তখন বাংলা - বাঙালি মুছে যাবে, বলা হবে ওসব হয়না, পঃবঃ আলাদা, বাংলাদেশ আলাদা, শ্যামাবাবু ছিলেন বলে পঃবঃ হয়েছে ইত্যাদি। নব্য পোগোতিশীলদের 'নারীমুক্তি' দেখালেই হল, ধেই ধেই করে ভাজপা এটা তো ভাল করেছে ইত্যাদি।
  • X | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১২:০৬557640
  • @মানালি - তসলিমা কে ডাকা টা ভালোই, তবে সম্ভবত অপটিক্স মাত্র - মানে বুদ্ধবাবু তাড়িয়েছিল, মমতা আসতে দেয়নি- আমরা দিলাম। কিন্তু তার মানে তো আর ভাজপা অসাম্প্রদায়িক হয়ে যাবে না - বা এথিয়িস্ট দের জন্য পরাণ কাঁদে এটাও বলা যাবেনা। তবু এটা ব‍্যক্তি তসলিমার জন‍্য ভালো তো বটেই- কারণ মৌলবাদের বিরুদ্ধে এক ইঞ্চি এগোলেও লাভ। তবে আমি তখনই বিশ্বাস করবো - যদি দেখি আবার জাভেদ আখতার, নাসিরুদ্দিন শাহ এর মতো লোকেরাও আসছেন।
     
    যা হোক। যেটা একটু ঠোক্কর খেলাম - "নারী" পড়লেই মনে হয় কেউ আঁট ঘাট বেঁধে রচনা লিখতে চলেছে- আর রচনা মানেই তো সেই রকম ধোঁয়া ধোঁয়া ব‍্যাপার।
     
    মানে একটা উনিশ কুড়ি বছরের মেয়ে এরকম ভাববেই বা কেন? মানুষ এর অধিকার এর থেকে জেন্ডার এজেন্ডা টা কেন আগে আসবে? বেশ একটু ব‍্যাকওয়ার্ড আর অকওয়ার্ড লাগলো
  • albert banerjee | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১২:০৬557639
  • // মানলে তাকে কার্ল পপার কথিত 'ফলসিফিকেশন' সূত্র দিয়ে যাচাই করতে হবে।
    অর্থাৎ পপার বলছেন বিজ্ঞানের সত্য হল কন্টিঞ্জেট ট্রুথ-- তা আগামীদিনে কোন নতুন এভিডেন্সের ভিত্তিতে সংশোধিত বা খারিজ হতে পারে। তা না হলে সেটা থিওরি বা স্পেকুলেশন মাত্র, বিজ্ঞান নয়।//yes
  • | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১১:৫৫557638
  • কে এক বুড়ো পেইন্টার যেন ছিল, দেশ থেকে তাড়ানো হয়েছিল ছবি আঁকার জন্য। গ্যালারি ভাঙতে যারা যাচ্ছিল তারা ওনার পাশ দিয়েই যাচ্ছিল কিন্তু তাকে চিনতও না। তো সে লোক অবশ্য 'মুসলমান' দেশে গিয়ে মরেছিল, ভারতে ফিরতেও পারেনি, এখনও প্রাইভেট একসিবিশন করতে গেলে গুণ্ডামি হয়। তসলিমা যত বাংলা - বাঙালি তার থেকে কম ভারতীয় - হিন্দুভাবের তিনি ছিলেন না বটে। পোগোতিশীলও ছিলেন, ক্যালকাটা ক্লাবে খালি পায়ে ঢুকতে গেছিলেন। আশা করি নতুন সরকার ওনার একটা একসিবিশন করবে (সেন্ত্রাল ফোর্স যখন আছেই) অথবা তসলিমা অন্তত ওনার কথাও বলবেন, বিঁভুইতে গিয়ে মরার কথা। না হলে দুয়ো প্রাপ্য হবে, এই যত সব মিশিয়ে ঘণ্ট করে লেখা বেরোবে এখন সেগুলোরও।
  • Manali Moulik | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১১:৫৪557637
  • বেশ তো। তবু যদি চিন যেনতেন প্রকারেণ ওই 0.005% শিক্ষিত লোকজনকে একটু জ্ঞানের আলো দেখাতে পারে চিরকৃতজ্ঞ থাকা উচিত।
  • albert banerjee | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১১:৫৪557636
  • আর সাম্যবাদ আমার মনে হয় আইডিয়াল গ্যাস বা আইসোলেটেড সিস্টেম এর মতো যার কোনো উদহারণ পাওয়াযায় না। কিন্তু একটা রেফ্রেরেন্স লেবেল হিসাবে কাজ করে। পরে এরর ফাংশন বের করলেই হয়।
    //তসলিমা নাসরিন ফিরছেন কলকাতায়//yes
  • তরমুজ | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১১:৪৩557635
  • তসলিমা ভারত বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সম্পর্কের বারোটা বাজাতে আসছে। এই কনট্রাক্ট ওকে দেওয়া হয়েছে। আর সেই সুযোগে চিন বাংলাদেশকে আরো বেশি প্রভাবিত করবে। অরুনাচলের ও অন্যান্য জায়গায় অনুপ্রবেশ ঘটাতে আরো সুবিধা হবে। বাংলাদেশে হিন্দুরা আরো বেশি ক্যালানি খাবে। সেই সুযোগে বিজেপি হিন্দু মুসলিম করে ভোট লড়বে। এখানে তসলিমা চিন ও বিজেপির ডবল এজেন্টের কন্ট্রাক্ট নিয়েছে।
  • তরমুজ | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১১:৩৬557634
  • //পদার্থ মাত্রেই চেতনাহীন তার চরিত্রের পরিবর্তন বিশেষ হয়না একারণেই হয়তো hard sciences বা natural sciences তার সত্য হয়তো ইউনিভার্সাল কিন্তু social sciences মূলতঃ মানুষকে নিয়েই হয় এবং মানুষের চরিত্র দেশকালে সততই পরিবর্তনশীল কাজেই social sciences এ ধ্রুব universal truth বলে কিছু হওয়া সম্ভব নয় l//
     
    মানুষ পদার্থ থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো বিষয় নয়। সমাজ বিজ্ঞান একটি বিজ্ঞান বলেই মানুষকে একটা শরীর হিসাবেই ধরে নেয়। যে শরীর পদার্থ দিয়ে তৈরি। গীতা বিজ্ঞান নয় বলেই সেখানে মানুষকে আত্মা হিসাবে ধরা হয়েছে। সমাজ বিজ্ঞানে উন্নয়ন বলতে যা বোঝায় সেগুলো সবই পদার্থ বিজ্ঞান নির্ভরশীল। যেমন রাস্তা, বাড়ি তৈরি করতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার লাগে। সমাজ বিজ্ঞানে রাস্তা, বাড়ি ঘরের, পদার্থ বিজ্ঞানের থেকে ভিন্ন কোনো ব্যখ্যা হয় না। পদার্থ বিদ্যার থেকে সমাজ বিদ্যা বেশি আপেক্ষিক বলেই সমাজ বিজ্ঞানের গাণিতিক প্রয়োগে ক্যালকুলাসের ব্যবহার বেশি। সুতরাং পদার্থ বিজ্ঞান ও সমাজ বিজ্ঞানের মেথডলজি ও আউটপুট আলাদা। কিন্তু কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়। পদার্থ বিজ্ঞানের মত সমাজ বিজ্ঞানেও সূত্র বিন্যাস সম্ভব। সমাজ বিজ্ঞান সাধারন মানুষের মধ্যে বৈজ্ঞানিক সচেতনতা বাড়ায়। পদার্থ বিজ্ঞান যার প্রয়োগ করে। কিন্তু বিশ্বাসের সাথে বিজ্ঞানের পার্থক্য এখানেই, বিশ্বাস প্রযুক্তির বিপক্ষে নয়। কারন প্রযুক্তি দৈহিক সুখের কারন। কিন্তু বিজ্ঞান মনস্কতা বা বিজ্ঞানবাদ মস্তিষ্কের সুখের কারন। কিন্তু বিশ্বাস, ধর্ম বা ঈশ্বরকে মস্তিষ্কের সুখের কারন বানাতে চায়। বা প্রযুক্তিকে তারা বস্তুগত সুযোগ সুবিধার জন্য ব্যবহার করলেও, তাদের চিন্তা ও দর্শনের ক্ষেত্রে তারা ধর্ম ও বিশ্বাসকেই মান্যতা দেয়। আর একারনেই সমাজ বিজ্ঞান কোনো বিশ্বাস বা ধর্ম নয়। পদার্থ বিজ্ঞানের মতোই সমাজ বিজ্ঞানও একটি বিজ্ঞান। এবং সমাজ বিজ্ঞানের বিজ্ঞান হয়ে ওঠাটাও জরুরী। নাহলে অবৈজ্ঞানিক কার্যকলাপ মানুষের মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করবে। এবং বিজ্ঞান বলতে যদি শুধু প্রযুক্তিকেই বোঝায়, তাহলে মানুষের চিন্তার জগতেও বৈজ্ঞানিক উদাহরনস্বরূপ কোনো পদার্থ বা পণ্যকে হাজির করতে হবে বিষয়কে প্রমান করার জন্য। সেক্ষেত্রে পদার্থের অপ্রতুলতা ছাড়াও পদার্থের ফ্লেক্সিবিলিটি কম থাকার জন্য বৈজ্ঞানিক ভাবে কোনো বিষয়কে প্রমান করার ক্ষেত্রেও অসুবিধার কারন হয়ে উঠতে পারে। সেই শূন্যস্থান পূরণ করে সমাজ বিজ্ঞান বা বিজ্ঞানবাদ বা বিজ্ঞান মনস্কতা। এই বিষয় নিয়ে একটা টইও খুলেছিলাম। ভাটে শেয়ার করেছিলাম। এক দু পেজ আগে গিয়ে দেখে নিতে পারেন। আশা করি বিষয়টা বোঝাতে পারলাম।
  • Manali Moulik | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১১:২৫557633
  • আমাকে চাড্ডি বলুন।
     
     
    তসলিমা নাসরিন ফিরছেন কলকাতায়। বিজেপির সমালোচক হয়েও এই পদক্ষেপটিকে অন্তর দিয়ে প্রশংসা করতে বাধ‍্য হচ্ছি। তসলিমা কে? কেন তিনি এতো বিরক্তি বা বিতর্ক উৎপাদন করেন? তার আগে বুঝতে হবে আমাদের কাছে নারী কে, এবং আমরা কারা? সোজা বাংলায় হিপোক্রিট। কমলকুমার থেকে সিলভিয়া প্লাথ নিয়ে কফি হাউসে বসে হ‍্যাজাই, তারপর প্রতিভার উজ্জ্বলতর প্রকাশ হিসাবে খালাসীটোলার নাম করি। সাহিত‍্য আমাদের কাছে ততক্ষণই আবেগময়, যতোক্ষণ তা সারস্বত গোসলখানায় পাপ ধুয়ে দিচ্ছে ও আধা-ইন্টেলেকচুয়াল প্রতিপন্ন করছে। আমরা আলজিভটা একটু মোচড় দিয়ে ইঞ্জিরিতে দু একটা শব্দ বলতে পারছি। জাঁ জেনে আর দেরিদা কোথায় পৃথক, বাৎস‍্যায়ন কেন নারীকে ব‍্যাখ‍্যাবদ্ধ করেছেন --- ইত‍্যাদি মুক্তকন্ঠে বলে পোগোতিশীল হতে পারছি, ঠিক ততক্ষণই। আমি লেখক। আমি শিল্পী। আমি পোগোতিশীল। তসলিমা কাউকে আঘাত করেছেন? প্রতারণা করেছেন? চুরি করেছেন না ডাকাতি? তাহলে কেন তিনি মুখ লুকিয়ে চলে যাবেন? না, তিনি এর কোনোটাই করেননি। তিনি কাউকে কষ্ট দিয়েছেন। ফোঁৎ! সে কষ্টে কেউ একদা রাগত হয়ে বায়না করেছিলো, "ততলিমার মাতার দাম কিন্তুক এইটে! ওকে তাড়িতি হবে!" আহা...আহা...কষ্ট কষ্ট! নয়ন ঢলঢল / সজল কালো জল / ঝরে লো ঝরো ঝরো! যাগ্গে, পুলিশ ও সেনা নাকি সামলাতে পারেনি সেদিন জনরোষ। তসলিমা কত্তো পাজি রে বাবা ! বাবুরা বেশ গপ্পো করতেন, অর্গানিজম আর অর্গাজ‍্যমের পার্থক‍্য বকতেন তাপ্পর বললেন, "" উউফফ! মেয়েমানুষের আবার এসব কেন? আমরা হলুম আলাদা মানে একটণুণ পতিভাবান আরকি...তা তুমিও লেখো টেখো...সে ঠীকাছে...কিন্তু আবার ওসব
    কেন? " সেসব ইমামি ডায়েটে যাদের অ‍্যাসিডিটি হয়েছিলো, তারাও ভোটের ফরচুনের কথা ভেবে সেটা গিলতে বাধ‍্য হয়েছিলেন। তাহলে ধর্মান্ধরা ঝামেলা করলে বা পরিস্থিতিকে ব‍্যবহার করলে সামনে থেকে গুলির যে জ‍্যোতির্ময় নির্দেশ দেওয়া ছিলো তা ম্লান হলো কেন? হুজুর-খেজুরদের গুজুরগুজুর না থামিয়ে, হাতকড়া না পরিয়ে, লেখিকাকে তাড়ানোর ব‍্যবস্থা কেন হলো? নাকি কলমের দিকে বুলেট পাঠানোটাই এঁয়াদের নিয়ম?সে 'তিমির বিদারণ' হোক বা 'নিশীথ বিতাড়ন'! তাই আজ গলা ফাটিয়ে যতই বলা হোক, আমাদের জ্ঞান আছে, শিক্ষা আছে, গোল গোল চশমা আছে...পিপল রিজেক্ট করসে ! মানবতাবাদ, নারীবাদ, মানবাধিকারকে বিকৃত ধর্মান্ধদের কাছে বলিদান করার ফলাফল সম্ভবতঃ এই ! যে কোনো কারোর ভালো কাজের প্রশংসা ও খারাপ কাজের সমালোচনা করা একটা সাংবিধানিক অধিকার। আর সেই অধিকারকে সামনে রেখেই এক অগ্নিশিখা চিরউন্নত শিরে প্রবেশ করুন বাঙালীর প্রিয় রবীন্দ্রসদনে। এটাই উচিত। এটাই প্রয়োজন ছিলো বহু আগে। শ্রদ্ধেয় জাভেদ আখতার স‍্যার কোনো সেমিনার অ‍্যাটেন্ড করতে এলে যদি কোনো অ‍্যাকাডেমী কান্না জোড়ে, "আমরা পচ্চন্দ করচি না।" সেটাকেও পাত্তা দেবার কোনো কারণ খুঁজে পাই না। খুব সচেতনভাবে যা যা প্রত‍‍্যাহার করা দরকার তা আঁকড়ে ধরে পশ্চিমবঙ্গের যে কাঁচা অম্বল হয়েছে, তার জন‍্য কিছু প্রতিক্রিয়া আজ দেখা যাচ্ছে। তবু আশা থাকেই..থেকেই যায়। সেটা নিয়েই বাঁচি।
  • albert banerjee | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১০:৪৬557632
  • আধুনিক ভারতের প্রেক্ষাপটে সাম্যবাদ ও সমাজতন্ত্রের প্রভাব একটি জটিল ও বহুস্তরীয় বিষয়। একদিকে যেমন এই দুটি মতবাদ ভারতের সংবিধান ও প্রাথমিক রাজনৈতিক দর্শনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে, অন্যদিকে বাস্তব রাজনীতি ও অর্থনৈতিক নীতি তাদের সাথে এক অদ্ভুত সম্পর্ক তৈরি করেছে। এই সম্পর্কটি বিশ্লেষণ করলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আসে—
    ১. সংবিধানে ‘সমাজতন্ত্র’: একটি নামগত আদর্শ?
    ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দটি যুক্ত হয় ১৯৭৬ সালের ৪২তম সংশোধনীর মাধ্যমে, যা জরুরি অবস্থার অন্ধকার সময়ে করা হয়েছিল। কিন্তু মূল সংবিধান রচনার সময়েই এই বিতর্কটি উপস্থিত ছিল। গণপরিষদের সদস্যেরা স্পষ্ট করেছিলেন যে, সংবিধান ‘অর্থনৈতিক গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে, কিন্তু ‘সমাজতন্ত্র’ বা ‘সাম্যবাদ’-এর মতো কোনো নির্দিষ্ট পথ বেছে নিচ্ছে না। অর্থাৎ, ভারতের সমাজতন্ত্র একটি ‘গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র’ (Democratic Socialism) —যেখানে মার্ক্সবাদ ও গান্ধীবাদের মিশ্রণ ঘটেছে এবং একটি ‘মিশ্র অর্থনীতি’ (Mixed Economy)-তে বিশ্বাস করা হয়, যেখানে সরকারি ও বেসরকারি খাত সহাবস্থান করবে।
    ২. নেহরুর সমাজতন্ত্র: স্বপ্ন বনাম বাস্তবতা
    ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ছিলেন সমাজতন্ত্রের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট। তিনি ‘অগ্রগামী সমাজতন্ত্র’ (Progressive Socialism)-এর পক্ষে ছিলেন এবং অর্থনীতির ‘কমান্ডিং হাইটস’-এ (যেমন ভারী শিল্প) রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ কামনা করতেন। কিন্তু তিনি স্পষ্টভাবে সাম্যবাদকে খারিজ করে দিয়েছিলেন, কারণ তিনি মনে করতেন ভারতীয় জাতীয়তাবাদের সঙ্গে সাম্যবাদীদের বিরোধিতা তাদের প্রভাবকে সীমিত করে রেখেছে।
    এর ফলশ্রুতিতে স্বাধীনতার পর তিন দশক ধরে ভারত একটি রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত, আমদানি-প্রতিস্থাপনকারী অর্থনীতি অনুসরণ করে, যা ‘সমাজতন্ত্রের’ ছায়ায় পরিচালিত হয়েছিল। ক্যাটো ইনস্টিটিউটের একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, এই নীতির ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ধীর (প্রায় ৩.৫%), এবং যদি সংস্কার এক দশক আগে শুরু হতো, তাহলে আরও লক্ষাধিক মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত ও শিক্ষিত হতে পারতেন।
    ৩. সাম্যবাদের রাজনৈতিক পতন: ক্রান্তিকালে বামপন্থা
    ঐতিহাসিকভাবে ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলন কেরল ও পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলোতে সফল হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ১৯৭৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ৩৪ বছরের দীর্ঘ শাসন এবং কেরলে বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত কমিউনিস্ট সরকার গঠন ছিল তাদের বড় অর্জন। তারা ভূমি সংস্কার, সমবায় গঠন এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।
    কিন্তু বর্তমানে ভারতের কমিউনিস্ট দলগুলি (সিপিআই ও সিপিএম) এক অস্তিত্ববাদী সংকট-এর মুখে। ২০০৪ সালে লোকসভায় তাদের ৫৩টি আসন থাকলেও, ২০২৪ সালে তা নেমে এসেছে মাত্র ৮টিতে, এবং ভোটের শতাংশও কমেছে। এর কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
    • বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট: সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বিশ্বব্যাপী সাম্যবাদের প্রতি আকর্ষণ কমেছে।
    • দার্শনিক অনমনীয়তা: তারা জাতীয়তাবাদ, জাতপাতের প্রশ্ন এবং আধুনিক চ্যালেঞ্জ (জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন-বিরোধী নীতি) মোকাবিলায় নতুন কোনো ভাবনা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছে।
    • অর্থনৈতিক নীতির ব্যর্থতা: পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়নে ব্যর্থতা, ট্রেড ইউনিয়নের অত্যাচার এবং রাজ্যের ডি-ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন তাদের জনপ্রিয়তা হারানোর অন্যতম কারণ।
    ৪. ১৯৯১-পরবর্তী ভারত: সমাজতন্ত্র থেকে ‘ব্যবসা-বান্ধব’ রাষ্ট্রে
    ১৯৯১ সালের অর্থনৈতিক সংস্কার ভারতের যাত্রাপথে এক বিরাট পরিবর্তন আনে। এটি ছিল মূলত সমাজতান্ত্রিক মডেল থেকে ‘ব্যবসা-বান্ধব’ (Pro-business) মডেলে রূপান্তর। রাষ্ট্রের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে বাজার ও বেসরকারি উদ্যোগকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। যদিও প্রস্তাবনায় ‘সমাজতন্ত্র’ শব্দটি রয়ে গেছে, নীতিগতভাবে ভারত একটি উদার অর্থনীতির দিকে এগিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক অটুল কোহলির মতে, এই পরিবর্তন ভারতের রাজনৈতিক অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
    এক কথায় বলা যেতে পারে
    আদর্শগতভাবে ভারতের সংবিধান ‘সমাজতন্ত্র’কে পাথেয় করলেও, বাস্তবে ভারত সমাজতন্ত্র ও পুঁজিবাদের একটি সংকর রূপ, যেখানে রাষ্ট্রের কল্যাণকর ভূমিকা থাকলেও অর্থনীতির চালিকাশক্তি হলো বাজার। অন্যদিকে, সাম্যবাদ আজ রাজনৈতিকভাবে প্রান্তিক হয়ে পড়েছে, তবে কেরল ও পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলিতে তার ঐতিহাসিক প্রভাব এখনও বর্তমান। নেহরুর ‘অগ্রগামী সমাজতন্ত্র’-এর স্বপ্ন বাস্তবায়িত না হলেও, ‘সামাজিক ন্যায়বিচার’ ও ‘অসমতা দূরীকরণের’ আদর্শটি এখনও ভারতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।
  • albert banerjee | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১০:৩৬557631
  • সাম্যবাদ ও সমাজতন্ত্র: পথ ও লক্ষ্যের পার্থক্য
    সাম্যবাদ ও সমাজতন্ত্র—দুটি মতবাদই পুঁজিবাদী শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। কিন্তু এই দুইয়ের মধ্যে গভীর দার্শনিক ও কৌশলগত ফারাক রয়েছে। কয়েকটি স্তরে এই দুই মতবাদের মূল পার্থক্য তুলে ধরা যেতে পারে—
    ১. লক্ষ্য ও চূড়ান্ত অবস্থান (Ultimate Goal):
    সমাজতন্ত্র চায় একটি ‘সামাজিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র’—যেখানে উৎপাদনের মাধ্যমগুলোর ওপর সরকারি বা সমবায় নিয়ন্ত্রণ থাকবে, কিন্তু ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও বাজার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হবে না। অন্যদিকে, সাম্যবাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ‘রাষ্ট্রহীন, শ্রেণীহীন’ সমাজ, যেখানে ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলতে কিছু থাকবে না এবং ‘প্রত্যেকে তার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করবে, প্রয়োজন অনুযায়ী পাবে’—এই নীতি চরমে পৌঁছবে।
    ২. পরিবর্তনের পথ (Means of Transformation):
    এখানেই দু’মতবাদের প্রধান সাংঘর্ষিক বিন্দু। সমাজতন্ত্র বিশ্বাস করে সংস্কারবাদী ও গণতান্ত্রিক পথে—ভোট, আইন, সংসদীয় প্রক্রিয়া ও ধীরে ধীরে সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে পরিবর্তন আনা সম্ভব। অন্যদিকে, সাম্যবাদ (বিশেষত মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ) ঘোষণা করে যে, পুঁজিবাদ কখনও স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছাড়বে না; তাই সর্বহারা শ্রেণির বিপ্লবসর্বহারা শ্রেণির একনায়কতন্ত্র (Dictatorship of the Proletariat)-ই একমাত্র পথ।
    ৩. শ্রেণি-সংগ্রাম বনাম শ্রেণি-সহযোগিতা (Class Struggle vs. Class Collaboration):
    সাম্যবাদ ইতিহাসকে চিহ্নিত করে শ্রেণি-সংগ্রামের লড়াই হিসেবে—ধনিক বনাম শ্রমিক, মালিক বনাম উৎপাদক। সমাজতন্ত্র কিন্তু এই দ্বন্দ্বকে চূড়ান্ত সত্য মানে না; বরং এটি বিশ্বাস করে যে, রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ, করনীতি ও কল্যাণমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করা সম্ভব।
    ৪. ব্যক্তিস্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের ভূমিকা (Individual Liberty & Role of State):
    সমাজতন্ত্র ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে চায়; রাষ্ট্র এখাবে ‘নাইটওয়াচম্যান’ নয়, বরং ‘কল্যাণকর্তা’—যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেয়। সাম্যবাদে রাষ্ট্র প্রথমে অত্যন্ত শক্তিশালী হয় (বিপ্লব-পরবর্তী পর্যায়ে), কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের বিলোপই তার ঘোষিত লক্ষ্য। কার্ল মার্ক্সের ভাষায়, “রাষ্ট্র হলো শোষক শ্রেণির নির্বাহী কমিটি”—যা শেষমেশ বিলীন হয়ে যাবে।
    ৫. বাস্তব জীবনের প্রয়োগ (Real-world Application):
    ঐতিহাসিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলি (সুইডেন, নরওয়ে) সমাজতন্ত্রের গণতান্ত্রিক রূপকে সফলভাবে বাস্তবায়িত করেছে—যেখানে উচ্চ কর, জনকল্যাণ ও বাজার অর্থনীতি সহাবস্থান করে। অন্যদিকে, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন বা কিউবার প্রাথমিক পর্ব সাম্যবাদের পথে হাঁটলেও, শেষ পর্যন্ত সেগুলি রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত পুঁজিবাদের সঙ্গে সাম্যবাদের মিশেল তৈরি করেছে—যা মার্ক্সের আদর্শ সাম্যবাদ ছিল না।
  • Dhuttor | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১০:২৩557630
  • @ তরমুজ, পদার্থ মাত্রেই চেতনাহীন তার চরিত্রের পরিবর্তন বিশেষ হয়না একারণেই হয়তো hard sciences বা natural sciences তার সত্য হয়তো ইউনিভার্সাল কিন্তু social sciences মূলতঃ মানুষকে নিয়েই হয় এবং মানুষের চরিত্র দেশকালে সততই পরিবর্তনশীল কাজেই social sciences এ ধ্রুব universal truth বলে কিছু হওয়া সম্ভব নয় l
  • তরমুজ | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১০:১৮557629
  • @x, যেহেতু সায়েন্স পদার্থ বিদ্যা নিয়ে কাজ করে। তাই এর আপেক্ষিকতা কম। কিন্তু সমাজ বিজ্ঞানের আপেক্ষিকতা বেশি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত