এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ১৭ জুলাই ২০২৬ ০২:৪২557688
  • সিঙ্গল পার্টি সিস্টেম হলে তো বিরোধী পক্ষের কেউ থাকে না, ফলতঃ পার্টি এবং সরকারের ক্ষমতায় কোনও ফারাক থাকে না।
    দ্বিতীয়ত যে থিয়োরিগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে, সেখানে করাপশন নামক একটি কম্পোনেন্ট কে আলোচনার বাইরে রাখা হয়েছে।
    অ‍্যাবসোলিউট সাম‍্যবাদ বলে কিছুই হয় না, কারণ মানুষ ভেড়ার পাল নয়।
  • ক্ষমতা | ১৭ জুলাই ২০২৬ ০২:৩৬557687
  • ---পার্টির হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভবন হওয়া
     
     
    এ জিনিস কেন হবে না সেটাই তো বোঝা যায় যায় না, সব ক্ষমতাবানদের তো আর নির্বাণ লাভ হয়ে যাবে না যে অর্থ ক্ষমতা ইত্যাদির লোভ থাকবে না!
  • Manali Moulik | ১৬ জুলাই ২০২৬ ২৩:৩৬557686
  • ৩ ইতিহাস ও রাজনীতিতে বলুন-- শ্রমিক শ্রেণীর একনায়কত্ব নামক সোনার পাথরবাটি কী জিনিস? কেন সবচেয়ে উন্নত পুঁজিবাদী দেশ আমেরিকা ইংলণ্ডে বিপ্লব না হয়ে পিছিয়ে থাকা কৃষি প্রধান দেশ রাশিয়ায় হল? অতি উৎপাদনের সমস্যা, রিজার্ভ আর্মি অফ লেবারের সমস্যা ইত্যাদি।
    রাশিয়ার মত সমাজতান্ত্রিক দেশে পুঁজির সামাজিকীকরণ হয়েছিল না রাষ্ট্রীয় করণ? শ্রমিকেরা পুঁজির (অর্থাৎ উৎপাদনের সাধন) মালিক হয়েছিল ? নাকি বিপ্লবের আগের অবস্থার মত ওয়েজ লেবার থেকে গেল?
     
     
     
     
    শ্রমিকের একনায়কত্ব তো তখনই আসবে যখন ক্ষমতা ও উৎপাদন শক্তি দুটোই যাবে তাদের হাতে। এখানে লেনিনের "imperialism : the highest stage of capitalism " গ্রহণযোগ‍্য। আমেরিকা বা ইংল‍্যন্ডের সর্ববৃহৎ উপনিবেশ ও পুঁজিবাদী কাঠামো থাকা সত্ত্বেও তারা সফল হয়েছিলো একটি "অনুগত - অভিজাত শ্রমিক শ্রেণী" তৈরী করতে। উদবৃত্ত মূল‍্যের সামান‍্য অংশ তাদের দিয়ে একটা স্তাবক শ্রেণী যারা বিপ্লব বা পরিবর্তন হতে দেবে না। তবে এরও সমালোচনা আছে। ডেভীড টমসন লেনিনের এই ধারণাকে হার্সলি ক্রিটিসাইজ করে বলছেন, ডেনমার্ক বা সুইডেনের তো কোনো উপনিবেশ ছিলো না বা খুব বড়োলোক দেশও তারা নয়। সেখানে তাহলে অনুগত শ্রমিক শ্রেণী গড়ে উঠলো কীকরে?
    স্বাস্থ‍্য, বীমা, শিক্ষা, সমবায়, ইত‍্যাদি আলতোভাবে দিয়ে যে আনুগত্য তৈরী করা সেটা 'বোনাপার্টিষ্ট ষ্টেট' (তৃতীয় নেপোলিয়ন দ্বারা অনুপ্রাণিত ) এর লক্ষণ বলা চলে। আসলে মূল উন্নয়ন কিছুই হয় না কেবল রিলেটিব অটোনমির একটু চালচলন বদলে দেওয়া। গ‍্যারি মিলল‍্যান্ড আর এরিখ হবসবমের সমালোচনা ও ব‍্যাখ‍্যামূলক কাজ আছে এটার উপর। সোভিয়েতের পতনের কারণ তো অবশ‍্যই পার্টির হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভবন হওয়া। তবে প্রথমে যা হয়েছিলো, সেটা অ‍্যাকশন ডগমার থেকে বেশী বলা চলে। লাতিন আমেরিকার দেশগুলি ন‍্যাশানালীজমের সঙ্গে সোশ‍্যালীজমে সংযুক্ত করে একটা নব‍্য-ধারণা তৈরী করেছে। এগুলো প্রতিটা দেশের ক্ষেত্রে পরিবর্তনশীল। তা অবশ‍্যই গ্রহণযোগ‍্য।
  • Manali Moulik | ১৬ জুলাই ২০২৬ ২৩:২০557685
  • //১ দর্শনে দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ!
    হেগেল আর ফয়েরবাখ, ইউনিটি অফ অপোজিট, নেগেশন অফ নেগেশন--খালি শব্দগুলো জানি।//
     
     
     
    রঞ্জন স‍্যার, দেখুন, হেগেল সম্পর্কে বাট্রান্ড রাসেল বলেছিলেন, "সহজ ভাষায় ফিলোসফিকে ব‍্যাখ‍্যা করা কেন ওনাকে কেউ শেখাতে পারেননি?" খুব সত‍্যি কথা। হেগেল বোঝা অতি দুঃসাধ‍্য। এবার মোটমাট কথা হলো জার্মানির ক্ষতবিক্ষত অবস্থা ও গঠনগত পরিবর্তন আনতে না পারা ফলে ইন্টেলিজেন্সিয়ার পতন ওনাকে ব‍্যথিত করেছিলো। তাই একটা ষ্ট্রং সেন্ট্রালাইজেশনের দিকে ওনার মন এগিয়ে চলেছিলো। এবার হেগেলের মূল বক্তব‍্য বা ডায়ালেক্টিকাল মেথড মার্কস গ্রহণ করেন। কিন্তু অপরদিকে মেটেরিয়ালিজম ওনার নিজস্ব তত্ত্ব। এখানে বক্তব্য হচ্ছে প্রতিটি বস্তুর মধ‍্যে দুটি বিপরীত সত্ত্বা কাজ করছে। সেই দুটি অপোজিশন যখন একত্রে আসে তার পরিণতি ঘটে উত্তরণের দিকে। এটা পরে জোসেফ ষ্টালিন বলেছিলেন রুশ বিপ্লবের ব‍্যাখ‍্যায়। যে যা যা জায়মানভাবে বেড়ে চলেছে, তা বৈপরীত‍্যকামী ক্ষয়িষ্ণুতার সঙ্গে সংঘর্ষে আসতে বাধ‍্য ও দুটির সংঘাত ঘটবে। তখন রাশিয়ায় ও সমগ্র ইউরোপে বেড়ে চলেছিলো শ্রমিক শ্রেণীর সংখ‍্যা, অসন্তুোষ ও জীবনযাপনের অবনমন। তাই ক্রমবর্ধমান শ্রমিকশ্রেণীর স্বার্থের সংঘাত দেখা যায়। নারদনিয়া ভলিয়‍্যা কিন্তু ব‍্যর্থ হয়। এর মানে এই নয় যে যারা সবচেয়ে গরীব তারাই বিপ্লবে জয়যুক্ত হবে। তাহলে তো ভিখারী বা ভবঘুরেরা আগে হওয়ার কথা। বৈপরীত্যযুক্ত ক্রমঅগ্রসর শ্রেণী এটা করে।
     
    হেগেলের তত্ত্বের মূল ধারণার একটা স্তম্ভ এই নেগেশন অফ নেগেশন। যেটিকে মার্কস তত্ত্বের ধারণায় ব‍্যবহার করেন। খুব সোজা কথায় একটা গাছের বীজ হতে পারে (থিসিস), বীজ অঙ্কুরিত হয়ে গাছ জন্মালো ও ফুল ফল ধরলো (অ‍্যান্টিথিসিস) ফল বিদীর্ণ হয়ে আবারনতুন বীজ পাওয়া গেলো (সিন্থেসিস) শ্রমের মূল‍্য থেকেই বর্তমান ক‍্যাপিটালিষ্ট সভ‍্যতার উন্নতি, কিন্তু সেখানে শ্রমিকের মূল‍্যহীনতা ও শোষণ অ‍্যান্টিথিসিস। যখন নতুন সমাজকাঠামোয় শ্রমিক তার যোগ‍্য মূল‍্য ও সম্মান পাবে সেটা হবে সিন্থেসিস। নেগেশন ইন নেগেশন খুব সহজ কথায় বলা যায়, অ‍্যালজেব্রায় (-) × (-) = (+) অথবা
    কাল আমার কলেজ যাওয়া হবে না। (আমি কলেজ যাবো না)
    কাল আমার কলেজ না যাওয়াটা হবে না। (অবশ‍্যই আমাকে কলেজ যেতে হবে)
    এখন হেগেলের চিন্তাধারার দুটি বিভাজন আছে, কনজারভেটিভ হেগেলিয়ান যথা ফয়েরবাখ ও র‍্যাডিকাল হেগেলিয়ান যথা মার্কস। ফয়েরবাখের বক্তব‍্য হিউম‍্যানিষ্ট, ইকোনমিস্ট ততোটা নয়। ধরুন 'এলিয়েনেশন' ব‍্যাপারটা। ফয়েরবাখ বলছেন যে যখন একটা মানুষ তার বাস্তব চাহিদা (অর্থনৈতিক, সামাজিক এগুলির ) পরিতৃপ্তি না পায়, সে নিজেকে বিছিন্ন করে ও কাল্পনিক ঈশ্বরে বিশ্বাস করে। এটি নিজের কাছ থেকে পালানোর পন্থা। মার্কসের ধর্ম ও ঈশ্বর বিষয়ে ধারণা সুবিশাল, সে আলোচনার সবটা আমার জানা নেই এখানে করছিও না। তবে একটা কথা বলবো, বাঙালিরা যে 'রিলিজীয়ন হচ্ছে অপিয়াম" বলে ছেড়ে দেয়, কথাটি কিন্তু ওইটুকু নয়।
    " Religion is the sigh of oppressed creatures, heart of the heartless condition, soul of the soulless condition and opium of the masses."
    আফিম তো নেশাদ্রব‍্য কেবল না। ব‍্যথা সারানোর ওষুধও বটে। ধরে নিন, এক কৃষকের স্ত্রীকে এলাকার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দাদারা তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করলো। পুলিশ অভিযোগ নিলো না। বললো, "প্রমাণ কী?"
    -- আমার ভাই নিজের চোখে দেখেছে।"
    তারা খিক করে হেসে বললো, "যদি বলি পয়সা দিয়েই করছিলাম? তোর ভাই দেখে ফেলায় বউ লজ্জা বাঁচাতে মিথ‍্যে বলেছে?"
    সে জানে কেউ নেই। কাউকে বলার নেই। পরিশ্রান্তদেহে একটু চৌধুরীবাড়ির কৃষ্ণমন্ডপে যাওয়া যাক। সব পাপ আর যন্ত্রণার বাইরে মনটা ঠাকুরের নাম শুনে শান্ত হবে। সেটাই কিন্তু আফিমের তাপহরণ গুণ। আর 'পুতুলনাচের ইতিকথায়' তো যাদব পন্ডিত ও ওনার স্ত্রীর আফিম খেয়ে স্বেচ্ছামৃত‍্যুর কেসটা শশী ডাক্তার বলেই বুঝতে পেরেছিলো। কিন্তু সিঁদুর মালা ঢাকঢোলের আফিমসম হট্টগোলের মধ‍্যে একা সে কিছুই করতে পারেনি। মানিকবাবু সত‍্যি আফিম আর ধর্মের আফিম মিলিয়েছেন এইভাবেই না?
  • Ranjan Roy | ১৬ জুলাই ২০২৬ ২২:১০557684
  • তরমুজ
     
    বেশ, আপনি মার্ক্সবাদ বোঝেন। বাঙালিরা বোঝে না। অবাঙালিরা বোঝে। বেশ।
    তা আমাদের একটু বোঝান না!
     
    ১ দর্শনে দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ!
    হেগেল আর ফয়েরবাখ, ইউনিটি অফ অপোজিট, নেগেশন অফ নেগেশন--খালি শব্দগুলো জানি।
    আপনি একটু বুঝিয়ে দিন।
    ২ ইকনমিক্সে সারপ্লাস ভ্যালু কী করে সৃষ্ট হয়। পুঁজির অর্গানিক কম্পোজিশন, প্রবলেম অফ ভ্যালু রিয়ালাইজেশন এগুলো বলুন। আর টেকনোলজির উন্নতিতে ক্যাপিটালে কী পরিবর্তন আসবে/ তাতে শ্রমিকের হাল কী হবে? একটু বলুন।
    ৩ ইতিহাস ও রাজনীতিতে বলুন-- শ্রমিক শ্রেণীর একনায়কত্ব নামক সোনার পাথরবাটি কী জিনিস? কেন সবচেয়ে উন্নত পুঁজিবাদী দেশ আমেরিকা ইংলণ্ডে বিপ্লব না হয়ে পিছিয়ে থাকা কৃষি প্রধান দেশ রাশিয়ায় হল? অতি উৎপাদনের সমস্যা, রিজার্ভ আর্মি অফ লেবারের সমস্যা ইত্যাদি।
    রাশিয়ার মত সমাজতান্ত্রিক দেশে পুঁজির সামাজিকীকরণ হয়েছিল না রাষ্ট্রীয় করণ? শ্রমিকেরা পুঁজির (অর্থাৎ উৎপাদনের সাধন) মালিক হয়েছিল ? নাকি বিপ্লবের আগের অবস্থার মত ওয়েজ লেবার থেকে গেল?
     
    ৪ আর কেন সাম্যবাদী রাজনীতি ক্ষমতায় না থাকলে মানবাধিকার, বহুত্ববাদ, মত প্রকাশের অধিকার এসব নিয়ে গলা ফাটায় আর ক্ষমতায় এলে জনগণের স্বার্থে এক রাষ্ট্র, এক পত্রিকা, একদলীয় রাজনীতির কথা বলে?
     
    লিস্ট যদি লম্বা হয়ে থাকে তাহলে একটা একটা করে একেক দিনে বলুন।
    সবাই শুনব।
     
    পালিয়ে যাবেন না।
  • কৌতূহলী | ১৬ জুলাই ২০২৬ ২২:০৩557683
  • তরমুজ | ১৬ জুলাই ২০২৬ ২০:৫১
    আমার তরফ থেকে অনুরোধ রইল, খেরোতে মার্ক্সবাদ নিয়ে লিখুন প্লিজ। লেখা বন্ধ করবেন না।
  • Manali Moulik | ১৬ জুলাই ২০২৬ ২১:০১557682
  • Game theory র কোন সহজপাচ্য বই pdfএর সন্ধান কেউ দিতে পারবেন?
     
     
    রবার্ট সিন্ডারের কি?
  • তরমুজ | ১৬ জুলাই ২০২৬ ২০:৫১557681
  • "@&, না ভাই চিন্তা কোরো না। গান আর গাইবো না। উলুবনে মুক্তো ছড়িয়ে লাভ নেই। ... বাঙালিরা শুধু মার্কসবাদ বোঝে না এটুকুই নয়। গণিত, বিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞান, অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সব বিষয়েই ড্যাশ। বিশ্লেষণ তো দূরের কথা। দেশে বিদেশে কোথায় কি ঘটছে। সেই নুন্যতম তথ্য গুলোও নেই। তবুও নিজেও বাঙালি তো, সেজন্যই একটু টান আছে। স্বভাষায় খিস্তি মারার মজাই আলাদা।
  • X | ১৬ জুলাই ২০২৬ ২০:৪৯557680
  • Game theory র কোন সহজপাচ্য বই pdfএর সন্ধান কেউ দিতে পারবেন?
  • “@& | ১৬ জুলাই ২০২৬ ২০:৩৬557679
  • তরমুজ এক্কেরে হযবরল র নেড়া র কপি পেস্ট। কেউ গাইতে বলেনি কিন্তু রোজ এসে 'না ভাই আমাকে গাইতে বোলো না, গাইতে বোলো না আমাকে ' বলে হ্যাজ নামানো চাই।
  • তরমুজ | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১৯:৫৯557678
  • বেশিরভাগ বাঙালি মার্কসবাদের ক্যাঁচকলাও বোঝে না। তার থেকে অবাঙালি ছাত্র ছাত্রীরা অনেক গভীরভাবে বোঝে। বিশেষ করে বর্তমান দিনে। তাই ফালতু আলোচনা করে লাভ নেই। টাইপ করতে কষ্ট হয়।
  • মস্তি | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১৯:৩৭557677
  • যাহা রাম তাহাই কৃষ্ণ। কিন্তু দুর্গাপুজোর ক্লাবগুলোর অনুদান আমরা এবছর পাবো না? পাবো না আমরা অনুদান?
  • Ranjan Roy | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১৯:৩০557676
  • তরমুজ
    দ্বন্দ্বমূলক বস্তুबाद ? সেটা কি জিনিস? মানে আপনার হিসেবে? या দিয়ে কাজ চলে যেত?
     
    আর स्टालिन এর সময়ে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে কী কী যুগান্তকারী আবিষ্কার হয়েছে একটু বলবেন?
    কারণ আপনি বলেন पूंजीवादी সমাজে আর আইনস্টাইন জন্ম নিতে পারে না বললেন তাই জিজ্ঞেস করি l
    কারণ উনি তো ওই সমাজ ব্যবস্থার ফসল l
    তাহলে আজ কেন নয়?
  • kk | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১৯:০৪557675
  • যাচ্চলে, রথের মধ্যে আবার শিরিরাম কোদ্দিয়ে আসে?!
  • গোবু | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১৮:৫৯557673
  • পাড়ার মোড়ে জগঝম্প বাজাচ্ছে ভোজপুরি টোন আর বাজনা সহযোগে, উপলক্ষ্য রথ যাত্রা। এদিকে ঝ্যায় সিরাম স্লোগান দিচ্ছে!
  • . | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১৬:৩৪557672
  • জয় জগবন্ধু
  • Manali Moulik | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১৬:২৭557671
  • শুভ রথযাত্রার প্রীতি ও শুভেচ্ছা সকলকে। জয় জগন্নাথ।
  • X | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১৪:০৮557670
  • @১২ঃ০৯ এর লিংক এর জন্য ধন্যবাদ albert - মোরিন নামের শূকরটা র জন‍্য
  • :{ | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১৩:২৫557669
  • albert banerjee | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১২:৪৩557668
  • পাস কি ঃ চো ায় চো ায় চো ায় চো ায় চো ায় চো ায় চো ায়
    kisscoolkiss
  • albert banerjee | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১২:৩৭557667
  • নিন বাপু তরমুজ আপনার পায়ে বল দিলাম
    না নিলে আর কি করবো
     
    _দন _দন সব কহে
    _দ সকে না কৈ
    _দনে কা যব বতক আয়া তো
    _ন্ড খাঁড়া না হোয়ই।
     
    পাস কি আসছে
  • albert banerjee | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১২:২৬557666
  • শান্তি আইন, ২০২৫ (SHANTI Act, 2025) বা পূর্ণাঙ্গ রূপ অনুযায়ী "The Sustainable Harnessing and Advancement of Nuclear Energy for Transforming India (SHANTI) Act, 2025"
     

    • পুরনো আইন বাতিল: নতুন এই আইনটি পূর্ববর্তী "অ্যাটমিক এনার্জি অ্যাক্ট, ১৯৬২" (Atomic Energy Act, 1962) এবং "সিভিল লায়াবিলিটি ফর নিউক্লিয়ার ড্যামেজ অ্যাক্ট, ২০১০" (Civil Liability for Nuclear Damage Act, 2010) আইন দুটিকে প্রতিস্থাপন ও রদ করেছে। [1, 2]
    • বেসরকারি ও যৌথ উদ্যোগ: আইনটি ভারতীয় বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে পারমাণবিক চুল্লি (Reactors) বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, মালিকানা ও পরিচালনার অনুমতি দেয়। এছাড়া সরকারের সাথে যৌথ উদ্যোগে সর্বোচ্চ ৪৯% সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (FDI) আনার সুযোগ রাখা হয়েছে। [, 2]
    • সরঞ্জাম উৎপাদনে জোয়ার: এই সংস্কারের ফলে টাটা পাওয়ার (Tata Power), আদানি পাওয়ার (Adani Power), এবং জিন্দাল নিউক্লিয়ারের (Jindal Nuclear) মতো বড় বড় বেসরকারি জায়ান্টরা এই খাতে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি টেমা ইন্ডিয়া (Tema India) বা ওয়ালচন্দনগর ইন্ডাস্ট্রিজের (Walchandnagar Industries) মতো দেশীয় সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো তাদের উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাপক হারে বাড়াচ্ছে। [1, 2]
    • কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ: বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরঞ্জাম তৈরির লাইসেন্স বেসরকারি খাতকে দেওয়া হলেও ইউরেনিয়াম বা থোরিয়াম খনি, জ্বালানি সমৃদ্ধকরণ (Enrichment) এবং পারমাণবিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো সম্পূর্ণভাবে সরকারি নিয়ন্ত্রণেই রাখা হয়েছে।
    কিন্তু যেখানে প্রশ্ন গুলো উঠছে

    সুরক্ষা ও দুর্ঘটনার দায়বদ্ধতা (Liability Rules) কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে

    SHANTI Act, 2025-এর অধীনে ভারতের পারমাণবিক খাতের সুরক্ষা ও দুর্ঘটনার দায়বদ্ধতা (Civil Liability) কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে, যেখানে ক্ষতিপূরণের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ এবং সরবরাহকারীর দায়মুক্তির মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমানো হয়েছে। [1, 2]
    নতুন আইনের প্রধান নিয়মগুলো নিচে দেওয়া হলো:

    ১. গ্রেডেড বা স্তরভিত্তিক অপারেটর দায়বদ্ধতা (Graded Liability Structure)
    কোনো পারমাণবিক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে প্ল্যান্ট পরিচালনাকারী সংস্থা বা অপারেটরের (Operator) আর্থিক দায়বদ্ধতার একটি সর্বোচ্চ সীমা বা ক্যাপ (Cap) নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। পূর্বের আইনের মতো এটি ঢালাও নয়, বরং বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়: [1, 2]
    • সর্বোচ্চ সীমা: ৩,৬০০ মেগাওয়াটের বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে অপারেটরের সর্বোচ্চ আর্থিক দায়বদ্ধতা ৩,০০০ কোটি টাকা (প্রায় ৩০০ মিলিয়ন SDR)। [1, 2]
    • সর্বনিম্ন সীমা: ১৫০ মেগাওয়াটের কম ক্ষমতাসম্পন্ন প্ল্যান্ট বা ছোট মডুলার রিয়্যাক্টরের (SMR) ক্ষেত্রে এই দায়ের সীমা সর্বনিম্ন ১০০ কোটি টাকা [1, 2]

    ২. নো-ফল্ট লায়াবিলিটি নীতি (No-Fault Liability)
    দুর্ঘটনার জন্য অপারেটরের কোনো গাফিলতি বা দোষ প্রমাণিত না হলেও, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রাথমিক দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে অপারেটরের ওপর বর্তাবে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ বা সন্ত্রাসী হামলার কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে অপারেটর এই দায় থেকে অব্যাহতি পেতে পারে। [, 2]

    ৩. সরবরাহকারীর দায়মুক্তি (Removal of Supplier Liability)
    বিদেশি এবং দেশি বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য এটি সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। নতুন আইনে পারমাণবিক চুল্লি বা যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী কোম্পানির (Supplier) ওপর থেকে স্বয়ংক্রিয় দায়বদ্ধতা বা 'রাইট অফ রিকোর্স' (Right of Recourse) নীতি বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, প্রযুক্তিগত কোনো ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনা ঘটলেও ভুক্তভোগীরা সরাসরি সরবরাহকারী কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে না, কেবল অপারেটরই দায়ী থাকবে। [1, 2]

    ৪. বাধ্যতামূলক পারমাণবিক বিমা (Mandatory Nuclear Insurance)
    যেকোনো বেসরকারি সংস্থাকে পারমাণবিক প্ল্যান্ট চালু করার আগেই সম্ভাব্য দুর্ঘটনা মোকাবিলার জন্য সমপরিমাণ অর্থের বাধ্যতামূলক বিমা (Insurance Policy) অথবা আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি প্ল্যান্টগুলোর ক্ষেত্রে অবশ্য এই বিমা বাধ্যতামূলক নয়। [1]

    ৫. অতিরিক্ত দায়ের ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা
    যদি কোনো বড় দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অপারেটরের নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার (যেমন ৩,০০০ কোটি টাকা) চেয়ে বেশি হয়, তবে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার বহন করবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক সহায়তা নিশ্চিত করতে ভারত ২০১৬ সাল থেকে 'কনভেনশন অন সাপ্লিমেন্টারি কমপেনসেশন ফর নিউক্লিয়ার ড্যামেজ' (CSC) চুক্তির অংশীদার, যা বৈশ্বিক তহবিল পাওয়ার পথ সুগম করে। [1]

    ৬. সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এবং আইনি ট্রাইব্যুনাল
    • দাবি পেশের সময়: পারমাণবিক দুর্ঘটনার ফলে সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির ক্ষেত্রে ১০ বছর এবং শারীরিক আঘাত বা অসুস্থতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ বছরের মধ্যে ক্ষতিপূরণের দাবি জানাতে হবে। [1]
    • বিশেষ আদালত: পারমাণবিক খাতের বিরোধ এবং দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি ডেডিকেটেড 'অ্যাটমিক ডিসপুটস ট্রাইব্যুনাল' (Atomic Disputes Tribunal) গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। [1]
  • albert banerjee | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১১:৪০557664
  • যেমন তরমুজ আপনি কোনো দিন সাম্যবাদী হতে পারবেন না। কারণ ধরি ................ আপনার ধারণাদিয়ে আপনি বিচার করতে চান। এইপুর্ব নির্ধারিত ধারণা গুলো আপনাকে প্রচলিত সমাজ থেকে বের হয়ে যাওয়াকে আটকাবে।
    Ce cochon de Morin[That Pig of a Morin] by Albert Guy de Maupassant
  • albert banerjee | ১৬ জুলাই ২০২৬ ১১:৩২557663
  • আচ্ছা কোনো সাম্যবাদী গোষ্ঠী বিবাহ নামক প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব রাখবে  কি রাখবে না? 
    কোনো সাম্যবাদী গোষ্ঠী কী কংজুগাল ​​​​​​​এজ ​​​​​​​ঠিক ​​​​​​​করতেপারে? 
    কোনো সাম্যবাদী গোষ্ঠী​​​​​​​তে ​​​​​​​কি ​​​​​​​গার্জিয়ান ​​​​​​​নেম এই ​​​​​​​কলাম ​​​​​​​টা ​​​​​​​রাখবে ​​​​​​​কি ​​​​​​​রাখবে ​​​​​​​না? 
    কোনো সাম্যবাদী গোষ্ঠী​​​​​​​তে ​​​​​​​কি ​​​​​​​মুদ্রা ​​​​​​​বলে ​​​​​​​কোনোবস্তু ​​​​​​​থাকবে ​​​​​​​কি ​​​​​​​থাকবে ​​​​​​​না? 
    কোনো সাম্যবাদী গোষ্ঠী কি ​​​​​​​অবাধ ​​​​​​​বাক ​​​​​​​স্বাধীনতা ​​​​​​​দেবে? [মা বোন তুলে গালাগালি পড়বেন ]
  • তরমুজ | ১৫ জুলাই ২০২৬ ২২:৪৮557662
  • আমি ভাবছি দেশে যখন এক বিপরীতমূখী হাওয়া চলছে। তখন প.ব. তে চাড্ডির সংখ্যা এত বাড়ছে কেন? আশে পাশের আবহাওয়া একটু গায়ে লাগার ফলে বুঝতে পারলাম। বেসরকারি স্কুল কলেজগুলোতে ট্রেনিং হচ্ছে।
  • তরমুজ | ১৫ জুলাই ২০২৬ ২২:১০557661
  • //আইনস্টাইন, হেগেল কান্ট, মার্ক্স, ব্রেখট সবাই পুঁজিবাদী সমাজে জন্মেছেন। নীলস বোর, ওপেনহাইমার এবং আজকের পদার্থ বিদ্যা, রসায়ন ও চিকিৎসাবিদ্যার যত কিছু যুগান্তকারী আবিষ্কার সব পুঁজিবাদী সমাজেই হয়েছে।//
     
    পুঁজিবাদ আছে বলেই সাম্যবাদের প্রয়োজন আছে। না হলে শুধু দ্বান্দ্বিক বস্তু বাদেই কাজ চলে যেত। সাম্যবাদের প্রয়োজন হোত না। আর কিছু ব্যতিক্রমি ব্যক্তিত্বকে বাদ দিয়ে। পৃথিবীতে কোন আবিষ্কার যুগান্তকারী মনে হয়? এত সব আবিষ্কার যদি যুগান্তকারীই হত, তাহলে এত দুঃখ দারিদ্র পৃথিবীতে থাকত না। বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার যুগান্তকারী মনে হয়। কারন ঐ আবিষ্কারের থেকে উন্নততর আবিষ্কার ঐ সময়ে উপস্থিত থাকে না। যেমন সাম্যবাদের আলোতেই পুঁজিবাদকে কলঙ্কিত মনে হয়। সাম্যবাদী ধ্যান ধারনা না থাকলে। পুঁজিবাদ হেব্বি শাইনিং। সেই শাইনিং আলোর পিছনে হয়ত বেশিরভাগ মানুষ অনাহারে আছে। কারন ঐ সময় দ্বিতীয় কোনো অপশন থাকে না। তাই সামনে যা থাকে সেটাকে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করা হয়। ..... যে ব্যবস্থা তার নাগরিকের 0.5% কেও গবেষণার কাজে লাগাতে পারে না। সেটা অন্তত কোনো বিজ্ঞান মনস্ক সমাজ হতে পারে না। 0.5% কেন? তার ধারে কাছেও নেই। আমার হিসাবে পুঁজিবাদী সমাজেই নুন্যতম 1% নাগরিককে গবেষণার কাজে লাগাতে হবে। আর সমাজতন্ত্রে 3% এবং সাম্যবাদী সমাজে 10%।
  • albert banerjee | ১৫ জুলাই ২০২৬ ২০:৪৫557659
  • আর সাম্যবাদ আমি দেখেছি। রেড লাইট জোনে। যেখানে সারারাতের চুক্তি করেও পুরুষটা কিছুক্ষণের জন্য ঘর ছেড়ে দেয়। ফ্লাইং কাস্টমারদের কাছ থেকে মেয়েটা কিছু ইনকাম করবে তার জন্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত