এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • যন্তর মন্তরে যা যা হচ্ছে | ২০ জুলাই ২০২৬ ০৪:৪২557778
  • Manali Moulik | ২০ জুলাই ২০২৬ ০০:৫৫557777
  • আহা, আটকে তো রাখা যাবে।
  • ক‍্যালিপসো | ১৯ জুলাই ২০২৬ ২১:৫৭557776
  • তাতে কি লাভ? মায়ায় ভুলিয়্ তো আর সত‍্যিকীরের ভালোবাসা হয় না। মোটামুটি একই গল্প সালিম সিনাই এরও - যখন জঙ্গলের মধ্যে আস্তে আস্তে তিন সৈনিক তিন সুন্দরীর সঙ্গে থাকতে থাকতে হঠাৎ একদিন দেখে য ট্রান্সপারেন্ট হয়ে যাচ্ছে
  • হেঁয়ালি | ১৯ জুলাই ২০২৬ ২১:৫৬557775
  • নোলানের ছবির ক্যারিয়ার গ্রাফ উত্তরোত্তর খারাপ হয়েছে। এটা দেখার কোনো আগ্রহই নেই।
  • Manali Moulik | ১৯ জুলাই ২০২৬ ২১:৩১557774
  • ক‍্যালিপসো | ১৯ জুলাই ২০২৬ ২০:৪১557769
     
     
    আমি অডিসি পড়েছি। সেদিন থেকে ভাবতাম আহা, ক‍্যালিপসোর মতো ক্ষমতা পেলে কী ভালোই না হতো! ওডিসিয়াসের মতো ধরাছোঁয়ার বাইরের কাউকে ওরকম বন্দী করে রাখতে পারতাম। আরেকজন গ্রিক দেবীকে হিংসা করি। তিনি চন্দ্রদেবী সিলোনি। অপরূপ এন্ডেমিয়নকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে ইচ্ছামতো চুম্বন করতেন। এসব পাওয়ারগুলো আজকাল আর পাওয়া যায় না?
  • ক‍্যালিপসো | ১৯ জুলাই ২০২৬ ২০:৪১557769
  • অডিসি দেখে এলাম - বেশ ভালো লাগলো যখন ক‍্যালিপ্সো সাত বছর ওডিসিয়াস কে লোটাস খাইয়ে ভুলিয়ে রেখেছিল- শেষে বলছে - "Lotus shrouds your mind" devil
  • Manali Moulik | ১৯ জুলাই ২০২৬ ১৩:২২557768
  • নীল রক্ত লাল হয়ে যায় ' ×××
     
     
    নীল রক্ত লাল হয়ে গেছে
  • Manali Moulik | ১৯ জুলাই ২০২৬ ১৩:২০557767
  • সুভো ঠাকুরের 'নীল রক্ত লাল হয়ে যায় ' বইটার পিডিএফ দিতে পারবেন কেউ?
  • X | ১৯ জুলাই ২০২৬ ১২:৪৯557764
  • কেউ দয়া করে বলুন এটা ফেক - আমি ভুল হলেই খুশি হবো
  • শ্রাবণী | ১৯ জুলাই ২০২৬ ১২:৩৯557763
  • ইসরোয় কী হচ্ছে? | ১৯ জুলাই ২০২৬ ১২:০১557762
  • ইসরো কি পরবর্তী বিএসএনএল হতে চলেছে? মহাকাশ জয়ের আড়ালে লুকানো ১২০ বিজ্ঞানীর গণ-ইস্তফার অজানা কাহিনী!
    - Rupali Roy

    মহাকাশ জয়ের উৎসব চলছে চারিদিকে। শঙ্খ বাজছে, ঢাক পড়ছে, দেশের সাফল্যে আমরা গর্বিত। কিন্তু এই চোখ ধাঁধানো উৎসবের আড়ালে আসল সত্যিটা কি? আমাদের মহাকাশ গবেষণার ভিতটাই কি আজ ভেতরে ভেতরে তিলে তিলে শেষ হয়ে যাচ্ছে?

    খবরটা অত্যন্ত উদ্বেগের। গত কয়েক মাসে দেশের গর্বের প্রতিষ্ঠান ইসরো থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ১২০ জন প্রথম সারির বিজ্ঞানী। এক দুজন নয়, ১৭-১৮ জন নয়, সংখ্যাটা ১২০। আর এরা কোনো সাধারণ স্তরের কর্মী বা শিক্ষানবিশ নন। এদের মধ্যে অনেকেই প্রজেক্ট ডিরেক্টর লেভেলের প্রধান। চন্দ্রযান থেকে গগনযান, যারা আমাদের মহাকাশ স্বপ্নের আসল কারিগর, তারাই আজ দলে দলে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।

    এই ঘটনাকে কোনো সাধারণ বদলি বা পদত্যাগ ভাবলে মস্ত বড় ভুল হবে। এদের জায়গায় চট করে কোনো ইন্টার্ন বসিয়ে দেওয়া যায় না। এরা একেকজন প্রতিষ্ঠানের স্তম্ভ।

    কে কে ছেড়ে যাচ্ছেন?

    পরিসংখ্যান তলিয়ে দেখলে চোখ কপালে উঠবে। বেঙ্গালুরুর ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার থেকেই নাকি প্রায় ৮০ জন বিজ্ঞানী ইস্তফা দিয়েছেন। আর আমাদের মহাকাশ বিজ্ঞানের জনক বিক্রম সারাভাইয়ের স্মৃতি বিজড়িত প্রতিষ্ঠান তিরুবনন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার থেকে চাকরি ছেড়েছেন অন্তত ২০ জন বিজ্ঞানী।

    কয়েকটা বড় নাম শুনলে মাথা ঘুরে যাবে। বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারের এলভিএম-৩ প্রজেক্টের প্রাক্তন প্রজেক্ট ডিরেক্টর ভেক্টর জোসেফ ইস্তফা দিয়েছেন। মহাকাশে দুটি উপগ্রহের সংযোগ বা স্পেস ডকিং এক্সপেরিমেন্ট, যা ভারতের আগামী মহাকাশ স্টেশনের জন্য অত্যন্ত জরুরি, সেই স্পেডেক্স প্রজেক্টের প্রধান আদিত্য রাধাপল্লী চাকরি ছেড়েছেন। আরও শুনবেন, চন্দ্রযান-৩ মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অত্যন্ত প্রতিভাবান এই তরুণ বিজ্ঞানী। চাঁদের মাটিতে ল্যান্ডিং সফল করতে যিনি এক লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় ২৫ টেরাবাইট ডেটা তৈরি করা দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তিনিও আজ প্রতিষ্ঠান ছেড়েছেন। নিজের জীবনের সেরা সময়টা দেশের বিজ্ঞান গবেষণায় উজাড় করে দিয়ে এই প্রতিভারা আজ বিদায় নিচ্ছেন।

    সরকারের প্রতিক্রিয়া এবং নতুন ফরমান

    অথচ ইসরোর চেয়ারম্যান ভি নারায়ণন টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে বলছেন, অনেকেই চাকরি ছাড়েন, এটা যেকোনো সংস্থাতেই স্বাভাবিক। আমরা শুধু গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো যাতে থমকে না যায় সেটা নিশ্চিত করতে চাইছি। কেউ চলে গেলে অন্য কেউ দায়িত্ব নেবে। আমরা পরিস্থিতি সামলে নিচ্ছি। সত্যিই কি পরিস্থিতি এতটা স্বাভাবিক? নাকি এটা ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা চলছে?

    অবস্থা এতটাই বেগতিক যে এখন সরকার নিয়ম কড়া করে এই দলবদল আটকানোর চেষ্টা করছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার বেড়ি পরিয়ে বিজ্ঞানীদের আটকে রাখার ফন্দি আঁটা হচ্ছে। ২০২০ সালের নিয়ম অনুযায়ী ক্লাস ওয়ান অফিসার বা বিজ্ঞানীদের প্রজেক্ট ডিরেক্টররা রিলিজ বা ভিআরএস দিতে পারতেন। আর এখন ১৪ই জুলাইয়ের নতুন চিঠিতে বলা হচ্ছে যে ক্লাস ওয়ান বা সমমর্যাদার অফিসারদের চাকরি ছাড়তে হলে সরাসরি মন্ত্রকের অনুমতি নিতে হবে। অর্থাৎ বিজ্ঞানী চাকরি ছাড়বেন হয়তো তিরুবনন্তপুরমে, আর ফাইনাল ছাড়পত্র আসবে দিল্লির ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস থেকে। এ তো সেই বন্দুকের নলের মুখে রেখে গবেষণা করানোর চেষ্টা।

    গ্রাম বাংলার একটা কথা আছে, জোর করে প্রেম হয় না। বিজ্ঞানীরা তো স্বাধীন চেতনার মানুষ। জোর খাটানো নিয়মের বেড়াজালে বেঁধে কি তাদের দিয়ে চন্দ্রযান বা গগনযান বানানো যাবে? জোর করে কি আর মহাকাশ জয় করা যায়? গবেষণা তো হুকুমের দাস নয়।

    কেন এই গণ-ইস্তফা?

    যে বিজ্ঞানীরা দিনের পর দিন এত শ্রম দিলেন, তারা কি কেবল টাকার লোভে চলে যাচ্ছেন? আসল সত্যিটা হয়তো আরও অনেক বেশি হতাশাজনক।

    প্রথমত, বিদেশের লোভনীয় প্যাকেজ বা বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলোর আকাশছোঁয়া বেতন একটা কারণ হতেই পারে। ইসরোর ভেতরে বেসরকারি বাণিজ্যিক স্পেসের তুলনায় ক্যারিয়ার গ্রাফের উন্নতি খুব সীমিত।

    দ্বিতীয়ত, জাতীয় প্রজেক্টগুলোর ডেডলাইনের মারাত্মক মানসিক চাপ।

    আর সবচেয়ে বড় খলনায়ক হলো আমলাতান্ত্রিক লাল ফিতের ফাঁস। বিজ্ঞানীদের স্বাধীনতায় যখন ফাইল সর্বস্ব আমলারা হস্তক্ষেপ করতে শুরু করেন, তখন দমবন্ধ হয়ে আসাটাই স্বাভাবিক। আমাদের দেশের আমলারা হলেন জ্যাক অফ অল ট্রেডস, মাস্টার অফ নান। অর্থাৎ সব বিষয়েই নাক গলাবেন, কিন্তু কোনো বিষয়ে তাদের গভীর দক্ষতা নেই। অথচ এই আমলাতন্ত্রের হাতেই আজ সঁপে দেওয়া হচ্ছে ইসরোর মতো অত্যন্ত জটিল এবং একেবারে মগজের তৈরি করা একটি বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানের চাবিকাঠি।

    ইসরোকে কি বিএসএনএল বানানোর নীল নকশা?

    এখানেই সবচেয়ে বড় আশঙ্কা দানা বাঁধছে। ইসরোকেও কি তবে শেষমেশ আর একটা বিএসএনএল-এ পরিণত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল? ঠিক যেভাবে একটা জাঁদরেল সরকারি সংস্থাকে ধুঁকিয়ে ধুঁকিয়ে মৃত্যুশয্যায় শুইয়ে তার সাজানো পরিকাঠামো তুলে দেওয়া হয়েছিল কোনো এক বিশেষ ঘনিষ্ঠ শেঠজির পকেটে।

    এই আশঙ্কা উস্কে দিচ্ছে দুটো মারাত্মক সরকারি সিদ্ধান্ত।

    প্রথমত, ২০১৫-১৬ সালের দিকে মহাকাশ ক্ষেত্রে যে লোকাল সোর্সিংয়ের কড়া নিয়ম ছিল, তা কিন্তু আস্তে আস্তে শিথিল করা হয়েছে। আগে স্টারলিংক বা ওয়ানওয়েবের মতো বিদেশি স্যাটেলাইট ইন্টারনেট অপারেটরদের জন্য স্থানীয় স্তরে যন্ত্রাংশ বা প্রযুক্তি কেনা বাধ্যতামূলক ছিল। আর এই লোকাল সোর্সিংয়ের বড় অংশটাই আসতো ইসরো বা তার সহযোগী দেশীয় স্টার্টআপগুলো থেকে। কিন্তু সেই নিয়মে ছাড় দিয়ে দেশীয় প্রযুক্তির বাজারকে এক ধাক্কায় খাদের কিনারে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। গত ২৫শে জুন রেড বক্স গ্লোবাল হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা একটি টুইটে বলা হচ্ছে, ভারত স্টারলিংক, ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েব এবং অ্যামাজন লিওর মতো বিশ্ববিখ্যাত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট অপারেটরদের জন্য প্রস্তাবিত ২০ শতাংশ দেশীয় সামগ্রী ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে। এটা কি দেশের মহাকাশ গবেষণার পিঠে প্রথম ছুরিমারা নয়?

    দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে মারাত্মক তথ্যটি এসেছে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে প্রকাশিত রিপোর্টে। এখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ভারত সরকার নাকি তাদের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং সফল রকেট পিএসএলভির প্রযুক্তি বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। বলা হচ্ছে লোকাল স্পেস ইন্ডাস্ট্রি বা দেশীয় বেসরকারি মহাকাশ শিল্পের বিকাশের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ। এখানেই প্রশ্ন, এই লোকাল ইন্ডাস্ট্রির আসল মালিক কারা? কোন কর্পোরেটদের সুবিধা করে দিতে এই তোড়জোড়? ইসরোর বিজ্ঞানীরা বছরের পর বছর ঘাম রক্ত এক করে যে পিএসএলভি বা মহাকাশ প্রযুক্তি গড়ে তুললেন, তা প্লেটে সাজিয়ে বেসরকারি কর্পোরেটদের হাতে তুলে দেওয়া হবে আর আমাদের বিজ্ঞানীদের কাজ হবে আমলাদের চোখ রাঙানি সহ্য করে সস্তা শ্রমিকের মতো খাটা। এই অপমানে, এই বঞ্চনায় দেশের সেরা মগজগুলো যদি আজ ইস্তফা দিয়ে চলে যায়, তবে তাদের কি দোষ দেওয়া যায়?

    শেষ কথা

    ইতিহাস সাক্ষী দেয়, বিজ্ঞান বিকশিত হয় এমন মুক্ত পরিবেশে যেখানে প্রতিভারা নিজের তাগিদে থাকতে চান। যেখানে বিজ্ঞানীদের মনে হয়, হ্যাঁ এটা আমার প্রতিষ্ঠান। যেখানে মন খুলে প্রশ্ন করা যায়, যেখানে তোষামোদ নয়, যোগ্যতা পুরস্কার পায়।

    একটা ছোট সংস্থাতেও যদি একসঙ্গে এত কর্মী চাকরি ছাড়েন, তবে বসের উচিত পুরো টিমকে নিয়ে বসা, তাদের সমস্যার কথা শোনা এবং তার সমাধান করা। কিন্তু আমাদের দেশে সমস্যার শিকড় না খুঁজে এক ঝটকায় নিয়ম বদলে দেওয়া হলো। আপনি গেট বন্ধ করতে পারেন, কিন্তু প্রতিভাকে কখনো বন্দী করে রাখা যায় না।

    মনে রাখবেন, বিজ্ঞানীদের মাটিতে মিশে যাওয়া মনোবল নিয়ে ভারত কোনোদিন মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে না। আজ যদি আমরা চুপ থাকি, তবে ২০৩০ সালের মধ্যে ইসরো শুধুই ইতিহাসের এক কঙ্কালসার ছায়ায় পরিণত হবে। এখনই সময়, মেকি দেশপ্রেমের বেলুন ফুটো করে কঠিন সত্যটাকে সামনে আনার।

    #ISRO #IndianSpaceResearch #SaveScience
  • xyz | ১৯ জুলাই ২০২৬ ১১:৩০557761
  • অনন্তগিরি অনুপগিরি
  • xyz | ১৯ জুলাই ২০২৬ ১১:১৭557760
  • নাগা আখড়ার কিসসা বম্বের আন্ডারওয়ার্ল্ডেরই মত প্রায়। ধীরেন্দ্র কুমার ঝা-য়ের ভালো কাজ আছে অযোধ্যার আখড়া নিয়ে। অ্যাসেটিক গেমস। আর, রাজেন্দ্রগিরি/অনন্তগিরি/উমরাওগিরির আমলের মার্সিনারি কিসসার পুরো ডিটেল রয়েছে উইলিয়াম ফিঞ্চের হিস্টরিতে। স্বয়ং স্যার যদুনাথও বেনারসের আখড়ার বায়না করা বইতে জমি-জায়গির-টাকাপয়সার জন্যে এদের মারামারি-কাটাকাটিগুলো বাদ দিতে পারেননি। ওইসব সনাতন ধর্মের রক্ষার্থে অস্ত্রধারণ ইত্যাদি প্লেইন গুল্প।
  • b | ১৯ জুলাই ২০২৬ ১০:৩২557759
  • অমোঘ লীলা বিবেকানন্দকে নিয়ে উল্টোপাল্টা বলে ছিলেন .
  • albert banerjee | ১৯ জুলাই ২০২৬ ০০:২৭557758
  • মাফ করবেন ওই সরল সাধাসিধা ভদ্রলোককে নিয়ে ভুল ভালকথা না বললে গালটা দিতাম না।
  • albert banerjee | ১৯ জুলাই ২০২৬ ০০:২২557757
  • দীপ চালান ভাই মুশকিল হচ্ছে আপনি মনুটাও পড়েন নি।
    অমোঘ লীলা বাঞ্চোদ এর নাম মনে আছে রামকৃষ্ণকে নিয়ে ভুলভাল বলেছিলো
  • হে হে | ১৯ জুলাই ২০২৬ ০০:০৯557756
  • সেকিবে চাড্ডির পো তিন বচ্ছর আগে ইস্কনের পিন্ডি চটকেছিলিস নিকি গপাস করে গিলে নিইছিলি? তিন বচ্ছরে ভরে ভরে সাইট নোংরা করে গেচিস একটা রা ও ত কাড়িস নি ইস্কন নিয়ে। তিন বচ্চরের নলচের আড়ালে কি আর তোর ওই ধামার মত পোঁদ ঢাকা পড়ে নিকি?
  • albert banerjee | ১৮ জুলাই ২০২৬ ২৩:৫৮557755
  • নিন এসে গেছে খুব মিস করছিলেন তো?
  • দীপ | ১৮ জুলাই ২০২৬ ২৩:৩১557754
  • এটা কয়েকবছর আগের ভিডিও।
    ঘাসপাতাখোর ছাগলটা এর মধ্যে পটল তুলেছে!
    অন্য রঙের ছাগলগুলো অবশ্য সেটাও জানেনা!
  • albert banerjee | ১৮ জুলাই ২০২৬ ২৩:২১557753
  • দিপচাড্ডি ওটাকে আপাতত একটা খেরো তে আটকে রেখেছি ও আমাকে বলেছে জামাতির চামচা আমি ভেন্ডির ভাই বলে আসছি।
  • হে হে | ১৮ জুলাই ২০২৬ ২৩:১০557752
  • দিপচাড্ডি মালটা ইস্কনের সাপোর্টে হ্যাজ পেস্ট করে নি এখনো? বাপশা মোনয় হোয়াটস্যাপ পাঠায় নি এখুনো।
  • albert banerjee | ১৮ জুলাই ২০২৬ ২০:৪৯557751
  • ১৮ জুলাই ২০২৬ ০৮:৫২
    পকসো তে রেট্রো মামলা করা যায়। খান দুইকে আমিও টানতে পারি। তবে বাদ দিন তারদের ও ইচ্ছা ছিলো। আমার ও। আর আমার কনসেন্ট কোনো গোষ্ঠী ঠিক করবে নাকি? গুরু হিসাবেই দেখি। ১২ বা ১৫ ইঞ্চি লম্বা পড়ে ফাস্ট্রেটেড তো হয় নি। আর বুঝে ছিলাম "প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গ মোর " কথা টার কত গভীর চেতনা।
    আজও একজনের সাথে প্রায় দেখা হয়। ভাই এর ভূমিকায় থাকি। তবে সে অঙ্কটা মারাত্বক বুজতো। ফিজিক্সটাও। মনে পড়ে আমি তার ঘরে Lady Chatterley's Lover পড়ছি। দরজা খোলা সে দরজার দিকে তাকিয়ে আছে। যাতে আমি বই টা পড়তে গিয়ে ধরা না খাই।
    এরগল্প শোনা
    আরেকজন শিখিয়েছে সোশিওলজি "ফিলোসপি অফ সোশিওলজি" ব্যাপক বুজতো।
  • albert banerjee | ১৮ জুলাই ২০২৬ ২০:১৫557750
  • নাগা সাধু দের কুম্ভে খুনোখুনি, কোন আখড়া টাকার ভাগ বেশি পাবে তাই নিয়ে।
    এক এক টা বাবাজি যা মেকাপ করেন বাবারে। কোন ব্যাটা বলুন তো লেবুর মালা গলায় পরে বসে থাকে।
  • হেঁয়ালি | ১৮ জুলাই ২০২৬ ১৯:৪৮557749
  • বৈষ্ণব শাক্ত আর ব্রাহ্ম মতবাদের মধ্যে ঝামেলা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত