এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ২১ জুলাই ২০২৬ ২১:২০557869
  • সাহায্য চাই!!
     
    শঙ্খ ঘোষের "কবিতার মুহুর্ত" বইটি আমাজনে পাওয়া যাছে না। কোন আর্কাইভ থেকে কি পিদিএফ ডাউনলোড করা যাবে?
  • | ২১ জুলাই ২০২৬ ২১:০৪557868
  • রেণুকা চৌধুরিকে বেধড়ক পিটিয়েছে।
    পুলিশ পেলেট গান ছুঁড়ছে।
  • ছবিগুলো দেখুন | ২১ জুলাই ২০২৬ ২০:৪২557867




  •  
  • তরমুজ | ২১ জুলাই ২০২৬ ২০:১৭557865
  • কিন্তু প.ব. এর মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আগামী 30 - 40 বছরই প.ব. তে থাকবেন। এটা মিলিয়ে নেবেন। আর গ্লোবাল সাউথ নিয়ে আমি অত ভাবি না। কারন ওটা আমার অথরিটির বাইরে। ভারত আমার অথরিটির ভেতরে। কিছু না করতে পারলেও, কিছু করার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারি। দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারি। সর্বপরি সমাজ কোনো জড় পদার্থ নয়, আশেপাশের দেশে যা হচ্ছে। ভারতেও তাই হবে, এটা অবৈজ্ঞানিক কথা। ভারতের মানুষ যা চাইবেন তাই হবে। এবং এখন ভারতের মানুষ বিজেপিকে তাড়াতে চাইছে। এবং সেটাই হবে।
  • তরমুজ | ২১ জুলাই ২০২৬ ২০:০৫557864
  • @ধুত্তর, মধ্যবিত্তের ভরকেন্দ্র নয়। ভারতের নাগরিকের ভরকেন্দ্র। আর ডবল ইঞ্জিনের ইকুয়েশন ভবিষ্যতে কি হতে চলেছে? সেটা অনেকেই বুঝতে পেরেছিল। কিন্তু প.ব. এর লোকেরা বুঝতে পারে নি। তারা তখন ফ্যাসিবাদী বিপ্লবে মেতে ছিল।
  • ছবিগুলো দেখুন | ২১ জুলাই ২০২৬ ২০:০১557863
  •  
    মেরে নাক ফাটিয়ে দিল নাকি!
     
    https://share.google/RJWGAoVq1hU8MhvSP
  • Dhuttor | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৯:৫৫557862
  • @ তরমুজ, বঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আগামী তিরিশ বছর গদীতে থেকে দেশ ও দশের উন্নতি করবেন ভেবেছিলেন, দিল্লি থেকে রাজকোষ উপচে পর্বে ভেবেছিলেন এখন কি হবে যদি দিল্লীর ডবল ইঞ্জিন উল্টে যায় !! কি হবে যদি এখন অভিষেক, দিদি আর বামেরা একজোটে রাস্তায় নামে !!!! ও মাই গুডনেস !!! মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে কেউ ভেবেছিলো এরকম হবে !!! অন এ সিরিয়াস নোট, বিশ্বায়ন পরবর্তী যুগে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মানুষের বিশেষ করে শহরের মধ্যবিত্ত মানুষের অবস্থা খুবই খারাপ l চাকরি নেই, মূল্যবৃদ্ধি আকাশ ছুঁচ্ছে, বিদেশেও কাজে পালিয়ে যাবার উপায় নেই মাঝখান থেকে ট্যাক্স দিতে গিয়ে অবস্থা আরো খারাপ l বাঁচবার জন্যে গ্লোবাল সাউথে এখন মধ্যবিত্তের সামনে রাস্তায় নামা ছাড়া উপায় নেই l কাঠমান্ডু, ঢাকা, কলম্বো, লাহোরের পরে দিল্লী এখন মধ্যবিত্তের প্রতিবাদের ভরকেন্দ্র l
  • বোঝ! | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৯:৩৯557861
  • এত্ত ভয়!
     
    রাহুল, প্রিয়াঙ্কা, অখিলেশকে তুলে আটক করে নিয়ে গেল!
  • তরমুজ | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৯:২৫557860
  • কংগ্রেস আজকে ঐতিহাসিক একুশে জুলাই পালন করেছে। কিন্তু দুর্নীতিগ্রস্থ তৃণমূলকে গোদি মিডিয়া খুব কায়দা করে তুলে ধরছে। বাঙালির এই বেশিবোঝা ভাবই আগামী 30 - 40 বছর প.ব. তে বিজেপিকে ধরে রাখবে। ঠিক আগের 34 বছরের মত।
     
    @ধুত্তর, চিন্তা করবেন না। আপনি যেটা ভাবছেন সেটা সঠিক। কিন্তু ভারতের মধ্যে একমাত্র প.ব. র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কেন্দ্রে ও বাকি রাজ্যগুলোতে সেই চিন্তা ভাবনার প্রতিফলন ঘটবে না। 2029 এর পর কেন্দ্রে বিজেপি থাকবে না। আর যদি চুরি চামারি করে থেকেও যায়। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের হাসিনার উদাহরন নিতে পারেন। ভারতের মানুষের মুড বদলে গেছে। তারা কি করবে সেটা ঠিক করে নিয়েছে। কিন্তু প.ব. এর গ্যারান্টি দিতে পারছি না। এছাড়া আরএসএস কি মনে করছে সেটা বড় কথা নয়। আরএসএস মনে করে মনুবাদের ফিরে আসা উচিৎ। বিজেপি মনে করে পুরো দেশটা সস্তায় বিক্রি করে দেওয়া উচিৎ। কিন্তু বিজেপির এই দোর্দন্ড প্রতাপ দশ বছরেও ততটা করতে পারে নি। সেটা ভারতের মানুষের জন্যই সম্ভব হয়েছে। সুতরাং কে কি চাইছে সেটা বড় কথা নয়। কি হচ্ছে? এবং কি হওয়া সম্ভব। সেটাই মূল বিষয়।
  • X | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৯:১৬557859
  • আরেসেসের এই দল অর্ধেক অশিক্ষিত বাকি অর্ধেক ডিগ্রিধারী মূর্খ
  • Dhuttor | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৯:০২557858
  • আরএসএসের লোকজন অন্তর্জালে বলে বেড়াচ্ছে যে গত আশি বছর দেশের কোন উন্নয়ন হয়নি এখন চীনের আদলে ওয়ান পার্টি স্টেট্ চাই আরএসএসের নেতৃত্ত্বে চরম উন্নয়নের জন্যে l যুবকসমাজ কেন রাস্তায় নামছে এব্যাপারে এরা শুধুই ভাবছে যে সবই বিদেশী চক্রান্ত এখন l এদের মতে সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সব ইয়ং ছেলেছোকরাগুলো বখে গিয়ে, স্কিলসেট ডেভেলপ না করে সিআইএ আর আইএসআই দ্বারা ব্রেনওয়াশড হয়ে রাস্তায় নামছে l এসবি হচ্ছে যখন আরএসএস তাদের স্বপ্নের ওয়ান পার্টি স্টেট বানাতে চলেছে l এ যেন রেইনিং অন the প্যারেডস l একটা প্রশ্নের উত্তরঃ আরএসএস দিচ্ছেনা যে IAC আর অভয়ার রাত দখলের লড়াই এর সময়ে ওরাই তো মানুষের রাস্তায় নামাকে সমর্থন করেছে তাহলে এখন সেই মানুষকেই এতো ভয় কিসের ?
  • অরিন | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৮:৪৮557857
  • শ্রাবণী, "যন্তর মন্তর আবার ভরে উঠছে। এটাই আমাদের দেশের লোক, যার বেশীরভাগই ভালো, এমপ‍্যাথেটিক, দিল্লি ও আশেপাশের লোকেরা ঘিরে আসছে।"
     
    এইটাই হবার কথা। রবীন্দ্রনাথের স্বদেশ পর্যায়ের গানের সেই লাইনগুলো মনে পড়িয়ে দেয়,

    "... চিরদিন টানবে পিছে, চিরদিন রাখবে নীচে--
    এত বল নাই রে তোমার, সবে না সেই টান ॥
    শাসনে যতই ঘেরো আছে বল দুর্বলেরও,
    হও-না যতই বড়ো আছেন ভগবান।
    আমাদের শক্তি মেরে তোরাও বাঁচবি নে রে,
    বোঝা তোর ভারী হলেই ডুববে তরীখান।
     
    তরী ডোবার সময় হয়েছে।
     
  • | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৮:৩৬557856
  • মুম্বাইতে প্রচুর কেস দিচ্ছে, ধরপাকড় করছে, সাধারণ মানুষকে, এবং ছোটদেরও !

    লোকে যদি এমএলএ এমপি কেনা নিয়ে প্রশ্ন করে !
  • X | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৭:৩৯557855
  • IIT Roorkee তে নোটিশ পড়েছে কেউযেন সি জে পি র পক্ষে বা সরকারের বিরুদ্ধে কোন পোস্ট না করে
  • | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৭:৩২557854
  • রা-গা ও কং এমপিরাই উনীজীর বাড়ির বাইরে বসে পড়েছে ! গভঃ মন্ত্রী পাঠিয়েছে বোঝাবার জন্য।

    গতকাল তো পার্লামেন্ট থেকে কখন একটা বারো গাড়ির কনভয় করে উনিজী পালিয়ে গেলেন, এবার কি পেছনের দরজা দিয়ে বেরোবেন ?

    দেখা যাক ! দেখা যাক ! কোনদিকে কী যায়।
  • শ্রাবণী | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৭:২৭557853
  • যন্তর মন্তর আবার ভরে উঠছে। এটাই আমাদের দেশের লোক, যার বেশীরভাগই ভালো, এমপ‍্যাথেটিক, দিল্লি ও আশেপাশের লোকেরা ঘিরে আসছে। কাল ছেলেমেয়েরা বন্ধুদের গ্রুপে বাড়িতে না বলে এসেছিল আজ বাবা মা সঙ্গে করে নিয়ে আসছে। কত লোক অন্য রাজ‍্যে বসে অন লাইনে খাবার অর্ডার করে যন্তর মন্তরে পাঠাচ্ছে। দিল্লি ও আশেপাশের ছেলেরা প্রটেস্টে লাঠি খাওয়ায় ভাব হওয়া বন্ধুদের রাতে বাড়ি নিয়ে গেছে।
    আমি এই পাঞ্জাব ইউ পি কে ছোট থেকে চিনি। অযোধ‍্যা র লোক ২০২৪ শে এদের জবাব দিয়েছিল ....ডিলিমিটেশন করলেও আমার ভরসা ইউ পিই ওদের শেষ করবে। বাংলায় এরা নর্থ ইন্ডিয়ার ভালো কিছু তো শেখেনি যত উল্টোপাল্টা জিনিস আমদানি করেছে।
  • তরমুজ | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৭:১৭557852
  • //এবং এর পিছনে জনগণের সেই একই স্বার্থগোষ্ঠি কাজ করেছে। যে স্বার্থগোষ্ঠি বামেদের 34 বছর প.ব. তে রেখেছিল।//
     
    এই স্বার্থগোষ্ঠি হল প.ব. এর বেশিবোঝা জনগণ। যারা প.ব. এর জনগণের একটা বড় অংশ। এদের মূল চিন্তা ভাবনা হল, বাকি ভারতের থেকে আলাদা কিছু করতে হবে। সেটা মার্কসবাদ না ফ্যাসিবাদ, তাতে এদের কিছু যায় আসে না। কিন্তু ব্যতিক্রমী হওয়াটা বাধ্যতামূলক। এবং যার আউটপুট সবসময় নেগেটিভ।
     
    //মমতার সভায় তুলনামূলক কম ভিড় হয়েছে।//
     
    কংগ্রেসের তুলনায় শুধু কম নয়। বেশ অনেকটাই কম হয়েছে। অনেক জায়গায় কংগ্রেস কর্মীদের সভায় যেতে দেওয়া হয়নি। অনেক জায়গায় মারধর করা হয়েছে। যেগুলো গোদি মিডিয়া চেপে গেছে। তবুও শহিদ মিনার ভরে গেছিল। এবং এর মধ্যে এলিট শ্রেণি থেকে শুরু করে গ্রামীণ গরীব শ্রেণির মানুষ, সংখ্যালঘু মানুষ, অবাঙালি মানুষ, সবাই ছিলেন। কিন্তু প.ব. এর বেশিবোঝা, বামপন্থী থেকে সদ্য ফ্যাসিস্ট হওয়া এলিট শ্রেণি এই উত্থানকে কতটা স্বাগত জানাবে। সেটা সন্দেহের বিষয়। না হলে কেন্দ্রে ও বাকি ভারতে আবার 30 - 40 বছরের জন্য কংগ্রেস শাসন ও প.ব. তে আরও 30 - 40 বছরের জন্য বিজেপির শাসন দেখতে হবে।
  • তরমুজ | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৬:১৩557851
  • //আর মমতার সভায়?//
     
    মমতার সভায় তুলনামূলক কম ভিড় হয়েছে। কারন ঐ জায়গাটা ছোট। কিন্তু এত বাধা দেওয়া সত্ত্বেও শহিদ মিনার ভরে গেছিল।
  • তরমুজ | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৬:১০557850
  • যদিও অনেক জায়গায় কর্মীরা সভায় আসার ক্ষেত্রে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। আর প.ব. এর গতি পশ্চাদমূখী। সারা দেশের থেকে বিপরীতমূখী হাওয়া পশ্চিমবঙ্গে। আখের রস খেয়ে ছিবড়েটা যখন ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তখন সেই ছিবড়েটা নিয়ে প.ব. এর লোকেরা নাচানাচি করছে। এর অর্থ কী? তথ্যের অভাব। প.ব. তে এর আগে যেমন রাজ্য সরকার কেন্দ্রের বিরোধী সরকার ছিল। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এবং এই ব্যতিক্রমি চরিত্রটা বিজেপি বুঝতে পেরেছে। তাই যাওয়ার মুহূর্তে প.ব. তে জাকিয়ে বসেছে। এবং এর পিছনে জনগণের সেই একই স্বার্থগোষ্ঠি কাজ করেছে। যে স্বার্থগোষ্ঠি বামেদের 34 বছর প.ব. তে রেখেছিল। দুটোই গণতন্ত্র বিরোধী দল। এবং চরিত্রগত দিক থেকে একই।
  • . | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৬:০৫557849
  • মমতার সভায় স্ট‍্যাম্পিড হবার মতো
  • কৌতূহলী | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৬:০১557848
  • আর মমতার সভায়?
  • তরমুজ | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৫:৫৩557847
  • শহিদ মিনারে কংগ্রেসের সভায় আজ রেকর্ড ভিড় হয়েছে।
  • শ্রাবণী | ২১ জুলাই ২০২৬ ১৪:২৩557846
  • উনিজী যাই বলুন তাই নাটক, মাঝে মাঝে তো মনে পুরো কনস্ট্রাক্ট টাই ফেক, ফ‍্যাসাড। উনি আসলে মুখোশ পিছনে মুখ অন‍্য কেউ বা কারা। বিজেপি কিছুই নিজেরা করবেনা সে ক‍্যাপা নেই, ওদের ক‍্যাডার বলতে তো বজরঙ্গ ভি এইচ পি আর নানা রকমের বানরসেনা, আর এস এসের। দলটার তো ৭৫% ই অন‍্য দল ভাঙানো। আসল শক্তি যারা তাদের এমনিতে তো ভারতের মতো ডাইভার্স দেশে কোনো গ্রহণযোগ‍্যতা নেই, আর রামমন্দির কান্ডের পর আরো স্বরুপ বেরোচ্ছে।
    সারা দেশের যখন মোহভঙ্গ হচ্ছে তখনই ওরা এই বাংলায় জাঁকিয়ে বসল। তিমূ কে এতদিন খুলা ছুট দিয়ে রেখেছিল, সিবিআই ইডি শুধু ধরি ধরি করে গেছে, শুধু এই দিনের জন‍্য যে লোকে বীতশ্রদ্ধ হয়ে নতুন দল কে আনবে। কাল যদি ডিলিমিটেশন হয়ে দেশ চিরতরে অন্ধকারে চলে যায় তার দায়ের একটা ভারী অংশ বাংলার ওপর বর্তাবে।
  • | ২১ জুলাই ২০২৬ ১২:৪১557845
  • https://indianexpress.com/article/india/pm-narendra-modi-nda-parliamentary-party-meeting-kiren-rijiju-neet-paper-leak-action-10796086/?ref=hometop_hp

    NDA মীটিং-এ উনিজী উবাচ, কিরণ রিজু মারফত।

    যেমন লিখলাম অভিনয় চলবে, দেখি সেটাই করে ফেলেছেন, "ধুরন্ধর আইনজীবিরা" পেপার লীকে যারা ধরা পড়েছে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করবে। সিনেমার লাইন চলে এসেছে। ধুরন্ধর উকিলদের বুদ্ধি দিচ্ছেন ধুরন্ধর পিএম, আইটি সেল কনটেন্ট পেয়ে গেল আজকের জন্য !

    চারপাশ সম্বন্ধে মানুষের ধারণা আর এদের মেক আপ দেওয়ার চেষ্টা, তফাতে তফাতে চলছে। ক্ষমতার মধ্যে গলা অবধি ঢুকে গেলে, এইরকমই হয়।
  • | ২১ জুলাই ২০২৬ ১২:৩২557844
  • গভর্নমেন্ট বলে একটি বস্তু আছে, আর কোরাপ্ট রেজিম বলে আর একটি বস্তু আছে। দ্বিতীয়টিতে প্রথমটির যা কাজ সেসবের কোন চিহ্ন থাকে না, ক্ষমতা দখল করে যাওয়া, ক্রমাগত ক্ষমতা বাড়িয়ে যাওয়াই কোরাপ্ট রেজিমের উদ্দেশ্য। ক্ষমতাকেন্দ্রগুলিকে দখল করাই লক্ষ্য। এসব কথা তো সবাই জানে বোঝে, যারা বোঝার, ভেতরে। সেগুলো কখনো গতকালের মত বেরিয়ে আসে। না হলে কী আর দেশের কোথা কোথা থেকে ছেলেমেয়েরা ট্রেন ধরে বাড়িতে বুঝিয়ে বা না জানিয়ে দিল্লী চলে আসে, রাস্তায় থাকার জন্য ? রাস্তায় কথা বলছে চারজন কম বয়সী মেয়ে, সিস্টেম যে পুরো কোরাপ্ট, ওপর থেকে নীচে অবধি, দু'বছর পরে কী হবে বোঝা যায় না, এইসব কথা তো রাস্তায় আছে, লোকের ভেতরে আছে। গণতান্ত্রিক দেশে যাবতীয় ব্যবস্থাকে দখল করলে, কমিশন থেকে কোর্ট থেকে মিডিয়া থেকে পুলিশ থেকে প্রশাসন, সবকিছু ম্যানিপুলেট করলে মানুষের ক্ষোভ তো সোজাসুজিভাবে বেরোবার পথ পায় না।

    এসবও তো জানা কথা।

    দুর্দিন, খুবই দুর্দিন এসে গেছে, আরো কী হবে জানা নেই। কারণ যারা ক্ষমতায়, তারা ঐ ম্যানিপুলেটই করবে বা কোন কোন সময়ে কিছু অভিনয়। মন্ত্রীর পদত্যাগ আদৌ তারা করাতে পারে না, কারণ একজন গেলে অন্যজনের দিকে নজর যাবে। কম মন্ত্রী তো লাইনে নেই।

    অথবা, কিছু করা বলতে এরকম, মলম লাগাবার চেষ্টাঃ

    During a crucial meeting of the National Democratic Alliance (NDA) at Parliament, sources said, PM Modi also suggested a national outreach among students on the issue, led by members of Parliament, and promised the strictest possible action against those involved in the NEET paper leaks.

    এই ব্যাপারে সারা দেশের দায়িত্ব আছে, এরকম সব কথা বলেছেন। কথা ঘোরানোর কথা সব।
  • X | ২১ জুলাই ২০২৬ ১২:১৮557843
  • টুইটারে দেখলাম ষোল সাতেরো বছরের বাচ্চা ছেলে মেয়ে গুলো মার খেয়ে হাত ফুলে গেছে- আর একটা ভিডিও তে দেখলাম পুলিশই পাথর ছুঁড়ছে। আবার বীর পুলিশ বাহিনী যখন দিনের শেষে ফিরছে ছেলেমেয়ে গুলো চারপশে স্লো ক্ল‍্যাপ করছে। আশ্চর্য দিন
  • শ্রাবণী | ২১ জুলাই ২০২৬ ১১:৫১557842
  • সোশ‍্যাল মিডিয়ায় বসে জ্ঞান দেওয়া আর নিত‍্য নতুন কনস্পিরেসি থিওরি খুঁজে বার করা খুবই সোজা। সিজেপি র মুখপাত্র রা নিজেরা কেন মার খেলোনা ইত‍্যাদি প্রশ্নে এই প্রোটেস্টকে লঘু করার চেষ্টা অত‍্যন্ত বিরক্তিকর।
    এরকম উপস্থিতি, এত লোকের, এটা একটা দুদিনের ভার্চুয়াল পার্টির পক্ষে করা সম্ভব নয়। এমনকি সবচেয়ে ধনী পার্টির মহামানবের র‍্যালিতেও আজকাল পয়সা দিয়েও লোক আনতে পারেনা।
    এরকম একটা অর্গানিক প্রটেস্ট দিল্লি কোনোদিন দেখেনি। অভিজিৎ আশুতোষ এরা যে কোনোদিন বিদেশে গিয়ে কেরিয়ার বানিয়ে সেটল করতে পারে, সৌরভ একজন প্রতিষ্ঠিত আইনী জার্নালিস্ট। তারা আপের সঙ্গে ছিল এককালে। তাতে কী? আপের সঙ্গে সেই আমলে প্রচুর শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা সেসময় আপের আন্দোলনে শামিল হয়েছিল, আপ কে চিরাচরিত রাজনৈতিক দলের থেকে আলাদা মনে করে।
    আন্দোলন কে করল, কারা এল, সেগুলোর থেকেও আজকে যা জরুরী তা হল কী কারণে আন্দোলন, একমাত্র সেজন‍্যেই এত লোক, এত ছেলেমেয়েরা কাল দিল্লি এসেছে, ইস‍‍্যু গুলো রিয়‍্যাল বলে।
     
    সারা দেশ জুড়ে শিক্ষা ব‍্যবস্থার যা হাল তা যদি আগের আমলে হত, তাহলে আমাদের মত সাধারণ মধ‍্যবিত্ত বাড়ির ছেলেমেয়েরাও কোনোদিন উঠে দাঁড়াতে পারতাম না। সরকারি স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে, মিড ডে মিল প্রকল্প ধ্বংস করছে, ইউজিসি নিট কলেজ এন্ট্রান্স সবেতে ঘাপলা।.... শিক্ষা ব‍্যবস্থা নিয়ে আন্দোলন অনেক আগে থেকেই হও‍য়া উচিত ছিল। সিজেপি এই শুরুটা তো করল। হিন্দু মুসলিম ধর্ম থেকে সরে এদেশে যে শিক্ষাও একটা ইস‍‍্যু হতে পারে হওয়া উচিত তা দেখিয়ে দিল।
    কালকে পুলিশের বর্বরতা, বাচ্চা ছেলেমেয়েদের প্রতি যে নিষ্ঠুর আচরণ তাতেই বোঝা যায় যে সরকার কতটা মরিয়া, কী পরিণাম দুর্নিতী চলছে শিক্ষাক্ষেত্রে।
    মার যারা খেয়েছে তারা বাচ্চা ছেলেমেয়ে, সীজনড প্রোটেস্টার বা পার্টির কর্মী রা জানে কী করে এগুলো এড়াতে হয়, কিন্ত এরা জানত না। ওয়াটার ক‍্যানন ছিল, তা না ব‍্যবহার করে প্রথমেই টিয়ার গ‍্যাস। তার কেমিকেল রিয়‍্যাকশন হয়ে গেছে লোকের হাতে। যারা হয়ত বাড়িতে বাবা মার হাতে মার খায়নি কখনো তারা এভাবে পুলিশের আর পুলিশ টিমের সাথে লুকানো আর এস এসের গুন্ডাদের হাতে নির্মম লাঠির বাড়ি খেলো।
    জাস্ট ধিক্কার ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই এই প্রশাসনের জন‍্যে। আর যারা এখন এই দুনিয়ার কনস্পিরেসি থিওরি কপচাতে আসবে তাদের জন‍্যে কিছুই বলার নেই।
  • প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ | ২১ জুলাই ২০২৬ ০৯:৪৪557841
  • সংসদ চলো র‌্যালি

    কুড়ি জুলাই। সকাল নটা। রিঙটোন ঘুম ভাঙালো। মম স্বামীনাথন ফোন করেছেন। বাস্তবিক, ঘন্টা তিনেক অঘোর ঘুমিয়েছি! হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে বুঝতেই পারছিলাম না, আমি কোথায়! তারপরেই বিদ্যুচ্চমকের মতো মনে পড়লো, সকাল নটায় শুরু হবে সেই র‌্যালি!

    অনেকটা পুলিশের মতো 'বুটজুতো পরেই শোয়া'--- ঠিক পাঁচ মিনিট লাগলো তল্পিতল্পাসহ লিফ্ট বেয়ে নেমে আসতে। সব বিল রাতেই মিটিয়ে দেওয়া। চেকআউট আর সেই সুহৃদ অটোভাইয়ের অটোতে চড়ে বসা।

    যন্তর মন্তরের অনেক আগে নেমে যেতে হল। ভিড়। শিরিষ গাছের ছায়ায় ছায়ায় রোদের তেজ বোঝা যাচ্ছে না। ছাত্রদের তেজও না। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, ভারহীন একদল তরুণ, হাসিমুখ, উৎসাহী। ওদের পায়ে পা মিলিয়ে মিছিলে এগিয়ে গেলাম। খুব বেশি এগিয়ে যাবার ইচ্ছে নেই ---- বিপদ দেখলেই সটকে যাব--- মনের গভীরের মনে তখনো এমনই একটা দোনোমনো ভাব।
    আর ভাবতে ভাবতেই দেখলাম, মিছিলের গভীরে ঢুকে গিয়েছি! অতল জলের টানে যেমন এগোয় বার্জ, ঠিক তেমন--- চারপাশের হাসিখুশি মুখগুলোয় এখন জেদী সংকল্প। উচ্চকিত শ্লোগানের ফুলকি উড়ছে।

    স্রোতের সঙ্গেই যেমন ছোট ছোট প্রতিস্রোত থাকে, যেমন ঘূর্ণি থাকে, তেমন রাস্তাজোড়া মহামিছিলেও রয়েছে ছোট বড় ধারাস্রোত, ঘূর্ণি। 'ভারতমাতা কি জয়'-এর সঙ্গে মিশে যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী 'ইস্তফা দো' পুকার।

    পাশ কাটিয়ে কাটিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।
    এটা মিছিলের শুরুর দিক। অসম্ভব সুশৃঙ্খল প্রত্যয়ী একটা ভিড়।
    'জিন্দাআআবাআআদ'---
    প্রথম ব্যারিকেড কাত হয়ে পড়ল। জাতীয় পতাকা হাতে উঠে দাঁড়াচ্ছ তরুণ তুর্কিদল। হলুদরঙা যন্ত্রাসুরকে মাড়িয়ে পাড়িয়ে শত শত যোদ্ধা যুবা মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে এগিয়ে যাচ্ছে। আমিও এগোচ্ছি। আমার পাশে পাশের মুখগুলো বদলে যাচ্ছে। কখনো তারই মধ্যে পথে বসে পড়ছে একদল ছাত্র। ক্লান্ত নয়। ওঁরা এবার গান গাইছেন। ভাষাটা হয়তো ঠিক হিন্দিও নয়, খানিকটা যেন পাঞ্জাবি গানের মতো--- হাত তালি দিয়ে দিয়ে, খুব রিদিমিক--- কেমন যেন ধিতাং ধিতাং বোলে--- কেউ কাউকে চেনে না, সুরে ছন্দে তালে গানের দুলুনিতে জানপয়ছান হয়ে যাচ্ছে বিলকুল!

    অদ্ভুত প্রাণবন্ত জমায়েত। স্বাস্থ্যবান হৃদয়বান ভিড়। কারো সঙ্গে কারো গা লেগে যাচ্ছে না। কেউ কারো পা মাড়িয়ে দিচ্ছে না। শত শত পদাতিক শুধু প্রদীপ্ত উপস্থিতি নিয়ে সোচ্চারে হাঁটছে। শারীরিক মানসিক অস্তিত্ব দিয়ে জানিয়ে দিচ্ছে, আছি আছি আছি!

    খানিক হাততালি দিয়ে, গানের ছন্দে কোমর দুলিয়ে পাশ দিয়ে আসা নতুন স্রোতে নিজেকে মিশিয়ে দিই। পায়ের গতি বাড়ে। গলার স্বর চড়ে। তারপর থমকে দাঁড়াই।
    ব্যারিকেড।

    পিঁপড়ের সারির মধ্যে আঙ্গুল দিলে পিঁপড়েরা যেমন ছড়িয়ে পড়ে, তেমনভাবে ছড়িয়ে গেলাম। খাকিজামা পুলিশ আর নীল উর্দি সেনা সংখ্যা হঠাৎই বেড়ে গিয়েছে অনেক। তবে ঢিলেঢালা হাবভাব।

    ভেঙে পড়ল ব্যারিকেড।
    একটার পর একটা।
    কানে আছড়ে পড়ছে শঙ্খনাদ শ্লোগান। চোয়াল বেয়ে ঘাম গড়াচ্ছে। গনগনে সূর্যতাপ। গনগনে মিছিল। অনন্তনাগ র‌্যালির লেজ মাথা দেখা যায় না। ঠিক কোথায় আছি আমি, শুরু না মধ্যে--- বোঝার আর উপায় নেই।

    গন্তব্যের কাছাকাছি হচ্ছি, বোঝার বাড়তি চেষ্টা করতে হচ্ছে না। আকাশ বাতাস পাতাল ফুঁড়ে উঠছে পুলিশ আর মিলিটারি। গাড়ির সংখ্যা বেড়েছে। 'রায়ট কন্ট্রোল ভেহিকেল' দাঁড়িয়ে আছে সার সার!
    বদলে যাচ্ছে আরক্ষা বাহিনীর মুখের চেহারা। জওয়ানদের দেখলে মনে হচ্ছে পাথুরে মূর্তি।

    র‌্যালি এগোচ্ছে দ্রুতগতিতে।
    হঠাৎ পাথর পড়ল।
    একটা। দুটো।
    তারপর পাথর বৃষ্টি।
    পুলিশ এলোপাতাড়ি পাথর ছুঁড়ছে! চুয়ান্ন বছর বয়সে এমন দৃশ্য প্রথমবার দেখা! ছত্রভঙ্গ ছাত্র। হতচকিত। হঠাৎ নৈঃশব্দ।
    তারপরেই সাদা চোঙা ফুঁকিয়ে স্বাস্থ্যবান ভারিক্কি পুলিশ বলল, "বিক্ষোভ মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে করুন"।
    কয়েক সেকেন্ড।

    একটা সুনামি ঢেউ ফুঁসে উঠে তীব্র নাদে ফেটে পড়ল। "জিন্দাআআআ বাআআদ"! তূর্যনাদ বিস্ফোরিত হয়ে ঢেউয়ের পর ঢেউ তুলে দিল ছড়িয়ে গেল। গতি বাড়ল মিছিলের। বাড়লো ক্ষুব্ধতা।

    হঠাৎই প্রশস্ত রাস্তা জুড়ে চলা মিছিলটায় একটা বাড়তি চাপ! গায়ের ওপর উঠে আসছে পুলিশ। নীল উর্দিরাও যেন কাছ ঘেঁষে! মানুষের শিকলের মধ্যে খাকি-নীল ছোপ ছোপ--- কেমন একটা অস্বস্তি---

    আমার পাশেই লুটিয়ে পড়ল দীর্ঘদেহী তরুণ। লাঠিচার্জ শুরু হয়েছে।

    রাণাপ্রতাপের দেওয়া প্রত্যেকটা প্লাস্টিকের বাটিতে হোটেলতুতো সহমর্মীরা বরফ জমিয়ে দিয়েছেন আমার অনুনয়ে। গরমে গলে গলে সেই বরফের সামান্যই আছে। উপুর করে, গামছায় মুড়ে বাচ্চার মাথায় দিলাম।

    তারপর হাতে হাতে তৈরি হওয়া স্ট্রেচারে তরুণ বাহিত হতে লাগল।

    বাচ্চার মাথাটি আমার হাতের উপর। আমরা উল্টোদিকে ছুটছি প্রায়। অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে আছে পর পর। কিন্তু কার নির্দেশে তার দরজা খুলবে, কোথা দিয়ে সেই গাড়ি বেরোবে, কিছু জানা নেই।

    এবার পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। পূর্ণোদ্যমে লাঠিচার্জ হচ্ছে। মিছিলের বাঁধন আলগা হয়ে গিয়েছে। বা প্রত্যয়ী মিছিল আরো সামনে এগিয়ে গিয়েছে, কিন্তু আমরা চলছি বিপ্রতীপে।

    সামনের আকাশটা ধোঁয়া ধোঁয়া সাদাটে। ঘাম পড়ছে টপটপ করে, চোখেও ধাঁধা লাগছে! ধোঁয়া, না মেঘ! অবিরাম শ্লোগানের মধ্যেই শুনতে পেলাম টিয়ার গ্যাস ছুঁড়েছে!

    না। মিছিল কিন্তু অনিঃশেষ অদম্য। তখনো মিছিল এগোচ্ছে। আমি, আমরা উল্টো করে সেই জনস্রোত পেরিয়ে হাঁটছি, বলা ভালো দৌড়চ্ছি। ফাঁকা জায়গা খুঁজছি, যেখানে আহত তরুণকে শোয়ানো যায়। ফাঁকা জায়গা পেতে পেতেই রক্তাক্ত আরো যোদ্ধা--- র‌্যালি তখন রণাঙ্গন।

    ফোঁটা ফোঁটা। তারপর ঝমঝম বৃষ্টি। হোওওও! আশির্বাদের মত বৃষ্টি পড়ছে। আকাশের অবিরল অশ্রূতে বিষাক্ত টিয়ার মিথ্যে হয়ে যাচ্ছে। আবার দশগুণ উৎসাহে এগিয়ে যাচ্ছে মিছিল।

    এবার আমি দর্শক।
    এমনিতেও আমি চাক্ষিক মাত্র। রূপকার নই।

    আজ এক অপরূপ রূপকথা-দিনকে চাক্ষুষ করে এলাম।

    ফিরে যাচ্ছি। সিপাহী বিদ্রোহের পথ দিয়ে, রাজধানী এক্সপ্রেসের আপার বার্থে শুয়ে লিখছি এই র‌্যালি-কথা। চোখে ভাসছে আহত যুবক মুখ, কানে এখনো মিছিলের বজ্রনির্ঘোষ, আর মনে তার অজগরী চলনরেখা।
    মন বিবশ। মন উচ্চকিত।
    গণতান্ত্রিক ভারত কি জাগলো? কখনো জাগবে?
    #শাশ্বতীদত্তরায়।
    ২১.০৭.২০২৬
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত