চিফ জাস্টিস কোর্টে কেস তুলতে দেয়নি, পুলিস অ্যাট্রোসিটির, বলেছে তাদের নাকি এত ভিডিও দেখার সময় নেই। পাপের সমস্ত ঘড়া পূর্ণ হওয়ার ইশারা।
বাচ্চাগুলো কেউ ফুল হাতে, একদল আবার পুলিশ মারতে আসায় জনগণমন গাইছে, কেউ তিরঙ্গা সামনে ধরছে, খুব জাতীয়তাবাদী সরকারের পুলিশ তো তাই ভাবছে যে তিরঙ্গা দেখে বা জাতীয় সঙ্গীত শুনলে আর এগোবে না। অন্ধ ভক্ত ছাড়া সবাই বুঝবে যে জাতীয় গান, বন্দেমাতরম, তিরঙ্গা এসব কোনো কিছুতেই এদের কোনো ভক্তি নেই, সব ভড়ং!
এক ইংরেজ বানিয়া ছিল, দুশ বছর ছিল, দেশ লুটেছে। এরাও তাদের উত্তরসূরি বানিয়ার দল।
এরা শুধু পয়সা আর বেচাকেনা বোঝে, পাওয়ারে থেকে সবরকম বদমায়েশী করবে শুধু একটাই উদ্দেশ্য ক্রোনি দের সুবিধের জন্য, সে গুলোও ওই বানিয়া।
বড়লোক মুসলিম দেশ, সেখানকার শেখকে দেখে দু হাত বাড়িয়ে হিন্দি সিনেমার হিরোয়িন মোডে জড়িয়ে ধরছে, তার রিল বানাচ্ছে। আর দেশের গরীব মুসলমানদের জিনা হারাম করে রেখেছে।
ছাত্রদের মুভমেন্ট কে চাইনিজ ফান্ডেড বলছে .....অথচ এর আমলে গত পাঁচ বছরে সবথেকে বেশী বানিজ্য হচ্ছে চীনের সঙ্গে, চীনের আগ্রাসন নিয়ে চুপ করে থাকে। যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিল তখনো ঘন ঘন চীনে যেত বলে শোনা যায়, পরের মাসে জিং পিং এলে আবার তাকে জড়িয়ে দোলায় দুলবে !
আর মানুষকে চীন সোরোস হিন্দু গোমাতা মুসলিম এসবে ব্যস্ত রেখে সব বেচে দেবে। আদানি ডিফেন্স স্কুল খুলছে, পাইলট ট্রেনিং খুলছে।.... সমস্ত ভালো ভালো ইনস্টিটিউট গুলোর মাথায় সিস্টেমিকালি মিডিওকার সংঘী দের বসিয়েছে বরবাদ করতে। ২০২৯ শে যদি বিদেয়ও হয় এরা তাহলেও একটা ব্রোকেন অসুস্থ দেশ রেখে যাবে যা রিপেয়ার অন্তত শীগগির আর হবেনা।
একটা ভালো হচ্ছে যে আজকের জেনারেশন এদের স্বরূপ প্রথম থেকেই দেখে নিচ্ছে।