এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • গোর্খাল্যান্ড ???

    Ananyo
    অন্যান্য | ০৪ আগস্ট ২০১৩ | ৪০৩৯২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • lcm | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১০:৪১616509
  • টি-শার্ট কোম্পানীগুলো এসবের জন্যে দায়ী। আর দায়ী ম্যাসাজ পার্লার।
  • cm | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১১:৪৪616510
  • এ হল অ্যাটেনশন ডাইভার্ট করার খেলা। আমার সাধ্যে কুলোলে পশ্চিমবঙ্গের নাম গোর্খাল্যান্ড করে দিতাম। তাহলে বি গু কি বলবেন সেটাই দেখার।
  • lcm | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১১:৫০616511
  • বিগু=বিমল গুরুং ?
  • দেব | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:০৬616512
  • @ পিটি
    স্বাধীন হয়ে ভারতেরও তো তেমন কিছু উন্নতি হয় নি তো স্বাধীন হয়ে লাভ কি হল এর উত্তরটা তো পেলাম না।

    আপনার পয়েন্ট এই যে আলাদা হলেই যে উন্নতি হবে এর কোন গ্যারান্টি নেই এই তো? সে আপনার পোষ্টের উত্তরেই লিখেছিলাম হয় অসাম্য দূর করুন আর নয়তো রাজ্যভাগ মেনে নিন। এবার আপনি নিশ্চয়ই মানবেন যে গোর্খাদের মূলস্রোতে সামিল করার জন্য শাসক বাঙ্গালী ইনফাইনাইট পরিমাণ সময় পাবে না। একটা নির্দিষ্ট পিরিয়ডের মধ্যে যদি হয় তো ভাল আর না হলে লেট দেম গো।

    এরপরে গোর্খারা ক্ষমতায় এসে উন্নতি কি করবে কি করবে না সেটা নিয়ে কৈফিয়ত চাওয়ার কোন অধিকার বাঙ্গালীর নেই (আন্ডারলাইন) ঠিক যেমন ভারত স্বাধীন হওয়ার পরও উন্নতি করতে না পারলেও কোন ব্রিটিশের অধিকার নেই সেটা নিয়ে ভাষণ দেওয়ার।
  • দেব | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:০৮616513
  • @সিএম

    "পশ্চিমবঙ্গে থেকে যদি গোর্খাদের বিকাশ না হয় তাহলে গোর্খাল্যন্ডে থেকে বাঙালীদের বিকাশ কি করে হবে সেটা কেউ একটু বুঝিয়ে দেবেন?"

    গোর্খাল্যান্ডের বাঙালীদের বিকাশ ততটাই হবে যতটা পশ্চিমবঙ্গে বাকি থেকে যাওয়া গোর্খাদের হবে।
  • Norwegian Ridgeback | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:১২616514
  • "গোর্খাল্যান্ডের বাঙালীদের বিকাশ ততটাই হবে যতটা পশ্চিমবঙ্গে বাকি থেকে যাওয়া গোর্খাদের হবে"

    কনফিউজ করে দিলেন। এর মানে কি এইটে দাঁড়ায় যে পঃবঃ উন্নত হলে বাকি থেকে যাওয়া গোর্খাদেরও বিকাশ হবে?
  • de | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:২১616515
  • ক্ষী সব কথা!!

    " গোর্খারা ক্ষমতায় এসে উন্নতি কি করবে কি করবে না সেটা নিয়ে কৈফিয়ত চাওয়ার কোন অধিকার বাঙ্গালীর নেই "

    নিশ্চয়ই আছে, শুধু বাঙালীর কেন বিহারী, পাঞ্জাবী, মারাঠী সব ভারতীয়ের অধিকার আছে কৈফিয়ত চাওয়ার। গোর্খাস্তান নামে আলাদা দেশ করে বেরিয়ে না গেলে সবার অধিকার আছে জানতে চাওয়ার। পঃবঃ তে থেকে গেলেই বা বিকাশের এতো কি অসুবিধে হবে সেটাও জানতে চাওয়ার অধিকার আছে। জাতিসত্ত্বার নামে হুটহাট মানুষ খেপিয়ে তুললেই তো আর হয় না, ভবিষ্যতের পরিকল্পনাটাও ঠিকঠাক সাজিয়ে সবার কাছে পেশ করা দরকার।
  • PT | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৪১616516
  • @deb

    ভারত স্বাধীন হতই-সেটা আমাদের চাওয়া না চাওয়ার চাইতেও ছিবড়ে হয়ে যাওয়া একটা দেশকে কিসের জন্য ব্রিটেন দখলে রাখবে-অথবা WWII-র পরে ব্রিটেনের ভারতকে দখলে রাখার সেই ক্ষমতা ছিল কিনা সেই বিষয়্টা বোধহয় বেশী জরুরী ছিল। তবে আমার বাল্যে বা কৈশোরে অনেক বয়স্ক মানুষকেই বলতে শুনেছি যে তাঁরা ইংরেজ আমলেই বেশী "ভাল" ছিলেন!!

    "আলাদা হলেই যে উন্নতি হবে এর কোন গ্যারান্টি নেই"-এটা আমার শুধু কথা নয়। গোর্খাল্যান্ডের সমর্থক কল্লোলদাও (তাই তো? না হলে ক্ষমা) তো সেই রকমই বললেন।

    "হয় অসাম্য দূর করুন আর নয়তো রাজ্যভাগ মেনে নিন"
    সেই জন্যেই জানতে চাইছি বার বার যে বাংলা থেকে বেরিয়ে গিয়েও বিহার আর উড়িষ্যার কেন উন্নতি হয়নি কেন। আমরা তো তাত্বিক আলোচনা করছি তাই নানবিধ সংশয়ের উত্তর খুঁজছি। তবে আপনি যদি কামদুনি স্টাইলে বলেন-চো-ও-ও-প!! -"এরপরে গোর্খারা ক্ষমতায় এসে উন্নতি কি করবে কি করবে না সেটা নিয়ে কৈফিয়ত চাওয়ার কোন অধিকার বাঙ্গালীর নেই" তাহলে আমি নাচার। কেননা এটা কোন আলোচনার পদ্ধতি হতে পারে না।

    তবে কেউ যদি ইংরেজদের ভারত ছাড়া আর পব কেটে গোর্খাল্যান্ডের সৃষ্টি একই মাপকাঠিতে মাপে তাহলে তাকে যে প্রচুর কনভল্যুটেড যুক্তিবিন্যাস ব্যবহার করতে হবে সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।
  • দেব | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৪৯616517
  • @আকা
    ধর্মের জন্য ডাবল স্ট্যাণ্ডার্ড কারণ ধর্মের নামে ভাগাভাগি অলরেডি একবার হয়েছে। কোটা শেষ।

    @নরউইজিয়ান
    কনফিউজ হবার কি আছে? বিকাশের ভাগ পাওয়াই তো উচিত।

    @দে
    আবার সেই হাইপারবোল। গোর্খাল্যান্ড ছেড়ে দেওয়ার পর উপদেশ দিন না দিন, "আলাদা হলেই উন্নতি হবে না অতএব আলাদা রাজ্য দিয়ে কি হবে" এই যুক্তিটা বারবার শুনছি। সেটাতেই আপত্তি।
  • lcm | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৫২616519
  • না, না, ধম্মের ভাগ শেষ হয় নি। কাশ্মীর ঝুলে আছে।
  • dd | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৫৫616520
  • না না কোটা শেষ হয় নি। খলিস্তান তো সেদিনের কথা। আবার রিভাইভ করানোই যায়। সমগ্র ভারোতবাসী চরোম তাচ্ছিল্ল্য ভরে শিখদের "সর্দার্জী" বলে ডাকতো, অসম্ভব বাজে সব সর্দারজী জোক চালু ছিলো। কম ডিস্ক্রিমিনেশন হয়েছে পাঞ্জাবে? একটা বড়ো ইন্ডাস্ট্রী নেই কোথ্থাও। অনেকানেক লোক মারা গেছে। তা বলে কোটা শেষ বলে ঝাঁপ বন্ধো করে দেওয়া তো চলবে না।

    মুসলিমদের জন্য ইয়েস, শিখদের জন্য এখনো দোকান খোলা রাখতেই হবে।
  • দেব | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৫৭616521
  • @পিটি
    স্বাধীন হয়ে ভারতেরও তো তেমন কিছু উন্নতি হয় নি তো স্বাধীন হয়ে লাভ কি হল এর উত্তরটা তো পেলাম না। এইটা আগে শুনি।

    আপনাকে বারবার এক কথা বলা মুশকিল। এই কথাটা লিখেছিলাম -

    "এবার আপনি নিশ্চয়ই মানবেন যে গোর্খাদের মূলস্রোতে সামিল করার জন্য শাসক বাঙ্গালী ইনফাইনাইট পরিমাণ সময় পাবে না। একটা নির্দিষ্ট পিরিয়ডের মধ্যে যদি হয় তো ভাল আর না হলে লেট দেম গো।"

    এইটাতে ভুল কি আছে একটু শুনি।
  • Norwegian Ridgeback | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:২৪616522
  • মানে রাজ্যের সামগ্রিক উন্নতি হলে বাসিন্দাদেরও হয়, তাই তো?
  • কল্লোল | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:২৫616523
  • পিটি। আবারও বলছি খন্ড উদ্ধৃতি দিয়ে কিছু প্রমান করতে চেয়ো না।
    আমি লিখেছি, "২) আলাদা হলেই উন্নতি হবে তার কি মানে? হতেও পারে(গুজরাত), নাও হতে পারে(ঝাড়খন্ড)। কিন্তু প্রত্যকটি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার আছে।"
    তুমি প্রত্যকবার আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার বিষয়টি ইচ্ছে করেই এড়িয়ে যাচ্ছো। কেউ যেন গান বেঁধেছিলেন "মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নে রে ভাই / দীন দুখিনী মা যে মোদের / তার বেশী আর সাধ্য নাই" - খুবই গাঁড়োল ছিলেন সেই কবি সে নিয়ে আশা করি তোমার দ্বিমত নাই। মোটা কাপড়, মোটা চালেই চলবে বাহারী কাপ্ড়, সরু চাল চাই না - স্বাধীনতা চাই। এসব লোককে কেন যে লোকে মহান বলে কে জানে???
    আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার প্রত্যেকটি জাতির জন্মগত অধিকার।

    আবার লিখেছো, "সেই জন্যেই জানতে চাইছি বার বার যে বাংলা থেকে বেরিয়ে গিয়েও বিহার আর উড়িষ্যার কেন উন্নতি হয়নি কেন।"
    অথচ তার আগেই লিখেছি, "১) বিহার আর উড়িষ্যা নবাবী আমলে বঙ্গের সাথে ছিলো। তা না হলে অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ চিরকালই আলাদা।" সেটা এড়িয়ে গেলে ইচ্ছে করে।
    তর্কটা ঠিকঠাক তো করো ভাই!!

    কাশ্মীর যতটা ধর্মের তার চেয়ে অনেক বেশী আত্মনিয়ন্ত্রনের। আজাদ কাশ্মীরের দাবী আজও প্রবল। একটা স্বর আছে পাকিস্তানের সাথে যোগ দেওয়ার। সেটাও ঘটনা। কিন্তু একমাত্র ঘটনা নয়। কাশ্মীরিয়ৎএর দাবীর সমর্থক অনেক বেশী। সন্ত্রাসবাদীরা খবরে বেশী আসে, তাই মিডিয়াতে আজাদ কাশ্মীরের কথা নেই।
  • কল্লোল | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৩০616524
  • দে।
    "" গোর্খারা ক্ষমতায় এসে উন্নতি কি করবে কি করবে না সেটা নিয়ে কৈফিয়ত চাওয়ার কোন অধিকার বাঙ্গালীর নেই "

    নিশ্চয়ই আছে, শুধু বাঙালীর কেন বিহারী, পাঞ্জাবী, মারাঠী সব ভারতীয়ের অধিকার আছে কৈফিয়ত চাওয়ার। ""

    আপনি কবার ঝাড়খন্ড সরকারকে প্রশ্ন করেছেন, কবার ছত্তিশগড়কে প্রশ্ন করেছেন, কবার উত্তরাখন্ডকে প্রশ্ন করেছেন - এমনি জানতে চাইছি।
  • netai | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৫০616525
  • দেব বাবুর যুক্তি আমি বুইতে পারিনি।
    কোনো পাড়া আলাদা রাজ্য চাইলে লোকে পাগল বলবে তাই গোর্খাল্যান্ডের বিপক্ষে ছোট আয়তনের কথা বললে সবচে ঘটিয়া। কিন্তু কেন?
  • siki | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৫৩616526
  • ইয়ে, সর্দারজি কিন্তু তুচ্ছতাচ্ছিল্যের উক্তি নয়। শিখদের সর্দারজি বলা হয় আজও, এবং তাদের সামনেই তাদের সর্দার বা সর্দারজি বলে সম্বোধন করা হয়, এমনকি সর্দাররা নিজেদেরও সর্দার বলেই রেফার করে। এটা ডেরোগেটরি আগে ছিল কিনা জানি না, তবে এখন নেই।
  • PT | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৫৪616527
  • কবি মোটেই গাঁড়োল ছিলেন না। তখন "ভেঙ্গে ফেল রেশমী চুড়ি বঙ্গ নারী" বললে মেয়েরা (দুঃখ পেলেও) চুড়ি খুলে ফেলত। সেই প্রেক্ষিতে মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নে রে ভাই / দীন দুখিনী মা যে মোদের / তার বেশী আর সাধ্য নাই" -ও যথাযথ ছিল। কেননা এই গানের আবেদনকে আমি আবেগ বলিনা-এর মধ্যে একট কঠিন অর্থনৈতিক প্রতিরোধ ছিল - ইংরেজের তৈরি কিছু ব্যবহার না করার আবেদন -সুরে ও গানে।

    কিন্তু এখন এই গান গাইলে ছেলে-মেয়েরাই স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে রাস্তায় নামবে। সময়টা যে এগিয়ে গিয়েছে ৬০-৭০-১০০ বছর। তখন শত্রু চেনা যেত চামড়ার রং দিয়ে-এখন কেউ বলতে পারবে শত্রু কে? আম্বানী, মনমোহন, প্রণব, মোদী নাকি সিপিএম বা তিনোরা?

    আর এই "আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার" খায় না মাথায় মাখে? "আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার" পাওয়া বাঙালী কোন গুলী বা চাকু বেশী পছন্দ করে? সিপিএমের না তিনোর? নাকি কংগ্রেসের বা বিজেপির চাকু চললে সেটায় লাগে বেশী-কেননা সেটা সর্ব-ভারতীয় চাকু!!

    " অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ চিরকালই আলাদা"-ঠিঅকি তো। কিন্তু বিস্তর ঠিসিস পাওয়া যাবে যেখানে বিহারি বা উড়িয়ারা বলছে যে "বঙ্গালী"-রা তাদের মাথার ওপরে বসে লাঠি ঘোরাচ্ছে। ৫০ বছর আগ্গে সত্যিই তাই-বিহারে খুঁজে দেখুন জজ-ম্যজিস্ট্রেট-ডাক্তার-বড়লোক থিক-থিক করছে বাঙালী। সেটা একজন বিহারীর কাছে অবশয়ি আসাম্যের মাপকাঠি। সে তো চাইবেই ঐ সব জায়্গায় নিজের লোকেদের বসাতে। এটাকে যদি "আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার" বলেন তো বলুন। কিন্তু প্রশ্নতো ঊঠবেই যে "আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার" নিয়ে যারা লাফাচ্ছিল তারা এবার নিজের লোকেদের কিভাবে শুঁষে খাচ্ছে? একজন ভরতীয় হিসেবে এটা জানতে চাইব না?
  • netai | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৫৮616528
  • আমার অবশ্য গোর্খাল্যান্ড নিয়ে জোড়ালো আপত্তি নেই।
    ইন্ফ্যাক্ট তেমন মাথাব্যাথা নেই।
    কেউ সাথে থাকতে না চাইলে জোর করে আটকে রাখা কেন। তবে কতটুকু এরিয়া গোর্খাল্যান্ডে থাকবে তা ভালো করে খতিয়ে দেখা উচিৎ। গোর্খাল্যান্ডের প্রস্তাবিত এরিয়ায় যারা পড়ছে অথচ বাংলার সাথেই যারা থাকতে চায়, যেমন আদিবাসী জনমুক্তি (?) প্রভাবিত এরিয়া। অথবা দার্জিলিং এ থাকা ভালোসংখ্যক বাঙালী যারা আলাদা রাজ্য চায়না ইত্যাদি এইসব প্রশ্নের উত্তর আমি জানিনা। যারা যেতে চায় তাদের যেতে দেওয়া হোক। এবার আলাদা রাজ্য বানিয়ে থাকবে না দেশ বানাবে তাদের ব্যাপার।
  • cm | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৪:০১616530
  • গোর্খাল্যান্ড নিয়ে আমারো মাথা ব্যাথা নেই কারণ তাহলে উত্তরবঙ্গভূমি হবেই আর আমিই হব তার cm
  • PM | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৪:১৪616531
  • আত্ম নিয়ন্ত্রনের লিমিট কতটা ? সেক্ষেত্রে শিখদের খালিস্থান কেনো নয়? মনিপুরীদের রাজ্য নয় কেনো। কেনো "আত্মনিয়ন্ত্রন" শুধু আলাদা রাজ্য পর্য্যন্ত সীমাদদ্ধ থাকবে? আলাদা দেশ কেনো নয়?
  • দেব | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৪:৩০616532
  • @নেতাই

    স্ট্র ম্যান আর্গুমেন্ট কথাটার মানে হল ধরুন আপনি একটা প্রস্তাব দিলেন। আমি সেটাকে টেনে নিয়ে এমন একটা মাত্রায় নিয়ে গেলাম যেটা তর্কের খাতিরে ঠিক, কিন্তু বাস্তবে ঘটার সম্ভাবনা শূন্য। আর সেটার ভিত্তিতে আপনার বক্তব্যকে আমি উড়িয়ে দিলাম।

    একটা উদাহরণ দিই। ধরুন কোন আফগান গ্রামে একজন প্রস্তাব দিল মেয়েদের লেখাপড়া শেখানো উচিত। তার জবাব এল লেখাপড়া শিখলেই ডানা গজাবে, ছেলেদের বাধ্য থাকবে না, সমাজ ভেঙ্গে পড়বে, প্রলয় এসে যাবে। খবরদার না। এইটাই হল স্ট্র ম্যান আর্গুমেন্ট। লক্ষ্য করুন এভাবে আপনার যেকোন কথাকেই আমি উড়িয়ে দিতে পারি। এইজন্যই এটা বাজে যুক্তি।

    গোর্খাল্যান্ডের সম্পর্কে আপনি যে কথাগুলো বলেছেন সেগুলো এরকম নয়। এগুলো নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব। কিন্তু গোর্খাল্যান্ড দিলেই বেহালাল্যান্ড দিতে হবে এটা নিয়ে আর কথাই বাড়ানো সম্ভব নয়।
  • নেতাই | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:১৮616533
  • আচ্ছা ঠিকাছে
    স্ট্র ম্যান আর্গুমেন্ট কথাটার মানে আমি জানতাম না।
    থ্যাংক্স।
  • Norwegian Ridgeback | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৩০616534
  • দেবের দেওয়া ব্যাখ্যাটা সঠিক নয়।
  • Norwegian Ridgeback | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৩৫616535
  • আই মীন পুরোপুরি।
  • Norwegian Ridgeback | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৩৬616536
  • ধুর, যাতা বকছি। গুলিয়ে গেসলো।
  • T | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৩৮616537
  • হ্যাঁ, স্ট্র ম্যান আর্গুমেন্টের মা বাপ একেবারে। কি খোরাক!

    বারবার জাতিভিত্তিক/ভাষাভিত্তিক/জামাভিত্তিক/পাজামাভিত্তিক যাই বিভাজন করুন সেটি এস্টাবলিশড হওয়া মানে একটি পদ্ধতি স্বীকৃত হওয়া। মানে বোঝা গেল? ক্লাসিফিকেশন। বুঝলেন? ক্লাসিফিকেশনের এমন উদাহরণ থাকলে, সংবিধান স্বীকৃত হলে, এবার যে কেউ বলতে পারে তাদের জাতি/ভাষা/জামা/পাজামা এগুলোকেও ক্লাসিফিকেশনের স্বীকৃতি দিতে হবে। সত্যিকারের বলবে কি বলবে না পরের কথা, কিন্তু ভ্যালিড ফ্রেমওয়ার্ক থেকে যাচ্ছে। কেননা পদ্ধতিটিই এস্টাবলিশড হয়ে যাচ্ছে। বুঝলেন? কেউ বলছে না ওরে বাবা, আলাদা গোর্খ্যালান্ড হলে বেহালা ল্যান্ড হবে, তারপর পটলের দাম বাড়বে, তারপর চাঁদে জামাকাপড় শুকুতে দিতে যেতে হবে। বোঝা গেল? যুক্তির পরিসরকে যতখানি টানা দরকার ততখানিই টানা হয়েছে, তার বেশী কিছু নয়।

    আর এই যে বললেন 'বাস্তবে ঘটার সম্ভাবনা শূন্য', এইটে কিরম জানেন? প্রথমে ধরলেন বাগবাজারের চিংড়ি সবচেয়ে ভালো, তারপর বিস্তর ত্রৈরাশিকের অংক করে দেখলেন হ্যাঁ বাগবাজারের চিংড়ী সত্যিই ভালো। এবার এইটেকে কি বলে সেটা গুগুল করে জেনে নিন।
  • T | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৪৬616539
  • অরিজিতদা, না না গুলিয়ে যায় নি তোমার। আরেট্টু ভেবে দেখো। ইনফ্যাক্ট স্ট্র ম্যান আর্গুমেন্টের যা ডেফিনিশন দিল আর যা উদা এল সেটা লক্ষ্য ক'র।
  • স্ট্র ম্যান | ১৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৫৭616541
  • 'স্ট্র ম্যান আর্গুমেন্ট কথাটার মানে হল ধরুন আপনি একটা প্রস্তাব দিলেন। আমি সেটাকে টেনে নিয়ে এমন একটা মাত্রায় নিয়ে গেলাম যেটা তর্কের খাতিরে ঠিক, কিন্তু বাস্তবে ঘটার সম্ভাবনা শূন্য। আর সেটার ভিত্তিতে আপনার বক্তব্যকে আমি উড়িয়ে দিলাম।'

    ভুল।

    স্ট্র ম্যান আর্গুমেন্ট হলো একটা আর্গুমেন্ট রেফুট করার বদলে সেটার মতো, কিন্তু আসলে অন্য একটা আর্গুমেন্ট তৈরী করে দ্বিতীয় আর্গুমেন্টটা রেফুট করা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন