এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শ্রী সদা | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৩:৫২70945
  • আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের (এবং তাঁদের দিয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক ফায়দা তুললেন যাঁরা) অভিনন্দন। আশা করি পরবর্তীকালে প্রফেশনাল জীবনেও তাঁরা এই সংগ্রামী চেতনা এবং আপোষহীন মনোভাব ধরে রাখবেন। অল দ্য বেস্ট অ্যান্ড হোককলরব।
  • PT | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৩:৫৪70879
  • "এরা মনে প্রাণে পুঁজিবাদী ব্যাবস্থাকেই সমর্থন করে, কিন্তু সোজাসুজি কং বা বিজেপি বা তৃণমূল সমর্থক বলতে লজ্জা পায় বা সেটা "পোলিটিকালি ইনকারেক্ট" বলে ভাবে। "

    ঐজন্যেই কি যারা "পুঁজিবাদী ব্যাবস্থাকেই সমর্থন করে" তারা "যে আসে আসুক সিপিএম যাক" নামক ছ্দ্ম স্লোগান দিয়ে তিনোদের ক্ষমতারোহনে সাহায্য করা হয়েছিল?
  • শ্রী সদা | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৩:৫৬70880
  • কল্লোলদা কি আমাকে সিপিয়েম সমর্থক বললেন ? হে হে, এখন পাওয়ারে দিদির জায়গায় বুদ্ধবাবু থাকলে, আর সিপিয়েমের পেটোয়া ভিসি স্টুডেন্ট ক্যালালে দেখতেন আজকে যে সিপিয়েম সাপোর্টাররা যাদবপুরের দামাল ছেলেমেয়েদের জন্যে ভেবে অস্থির তাঁরাই তখন মুখে কুলুপ এঁটে থাকতেন। মাঝখান থেকে বাচ্চাগুলো এই পলিটিক্যাল গেম এর ঘুঁটি হয়ে আর্বিট ক্যাল খেয়ে যায়।
  • a | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৪:০২70881
  • সোজা কথা সোজা ভাবে বলাই ভালঃ কং, তিনো বিজেপি সিপিয়েম, যে বেড়াল ইদুর মারবে তাকেই সমর্থন করব, রং দেখে নয়।
    আরেকবার বলি, শ্লীলতাহানি বাদে বাকি দাবিগুলি খুব দুর্বল আর ওভারল আন্দোলনের ক্ষতি করছে বলে আমার মনে হচ্ছে।
  • Arpan | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৪:১৬70946
  • অক্ষদা, ওটা টাং ইন চিক কমেন্ট ছিল। ঃ)

    মমতা যেরকম ক্রুড ওয়েতে সব কিছু ডিল করে এইটাও সেইভাবে করেছে। মানছি সরকারই বকলমে উপাচার্য নিয়োগ বা বহিষ্কার করে। কিন্তু সেটা আচার্য, মানে রাজ্যপালকে একটা রেকোমেন্ডেশন পাঠিয়ে তবে ইম্প্লিমেন্ট করতে হয়। মানে প্রোটোকল তাই বলে।
  • trx | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৪:২৬70947
  • সামনের জুলাই আগস্টে যখন যাদবপুরে ক্যাম্পাসিং-এ যাবো, তখন যদি দুজন ছাত্র/ছাত্রী MR-এ আসে - যাদের মধ্যে একজন ভালো ছেলে/মেয়ে, কলরবী নয় একেবারেই, ওই উইনিং সাইডে থাকতে চায় শুধু, আর অন্যজন এই কলরবের ময়দানে ছিলো - আমি দ্বিতীয়জনকেই নেবো (এই বছরেও নিয়েছি - অক্টোবরে)। চাকরি করতে গেলেও আমার ধারণা শিরদাঁড়াটা উইনিং সাইডে থাকার ইচ্ছের চেয়ে বেশি জরুরী।
  • dc | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৪:৩৬70948
  • "মমতা যেরকম ক্রুড ওয়েতে সব কিছু ডিল করে এইটাও সেইভাবে করেছে।"

    একমত নই। মমতা আগেও কয়েকবার মোক্ষম সময়ে মোক্ষম চাল দিয়েছেন। সিঙ্গুরে টাটাদের হটানো, কিষেনজিকে উড়িয়ে দেওয়া, এই ভিসিকে পদত্যাগ করানো - তিনবারই ওনার টাইমিং বেশ ভালো হলো। শেষ দুটো ইভেন্ট ঠিকমতো হ্যান্ডল করে বুঝিয়ে দিলেন উনি বেশ দক্ষ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। আমি শিওর ওনার জায়্গায় এখন বুদ্ধবাবু থাকলে ঠিক সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের মতোই ছড়িয়ে লাট করতেন।
  • Arpan | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৪:৩৯70950
  • ডিসি, আমি আউটকাম নিয়ে কোন বক্তব্য রাখিনি। মোডাস অপারেন্ডি নিয়ে রেখেছি।
  • r2h | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৪:৩৯70949
  • সদাকে যদিও আমি আমার সিনিসিজমতুতো কাজিন বলে ভেবে ফেলছি প্রায়ই, তবে কলরবকারীরা সবাই পরবর্তী জীবনে আপোষহীন মানসিকতা ধরে রাখবে এই দাবীতে একমত হলাম না। আরে বাপু মানুষ তো পাল্টে যাবেই। কম বয়সে নিঃস্বার্থ হবে আপোসহীন হবে সংগ্রামী হবে, ঠিক কিংবা ভুল করবে রাজ্যপালকে ডোন্টোকেয়ার করবে।
    ভুঁড়িওলা ছাপোষা মাঝবয়সী হওয়ার পরে তো আর সেই মানুষটাই রইলো না।
    তাই বলে তো কুড়ি বছর থেকেই চল্লিশের রিহার্সাল শুরু করতে বলা যায় না।

    আজকে যারা জাতীয়তাবাদ দেশপ্রেম ইত্যাদি হাওয়ামিঠাইয়ের জন্যে জীবনপণ করলো, কাল তাদের মধ্যে কেউ কেউ মন্ত্রী কিংবা ঠিকাদার হবার জন্যে দুই নং করে, তার মানে তো গতকাল টা মিথ্যে হয়ে যায় না।

    জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম, সাম্যবাদ, ভিসি অপসারন, কনভোকেশনের সার্টিফিকেট এইসব নিয়ে অবশ্য আমার কোন বক্তব্য নেই। আর অনেক মানুষই সারা জীবন আপোষহীন থাকে, তাদের কথাও এই গল্পে নাই।
  • T | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৪:৪২70951
  • হুঃ, দক্ষ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর!
  • !! | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৪:৫৫70882
  • উফ্ফ সদা কি দিচ্ছে। আর কল্লোলের মত পাক্কা রাজনীতির লোক তাই ওকে সিপিএম বলে দাগানোর চেষ্টা চালালেন!!
    আমিও সদার মতই মনে করি এস-এফ-আই এখন ঘোলা জলে মাছ ধরার উদ্দেশ্য এই আন্দোলনকে সমর্থন করছে।
    ক্যাম্পাসে ক্যামেরা লাগালে এই আন্দোলনকারীদের কুকর্ম ধরা পড়ে যেতে পারে-এছাড়া আর কি উদ্দেশ্য থাকতে পারে এর বিরোধিতা করার?

    এই আন্দোলনের বিরোধিতার মানে এই নয় কিন্তু ভিসির কূকর্মের সমর্থন।
  • dd | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:০২70952
  • বাবা রামদেব,অরিন্দম চৌধুরী আর অভিজিৎ চক্কোত্তী - এই তিনজনকে দেখামাত্রই খুব রাগ হয়।

    এটা কিন্তু উচিৎ না।
  • dc | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:০৩70883
  • "নাঃ ছিলনা। আমি যে ডোমেনে কাজ করি তাতে কোলকাতায় জাস্ট কিস্যু নেই। বাকী যে সিটিগুলোর কথা বলেছো (দিল্লী/হাইড/চেন্নাই) সেখানে আছে, ওগুলোর সঙ্গে কোলকাতার তুলনাই হয়না। দিল্লীর লোকের লুরুতে চাগ্রী করতে যাওয়া অপশন হতে পারে, কিন্তু কোলকাতার লোকের বাইরে চাগ্রী করতে যাওয়া বেশীরভাগ ক্ষেত্রে কমপালশন, অন্ততঃ একটু নিশ ডোমেনে কাজ করে যারা।"

    শ্রী সদার এই কথাটা ভীষনভাবে সত্যি। শুধু আইটি না, যেকোন ক্ষেত্রে কলকাতায় চাকরির হাহাকার কী অবস্থায় গেছে সেটা আবার নিজে দেখে এলাম। বন্ধু থেকে আত্মীয়, প্রত্যেকে বলছে কলকাতায় পড়ে থাকলে কেরিয়ারের বারোটা বেজে যাবে। আমার দুটো মাসতুতো ভাই আগের বছর কলেজ থেকে পাশ করে বেরোল, দুজনকেই বলে এলাম চেন্নাই চলে আয়, চেন্নাই নাতো ব্যাঙ্গালোরে তিন-চার মাসের মধ্যে বেসিক চাকরি পেয়ে যাবি, গ্যারান্টি। ছোটবেলার থেকে বিপ্লব বিপ্লব করে আর চিনের চেয়ারম্যানের পেছনে ছুটে আমরা পবকে একটা মৃত রাজ্য বানিয়ে ফেলেছি।

    শ্রী সদার আরেকটা পোস্ট দেখছিলাম, অটোওয়ালাদের উপার্জন নিয়ে। ব্যাঙ্গালোরের মতো চেন্নাইতেও অটোওয়ালারা ভালোই উপার্জন করে। চেন্নাইতে অটোতে উঠতে গেলে কুড়ি-তিরিশ-চল্লিশ টাকার ডিফারেন্স নিয়ে দরাদরি হয়। আর কলকাতায় দেখলাম এক টাকা নিয়ে অটোওয়ালা আর যাত্রীরা ঝগড়া করছে। আমি গড়িয়া থেকে একটা অটোতে উঠে, নামার সময়ে বলেছিলাম দাদা সুকান্ত সেতুর আরেকটু পরে নামবো। অটোওয়ালা বললেন, তাহলে কিন্তু এক টাকা বেশী লাগবে। আমি বললাম আমি কুড়ি টাকা বেশী দেব চলুন, দুজনেই খুশী। মনে মনে ভাবলাম, কলকাতা আর পবর ইকনমির কি অবস্থা।
  • শ্রী সদা | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:০৯70953
  • টিরেক্স, সেতো খুবই ভালো কথা। কিন্তু তারপর সেই শিরদাঁড়াওয়ালা জনতা যদি এমপ্লয়ী ইউনিয়ন বানাতে চায় বা দুমদাম ছাঁটাইএর প্রতিবাদে হোককলরব-আইটিজুড়ে শুরু করে তখনো আপনার বা আপনার কোং এর এরকম ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে তো ? আমার কেমন যেন মনে পড়ছে অনেক আইটি কোং এর অফার লেটারে (খানদুয়েক পেয়েছিলাম কলেজে থাকতে) টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনে পষ্টো লেখা থাকে ইউনিয়ন করা যাবেনা, কোম্পানী যেকোনো দিন তিনমাসের মাইনে ধরিয়ে টাটা করে দিতে পারে, এইসব, সেগুলোতে সই করেই কি এই কলরবীরা জয়েন করবে, নাকি তাদের জন্যে অন্য ব্যবস্থা ? জাস্ট কৌতুহল।

    হুতোদা, পার্টলি এগ্রি করছি। আমি নিজে কলেজে পড়ার সময়ে ইউএসডিএফ এর মিটিং মিছিলে যেতাম, খুব উৎসাহ নিয়েই করতাম। পরে চাকরীতে ঢুকে ব্যপারটা হিপোক্রেসি হয়ে যাচ্ছে বুঝে সরে আসি। এই ছেলেমেয়েগুলোর ইমোশন কিছুকিঞ্চিৎ বুঝি, কিন্তু যে আদর্শ নিজের জীবনে ইমপ্লিমেন্ট করতে পারিনা সেটা নিয়ে বাচ্চাগুলোকে বার খাওয়াতে চাই না। এতা সিনিসিজম হলে আমি অবশ্যই সিনিক।
  • dc | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:১৬70954
  • T কেন, মমতার এই চালটা ভাল্লাগলো না? কিন্তু ওনার দিক দিয়ে দেখলে এটাই তো শঠিক মুভ! আন্দোলনও প্রায় থেমে যাবে আর উনিও কতোটা গুডউইল বানালেন ভাবুন তো! আমি মমতাকে পছন্দ না করতে পারি, কিন্তু মমতার ভালো চালটাকে নিশ্চয়ই অ্যাপ্রেশিয়েট করবো
  • সিকি | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:১৮70884
  • সদার সঙ্গে একমত হলাম না। যাই হোক, সকলেরই নিজস্ব মতামত থাকতে পারে, এটুকু তফারেন্সকে সম্মান জানিয়েই বলছি যাদবপুরের প্রতিবাদরত ছাত্রাছাত্রীদের প্রতি আমার সম্পূর্ণ সহানুভূতি আছে। সঠিক পদ্ধতিতে সঠিক রাস্তাতেই এগোচ্ছে জেইউ-এর আন্দোলন, আমার ব্যক্তিগত অবজার্ভেশন এটুকুই।
  • ranjan roy | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:৩২70956
  • টিরানোসরাস ও হুতোকে বিরাট ক।
    যে বয়সের যেটা।
    কিন্তু শ্রীসদার বক্তব্যের জায়গাটা বুঝতে পারছি।

    আসলে যেদিন ভিসি ( প্রো-ভিসিকে না জানিয়ে)আন্দোলনরত গানগাওয়া ছেলেমেয়েগুলোকে রাত্তিরে প্লেন ড্রেসের পুলিশ দিয়ে পেটালেন সেদিনই তিনি ভিসি হওয়ার মর‌্যাল অথরিটি হারিয়েছেন।
    বাবা( বা স্বামী) যদি একটা লক্ষণরেখা ছাড়িয়ে যায়, তখন তাকে ছেলেপুলে (বৌ) ছেড়ে চলে যায়।ঃ))

    যারা এর প্রেক্ষিতে পুলিশ কমিশনারের (এবং শংকুদেব ও মমতার ) বক্তব্যের সঙ্গে গলা মিলিয়ে এই আন্দোলনের পেছনে মাইনরিটি ছাত্র ও মাওবাদীর বদামি দেখছিলেন তারা কি বলবেন?
    যে মেয়েটি ভিসির উপস্থিতে সার্টিফিকেট নিতে অস্বীকার করেছিল সে সমগ্র আর্টস ফ্যাকাল্টির টপার। সেই আবার এস এফ আই ( সিপিএম) এর সেক্রেটারি।
    তাহলে অশান্তি/চক্রান্ত/নৈরাজ্য এসব কারা করছিল?

    হ্যাঁ, এবার তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে অ্যাকশন হবে আশা করি।
  • T | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:৩২70955
  • উলটো! উনি প্রমাণ করলেন এই পার্থ ফার্থ কোনো কাজের নয়। শিক্ষামন্ত্রক কিছু ছেলেপুলের অনশন সামলাতে পারে না। অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের এই তো দশা। দলের মধ্যে এবং জনতাও ভাববে (অ্যাদ্দিন ভেবেও এসেছে) একটা পোস্ট বাকি ল্যাম্পপোস্ট।

    আর আন্দোলন থামল আদৌ কি? :)

    আপনার যদি এটাকে ভালো চাল বলে মনে হয় তো অ্যাপ্রিশিয়েট করুন গে, আমি কি করবো সেটা আমার ব্যাপার। অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের দক্ষতা মাপার মাপকাঠি যদি হয় কিষেণজিকে ক্যালানো, তো ঐ আর কী, শুভেচ্ছা রইল।
  • ayan | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:৪১70885
  • "ছোটবেলার থেকে বিপ্লব বিপ্লব করে আর চিনের চেয়ারম্যানের পেছনে ছুটে আমরা পবকে একটা মৃত রাজ্য বানিয়ে ফেলেছি।" এইটা বলতে গেলেই মুশকিল।
  • b | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৫:৫৭70886
  • ডিসি, তার কারণ কলকাতায় অটো চলে শেয়ারে, নির্দিষ্ট রুটে, আর চেন্নাইতে প্রাইভেট ভাড়ায়।

    তবে ইন্ডাস্ট্রীর জোয়ার ডিহি কোলকাতায় এলে এখানেও ঐ ২২/২৩ হাজার টাকা এক্স্ট্রা খরচ হবে।
  • শ্রী সদা | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৬:০৩70887
  • হোক না। অ্যাটলিস্ট জানবো যে টাকাটা রাজ্যের খুচরো বিজনেস করে খাওয়া মানুষের হাতে যাচ্ছে। আমার তো টাকা খরচ নিয়ে আপত্তি নেই।
  • dc | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৬:০৬70888
  • b, সেটা খেয়াল রেখেই বলেছি। তবে চেন্নাইতেও বেশ কিছু রুটে কিন্তু শেয়ারে অটো চলে, বিশেষ করে নর্থ চেন্নাইতে। সেগুলো একটু বড়ো সাইজের অটো। তবে চেন্নাইতে শেয়ার অটোওয়ালারা আপনার সাথে এক টাকা-দু টাকা নিয়ে দরাদরির ক্থা ভাববেও না।

    আর কলকাতায় অটো বা যেকোন কিছুতেই যে ভয়ংকর ইউনিয়নবাজি সেটা আপনি চেন্নাই-ব্যাঙ্গালোর-হায়্দ্রাবাদ কোথাও দেখতে পাবেননা।
  • sm | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৬:১২70889
  • "নাঃ ছিলনা। আমি যে ডোমেনে কাজ করি তাতে কোলকাতায় জাস্ট কিস্যু নেই। বাকী যে সিটিগুলোর কথা বলেছো (দিল্লী/হাইড/চেন্নাই) সেখানে আছে, ওগুলোর সঙ্গে কোলকাতার তুলনাই হয়না। দিল্লীর লোকের লুরুতে চাগ্রী করতে যাওয়া অপশন হতে পারে, কিন্তু কোলকাতার লোকের বাইরে চাগ্রী করতে যাওয়া বেশীরভাগ ক্ষেত্রে কমপালশন, অন্ততঃ একটু নিশ ডোমেনে কাজ করে যারা।"
    -----
    সদর বক্তব্যে জোশ হ্যাজ। কিন্তু বাইরের স্টেট এ কাজ করতে গেলে কি এমন মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায়? বেতনের আর একটু বেশি প্রাপ্তিযোগ হলে, লোকে তো সচ্ছন্দে দেশ ছেড়ে বিদেশে কাজ করে ও থেকে যায়।প ব তে সুযোগ কম; কিন্তু তাবলে অর্থনীতির এমন হাড়ির হাল নয় যে লুরুর অটো ওয়ালা দশ টাকা দামের সিগারেট খাবে আর পব তে বিড়ি খাবে।মানে আমিবলতে চাইছি হয়ত লুরুতে যে চিত্র পাচ্ছেন, সেটা গ্রামাঞ্চলে সত্যি নয়। কারণ জি ডি পি গ্রোথ কর্নাটক এর চাইতে পব পিছিয়ে নেই। কিন্তু স্ট্যাট এ আমার প্রবল অরুচি,তাই লিংক দিলাম না।
    ইকোনমিক রেফুজি হলে, নিজের স্টেট এর প্রচুর লাভ। প্রসঙ্গত, ভারত বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার, পায় বিদেশ থেকে, যার সিন্হভাগ আসে মধ্য প্রাচ্যের দেশ গুলোর গরিব এন আর এই দের থেকে।
    আর যাদবপুর প্রশ্নে আপনার সঙ্গে একমত।আন্দোলনের মূল ফোকাস অনেকটা সরে গেছে। এখন কেমন একটা যেন ইগোর লড়াই চলছে, ভি সি অপসারণ নিয়ে।এতে ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশুনোর সমূহ ক্ষতি হচ্ছে,চাকরির বাজারেও খারাপ প্রভাব পরা বিচিত্র নয়।কারণ কর্পোরেট সেক্টরের লোকেদের মধ্যে কোনদিন ই আন্দোলনের জন্য সিম্প্যাথি থাকবে না।বেস্ট উপায় ছিল ছাত্র ছাত্রীদের ভিসি কে ইগনোর করা বা বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা রেখে কোর্টে যাওয়া।
    আর অল্প বয়েস থেকে দেখে আসছি, দিল্লির ট্যাক্সি ওয়ালারা পকেট কাটছে, তো তাতে কি আমাকে পয়সা যুগিয়ে যেতে হবে নাকি?
  • তাপস | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩১70890
  • কলকাতার/বঙ্গের ইকনমিক কন্ডিশন খারাপ হওয়ার জন্যে ইউনিয়ন বাজি ও লেফট পলিটিক্স দায়ী, এগুলো সেই ছোটবেলা থেকে শুনছি। জোতদাররাও বলত। ভূমিসংস্কার করে সব্বোনাশ হয়ে গেছে।
  • শ্রী সদা | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩৬70891
  • " কিন্তু বাইরের স্টেট এ কাজ করতে গেলে কি এমন মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায়?" ~
    লোকাল বড় ইন্ডাস্ট্রি থাকলে সবচেয়ে বেশী লাভ স্টুডেন্টদের। লুরুতে দেখি খুব সাধারণ কলেজের সো কলড নন-এলিট ছাত্ররা অ্যামাজন, ই এম সি, ভিএমওয়ার এর মতো কোম্পানীতে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পায়, অনেকেই সেখানে পার্মানেন্ট হয়ে যায় ইন্টার্নশিপের পরে। কোলকাতায় থাকার সময় এসব ভাবতেও পারতাম না।
  • dc | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৬:৪৫70892
  • "লুরুতে দেখি খুব সাধারণ কলেজের সো কলড নন-এলিট ছাত্ররা অ্যামাজন, ই এম সি, ভিএমওয়ার এর মতো কোম্পানীতে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পায়, অনেকেই সেখানে পার্মানেন্ট হয়ে যায় ইন্টার্নশিপের পরে।"

    সমর্থন করলাম। আমি নন-আইটি সেক্টরের খবর বেশী রাখি, সেখানেও দেখছি নানারকম ছোটবড়ো মার্কেটিং বা সেলস বা অফিস জবের সুযোগ চেন্নাই-ব্যাঙ্গালোর-হাইডে কলকাতার থেকে অনেক বেশী।
  • pinaki | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৭:৪৫70893
  • ঐভাবে দেখতে গেলে আমিও অজুহাত দেখাতে পারি ভারতে সুযোগ নেই বলে বিদেশে আছি। ওটা কোনো কথা হল? ভারতে খুঁজলে কি চাকরি পেতাম না? হ্যাঁ, ডোমেন, পছন্দ - এসব ছাড়তে হত। তা সে তো কত লোককেই ছাড়তে হয়। ইন ফ্যাক্ট কোর সাবজেক্ট নিয়ে (ইলেক্ট্রিকাল, কেমিক্যাল, মেকানিক্যাল, এইসব) চার বছর পড়াশুনো করে তারপর আইটিতে চাকরি করতে যেতে হয় ৮০% লোককে - এটাই তো কম্প্রোমাইজ। সে তো সব রাজ্যেই করতে হচ্ছে লোককে। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে পশ্চিমবঙ্গের ইকোনমির অবস্থা খারাপ অন্য রাজ্যের তুলনায়। কিন্তু সেটা ছাত্র আন্দোলনের জন্য নয়। সরকার আর প্রশাসনের অপদার্থতার জন্য। একটা ক্রোনি ক্যাপিটালিজমের দেশে কাছা খুলে ইনভেস্টর ফ্রেন্ডলি হওয়ার অর্থ হল সুদীপ্ত সেন বিজয় মাল্যর মত ইনভেস্টরদের হাতে দেশটা তুলে দেওয়া। আমার মনে হয় না আজকের 'না খেতে পাওয়া' দশার থেকে সেটা খুব ভালো কিছু।
  • শ্রী সদা | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:১০70894
  • " আমার মনে হয় না আজকের 'না খেতে পাওয়া' দশার থেকে সেটা খুব ভালো কিছু।" ~ একটা বিশাল আনএম্প্লয়েড ইয়ং পপুলেশন নিয়ে বসে থাকার থেকে যেকোনো টাইপের ক্যাপিটালিজম ভালো। আগে লোক্জন চাট্টি খেয়েপরে বাঁচুক তারপরে তত্বচিন্তা করা যাবে। পশ্চিমবঙ্গ হল না ঘরকা না ঘাটকা। বিপ্লবও হলনা এদিকে ইনভেস্টারদের তাড়িয়ে সম্বৎসরব্যাপী মিটিং মিছিল চলছে না চলবে না করে ডেডলক বানিয়ে রেখে দিয়েছে। waste-bengal.
  • pi | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:২০70895
  • এটাকে ক দিয়ে গেলাম।
    Comment from তাপস on 11 January 2015 23:38:10 IST 126.202.214.47 (*) #

    তবে খুব অবাক হইনি। এখানেই সমাজচেতনা টেতনা নিয়ে যেভাবে খিল্লি হতে দেখেছি !
  • pi | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:২২70896
  • সদা, এখনি নিজের পাওয়া না পাওয়ার চুলচেরা হিসেব করে একটু কম পেলেও সেটা মানতে নারাজ, তো সাম্য পরবর্তে ব্যবস্থা মানতে আপত্তি থাকবে না তো ? ঃ)
    কেমন যেন মনে হচ্ছে, বিপ্লব তো আসেনি, আসলে সব মেনে নেওয়া যেত, আসেনি যখন কোন কিছু নিয়েই কিছু বলার দরকার নেই এটাকে কিছু না বলার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন