এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৬৮৭২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | 24.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১০:০৭663485
  • এটা থাক এখানেঃ

    "আপনারা সকলেই জানেন যে CESC ও WBSEDCL-এর বিদ্যুৎ-মাসুল ব্যাপক পরিমাণে বাড়িয়েছে ২০১৪-১৫ সালের জন্য। সেই বর্ধিত বোঝা মেটাতে নাভিশ্বাস উঠছে আমাদের! দেশের সমস্ত বড় শহরগুলির মধ্যে কলকাতার বিদ্যুৎ মাসুল সর্বোচ্চ। আমাদের পকেট কেটে প্রতি বছর ৬৫০-৭০০ কোটি টাকার মুনাফার পাহাড় গড়ছে CESC’র সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। আর অন্যদিকে বিদ্যুৎ-নিয়ন্ত্রক কমিশনের দু-এক জন সদস্য ঠিক করে দিচ্ছেন CESC এলাকার ২৯ লক্ষ গ্রাহক ও WBSEDCL এলাকার দেড় কোটির বেশী গ্রাহকের বিদ্যুৎ মাসুল। এমনকি ৪ঠা মার্চ ২০১৫ সাল...ের নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করেছেন এই কমিশনের মাত্র একজন সদস্য। সম্প্রতি ২০১৫-১৬-র বিদ্যুৎ মাসুল-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হলেও তাতে ’১৪-‘১৫-র বর্ধিত বিদ্যুৎ মাসুল প্রত্যাহার করা হয়নি। বরং সি ই এস সি -র মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কাকে ‘বঙ্গবিভূষণ’ উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেছে এই তথাকথিত “মা-মাটি-মানুষের” সরকার! রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলও তাদের পুরনো বন্ধু গোয়েঙ্কা-দের নিয়ে প্রথমদিকে নীরব থাকলেও পরে গণ-আন্দোলনের চাপে নানারকম আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণ করছে! কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বা মাসুল নির্ধারণ তো কোনো সঙ্কীর্ণ দলীয় রাজনীতির বিষয় নয়--এটা রাজ্যের প্রায় দু কোটি পরিবারের মৌলিক অধিকার ও দৈনন্দিন জীবনযাপনের সাথে জড়িত প্রশ্ন।

    তাই আমরা, পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎ গ্রাহক, গণ-আন্দোলনের কর্মী, বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও শ্রমিক-ছাত্র-যুবরা মিলে গড়ে তুলেছি “বিদ্যুৎ মাসুল বৃদ্ধি বিরোধী গণ-আন্দোলন”; যা দলমতনির্বিশেষে একটি আন্দোলনের মঞ্চ। বিগত ৪ মাস ধরে আমাদের লাগাতার আন্দোলন চলছে। নানাভাবে প্রচার-প্রতিবাদ চালিয়ে গেলেও আমাদের দাবিতে কোনো কর্তৃপক্ষই যখন কর্ণপাত করছিল না, তখন আমরা বাধ্য হয়েছিলাম ঐতিহ্যশালী অনশন আন্দোলনের পথে হাঁটতে। গত ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ থেকে কলকাতার ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে আমরা এই অনির্দিষ্টকালীন অনশন শুরু করেছিলাম।

    ৫ তারিখে যে পুলিশ আমাদের কর্ডন করে অনশনে বসতে দিল ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে, ৫ তারিখ রাত্রি থেকেই তাদের স্বরূপ পরিষ্কার হয়ে গেল অনশন মঞ্চ তৈরির কাজে বাধাদানে। সারারাত ধরে অনশনকারীরা বসে রইলেন কোলা আকাশের নীচে, রাজপথে! ভাবুন, আজকের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী যদি ২০০৬ সালে সিঙ্গুর আন্দোলনের অনশনে মঞ্চ না বাঁধতে পেরে রাস্তায় বসে থাকতেন, কেমন অনুভুতি হত তাঁর!!!

    আমরা তাও মেনে নিলাম! বসে রইলাম রাস্তাতেই! কিন্তু তাতে ওদের রাগ আরো বেড়ে গেল! এত সাহস আমাদের!! তাই রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর রাজপথের নির্জন দুপুরে ডি সি সেন্ট্রালের নেতৃত্বে টেনে-হিঁচড়ে মারতে মারতে তুলে নিয়ে যাওয়া হলো অনশনকারীদের। জেলে গেলেন অনশনকারীরা কারণ এই শহরে বা রাজ্যে যে মুক্ত হয়ে অনশন করার অধিকারও নেই নাগরিকদের! তাই আপাতত জেলেই অনশন চলবে আমাদের। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত.......

    রাজ্যের আপামর গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষর কাছে আমাদের আবেদন, এই অগণতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। বিদ্যুৎ-এর মাসুল বৃদ্ধির বিরুদ্ধে যে ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন চলছে, তার সপক্ষে দাঁড়ান। আমাদের দৃঢ় প্রত্যয় আছে যে আপনাদের সমর্থন ও সক্রিয় সহযোগিতায় এই আন্দোলন জয়ী হবেই।

    স্বাক্ষরঃ অমিতাভ ভট্টাচার্য, দেবর্ষি চক্রবর্তী ও শুভনীল চৌধুরী
    (বিদ্যুৎ মাসুলবৃদ্ধি বিরোধী গণ-আন্দোলনের পক্ষে)
  • | 213.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১০:২০663486
  • ম্মু ঃ)))))

    আড্ডা মারার সময় কি আর এত বেছে বেছে আড্ডা মারা যায় ঃ))

    না, সেই সময় আমার প্রজেক্ট ছিল না। তাই বাংলা ডুব মেরেছিলাম।

    আমার কথায় আবার "লাল' ফ্লেবার কবে পাওয়া গেল। যা সত্যি তাই বলেছি। ওদের অনেক ভুল সত্ত্বেও বেশ কিছু ভালো কাজ ওরা করেছে। সেটাকে শুধু শুধু অস্বীকার করতে যাবো কেন?

    তা তুমি আছো কেমন? ফ্রান্সে ই নাকি? অন্য জায়গায়?
  • PT | 213.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১১:১৮663487
  • অনেকেই লালাতঙ্কে ভোগে দেখছি...
  • PM | 11.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১১:২৪663488
  • Mmu কে

    অনিলবাবু রাজ্য সম্পাদক হবার আগে সিপিএমের শিক্ষা সেলএর দায়িত্বে ছিলেন অনেকদিন। শিক্ষা বিষয়ক ব্যাপারের সিপিএমের পলিসি গত সিদ্ধান্তে সম্পাদক হবার বহু আগে থেকেই উনি নিয়ন্ত্রক ছিলেন। ৭৯ সালে ছিলেন কিনা জানি না যদিও
  • sm | 233.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৫:৫১663489
  • 1977 did not mark the beginning of a long Left innings alone, it also heralded an unending season of thanksgiving. A grateful Left government repaid the cadres by creating government jobs, never mind if they were needed or not. A government workforce of over 10 lakh, one of the biggest such collections across the country, was built. The recruitment drive was launched from the third year of the government coming to power. It continued till August 2010, filling various directorates like food and civil supplies, agriculture, fire services and youth services with recruits.

    Although written examinations were held to select the candidates, allegations were rife that only party cadres and their relatives got jobs. As several families with more than two to three government employees can be found almost everywhere in the state, the accusation of nepotism cannot be dismissed as wild. The reckless drive not only bled the coffers dry but also killed meritocracy in the state.
    http://www.telegraphindia.com/1110514/jsp/frontpage/story_13981600.jsp
  • ranjan roy | 131.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৬:০১663490
  • পিটি,
    কী করে দেখবেন? কোন ঘটনা সত্যি কী মিথ্যে সেটা গৌণ, আপনার পছন্দ না হলেই সেটা বামেদের ধরে পা টানা।
    প্রশ্ন হচ্ছে প্রয়াত অনিল বিশ্বাসের সময় যে শিক্ষাক্ষেত্রে পার্টির নিয়ন্ত্রণ পোক্ত করার প্রচেষ্টায় অনুচিত বাড়াবাড়ি হয়েছে সেটা রাজ্য কমিটির মূল্যায়ণ নিজেই বলছে--কোন বদ অতিবাম বা বুজি নয়। এবং সেই নেগেটিভ অ্যাসপেক্ট থেকে শিক্ষা নেবার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
    এর মধ্যে কে কার পা টানল? নাকি আপনিও মনে করেন সিপিএম কে লেভি না দিলে তার দলিল নিয়ে কথা বলা যাবে না??
  • quark | 24.*.*.* | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৬:৪৩663491
  • The teacher constituency served the interests of the Left but not financial prudence. In 1977 the state government spent Rs 114 crore on education. By 2010-11, the education bill had ballooned to Rs 13,622 crore. The expenditure would have been laudable had the amount been spent on building infrastructure and drawing more children to schools. But more than 80 per cent of the funds are meant for paying teachers’ salaries.

    শিক্ষকদের বেশি মাইনে দেওয়া অন্যায় হয়েছে? নাকি বেশি শিক্ষক নিয়োগ করা ভুল হয়েছে? পশ্চিমবঙ্গের স্কুলগুলোতে কি ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যার তুলনায় শিক্ষকের সংখ্যা অত্যন্ত বেশি হয়ে গিয়েছে?
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০০:১০663492
  • এ বিষয়ে আমি কোয়ার্কের সঙ্গে একমত।
    টেলিগ্রাফ বা কোনই গ্রাফ, বিজ্ঞের মত যা খুশি জ্ঞান দেবে আর সেটা মেনে নিতে হবে?
    অবশ্যই বিল্ডিং/ল্যাব ইত্যাদি ইন্ফ্রাস্ট্রাকচার আবশ্যকীয় জিনিস কিন্তু তার চেয়েও বেশি জরুরী ভাল এবং পর্য্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষক।
    ধরুন, প্রথ্ম ক্ষেত্রে চমৎকার একেবারে ঝক্কাস বিল্ডিং কিন্তু শিক্ষক নেই বা মাত্র একজন ; আর দ্বিতীয় ক্ষেত্রে পর্য্যাপ্ত টিচার, ভাল রেশিও কিন্তু বিল্ডিং মাটির বা ভাঙা অথবা মুক্তাঙ্গন।
    কোনটায় তুলনামূলক ভাবে বেশি পড়াশুনো হবে?
    আর শিক্ষাক্ষেত্রে বাজেট এই পোড়া দেশে এখনও যথেষ্ট কম, ডিফেন্স খাতে বেশি। কাজেই বাম আমলে যদি শিক্ষক নিয়োগে সরকারি ব্যয় বেড়ে গিয়ে থাকে তো বেশ হয়েছে।দ্যাট অ্যাপার্ট, এমপ্লয়মেন্ট বেড়ে যাওয়া সব সময় স্বাগত। ক্লাবে ডোনেশনের চেয়ে ভাল। কেইন্স সায়েবের দাওয়াই মনে করুন। বেশি সংখ্যক লোকের হাতে টাকা এলে মার্কেট ডিমান্ড বাড়বে, ফলে ইনভেস্টমেন্ট বাড়বে ইকনমির চাকা জোরে ঘুরবে।
    সমালোচনা করতে গিয়ে যাখুশি দোষ ধরা কোন কাজের কথা নয়।
  • potke | 126.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০০:৪২663493
  • এবিপি গ্রুপ মনে হয় ইঃ কলেজ খুলতে চলেছে। ঝক্কাস বিল্ডিং আর কন্ট্রাক্টড টিচার এট দা প্রাইস ওফ পিনাটস।

    ভালো মডেল।
  • cm | 127.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৬:৪১663495
  • কেমন যেন মনে হচ্ছে কোয়ার্কের ৪ঃ৪৩ অনিলায়নের মানে বোঝাবার চেষ্টা। বামফ্রন্ট সরকার শিক্ষকদের স্বার্থ দেখেছিল তাই শিক্ষকশ্রেণীর এক বৃহদংশ তাদের সাথে যায়।আরো খুলে বললে শিক্ষকদের স্বার্থ রক্ষিত হয় বলে তারা রক্তিম হন, রক্তিম বর্ণের জন্য চাকরি নয়, উল্টোটা। ঠিক বুঝলাম না ভুল বুঝলাম তা কোয়ার্কই বলতে পারবেন।
  • PT | 213.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৮:০৫663496
  • আরো একটা জরুরী কথা ভুলে যাচ্ছে অনেকেই। আদি কংগ্রেসের হাতে গোনা কিছু মানুষ বাদ দিলে লেখাপড়া করা মানুষদের একটা বিরাট অংশ বাম মনোভাবাপন্ন ছিল। কাজেই স্কুল-কলেজ ইত্যাদিতে বামমার্গী লোকেদের চাকরী হওয়াটাই স্বাভাবিক। একে যদি 'অনিলায়ন" বলতে চান তো বলুন। কিন্তু এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার।

    পব-তে "রাইট উইং ইন্টেলেকচুআল" বলতে বিশেষ কিছু ছিল না, আর আবাপর পোষ্য কয়েকজন ছাড়া এখনো নেই। এখনো যারা বামেদের সমালোচনা করে তাদের বেশ বড় একটা অংশ তিনোর অঞ্চলাশ্রিত অতিবাম। সংশোধনবাদের সমালোচনা করতে করতে তারা দক্ষিণ দিকে যাত্রা করেছে।
  • PM | 11.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১১:১৭663497
  • "কেইন্স সায়েবের দাওয়াই মনে করুন। বেশি সংখ্যক লোকের হাতে টাকা এলে মার্কেট ডিমান্ড বাড়বে, ফলে ইনভেস্টমেন্ট বাড়বে ইকনমির চাকা জোরে ঘুরবে।"

    সে মডেল তো পঃবঃ এ চলে না। এখানকার মডেল হলো-

    "সরকারী চাকরী বাড়লে-লোকের হাতে টাকা বাড়বে- মার্কেট ডিম্যান্ড বাড়বে- কিন্তু তার জন্যে ক্যাপিটাল ইন্ভেস্টমেন্ট বাড়বে কিন্তু অন্য রাজ্যে, (পঃ বঃ এ ট্রেডিং "ইন্ভেস্টমেন্ট" বাড়বে ছিটে ফোটা। "কারন পঃবঃ এ ইন্ডার্স্ট্রি করার পক্ষে নই আমরা)।

    রন্জনদার দেওয়া যুক্তিতে শিল্পে ইন্ভেস্টমেন্ট ইন্সেন্টিভে দিলে তা শিল্পপতিদের তেল দেওয়া হবে কেনো তাও জানতে চাই। সেক্ষেত্রেও ইন্ভেস্ত্মেন্ত বাড়লে, রোজগার বাড়বে, ডিম্যান্ড বাড়বে--ইকনমির চাকা জোড়ে ঘুড়বে? আমার ধারনা ছিলো রন্জনদা ইকনমির চাকা জোরে ঘোড়ানো পছন্দ করেন না !!!
  • কল্লোল | 135.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১১:৫৬663498
  • পিএম। "রন্জনদার দেওয়া যুক্তিতে শিল্পে ইন্ভেস্টমেন্ট ইন্সেন্টিভে দিলে তা শিল্পপতিদের তেল দেওয়া হবে কেনো তাও জানতে চাই। সেক্ষেত্রেও ইন্ভেস্ত্মেন্ত বাড়লে, রোজগার বাড়বে"

    ইনভেস্টমেন্ট বাড়লে রোজগার কি বাড়ছে আজকাল? এই যে ব্যাঙ্গালোর, এখানে ইনভেস্টমেন্ট বেড়েছে - তা নিয়ে তো কারো সন্দো নাই। তাতে কর্ণাটকের কি মোজা হয়েছে???
    কিছুকাল আগে একটা লিং ছিলো ধনী ব্যঙ্গালোর-গরীব কর্ণাটক - মনে পড়ছে?

    আজকাল না হয় পুঁজিনিবিড় উন্নয়ন। যখন তা ছিলো না, তখন দক্ষিন বিহারে টাটা ও প্রচুর খনিশিল্প থাকা সত্ত্বেও ছোটনাগপুরের/দক্ষিন বিহারের/বিহারের কি মোজা হয়েছিলো?

    শিল্প=উন্নয়ন এটা একটা অতিকথা। যদি অবশ্য উন্নয়ন মানে সাধারণ মানুষের জীবনের উন্নয়নকে ধরা হয়।
  • quark | 24.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১২:২৩663499
  • 'বেশি সংখ্যায় শিক্ষক নিয়োগ' বা 'শিক্ষকদের বেশি (উপযুক্ত বললেই ভালো হয়) মাইনে দেওয়া' - দুটোর কোনটাই 'শিক্ষকদের স্বার্থ দেখা' ব'লে আমি মনে করি না।

    বরং করের টাকায় মেলা, খেলা, উৎসব, ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নয়নের নিমিত্ত ক্লাবকে লাখ লাখ টাকা দেওয়া এবং একই সাথে সরকারি কর্মচারীদের প্রাপ্য মহার্ঘ্যভাতা না দেওয়া - এগুলোকে সমস্ত রাজ্যবাসীর স্বার্থে আঘাত ব'লে মনে করি।
  • | 213.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১২:২৮663500
  • যোগ্য বা অযোগ্য ক্যাডার দের চাকরী দেওয়া?
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১২:৩৩663501
  • বৃহৎ শিল্প = উন্নয়নের উল্টো রাস্তা।
    Faced with economic collapse in the early 1960s, the government sharply revised the immediate goals of the economy and devised a new set of economic policies to replace those of the Great Leap Forward. Top priority was given to restoring agricultural output and expanding it at a rate that would meet the needs of the growing population. Planning and economic coordination were to be revived- -although in a less centralized form than before the Great Leap Forward—so as to restore order and efficient allocation of resources to the economy. The rate of investment was to be reduced and investment priorities reversed, with agriculture receiving first consideration, light industry second, and heavy industry third.
    In a further departure from the emphasis on heavy industrial development that persisted during the Great Leap Forward, the government undertook to mobilize the nation's resources to bring about technological advancement in agriculture. Organizational changes in agriculture mainly involved decentralization of production decision making and income distribution within the commune structure. The role of the central commune administration was greatly reduced, although it remained the link between local government and agricultural producers and was important in carrying out activities that were too large in scale for the production brigades. Production teams were designated the basic accounting units and were responsible for making nearly all decisions concerning production and the distribution of income to their members. Private plots, which had disappeared on some communes during the Great Leap Forward, were officially restored to farm families.
    Economic support for agriculture took several forms. Agricultural taxes were reduced, and the prices paid for agricultural products were raised relative to the prices of industrial supplies for agriculture. There were substantial increases in supplies of chemical fertilizer and various kinds of agricultural machinery, notably small electric pumps for irrigation. Most of the modern supplies were concentrated in areas that were known to produce "high and stable yields" in order to ensure the best possible results.
    In industry, a few key enterprises were returned to central state control, but control over most enterprises remained in the hands of provincial-level and local governments. This decentralization had taken place in 1957 and 1958 and was reaffirmed and strengthened in the 1961-65 period. Planning rather than politics once again guided production decisions, and material rewards rather than revolutionary enthusiasm became the leading incentive for production. Major imports of advanced foreign machinery, which had come to an abrupt halt with the withdrawal of Soviet assistance starting in 1960, were initiated with Japan and West European countries.
    During the 1961–65 readjustment and recovery period, economic stability was restored, and by 1966 production in both agriculture and industry surpassed the peak levels of the Great Leap Forward period. Between 1961 and 1966, agricultural output grew at an average rate of 9.6 percent a year. Industrial output was increased in the same years at an average annual rate of 10.6 percent, largely by reviving plants that had operated below capacity after the economic collapse in 1961. Another important source of growth in this period was the spread of rural, small-scale industries, particularly coal mines, hydroelectric plants, chemical fertilizer plants, and agricultural machinery plants. The economic model that emerged in this period combined elements of the highly centralized, industrially oriented, Soviet-style system of the First Five-Year Plan with aspects of the decentralization of ownership and decision making that characterized the Great Leap Forward and with the strong emphasis on agricultural development and balanced growth of the "agriculture first" policy. Important changes in economic policy occurred in later years, but the basic system of ownership, decision-making structure, and development strategy that was forged in the early 1960s was not significantly altered until the reform period of the 1980s.
    সূত্রঃ
    https://en.wikipedia.org/wiki/Economic_history_of_China_(1949%E2%80%93present)#China_GDP

    হ্যাঁ ৬০ দশকের চীনে গণতন্ত্র ছিলো না। সেটা খু৮বই খারাপ।
  • PM | 116.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৩:১৫663502
  • কল্লোলদা, এটা কেউ-ই বলছে না যে শিল্প=উন্নয়ন।

    ইন্ডাস্ট্রির সাথে কৃষির উন্নয়ন, সার্ভিসের উন্নয়ন, অসংগঠিত শ্রমিকদের উন্নয়ন, সমবায়, ঠিক ঠাক ওয়েল্থ ডিস্ট্রিবুসন প্ল্যান না থাকলে উন্নয়নের মডেল ইন্ক্লুসিভ হতেই পরে না, যেটা ভারত সহ ৩য় বিশ্বে হচ্ছে।

    কিন্তু ইন্ডাস্ট্রি একটা খুব গুরুত্বপূর্ন কম্পোনেন্ট সেটাকে অস্বীকার করার মনেও বালিতে মুখ গুঁজে থাকা। ইকোনোমির একটা গুরুত্ব্পূর্ন ডাইমেনসনকে অস্বীকার করা। পঃবঃ শুধুই কনসিউম করে যাবে বাইরের স্টেট থেকে এই ইকোনোমিক মডেল মুখ থুবরে পড়তে বাধ্য, সাসটেনেবল হতেই পরে না। হয় আপনাকে অপরিমিত লোন করতে হবে অথবা সব উন্নয়নমুলক কাজ বন্ধ করতে হবে সেক্ষেত্রে
  • PM | 116.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৩:১৮663503
  • GDP বাড়া মানেই উন্নয়ন নয়, কিন্তু উন্নয়ন হলে GDP বাড়তেই হবে
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৪:১১663504
  • পিএম। কি জানি!! লোকে তো তাইই বলছে =শিল্প=উন্নয়ন। চাষীর ছেলে কি চাষীই হব্বে - ইঃ।
    একটু গাল খাওয়ার ঝুঁকি নিয়েও বলতে রাজি আছি, চাষীর ছেলে চাষীই হবে এরকমটা না বলেও বলা যায় চাষীর ছেলে চাষী না হলে কি ইন্জিনিয়ারের ছেলে চাষী হবে? হতে পারবে কি? চাষী তো চাইই। নইলে - খাবোটা কি!!

    তুমি বলছো - "পঃবঃ শুধুই কনসিউম করে যাবে বাইরের স্টেট থেকে এই ইকোনোমিক মডেল মুখ থুবরে পড়তে বাধ্য, সাসটেনেবল হতেই পরে না। হয় আপনাকে অপরিমিত লোন করতে হবে অথবা সব উন্নয়নমুলক কাজ বন্ধ করতে হবে সেক্ষেত্রে"

    মানে ত্রিপুরা, সিকিম, হিমাচল প্রদেশ, অসম, এদের নিয়তি অনুন্নত হয়ে থাকা।

    বাইরের রাজ্য থেকে কনজিউম তো করছিই। আলু, মাছ, পেঁয়াজ, ডাল, গম। তো? তোমার কনজিউমেবলগুলো কি?
  • PT | 213.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৪:৩৪663506
  • কিন্তু এত বাঙালী বঙ্গে চাষী না হয়ে লুরু, পুণা, হায়েদ্রাবাদে কেন যাচ্ছে শিল্পে চাকরী (=উন্নতি) করতে সেটা এত বাইট তক্কের পরেও এখনো পরিষ্কার হল না।
  • | 213.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৪:৩৯663507
  • পরিষ্কার হবেও না পিটি দা।

    কারন তার জন্যে প্রথমেই অনেক কিছু "অপ্রিয় সত্য" আমাদের স্বীকার করে নিতে হবে। যেটা করতে তুমি রাজি নও। ঃ))
  • Mansih | 127.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৪:৫৬663508
  • বলুন তো দেশপ্রিয় park এর ঠাকুরের হাইট কত?
  • | 213.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৪:৫৯663509
  • বলুন। আর জিতে নিন ৫০,০০০ টাকা। ঃ))
  • Manish | 127.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৫:০২663512
  • আমিই লিখে দিলাম।

    ১০৮ পীঠ = ১০৮ ফিট
  • Manish | 127.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৫:০২663511
  • আমিই লিখে দিলাম।

    ১০৮ পীঠ = ১০৮ ফিট
  • PT | 213.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৫:০২663510

  • উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার পরেও কেউ কেউ চাষী হতে চেয়েছিল। কিন্তু বাম দলের অনুগত না হওয়ায় চাষের কাজে অনিলায়নের জন্য রিক্রুটেড হয়নি?
    এমনটাই কি বলছ?
  • PM | 116.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৫:৩৪663513
  • "মানে ত্রিপুরা, সিকিম, হিমাচল প্রদেশ, অসম, এদের নিয়তি অনুন্নত হয়ে থাকা।"

    ত্রিপুরা ঃ জনসংখ্যা ৩৬ লাখ
    মনিপুর ঃ জনসংখ্যা ২৭ লক্ষ
    হিমাচল প্রদেশ ঃ ৬৮ লক্ষ
    -------------------------------------------------
    পঃবঃ - 9.5 কোটি
    কলকাতাঃ ৪৫ লক্ষ

    আপনি কি বলেছেন পূরের দুটো ক্যাটাগোরির উন্নয়নের পলিসি/স্ট্র্যাটেজি এক হবে ? যা ২৭ মক্ষ জনসম্খ্যার মনিপুরের জন্য ঠিক তা 9.5 কোটির পঃবঃ এর জন্য-ও ঠিক?

    পলিসির কাজটা এই জন্যে পলিসিমেকারদের ওপোর ছেড়ে দেওয়াই ভালো। আমি/আপনি/শাওলি মিত্র এদের এসব থেকে দুরে থাকাই দেশের জন্য ভালো হয়তো ঃ)

    ( আপনার "দাও ফিরে সে অরন্য" উন্নয়ন পলিসি আমার মনে আছে, সেটা যে খুব ইন্টারেস্টিং সেটা আমি স্বীকার করি। তবে ওটা আপাততঃ আলোচনার বাইরে রাখছি)
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৫:৫০663514
  • পিটি।
    "কিন্তু এত বাঙালী বঙ্গে চাষী না হয়ে লুরু, পুণা, হায়েদ্রাবাদে কেন যাচ্ছে শিল্পে চাকরী (=উন্নতি) করতে সেটা এত বাইট তক্কের পরেও এখনো পরিষ্কার হল না।"

    কারন তারা চাষের চ-ও জানে না।
    যারা চাষটা জানে ও বোঝে তাদের তো "চাষী" হওয়া কোনমতেই চলবে না, কারন তারা চাষীর ছেলে। এখন মুস্কিল হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ার, অধ্যাপক, আইটিওয়ালা, কেরাণি, শিল্পদ্যোগী ইঃ বাবার ছেলেরা তো চাষ খায় না মাথায় দেয় তাইই জানে না। তো তাদের চাষী হওয়াটা বেশ চাপের। ফলে এখন অন্য রাজ্য থেকে চাষী আনার মতো পরিস্থিতি তৈরী হলেই উন্নয়ন ক্যাডায় ঠেকায়!!!

    পিএম।
    "পলিসির কাজটা এই জন্যে পলিসিমেকারদের ওপোর ছেড়ে দেওয়াই ভালো। আমি/আপনি/শাওলি মিত্র এদের এসব থেকে দুরে থাকাই দেশের জন্য ভালো হয়তো ঃ)"

    তাহলে বলছো আমি আইটির চাকরী ছাড়া আর কোন কিছু নিয়ে মত দেবো না।
    আমার আপিত্ত থাকলো।
  • | 213.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৬:১৮663515
  • "ব
    উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার পরেও কেউ কেউ চাষী হতে চেয়েছিল। কিন্তু বাম দলের অনুগত না হওয়ায় চাষের কাজে অনিলায়নের জন্য রিক্রুটেড হয়নি?
    এমনটাই কি বলছ?"

    পিটি দা, সত্যি বলছি এখানে তুমি কী বলতে চেয়েছো বুঝতে পারলাম না। নেপোটিজম তো বিভিন্ন ক্ষেত্রে হয়েছে। কিন্তু এখানে মেন লি আমরা শিক্ষার ক্ষেত্র টাই তো আলোচনা করছিলাম
  • cm | 127.*.*.* | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৭:০২663517
  • কল্লোলদা চাষে রোজগার কি করে বাড়ানো যায় তা নিয়ে দুপয়সা দিন। ইঞ্জিনীয়ারদের ওপর ট্যাক্সো কি বাড়াতে হবে? যা কৃষকেরা নানাবিধ ভরতুকি হিসেবে পাবেন। নাকি চাষার ছেলের গরীব থাকাই ভবিতব্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন