এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ১২ জুন ২০১৮ ১৮:৫৩375519
  • সেরকম রহস্য পূর্ণ কিসু নেই। ঠাকলে জানা নেই। ইউজার এলেবেলে র পোস্টটা পড়লে বুঝবেন আমি কি বলতে চেয়েছি, কিন্তু না বুঝলে তো কোন ক্ষতি নেইঃ-))))) লগিন জিনিস্টা নিয়া আমার কোন বক্তব্য নাই, থাকলেও হয় না থাকলেও হয়।আর লোকে বড় ল্যাখা অ্যানালিটিকাল লেখা পড়তে চয় না কি করবেন
  • বিপ্লব রহমান | ১২ জুন ২০১৮ ১৯:৪৬375520
  • ভাই এলেবেলে,

    এইবার বুজ্জছি, এমুন কইরা "কইলজা কানা" না কর্লেও পার্তেন।

    থুইয়া দেন ওই লগিন-ফগিন, লগিনের বিপক্ষে আপ্নের ভোট দিলাম, শুধু হরিদাসের লুঙ্গি (লগিন) খান থাক। কেমুন? শুভ
  • বিপ্লব রহমান | ১২ জুন ২০১৮ ১৯:৫৩375521
  • ভাই হ,

    ক+খ পয়েন্ট একটু বিশদে বলবেন, আমি দূরাগত চণ্ডাল, অনেক ঘটনা পরম্পরা বুঝতে অক্ষম, তবু বিনয় করি।

    "ডরাইলেই ডর, হান্দায় দিলে কিয়ের ডর?" খিকজ
  • বিপ্লব রহমান | ১২ জুন ২০১৮ ১৯:৫৮375522
  • //Name: এক্সপ্রেসের জনতা

    IP Address : 7845.29.893412.210 (*) Date:12 Jun 2018 -- 04:45 PM

    এলেবেলে নিজে আগের ভালো বুলবুলভাজা/ ব্লগ/ ভালো আলোচনার টইয়ে বা এখনকার খারাপ/ কমভালো/ অর্ডারি ঐ ঐ ঐ য়ে এই ভাল খারাপ নিয়ে মতামত দেন না কেন?//

    ভাই এলেবেলে, এক্স জনতার প্রশ্ন আমারো। সমস্যা?? :/
  • h | ১২ জুন ২০১৮ ২০:৩৬375523
  • ঃ-))))))))))))) আরে রহস্যময় কিসু নাই, কি কই ঃ-)))))))))))) মাইনষেরে বিশ্বাস করেন না ক্যান? ঃ-))))))))))))

    এলেবেলের মেন বক্তব্য আগে ভালো লেখা গুরুতে বেরোতো, আলোচনার কোয়ালিটি ভালো ছিল। এখন নাই। আমার বক্তব্য সেরকম কিসু নাই, ব্যক্তিগত লেখক বা আলোচক এর সিরিয়াসনেস এর উপর সেটা নির্ভরশীল, এতে ফোরামটার বিশেষ কিসু করার নাই। আর থিস প্লেস অলসো ইজ অলসো অ্যাবাউট এক্সপ্রেশন ইন ভেরিয়াস স্টেজেস অফ পারফেকশন, সেটা ওভারল আমার খারাপ লাগে না।

    স্পিরিট সেরকম আলাদা কিসু নাই, যেটা মিনিমাম সিভিলাইজ্ড আলোচনার কনভেন্শন। এইবার অনেকের দুঃখ হয়েছে, মাঝে মাঝেই বোঝা যায়, সেটা অনেকের ই মাঝে মাঝে হয়, সেরকম সিভিলাইজ্ড আলোচনা সব সময়ে হয় না, কিন্তু আমার বক্তব্য সেটা এই ফোরামের ইউনিক কিসু না। আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম টা অনেকের মনে হয় কি করা যায়। বিশুদ্ধবাদীতা একটা সমস্যা, গ্লোরিয়াস পাস্ট এটা সারা পৃথিবীর নানা বিষয়ে আছে কি করা যাবে। আবার একটা আলোচনা কে অ্যাগ্রেসিভ না করলে অনেকেই এমপাওয়ার্ড বোধ করেন না, সেটা সোশাল নেটওয়ার্ক এর জেনেরাল সমস্যা, আমার নিজের এ সমস্যা ছিল, আমি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি, পুরোটা পারি নি। কি করা। এগুলোর মইদ্যে কোন রহস্য নাই।
  • h | ১২ জুন ২০১৮ ২০:৩৮375524
  • আপনার মূল কথাটা, বড় অ্যানালিটিকাল লোকে পড়ে না, এটা অনেক বড় ফান্ডামেন্টাল কোশ্চেন।
  • h | ১২ জুন ২০১৮ ২০:৪৭375525
  • তবে, আমার না, যারা রাগী তাদের উপরে রাগ নাই। তার কারণ এই রাগ, এই অবসেসিভ হতাশা, শুধু নিজের মতামতের ইকো চেম্বার গড়ে তোলা র ইসুটা, আসলে আমার মনে রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ফেলিওর, পার্টিসিপেশন কমে যাওয়ার সমস্যা। এখন দেশ যাঁরা চালান, তাঁরা মাইনষেরে বোঝাইছেন, শুনেন, নীতিতে কোন পার্থক্য কারো মইদ্যে নাই, নীতির কোন পার্থক্যের দরকার ও নাই, সবাই চোর, রাজনীতি খুব খারাপ পয়সা করার সিনিসিজম এর জায়গা, অতএব শুধুই ইমপ্লিমেন্টেশন, শুধুই ইম্প্লিমেন্টেশন এর প্রতিযোগিতা। এটাতে এমপাওয়ার মেন্ট বাড়ে না আদৌ, কমে। তো বড় মিডিয়া মানুষের এই হতাশা কে রিফ্লেক্ট করে না, বলেই সোশাল নেটওয়ার্কিং এ রাজনৈতিক শার্প লাইন্স আসে। কি আর করা যাবে, আর ভ্যালু জাজমেন্ট ও আসে, কারণ এটা ব্যক্তিগত স্টেটমেন্ট রেকর্ড করছে। যাক গে, এগুলো বড় বড় কথা হয়ে গেল। কিন্তু আমি বড় বড় কথা বলতে ভালোবাসে, কি করুম ঃ-)))))))
  • এলেবেলে | ১২ জুন ২০১৮ ২৩:৫০375526
  • একটা টই খোলা হয়েছে, যেখানে গুরুর ভালোমন্দ নিয়ে লেখার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে পার্টিসিপেশন এত কম কেন?

    এলেবেলে যেহেতু গুরুর 'তত ভালো না' দিকটাকে তুলে ধরতে চাইছে সেখানে সে কেন সেটা তুলে ধরতে পারবে না? কেন তাকে কৈফিয়ত দিতেই হবে 'আপনে মহায় অ্যাদ্দিন কী বাঙি ফাটিয়েছেন?'?

    এলেবেলে মিসকোটেড হচ্ছে কেন? সে কোথায় লিখেছে 'আগে ভালো লেখা গুরুতে বেরোতো, আলোচনার কোয়ালিটি ভালো ছিল। এখন নাই'? বরং সে লিখেছে 'এটা স্বীকার করা ভালো যে সাইট হিসাবে গুরুর মান পড়ছে'। তাতে কোনখান দিয়ে বোঝা যাচ্ছে যে এখন নাই? এইরকম বাইনারি অবস্থান সে নেয়নি। মান পড়ছে মানে মান আছে অবশ্যই কিন্তু তা উর্ধ্বগামী হচ্ছে না।

    @বিপ্লব রহমান, আপনি নিচিত যে এলেবেলে ভাইই? বোন কিংবা দিদি নয়? এলেবেলে এটা গুরু নিয়ে লিখছে। তাতে কার লুঙি থাকবে, কার পায়জামা, কার কোট-প্যান্টালুন সে নিয়ে এলেবেলের অন্তত চিন্তা নেই। তার চিন্তা লেখকের ডিলিজেন্স এবং তাঁর কোয়ালিটি অ্যাওয়ারনেস।

    "এলেবেলে নিজে আগের ভালো বুলবুলভাজা/ ব্লগ/ ভালো আলোচনার টইয়ে বা এখনকার খারাপ/ কমভালো/ অর্ডারি ঐ ঐ ঐ য়ে এই ভাল খারাপ নিয়ে মতামত দেন না কেন?//" সব ব্যাপারে মত দেওয়ার ক্ষমতা এলেবেলের নেই। মাঠের পাশে অপেক্ষমান এক লাইন মন্তব্য লেখার মতো খঞ্জনিবাদক হওয়ার বাসনাও তার নেই, ছিলও না কোনোকালে। তবুও একান্ত আগ্রহী হলে গ্রুপে এলেবেলে লিখে সার্চ করুন, কিছু পেলেও পেতে পারেন।
  • ডাবের জল | ১৩ জুন ২০১৮ ০০:২৩375527
  • 'একটু দেখুন লাস্ট কোন টই পাঁচ কিংবা ছ'পাতা পার হয়েছে। আগে এটা হামেশাই হত' - এইটা ইনফ্যাকট আমারও মাঝে মাঝে মনে হয়। যদিও এক্ষুনি ঠিক খুঁজে দেখিনি, হয়তো পাওয়া যাবে, কিন্তু এটা মনে হয়।
    আর আমার ধারনা এটার একটা বড় কারন মাস স্কেলে ফেসবুকপ্রিয়তা - ফেসবুকের রিচ এবং উত্তেজনা বেশী বলে একটা বড় সংখ্যক লোকজন ফেসবুকে যায়; তাছাড়া আগে বলতে যদি দশ বছর আগের কথা ভাবি, তখন খুব বেশি ফোরাম ছিলও না, অপশন কম ছিল। খুব বেশি উন্নতমানের ওয়েব ম্যাগাজিন বা ফোরাম তো ছিলনা।

    গুরুতে লেখা কঠিন এরকম একটা জিনিসও শুনতে পাই, আমি নিজে খুব অ্যাভারেজ বা তার নীচের বুদ্ধিবৃত্তির লোক হয়েও সেটাকে ঠিক জাস্টিফাই করতে পারিনা, তো, মনে হয় ইউজার বোধয় ফেসবুকনির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ডে এমন অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে যে অন্যরকম কিছু এক্সপ্লোর করার জায়গাটা কমে যাচ্ছে।

    তবে এগুলো বলার আগে টইএর গতি প্রকৃতি একবার খুঁটিয়ে দেখে নেবো, সত্যিই ব্যাপারটা এরকম কিনা, কতটা কি কমছে।

    আরেকটা জিনিস... ভালো লেখা যাঁরা চান, তাঁরা নিজেদের পছন্দের লেখায় মতামত দিলে লেখকরা উৎসাহ পান; এইবার এটা আমি নিজেও করিনা অনেকসময়ই, তো এইটা একটা সমস্যার জায়গা।

    তবে আমি প্রবল লগিন বিরোধী, অন্তত আপাত অ্যানোনিমিটির এই দাবীতে আমি অনড়।
  • ডাবের জল | ১৩ জুন ২০১৮ ০০:৩৬375529
  • সত্যি বলতে কি... বিপ্লবদা যেটা বলেছেন মন্তব্যের ব্যাপারে - এইটা আমার খুবই মনে হয় ফেসবুকের প্রভাব। ফেসবুকের রিচ এত বেশী এবং যেহেতু অধিকাংশ কম্পিউটা/স্মার্টফোন ব্যাবহারকারী ফেসবুক চালান - নিজেদের মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সময় ফেসবুকের কথাই প্রথম মাথায় আসে। আর একবার ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া দিয়ে অন্যত্র কেনই বা দেবে। অন্য সব সাইটেরই মোটামুটি একটা ভৌগলিক পরিচয় আছে, ফেসবুক সর্বত্রগামী।

    এইবার ফেসবুকের এই সর্বগ্রাসী চরিত্র - দোষ দেওয়ার কিছু নেই, ইনোভেশন, ফান্ডিং, মনস্তত্ত্ব খুঁটে বানিয়েছে, একে বিপজ্জনক মনে হয়।

    এবার কথা হলো এইরকম, বা এর কাছাকাছি ধরনের বাংলা সাইটগুলির কি হাল হকিকত সেসবও একটা ব্যাপার।

    একটা সময় মনে হচ্ছিল গুরুর কি আগে সাহিত্যপত্রিকা ইমেজ বেশী ছিল? কিন্তু খুবই উমদা গদ্য, কবিতা তো এখনো প্রকাশিত হয়, আগের থেকে নিয়মিত। পর্বে পর্বে কবিতাতে ফরিদা এখনো প্রায় নিয়মিত চমৎকার লেখেন, কিন্তু প্রতিক্রিয়া কম দেখি কি? নাকি আগেও কমই ছিল? কবিতা বিষয়ে প্রতিক্রিয়া তো কম হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

    চণ্ডা৯ ধরনের লেখা কি একটু কম আজকাল?
  • ডাবের জল | ১৩ জুন ২০১৮ ০০:৪২375530
  • নববর্ষ সংখ্যা, নারী দিবস, বা নিয়মিত বুলবুলভাজা গুলিতে (আমি শুধু সম্পাদিত বিভাগ নিয়ে বলছি, টই বা হরিদাস পালেরা তো আছেই) - এইসব সময়ে বুলবুলভাজাতে উৎকৃষ্ট লেখা সব বেরিয়েছে, কিন্তু মন্তব্য কম; আবার অন্যদিকে দেখলে এই লেখাগুলো ফেসবুকে শেয়ার হচ্ছে, সেখানে মন্তব্য পড়ছে। কিছু লেখা তো প্রচুর শেয়ার হয়েছে, কিন্তু ঐ আবার ফেসবুক ফ্যাক্টর, প্রতিক্রিয়া এখানে একত্র থাকছে না, সে অন্যত্র বিচ্ছিন্ন টাইমলাইন ইত্যাদিতে যাচ্ছে। আগে সেই সুযোগ ছিল না, বা চল কম ছিল অনেক।
  • ডাবের জল | ১৩ জুন ২০১৮ ০০:৪৮375531
  • ধরা যাক যারা গুরুর সূচনা থেকে বা দু'চারবছর পর থেকে আছে - ২০০৪/৫ বা এমনকি ৮/১০ - অমরা অনেকেই এখানে এসেছি চারটি বাংলা লেখা কোথায় পড়া যায় খুঁজতে খুঁজতে। এবার সেই সময়ের আমরা তো বৃদ্ধ হতে চললাম। নতুনরা কি খোঁজে? বা, তাঁদের হাতের নাগালে কি অলরেডি দশখানা ফোরাম বা ম্যাগাজিন আছে?

    অবশ্য গুরুতেও খুবই তরুন তুর্কীদের লেখা বেরোয়, সাহেবুলের মেটিয়াবুরুজ মনে পড়লো। আরো নিশ্চয় আছে অনেক। জারিফার কবিতা বেরুলো কদিন আগে। তো, এরা আরো ভালো বলতে পারবে বোধয়, আজকাল কি চলছে।
  • S | ১৩ জুন ২০১৮ ০৩:০৯375532
  • কিসব যেন লিখবো ভাবছিলাম, তারপরে কাটিয়ে দিলাম।
  • pinaki | ১৩ জুন ২০১৮ ০৪:৪৩375533
  • ঘটনা হল ফেসবুকের প্রভাব খুবই গভীর। কী যেন বলে, ডিসরাপ্টিভ টেকনোলজি, ফেসবুক হচ্ছে সেইরকম। এখন নোটিফিকেশন এবং ট্যাগিং - এই দুটো ব্যাপারে লোকে এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছে যে এই দুটো ফীচার বাদ দিয়ে (এবং এডিট করার অপশন বাদ দিয়ে) কোনও সোশাল নেটওয়ার্কের দিকে লোকে ঘুরেও তাকাবে না। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই গুরুতে সেই অর্থে পার্টিসিপেট তারাই করে যারা ফেসবুকের আগের প্রজন্ম থেকে, মানে একেবারে সোশাল নেটওয়ার্ক বিহীন অবস্থা থেকে বিভিন্ন সোশাল নেটওয়ার্ক (গুরু ইনক্লুডেড) দেখতে দেখতে বড় (এবং বুড়ো) হয়েছে। একেবারে নতুন প্রজন্ম, মানে যারা প্রথম থেকে ফেসবুক দেখছে, তারা কেউই গুরুতে নিয়মিত লেখে না। কখনও সখনও লিখলেও গুরুর সাইটের সাথে তাদের কোনও আত্মীয়তা গড়ে ওঠে নি। ফেসবুকই তাদের স্বাভাবিক (এবং একমাত্র) কমিউনিকেশন মাধ্যম। অথচ এই নেটওয়ার্কিং পার্টটা বাদ দিলে ব্লগ এবং বুবুভা মিলিয়ে গুরুতে বেশ ভালো মানের অনেক লেখাই নিয়মিত বের হয়ে চলেছে। মাঝে মাঝে আমার তো মনে হয় কনটেণ্ট হয়তো একটু বেশিই হয়ে যাচ্ছে লোকে যা পড়ে উঠতে পারে সেই তুলনায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও, সেই সব লেখার ওপর আলোচনাই হোক বা এমনি যেকোনও সাম্প্রতিক বিষয়ের আলোচনায় পার্টিসিপেশন বাড়ছে না।

    এবার কথা হল কী করা যায়? আদৌ কি এর চেয়ে বেটার কিছু হওয়া সম্ভব? আর একটা বাংলাভাষার ফেসবুক হয়ে ওঠা সম্ভব নয়। সেটা আউট অফ কোয়েশ্চেন। তাহলে কী হওয়া সম্ভব? এইটা লাখ টাকার প্রশ্ন। আমার মতে কতকগুলো জিনিস চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে।

    ১) ব্লগ লেখকদের অনুরোধ করা যেতে পারে এখানে ব্লগে তিনি যেটা লিখেছেন সেটাই ফেবুতে নিজের স্ট্যাটাসে ইনডিপেন্ডেন্ট লেখা হিসেবে না লিখে এই ব্লগের লিংক হিসেবে স্ট্যাটাসে রাখতে এবং সেখানে অংশগ্রহণকারীদের সাইটে সরাসরি মতামত দিতে অনুরোধ করতে।

    ২) সোশাল নেটওয়ার্কিং ক্যাপাবিলিটিতে গুরু যেহেতু কখনই ফেসবুকের সাথে পাল্লা দিয়ে পারবে না, কাজেই সেই কম্পিটিশনে আদৌ মনোযোগ না দিয়ে ফেবুর তুলনায় গুরুর যদি সামান্য কিছু হলেও বেটার (এবং ইউনিক) ফীচার থেকে থাকে সেটুকুতে কনসেন্ট্রেট করা। আমার কাছে এরকম কতকগুলো ফীচার হল - ক) ফেবুতে আলোচনা মেন থ্রেড এবং সাব থ্রেডে খুব বিক্ষিপ্তভাবে চলে। ফলে আলোচনায় প্যারালাল ট্র্যাক তৈরী হয়। আমার বেশ খানিকটা খেই হারিয়ে যাওয়ার অনুভূতি হয়। গুরুতে আলোচনা সিরিয়ালি চলতে থাকে। ফলে ডিস্ট্র্যাকশন কম থাকায় মূল বিষয়ে ফোকাস থাকার সম্ভবনা বেশি থাকে। খ) ফেবুতে মূল জোর তাৎক্ষণিকতায়। রিয়েল টাইম মতামত। কিন্তু একটা সিরিয়াস আলোচনা, যেখানে ভেবেচিন্তে মত দেওয়ার ব্যাপার রয়েছে, যে অলোচনার আর্কাইভাল গুরুত্ব রয়েছে, সেরকম আলোচনার জন্য গুরুর মত সেট আপ বেটার। গুরুর আলোচনায় সহজেই ফিরে ফিরে আসা যায়। কয়েকদিন, কয়েক সপ্তাহ এমনকি মাস বা বছর পরেও। এই দিকটায় আরও জোর দেওয়া দরকার। এই বিষয়টা নতুন প্রজন্মের ফেসবুকারদের বোঝাপড়ার মধ্যে আনা দরকার। এবং এই আর্কাইভাল গুরুত্বটাকে আরও কীভাবে বাড়ানো যায় সে নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা দরকার। একটা অপশন হল টই এবং বুবুভা ও ব্লগের টপিক অনুযায়ী ক্যাটেগরাইজেশন। কিছু মেন ক্যাটেগরির অধীনে কিছু সাবক্যাটেগরি ভাবা যেতে পারে। বা আরও অন্য কিছু ভেবে দেখা যায়।

    ৩) কিছু টেকনিকাল আপগ্রেড। যেমন ডেটাবেস অ্যাড করা। পাতাগুলোকে তারিখের অধীনে নিয়ে আসা। অর্থাৎ টইতে বা ভাটে আলোচনা এগোলে পাতার সংখ্যা অসীমের দিকে যাবে না। প্রতি নতুন তারিখে পাতার সংখ্যা এক থেকে শুরু হবে। এতে করে সার্চ করা খুব সুবিধেজনক হবে। এছাড়াও সাইটকে মোবাইল ফ্রেন্ডলি আরও কীভাবে করা যায়, অ্যাপ বানানো যায় কিনা, মোবাইল থেকে সার্চ আরও বেটার করা যায় কিনা ইত্যাদি নিয়ে ভাবা যেতে পারে।

    ৪) আর একটা জিনিস আমার মনে হয়, গুরু তো বাই ডেফিনিশন এমন একটা মাধ্যম যেখানে লেখকরাই পাঠক আবার পাঠকরাই লেখক। তো সেই হিসেব মত গুরুতে যাঁরা ব্লগ ইত্যাদি লেখেন, তাঁরাই যদি শুধু নিজের লেখা ছাড়াও একটু অন্যদের লেখাপত্রে কমেন্ট টমেন্ট দেন, তাহলেই আলোচনা কিছুটা হলেও গড়াতে পারে। 'লেখক পাঠকের ব্যবধান ঘোচানো' যেটা কিনা গুরু ঘোষিত লক্ষ্যও বটে, সেটার দিকেও এক পা হলেও এগোনো যায়। আর আমার এটা ধারণা যে একটা ক্রিটিকাল মাস যখনই নিয়মিত আলোচনায় অংশ নিতে থাকবে, তার একটা স্নোবল এফেক্ট হবে। সেটা আরও পাঁচটা লোকের জন্য একটা আকর্ষণ তৈরী করবে। কাজেই 'ভালো আলোচনা' হওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে নিজেদেরই দায় নিতে হবে বলে মনে হয়।
  • বিপ্লব রহমান | ১৩ জুন ২০১৮ ০৪:৫১375534
  • এলেবেলে,

    ('সম্বোধনে এবার 'ভাই' বাদ। এপারে আমরা কিন্তু অনেক সময় বোনদেরও 'ভাই' বলে ডাকি, যেমন, 'ভাই আলপনা; 'আলপনা দি' বলে ডাকলেও চলে, এটি আসলে কোমল সম্বোধন, যদি ভুল না করে থাকি, যেমন, রবীন্দ্রনাথ মৃণালিনী দেবীকে লিখলেন, 'ভাই ছুটি', ইত্যাদি। সে যাক :))

    আপনার কথার সাথে খুব দ্বিমত নেই।
    শুধু একটি পয়েন্ট খোলাসা করার আছে।

    আপনি বলছেন;

    // মোবাইল অ্যাপ করলেই হু হু মন্তব্য আসবে এতে আমি অন্তত একমত নেই। লেখক-পাঠকের যুগলমিলন না হলে কিছুতেই কিছু হবে না।//

    'গুরুচণ্ডালী ডটকম মোবাইল এপেও প্রকাশিত হোক'-- এই প্রস্তাবনার পক্ষে প্রধান যুক্তি (এবং সম্ভবত একটিই মাত্র যুক্তি) -- গুরুকে আরো পাঠবান্ধব করা, পাঠক টানা, মন্তব্য টানা নয়।

    খেয়াল করবেন, আগেই বলেছি, ব্রাউজারদের মধ্যে মোবাইল ব্রাউজারের আধিক্য বেশী, গবেষণায় এটি প্রায় স্বত:সিদ্ধভাবে প্রমাণিত, তাই ওই প্রস্তাবনা।

    আর যেকোনো সাইটের 'মোবাইল সংস্করণের' চেয়ে এপ সংস্করণ অনেক সহজ ও সুন্দর সে নিয়ে আশাকরি বিতর্ক নেই।

    আপনার সাথে আলাপ করে ভাল লাগলো। আরো লিখুন।
  • ডাবের জল | ১৩ জুন ২০১৮ ০৯:২৯375535
  • অ্যাপের পক্ষে মতও গুরুর পাতায় পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু টেকনিকেলি নেটিভ অ্যাপ বনাম মোবাইল সাইট বা আর ডাব্লু ডির তুল্যমূল্য করে গুরুর্র এন্ড গোল বিচার করলে কিন্তু গুরুর জন্যে ওয়েব সাইট বেশী এফেকটিভ। সাপোর্ট, মেন্টেনেন্স, আপগ্রেড এসব ছেড়েই দিলাম, এ তো কর্তৃপক্ষের বেদনা, কিন্তু এসিও, সার্চ/ শেয়ার করার অপশন, ব্রাউজার স্বাধীনতা - এইসব দিকেও, গুরুর মত কন্টেন্টের জিনিস ওয়েবসাইটেই বেশী কার্যকর।

    বিরাট কর্পো হলে বলতাম পাশাপাশি দুটো বানিয়ে একবছর দেখা হোক (আমার ধারনা তাতেও ওয়েবসাইটেই বেশী ট্রাফিক থাকতো), কিন্তু এখানে সেটা আদৌ সম্ভব বলে মনে হয় না, শেষ কথা কর্তৃপক্ষ বা কোর কমিটি বা ইলুমিনাটি বা কেজিবি জানে।

    এবার ওয়েবসইটেও নোটিফিকেশন ইত্যাদি করা যায় (যদিও আমি ব্যক্তিগতভাবে খুঁটে খাওয়া বেশী উপযোগী মনে করি, তবে যুগের হাওয়া বলে মুখে তুলে দাও)।
  • ডাবের জল | ১৩ জুন ২০১৮ ০৯:৩৮375536
  • '...একটা সিরিয়াস আলোচনা, যেখানে ভেবেচিন্তে মত দেওয়ার ব্যাপার রয়েছে, যে অলোচনার আর্কাইভাল গুরুত্ব রয়েছে, সেরকম আলোচনার জন্য গুরুর মত সেট আপ বেটার' -এইটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজে গুরুতে লগিন করিনি, তবে জনৈক অন্য হরিদাসপালের ব্লগ মেন্টেন করি। ফেসবুকে হয়তো লাইক অনেক পড়ে, মন্তব্যও অনেক বেশী, কিন্তু তার মধ্যে অনেকই 'ওয়াও', 'খুব সুন্দর', 'খুব ভালো', 'মন ভরে গেল' - ইত্যাদি। অপরপক্ষে গুরুতে একই লেখাতে কম মন্তব্য হলেও (কম তো হবেই) সুচিন্তিত এবং সারবান। তো, এখানে সেই সুচিন্তিত বা সারবান প্রতিক্রিয়ার চাপটা থাকে - লেখকের জন্যেও বোধয় এটা ভালো এবং কাম্য। তো পাঠক সেই চাপের জন্যে অনেক সময় কিছু বলে না (যেমন আমি নিজে), ভালো লাগলেও।
    তো, তাৎক্ষণিক ও বেশে সংখ্যক বনাম অর্থবহতার একটা খটাখটিও ফ্যাকটর হচ্ছে।
  • dc | ১৩ জুন ২০১৮ ১০:০৬375537
  • আমার মতে গুরুচন্ডালির প্রথম পাতার (হোম পেজের) লেআউটে সামান্য অদলবদল করা যেতে পারে। এমনিতে গুরু সাইট পুরোটাই টেক্সট বেসড, যেটা আমার খুব পছন্দের। কিন্তু প্রথম পাতাটা যারা সাইটে নতুন আসছেন তাঁদের জন্য খুব ইন্টুইটিভ না। লেফট প্যানেলে যে লিংক গুলো আছে ওগুলোই গুরুর সবকিছু, কিন্তু ওগুলো নিয়ে প্রথম পাতায় এমন কিছু লেখা নেই যাতে নতুন কেউ চট করে বুঝতে পারে কোনটা কি। বুলবুলভাজা মানে গুরু সাইটের প্রবন্ধ/কবিতা/গল্প ইত্যাদি, টইপত্তর মানে আলোচনার জায়গা, ভাটিয়ালি মানে পাতি আড্ডার জায়গা ইত্যাদি, এগুলো যদি প্রথম পাতায় একেবারে প্রথমেই হাইলাইট করা যায় তাহলে হয়তো নতুনদের বুঝতে সুবিধে হয়। সেকেন্ড কলাম বা মিডল কলামে "গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা" নামে পরপর যে প্রবন্ধের ডেসক্রিপশানগুলো, সেগুলোর বদলে কি এই হাইলাইটগুলো রাখা যায়? মানে সেকেন্ড কলামের প্রথম রোতে গুরুর আইকন সহ ট্যাগ লাইন (যেমন আছে), দ্বিতীয় রোতে লেফট লিংকগুলোর ছোট্ট ছোট্ট হাইলাইট, তৃতীয় রো থেকে গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা।

    এটা ছাড়া, গুরুতে কিভাবে বাংলা টাইপ করতে হবে সেটারও একটা বিস্তারিত গাইড থাকা উচিত মনে হয়। অনেক সময়েই দেখি টইতে অনেকে ঠিকমতো টই খুলতে পারছেন না, অনেকগুলো ব্ল্যাংক টই খুলে ফেলছেন। এগুলোর একটা গাইড পাতা বানিয়ে তার লিংক একদম ওপরের ন্যাভিগেশান বারে রাখলে ভালো হয়।
  • বিপ্লব রহমান | ১৩ জুন ২০১৮ ১০:১৭375538
  • হনু ভাই ও পিনাকী বাবুর সাথে সহমত।

    হনু ভাই কে এখন বুঝতে পারছি। অনেক দিক আলোকপাত করে আলাদা করে ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করবো? নাহ, থাকে :))

    বিশেষ করে আপনার এই কথাটা মারাত্মক --

    "মিডিয়ার পার্টিসিপেটরি নেচার যেমন সোশাল নেটওয়ার্কিং এর আমলে ব্যাপক হয়েছে, তেমনি এটা পোস্ট ট্রুথ এর ও আমল, অন্ধ মুর্খামি এবং যুক্তিহীন বিশ্বাস এর ও আমল, স্বীকৃতি পাওয়া টা খুব সোজা হয়ে যাওয়ার আমল।"

    এ ক দ ম তা ই!

    আর পিনাকী বাবু যেমন বলেন,

    "সোশাল নেটওয়ার্কিং ক্যাপাবিলিটিতে গুরু যেহেতু কখনই ফেসবুকের সাথে পাল্লা দিয়ে পারবে না, কাজেই সেই কম্পিটিশনে আদৌ মনোযোগ না দিয়ে ফেবুর তুলনায় গুরুর যদি সামান্য কিছু হলেও বেটার (এবং ইউনিক) ফীচার থেকে থাকে সেটুকুতে কনসেন্ট্রেট করা। "

    এটাও চরম সত্যি, গুরুকে আরো আকর্ষণীয় করতে হবে নিজস্ব লেখনী ও স্টাইলে, ফেবুর সাথে পাল্লা দেওয়ার কথাই আসে না, দুইয়ের ধরণই আলাদা, তাই **গুরু থাক গুরুতেই**।

    বরং ''লেখক পাঠকের ব্যবধান ঘোচানো''র জন্যে আর কি কি করা যায়, আশাকরি নীতি-নির্ধারকরা তা ভেবে দেখবেন।
    ~~~~~

    সহজ মন্তব্য করার সুযোগ করে দিতে --

    প্রতি লেখার নিচে ফেবু/টুইটার/গুগল+ দিয়ে লগইন দিয়ে মন্তব্য করার অপশন কী রাখা যায়? এতে মন্তব্যকারীর মন্তব্য তার ফেবু/টুইটার/গুগল+ এও পোস্ট হয়ে যাবে, পাঠক এসব মন্তব্য দেখে গুরুর মূল লেখায় আকৃষ্ট হতে পারেন।

    এপারে সবচে বড়ো নিউজ পোর্টাল বিডিনিউজ-এ এই অপশন আছে।

    ~~~~~~~

    উড়ুক। ।
  • বিপ্লব রহমান | ১৩ জুন ২০১৮ ১০:৩৮375540
  • আবার প্রস্তাবনাগুলো একসাথে বলি। বিষয়গুরুত্ব অনুযায়ী ক্রমিক সংখ্যা দেওয়া হয়নি।

    ১) গুরুচণ্ডা৯ ডটকমকে আরও পাঠক-বান্ধব করতে একটি মোবাইল এপ প্রকাশ,

    ২) গুরুর সাইটে হরিদাস পাল/ ব্লগ ছাড়া লগিন বাধ্যতামূলক না করা (এখন যেমন আছে)

    ৩) গুরুচণ্ডা৯র ফেসবুক গ্রুপে ফেক আইডি নিষিদ্ধ করা হোক। ফেক আইডি ফেসবুকের নীতিমালা বিরোধী, তাহলে তা গুরুর গ্রুপে চলবে কেন?

    ৪) গুরুচণ্ডা৯ সাইটের দার্শনিক প্রতিফলন তার ফেসবুক গ্রুপেও থাকতে হবে,

    ৫) গুরুচণ্ডা৯ সাইটের প্রতি লেখার নিচে ফেবু/টুইটার/গুগল+ দিয়ে লগইন দিয়ে মন্তব্য করার বাড়তি অপশন যোগ করা (লগইন ছাড়াও মন্তব্য করার অপশন থাক, এখন যেমন আছে), এর সুবিধা -- এতে মন্তব্যকারীর মন্তব্য তার ফেবু/টুইটার/গুগল+ এও পোস্ট হয়ে যাবে, পাঠক এসব মন্তব্য দেখে গুরুর মূল লেখায় আকৃষ্ট হতে পারেন।

    ইত্যাদি। জ্জয় গুরু!
  • বিপ্লব রহমান | ১৩ জুন ২০১৮ ১০:৪৫375541
  • ** এপারে সবচে বড়ো দুই নিউজ পোর্টাল বিডিনিউজ ও প্রথমালোতে এই অপশন আছে।

    [#bdnews24.com #prothomalo.com/]
  • এলেবেলে | ১৩ জুন ২০১৮ ২১:০৬375542
  • কয়েকটা কথা যা কিনা এলেবেলের নিজস্ব মত বা ভাবনা।

    ১. "ফেসবুকের রিচ এত বেশী এবং যেহেতু অধিকাংশ কম্পিউটা/স্মার্টফোন ব্যাবহারকারী ফেসবুক চালান - নিজেদের মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সময় ফেসবুকের কথাই প্রথম মাথায় আসে। আর একবার ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া দিয়ে অন্যত্র কেনই বা দেবে।"
    এর একমাত্র সমাধান গুরুর ফেসবুক অ্যাডমিনরা গুরুর লেখা ফেসবুকে জানাবেন কিন্তু কমেন্ট করতে বলবেন মূল সাইটে। আমি নিজে যদিও একই বিষয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করার পরও সম্পুর্ণ অন্য ভাষায় ও ভঙ্গীতে আরও বিশদে দুটো সাম্প্রতিক টইতে মন্তব্য করেছি। কপি-পেস্ট করিনি কারণ এলেবেলেকে কেউ সাইটে চিনুক তা চাই না।

    ২. "ব্লগ লেখকদের অনুরোধ করা যেতে পারে এখানে ব্লগে তিনি যেটা লিখেছেন সেটাই ফেবুতে নিজের স্ট্যাটাসে ইনডিপেন্ডেন্ট লেখা হিসেবে না লিখে এই ব্লগের লিংক হিসেবে স্ট্যাটাসে রাখতে এবং সেখানে অংশগ্রহণকারীদের সাইটে সরাসরি মতামত দিতে অনুরোধ করতে।"
    সম্পূর্ণ সহমত। 'আমি সাইটে লিখেছি বন্ধুগণ অতএব লাইকের জয়ধ্বজা ওড়াও' মার্কা লালসা সেই লেখকদের না থাকাই ভালো। লেখার লিঙ্ক দাও এবং সাইটে মন্তব্য করতে বলো। তাতে পোষালে লিখবে না হলে লিখবে না। মিটে গেল।

    ৩. "কিন্তু একটা সিরিয়াস আলোচনা, যেখানে ভেবেচিন্তে মত দেওয়ার ব্যাপার রয়েছে, যে অলোচনার আর্কাইভাল গুরুত্ব রয়েছে, সেরকম আলোচনার জন্য গুরুর মত সেট আপ বেটার। গুরুর আলোচনায় সহজেই ফিরে ফিরে আসা যায়। কয়েকদিন, কয়েক সপ্তাহ এমনকি মাস বা বছর পরেও। এই দিকটায় আরও জোর দেওয়া দরকার।"
    আবারও সহমত। গুরুর সাইট ফেসবুক নয়। এটা একটু গুরুগম্ভীর জায়গা। সিরিয়াস আলোচনার জায়গা। সেখানে তিন লাইনের দায়সারা ফেসবুকীয় মন্তব্যের কানাকড়ি মুল্য নেই।

    ৪. "গুরু তো বাই ডেফিনিশন এমন একটা মাধ্যম যেখানে লেখকরাই পাঠক আবার পাঠকরাই লেখক। তো সেই হিসেব মত গুরুতে যাঁরা ব্লগ ইত্যাদি লেখেন, তাঁরাই যদি শুধু নিজের লেখা ছাড়াও একটু অন্যদের লেখাপত্রে কমেন্ট টমেন্ট দেন, তাহলেই আলোচনা কিছুটা হলেও গড়াতে পারে। 'লেখক পাঠকের ব্যবধান ঘোচানো' যেটা কিনা গুরু ঘোষিত লক্ষ্যও বটে, সেটার দিকেও এক পা হলেও এগোনো যায়।"
    দুর্দান্ত কথা। বিপ্লব রহমান যদিও এই প্রথম এলেবেলের সাথে পরিচিত হলেন, এলেবেলে কিন্তু তাঁর একাধিক লেখা গুরুতেই পড়েছে। মন্তব্য করেছে কি না সেটা বড় ব্যাপার নয়। অথচ বিপুল দাস অমিয়ভূষণের টইতে একটি প্রশ্নের উত্তরও দেননি। এলেবেলে তাঁকে প্রশ্ন করায় রীতিমতো কড়কানির সুরে বলা হয়েছে উনি এসবের উত্তর দিতে দায়বদ্ধ নন। এটাও বন্ধ হওয়া উচিত। যিনি লিখছেন তাঁর উত্তর দেওয়ার দায় অবশ্যই থাকবে।

    ৫. "'গুরুচণ্ডালী ডটকম মোবাইল এপেও প্রকাশিত হোক'-- এই প্রস্তাবনার পক্ষে প্রধান যুক্তি (এবং সম্ভবত একটিই মাত্র যুক্তি) -- গুরুকে আরো পাঠবান্ধব করা, পাঠক টানা, মন্তব্য টানা নয়।"
    এলেবেলে মুক্তমনা নিয়মিত পড়ে, ইদানিংকার চার নম্বর প্ল্যাটফর্মও পড়ে কিন্তু সেখানে মন্তব্য করে না। কারণ সেখানে বড় মন্তব্য করতে সে স্বচ্ছন্দ বোধ করে না। ওখানে অনেকে মত বিনিময় করেন না। এই ওয়ান ইজটু ওয়ান ফর্মুলা আলোচনার ভিন্নমুখিতার বড় প্রতিবন্ধক। গুরু সে তুলনায় অনেক, অনেক ভালো। মোবাইল অ্যাপে বেশি পাঠক টেনে কী লাভ তিনি যদি সরাসরি সে লেখার সাথে সংযুক্তই না হতে পারেন? বরং আউল-বাউল-চোদ্দ চাউল ফেসবুকে যেমন আছেন তেমন থাকুন। গুরুর সাইট থাকুক সিরিয়াস, মনোযোগী পাঠকদের জন্যই। এতে এলিটিজম-এর গন্ধ নেই, এই ছাঁকনির দরকার আছে।

    ৬. "প্রতি লেখার নিচে ফেবু/টুইটার/গুগল+ দিয়ে লগইন দিয়ে মন্তব্য করার অপশন কী রাখা যায়? এতে মন্তব্যকারীর মন্তব্য তার ফেবু/টুইটার/গুগল+ এও পোস্ট হয়ে যাবে, পাঠক এসব মন্তব্য দেখে গুরুর মূল লেখায় আকৃষ্ট হতে পারেন।"
    তীব্র আপত্তি আছে এই প্রস্তাবে। আমি আমার গোপনীয়তা বজায় রাখতে চাই। এই গোপনীয়তা এখানে আমাকে অনেক স্বাভাবিক ভাষায়, ছন্দে লেখার শক্তি দেয়। সেই গোপনীয়তা যেদিন থাকবে না সেদিন মন্তব্যও করব না। ফেবুর বন্ধুকে আমি গুরুতে কী বিষয়ে কী লিখছি তা জাহির করার আদৌ দরকার আছে কি? এই গোপনীয়তা এলেবেলের অধিকার। সে এই অধিকার বিসর্জনের পক্ষে নয়।

    ৭. আমি নিজে সর্বদা প্রথমে টইপত্তরের পাতা খুলি। সে ক্ষেত্রে অনুরোধ নতুন লেখার নোটিফিকেশন গুরুর ফেসবুকে যাক বা অন্তত একজনও সে লেখায় মন্তব্য করলে তা টইপত্তরের পাতায় যেন চলে আসে সে ব্যাপারে পাঠকরা যত্নশীল হন।
  • ডাবের জল | ১৩ জুন ২০১৮ ২১:৩৯375543
  • এলেবেলে, আমিও তীব্র লগিন বিরোধী, অ্যানোনিমিটির পক্ষে। তবে ছয় নং পয়েন্টে বিপ্লববাবু ওটা অপশনের কথা বলেছেন। তো সেটা তো হতেই পারে।
    আমার আপনার মত যারা লগিন করতে চায় না তাদের সেই অপশনও থাকবে এই প্রাস্তাবে। অন্যদিকে, এখন যাঁরা লগিন করে তাদের ফেসবু/ গুগল পরিচয় দেখাই যায়, তা একটু অ্যাডেড জিনিসপত্র হলে তাঁদের ভালো লাগতে পারে, আবার আমাদেরও কোন অসুবিধে নেই।

    অ্যাপের ব্যাপারে, আমিও মনে করি অ্যাপ গুরুর জন্যে উপযুক্ত নয়। অবশ্য আমার এই মত অন্য কারনে।
  • h | ১৩ জুন ২০১৮ ২১:৪১375544
  • একটা সম্পূর্ণ ভলান্টারিজম এর ভিত্তিতে চলা সাইট, একটু সেটা মাথায় রেখে বলাই ভালো।
  • ডাবের জল | ১৩ জুন ২০১৮ ২১:৪৬375545
  • হ্যাঁ, এইটাও। অ্যাপকে ফিজিবল অপশন মনে না করার এটাও একটা কারন। (@হ)
  • S | ১৩ জুন ২০১৮ ২২:২৩375546
  • আমি সম্পুর্ণ অ্যানোনিমিটির পক্ষে। এই আইপিটাও না দেখালেই ভালো। এমনকি গুরু আমাদের আইপি না রেকর্ড করলে আরো ভালো। তাহলে কেউ কোনওদিন চাইতেও পারবেনা। আমরা এখানে অনেকে অনেক কথা লিখে দিই, যা শুনলে অনেকে খুশি নাও হতে পারে। বাংলাদেশে যা ঘটছে, অন্য দেশে তা ছড়াতে বেশি সময় লাগবে না।
  • ডাবের জল | ১৩ জুন ২০১৮ ২৩:৪৫375547
  • পিনাকীদা'র এক নং পয়েন্ট - এইটা নিয়ে অনুরোধ করা যেতে পারে অবশ্যই, কিন্তু অসম্পাদিত নিজের পোস্টের ক্ষেত্রে ঠিক পলিসিগত কিছু করার স্কোপ নেই (সেটা পিনাকীদা বলেও ন, এনুরোধের কথাই বলেছে)। কিন্তু সম্পাদিত লেখা, যেমন বুলবুলভাজা - এর ক্ষেত্রে কি পলিসি? সেটা স্পষ্ট থাকলে ভালৈ হয়। আজকাল নানান কাগজ বা ওয়েব ম্যাগাজিনে এরকম ক্লজ রাখা হয়; সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু একটা নীতি থাকলে ভালো।
  • T | ১৪ জুন ২০১৮ ০০:১২375548
  • প্রথম পাতার গেটয়াপ যা আছে, একদম ঠিকঠাক। এইটাকে বদল করে 'সর্বজনগ্রাহ্য' করার বিপক্ষে।
    পাঠকের মতামত পেলে লেখকের ব্যক্তিগত সালোকসংশ্লেষ জোরদার হবে এইরকম দাবী কল্লে মুশকিল। কেউ কিচ্ছু মতামত দেবে না এটা জেনেও একটি লেখা লেখকের ভেতরের তাগিদ থেকেই দিনের আলোর মুখ দেখা উচিত।
    আর এইসব লগিন ফগিন কী! মোবাইল অ্যাপ! মাইরি, খেপে গ্যাচে নাকি!
    সম্পাদিত লেখাপত্তর অন্য কোথাও প্রকাশিত হ'লে সেখানে রেফারেন্সটুকুন যেন থাকে এইরকম দাবীর সঙ্গে সহমত, কারণ এইটে গুড প্র্যাকটিস।
  • ডাবের জল | ১৪ জুন ২০১৮ ০০:৩১375549
  • টি'র সব পয়েন্টেই দেখছি আমি একমত, ইনক্লুডিং প্রথম পাতার গেটাপ ঃp।
    ইনফ্যাক্ট আধুনিক নো ডিজাইন মতবাদের ভালো উদাহরন গুরুচণ্ডা৯। ইন্টুইটিভনেস নিয়ে উন্নতির স্কোপ তো অসীম, সেসব ভাবতে থাকা ভালো, কিন্তু আমার মতে গুরুর লেআউট ইত্যাদি বেশ চমৎকার। একটু হয়তো খুঁজে পেতে দেখতে হয়, তো মিনিমাম লার্নিং কার্ভও থাকবে না, এই দাবী হচ্ছে মানুষের ভাবনার প্র্যাকটিস কমিয়ে দেওয়ার ফেসবুকীয় ষড়।

    অবশ্য দুই নংএ, ব্যাক্তিগত সালোকসংশ্লেষের ব্যাপারটা কিন্তু ঘটে, এক্কেবারে সাহিত্যকর্মের কথা নয় দিলাম, কিন্তু ধরো খুব সমাজসচেতনতার আহ্বানমূলক লেখায় যদি কেউ প্রতিক্রিয়া না দেয় তবে একটু হতোদ্যম হওয়া স্বাভাবিক বটে। না হলে ভালো হতো, কিন্তু ওটা হয়।

    সে যাই হোক একমতই, পুরো বক্তব্যে।
  • pi | ১৪ জুন ২০১৮ ০১:৫৬375551
  • 'অ্যাডমিনরা গুরুর লেখা ফেসবুকে জানাবেন কিন্তু কমেন্ট করতে বলবেন মূল সাইটে। '

    ওসব বলে কোন লাভ হয়না, মানে প্রতিবার প্রতি কেসে বলেই যেতে হয়, তবে হয় বা হয়না। এতে করে যে বলছে, তার গুচ্ছ সময় যাওয়া, বলে বলে মাউস ব্যথা হওয়া আর হতাশা আসা ছাড়স আর কিছু হয়না।

    এই লেখা শেয়ার ইত্যাদিও একজন দু'জনের উপর থাকলে চাপ ক্লান্তি ঊ হতাশা আসতে বাধ্য। এগুলো অনেকে মিলে করলে, মানে যে লেখা যার ভাল লাগল, কি আরো আলোচনার মত মনে হল, আরো ছড়ানোর মত, একটু নিয়মিত সেটা একটু আধটু করলেও ভাল হত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন