এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • প্রিয় কবিতা

    Riju
    অন্যান্য | ১৮ জুলাই ২০০৬ | ৫৯২০৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sahana | ২৪ ডিসেম্বর ২০০৮ ১১:০১633362
  • a কে.......
    বেচেছিলাম বলেই সবার কিনেছিলাম মাথা
    আর তাছাডা ভাই
    আমরা সবাই
    জেনেছিলাম
    নতুন সমাজ হবে
    চোখের সামনে
    বিপ্লবে বিপ্লবে....

    (মনে পডছে.......লিখছি আবার একটু সাজিয়ে নিয়ে)
  • sahana | ২৪ ডিসেম্বর ২০০৮ ১১:১২633373
  • যাবে খোলনলিচা
    পাল্টে বিচার করবে নীচু জনে
    কিন্তু সেদিন খুব কাছে নয়
    ভাবেন সেটা মনে
    মিত্র বাবুমশায়
    মিত্র বাবুমশায়
    বিষয় আশয়
    বাডিয়ে যান তাই
    মাঝে মাঝে ভাবেন
    তাদের
    নুন আনতে পান্তাই
    নিত্য ফুরোয় যাদের
    সাধ অহ্লাদের
    শেষ তলানিটুকু
    চিরটাকাল রাখবে করে
    পায়ের তলার কুকুর
    সেটা হয়না বাবা......

    সেটা হয়না বাবা
    বলেই থাবা
    বাডান যতেক বাবু
    কার ভাগে কি
    কম পডে যায়
    ভাবতে থাকে
    ভাবুক

    আমর ঢের বুঝেছি
    খেদি পেচি এসব
    নামের আদর

    ..............তাই সাধো
    তুমি সে বন্ধু না
    তুমি সে বন্ধু না
    যে ধূপ ধূনা
    জ্বলে হাজার চোখে......
  • sahana | ২৪ ডিসেম্বর ২০০৮ ১১:২৯633384
  • খুবই দু:খিত। ভেবেছিলাম সবটা মনে আছে,কিন্তু লিখতে গিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে। চেষ্টা অব্যহত রাখছি।
  • I | ২৪ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:২৮633395
  • বরবটির খেত ঘুরে রামনাথ বিশ্বাস রোদ্দুর।
    তুমি খুশি হও, তুমি অভিযোগ কোরো না,
    বোলো না "অভাব', বল "বাড়ন্ত' সকলই,
    বরবটির খেত ঘুরে পর্যটন করছে রোদ্দুর।

    আঙুল হেলিয়ে দোলে বরবটির সার।
    জননী পৃথিবী সুখী, তিনি রাজমাতা,
    রত্নগর্ভা;আপাতত আর কোনো শন্য নেই তাঁর,
    আর কোনো চাষি নেই। মনোনয়নের শস্য নেই।

    তা বলে কী এসে যায়? কচি-কচি বরবটির মুখে
    বাতাস লেগেছে, আর রোদ্দুরের তেজে
    বেড়ে উঠে তারা হেসে কুটি-কুটি নেচে-নেচে সারা;
    এবার মরতে তিনি রাজি। নৌকা খুলে দাও মাঝি।।



    আমি তো আগেই যত সন্তাপ এনেছি রূপান্তরে
    শরদচন্দসন্নিভ সরোবরে।

    আমি কি দুখেরে ডরাই? আমি তো প্রখ্যাত হয়ে আসি,
    রাখি কুবলয় কোকনদে বুক, বুকে মৌহারী বাঁশি।
  • I | ২৪ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:২৯633406
  • লিখতে ভুলে গেছি। আগের কবিতাটি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্তের, নাম "ক্ষান্তি'।
  • I | ২৪ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:৩৮633417
  • সেদিন সুরেন ব্যানার্জি রোডে নির্জনতার সঙ্গে দেখা হল।
    তাকে বলি : এই তো তোমারই ঠিকানা-লেখা চিঠি, ডাকে দেব, তুমি
    মন-পড়া জানো নাকি? এলে কোন ট্রেনে?

    আসলে ও নির্জনতা নয়। ফুটপাথে কেনা শান্ত চিরুনি।
    দাঁতে এক স্ত্রীলোকের দীর্ঘ কালো চুল লেগে আছে।
    (উৎপল কুমার বসু : রাক্ষস)
  • sayan | ২৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ০০:২৯633428
  • ""পুড়ছিল ঐ শ্মশান ভরে কাঠের রাশি
    পুড়তে আমি ভালোবাসি ভালোইবাসি
    পুড়তে আমি চাচ্ছি কোনও নদীর ধারে
    কারণ একটা সময় আছে আসতে পারে
    যখন আগুন অসহ্য হয় নদীর ধারে
    এবং মড়া চাইতে পারে এককুশি জল
    মৃত্যু তখন হয়না সফল হয়না সফল''

    - শক্তিদা
  • I | ২৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১২:৩৩633439
  • ...একদা এমনই বাদলশেষের রাতে-
    মনে হয় যেন শত জনমের আগে-
    সে এসে, সহসা হাত রেখেছিল হাতে,
    চেয়েছিল মুখে সহজিয়া অনুরাগে।
    সে- দিনও এমনই ফসলবিলাসী হাওয়া
    মেতেছিল তার চিকুরের পাকা ধানে;
    অনাদি যুগের যত চাওয়া, যত পাওয়া
    খুঁজেছিল তার আনত দিঠির মানে।
    একটি কথার দ্বিধাথরথর চুড়ে
    ভর করেছিল সাতটি অমরাবতী;
    একটি নিমেষ দাঁড়াল সরণী জুড়ে,
    থামিল কালের চিরচঞ্চল গতি;
    একটি পণের অমিত প্রগল্‌ভতা
    মর্তে আনিল ধ্রুবতারকারে ধ'রে;
    একটি স্মৃতির মানুষী দুর্বলতা
    প্রলয়ের পথ ছেড়ে দিল অকাতরে।।

    সন্ধিলগ্ন ফিরেছে সগৌরবে :
    অধরা আবার ডাকে সুধাসংকেতে;
    মদমুকুলিত তারই দেহসৌরভে
    অনামা কুসুম অজানায় ওঠে মেতে।
    ভরা নদী তার আবেগের প্রতিনিধি,
    অবাধ সাগরে উধাও অগাধ থেকে;
    স্বাতি মণিময় তারই প্রত্যভিষেকে।
    স্বপ্নালু নিশা নীল তার আঁখি-সম;
    সে রোমরাজির কোমলতা ঘাসে-ঘাসে;
    পুনরাবৃত্ত রসনায় প্রিয়তম;
    কিন্তু সে আজ আর কারে ভালবাসে।
    স্মৃতিপিপীলিকা তাই পুঞ্জিত করে
    অমার রন্ধ্রে মৃত মাধুরীর কণা :
    সে ভোলে ভুলুক, কোটি মণ্বন্তরে
    আমি ভুলিব না, আমি কভু ভুলিব না।।

    (""শাশ্বতী''-র অংশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত)
  • I | ২৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:১৮633450
  • ১৭ই জুনের অভ্যুত্থানের পর
    লেখক সমিতির সম্পাদক
    ইস্তাহার বিলি করে জানালেন যে
    জনগণ সরকারের আস্থা হারিয়েছে
    এবং তা ফিরে পাওয়া যেতে পারে
    শুধু দ্বিগুণ প্রচেষ্টায়। তাহলে ব্যাপারটা কি
    ঢের সহজ হয় না যদি সরকার
    জনগণকে বরখাস্ত করে
    ফের নতুন একটা নির্বাচন করে নেয়?

    (সমাধান : বের্টোল্ট ব্রেখ্‌ট, রূপান্তর সন্দীপন ভট্টাচার্য)
  • I | ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:২৭633462
  • ন্যাংটো ছেলে আকাশে হাত বাড়ায়
    যদিও তার খিদেয় পুড়ছে গা
    ফুটপাথে আজ লেগেছে জোছনা;
    চাঁদ হেসে তার কপালে চুমু খায়।

    লুকিয়ে মোছেন চোখের জল, মা।

    (ফুটপাথের কবিতা, বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
  • Du | ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:৪৩633473
  • কেউ একটু জসীমুদ্দিন তুলে দেবে?
  • ranjan roy | ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:৫৬633484
  • বাড়িতে রাঙাবৌ আসিয়া,কয় কথা রাঙামুখে হাসিয়া,
    আমার বাঁশী বাজে তারিয়া নারিয়া রে।
    পাড়ায় পাড়ায় বেড়ায় বউ লালশাড়ি পড়িয়া,
    লালমোরগের রঙীনপাখা নাড়িয়া চারিয়া,
    ও ভাইরে ঝল্‌মল্‌ কি চলমল্‌ করিয়া।।

    বৌ তো নয় সে হলুদপাখি এসেছে উড়িয়া,
    সরষের ক্ষেত হতে ভুলিয়া,
    মনে করে রাখি তারে পিঞ্জিরায় ভরিয়া,
    নইলে যাবে সে উড়িয়া,
    ও ভাইরে, ফুরফুর, কি তুরতুর করিয়া।।
    (জসীমউদ্দিন)।
  • Du | ৩০ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৩:১৪633495
  • ধন্যবাদ, রঞ্জনদা, এখুনি দেখলাম।
  • SRIJIB BISWAS | ৩০ ডিসেম্বর ২০০৮ ১০:৫৪633506
  • আমি আপনাদের এই পেজ দেখে অভিভুত।ধন্যবাদ।
  • I | ৩০ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:১৩633517
  • ভালোবাসা দিতে পারি, তোমরা কি গ্রহণে সক্ষম?
    লীলাময়ী করপুটে তোমাদের সবই ঝ'রে যায়-
    হাসি, জ্যোৎস্না, ব্যথা, স্মৃতি, অবশিষ্ট কিছুই থাকে না।
    এ আমার অভিজ্ঞতা। পারাবতগুলি জ্যোৎস্নায়
    কখনো ওড়ে না; তবু ভালোবাসা দিতে পারি আমি।
    শাশ্বত, সহজতম এই দান-শুধু অঙ্কুরের
    উদ্‌গমে বাধা না দেওয়া, নিষ্পেষিত অনালোকে রেখে
    ফ্যাকাশে হলুদবর্ণ না ক'রে শ্যামল হতে দেওয়া।
    এতই সহজ তবু বেদনায় নিজ হাতে রাখি
    মৃত্যুর প্রস্তর, যাতে কাউকে না ভালবেসে ফেলি।
    গ্রহণে সক্ষম নও। পারাবত, বৃক্ষচূড়া থেকে
    পতন হলেও তুমি আঘাত পাও না, উড়ে যাবে।
    প্রাচীন চিত্রের মত চিরস্থায়ী হাসি নিয়ে তুমি
    চ'লে যাবে; ক্ষত নিয়ে যন্ত্রণায় স্তব্ধ হব আমি।

    (ভালোবাসা দিতে পারি, বিনয় মজুমদার)
  • Ranjan Roy | ৩০ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:৫২633528
  • ইন্দো,
    অপূর্ব, টুপি খুললাম।
  • r | ০৩ জানুয়ারি ২০০৯ ২৩:০১633539
  • যাবো না আর ঘরের মধ্যে অই কপালে কী পরেছো
    যাবো না আর ঘরে
    সব শেষের তারা মিলালো
    আকাশ খুঁজে তাকে পাবে না
    ধরে-বেঁধে নিতেও পারো তবু সে-মন ঘরে যাবে না
    বালক আজও বকুল কুড়ায় তুমি কপালে কী পরেছো
    কখন যেন পরে?
    সবার বয়স হয়
    আমার
    বালক-বয়স বাড়ে না কেন
    চতুর্দিক সহজ শান্ত
    হৃদয় কেন স্রোতসফেন
    মুখচ্ছবি সুশ্রী অমন, কপাল জুড়ে কী পরেছো
    অচেনা,
    কিছু চেনাও চিরতরে।

    (পরস্ত্রী, শক্তি চট্টোপাধ্যায়)
  • I | ০৩ জানুয়ারি ২০০৯ ২৩:০৭633550
  • থ্যাংকু।
    বীরেন চাটুজ্জের ঐ কবিতাটা দিতে পারবে..."তবু আসে, রাজার মত মে-দিন আসে/ ভাঙা হাতেই আমরা লিখি তার কবিতা'?
    আর, পাথরে পাথরে নাচে আগুন-এর পুরোটা?
    প্রতুল-এর গলায় এই গানটা কোথাও আছে, নেট-এ?
  • r | ০৩ জানুয়ারি ২০০৯ ২৩:১৩633561
  • ধায় রাত্রি ধায় রাত্রি আয় ধাত্রী ভান্ড খুলি তোর
    লিখেছি সাতকান্ড আমি খন্ড করে ফ্যাল আমাকে খন্ড হাড় খন্ড ঊরু
    দ্বিখন্ডিত বস্তিদেশ, অন্ডকাটা শিখন্ডিত মুন্ডুঅলা দেহ
    জগৎভূমে নৃত্য করে হাত পা ছুঁড়ে নৃত্য করে
    অগ্নিভূঁড়ি ফাটিয়ে শেষকৃত্য করে তোর
    করে না, কেউ করায় তাকে, ওঠে রে ধূম লক্ষ পাকে
    যজ্ঞভূমে কাটা আঙুল লকলকিয়ে বৃক্ষ আঁচড়ায়
    হা লকলক হো লকলক ভুঁয়ে গড়ায় জ্যান্ত চোখ
    কী আনন্দে স্কন্ধ ছিঁড়ে শরীরহারা কামানো এক মাথা
    যায় রে যায় শূন্যপথে কাটা গলায় অগ্নি পড়ে
    শেষ কামড়ে কামড়ে ধরে বক্ষহারা ভান্ড তোর লৌহলালা খায়

    ধায় রাত্রি ধায় রাত্রি মাতৃধারা যায় রে গঙ্গায়........

    (১২ মে ৮৪ রাত্রির সমস্ত শ্মশানবন্ধুকে, জয় গোস্বামী)
  • r | ০৩ জানুয়ারি ২০০৯ ২৩:১৪633573
  • উঁহু, পতা নেহি।
  • I | ০৩ জানুয়ারি ২০০৯ ২৩:১৬633584
  • তবু থ্যাংকু। কবিতাখানা আবার পড়ানোর জন্যে। শ্মশানের আগুন লাফ দিয়ে দিয়ে ওঠে।
  • I | ০৩ জানুয়ারি ২০০৯ ২৩:২৮633595
  • আন্দোলন

    ময়দান ভারি হয়ে নামে কুয়াশায়
    দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ
    তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া?
    নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই
    তোমার ছিন্ন শির, তিমির।

    নিহত ছেলের মা

    আকাশ ভরে যায় ভস্মে
    দেবতাদের অভিমান এইরকম
    আর আমাদের বুক থেকে চরাচরব্যাপী কালো হাওয়ার উত্থান
    এ ছাড়া
    আর কোনো শান্তি নেই কোনো অশান্তিও না।

    (শঙ্খ ঘোষ, তিমির বিষয়ে দুটুকরো)
  • kS | ০৫ জানুয়ারি ২০০৯ ০৩:১৬633606
  • স্বপ্ন দেখার ভুল করি বলে
    ঘুম এত ভাল লাগে,
    আছে বিশ্বাস তাই নি:শ্বাস
    নিয়মিত অনুরাগে।

    ক্ষণভঙ্গুর যা কিছু মধুর,
    ছুঁতে চাই বারবার,
    থাকবে না তাই ভালোবাসি এই
    জীবনের অধিকার।

    (অল্প, অনিন্দ্য হাজরা)
  • kS | ০৫ জানুয়ারি ২০০৯ ০৩:৩০633617
  • হয়তো এখনও তোদের ঐ খেলাঘরে
    আমার না-থাকা চকিতে নজরে পড়ে,
    হয়তো এখনও বিকেলের আলো এসে
    ডেকে নিয়ে যায় বেড়ানোর উদ্দেশে,
    ছাদের ওপরে আসর সন্ধেবেলা
    গল্প-কবিতা-গান-ধাঁধাঁ, কত খেলা।
    সব কিছুতেই কিছুটা কি নেই ফাঁক,
    দূর থেকে যদি না শুনিস কারো ডাক?
    ঐ ফাঁকাটুকু দেখিস নি মন দিয়ে
    ওটা ভরে ছিল সে তো আমাকেই নিয়ে
    যার না থাকায় মনে হয়- সে যে নেই
    ভাবনায় ভরে থাকে সে তো সেখানেই।
    আর যদি কেউ নাও পড়ে তোর মনে,
    ক্ষতি নেই কিছু, আছে সে বিস্মরণে,
    স্মৃতি যদি তোর, বিস্মৃতি তবে তোরই,
    যেখানে ভুলিস, সেইখানে বাস করি।
    একেবারে মোরে এড়াবি কি তোর সাধ্য
    মনে রেখে দিতে মনে মনে তুই বাধ্য।

    (নাছোড়বান্দা, অনিন্দ্য হাজরা)
  • kS | ০৫ জানুয়ারি ২০০৯ ০৩:৪৭633628
  • কাছে থাকো। ভয় করছে। মনে হচ্ছে
    এ মুহূর্ত বুঝি সত্য নয়। ছুঁয়ে থাকো।
    শ্মশানে যেমন থাকে দেহ ছুঁয়ে একান্ত
    স্বজন। এই হাত, এই নাও হাত।

    এই হাত ছুঁয়ে থাকো, যতক্ষণ
    কাছাকাছি আছো, অস্পৃষ্ট রেখো না।
    ভয় করে, মনে হয়, এ মুহূর্ত বুঝি সত্য নয়।

    যেমন অসত্য ছিল দীর্ঘ গতকাল,
    যেমন অসত্য হবে অনন্ত আগামী।

    (পাণিগ্রহণ, নবনীতা দেবসেন)
  • I | ০৭ জানুয়ারি ২০০৯ ১৩:৪৩633639
  • তখন আমি বাবার পাশেই ঘুমিয়েছিলাম
    আমাকে কেউ ডাকেনি।
    তখন খুব জ্বর বাবার।
    মাথায় জলের ধারা দিতে দিতে মা গাইছিল,
    একা মোর গানের তরী...
    মা কি করে জানতো ! আমি তো তখন ছোট
    আমি তো তখন ঘুমে।
    দুপুরেই বাবা পাশ ফিরতে ফিরতে চলে গেল,
    শুধু ঠোঁট নেড়ে বলেছিল, আগুনের পরশমণি...
    আমার বাবা কেজিবি ছিল
    আমার বাবা সি পি আই ছিল
    ঘাটকাজের পর গীতবিতানের প্রথম খন্ডে উপুড় হয়ে পড়ি
    ৯৪ পৃষ্ঠায় ২১২ নম্বর গানটা নেই।

    উঠোনে তখন অনেক লোক, থৈ থৈ করছে লোক ঘরে-বারান্দায়।
    যাত্রা শুরুর মুহূর্তে শিশিরজেঠু বলেছিল, হরিধ্বনি দিও না কেউ।
    তবে কি মা।
    মা তখন ঐ ৯৪ পৃষ্ঠার ২১২ নম্বর গানটা আগুনের পরশমণি বাবার ঠান্ডা হাতের মধ্যে
    রেখে দিতে দিতে বলেছিল, আমার তো কোনও ঠাকুর নেই
    তুমি ওকে দেখো রবিঠাকুর।

    (রূপক চক্রবর্তী, পঁচিশে বৈশাখ)
  • I | ০৭ জানুয়ারি ২০০৯ ২২:১৫633650
  • ম-য় মুণ্ডু
    ত-য় তলোয়ার
    খেলা চলছে।
    তুমি বলো, আর
    কত হিংসে
    কত যুদ্ধ
    এসো চুমু খাই।
    আগে মুখ ধো ও-
    মুখে গন্ধ
    কাঁচা মাংসের
    দাঁতে হাড়গোড়
    জিভ পানসে...
    লাল সংসার
    নীল আর্মস্ট্রং
    কেন বারবার
    টেনে আনছ
    জানা ইতিহাস
    পড়া গল্প
    যারা চাবকায়,
    তারা ডরপোক।
    তুমি আলাদা।
    আমি কাল তাই
    ফিরে এসেছি।
    চলো পাল্টাই-
    ম-য় মোৎসার্ট
    ত-য় তানসেন
    দ্যাখো ইতিহাস থেকে ইতিহাসে সুর টানছেন,
    আজও টানছেন....

    (শ্রীজাত,মত)
  • san | ০৭ জানুয়ারি ২০০৯ ২২:৪১633661
  • আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে
    ছ্যাঁকা যে কেমন লাগে, সবাই জানে।

    পুড়ে ঘা তৈরি হবে, তবেই তো সে
    জ্বালাবার সাহস পাবে লিখতে বসে.....
    তারও খেল পাল্টে যাবে পরের দানে

    যে ছিল নিয়মভাঙা পাগলা ঘোড়া
    সে হবে সস্তাদামের রাঙতামোড়া
    নো বলে এল. বি হঠাৎ, উনিশ রানে

    তবু তার শিরদাঁড়াকে জল ভেবো না।
    তুমি যা চাইছ সে তো হয় না সোনা
    সকলেই রাস্তা খোঁজে পরিত্রাণের

    অথচ মানুষ মরে দুর্ঘটনায়
    মরা লোক অনেকখানি হালকা শোনায়
    একথা জেনেও যদি মন না মানে -

    আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে
    যা খুশি, যখন খুশি ছোঁয়াও প্রাণে -

    দেখি, কে সাঁতরে বাঁচে এই তুফানে!

    (পূজা, শ্রীজাত)
  • ranjan roy | ০৭ জানুয়ারি ২০০৯ ২২:৫৮633684
  • ইন্দো,
    আরও অমনি রূপক চাই;
    স্যান,
    আরও একটু শ্রীজাত।
  • san | ০৭ জানুয়ারি ২০০৯ ২২:৫৮633672
  • ভেবেছিলাম শিখব পালক
    সফল হলাম অস্ত্রচালনায়

    সমস্তদিন ধান্দা পেটের
    সময় আমার মাংস কেটে খায়

    যুদ্ধে জেতা, যুদ্ধে হারা
    এই হিসেবেই কাটল সারারাত

    অকাজ আমায় করল কাজী
    স্বীকার করি, তোমার বাজি মাত

    নির্বাসনে একলা থাকি
    তোমায় ভেবে উদাস রাখি দিন

    মিটিয়ে নিয়ে ঝগড়াক্ষুধা
    তুমি আমায় বললে উদাসীন।

    বেশ, তা হলে কাজই করি
    জল ঢেলে দিই শুকনো পরিখায়...

    ভেবেছিলাম শিখব পালক,
    সফল হলাম অস্ত্রচালনায়

    (যোদ্ধার ডাইরি থেকে, শ্রীজাত)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন