এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আজাদ কাশ্মীর : আপনার কী মত

    pi
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ২৩৭৭১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dig | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:০৮459937
  • http://www.chathamhouse.org.uk/files/16664_0510pp_kashmir.pdf

    এই সার্ভেতে পরিষ্কার আজাদ কাশ্মীরের লোকজন পাকিস্তানেই থাকতে চায় আর ভারতীয় কাশ্মীরের লোকজন স্বাধীন হতে চায়। তবে কাশ্মীর সমস্যারথেকে গরিবি আর বেকারী তাদের কাছে অনেক বড় সমস্যা। ভারত বছর বছর কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচা করে কাশ্মীরে ভর্তুকি দেয় আবার সেনা মোতায়েন করে রাখে, কাশ্মীর দেশের বাইরে গেলে এই টাকাগুলো বাঁচবে।
  • dig | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:১৪459948
  • 1970 সালের নির্বাচন অনুসারে শেখ মুজিবকে যদি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মেনে নেওয়া হত তাহলে আমার মনে হয় বাংলাদেশ আর পাকিস্তান এক দেশই থেকে যেত।

    আমি পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, আর পশ্চিমবঙ্গ ভারতে থাকায় লাভবান হচ্ছে এটা বুঝি, সুতরাং কাশ্মীরীদের সমস্যাটা হয়ত হৃদয়ঙ্গম করতে পারিনি। তাছাড়া এই মুহূর্তে পাকিস্তানের যা অবস্থা তাতে পাকিস্তানের সাহায্য ক্ষতির নামান্তর।
  • pi | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:১৭459959
  • কাশ্মীরী প্রেসের তো পুরো গলা টিপে ধরা হয়েছে :
    If the government has over 100 civilian killings in 100 days to its credit, it is, off late, being known for having imposed severe restrictions on publication of the Valley-based newspapers to muzzle the truth and deny people the necessary information. And this has not happed for the first time, but many times since it took over the reigns of the state.
    As if humiliating, beating and abusing Kashmiri journalists was not enough, the state government has so far maintained a criminal silence over why the newspapers have been banned for the past one week in particular, and frequently in the past too.

    http://www.greaterkashmir.com/news/2010/Sep/20/govt-silences-kashmir-press-silently-12.asp
  • Ishan | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:৩১459970
  • পশ্চিমবঙ্গ ভারতে থেকে কী লাভবান হয়েছে?
  • Arpan | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:৫২459981
  • কেন? বেঙ্গালুরু যেতে ভিসা লাগে না। ;-)
  • dig | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:০২459992
  • রাজ্যে সব কারখানা বন্ধ করে দিয়েও চাকরি মিলছে ... তাও ভিসা ছাড়াই। লাভ ছাড়া আবার কি?
  • Ishan | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:০৯460003
  • আ। চাকরি। স্বাধীনতার আগে বাংলা ছিল দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পসমৃদ্ধ অঞ্চল। ভারতের সঙ্গে একটুকরো হয়ে টিকে থাকা সেসব লাটে তুলেছে। প্রথমে গিয়েছিল চটকলগুলো। ন্যাজে ন্যাজে আরও অনেক কিছু। মাশুল সমীকরণ, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন আমাদের চাকরি কত্তে বেঙ্গালুরু যেতে হয়।

    লাভটা কী হয়েছে? ইন কংক্রিট টার্মস?
  • Arpan | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৩৭460014
  • আচ্ছা, চাকরি, উচ্চশিক্ষা, স্বাস্থ্যপরিষেবা এই তিনটেই বাদ দিলাম।

    ক্ষতিটা কী হয়েছে? লোকে বাংলা শিখছে না। তা ছাড়া?
  • Arpan | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৪৫460025
  • পয়েন সেটা না। পুরনো যা গেছে তা যাক। মামীর যদি গোঁফ গজাত তালে ভাল হত না মন্দ সেই নিয়ে স্পেকুলেশন করে লাভ আছে?

    পয়েন হল যে প:বঙ্গে যদি এই মুহূর্তে গণভোট করা হয় যে ভারতের থেকে বেরিয়ে যেতে রাজি আছে কিনা মনে হয় না বেশি লোক তাতে হাত তুলবে। কিন্তু একইসাথে সেইটা কাশ্মীরে গণভোটের ব্যবস্থা না করার কোন অজুহাত হতে পারে না।
  • dig | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৫২460037
  • স্বাধীনতার সাথে সাথে অসংখ্য রিফিউজিও এসেছে, গেছে খুব কম।
  • dig | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৫৪460048
  • Arpan, সেই কারণেই আমি বুঝিনা, আলাদা হয়ে লাভটা কি হয়। পশ্চিমবঙ্গ আর কাশ্মীরের জনগণের মানসিকতাও আলাদা।

    আচ্ছা চাথাম হাউসের সার্ভেটা কারো দেখার সময় হল?
  • Arpan | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৫৫460059
  • হ্যাঁ, এইটা অনেক প:বঙ্গীয়ের গোঁসার কারণ।
  • Arpan | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৫৮460070
  • আমার আপনার না বুঝলেও চলবে। যারা বুঝতে চাইছে তাদের বুঝতে দেওয়া হোক। ভারত ব্রিটিশ উপনিবেশ এখনো থাকলেও খারাপ কিছু তো হত না।
  • dig | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০১:১১460081
  • আমার পূর্বপুরুষেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত আর ব্রিটিশ উপনিবেশ থাকবে না। কিন্তু ভারতের চেয়ে অনেক বেশীদিন উপনিবেশ থেকে হংকং (বা বারমুডা, জিব্রাল্টার ও মন্টসেরাট) এর কি কি ক্ষতি হয়েছে সেটা ভাবার বিষয়।
  • kallol | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:৫৭460092
  • হংকং বা সিঙ্গাপুরের সাথে ভারতের তুলনা করে কোন লাভ আছে?
    হংকং, সিঙ্গাপুর থেকে কি কি কাঁচামাল ইংল্যান্ডে যেতো? আর ভারত থেকেই বা কি কি কাঁচামাল যেতো তার হিসেবটা করলেই তফাৎটা বোঝা যাবে।
    হংকং, সিঙ্গাপুর স্ট্র্যাটেজিক বন্দর, তাই হংকং-সিঙ্গাপুরকে ব্রিটিশরা দিয়েছে, ভারত ও অন্যান্য কাঁচামাল সম্বৃদ্ধ উপনিবেশকে শোষণ করে।

    প্রত্যেকটা জাতির অধিকার আছে নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রনের। যে সেটা চায় তাকে সেটা দিয়ে দেওয়াটাই উচিৎ। কে বলতে পারে, যদি কাশ্মীর ৪৭-এ স্বাধীন হয়ে যেতো, তাহলে সুইজারল্যান্ডের মতো উন্নত হতো না? বরং তার অনেক সম্ভাবনা ছিলো। পাঁচ পাঁচটা দেশের সাথে যার সীমান্ত (যার মধ্যে তিনটেই তখন তাবড় দেশ), তাকে বন্ধু হিসাবে পেতে তৎকালীন দুই দাদাই প্রচুর হাত উপুর করতেন। ছোট দাদারাও পিছিয়ে থাকতেন না। তাতে আখেরে কাশ্মীরের লাভই হতো।
  • kallol | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৬:০৩460103
  • আর তা যদি নাও হতো, তো নেপালের মতো হয়ে থাকতো। তাতে কার কি ক্ষতি হতো। বরং ভারতের খরচা কমতো, মাথাব্যাথা কমতো।
    আলাদা না হবার যুক্তিতে তো নেপাল, ভুটান এমনকি শ্রীলঙ্কারও ভারতে ঢুকে যাওয়া উচিৎ তাহলে। ওরা আলাদা থেকে কি খারাপটা হয়েছে?
  • aka | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৭:১০460114
  • শুধুই খণ্ডীকরণ কি চলতে পারে? তাহলে তো প্রথমে প:ব:, তারপর শ্যামনগর, তারপর গাঙ্গুলী পাড়া এর শেষ কোথায়? যে তঙ্কÄ থেকে এই খণ্ডীকরণের পক্ষের যুক্তি এসেছে তার সাথে অন্যদিকে একটা সংযোজন প্রক্রিয়া ছিল - দুনিয়ার মজদুর এক হও। তাই এই তঙ্কÄ একদিকে যেমন ভাঙার কথা বলে অন্যদিকে তেমনি জোড়ার কথা বলে। (এটা ঠিক আমার কথা নয়কো, এক পণ্ডিত বহুকাল আগে বলেছিলেন, তিনি এখন শীতঘুমে রয়েছেন)।

    শুধুই খণ্ডীকরণের ফলে নেপাল ইত্যাদির মতন প্রান্তিক কিছু দেশ তৈরি হবে যাদের গ্রোথ পোটেনশিয়াল প্রায় শূন্য। এই ইস্যুতে মাঝামাঝি কিছু হয় না বলেই মনে হয়। তার মানেই সাম্রাজ্যবাদ বলছি না কিন্তু।
  • tatin | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১০:৪৪460125
  • এই গ্রোথ নিয়ে কমলাকান্তের বিড়ালের একটা গোলা ডায়লগ এক্ষুণি পড়লাম: 'সমাজের ধনবৃদ্ধি না হইলে আমার কি? সমাজের ধনবৃদ্ধির অর্থ ধনীর ধনবৃদ্ধি। ধনীর ধনবৃদ্ধি না হইলে দরিদ্রের কি ক্ষতি?'
  • kallol | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১২:১৭460136
  • 'তারপর শ্যামনগর, গাঙ্গুলীবাগান.........' এই যুক্তিটাই আমি বুঝি না। কোথায় এরকম হয়েছে দেখাতে পরেন কেউ?
    এই টইতেই লিখেছি ১৯৭১-এ বাংলাদেশ আলাদা হলো। তো। তারপর - ঢাকা, নোয়াখালি, সিলেট, চট্টগ্রাম সব আলাদা অহ্যে গেলো, তারপর শাঁখারীপাড়া, কস্কবাজার, বারদি, ময়মনসিং সব আলাদা হয়ে গেলো!!!!!!!!!! কোথায় ?????????

    আলাদা হবার কারনের মধ্যেই নিহিত থাকে কতটা আলাদা হবে। আজ কাশ্মীর আলাদা হলে কেরালাও আলাদা হতে চাইবে কেন? তাহলেতো কেরালাতেও এরকন আন্দোলন থাকতো।
    উ:পূ:তে আছে। পাঞ্জাবে ছিলো (খালিস্তান) এখন নেই। অন্য একটা আলাদা হওয়ার আন্দোলন আছে। ভারতের মধ্যেই আলাদা রাজ্য। বম্বে ভেঙ্গে মহারাষ্ট্র আর গুজরাত। মাদ্রাজ ভেঙ্গে তামিলনাডু আর অন্ধ্র হয়েছে। বিহার ভেঙ্গে ঝাড়খন্ড হয়েছে। উ:প্র ভেঙ্গে উত্তরাখন্ড হয়েছে। পাঞ্জাব ভেঙ্গে হরিয়ানা, চন্ডীগড় হয়েছে। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই একটা জনপ্রিয় চাহিদা ছিলো। প:ব:তে গোর্খাল্যান্ড নিয়ে আছে।
    শ্যামনগর বা আমতলা নিয়ে এমন আন্দোলন বা চাহিদা আছে বলে জনেন কেউ?
    আর রইলো বাকি গ্রোথ পোটেনশিয়াল। যার যার শিয়াল তারাই হুক্কাহুয়া করুক না। সাফ, সার্ক, ইউ এ তো হচ্ছেই।
  • Ishan | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:১৮460148
  • আকাকে এক পিস কথা বলার আছে।

    বাড়বৃদ্ধির পোটেনশিয়ালের সঙ্গে আকারের কোনো সম্পর্ক আছে কি? হংকং, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, এরা তো সবাইই আকারে পুচকে। কিন্তু "উন্নত' দেশ বলে পরিগণিত। আবার প্রচুর গাব্দা দেশ আছে যারা "অনুন্নত'। (উন্নত আর অনুন্নত কথা দুটো কোটেশনে দিয়েছি, কারণ কে "প্রকৃত উন্নত' এই আলোচনায় ঢুকতে চাইনা)। তাহলে?
  • Raj | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:৫২460159
  • দক্ষিণ কোরিয়া- হংকংএর নিরিখে কি মনিপুর-দার্জিলিং কে ফেলা যাবে ? মানে ভৌগলিক অবস্থান - সামাজিক পরিস্থিতির নিরিখে কইছি, তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয় কোনও একটি অঞ্চলের জনগোষ্ঠির ওভারহোয়েলমিং মেজরিটি যদি চায় তাহলে আলাদা হতে বাধা কোথায়
  • kallol | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৪:২৮460170
  • রাজকে ক্ক।
  • shrabani | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৬:৫২460181
  • কাশ্মীরের সাধারণ লোকের ভালো না থাকা থেকেই যত সমস্যা। তারা যদি ভালো থাকত মানে সহজে বেঁচে থাকার জন্য মোটামুটি যা দরকার সেটাও যদি তারা প্রথম থেকে ঠিকঠাক পেয়ে যেত, তাহলে শত রাজনৈতিক উস্কানিতে বা পাকিস্তানী ষড়যন্ত্রেও এত বড় আন্দোলন, ভারতের প্রতি তাদের এত বিদ্বেষ দানা বেঁধে উঠতে পারতনা। আলাদা হবার কথা তারা ভাবতনা। এদেশে মুসলিম পপুলেশন কিছু কম নেই, উত্তরপ্রদেশ বিহার গুজরাট সর্বত্র, তারা কেউ আলাদা রাষ্ট্রের কথা বলেনা বা পাকিস্তানে চলে যাওয়ার জন্যে পা বাড়িয়ে নেই।
    হয়ত কাশ্মীরে উন্নয়ন সেই হারে হলে, আবদুল্লা পরিবার এতকাল ধরে শুধু নিজেদের ভালো না করে রাজ্যের ভালোও করত, কাশ্মীরিরা আস্তে আস্তে নিজেদের এদেশের সাথেই এক করে ফেলত যেমন জম্মু আর লাদাক বাসীরা করেছে।

    আমি তখন স্কুলে পড়ি, এক আত্মীয় আর্মির ডাক্তার, পোস্টিং হল কাশ্মীর বর্ডারে। তার কাছে গল্প শুনেছি, গ্রামের লোকেরা খুব হেল্পফুল ও অতিথিবৎসল ছিল। গেলে আদর করে বসাত, খাওয়াত। তখনও কাশ্মীরে লোকে বেড়াতে যায়, সিনেমায় বরফ মানেই গুলমার্গ, সোনেমার্গ। এখনও মনে আছে উনি মজা করেই বলেছিলেন যদিও যে ঐসব গ্রামের লোকেরা ওনার হাত ঝাঁকিয়ে আদর করে ডাকত, "হিন্দুস্তানী মেহমান" বলে, "আপ হিন্দুস্তান সে ইতনা দুর আঁয়ে হ্যায়, বহুত আচ্ছা"। শুনে সেবয়সে কেমন লেগেছিল, কাশ্মীর আর হিন্দুস্তান আলাদা কেন বলে ওরা?

    তখন কি আমাদের নেতারা শাসকরা ঘুমিয়ে ছিল? যেখানে আর্মি অফিসাররা জানত, সেখানে তারা এই সেন্টিমেন্টের খবর ওপরে দেয়নি এটা হতে পারেনা!
    এতদিন ধরে কি করেছে তারা যাতে কাশ্মীরিরা নিজেদের ভারতীয় মনে করতে চায়, বা ভারতেই থাকতে চায় তার জন্য।
    আজ যখন কাশ্মীরের লোকে বলছে যে তারা ভারতের পুলিশ মিলিটারী কে অ্যাটাক, পাথর ছুঁড়ে কোনো জাতীয়তাবিরোধী কাজ করছেনা, কারণ তারা ভারতীয় নয়, তখন কেন আমাদের খারাপ লাগছে?
    এতবছরেও আমাদের কাছে মানে রেস্ট অফ ইন্ডিয়ার কাছে সাধারণ কাশ্মীরিরা (রাজা জমিদারদের কথা আলাদা, তাদের জন্য কোনো দেশ কালের বাউন্ডারী ম্যাটার করেনা) শালওয়ালা, হাউসবোট চালক হয়েই রয়ে গেছে। কাশ্মীরি তরুন ভুলক্রমে ডাক্তারি পাস করলে আজ ষাট বছরে তা হেডলাইন হয়!
  • aka | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৮:১৪460192
  • এক, তাতিন ধনীদের ধন বৃদ্ধি না হলে সমাজে টাকা ঢালবেটা কে? আর টাকা যদি না ঢালে তাহলে ইন্ডাস্ট্রী হবে কেমন করে? আর লোকেই বা চাকরি পাবে কেমন করে? ইত্যাদি।

    দুই, শ্যামনগর, গাঙ্গুলীপাড়া (বাগান নয় :)) এসেছে তঙ্কÄ হিসেবে খন্ডীকরণের ন্যাচারাল এক্সটেন্সন হিসেবে। নীতিগতভাবে গোর্খাল্যান্ড মেনে নিলে নীতিগত ভাবে এই ভাঙাও মেনে নিতে হয় - হাইপোথেটিকাল এক্সেটনসন। যদি না মানি তাহলে বাউণ্ডারিটা কোথায়? কিসের ভিত্তিতে? সেটাই জানার।

    তিন, ঈশান, আকারের সাথে ইকনমিক গ্রোথের সম্পর্ক আছে আবার নেই। সিঙ্গাপুরের বা হংকংয়ের নেই কিন্তু ভারতের আছে। এর কোন জেনেরিক উত্তর বোধহয় নেই। বোধহয় বললাম কারণ জানি না। মূল প্রশ্ন নীতিগত ভাবে খণ্ডীকরণকে সমর্থন করা নিয়ে। আগের পয়েন পশ্য।

    চার, ওভারহোয়েলমিং মেজরিটি অত্যন্ত ভেগ কথা। কত শতাংশ লোক চাইলে ওভারহোয়েলমিং বলে মানা হবে? আর তা জানাই বা যাবে কি করে?

    পাঁচ, স্কোপ ডিফাইন করে নেওয়া ভালো, আমি যা বলছি ভারতের রেসপেক্টে। হংকং বা সিঙ্গাপুর বা তাইওয়ান অন্য গল্প। সেখান থেকে সোজাসুজি ভারতে ম্যাপ করা যায় না।

    সাইডনোট, পৃথিবীতে 'উন্নতির' আর কোন সংজ্ঞাই নাই, বাড়ি চাই, গাড়ি চাই, মোবাইল চাই, গীটার চাই, পাঁঠা চাই, রাম চাই, সিগ্রেট চাই, এসব করে শরীর খারাপ হলে হসপিটাল চাই, আর সব কিছুর জন্যই টাকা চাই। মেটিরিয়াল মেটিরিয়াল মেটিরিয়াল এবং তারজন্য টাকা।
  • Ishan | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২২:৫১460203
  • সিঙ্গাপুর বা তাইওয়ানের নাম এমনি বলিনি। সিঙ্গাপুরের কথাই ধরা যাক। ভারতের কোনো পুচকে অঙ্গরাজ্যের সঙ্গে প্রচুর মিল। পুচকে দেশ। বহু ভাষাভাষী। বহু জাতিক। ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল। একদা মালয়েশিয়ার অংশ ছিল। যদ্দূর জানি অবস্থান ছাড়া ভৌগোলিক আর কোনো সুবিধে নেই। আইনকানুনও মান্ধাতা আমলের ব্রিটিশ আইন অনুসারী। কলোনির ছাপ স্পষ্ট। কদিন আগে পর্যন্ত বেত্রাঘাত একটি বহুল প্রচলিত শাস্তি ছিল (এখনও মনে হয় আছে), যেটা "উন্নত' কোনো দেশে অকল্পনীয়। ভারতেও এরকম নেই। বরং কাশ্মীর টাশ্মীর আলাদা হলে এরকম হতে পারে :)।

    এ পর্যন্ত টিপিকাল দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় বিশ্বের দেশ। ভারতের সিকিম জাতীয় কোনো অঙ্গরাজ্যের মতো। কিন্তু পুরোটা এক নয়। অবশ্যই নয়। তফাতটা হল মনিপুর-টনিপুর ভারত থেকে আলাদা হবার চান্স পায়নি, কিন্তু সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়া থেকে বেরিয়ে এসেছিল। পুচকে দেশ একা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তারপরই হুহা "উন্নতি'।

    কাছাকাছি ইতিহাস তাইওয়ানেরও। স্লাইটলি বেশি কমপ্লিকেটেড। বিশদে গেলাম না। কিন্তু কথাটা হচ্ছে, "উন্নত' দেশ হতে গেলে আকার, ঐক্যবদ্ধতা, ভাষা/জাতির ঐক্য কিসুই লাগেনা। সিঙ্গাপুর তার প্রকৃষ্ট প্রমান।

    পোশ্নোটা হল, তাহলে কী লাগে? একটা কারণ আমি ইচ্ছে করেই অমিট করেছি। :) কিন্তু কারণ তো একটা নয়। আলাদা হলেই প্রান্তিক হয়ে যাবে, এটা বলার আগে, সেগুলো নিয়ে ভাবা দরকার।
  • Ishan | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:০৮460214
  • এবার দুই নং পয়েন্টে আসা যাক। নীতিগতভাবে খন্ডীকরণের বিরোধিতা। যুক্তিটা এরকম: রাজ্য যদি আলাদা হয়, তারপর জেলা আলাদা হবে। জেলা হলে ব্লকও আলাদা হতে চাইতে পারে। ব্লক চাইলে পাড়াই বা চাইবেনা কেন? কোনখানে আটকাবো? একটা মেনে নিলে অন্যটাকে কেনইবা আটকাবো?

    পরিচিত যুক্তি। এরকম যুক্তি আরও অন্যান্য ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পাই। একটা উদাহরণ দিই। ভারতীয় নির্বাচনে "কাউকে ভোট দেবনা' জাতীয় একটা অপশন রাখার দাবী দীর্ঘদিন ধরে রাখা হচ্ছে। এটার বিরুদ্ধে যাঁরা বলেন, তাঁরা অনুরূপ একটা যুক্তি দেন। তাঁরা বলেন, আজকে শতকরা দশটা লোক যদি "কাউকে ভোট দেবনা'তে ছাপ মারেন তো গণতন্ত্রের কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু দশের জায়গায় ওটা বিশ হতে পারে। চল্লিশ হতে পারে। এমনকি একশও হতে পারে। একবার জিনিসটা শুরু করলে আটকাবো কোথায়? আর না আটকালে গণতন্ত্র টিকবে কিকরে?

    তা, এই দুই নং সমস্যাটার একটা স্ট্যান্ডার্ড উত্তরও আছে। বলা হয়ে থাকে, যে, যদি এমন হয়, যে, গণতন্ত্রের শত শতাংশ মানুষের ব্যবস্থাটার প্রতিই অনাস্থা আছে, তাহলে সেটা টিকিয়ে রাখার কোনো মানে আছে কি? একই কথাটা আমি প্রথম সমস্যাটার উত্তরেও বলব। যে, যদি "দেশ' এর এমন অবস্থা হয়, যে, প্রতিটি পাড়া, প্রতিটি বাড়িই আলাদা হতে চায়, তাহলে সেই তথাকথিত "দেশ'টিকে টিকিয়ে রাখার পিছনে কোনো যুক্তি আছে কি আদৌ? থাকলে সেটা কি?
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:৪৪460225
  • আকাদা, যুক্তির হাইপোথেটিকাল এক্সট্রাপোলেশন করে নীতিগত বিরোধিতা করতে হলে তো আরো অনেক ক্ষেত্রেই বেশ মুশকিলে পড়তে হবে। এই যেমন, সবাই বার্থ ক®¾ট্রাল কি অ্যাবরশান করালে পৃথিবী জনশূন্য হয়ে যেতে পারে, অতএব এগুলোর নীতিগত বিরোধিতা করা উচিত ইত্যাদি :)
  • G | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:৪৫460236
  • আরো একটা বেসিক নীতিগত প্রশ্ন আছে কিন্তু।
    একটা যৌথ পরিবারের কথা ভাবুন। একটা কর্ণার আলাদা হতে চাইল। সেটা কি একা সেই কর্নারের ডিসিশন? পরিবারের বাকিদের সেই সিদ্ধান্তে কিছু বলার অছে কি? Right to self-determination-এ কিন্তু এটা একটা প্রশ্ন যেটা আমরা খালি ভুলে যাই।
    অবশ্যই, সহজ উত্তর পরিবারের ক্ষেত্রে, দেখতে হবে বাকিরা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কিনা (ভালো চাকরি পেয়েছি, ভাগ দিতে চাই ন, তাই বেরিয়ে যাচ্ছি), উল্টোদিকে বর্তমান কাঠামোতে সেই কর্ণার কতখানি শোষিত বা অত্যাচারিত হচ্ছে ইত্যাদি। তাই এই স্ব-নির্ধারণের অধিকার universal নয়, ডিপেন্ড করে ইতিহাসের উপর।
    কাশ্মীরের ক্ষেত্রে তাই এই মর‌্যাল অধিকার মেনে নিতে আমার আপত্তি নেই, কিন্তু আজ বম্বে শহর বা তামিলনাডু বা একা আম্বানি আলাদা হতে চাইলে বকি দেশের বাধা দেবার আধিকার আছে বৈকি।
  • aka | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:৫১460247
  • প্রথম পোস্টের উত্তরে ঐরকম ম্যাপ করা যায় নাকি?

    তাহলে তো আজ পাকিস্তান আর ভারতের একই রকম উন্নতি হওয়া উচিত ছিল। দুটো দেশের তো ইতিহাস, ভূগোল, রাজনীতি সবই এক।

    দ্বিতীয় পোস্টের উত্তর, এক, সেটাই তো প্রশ্ন কি করে জানা যাবে যে 'ওভারহোয়েলমিং মেজরিটি' আলাদা হতে চায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তো পাওয়ারফুল কিছু লোক তাদের মতকে সবার মত বলে চালায়। পদ্ধতি কি?

    দুই, আরও বেসিক প্রশ্ন হল নীতিগত ভাবে ক্ষণ্ডীকরণ মানেন কি মানেন না? মানলে কতদূর অবধি ভাঙা যেতে পারে আর কোথায় থামব?
  • pi | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:১০460259
  • এই পরিবারের অ্যানালজিটা আমার ও মনে হয়। কিন্তু কয়েকটা প্রশন বেশ জটিল, সন্তান যদি শোষিত বা অত্যাচারিত না ও হয়, শুধু তার ইচ্ছা, সুবিধা, কমফর্টের জন্য ই বেরোতে চায়, তাহলেও নীতিগতভাবে বিরোধিতা করা যায় কি ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন