এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Du | ০১ জুন ২০১১ ০৯:২৬472952
  • রঞ্জনদা, কিছু মনে করবেন না, রক্ষা করার প্রয়োজন নেই। সিপিএম মার খাক, আমাদের নাম গালাগালি হোক, সহ্য হবে সবই।
  • Bratin | ০১ জুন ২০১১ ১০:৫৮472963
  • রঞ্জন দা, দুর্গা দির সাথে একমত। একটা দলের সব ভালো সব খারাপ হতে পারে না। সিপি এম এখন তেমন ভালো কাজ করেনি কিছু কিছু জায়গায় ব্যর্থ হতে পারে কিন্তু তাতে ভুমি সংস্কার ব্যবস্থা,পঞ্চায়েত রাজ ইত্যাদি নিয়ে রাজ্যের যা যা উন্নয়ন করেছে সেটা মিথ্যে হয়ে যায় না।

    আর 'সিপি এম' একটা গালাগালি এই কথা টার তীব্র প্রতিবাদ জানালাম। এটা ঐ দলের সঙ্গে যুক্ত,তাদের আদর্শে অনুপ্রাণিত সকল কে অপমান। কোন ভাবেই এটা গ্রহণোযোগ্য নয়।
  • anirban | ০১ জুন ২০১১ ২১:৩১472974
  • রঞ্জনদার সাথে একমত। রাজনৈতিক বক্তব্য থাকলে বলুন।
  • Ishan | ০১ জুন ২০১১ ২২:৪৭472985
  • উফ এইটা এতক্ষণ দেখার টাইম পাইনি।

    বিপকে মনে হয় বলে লাভ নেই। তবু বলি। রাজনৈতিক আক্রমন এরকম না হওয়াই বাঞ্ছনীয়।
  • ranjan roy | ০২ জুন ২০১১ ০০:২৮472996
  • দু,
    আমাকে ভুল বুঝেছো। আমি হরিদাস পাল, সিপিএম-তৃণমূল-মওবাদী-কংগ্রেস-- কাউকেই মারার বা বাঁচানোর আমি কে? যারা বাঁচবে বা মরবে সেটা তাদের নিজের কাজকর্মের ফলেই হবে।
    আর গুরুর টই কোন বধ্যভূমি নয়।
    আমি চেষ্টা করছি সিরিয়াস বিতর্কের খোলা স্পেসটা বাঁচাতে।
    সিপিএম কে সিরিয়াস পলিটিক্যাল পার্টি না ভাবলে ওদের নিয়ে বা ওদের পলিসি নিয়ে এত কথা বলার কি আছে?
    আর তুমি-আমি-বিপ্লব যাই ভাবি না কেন, বঙ্গের এক বেশ বড় জনসমষ্টি সিপিএম এর সমর্থক এবং উন্নয়নের বিতর্কে সিপিএম মডেল একটি প্রাসংগিক প্যারাডাইম।
    টইয়ের পাতাকে খেউড়ের পাতায় নামিয়ে আনার প্রতিবাদ করেই যাব।
  • ranjan roy | ০২ জুন ২০১১ ০০:৩৮473007
  • আর কোন-না-কোন তঙ্কেÄর দোহাই দিয়ে সব দলই খুনজখমের সমর্থন বিভিন্ন সময়ে করেছে। কেউ শ্রেণী সংঘর্ষ, কেউ জাতি, কেউ ধর্ম, কেউ সন্ত্রাসবাদ---- ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। আজ নেপালে মাওবাদীদের কি বলা হবে? কেরলে সিপিএম সমর্থকদের কি বলবো? ভারতের সংবিধান ও নির্বাচন কমিশন যে দলকে আইনসম্মত ন্যাশনাল পার্টি বলেছে তাদের অভিধা গালাগালের সমতুল্য!
    হে ঈশ্বর!
  • Sibu | ০২ জুন ২০১১ ০০:৪৪473018

  • “"Well," said Pooh, "what I like best -- " and then he had to stop and think. Because although Eating Honey was a very good thing to do, there was a moment just before you began to eat it which was better than when you were, but he didn't know what it was called”
  • MR | ০২ জুন ২০১১ ০৫:৩১473029
  • এখান্‌কার publicদের (কিছু কিছু জনের) কি memory loss হয়েছে? জিতে বেশ সাধু (২) ভাব। থিক যেন কার মতো? অন্য টই গুলির কি উধৃতি লাগবে?
    একেই বলে ন্যাঁকার মার বড়ো গুষ্টি।
  • PT | ০২ জুন ২০১১ ১০:৫৮473040
  • @ Mridul
    আপনার 31 May 2011 -- 08:16 AM পোস্টিং-এ একটা প্রশ্ন ছিল - মমতার সিংহাসনে বসার পেছনের কুশীলবদের অস্বীকার করা হবে না তো?

    এই লিংকে তার খানিকটা উত্তর পেতে পারেন:

    When the swearing in ceremenony of the new government took place, many people from the civil society were invited officially. People who never joined the protest movements during Singur and Nandigram uprising were also invited. But Tarun Sanyal and Dilip Chakraborty did not receive any invitation. I have enquired about this and Sri Himangshu Halder, editor of Shoptaho and an elderly activist confirmed that these two personalities and Asim Giri did not receive any invitation card. Everyone knows that it was not Rajbhaban that sent out all the cards. Some people who are close to the Hon’ble Chief Minister, Mamata Banerjee, are known to have decided on who should receive an invitation card and who should not.
    http://www.kabirsumanonline.com/home/2011/05/25/what-a-shame-and-betrayal/
  • kallol | ০২ জুন ২০১১ ১৬:২১473052
  • বিপ - রোজ একটা বেল খান।
  • Biplab Pal | ০৩ জুন ২০১১ ০২:২১473063
  • এই যে কল্লোল বাবু...
    এত বেল বেল করছেন কেন বলুন ত? আপনার কি কোষ্ঠকাঠিন্য?
  • kallol | ০৩ জুন ২০১১ ০৭:২১473074
  • তবে তো আমি নিজেকেই বেল খেতে বলতাম। তাই না?
  • kallol | ০৩ জুন ২০১১ ০৭:২৪473085
  • কিন্তু তা তো আমি নিজেরে কই নাই। আপনারে কইসি। অন্য অ্যাকখান টইতে দ্যাখলাম আমনারে অরিন্দম কলাও খাইতে কইসে।
  • y | ০৩ জুন ২০১১ ০৭:৪৩473107
  • ঘুঁটে ও হামিদের নানী
    - কমলেশ পাল

    আমাদের ঘুঁটে চাই উনুন জ্বালাতে
    সে-ঘুঁটে জোগান দেয় হামিদের নানী।
    হামিদ ফেরার। তাকে থানাবাবু খোঁজে মাঝে মাঝে।
    হেঁসোর একটি কোপে আমিনুল্লা চৌধুরীর হাত
    কেটে সে পালিয়ে গেছে। ধানের বখরা নিয়ে আগে
    এরকম রক্তপাত হয়নিকো আমাদের গাঁয়ে।
    হামিদের কথা যদি জিজ্ঞাসা করে,
    নানী বলবে : শত্তুর ! শত্তুর !

    নানীর কোমরে বাত, ঝুঁকে গেছে হাড়ের কাঠামো।
    মাথায় শনের মতো রুখুশুখু না-তেল চুলের
    নুড়ি নিয়ে ঝুড়ি কাঁখে ঘোরে মাঠে চৌপর দিন;
    যখনই গোবর দ্যাখে খুঁটে তোলে ক্ষুধার্ত আঙুলে।

    রোদ্দুর ঝিমিয়ে এলে নানী দেয় ঘুঁটে।
    গোরের পাঁচিল জুড়ে তার শীর্ণ পাঁচ-আঙুলের
    জেদী ছাপ ফুটে ওঠে অতি ক্রুদ্ধ ভ্রূকুটির মতো --
    অজস্র চড়ের মতো তালতাল গোবরের ঘৃণা ও আক্রোশ
    ছুঁড়ে দেয় বিরুদ্ধ দেওয়ালে --
    পড়ন্ত আলোয় যেন চুল তার শিখা হয়ে ওড়ে।
    "শত্তুর ! শত্তুর !" প্রতিটি নি:শ্বাসে তার
    নিপাতের বীজমন্ত্র ঝরে পড়ে সম্ভবা মাটিতে।

    শত্তুর হামিদ ? নাকি, হামিদের বিরুদ্ধবাদীরা?
    উত্তর সহজ নয়। কেবল রাত্তির সন্নিপাতে
    সময়ের নিদ্রাতুর দ্রোহহীন গালে
    অজস্র ঘুঁটের চড় মেরে যায় হামিদের নানী।
  • y | ০৩ জুন ২০১১ ০৭:৪৩473096
  • ঘুঁটে

    গরু বা মোষের মল অর্থাৎ গোবর শুকিয়ে গেলে তাকে বাংলায় বলে বলে ঘুঁটে। শুকালে গোবরের চটচটে ভাব বা গন্ধ কোনটিই থাকে না, রংঅও ভিজে গোবরের থেকে অনেকটা ফরসা হয়ে যায়। ঘুঁটে নানা দেশে জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার হয় এবং নানা দেশে এর নানা নাম (যেমন dungcake, cowdungbiscuits, buffalochips)। ভারতীয় উপমহাদেশে গোবরকে জ্বালানী হিসাবে ব্যবহারের জন্য গোল গোল চ্যাপ্টা চাকতি হিসাবে শুকানো হয়। ঘুঁটে বলতে সাধারণত: এই খয়েরী রঙের চাকতিগুলিকে বোঝানো হয়। বাংলাদেশে এরকম ঘুঁটে ছাড়াও আরেক রকমের ঘুঁটে তৈরি হয়। যেমন পাটখড়ি/পাটকাঠিতে গোবর মাখিয়ে শুকানো হয় এবং তার পর লাকড়ির মত ব্যবহার হয়।

    প্রস্তুতি: ঘুঁটে দেওয়া

    সাধারণত: নরম থাকতে থাকতে গোবরকে ঘেঁটে সমসঙ্কÄ করে গোল তাল পাকিয়ে সেগুলি হাতের সাহায্যে দেওয়াল বা তেমন কোন শক্ত তলের উপর থপ থপ করে থেবড়ে দিয়ে চ্যাপ্টা করা হয়। একে বলে ঘুঁটে দেওয়া।

    রবীন্দ্রনাথের সহজ পাঠে আছে:

    "বড় বৌ, মেজ বৌ, সেজ বৌ মিলে।
    ঘুঁটে দেয় ঘরের পাঁচিলে।অ।"

    গোবর হাওয়ার সংস্পর্শে শুকিয়ে শক্ত হয়ে ঘুঁটে হয়ে যায়। জলীয় অংশ কমে যাবার ফলে এর আয়তন সঙ্কোচন হয়। হাতে করে থেবড়ানোর জন্য ঘুঁটের বাইরের তলে হাতের তিন চার আঙুলের ছাপ থাকে। পিছনের তলটি সাধরণত: দেওয়ালের ন্যায় সমতল হয়। দেওয়ালগুলি এমন ভাবে বাছা হয় যাতে রোদ পড়ে ও ঘুঁটে তাড়াতাড়ি শুকায়। শুকিয়ে গেলে ঘুঁটে দেওয়াল থেকে সহজেই খসিয়ে নেওয়া যায়। কাঁচা ঘুঁটে দেওয়াল থেকে খোলার চেষ্টা করলে ভেঙে যায়। প্রায় শোকানো ঘুঁটে দেওয়াল থেকে ছাড়িয়ে নেবার পর গোছা গোছা করে রোদে রেখে আরো ভালো করে শুকানো হয়। তখন ঘুঁটে সমতল না থেকে একটু বেঁকে চুরে যেতে পারে। যে ঘুঁটে যত ভালো শুকানো হয় তা ততো সহজে জ্বালান যায়। তাই ভালো করে শুকানো ঘুঁটের কদর বেশী। একএকটি ঘুটে দেখতে বড়সড় মনে হলেও ঘুঁটে সমান আয়তনের কয়লা বা এমনকি কাঠের থেকেও অনেক হালকা।

    জ্বালানী

    ঘুঁটে জ্বালানী হিসাবে কাজ করে কারণ গরু মোষের মলে অনেক অপরিপাচিত বা অর্ধপাচিত ঘাস ইত্যাদির কাষ্ঠল তন্তু থাকে যা সহজেই জ্বলে। এর কিছু অংশ দাউদাউ করে জ্বলে গেলেও বাকী অংশ অনেক্ষণ অবধি ধিকিধিকি জ্বলতে থাকে, যাতে ভালো ধীর আঁচের রান্নাও করা যায়।

    ধোঁয়া

    ঘুঁটের আগুনে মাঝারি রকমের ধোঁয়া হয়। এই ধোঁয়ায় ভালোভাবে মশা তাড়ানোর জন্যও অনেকসময় ব্যবহার হয়। গ্রামবাংলায় বিশেষ করে গোয়াল ঘরে রাত্রে মশা তাড়াবার জন্য ঘুঁটের ধুনি জ্বেলে রাখার রেওয়াজ আছে।

    ভষ্ম: ঘুঁটের ছাই

    ঘুঁটের ছাই/ভষ্ম (Ash) প্রায় সাদা, ঈষ্‌ৎ কালচে (একে "ছাই ছাই" রং বা ash-color বলা হয়)।অঘুঁটের ছাই অনেক সময় গ্রামে দাঁত মাজার জন্য ব্যবহার হয়। খুব নরম এবং কয়লার ছাইয়ের মত শক্ত নয় (বিশেষ করে কয়লার কাঁকড় হীন) তাই দাঁতের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা কয়লার ছাইয়ের থেকে খুবই কম। কয়লার ছাই দিয়ে দাঁত মাজলে কাঁকড়ে দাঁতের এনামেল ঘষে যাবার সম্ভাবনা থাকে।

    ঘুঁটে সম্পর্কিত বাগধারা ও কথ্য ব্যবহার

    * "ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে" মানে নিজের অবশম্ভাবী বিপদ সম্বন্ধে অজ্ঞানতা।
    * "শুকিয়ে ঘুঁটে হওয়া" মানে খুব কড়া ভাবে শুকানো।

    গ্রামবাংলায় ঘুঁটে জ্বালানী হিসাবে অত্যন্ত সহজলভ্য হলেও ঘুঁটে দেখতে অমসৃণ, এবং এটি গরুর মল দিয়ে তৈরি বলে এর অপযশ আছেই। "ঘুঁটের মেডেল" বা "ঘুঁটের মালা" ইত্যাদি অসম্মানজনক উপহার হিসাবে ব্যবহার হয়।
  • y | ০৩ জুন ২০১১ ০৭:৪৪473118
  • গ্রাম বাংলায় রান্নাঘরের উনুনে জ্বালানি হিসাবে ঘুঁটের ব্যবহার বহু দিনের। ঘুঁটে বিক্রি করে সংসার চালান, এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয়। তাঁদের বেশিরভাগেরই অবস্থান দারিদ্রসীমার নীচে। গ্যাস-ওভেনের রমরমায় মন্দা দেখা দিয়েছে সেই ঘুঁটের বাজারে।

    পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি-১ ব্লকের রাইপুর পশ্চিমবাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম শ্রীরামপুর গ্রামের সন্ধ্যা-কাজল-সাবিত্রীদেবীরা জানালেন, একশো দিনের কাজে গড়ে পাঁচ দিনও কাজ মেলেনি। ঘুঁটে বিক্রি করে তবু মাসান্তে হাজার টাকার মতো রোজগার হয়। এখন সেখানেও টান পড়ায় চিন্তা বাড়ছে। বিকল্প রোজগারের উপায় জানা না-থাকায় সমস্যা দেখা দিয়েছে।

    গ্রামাঞ্চলে যাঁদের জমিজমা বিশেষ নেই, সেই সব ‘দিন আনি দিন খাই’ পরিবারের সদস্যরাই এই কাজে হাত লাগান। বাড়ির গরু আছেই। এ ছাড়াও, মাঠে-ঘাটে যেখানে গরু চরে বেড়ায়, সেখান থেকে গোবর সংগ্রহ করতে হয়। সেখানেও প্রতিযোগিতা রয়েছে। সে সব পেরিয়ে সংগ্রহ করা গোবর শুকিয়ে বাজারে বিক্রি করা হয়। এক এক জন দিনে ৫০-৩০০টার মতো ঘুঁটে তৈরি করতে পারেন। তবে গোটাটাই নির্ভর করে গোবরের জোগানের উপর। বাড়ির দেওয়াল থেকে, মোরাম রাস্তার ধার, নারকেল বা তাল গাছের গায়েও ঘুঁটে শুকোতে দেওয়া হয়। এক জায়গায় তিন-চার দিনের গোবর মজুত করার পরে হয় ঘুঁটে দেওয়ার কাজ।

    অন্যান্য ব্যবসার মতো এখানেও মধ্যসঙ্কÄভোগী লোকের (ফড়ে) অভাব নেই। ব্যক্তিগত ভাবে বাজারে গিয়ে ঘুঁটে বিক্রি করলে যেখানে একশো ঘুঁটে পিছু ১২ থেকে ১৫ টাকা পাওয়া যায়, সেখানে ফড়েদের কাছে বিক্রি করলে মেলে ৫-৭ টাকা। ঘুঁটে বওয়ার খরচ, পরিশ্রম ও সময় বাঁচাতে ফড়েদের হাতেই ঘুঁটে তুলে দেন অনেকে। মাসে ৭০০-১০০০ টাকার মতো আয় হয়। ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ সংসারে তা-ই সই। বাড়ির পুরুষ সদস্যরাও এই কাজে হাত লাগান মাঝে মধ্যে হাত লাগান। পশ্চিম শ্রীরামপুরের সন্ধ্যা বিজলির বয়স পঞ্চাশ পেরিয়েছে। ৫ জনের পরিবার। স্বামী দিনমজুরি করতেন। বয়সের কারণে আর খাটতে পারেন না। নিজেদের এক ছটাকও জমি নেই। সরকারি খাসজমিতেই খড়ের চালায় সংসার। সন্ধ্যার কথায়, ‘‘ঘুঁটে বিক্রি করে যে সামান্য উপার্জন, সেটুকুও এখন যেতে বসেছে। কী ভাবে সংসার চালাব, থই পাচ্ছি না।’’ পশ্চিম শ্রীরামপুরেরই কাজল জানার কথায়, ‘‘একে তো গোবর নিয়েও চলে কাড়াকাড়ি। তার উপরে এখন ঘুঁটেরও তেমন কদর নেই।’’ সন্ধ্যা-কাজলদের মতো দুর্দশা কাঁথির কালিন্দী, রসুলপুর, বগুলান জলপাই, আলাদারপুট, দেশ দত্তবাড় গ্রামের ঘুঁটে বিক্রেতাদের।

    গৃহস্থের হেঁশেলে অনেক দিন আগেই কয়লার উনুনের জায়গা নিয়েছে গ্যাস ওভেন। গাঁয়ের হোটেল, রেস্তোঁরা আর চা দোকানগুলিই মূলত ঘুঁটের খরিদ্দার। অবশ্য সেখানেও কোথাও কোথাও ঢুকে পড়েছে বৈদ্যুতিন হিটার কিংবা গ্যাস। আগে এ সব জায়গার হেঁশেলে ঘুঁটে পুড়লে কাজল-সাবিত্রীদের মুখে হাসি ফুটত। সেই হাসিটুকুও মিলিয়ে যেতে বসেছে। এই অবস্থায় বিকল্প রোজগারই ফেরাতে পারে ওঁদের ভাগ্য।
  • aka | ০৩ জুন ২০১১ ০৭:৪৮473129
  • এগুলো দেফু লিখছে নাকি? দিব্য হচ্ছে একটা টই খুলে লিখলেই তো হয়।
  • siki | ০৩ জুন ২০১১ ০৮:৩২473140
  • কমলেশ পাল কি দেফুর হাত থেকে বেরোয়?

    তবে হচ্ছে বেড়ে কিন্তু।
  • kallol | ০৩ জুন ২০১১ ০৯:৩০473151
  • ওয়াইকে।
    ছাগল পড়েই আপনার ভক্ত বনে গেছি। ঘুঁটে পড়ে শ্রদ্ধা আরও পাকা হলো।
    আপনি প্রায় শিবের সমতুল্য। আপনি নটরাজ।

    আকাকে। এগুলোর আলাদা টই হয় না। হতে পারে না।

    হ্যাঁ, ঘুঁটে বলতে মনে পড়ে গেলো। কেউ যদি দিল্লী থেকে আলোয়ার গাড়িতে চড়ে যান, তবে আলোয়ার পৌঁছানোর ৫০/৬০ কিমির আগে, রাস্তার দুধারে গোবরের বাড়ি দেখতে পাবেন। এগুলো গোবরের তাল, বাড়ির আকার দেওয়া। সেই বাড়ির দেওয়ালে আঙ্গুল দিয়ে নক্সা করা। অনেক গ্রাফিক আর্টকে লজ্জা দেবে।
  • dd | ০৩ জুন ২০১১ ০৯:৩৭473163
  • পুরা ভারতে ঘুঁটের কোনো উল্লেখ ছিলো না। তবে কি প্রাচীন কালে গরুরা মলত্যাগ করতো না ? ভাববার বিষয়।

    গারহপত্ন্য অগ্নি জ্বলতো সব সব সময়ে। মুনিরা অরণি কাষ্ঠ ব্যবহার করতেন। প্রাচীন বাংলায় লোকেরা ছোটো বাস্কে তুলো,সোলা আর চকমকি পাথর রাখতেন, প্রি দেশলাই যুগে।

    ওয়াই মহায় যদি গো ব্যতিরেকে অন্য জন্তুর মলের ঘুঁটের তুলনামুলক আলোচনা করতেন তবে অনেক প্রান্তবাসী মানুষের উপকার হতো।

    জাগুয়ারের মলের ঘুঁটের উপর কোনো তথ্য আছে? আমাজন ফরেস্টের অধিবাসীদের জন্য?
  • pi | ০৩ জুন ২০১১ ০৯:৫০473174
  • জ্বলন্ত ঘুঁটে ও হাস্যমুখ গোবরের ছবি চাই।
  • pi | ০৩ জুন ২০১১ ০৯:৫১473185
  • ডিডিদা, প্রাচীন ভারতে সব গোবর ই কি আঙিনা নিকোতে আর প্রাশ্চিত্তির উপলক্ষে খেতে ই শেষ হয়ে যেত ? ঘুঁটের জন্য কিছুই বাঁচতো না, এরকম হতে পারে কি ?
  • abastab | ০৩ জুন ২০১১ ১১:০০473196
  • বেলের বদলে ইষবগুলের ভুষিতেও ( Psylliumseedhusks ) কাজ হবে।
  • kallol | ০৩ জুন ২০১১ ১১:১৪473207
  • ও তেমন খেতে ভালো নয়। বেল বা কলা খেতেও ভালো খাওয়াও ভালো।
  • kallol | ০৩ জুন ২০১১ ১১:১৫473218
  • প্রাচীন ভারতে লোকে যে রেটে গরু-বাছুর খেতো, গোবর আর পাবে কোথায়?
  • abastab | ০৩ জুন ২০১১ ১২:০২473229
  • নীলমণি দাস মহাশয় বলেছেন লেবু এবং চিনি সহযোগে ইষবগুলের ভুষির সরবত খেতে সুস্বাদু।
  • kallol | ০৩ জুন ২০১১ ১৪:১৩473240
  • আরে রাখুন মশয়। আফটার অল ভুষি ইস ভুষি। সে চিনি লেবু আবারখাবো যাই মেশান।
    হ্যাঁ:, বেল হলো বেল। দেবভোগ্য। কলাও চলতে পারে। হুল্লুমান বাবাও তো দ্যাবতাই।
  • abastab | ০৩ জুন ২০১১ ১৪:৩৫473251
  • অআবারখাবো বলে সন্দেশ ছাড়া কি অআরো কিছু নাকি? না সেটা মেশালে ভালো হবে না। বেল বারোমাস মেলে না। অআর কলার ভীষণ দাম। সস্তায় পেট ও সেই সাথে মাথা পরিষ্কার রাখতে হলে নীলমণি বাবুর কথা শোনাই ভাল।
  • kd | ০৩ জুন ২০১১ ১৫:৪৬473262
  • কে বল্লো বেল সম্বচ্ছর মেলে না? আমাদের পাড়ায় এসো, রোজ বেলের মোরব্বা খাওয়াবো।
  • Bratin | ০৪ জুন ২০১১ ২২:৫৭473274
  • মমতা থেকে বেল। হায় হায় :-))
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন