এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  সিনেমা

  • কহানি

    pi
    সিনেমা | ১১ মার্চ ২০১২ | ২৩৫৩১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • riddhi | ১২ মার্চ ২০১২ ০৯:২২535617
  • মোটমাট চুলকুনি নামে যদি একটা আলাদ তন্ত্র খোলা হয়, তো সেটার কুলকুন্দলিনি জাগ্রত না হলে এই লেভেলে যাস্ট যাওয়া সম্ভব না। এর একমাত্র তুলনা অপরেশ দা যে অক্লান্ত ভাবে বচরের পর বছর ফ্রেসার মেয়েদের সি প্রোগ্রামিং শিখিয়ে যেত।
    পরমব্রত কে তো আজ থেকে দেখছি না। ফিল্ডের পুরনো খেলোয়ার। আজকে মনে হল পুরো জেন-মাস্টার। হতেই পারে বেরোলো পরমব্রতই চতুরতম খলনয়ক, ডনের বাবা
    ভিলেন মিলন মানজি ওর পায়ের জুতো চাটে। তবু এটা একটা দেখাল বটে।

    ওহ হ্যান ধৃতিমান কি বুড়ো হয়ে গেছে। বাপরে! ফাটিয়ে বুড়ো হয়েছে। মুখ তো না, একটা টোপোলোজিকাল ব্লান্দার। সেই মুখে সত্যজিত একবার বুদ্ধির ছাপ দেখেছিলো।
    এতদিন পরে তার কাদর পেল। সিনেমাতে ইন্দিয়ার ইন্টেলিজেন্স বুড়োর বড় কর্তা বা ঐরম গোছের কিছু হয়েছে।
    কিন্তু এক তো নড়তে চড়তে পারছে না, মনে হচ্চে এক্ষুনি ভেঙ্গে চুরে যাবে। আর এই সিনেমার দর্শনটাই হল, যে যেটা সবে্‌চ কম পারবে সেটাই তাকে দিয়ে করানো। মুশি্‌কল হয়েছে ধৃতিমান কি না পারে। এমনকি চোস্ট ইংরেজিও বলে।
    ও, তাহলে ওকে দিয়ে হিন্দি বলাও। হিন্দির জন্য আরো থেমে থেমে কথা বলতে হচ্ছে। যাস্ট হিন্দি বলিয়ে কারুর বয়স দশ বছর বাড়িয়ে দেয়া যায়, এটা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। ওর 'হান, কেয়া বোলা, মে তুম' করতে করতে পরমব্রতর বিদ্যাকে নিয়ে কালিঘাট টু দমদম দশবার আপ-দাউন হয়ে যাছে্‌হ।
    যাই হোক, রানিং কমেϾট্র ছেড়ে পুরোটা দেখে নি।
  • aka | ১২ মার্চ ২০১২ ০৯:২৬535628
  • জ্জিও পাগলা - পুরো বর্ণ সিরিজের মতন। আহা পুরো অসাম শালা মাল নামিয়েছে।
  • pi | ১২ মার্চ ২০১২ ০৯:৩২535639
  • ঋদ্ধি, :))

    প্রথম দেখার ঘোর বেশিক্ষণ রইলো না। রেট্রোস্পেক্ট করলে দৃশ্যের বদলে কেবলি কিন্তুর জন্ম হচ্ছে :((
    থ্রিলারে এত কিন্তু জড়ো হলে অন্য ভালোলাগায় টান পড়ে। যদিও সেগুলো পাওয়ার যথেষ্ট কারণ ছিল।
    যাই হোক, জনতা চটপট দ্যাখো। নইলে মোহ কি নির্মোহ কোন ব ই করা যাচ্ছে না :(
    ঋদ্ধির চ্যাঁড়া ব ই চলুক এখন :)
  • a | ১২ মার্চ ২০১২ ০৯:৩৩535650
  • এই রিদ্ধি কি মুর্শিদাবাদের দিকের পাব্লিক?
  • Netai | ১২ মার্চ ২০১২ ০৯:৪৮535661
  • হাফ টাইম পর্যন্ত সিনেমাটা কিন্তু পারফেক্ট চলছিল।
    যতক্ষন জটগুলো ছিল তত:ক্ষন অসাধারন লেগেছে।
  • pi | ১২ মার্চ ২০১২ ০৯:৫৯535672
  • হ্যাঁ।
  • pi | ১২ মার্চ ২০১২ ১০:০০535683
  • *চ্যাংড়া
  • siki | ১২ মার্চ ২০১২ ১০:৪৭535694
  • এইটা পাই একদম ঠিক্কয়েছে। রেট্রোস্পেক্ট করলে দৃশ্যের বদলে কেবলই কিন্তুর জন্ম হচ্ছে।

    যাক, আমি তাইলে একা নই :-)

    নেতাই, আমার তো হাপটাইমের আগেই কিন্তু পেয়ে গেছিল। পরিষ্কার মনে হল, পরিচালক শুরুতে কিছু কিছু ক্লু ছড়িয়ে রেখেছেন, পরের দিকে ভুলেই গেছেন ক্লু-গুলোর কথা। অ্যারপোর্ট থেকে প্রথম প্যাসেঞ্জার যে কিনা কোনও হোটেল বা বাড়িতে না গিয়ে সো-জা থানায় যাচ্ছে, থানায় গিয়েও এমন স্টেটমেন্ট দিচ্ছে যা আদপেই কনভিন্সিং লাগছে না দর্শক হিসেবে আমার। এই ব্যাপারটা দিয়েও কপু কিসুই করে উঠতে পারল না।

    আইবি-র সেকেন্ড ইন কম্যান্ড খান অ্যাত্তো দৌড়োদৌড়ি করে ঐ পজিশনে থেকেও, যেখানে ধৃতিমান তার ঠিক ওপরে থেকেই (ফার্স্ট ইন কম্যান্ড) একটুও দৌড়য় না, কেবল লালবাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে একটু এদিক ওদিক করে, নইলে আপিসেই বসে থাকে।

    পরমব্রত এবং খানের সম্পক্কোও কনভিন্সিং লাগে নি আমার, ফ্ল্যাশব্যাক মোডে চলে গেলেই অনেক কিন্তুর জন্ম হচ্ছে।

    তবে, সবকিছুর পরেও, বিদ্যা বালন একা ফাটায়ে দিসে। এবং পরমব্রত যে আতা, সেই আতাই রইল।

    ও হ্যাঁ, সিনেমার সবচেয়ে অখদ্যে ম্যাগো পার্ট হল বুড়ো বচপনের গলায় যদি তোর "দাক' শুনে কেউ না আসে "থবে' এগ্‌লা চলো রে। উফ্‌ফ্‌।
  • Ben Arfa | ১২ মার্চ ২০১২ ১০:৪৯535705
  • "থোবে'

    (দেখিনি, রেডিও মির্চিতে শুনলাম)
  • siki | ১২ মার্চ ২০১২ ১০:৫৬535717
  • ইয়েপ। থোবে।

    কিন্তু এত বাঙাঅলি আর্টিস্ট, বাংলা মিডিয়ায় তো কোনও মাতামাতি দেখছি না সিনেমাটা নিয়ে?
  • a | ১২ মার্চ ২০১২ ১১:১১535728
  • তাই ভাবি, আঁতলামির শাক দিয়ে কি আর "দেই, নেই" এর মাছ ঢাকা যায়!!
  • PM | ১২ মার্চ ২০১২ ১২:৩৮535739
  • রেডিফ না টাইম্‌স কোথায় দেখলাম সাপোর্টিং এক্টারদের খুব প্রশংসা করেছে। পরমব্রত কে "রিভিলেসন" বলেছে :) ভাবছি ঐ রিভিউয়ারকে রিদ্ধির ফোন নং টা দিয়ে দেবো :)
  • saikat | ১২ মার্চ ২০১২ ১২:৪০535750
  • ধৃতিমানকে নিয়ে সিকির বক্তব্য বুঝলাম না। সিনেমায় যখন চরিত্রটাকে দেখছি তখন সে আপিসে ব'সে, কিন্তু তা বলে সবসময়ই সে যে আপিসে ব'সে থাকে তা কী করে জানা যাবে? (আমি যখন একটা লোককে ফোন করি সে হয় আপিসে থাকে নয় বাড়ীতে থাকে, কিন্তু তা বলে কি সে শুধু ঐ দুটো জায়গাতেই থাকে?) সে কী করে না করে সেটা দেখাতে গেলে তো অন্য একটা সিনেমা হত, এটা নয়। আর এ ক্ষেত্রে কেনই বা সে দৌড়বে?
  • saikat | ১২ মার্চ ২০১২ ১৩:১০535772
  • আর এয়ারপোর্ট থেকে সোজা পুলিশ স্টেশন যাওয়া ব্যাপারটা যে খুব একটা স্বাভাবিক নয় সেটাও তো সিনেমাতেই বলে দেওয়া আছে, ট্যাক্সি ড্রাইভারের কথার মধ্যে দিয়েই। আর কপু কীভাবে দেখছে বিদ্যার কথাগুলোকে সেটা তো খরাজের একটা ডায়লগ দিয়েই স্পষ্ট, যে ব্যাপারটাকে সে বিশেষ পাত্তা দিচ্ছে না। আর তুমি এই প্রশ্নগুলো তুলছ কারণ তুমি তো "থ্রিলার" দেখতে বসেছ, অতএব প্রশ্নগুলো করছ - দেখতে দেখতে বা রেট্রোস্পেক্ট করতে গিয়ে। কিন্তু কালীঘাট থানার পুলিশরা তো থ্রিলারের মধ্যে নেই, তারা তো অন্যভাবে দেখছে। হ্যাঁ, এখানেও অন্য আর একটা সিনেমা হতে পারে, খরাজের চরিত্রটাকে নিয়ে, যে সে প্রথমে প্রশ্ন করেনি কেন? কপুর ক্ষমতা নিয়ে, থানার অফিসারদের নিয়ে প্রশ্ন নিয়ে তো ইদানীংকার "বাস্তবেও" উঠছে, ভেবে দেখ তোমার প্রশ্নটা অনেকটা সেই দিক দিয়েই এবং সেই হিসেবে তোমার প্রশ্নটা ভ্যালিড।

    আর পরিচালকের ছড়িয়ে রাখা ক্লু তো আছেই, থাকবেই। একটা গোয়েন্দা গল্পে cat and mouse gameটা তো শুধু গোয়েন্দা আর অপরাধীর মধ্যে হয় না, ঐ খেলাটা লেখক আর পাঠকের মধ্যেও ঘটতে থাকে। গল্পে অপরাধী যদি তার অপরাধের চিহ্ন মুছতে মুছতে যায়, যেটা আবার গোয়েন্দা আবিষ্কার করতে করতে যায়, তাহলে লেখককে একই সাথে এই চিহ্নগুলোকে দেখাতে হবে এবং মুছে ফেলতে হবে, পাঠকের জন্য এবং পাঠককে বিভ্রান্ত করার জন্য। ভাল গোয়েন্দা গল্পের শেষে গিয়ে সেই জন্য একজন পাঠক ভেবে উঠতে পারে - "তাই তো, এটা তো চোখে পড়েনি। ' আমার ধারণা এই সিনেমাটাতে পরিচালক দর্শকের সাথে ইচ্ছাকৃতভাবে এই খেলাটা খেলেছেন, সূত্রগুলো রাখতে রাখতে গেছেন, কিন্তু আবার চোখে না পড়ার মত করে, বা দেখতে গিয়ে তখনই চোখে না পড়ার মত করে এবং সেটা করতে গিয়ে সিনেমার কিছু বিশেষ artificeকে ব্যবহার করেছেন, যার একটা নিয়ে আমার বিশেষ আপত্তি আছে।
  • Sddhartha Sen | ১২ মার্চ ২০১২ ১৩:১০535761
  • বচ্চন গান গায় কাহানীর আড়ালে
    জর্জ দা কবরে কাঁদে `এ কি গাঁ* মারালে!`
  • de | ১২ মার্চ ২০১২ ১৩:২২535783
  • উইক-এন্ডে দেখতে যাবো -- কিন্তু তার আগে, আপিসের পোচ্চুর অবাঙালী লোক রেকো কল্লো -- পরমব্রতের পাখা হয়ে গ্যাছে অনেকে, চোকে-চোকেই নাকি অভিনয় করেচেন পরমবাউ -- শুনে হাসবো না কাঁদবো ঠিক্কর্তে পাল্লাম না! :)
  • T | ১২ মার্চ ২০১২ ১৩:২৯535794
  • মিডিয়াফায়ের থেকে নামিয়ে দেখলুম। যিনি আপ্লোডাইছেন, তিনি নিজের বুদ্ধিমতো কিছু কিছু দৃশ্য বাদ দিয়েছেন। সাউন্ডও বেশ বাজে। ফলে খিচুড়ী মার্কা কিছু একটা দেখলুম। কিন্তু কিছুতেই বুইলুম না কেন বিদ্যাবালনকে প্রেগন্যান্ট সাজার দরকার হল। (কোথাও কি ক্লু কিছু বাদ দিয়ে গেলুম)। ন্যাশনাল ডেটা সেন্টারের সামনে ঐ চা ওলাকে দিয়ে আইডেন্টিফিকেশনটাও দাঁড়ায়নি। ক্লাইম্যাক্সে বিদ্যা স্রেফ ছুরি নিয়ে লড়তে গেছেন দেখে হাসি পেল। কি দরকার বাবা, সোজা সাইলেন্সার বন্দুক নিয়ে যা না, ধাঁয় করে সটান খুলি উড়িয়ে দে। হ্যাকিং ফ্যাকিং পাতি ঢপ লেগেছে। এরকম আরো বেশ কিছু। তবে ঐ শেষের দিকে বচ্চনকে দিয়ে ঐ ডাক ফাক দেওয়াটা জাস্ট মেনে নেওয়া যায় না। সিনেমায় ঐ গানের কি রেলেভেন্স তাও বুঝলুম না। পিছিয়ে পড়ছি নাকি?
  • gandhi | ১২ মার্চ ২০১২ ১৩:৩৬535805
  • বিদ্যা নয়।।। ভিদ্যা
  • dd | ১২ মার্চ ২০১২ ১৩:৩৭535816
  • আমি তাইলে ০.১% ?

    আমার তো অমিতাভাদার গাওয়া গান ভালো লাগলো। বেশ একটা হোম মেড চিকেন কারীর মতন আনপ্রিটেনসাস এফর্ট।
  • T | ১২ মার্চ ২০১২ ১৩:৪০535828
  • আনন্দবাজার মোরে 'বিদ্যা' লিখতে শিখিয়েছে। পেছলে চলবে না।
  • saikat | ১২ মার্চ ২০১২ ১৪:২১535839
  • আরও কিছু মজা আছে। বা আমি হয়ত বার করছি। :-) সিনেমাটার নাম কহানি। মানে গপ্প। সিনেমায় গপ্প থাকবে স্বাভাবিক, কিন্তু এই সিনেমাটায় দুটো গপ্প আছে - ১) পরিচালক বানাচ্ছেন দর্শকদের জন্য যেটা কহানি নামে সিনেমাটা, (২) সিনেমার ভেতরে আর একটা গল্প বানানো হচ্ছে যার ওপরেই সিনেমাটা দাঁড়িয়ে। যেহেতু দ্বিতীয় গল্পটা প্রথম গল্পের অন্তর্গত সেহেতু আমরা যখন flaw বার করছি (দ্বিতীয় গল্পের পরিপ্রেক্ষিতে) তখন আদতে আমরা প্রথম গল্পটার খুঁত বার করছি। কিন্তু এই দুটো গল্পের টার্গেট তো আলাদা - প্রথমটা বানানো হয়েছে দর্শকদের জন্য, দ্বিতীয়টা বানানো হয়েছে সিনেমার অন্য চরিত্রদের জন্য। দ্বিতীয় গল্পে যদি খুঁত থাকে তাহলে সেটা নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে সিনেমার চরিত্ররা, আমরা নয় :-)। যেটা সারা সিনেমার জুড়ে তারা করেনি। (কপু সংক্রান্ত সিকির আপত্তিটা এই নিয়েই )

    কিন্তু কেন করেনি? নিশ্চয় গল্পটা তাদের convincing লাগছিল। মনে পড়ে, অফিসার খান বিদ্যাকে যখন তাদের হয়ে কাজ করতে বলে, তখন কী বলেছিল ? যে .......... ! মজা হল, সিনেমার চরিত্রগুলোও এই একই জিনিসটা করছে, যে তারা .......... না এবং সেই জন্যই দ্বিতীয় গল্পটা তাদের কাছে convincing লাগছে। অধিকন্তু মজা হল, খানের এই কথাটি আসলে পরিচালক আর দর্শকদের মধ্যে চলতে থাকা খেলার মাঝে পরিচালকের দিক থেকে দর্শকদের দিকে এগিয়ে দেওয়া আর একটি ক্লু যেটা ধরতে না পারার জন্যই গল্পের এই উপাদানটি একই সাথে সিনেমার চরিত্রদের এবং সিনেমার দর্শকদের - দু"পক্ষকেই বোকা বানায়।
  • siki | ১২ মার্চ ২০১২ ১৪:২৩535850
  • ফেলুদা গাঁতানো মাথা থেকে বেরনো কিছু খটকা, তোপসের জন্য।

    (আশা করছি এতক্ষণে প্রায় অনেকেই দেখে ফেলেছেন)

    অ্যারপোর্ট থেকে সোজা থানায় যাওয়া একটা ভ্যালিড ক্লু লেগেছিল, কিন্তু সেইটা দিয়ে কেউ কাহানীর কংক্লুশন টানল না।

    সিরিয়াল কিলার যে লোকটি, পরপর খুন করে যখন কপালে বুকে ক্রশ আঁকছে, পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে লোকটাকে ক্রিশ্চান হিসেবে পোর্ট্রেট করা হচ্ছে। দুটি তিনটি সীনে ওকে ক্রশ আঁকতে দেখা গেছে। কিন্তু লোকটা এমনি এমনি মরে গেল। ক্লু-টা কাজে এল না।

    কিলার অ্যাক্সিডেন্টে মরে যাবার পর তার মোবাইল হাতে এল সাত্যকির। তাতে এমেমেস পাওয়া গেল। কিন্তু সেখান থেকে কে এইসব এমেমেস পাঠিয়েছে সেইসব দিকে গেল না, সোজা চলে গেল আইপি অ্যাড্রেসে। এমেমেস থেকে আইপি অ্যাড্রেসে চলে যাওয়াটা বেশ অবাস্তব লেগেছে। বরং ওখানে সেন্ডারের মোবাইল নাম্বার খুঁজে বের করা উচিত ছিল।

    স্বামীর হত্যাকারীকে মারবে বলে একজন লেবার দিয়ে লন্ডন থেকে কলকাতা চলে এল। কিন্তু হাতে কোনও অস্ত্রশস্ত্র নেই, কেবল চুলের কাঁটা ছাড়া। মিলিন্দ / মিলন নেহাৎ চান্সের বশে হাত থেকে বন্দুক ফেলে দিল, আর সেই বন্দুক দিয়ে তাকে খুন করল নাইকা। কেন, এত বড় মিশনে সে এসেছিল, তার নিজের একটা বন্দুক ছিল না কেন?

    মোনালিসা গেস্টহাউস, যেখান থেকে তার স্বামী নিখোঁজ হয়েছিল, সেটা তো মনে হল কালীঘাট থানার আন্ডারে পড়ে না ( আমি অবশ্য কলকাতা ভালো চিনি না)। তা হলে কালীঘাট থানায় কেন অভিযোগ জানাতে যাওয়া হল?
  • siki | ১২ মার্চ ২০১২ ১৪:২৫535861
  • খান কলকাতার রাস্তাঘাটে যে লেভেলে ছোটাছুটি করেছে আইবির সেকেন্ড ইন কম্যান্ড হয়ে, সম্ভবত আইবি-র সেকেন্ড ইন কম্যান্ড ডেজিগনেশনের লোক নিজেরা এইভাবে ছোটাছুটি করে না, লাইভ অ্যাকশনের জন্য অন্য লোক থাকে।

    তবে খানের অভিনয় একদম পারফেক্ট। খান একঘর।
  • dukhe | ১২ মার্চ ২০১২ ১৪:৩০535872
  • সিনেমা না দেখেও সিকির শেষ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি। আজকাল সমস্ত ফাইলই কালীঘাট ঘুরে যাচ্ছে। উহা এখন মহাতীর্থ।
  • siki | ১২ মার্চ ২০১২ ১৪:৩২535883
  • :)
  • siki | ১২ মার্চ ২০১২ ১৪:৩৩535894
  • আরো কোশ্নো। সিরিয়াল কিলার সামান্য হিন্ট পেলেই একে তাকে খুন করে দিচ্ছে। কিন্তু নাইকাকে খুন করল না কেন? তাকে বাঁচিয়ে রেখে তো নিজের বিপদ বাড়ানো ছাড়া আর কিছু চান্স ছিল না। শুরুতেই তাকে মেরে ফেললে তো কাজে দিত। অবশ্য সিনিমাটা হত না, সেটা আলাদা।
  • Netai | ১২ মার্চ ২০১২ ১৪:৩৭535905
  • আই পি অ্যাড্রেসের কেসটা কবি তো ঐভাবেই দেখিয়েছেন।
    এমেমেস পাঠানো হয়েছিল কোন ওয়েবসাইট থেকে। ফোন নং থেকে নয়। তাই আইপি অ্যাড্রেসের গল্প এলো।
  • Netai | ১২ মার্চ ২০১২ ১৪:৪০535916
  • আমার সবচে বড় গুল লেগেছে, যদি ভিদ্যা বাগচী বলে কেউ না ই থাকলো তবে এইটে কপু আর আইবি মিলে কেউ ই বুঝতে পারলোনা???
  • Netai | ১২ মার্চ ২০১২ ১৪:৪৩535927
  • নিদেনপক্ষে পাসপোর্ট চেক করা বা লংডং এ অর্ণব বাগচীর পরিচিতি ক্রশচেক করা এগুলো তো বনতা হ্যায়।
    ক্রশচেক কমরেড ক্রশচেক। এটুকু ক্রশচেক পুলুশ, মিডিয়া বা আইবির লোকেরা করেই থাকে।
  • dukhe | ১২ মার্চ ২০১২ ১৪:৪৬535939
  • নিরীহ সি.কি. (সিরিয়াল কিলার ?) কেমন একটা হয়ে গেছে। প্রথম রাতেই নায়িকাকে খুন করতে চায়। সাধে কি কুড়ি ঘেঁষে না?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন