এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • শিক্ষার বেসরকারীকরন অথবা ধ্বংশ পক্রিয়া

    Biplab
    অন্যান্য | ১৮ জুন ২০১২ | ১৩৬৬৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৬:৫০559460
  • ১) ভারতবর্ষের সনাতন শিক্ষাপদ্ধতির বাইরে বেরোনোর দরকার কী ? এটা যে ভুল তা কিকরে বোঝা গ্যালো ?
    ২) মুখস্ত বিদ্যা খারাপ কিসে ? ইনফরমেশন ছাড়া এবস্ট্রাক্ট লজিক সিকোয়েন্স মানুষ আদৌ বহন করতে পারে কী ?
    ৩) শ্রুতির দেশ ভারত। শ্রুতি -স্মৃতি -বিচার এর ওপর দাঁড়িয়ে। সেখান থেকে বের করে আনা যে আন্তর্জাতিক বাজারের ষড়যন্ত্র নয় তা কীকরে নিশ্চিত হব ?
    ৪) মাথায় বয়ে বেড়ানো খারাপ ক্যানো ? আজ ইনফরমেশনের জন্যে কম্পিউটার দেখব। কাল ক্লাউদ নলেজ বেসের সঙ্গে আমার মাথাকে এম্বেড চিপ দিয়ে কানেক্ট করা হবে। পরশু একটা কমপ্লিটলি রং কিন্তু মার্কেট -ফ্রেন্ডলি ইনফরমেশন সেন্ট্রালি রান করানো হবে। চ্যালেঞ্জ করার কেও থাকবেনা।
    ৫) এই অন্য ধারার শিক্ষাপদ্ধতি থেকে যারা বেরুচ্ছে তারা কয়ালিতেতিভ্লি কতটা বেটার ? বা সেই বেটার পয়েন্টস গুলোর ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট এর যা ইকনমি এন্ড জব মার্কেট সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কতটা এন্ক্যাশেবল ?
  • π | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৬:৫৬559461
  • ভুল নাই হতে পারে, কিন্তু তাতে করেই ভাল হয়ে যায়, এমন তো নয় ঃ) তবে হ্যাঁ, ভাল খারাপ মনে হওয়া সাবজেক্টিভ হতেই পারে।
    তাই আমার মতে, দুরকম পদ্ধতিই পাশাপাশি থাকা ভাল। এ বিষয়ে ঐক্যমত্যে পৌঁছানো বোধহয় কঠিন

    তবে এই ব্যবস্থা শুধু আন্তর্জাতিক বাজারের ষড়যন্ত্র হতে যাবে কেন ? রবীন্দ্রনাথ কি অনেক আগেই এরকম কিছু করে যান নি ? ওঁর কাজ কতটা পশ্চিম অনুপ্রাণিত, সে নিয়ে কেউ আলোকপাত করলে ভাল হয়। তবে ওঁর মডেল থেকে তো এটা স্পষ্ট, খুব বেশি খরচ না করেও, আমাদের দেশেও এই পদ্ধতিটি চালানো সম্ভব। আমরা ঐ মডেলটি কে পুরো ত্যাগ করে পুরানো পদ্ধতিই কেন আঁকড়ে ধরে পড়ে রইলাম, আমি তো সেই প্রশ্নটা করব !
  • সে | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৬:৫৯559462
  • আমার মনে হয় সম্ভব। কেন সম্ভব নয়? ইয়োরোপে পারছে কীকরে? (যদিও দেশ বিশেষে পদ্ধতি আলাদা আলাদা) ইয়োরোপের সব দেশ তো বড়োলোক নয়। কিন্তু তাদের জনসংখ্যার ঘনত্ব কম।

    তবে আমাদের দেশে সব স্কুলে কেমন করে হবে? খরচ যে অনেক।

    এক - শিক্ষকদের শিক্ষিত করে তোলা এই পাঠক্রমের শিক্ষকটা পদ্ধতিতে।
    দুই - কম্পিউটার দরকার। তা কিন্তু একেবারে নেই তা নয়। সাগরদিঘির স্কুলে আমার এক ভাই পড়ায়। মুর্শিদাবাদের সেই ফাঁকা মাঠেও কিন্তু কম্পিউটার আছে, ইন্টারনেট কানেকশান আছে।
    মাথাপিছু একটা কম্পিউটার না করে টার্মিনাল দেয়া যেতে পারে, চারটে ছাত্র পিছু একটা টার্মিনাল। বা আরো কম অনুপাত। স্কুলের ছ সাত ঘন্টা সর্বক্ষণ তো কম্পিউটার লাগছে না। দিনে এক ঘন্টা। সন্ধের দিকেও কম্পিউটার ল্যাব নয় খোলা রইল।
    তিন- পাঠক্রমের পরিবর্তন। সবাইকে সব বিষয় না পড়িয়ে তাদের যার যেদিকে টান, যেদিকে সে বিকশিত হতে পারবে সেটা অ্যাসেস করা। ছাত্রের সঙ্গে কেরিয়ার কাউন্সেলিং। তার মোটিভেশন বোঝা। সে বাপ মা পরিবেশ কর্তৃক ব্রেনওয়াশ্‌ড্‌ হতেই পারে। অন্য চাপ থাকতে পারে।
    চার - যে বিষয় নিয়ে ছাত্র পড়বে তাতে তার ভবিষ্যতে জীবিকার জন্যে কীরকম সুবিধে/অসুবিধে? এখন সবাই সফ্‌ট্‌ওয়ার ইঞ্জিনীয়ার হতে চায়, আইটিতে প্রচুর টাকা তাই। কিন্তু অন্যান্য ফিল্ডে গেলে তার এফেক্ট কেমন সেটা জানতে হবে।
    পাঁচ - বইপত্র, সিলেবাস ঢেলে সাজানো। সবাই তো বেস্ট স্টুডেন্ট হতে পারে না, হয়ও না। অধিকাংশ জনগন মিডিওকার। কিন্তু এরাও তো সমান নাগরিক, স্কিল্ড্‌ কারিগর তৈরী করলে অনেক ভালো কোয়ালিটির কাজ পাওয়া যায়। কাজ মানে চাকরি নয়, এন্ড রেজাল্ট।
    ছয়- আমি পছন্দ করি গ্রেড সিস্টেম। নম্বর গুনে গুনে ফার্স্ট সেকেন্ড থার্ড নয়। কে কবে ঘি খেয়েছিলাম - এখনো তুড়ি দিতে পারি না আঙুল পিছলে যায় - এই অভিমান আজকের যুগে মানায় না।
    সাত - যারা রাজ করত তারা তো চলে গিয়েছে, তবু সেই মাইন্ডসেট আমাদের মনে গেঁথে রয়েছে। বরং তারা এখন কী করছে সেইটে দেখে শিখলেও লাভ হয় কিছুটা।
    আট - কিছু কিছু বিষয় স্কুল লেভেলে শেখানো দরকার। ম্যান্ডেটরি। নাগরিকের নিজস্ব অধিকার। দেশের প্রয়োজনীয় আইন। সেক্স এডুকেশন।
  • এমেম | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:০৮559463
  • সরকারিই ভালো। শিক্ষাক্ষেত্রে যেটা এনশিইয়োর করা দরকার (শর্ত হিসেবে বলা যায়) -- প্রথম রিক্রুট্মেন্টের সময় নো কম্প্রোমাইজ।
  • এমেম | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:০৯559464
  • টিচার রিক্রুটমেন্ট।
  • (0/10) | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:১০559465
  • তাতিনকেও ডাকা হোক। একা একক পারবে?
  • Ekak | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:১৯559466
  • "তবে ওঁর মডেল থেকে তো এটা স্পষ্ট, খুব বেশি খরচ না করেও, আমাদের দেশেও এই পদ্ধতিটি চালানো সম্ভব।"

    খরচের ব্যাপারটায় আলোকপাত করা হোক। সেই বাজারে রবিবাবুর নোবেলের টাকাতে অবধি কুলোয় নি, বারংবার বিদেশ গিয়ে টাকা সংগ্রহ করতে হয়েছিল। বিদেশ থেকে লেখা চিঠিতে সেই দুঃসাধ্য কষ্টের বর্ণনা আছে। কম টাকায় করে দেখিয়েছিলেন এটা মানতে পারলুম না।
    রবিবাবু যেটা করে দেখিয়েছিলেন সেটা হলো পীয়ার ম্যানেজমেন্ট। এন্দ্রুজ এসে ধুতি পরে চাষাভুষ র সঙ্গে ওঠাবসা করছেন এটা মাঝখানে টেগোর নামক ব্যক্তি টি না থাকলে হত না। আজকের ভারতেও কিন্তু হয়। সাইবাবা আশ্রমে ওয়ার্ল্ডের টপ মোস্ট সার্জেন রা কাজ করছেন। পাত পেরে ইদলি সম্বর খাচ্ছেন। ধর্মকে মাঝখানে রেখে হচ্ছে। অন্য ক্ষেত্রে কেন হচ্ছেনা ? কারণ সেই আকর্ষণ আর নেই। অমর্ত্য বাবু আরেকটা শান্তিনিকেতন খুললে কী ইন্টারন্যাশনাল স্কলার রা আসতো ? মনে হয়, না। ইন্ডিয়া, এস আ নেশন সেই ফোকাস থেকে সরে গেছে। ইটস জাস্ট এনাদার বিগ মার্কেট বাট নট আ হ্যাপেনিং ওয়ান। হ্যাপেনিং করে তোলে তো পলিটিক্স। দ্য ওয়ান এন্ড অনলি গেম চেঞ্জার। সেটাই তল্পিবাহক হলে গোড়া কেটে বিবিধ শাখায় জল ঢেলে কদ্দুর কী হবে জানি নে।
  • সে | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:২২559467
  • "১) ভারতবর্ষের সনাতন শিক্ষাপদ্ধতির বাইরে বেরোনোর দরকার কী ?"

    ভারতবর্ষের সনাতন শিক্ষাপদ্ধতির বাইরে তো অনেক আগেই বেরোনো হয়ে গিয়েছে। ইংরেজি শিক্ষার অভ্যুদয়ের-ও আগে।
    টোল চতুষ্পাঠির শিক্ষা বা আরো আগের বৈদিক শিক্ষায় তো আটকে নেই আমরা। পড়ানো হচ্ছে আধুনিক বিজ্ঞান।
    সমস্ত সময়েই পরিবর্তন হচ্ছে শিক্ষা পদ্ধতি। এটাও সেই প্রসেসেরই অঙ্গ। ভুল কি ঠিক সেতো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টায়। কাল যা ঠিক ছিলো আজ তা ভুল। আজ যা ভুল, কাল তা বেশি বেশি ভুল হয়ে যেতে পারে।
    অল্প পুড়ে গেলে বরফ ঘষতাম কিছুদিন আগে - এখন ১৫-২০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের জল দিই।

    "২) মুখস্ত বিদ্যা খারাপ কিসে ?" - কে বলল খারাপ? অক্ষরজ্ঞান, সংখ্যা চেনা, জিনিসপত্রের নাম, ইঃ অনেক কিছুই তো মুখস্থ বিদ্যা। তবে সমস্ত কিছুই আবার মুখস্থ করা যায় না। যেগুলো মুখস্থ করবার জন্যে শুধু সময়ের অপচয়, সেগুলো না করলেও চলে - এই আর কি।

    "৩) শ্রুতির দেশ ভারত " - ছিলো। পাস্ট টেন্স। হিস্টোরিক্যাল পাস্ট।

    "৪) মাথায় বয়ে বেড়ানো খারাপ ক্যানো ? " - এইটে নিয়ে গবেষণার সুযোগ রয়েছে।

    "৫) এই অন্য ধারার শিক্ষাপদ্ধতি থেকে যারা বেরুচ্ছে তারা কয়ালিতেতিভ্লি কতটা বেটার ?" - বেটার কিনা জানি না, তবে তারা উন্নতি করছে এইমাত্র।
  • Ekak | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:২৯559468
  • উঁহু, কিছু দাঁড়ালো না। বা, হয়ত বুঝলুম না। উদাহরণ দিন।

    এমন একটা ক্ষেত্র বলুন যেখানে রেসিডেন্ট মেমরি তে না রেখে রিমোট এক্সেস করলে (রিত্রিভাল টাইম + প্রসেসিং টাইম ) লেস দ্যান (রেসিডেন্ট ডেটা এক্সেস টাইম +প্রসেসিং টাইম )। এরপর তো মাল্টিপল পয়েন্ট ক্রস চেক, রুল আউট এসব আসবে। উদাহরণ দিয়ে ধরে ধরে আলোচনা হোক। ইন্ডিয়ান দের মুখস্ত বিদ্যা খারাপ কিসে।
  • (0/10) | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৩৬559470
  • "যারা রাজ করত তারা তো চলে গিয়েছে, তবু সেই মাইন্ডসেট আমাদের মনে গেঁথে রয়েছে। বরং তারা এখন কী করছে সেইটে দেখে শিখলেও লাভ হয় কিছুটা।"

    - মানে, যাই হোক, যারা রাজ করতো তারা যা করছে তাই করতে হবে। আগে তারা করতে বলতো তাই করতুম, এখন তারা করছে দেখে করবো। এটা আবার শুধু ইংরেজ প্রসঙ্গে কেন, মানে ইংরেজদের আগেও তো বিভিন্ন দেশের থেকে এসে জনতা ভারতে রাজ করে গেছে। তাদের দেশের মডেল ফলো করার কোনো সুবিধে অসুবিধে।

    বেশি স্বদেশীয় গ্লোরি বা মাহাত্ম্য গাইলে আবার এই বাজারে ক্লোজেট বিজেপি বলে দেগে দেওয়া হতে পারে বলে ভয়ে একটু কম লিখলাম। তবু কলোনিয়াল শিক্ষার দীনতার দিকে আঙুল দাগিয়ে পোস্ট-কলোনিয়াল দীনতার দিকে যাওয়া খুব বুদ্ধির কাজ বলে মনে হয় না। অপ্রত্যক্ষ সাম্রাজ্যবাদের বিরোধীতাই করব, প্লীজ চাড্ডি বলে খিস্তোবেন না। নামতা মনে না রেখে ক্ল্যালকুলেটর ছাড়া যোগ বিয়োগ গুন ভাগ না করতে পারা শিক্ষার মাহাত্ম্য বুঝতে সিরিয়াসলি আগ্রহী।
  • hu | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৩৭559471
  • ক্লাস টেন পর্যন্ত ভাষা, অঙ্ক, বিজ্ঞান, ইতিহাস, ভূগোল আবশ্যিক বিষয় হিসেবে পড়ানো আমার ঠিক সিদ্ধান্ত বলেই মনে হয়। এর সাথে কিছুটা অর্থনীতি আর পলিটিকাল সায়েন্সও থাকা উচিত। সিবিএসসিতে মনে হয় থাকে। এগুলোর বেসিক জ্ঞান না থাকলে পৃথিবীর কোথাওই করে খেতে হবে না।
  • সে | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৪১559472
  • "এমন একটা ক্ষেত্র বলুন যেখানে রেসিডেন্ট মেমরি তে না রেখে রিমোট এক্সেস করলে (রিত্রিভাল টাইম + প্রসেসিং টাইম ) লেস দ্যান (রেসিডেন্ট ডেটা এক্সেস টাইম +প্রসেসিং টাইম )। এরপর তো মাল্টিপল পয়েন্ট ক্রস চেক, রুল আউট এসব আসবে। " - এগুলো সাধারন ভাষায় বলুন। বুঝতে পারছি না।
  • সে | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৪৩559473
  • "ক্লাস টেন পর্যন্ত ভাষা, অঙ্ক, বিজ্ঞান, ইতিহাস, ভূগোল আবশ্যিক বিষয় " - অঙ্ক সত্যি কতটা আবশ্যিক হওয়া দরকার?
  • সে | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৪৪559475
  • "পৃথিবীর কোথাওই করে খেতে" মানে? কী করে খেতে? তার মানে কি এই দাঁড়ালো যে যারা মাধ্যমিকে সবকটা বিষয়ে পাশ করেনি তারা কেউ করে খেতে পারবে না?
  • Ekak | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৪৪559474
  • সাধারণ মানে হাইলি এগ্রিগেটেদ তো ?
    বেশ, তাই বলছি : এমন একটা ক্ষেত্র থেকে উদাহরণ দিন যেখানে মুখস্ত না করে মানে মাথার মধ্যে ইনফরমেশন ঢুকিয়ে না নিয়ে বেটার শিক্ষা সম্ভব।
  • সে | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৪৬559476
  • "মুখস্ত না করে মানে মাথার মধ্যে ইনফরমেশন ঢুকিয়ে না নিয়ে " দুটো এক জিনিস হলো বুঝি? ঃ-)
  • Ekak | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৪৯559477
  • "মেমরায়স" এর সংজ্ঞা দেবেন। বেশ তাহলে আপনার সংজ্ঞা টা বাজারে রাখুন। তাপ্পর এক কি আলাদা দেখছি।
  • π | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৫১559478
  • 'মানে, যাই হোক, যারা রাজ করতো তারা যা করছে তাই করতে হবে। আগে তারা করতে বলতো তাই করতুম, এখন তারা করছে দেখে করবো।'

    এই জন্যই তো রবীন্দ্রনাথের মডেলের কথা আনলাম।

    একক, একার উদ্যোগে অত বড় স্কেলে চালাতে গেলে, শূন্য থেকে শুরু করতে গেলে তো খরচ অনেক হবেই। কিন্তু এটাই যদি সিস্টেম করে তোলা যায়, অনেক বেশি খরচ নাই হতে পারে। পেডাগগি নিয়ে নানা গবেষণা দেশেই হচ্ছে, শিক্ষা নিয়ে পরীক্ষামূল্ক নানা কাজকর্ম, অনেক কম খরচে। কিছু জিনিস নিজের চোখে দেখা। সেগুলোকে স্কেল আপ করার ভাবনা ভাবনো না কেন ?

    সলিল বিশ্বাস ব্লগে শ্রমজীবী হাসপাতালের একটি শিক্ষা উদ্যোগের কথা লিখেছেন, যাঁর সাথে উনি, দীপাঞ্জন রায়চৌধুরী এবং আরো অনেক শিক্ষাবিদ যুক্ত। ওঁরা কিন্তু এই মাধ্যমিক সিস্টেমের পরীক্ষার জন্যই আপাতত ছেলেপুলেদের তৈরি করছেন, মূলতঃ ড্রপ আউট ছেলেপুলেদের, কিন্তু পড়ানোর পদ্ধতি অনেক অন্যরকম। ফলও ভালো পাচ্ছেন। আশা করব, উনিই এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখবেন।
  • π | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৫২559481
  • মুখস্থ করে মাথার মধ্যে যে ইনফো ঢোকানো হয়েছিল, তার কতটা কী আজ কজনের মনে আছে ?
  • সে | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৫২559479
  • "মেমরায়স" এর সংজ্ঞা দেবেন। - এটাও বুঝিনি। ঃ-(

    নামতা প্রসঙ্গে। কোন কোন দেশে নামতা শেখানো হয়? ঃ-)
  • hu | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৫৭559482
  • ক্লাস টেনের অঙ্কে কি শেখানো হয়? আমি যখন পাশ করেছিলাম (প্রায় কুড়ি বছর হতে চলল) তখন থাকত পাটিগণিত, খুবই এলিমেন্টারী লেভেলের বীজগণিত, জ্যামিতি আর সামান্য ত্রিকোণমিতি। এগুলোর কোনটাই তো হাতিঘোড়া নয়। নিজের বাড়িটা সাজাতেও এটুকু অঙ্ক জানতে লাগে তো!

    মাধ্যমিকে এই বিষয়গুলোতে পাশ না করেও কেউ যদি নিজে নিজে এগুলো রপ্ত করে নিতে পারে তো ঠিক আছে। কিন্তু ইতিহাস-ভূগোল-অর্থনীতি একটুও না জেনে একটা দেশে থাকা যায়?
  • সে | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৫৮559483
  • আমি নামতা পারি না। আমার মেয়েরা কোনোদিনো নামতাই শেখে নি, কিন্তু ইস্কুল শেষ করে ফেলেছে/ফেলছে।
    একজন ভূগোল/ইতিহাস কোনোটাই পড়েনি আটক্লাসের পরে।
    অন্যজন অঙ্কে কাঁচা। দিব্যি মানুষ হচ্ছে।
  • hu | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৭:৫৯559484
  • দশের ঘরের উপরে নামতা কি আমাদের দেশেও আর শেখানো হয়? আমাদের মনে হয় স্কুলে ছিল। কিন্তু বাবা শিখিয়ে দিয়েছিল কি করে ফাঁকিবাজি করতে হয়। ঐ নামতা তো আমি কোনদিনই মুখস্থ করিনি। আর মুখস্থ না করার জন্য পরীক্ষা ফেলও করিনি।
  • সে | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৮:০৩559486
  • অঙ্কে কাঁচা মেয়েটি যোগ বিয়োগ ও মাথায় করতে পারে না। বিয়াল্লিশের সঙ্গে আট যোগ করলে কী হবে বলতে পারবে না। তিনের ঘরের নামতাও পারে না। ও কে কি খরচের খাতায় তুলে দেবো? ;-)

    চমৎকার করছে নিজের ফিল্ডে। মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে হলে কোনোদিনো পাশ করতে পারত না।
  • hu | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৮:০৩559485
  • আট ক্লাসে কতখানি পড়ানো হয়েছে সেটা জানলে বলা যাবে ক্ষতি হয়েছে কিনা। আমাদের সময়ে সিক্স-সেভেন-এইট ওয়ার্ল্ড হিস্টরি পড়তে হত। নাইন-টেনে ভারতের ইতিহাস। ভালো করে পড়ালে সেই ইতিহাস যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং আর জানাও জরুরী।
  • সে | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৮:০৫559487
  • আট ক্লাসে কতখানি পড়ানো হয়েছে জানি না - কোনোদিনো পড়া দেখিনি।
  • π | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৮:০৯559488
  • আমরা নাইন টেনে যা পড়েছি, তা মূলতঃ ক্লাস এইট অব্দি যা পড়ানো হয়েছে, তারই চর্বিতচর্বণ। যদি খুব ভুলে না যাই। আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, ক্লাস এইটের পর নিজের পছন্দমত বিষয় নিয়ে পড়তে দেওয়া উচিত।
  • hu | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৮:১০559489
  • না না, তা কেন করবেন? ব্যাপারটা হচ্ছে বিয়াল্লিশের সাথে আট যোগ করতে জানলে সময় বাঁচে, ক্যালকুলেটর খুঁজতে হয়না। এটা না জেনেও কেউ নিজের মত নিশ্চয়ই চলতে পারে। তবে জানা থাকলে সুবিধে হয়। বিশেষ করে ভারতের মত বিশাল জনসংখ্যার গরীব দেশে।
  • hu | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৮:১৫559492
  • আট ক্লাসে পছন্দমত বিষয় নেওয়ার অধিকার থাকা উচিত নাকি দশের পর সেটা তর্কসাপেক্ষ। আমার বক্তব্য একটা বয়েস পর্যন্ত এই সবকটা বিষয়ই আবশ্যিক থাকা উচিত। সেটা তেরো না পনেরো তা নিয়ে আমি বিশেষজ্ঞ নই।
  • Ekak | ৩১ মার্চ ২০১৪ ১৮:১৫559490
  • পাই
    পেদাগোগী নিয়ে রিসার্চ স্বাগত। তবে তার লক্ষ্য টা কী দেখতে হবে। রোবট বানানো নাকি মানুষ। মুখস্ত করে মাথার মধ্যে ইনফো ঢোকানো হবে আবার নতুন ইনফো এসে তা চাপা পর্বে এটাতে কোনো অসুবিধে নেই তো। একটা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। চারপাশের দৃশ্য মাথায় ঢুকছে আবার চাপাও পড়ছে। এইযে আমরা রাত্রদিন তোতাপাখির মত বলি যে আমাদের দুর্বলতা হলো প্রচুর এমন সাবজেক্ট পড়ানো হয়েছে যা পরে "কাজে লাগেনি " এই "কাজে লাগানো" র ধারণা আসলে মার্কেট শেখায়। শিখিয়ে চলেছে। ভেবে দেখ যদি শুধুমাত্র একটা বা দুটো "পছন্দের সাবজেক্ট " পড়তুম তাহলে চারপাশের সমস্যা -সমাধান -দ্বন্দ কোনকিছুর সঙ্গেই কানেক্ট করতে পারতুম না। ইতিহাস অনেক ভুলে গেছি, ভূগোল "কাজে লাগেনি "। কিন্তু আমরা ঠিক দরকার পড়লে আবার মেমরি রিট্রিভ করে নি। কানেক্ট করতে পারি। ছোটবেলা থেকে স্পেশালিস্ট তৈরীর শিক্ষা আসলে মার্কেট ক্যাপিতালিস্মের টুল। চত্ব চত্ব রোবট ইউনিট তৈরী হবে যারা শুধু "নিজের পছন্দের সাবজেক্ট " জানে -বোঝে। বাকি দুনিয়া সম্বন্ধে টোটাল ডাম্ব। এরাই বড় হয়ে ইন্দাস্ত্রী র রোবট হবে। পলিটিক্স এ গিয়ে কোনো পরিপ্রেক্ষিত বুঝবে না, অন্যদের সমস্যার সঙ্গে কানেক্ট করতে পারবে না। যে বিজ্ঞানী সে শুধু বিস্জ্ঞান এর ওই অংশটুকু বুঝবে। বেহালাবাদক শুধুই বেহালা বাজাবে। চাষা শুধুই এগ্রিকালচার। রোবটস রোবটস এন্ড রোবটস। সবার লক্ষ্য ক্যাপিটাল বাড়ানো এবং অন্যের সমস্যা বুঝতে হলে থ্রু কমন ডেটা ব্যান্ক যেটা আবার মার্কেট ম্যানিপুলেতেদ। এটা একটা ভয়ংকর এক্সর্সাইস যার মধ্যে দিয়ে মানুষকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে শিক্ষার নাম করে। মানুষ সব কিছু কমবেশি জানবে, প্রচুর অধ্খাপ্ছারা বুঝবে এটাই উন্নত সিস্টেম। যে শুধুই "মাস্টার " হবে সে আসলে নিজে মাস্টার নয়, মাস্টার কে মেনে নিচ্ছে।
    এরপর আরও অনেক ব্যাপারাছে। রিসেশন, মার্কেটের ওঠা পরা, জব নেচার শিফট করতে বাধ্য হওয়া এসব বিভিন্ন দিক ভাবলেই বোঝা যায় একটা বয়েস অবধি তালে গোলে সবকিছু র খানিকটা জানা -বোঝা দরকার। আমার মনে হয় কেওটিক সিস্টেম মেক্স ম্যান মোর কমপ্লিট দ্যান আ প্রাইমারিলি ফকাস্দ অর বায়াস্ড সিস্টেম। রিসার্চ চলুক। কোনো অসুবিধে নেই কিন্তু এখন পাশাত্য শিক্ষার নামে যেটা চলছে সেটা মার্কেট ক্যাপিতালিস্মের বেটার কমিতেদ বানানোর শিক্ষা। আমি চায়নীস আর্গুমেন্টে মোর ইন্ক্লায়ন্দ। এই স কল্ড ইন্টালিজেন্স সিস্টেমে নই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন