এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কী ভাবছেন সবাই?

    Samik
    অন্যান্য | ০২ অক্টোবর ২০০৬ | ৮৫২৮৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ০০:১৩669888
  • সু ছাড়াও অর কে যেন কো অপারেটিভ মডেল এর কথা বা কাছ কাছি কথা কয়েছেন(গান্ধী টলস্টয় ইত্যাদি), আগে অরিইৎ কইতো, এই টার জন্য আলাদা থ্রেড খুলে দোবো পরে, এই খানে আরেকটু শুনে নি।
  • b | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ০০:২৩669899
  • এই সব প্রসঙ্গে রেফারেন্স সূত্র স্বীকার করে রাখি তাইলে যা টুকলাম সে সম্পর্কে আত্মগ্লানী কম থাকবে।

    অশোক রুদ্র - কৃষি অর্থনীতি
    বিনয় চৌধুরীর কিছু লেখা আছে।
    হরেকৃষ্ণ কোঙার এর অসম্ভব ভালো কিছু প্রবন্ধ আছে যেগুলি আমাকে পড়ে পরে শুনিয়েছিলেন আমার বান্ধবী একজন।
    উৎসা পট্ট নায়কের একটি খাদ্যাভাব সংক্রান্ত প্রবন্ধ।
    এবং অতি সম্প্রতি :
    ইভো মোরালেস এর একটি সাক্ষাৎকার।
    পি সাইনাথের প্রবন্ধ ফ্রন্টলাইনে, ম্‌হারাষ্ট্রে কৃষি সমস্যা সংক্রান্ত।
  • Arijit | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ০১:৩৯669910
  • ব-এর কথার পিঠে -

    বরগা বেশিদিন হওয়ার ফলে মাথা পিছু জমি কমার সঙ্গে আরো একটা ব্যাপার আছে - সাধারণত: মাথায় থাকে না - সেটা হল "আল" - যত বেশি জমির ভাগ, তত বেশি আল, এবং এর ফলে কম জমি নষ্ট হয় না। আল যত কম হবে তত ভালো - অর্থাৎ সেই সমবায়প্রথা।
  • b | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ০২:০৪669921
  • বর্গা ও খাসের অসংখ্য সমালোচনা হয়েছে ও হবে। অশোক রুদ্র যা বলেছিলেন তার মোদ্দা এই টে নতুন মুৎসুদ্দী দের জীয়ন কাঠি। আর ছোট থেকে বড় সম্পন্ন জমি হারানো বা নানা কৃষি নির্ভর ব্যবসায়ে reinvest করে মধ্য বা উচ্চ বিত্ত পরিবারের ছে্‌হলে মেয়েদের সঙ্গে বড় হবার কারণে আর পূর্ব বঙ্গীয় সম্প্রতি তপন বাবু দ্বারা articulated পূর্ব তশিলদারি যাওয়ার পোর্ব পুরুষের হা হতোস্মি ইত্যাদি দক্ষিন পন্থী সমালোচনা শোনাটা আমাদের অনেকের সমাজ সম্পত্তির ইতিহাস শেখার এক ধরণের পদ্ধতি।

    এই মাথা পিছু জমি র পরিমাণ কমাটা যেমন সত্যি তেমনি আবার subsistence farming এ সহায়তা টা সম্ভবত অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল, প্রয়োজনীয় আইন ধাঁচা আগেই ছিল, কিছু implementation হয়েছে প: বঙ্গে।

    তবে পশ্চিমবংগে আমার ব্যক্তিগত ধারণা ক্ষেত মজুর ও আধা পারদর্শী মৌসুমী দিন মজুর দের মাইনে সংক্রান্ত আন্দোলন পাশা পাশি চলেছে এক ই সময় ধরে। এবং এই ঐতিহাসিক ভাবে গুরুঙ্কÄ পূর্ণ। আমার কথা শোনা ও সামান্য অভিজ্ঞতা ছাড়া সম্বল কিছু নেই, হলফ করে বলতে পারছি না।
  • Su | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ১২:১৯669932
  • ব-এর কথাগুলো ঠিক। কিন্তু বর্গা যখন করা হয় তখন তা কৃষির উন্নয়ন হবে এই ভেবে করা হয়নি। বর্গার অন্য সোশ্যাল রেলেভ্যান্স আছে। সেটা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।

    পশ্চিমবঙ্গে বর্গা হওয়ার আগে বেশির ভাগ জমি ছিল বর্গাদারদের কাছে। সেখানে চাষ করতেন প্রান্তিক চাষিরা, যাঁদের নিজস্ব কোনও জমি ছিল না। পশ্চিমবঙ্গে বর্গা করে জমি জোতদারদের হাত থেকে নিয়ে দিয়ে দেওয়া হয় চাষিদের -- একেবারে ইন্দিরা গান্ধীর সময়ে তৈরি land ceiling act মেনে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার কিন্তু নতুন কিছু করেনি, কেবল কেন্দ্রের আইন কাজে লাগিয়েছিল। চাষের জমিতে, অর্থাৎ মাটি জমিতে এই জমি বন্টন খুব কাজের হয়েছিল, জলা জমিতে হয়নি। জলাজমি, যেখানে মাছ চাষ হতে পারে সেটাও একই আইনের আওতায় পড়ে, কিন্তু সেখানে বর্গা কেন কার্যকরী হয়নি, সে প্রসঙ্গে পরে আসছি।

    চাষের জমির এই বন্টনের সোশ্যাল রেলেভ্যান্সটা এই রাজ্যে আমরা দেখেছি। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে যে কৃষককুল জমিদারদের সঙ্গে কথা বলতে ভয় পেতেন তাঁরাও এক টুকরো জমির মালিক হয়ে সামাজিক ভাবে এবং মানসিকভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত বোধ করলেন। আজ পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও গ্রামে এক জন ক্ষুদ্র চাষি এক জন জমিদারের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারে, বেশির ভাগ রাজ্যে যা হয় না। সমাজের এই পরিবর্তনটা কিন্তু বর্গার আসল কথা। ""আমার জমি, আমার ফসল'' এক ধরনের স্বনির্ভরতা দেয়, তাই বা কম কী? তাতে কৃষির উপকার হোক বা না হোক।

    (জলাজমির ক্ষেত্রে এই সমাধান করা যায়নি, কারণ জলা জমি আল দিয়ে ভাগ করা যায় না। আর জলাজমির এক প্রন্তে কারো চাষ করা মাছ জমির অন্যত্র চলে যেতেই পারে। মাছ তো আর ধান গাছ নয় যে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকবে। জলাজমির ক্ষেত্রে এই সমস্যা ছিল, তাই প্রথম দিকে চেষ্টা হলেও জলা জমির ক্ষেত্রে বর্গা বেশি দূর এগোয়নি। লক্ষ করে দেখবেন, জলাজমি বা ভেড়িতে তাই এখনও জোতদার বা মাফিয়াদেরই রাজত্ব। ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের খুব একটা উপকার হয়নি। এই সমস্যার সমাধানে পরবর্তিকালে ""বেনফিশ'' নামে সরকারী সমবায় করা হয়েছে, তবে তাতে জমি সমস্যা যায়নি।)

    ব ঠিকই বলেছে, বর্গার ফলে কৃষিতে সামগ্রিকভাবে কোনও উপকার হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে বেশির ভাগ জায়গায় কৃষি চলে বর্ষার উপর ভরসা করে, বাকি সময়টা জলস্তর নষ্ট করে শ্যালো দিয়ে। তা সঙ্কেÄও কৃষি কিন্তু ক্রমে অলাভজনক হয়ে পড়ছে ভর্তুকি উঠে যাওয়ার ফলে। বেশির ভাগ চাষির মূল লক্ষ্য এখন কোনওক্রমে নিজের সম্বৎসরের ফসল ঘরে তুলে নেওয়া। বাকি সময়টা চেষ্টা চলে ক্যাশ ক্রপ করার -- তরকারী এমনকি ফুল। এই মুহূর্তে ফুলের দাম খুব ভালো। এই অবস্থাও খুব একটা স্থিতাবস্থা নয়, বেশিদিন এভাবে চলবে বলে মনে হয় না। আর পরিবেশবিদদের চাপে শ্যালো ব্যবহার করা বন্ধ হয়ে গেলে তো হয়েই গেল। (সত্যি কথা বলতে কি, আজ হোক কাল হোক মাটির তলা থেকে এ ভাবে জল তোলা বন্ধ করতেই হবে।)

    অর্থাৎ, কৃষি জমি নিয়ে আদিখ্যেতা এখন চললেও বেশিদিন তা চালানো যাবে না। মুক্ত অর্থনীতিতে ভর্তুকিও বেশিদিন চলতে পারে না। সুতরাং বাজারের নিয়ম মেনে খেলতে নামতে হবে, ইমোশন দেখিয়ে লাভ নেই। পশ্চিমবঙ্গের বেশির ভাগ কৃষিপ্রধান জায়গায় কৃষকেরা alternative ব্যবস্থা করতে শুরু করেছেন। অনেক কৃষক পরিবারেই দেখা যাচ্ছে এক জন বা দু জন রিকশা চালাচ্ছেন বা দিনমজুর খাটছেন। বছরের একটা সময় গাঁ উজার করে কৃষকেরা চলে যাচ্ছেন পঞ্জাব বা হরিয়ানায়, পসল কাটতে -- সেখানে daily wage এ রাজ্যের থেকে অনেক বেশি। পশ্চিম এশিয়ায় (যাকে আমেরিকানরা মিডল ইস্ট বলে -- আমরা কেন বলি কে জানে!) কাজের লোভ দেখানোর জন্যও গাঁয়ে গাঁয়ে দালাল ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় কাজের সূত্রে ঘুরতে ঘুরতে দেখেছি গ্রামের প্রতিটি পরিবারের কেউ না কেউ অন্য রাজ্যে কাজ করছেন, সেখান থেকে আসা টাকায় সংসার চলছে। অন্তত একটি বা দুটি বাড়ি সম্বৎসর তালা বন্ধ -- সবাই মিলে migrate করেছে অন্য রাজ্যে বা শহরে।

    এই সমস্যাটা বাইরে থেকে বোঝা কঠিন। কারণ ৩০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকলে ""আমরা খুব ভালো আছি'' গোছের একটা আত্মতুষ্টি শাসকদলের মধ্যে তৈরি হয়। ভালো না থাকলেও ভালো আছি এই ভাবটা করে যেতে হয়। আর বিরোধীদের কথা না বলাই ভালো। আর সত্যি কথা বলতে কী, এই বিষয়গুলো এতই জটিল আর গোলমেলে যে এ নিয়ে রাজনীতি না হওয়াই ভালো।

    আগে একবার বলেছিলাম এই রাজ্যে এই মুহূর্তে গোলমালটা হল : কৃষি আর শিল্পের সহাবস্থান। কৃষি যদি যেতে কাটে, তাহলে শিল্প কাটছে আসতে। সেখানের অবস্থাও খুব সুখের নয়। তবে সটা অন্য প্রসঙ্গ। তা নিয়ে পরে লিখব।

    সু
  • b | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ১২:৪০669943
  • এই রে, আমার পোস্টের কয়েকটা একটু অন্য interpretation সু করেছেন দেখছি, পোবোন্ধো লেখার অভ্যেশ না থাকায় এই সমস্যা আমার।

    সু, আমি কিন্তু বলি নি 'বর্গার ফলে কৃষিতে সমগ্রিক উপকার' হয় নি। বলি নি তার কারণ ঠিক এটা মনে করিনা। আর শ্‌ধু production এর লজিক দেখলে এটা বলাও যায় না। সেচ ও ত্রিস্তর্‌র পঞ্চায়েত এর complimentary process
    আর জমিহীন মানুষের হাতে জমি এলে এক্টা বিরাট empowerment হয় সেইটা বিরাট গুরুঙ্কÄপূর্ণ।
  • Su | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ১২:৫৪669954
  • সরি ব। সত্যি বুঝতে ভুল করেছিলাম। অরেকবার পড়ে দেখলুম। ভুলটা আমারই।
    সু
  • Su | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ১৩:১৪669965
  • ব, কৃষিভর্তুকি নিয়ে আরও কিছু ডিটেল পাওয়া যাবে? বুঝতে চাইছি, globalization-এর ফলে ভর্তুকি তুলে নেওয়া হচ্ছে ব্যক্তি চাষিদের কাছ থেকে আর সেটা চলে যাচ্ছে prince charles-দের মতো বড় সেক্টরে? রিলায়েন্স এ রাজ্যে রিটেল-এ এলে নিশ্চয় একটা বড় সময় ধরে ট্যাক্স হলিডে পাবে, সিঙ্গুরে টাটারাও নিশ্চয় পাবে। সেটা কি এক ধরনের ভর্তুকি? ডিটেল বা ইন্টারপ্রিটেশন কিছু আছে ব?
    সু
  • b | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ১৫:৪৬669976
  • সু, আপনার মনে যে এত কু কে জানত? আমার নিরবচ্ছিন্ন গুল ও গুগল মারা টার বারোটা বাজালেন।

    আমি অর্থনীতির ছাত্র নই, তাই মূল সূত্র খবরের কাগজ ও সাময়িকী। আর সামাজক পরিবর্তনের মতই সামাজিক পরিবর্তনের তথ্য যোগান ও বন্টনেও আপনি জানেন 'এজেন্সীর' সাধারণ সমস্যার থেকে আলাদ নয়। কে কি পরিবর্তন কেন চায় তার যেমন কিছুটা অর্থনীতি রাজনীতি থাকে, কে কি খবর কেন দেয় তার ও ঐ অর্থ-রাজনীতি আছে বৃটেনে। তাই আমি মাল না দিয়ে, কোথায় পাওয়া যাবে দিচ্ছি।

    আমি ভাগ ভাগ করে সপতাহে দু তিন্টে কাগজ আর পত্রিকা পড়তাম, ঐ টা ব্যক্তিগত সময়ের সাক্ষী হওয়ার শিক্ষানবিশি ব্যক্তিগত প্রয়াস। একে ট্রেনিং বলা যায় না। headline চারণ করতাম। তাই মার্জনা করবেন, বেশি exact খবর দিতে পারব না।
    আমাদের শ্বেতকারী সংগঠন ভার্সাস কষক সভা, বিবেক দেব রায়/প্রণ বর্ধন ভার্সাস উৎসা/জয়িতা ন্যায়।

    জেনেরালি সূত্র এই কটি :-

    ১।গার্ডিয়ান - left of centre, very good french basher;-) on farm subsidies। গার্ডিয়ান site এ খুব ভালো news archive আছে। search string - farm subsidies
    ২।ডেইলী টেলেগ্রাফ - এর সাইটে কখন যাই নাই, তবে যে কোনো পাবলিক লাইব্রেরী তে পাবেন। এরা far right of centre কিন্তু interesting হল nationalist হওয়ার কারণে anti EU and anti france তাই ফ্রান্সের লোকেরা বেশি subsidy পেলে এদের কাছে পাকা খবর পাবেন!!
    ৩।প্রাইভেট আই - ইয়ান হিস্লপ সম্পাদিত অত্যন্ত রিলায়েবল পত্রিকা। ফ্রী নহে, বছরে ৩৭ পাউন্ড। সবাই কে ঝেড়ে থাকেন।
    ৪।ফ্রীডম অফ ইনফো নামক আইন চালু হওয়ায় অনেকে কে কত পেল ছেপে দিচ্ছে, সেই রকম ই আমি পড়েছিলাম।

    একটি লিংক দিলাম

    http://www.freedominfo.org/features/20050407.htm

    ৫। এছাড়া the independent পত্রিকা green perspective থেকে agriculture sector news analysis এর আকর পত্রিকা।তবে phree
    নয়। এদের credibility ভাল। left of centre

    ৬।times - traditional centre right position। নানা খবর থাকে, তবে বিরাট বিত্তশালী industrial farmer রা এই মিডিয়ার মূল consumer হবার একটা সম্ভবনা আছে।

    ৭।এছাড়া george monbiot বলে সেই ভদ্রলোক আছেন যিনি রেগে রেগে সবাই কে ঝেড়ে থাকেন, এঁর কলাম বেরোয় অনেক জায়্‌গায়। চিঠির উত্তর দেন শুনেছি। তবে রেটোরিক বেশি।

    আএর শেষে আর একটা কারেকশান-

    আমি এইটা বলতে চাইনি globalisation এর 'ফলে' বড় farming company দের হাতে বেশি susbidy যাচ্ছে, এই টে বলার মত বিদ্যে আমার নেই, আমি বলতে চাইছি, জমির ও agricultural power lobbyemergence আরো নানা কারণে হয়েছে পশ্চিমে, তার ইতিহাস দীর্ঘতর, globalisation তার driving reason নাও হতে পারে। তবে globalisation জেহেতু accumulation process কে consolidate করে বোধ হয়, তাই এরা beneficiary অথচ ঐ সব দেশের socialist model subsidy র প্রোতিযোগিতার সম্মুখে পড়েন আমাদের কৃষকেরা, এই টে মনে রাখলে reform দ্বারা level playing field তইরে হয় এই মিথ টা ভেঙ্গে যাচ্চে। বা এই রকম কিছু।

    পশ্চিমে subsidy বলতে মূলত: cash subsidy বোঝায় শুনেছি। EU administer করেন,আমাদের দেশের মত সার, তেল, জলকর এ ছাড়, বিদ্যুত এ চাড় এর প্রচলন কম, তবে সুইডেন বা north europe এ থাকতে পারে।
    interestingly তেল subsidy পান airline গণ!!
  • r | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ১৫:৫৮669988
  • ব, কেলো করস! বিবেক দেবরায় আর প্রণব বর্ধনরে একপাতে ঠেইল্যা দিলা? প্রণববাবু শুনলে দু:খ পাইতেন। রোমার আর বর্ধন হইলেন গিয়া মার্কেট সোশালিজ্‌মের উদ্‌গাতা। আর জয়িতা নয়, জয়তী।
  • b | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ১৬:০১669999
  • সাংঘাতিক ভুল করেছি, লজ্জিত। সব সু এর দোষ। খুব লজ্জিত।
  • b | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ১৬:১৫670010
  • পুরো পুরি ই আমার দোষ। সরি।
  • r | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ২০:৩৫670021
  • জমির মাপ এবং কৃষির উৎপাদনশীলতা নিয়ে একটি পুরোনো নামজাদা বিতর্ক আছে যাকে রুদ্র-সেন বিতর্ক বলা হয়ে থাকে। কারো আগ্রহ থাকলে রেফারেন্স দিয়ে দেবো। কিন্তু ভূমিসংস্কারের একটা মূল উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক যা সু বলেছে। আর একটা উদ্দেশ্য ছিল ক্রয়ক্ষমতার বৃদ্ধি। খুব ছোটো একটা অঙ্ক করি?

    ধরা যাক, আজবগাঁয়ে একদল জোতদার আর একদল কৃষক। এইবার দুইদলেরই আয়বৃদ্ধি হলে তাদের ভোগ (consumption) বৃদ্ধি হয়। কিন্তু এই বৃদ্ধির হার আলাদা। অর্থাৎ একটাকা আয়বৃদ্ধি হলে জোতদার যদি পঞ্চাশ পয়সা খরচ করে আর পঞ্চাশ পয়সা জমায়, সেইখানে কৃষক সত্তর পয়সা খরচ করে আর তিরিশ পয়সা জমায়। এই বৃদ্ধির হারকে অর্থনীতির ভাষায় বলা হয় marginal propensity to consume। এইবার অর্থনীতিতে মোট ভোগ হল কৃষক এবং জোতদারদের মোট ভোগের সমান। একটু সমীকরন:

    C=aA+bB

    যেখানে হল মোট ভোগ, AB হল যথাক্রমে কৃষক এবং জোতদারদের আয়, এবং ab হল যথাক্রমে কৃষক এবং জোতদারদের marginal propensity to consume। মনে রাখবেন যে a কিন্তু b-এর থেকে বড়ো।

    এইবার জাতীয় আয়ের প্রশ্ন। জাতীয় আয় হল ভোগ এবং বিনিয়োগের সমষ্টি। ধরে নিলাম বিনিয়োগ ধ্রুবক। অন্যদিকে জাতীয় আয় হল কৃষক এবং জোতদারদের আয়ের যোগফল। কাজেই আরও দুইটি সমীকরণ:

    Y=C+Iএবং
    Y=A+B

    I হল স্থির বিনিয়োগ। এইবার নিজেরা অঙ্ক করে দেখুন যে কৃষকের আয় বাড়লে জাতীয় আয় বাড়ছে, এবং জোতদারের আয় বাড়লে জাতীয় আয় কমছে।

    আসল গল্প অবশ্যই এর থেকে অনেক কঠিন। কিন্তু এর থেকে পুরো যুক্তির একটু ধরতাই পাওয়া যায়।
  • Ishan | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ২১:০৫670032
  • বিনিয়োগ ধ্রুবক কেন? বিনিয়োগও তো function of A and B হওয়া উচিত। তাইলেই তো হিসাবটা ঘেঁটে যাবে।
  • r | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ২১:১৯670043
  • অবশ্যই ঘাঁটবে। আরও ঘাঁটবে যদি আমি এর মধ্যে আমদানি, রফতানি নিয়ে আসি এবং সরকারী খরচ নিয়ে আসি। তখন জাতীয় আয়ের হিসেব দাঁড়াবে:

    আয়=ভোগ+বিনিয়োগ+সরকারী খরচ+রফতানি-আমদানি

    এই শুধু নয়। এখনও একটা চলরাশি আয়ের উপর খেলে যাচ্ছি। এরপর আমি সুদের হার এবং বিদেশী মুদ্রা বিনিময় মূল্য ঢোকাতে পারি। তাহলে আরও ঘাঁটবে মালটা।

    উদ্দেশ্যটা ছিল এই ছোটো অঙ্ক দিয়ে আয়ের সমতা এবং আয়বৃদ্ধির গপ্পোটা বোঝানো, যতটা সহজ মডেল দিয়ে বোঝানো যায়।

    অবশ্যই, পুরো গপ্পোটা এর থেকে অনেক জটিল।
  • Ishan | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ২১:২৬670054
  • না বিদেশী মুদ্রা, আমদানি-রপ্তানি বাদ দাও। কিন্তু সুদের হার আর সরকারি খরচ টা তো মনে হয় ঢোকানো দরকার। ঐ দুটো ঢোকালে কেসটা কি দাঁড়ায়?
  • r | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ২১:৩৩670065
  • কিন্তু সিঙ্গুরের গপ্পো এত ব্যাপক জায়গায় নিয়ে ফেললে ব্যাপারটার ধার হারিয়ে যাবে। জমির দামের ব্যাপারে খুব সম্প্রতি হিসেবে দেখলাম, এখন কৃষকের কৃষি থেকে মাসিক আয়, এবং যে দামে জমি বেচা হচ্ছে সেই দামে পাওয়া জমিবেচার টাকা ব্যাঙ্কে রাখলে সুদবাবদ যে টাকা পাওয়া যাবে, তা মোটামুটি সমান। কিন্তু এই হিসেবের মধ্যে যদি সময়ের হিসেব ঢুকাই, তাহলে কিন্তু আয়ের এই সমতার সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। যদি ভবিষ্যতে কৃষির উৎপাদনবৃদ্ধি এবং মূল্যবৃদ্ধির হিসেব ধরি, তাহলে ভবিষ্যতের কৃষিজনিত আয়, ভবিষ্যতের সুদজনিত আয়ের থেকে অনেক বেশি। কাজেই জমির দাম স্থির করার সময় এই ফ্যাকটরগুলোকেও বিবেচনা করা উচিত ছিল।
  • r | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ২২:৩৩670076
  • সুদের হার ঢুকায়ো না তাহলে পণ্যের বাজারের সাথে সাথে টাকাপয়সার বাজারের জন্য আর একখান সমীকরণ ঢুকাইতে হইব। সরকারী খরচ ছেড়ে দাও, তাইলে ট্যাক্সোর গল্পো আইব। কিন্তু ধরো বিনিয়োগ হল আয়ের উপর নির্ভরশীল। এইবার জোতদারের marginal propensity to invest কৃষকের থেকে বেশি। তাহলে পুরো গপ্পোটা নির্ভর করবে কোনটার বেশি জোর- marginal propensity to consumption-এর তফাৎ নাকি marginal propensity to invest-এর তফাৎ-এর উপরে।

    ডিসক্লেমার: ১) এইজাতীয় মডেল স্রেফ ছাত্রদের টেক্স্‌ট্‌বুকে বেঁচে আছে। অর্থনীতির অ্যাকাডেমিক কাজে এইজাতের মডেল তামাদি হয়ে গেছে।
    ২) কৃষি এবং শিল্পের যোগসূত্রের একটি গপ্পো আছে, যা এই মডেলে ধরা পড়ে নি।
    ৩) শ্রমের যোগান এবং চাহিদার গপ্পোটাও ধরা পড়ে নি।

    কাজেই এই মডেল না বাড়িয়ে বরঞ্চ আমরা সিঙ্গুরের মূল গপ্পে ফিরে আসি।
  • vikram | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ২২:৩৬670087
  • রংগন,
    এই অংক কষতে ব্যাপারটা অনেক বোধগম্য পর্যায়ের হোলো। নইলে যুক্তিজালে আবদ্ধ হয়ে জাই। আট্টু অংক করো না। তোমার অপেক্ষক গুলোকে তো ডিস্ট্রিবুশান হিসাবে নিয়ে কোন অপেক্ষকের কতোটা এফেক্ট তার সেন্সিটিভিটিগুলো বার করা যায় দেখছি।
    অপেক্ষক গুলোর ইম্পর্টেন্স র‌্যাংকিং নিয়ে একটু বলবে। সিঙ্গুরের কাজে না লাগলেও। নাকি সেটাও কেস স্পেসিফিক একেক জায়গায় একেকটার এফেক্ট বেশি।

    বিক্রম
  • Ishan | ০৫ অক্টোবর ২০০৬ ২২:৪৬670099
  • কিন্তু সুদের হার ছাড়া বিনিয়োগ মাপব কিকরে? মানে চাষীভাই সঞ্চয়ের টাকাটা তোষকের নিচে রাখল না ব্যাঙ্কে রাখল সেটা তো সুদের হারের উপরই নির্ভরশীল। নাকি ধরে নেব, সবই ব্যাঙ্কে যাবে?
  • Su | ০৬ অক্টোবর ২০০৬ ০০:২০670110
  • আমরা হয়তো সিঙ্গুর-এর মুল জায়গা থেকে একটু সরে এসেছি। কিন্তু তা না হয় হল। ব এবং র-কে অনেক ধন্যবাদ। র যে রেফারেন্সটা কেউ চাইলে তবে দেব বলে দেয়নি, সেটা দিলে ভালো হয়। এমনি, অ্যাকাডেমিক ইন্টারেস্ট।

    সব মিলিয়ে সিঙ্গুর বস্তুটা খুব গুলিয়ে গেছে। সত্যি কথা বলতে কী কৃষি, শিল্প কোনটা ভালো কোনটা মন্দ সবটাই গুলিয়ে গেছে। globalization-এর ফলে তো আরও। আগে না হয় কোনও একটা কিচু থিওরি দিয়ে কিছু একটা খাড়া করা যেত।

    এই ইশ্যুর আগের সংখ্যায় ""দেশ''-এ অশোক মিত্রর প্রবন্ধটা পড়ে দেখতে অনুরোধ করছি। সিঙ্গুর এবং আরও নানান বিষয় আরও গুলিয়ে যেতে পারে।

    সু
  • kallol | ০৭ অক্টোবর ২০০৬ ১৫:০৮670132
  • বাপ রে! যে রেটে নানাপ্রকার অঙ্কটঙ্ক চলে আসছে তাতে সুতোয় জড়াতে বেশ ভয় ভয় লাগছে। কেউ (র) কিছু মনে কোরো না, সেই যে ক্লাশ এইটে অঙ্কে ৫ পেয়েছিলাম, সেই থেকে অঙ্ক দেখলে কেমন ভয় ভয় করে।

    আমার দুটো কথা বলার ছিলো :
    ১)
    উন্নয়ন বলে যে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের কথা বলা হচ্ছে (বেশী বেশী শিল্প, কৃষিতেও শিল্প) সেটা কি সত্যিই উন্নয়ন? উন্নয়নের ধারণা তো সবার ভালো থাকার জায়গা থেকেই উৎসারিত। সবাই যদি ভালো নাই থকলো, তবে উন্নয়নটা হলো কিসে? ভালো থাকা অর্থে শুধু খেয়ে পড়ে জীবনধারন করা নয়, আত্মসম্মানের সাথে আনন্দে জীবনযাপন করা। সাম্যটা অর্থনৈতিক নয়, বরং সম্মানের সাম্য, আনন্দের সাম্য।
    খেয়াল করো, আধুনিক শিল্পের সাথে সাথে নানা ধরনের দূষণ গ্রাস করেছে আমাদের। কালক্রমে এগুলো পৃথিবীর গোটা জীব জগতের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক বলে প্রমানিতও হয়েছে। তার পরেও বলতে হবে এটা উন্নয়ন!!!
    তা হলে বিকল্প কি ? এর কি কোনো এককথায় উত্তর হয়, না হওয়া উচিত ? বিকল্প একটা নয় হয়তো কয়েক হাজার, হয়তো কয়েক লক্ষ.......... এক এক জায়গার ভৌগলিক, সাংস্কৃতিক বৈশিষ্টের উপর দাঁড়িয়ে খুঁজতে হবে সেই জায়গার বিকল্প।
    ২)
    সকলেই দেখছি জমির মালিকদের জায়গা থেকে হিসেব করছো, যে টাকাটা তারা জমির বদলে পাবে সেটা যথেষ্ট কিনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জমির মালিক চাষ করে না। চাষ করে বর্গাদার বা ক্ষেতমজুর। তারা যে টাকাটা পাবে তা নেহাৎই যৎসামান্য (বোধহয় ২৫হাজার টাকা মাথা পিছু)। তাদের গল্পটাও মাথায় রেখো।
  • dam | ০৮ অক্টোবর ২০০৬ ১১:৫০670143
  • http://www.aajkaal.net/report.php?hidd_report_id=70979 এই লিঙ্কে পুনে ও মুম্বাইয়ের যে সব জমির কথা বলা হচ্ছে সেইগুলো কি জাতীয় জমি? কে ক্ষতিপুরণ দিয়েছেন, সরকার না টাটা/মাহিন্দ্রা? আর ক্ষতিপুরণ কি পরিমান দেওয়া হয়েছে? কেউ জানেন এগুলো? গুগলি করে ঠিক সুবিধা হল না।
  • b | ০৮ অক্টোবর ২০০৬ ২২:৫১670154
  • সু, আমি অবিশ্যি মনে করিনা, কিছু তেমন গুলিয়ে গেছে।
  • b | ০৯ অক্টোবর ২০০৬ ০৭:২৮670165
  • জীবিকার প্রশ্নের conflict of interest মূলত:, গুলোনোর কিছু নেই। এক্ষেত্রে সেই সব চেনা দু:খ চেনা সুখ আমার কাছে ব্যক্তিগত ভাবে যা ভেসে উঠছে সে গুলো এই রকম:

    ১। পশ্চিমবঙ্গের বিরোধীপক্ষের মূল রেটোরিক টা পুলিশি আচরণের বিরুদ্ধে, প্রান্তিক কৃষকের জীবিকা রক্ষার্থে নয়।অন্তত প্রচার ও প্রেস কনফারেন্স গুলো তা বলে না। অন্য বড় দল কংগ্রেস ঐতিহ্যের দিক থেকে প্রান্তিক কৃষক, বর্গাদার, ভাগচাষী ও ক্ষেত মজুরের interest represent করে না, এই পশ্চিমবঙ্গে বহু দশক ধরেই এটা বাস্তব।
    আর বিজেপির ও তার বিভিন্ন সময়ের সহযোগীদের মূল support base, trade এ আর বৃহৎ চাষীদের মধ্যে, সিঙ্গুর ইসুতে এঁদের stake নিয়ে বিতর্ক নেই। কংগ্রেস ভাঙ্গার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন splinter group 'জমি যার ফসল তার' শ্লোগান দিয়ে বর্গা বিলির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে এসেছে।
    সিঙ্গুরের এই বিতর্কে এই ছবি গুলো ভীষন কিছু বদলায় নি বলেই মনে হচ্ছে।
    ২।বিভিন্ন স্তরের কৃষিজীবি দের মধ্যেকার যে clash of interest সেটা ঐ ত্রিস্তর পঞ্চায়েত এর local government দিয়ে কিছুটা integrate করেছিলেন বামফ্রন্টের বিভিন্ন শরিকরা, এই বিতর্কের একটা interesting দিক হল এই integration process টার উপরে এই বিতর্কের প্রভাব কি হবে। এটাও আমাদের কাছে চেনা বিতর্ক ও সমস্যা।
    ৩।কবার একটা জমিতে ফসল হয়, এটা খুব বড় ইসু নয়, যবার ই হোক, এটা জীবিকার প্রশ্ন। loss of income insurance বা কোন ধরণের social security network আওতায় অনেকেই পড়েন না, বিকল্প জীবিকা সন্ধান এই সব ক্ষেত্রে বড় সমস্যা। এই welfare infrastructure থাকলে চিত্র অন্যরকম হত, insurance এর গল্প মাঝে উঠেছিল, পরে আর শোনা যায় নি।

    আরো পাঁচ ছটা কথা বলার আছে। সময় পেলে বলব।
  • b | ০৯ অক্টোবর ২০০৬ ০৭:৩০670176
  • জমি যার ফসল তার শ্লোগানটি ভাগচাষী দের interest বিপরীতেই কাজ করেছে এদ্দিন মূলত:।
  • b | ০৯ অক্টোবর ২০০৬ ০৮:৫৭670187
  • আমাদের দেশে protectionism এর বাজারে যারা সবচেয়ে বেশি সুবিধে পেয়েছিলেন, তাঁরাই open market ও লাভের জন্য, 'pure' commerce/economics এর সব চেয়ে বড় protagonist। এই মডেল টিকে আরেকতু বিস্তৃত করলে দেখা যাবে, ঠিক আগের প্রজন্মের public sector education এর যারা সবচেয়ে বেশি বেনেফিসিয়ারি তারাই এই সব নতুন গ্লোবালাইজেশন এর সব চেয়ে বড় protagonistbeneficiary

    আমাকেও এই category তে পড়তে হচ্ছে, সামাজিক অবস্থান এর দিক থেকে দেখলে।

    এটার মধ্যে আশ্চর্য্যের তেমন কিছু থাকেনা, যদি aspirational professional দের গল্পটি যদি মাথায় থাকে। আর সঙ্গে বিংশ শতকের অন্যতম ঐতিহ্য urban professional category র গল্পটিও মনে রাখা যেতে পারে, তাইলে জটিল হলেও অচেনা লাগবেনা।
  • dam | ০৯ অক্টোবর ২০০৬ ০৯:৫৫670198
  • 'ব' এর "কবার একটা জমিতে ফসল হয় এটা খুব বড় ইস্যু নয়" বাক্যটায় একটু আপত্তি করছি। জীবিকার প্রশ্ন ঠিকই কিন্তু তারও তারতম্য আছে। যে জমিতে খুব কষ্ট করে একবার ফসল ফলান হয় এবং বছরের বাকী সময়টা কৃষককে ঠিকে মজুর বা অন্য কোন বিকল্প পেশার সন্ধান করতে হয়, সেখানে মোটামুটিরকম ক্ষতিপুরণ পেলেই জমি ছাড়তে আপত্তি করবেন না। কারণ সেক্ষেত্রে ঐ বছরে একবার চাষ তিনি করেন, অন্য কিছু করার নেই বলে। থোকে বেশ কিছু টাকা তাঁকে বিকল্প জীবিকার সন্ধান করতে সাহায্যই করবে। গাড়ীর কারখানার জন্য গড়ে ওঠা সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রি ই হয়ত হতে পারে তাঁর বিকল্প জীবিকা (যেমন খাবারদাবারের দোকান)। এই প্রসঙ্গে পুরুলিয়া অঞ্চলের জমির কথা মনে আসছে।

    কিন্তু যে জমিতে দুবার বা তিনবার চাষ করা যায়, সেখানে চাষবাসই একমাত্র জীবিকা। সম্বচ্ছরের খাদ্যশস্য রাখার পরেও হয়ত কিছু বিক্রয়যোগ্য থেকে যায়, যা একধরণের স্বচ্ছলতা দেয় তাঁদের। এক্ষেত্রে তাঁদের রাজী না হওয়াটাই স্বাভাবিক।

    এই দু তিন ফসলী হবার ফলে যদি মাটির জলস্তর ক্রমশ: নামতেও থাকে, সে সম্পর্কে এঁরা বিশেষ সতর্ক নন, বা হলেও খুব একটা পরোয়া করেন না।
  • b | ০৯ অক্টোবর ২০০৬ ১০:৪৮670210
  • দমু, তোমার আপত্তি প্রসগে:

    পাল্টা দ্বিমতের খুব বেশি জায়গা নেই, আর তাতে খুব বেশি কিছু যায় আসে না,

    শুধু দুটি কথা জুড়তে চাই:

    ক। তোমার যুক্তি আমার মনেও এসেছিল, বক্রেশ্বর ও পরে কলিংগ নগর বিতর্কের আমলে, কিন্তু আপাতত মানতে চাইচি না, মানলে একটা গভীর সমস্যা হয়। যার যত ফলন কম তার যেহেতু হারানোর ভয় কম সেহেতু তার social security র প্রয়োজন তত কম। এই ধারণা টা শুনতে 'শৃংখল ছাড়া কিছু হারানোর নেই' গোছের শুনতে লেগেও ছিল বছর কুড়ি আগে, কিন্তু কৃষি সংক্রান্ত রাজনীতির সংগে অতি সামান্য কিছুটা প্রতক্ষ্য পরিচয়ের সুযোগ হওয়ায়, সে ধারণা উবে যেতে বেশি সময় নেয় নি।

    খ। SEZ concept এর ঠাকুরদা INDUSTRIAL DEVELOPMENT CORPORATION এর infrastructure development
    এর আমলে 'পিছিয়ে পড়া এলাকার' উষর জমি তে industrial unit তৈরি শুরু হয়। সম্ভবত গুজরাত ও মহারাষ্ট্রে এই রকম কিছু প্রোজেক্ট নাম করে, কেউ শুধরে দিলে ভাল হয়, ভাপি বা আংক্লেশ্বর। এই তথ্য টি একটু খুজে দেখে বলতে হবে, বা অন্য কেউ সরাসরি জানতে পারেন। পরে দেখা যায়, এই মডেল এ যাঁদের ক্ষতি হচ্ছে, তাঁরা আদিবাসী বা অন্যান্য পিছিয়ে থাকা শ্রেণীর মানুষেরা, কারণ একটাই, ঐ displacementlack of alternaivesissues on skill transfer
    তেহেরী ড্যাম এও এই কেস। শুধু কৃষী জীবিরা এর বিপক্ষে নন।

    প্রশ্ন দুটি জাগে, এক উন্নয়নের মডেল দিয়া কি হয়, আর কোনো সামাজিক পরিবর্তনে, সবচেয়ে ক্ষতি কার কার কম হবে সেটা খুঁজে বের করা সজহ কাজ নয়, কারণ decision making টাই devoluted নয়।

    অনেক কিছুই ভাবার আছে তবে অচেনা ভাবা নয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন