এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কি ভাবছেন সবাই(২)

    Ishan
    অন্যান্য | ১৮ অক্টোবর ২০০৬ | ৭৯৩২১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ® | ৩১ অক্টোবর ২০০৬ ১৪:৪৪697251
  • পয়েন করে উত্তর -
    ১।দূর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে জলা জমি যে পড়ে আছে সেটা ওখানে গেলেই নিজের চোখে দেখা যাবে।(একটু অপ্রাসঙ্গিক হলেও - ঈশান দা নিজে সিঙ্গুরের বাসিন্দা)। আর জলা জমি যেটা পতিত জমি সেখানে চাষবাস করা গেলে এত বছর চাষীরা চাষ করে নি কেন? জমি উর্বর চলে তবেই না চাষ হবে।
    ২।রাজবাঁধ,দূর্গাপুর,ওয়ারিয়া,রাণীগঞ্জ,পান্ডবেশ্বর,বার্ণপুর,অন্ডাল,আসানসোল,চিত্তরঞ্জন,সীতারামপুর এরিয়া টা সিঙ্গুরের তুলনায় অনেক বড়। আর পতিত জমি কতটা আছে জানতে গেলে জিটি রোড বরাবর ড্রাইভ কর বা সকালের ব্ল্যাকডায়মন্ডে চেপে বস।চারপাশে অপরিমিত চাষ-অযোগ্য রূক্ষ্ম জমি পড়ে আছে আর আছে পরিত্যক্ত কয়লা খনি আর বন্ধ হয়ে যাওয়া পুরোন কারখানা।
    ৩।জনতার জমি গ্রহণে আইনি জটিলতা সর্বত্র থাকে। সে সিঙ্গুরেই হোক বা আসানসোলেই হোক।তবে পড়ে থাকা পতিত জমি ছেড়ে দিতে লোকের আপত্তি কম হয়। (এর মধ্যে আমি মাও উপদ্রুত পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুরা বা পুরুলিয়া বলি ই নি অল্টারনেটিভ হিসেবে এখানে আরো বন্ধ্যা জমি পড়ে আছে।)
    ৪। 'তেলা মাথায় তেল দেওয়া' - ঘোড়ায় হাসব কত্তা :-) একমাত্র ডি এস পি ছাড়া প্রত্যেক টা প্লান্ট হয় ধুঁকছে না হয় বন্ধ হয়ে গেছে। এই এরিয়ার আরেকটা ইউ এস পি - রাস্তাঘাট,বিদ্যুতের রেডিমেড ইন্‌ফ্‌রাস্ট্রাকচার পাবে শিল্পপতি রা।
    ৫। no comments ; to the point যুক্তি কিনা সেটা পাঠক বিচার করুক।
    ৬।আমি যে অঞ্চল টার কথা বল্লাম সেখানে বছরের কোন সময় ই ফসল ফলে না।সিঙ্গুরের এক ফসলী/দো ফসলী জমি কে ৯১% -র মধ্যে কাউন্ট করা হচ্ছে ! বেশ বেশ। যে দেশ ১২০ কোটি হবার দিকে এগোচ্ছে সেই দেশ নাগরিক দের ভবিষ্যতে খাওয়াবে কি?
  • Arjit | ৩১ অক্টোবর ২০০৬ ১৪:৫৩697262
  • ওই জলা জমি প্রসঙ্গে একটা কথা - ওটা যতটা জমি দরকার তার তুলনায় খুবই কম - ২৩০ একর, যেখানে দরকার হাজারের বেশি।
  • r | ৩১ অক্টোবর ২০০৬ ১৬:৪৫697273
  • সি পি এমের এতই দুরবস্থা! সিঙ্গুরে প্রকল্প সমর্থন করার জন্য ঠিকঠাক যুক্তি দেওয়ার লোক পাওয়া যাচ্ছে না? প্রাক্তন হিসেবে আমাকেই হাল ধরতে হবে দেখছি। কিছু নাবালকের জন্য সি পি এমের বদনাম তো হতে দেওয়া যায় না। (স্বগত: নিরুপমবাবু এদের ক্লাস নিতে পারেন তো! ;-)
  • ® | ৩১ অক্টোবর ২০০৬ ১৯:১৭697284
  • জরুরী কথা - পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোন স্বচ্ছ জমি বন্টন নীতি নেই। বলবে না কেন? - ট্রেড সিক্রেট :-) কিসের সিক্রেট? দেখি অন্য রাজ্যে কি হয় -
    মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন - মহারাষ্ট্রে কোন এরিয়ার জমি শিল্পের জন্যে পুল এ রাখা আছে অনলাইন ম্যাপ দিয়ে দেবে,অন্‌লাইন অ্যাপ্লাই ও করা যাবে জমির জন্যে http://www.midcindia.org/lms/lms-application.php ড্রপ ডাউন লিস্টে কিন্তু কেবল সেই সব এরিয়ার নাম ই আসবে। এরকম নয় যে আমার ইচ্ছে হল তুলোর ক্ষেতে শিল্প বানাতে ইচ্ছে হল আর আমি জমি পেয়ে গেলুম।

    ডিসক্লেমার দিয়ে রাখা ভালো যে আমি মোটেই ছোড়দা / ছোড়দির বাতেলায় চেগে গিয়ে বা নিছক বিরোধিতার জন্যে বিরোধিতা করছি না।মোটেই ভাববেন না আমি এমন এক গাম্বাট লোক যে উন্নয়ন চায় না আর আজিজুল হকের মত বলে বসে" হাইওয়ে দিয়ে গ্রাম শহরের আর ও কাছে এলে মার্কিন পুঁজিপতিদের সুবিধে হবে তাই সড়ক বানানো উচিত নয়"।
  • nisha | ৩১ অক্টোবর ২০০৬ ২০:০৯697295
  • অরিজিত - হাজারে র বেশি জমি দরকার - এই যুক্তি টা হাস্যকর ! Europe এবং Japan এ এর থেকে ঢের কম জমিতে টাটা র দ্বিগুণ production হয়ে থাকে multistoried plant building ব্যবহার করে। Of courseCPM কেন দূর্গাপুর এ শিল্পায়ন এ উৎসাহী নয় সেটা অন্য thread এর মশলা ! তবে সিঙ্গুর আর একটা VSNL হতে চলেছে !
  • Arjit | ৩১ অক্টোবর ২০০৬ ২০:২৫697306
  • আজ্ঞে ওটা আমার যুক্তি নয়। টাটা হাজার একর চেয়েছে, এবং সিঙ্গুরেই, এবং তাই ওই জলাজমিটা এলিজিবল নয়। এবার জমির দাম/জমি নেবার পদ্ধতি সেতা গণতান্ত্রিক না বুশতান্ত্রিক - এরকম কোন কথাই আমি বলিনি। নীরস পরিসংখ্যান দিয়েছি।
  • nisha | ৩১ অক্টোবর ২০০৬ ২১:০৫697317
  • একদম সঠিক ! পরিসংখ্যান টা নেহাত ই নীরস - সেইটাই প্রমাণ করতে চেয়েছি।মাপ করবেন - কোন যুক্তি দিয়েই এটা প্রমাণ করা যায় না যে Multi-Crop Fertile Land এ হাজার একর জমি রাতারাতি Small Car Production Unit এ পরিবর্তিত হতে পারে।শুধু সিঙ্গুর কেন - এর পরের শিল্পায়ন হোক বেলপাহাড়ী তে !
  • Arjit | ৩১ অক্টোবর ২০০৬ ২২:০০697328
  • ওক্কে, ধরুন আপনি টাটা। আপনি জলা জমি কি নেবেন? নেবেন না, কারণ ওটাকে বুজিয়ে ওর ওপর মাল্টিস্টোরি ইন্ডাস্ট্রী বানাতে গেলে আপনার মুনাফার ঘটে কিস্যু থাকবে না। কাজেই ওদের দিক থেকে ওরা ঠিক। প্রশ্ন হল আর কোন অল্টারনেটিভ জায়গা ছিলো কিনা - আমি জানি না। আমার কাছে বিষয়টা শুধু স্বচ্ছতা আর সঠিকভাবে নেওয়া হল কিনা - এই দুটোই।
  • a x | ৩১ অক্টোবর ২০০৬ ২৩:১৯697339
  • অরিজিত, এটাই তো বেশ চিন্তার কথা, যে বার্গেনিংএর এক এন্ডে যদি বামফ্রন্ট সরকার আর অন্য এন্ডে টাটা, তাহলে টাটাই ডিক্টেক্ট করছে সব টার্মস।
  • Ishan | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ০০:১১697351
  • বুনান,

    সেঞ্চুরি টেক্সটাইল:
    ----------------
    মন্তব্য করার আগে EPW টা একবার পড়ে নিলে ভালো হয়। তাহলে অনর্থক আমাকে এই নিয়ে কিবোর্ড পিষতে হয়না। সংক্ষেপে লিখি। সরকার ঠিক করেছিল ঐ জমি বাবদ সেঞ্চুরি টেক্সটাইল আট কোটি টাকা দেবে, যা দিয়ে জমিহারাদের ক্ষতিপূরণ দেবে। কিন্তু কোম্পানিটি সর্বমোট দিয়েছে চার কোটি টাকা। অতএব সহজবোধ্য পাটিগণিতে বোঝা যাচ্ছে, যে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলেও সেটা মেরেকেটে অধিগৃহীত জমির অর্ধেকের জন্য দেওয়া হতে পারে। তার চেয়ে বেশি নয়।

    এবং সূর্যবাবুর কথাটা একেবারেই মিথ্যে না, যে বাকি অর্ধেক জমির মালিককে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সত্যিই খুঁজে পাওয়া যায়নি, কারণ খোঁজার চেষ্টাই হয়নি। আমার রুমাল হারালো মেদিনিপুরে, আর খুঁজছি বসে রাইটার্সে, খুঁজে পাবো টা কিকরে?

    বানতলা
    --------

    কোলকাতার সফটওয়্যার কোম্পানিরা কিরকম স্পেস ক্রাঞ্চে ভুগছে, সে নিয়ে সত্যিই আমার বিশেষ ধারণা নেই। সেরকম আমি দাবীও করিনি। এখানে কথা হচ্ছিল চর্মনগরী নিয়ে, সেই নিয়ে দুচারটি কথা বলেছিলাম বলে মনে পড়ছে। তো সেটা নিয়েই কথা বলা যাক।জ্যোতিবাবুর আমলে এই চর্মনগরীর পরিকল্পনার শুরু। তখন শোনা গিয়েছিল, সব ট্যানারিগুলো ওখানে উঠে যাবে। ইটালির বিশ্ববিখ্যাত কিসব চামড়ার কোম্পানিও নাকি আসবে। মৌ টৌও অনেক স্বাক্ষর হয়েছিল। খবরের কাগজে সেসব দেখেছিলাম আমরা। জনৈক জগমোহন ডালমিয়া ছিলেন তার দায়িত্বে। তারপর, বুদ্ধদেববাবু মুখ্যমন্ত্রী হলেন। কাগজে পড়া কথা, যে, বুদ্ধবাবু খুব ক্রিকেটপ্রেমী, ক্রিকেট নিয়ে জগমোহন বাবুর সঙ্গে তাঁর খুব ঝগড়া হল, এবং চর্মনগরীর দায়িত্ব জগমোহন বাবুর কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হল। এখন শোনা যাচ্ছে চর্মনগরীতে শুধু আইটি ইন্ডাস্ট্রি হবে। ছিল রুমাল, হয়ে গেল ওথেলো :-)

    তো এসব কাগজে পড়া কথা। কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক আমি জানিনা। আপনিও জানেননা। এখাএ দাবী শুধু একটাই, যে সরকার, ঠিক কি প্ল্যান, কি স্ট্যাটাস সেটা জানাক। তখন আমরা জানতে পারব ওখানে বাগানবাড়ি হবে, নাকি জুতোর কারখানা, নাকি নাগরদোলা। তখন সেসব নিয়ে আলোচনা করা যাবে। আপাতত: কি হচ্ছে সেটা তো জানানো হোক।

    জমি অধিগ্রহণ ও সরকার
    -----------------------
    আজকালের রিপোর্ট পড়ে জানতে হবে শেষে কতো কৃষক জমি দিয়েছে? :-)সরকারী পরিসংখ্যান নিয়ে এখানে প্রশ্ন আছে। বলা হচ্ছে সাড়ে আটশো একর জমির কনসেন্ট পাওয়া গেছে। এবং চেক বিলি হয়েছে নাকি চারশো একরের মতো। সিঙ্গুরে জমি নেওয়ার সরকারি পদ্ধতিটা হ, সই মারো টাকা নাও। (এই ব্যাপারের যে সরকারী তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, সেটা সত্যিই অভিনন্দনযোগ্য)। তো হিসেবেই দেখা যাচ্ছে, সাড়ে চারশো একর জমির মালিক নাকি "সম্মতি' দিয়েছেন, কিন্তু টাকা নেননি। তাহলে সম্মতিটা দিলেন কিকরে? বুদ্ধবাবুর কানেকানে বলে গেছেন?

    আর সরকারি পরিসংক্যান, বিবৃতি, সিঙ্গুরের ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যখন বিক্ষোভ চরমে, চাষীরা কৃষক সভার নেতাদের ঝাঁটা নিয়ে তাড়া করছে, তখন লালবাড়ি থেকে বলা হচ্ছে, কোনো বিক্ষোভ নেই :-)।সবই নাকি চক্রান্ত। আরও হাস্যকর হল অধিগৃহীত জমিগুলিকে একফসলি বলে চালিয়ে দেবার চেষ্টা। এই ইতিহাস, এবং ঐ সাড়ে চারশো একরের গোঁজামিলের পর সরকারী হিসেব মেনে নেমার কোনো কারণ আছে কি?

    সিঙ্গুরকে এখন পুলিশ আধাসামরিক বাহিনী, র‌্যাফ দিয়ে একটি দুর্গে পরিণত করা হয়েচ্চে। কথায় কথায় ফ্ল্যাগ মার্চ করছে পুলিশ-র‌্যাফ। এসবই স্বেচ্ছায় জমি দেবার লক্ষণ, সন্দেহ নেই :-)

    সরকারের স্বচ্ছতা
    ------------------
    এই কদিন আগেই টাটাদের একটি চিঠি ফাঁস হয়েছিল, যে, একশোচল্লিশ কোটি টাকা দিয়ে যে জমি নেওয়া হচ্ছে, তা তাঁরা কুড়ি কোটি টাকায় চান। তাও সেই টাকা তাঁরা পাঁচ বছর পরে দেবেন।

    তা, এই জাতীয় কোনো চুক্তি হলে সরকার যে ডিটেলসটা গোপন করতেই চাইবে তাতে আর আশ্চর্যের কি আছে? আর এই নিয়ে বিরোধীরা জলঘোলা করলে সরকার যে বেকায়দায় পড়বে তাতেই বা আশ্চর্যের কি আছে? সেই কারণে যদি তথ্য চেপে যাওয়া যায়, তাহলে, আহা সেই দিন আসতে আর বাকি নেই, যখন জর্জ বুশ নর্থ কোরিয়া আক্রমন করে বলবেন, কেন আক্রমন করলাম বলা যাবেনা, ওটা "ট্রেড সিক্রেট'। আর বুশের পারিষদরা দাবী করবে ঠিকই তো ঠিকই তো। চাদ্দিকে বিরোধী পক্ষ আছে, তারা কংগ্রেসে ঘোলা জলে মাছ ধরতে পারে, সরকার বিপদে পড়তে পারে, সিক্রেসি বজায় না রেখে উপায় কি? আর এতো বড়ো উদ্দেশ্যের জন্য যদি গণতন্ত্রকেই বলি দিতে হয়, সে আর এমন কি কথা?

    শুধু একটিই কথা। অন্যসব সময়ে বাঁধা বুলির মতো আওড়ালেও এইসব সময়ে বাম সরকার ভুলে যান, যে তাঁরা "যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠাম্য একটি অঙ্গরাজ্যে সীমিত ক্ষমতার' অধিকারী। তাঁরা ভগবান হয়ে যাননি, এবং দেশের কাঠামোটা এখনও গণতান্ত্রিক। "গণতন্ত্র' উইথ বোল্ড। এবং সেই দেশে, যেখানে বামরা কদিন আগেই ইনফরমেশন অ্যাক্টের বিরোধিতা করেছেন এই যুক্তিতে, যে, ওটা নাকি ঠিক গণতান্ত্রিক নয়। ওতে নাকি তথ্য জানাবার বদলে চেপে যাবার চেষ্টা করা হচ্ছে। :-)

    সার্কাসের টিকিট
    -------------
    আপনি ধরে নিয়েছেন, ছশোটি পরিবারের মধ্যে পাঁচশোটি পরিবার থেকে একজন করে চাকরি পাবেন। আবার সেই একই প্রশ্ন। কে দেবে? সরকার? টাটা? নাকি আপনার কোম্পানি? তথ্যসহ জানাবেন।

    অর্থনীতি
    -------
    ওহো এই পয়েন্টটা মিস করে গেছি। আমি অর্থনীতি নিয়ে এই থ্রেডে যাযা বলেছি, তার কোনখানটা বোঝেননি, একটু বিশদে বললে, জ্ঞানাঞ্জনশলাকা প্রজ্বলনের ইচ্ছা পোষণ করি। সিঙ্গুরের শিল্পইপ্লব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বান ডেকে আনবে বলে যাঁরা লাফাচ্ছেন, তাঁদের অর্থনীতি তা একটু বোঝা দরকার।
  • du | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ০০:৩৪697362
  • খাওয়াবে কি সেটা ভাবার ব্যপারই বটে। তবে কিনা টাটার কারখানা না হলেও ৪/৫ বছরে ১০০/২০০ একর করে হাজার একর কৃষিজমির পুরোটাই আমাদের থাকার আবাসন বা প্লট হবে যেটা উপেনরা স্বাধীনভাবেই বেচবে । অন্য রাজ্যে বানানো গাড়ি কিনে আমরা সেখান থেকে সহজেই আসা যাওয়া করবো। খবরে চাষীরা নয়, থাকবে ডানলপের ছাটাই শ্রমিক অথবা আরো কিছু না হবার খবর। কুযুক্তি ই দিলাম কারন কে না জানে জীবন যুক্তি মেনে চলেনা, নাহলে বাড়ি ছেড়ে লোকে অন্য জায়গায় গিয়ে চাকরি করে কেন, তার বাড়ির শহরে কোন না কোন অফিস তো রয়েইছে, নাকি?
  • Samik | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ০০:৩৭697373
  • আম্মো তাই বলি। আজকাল পড়ে জানতে হবে পরিসংখ্যান?

    ইসে, সেদিন দেশ-এ দেখলাম, অনেকে নাকি জমি দিতে চেয়েও টাকা পান নি। হয়েছে কী, জমি ছিল ক-য়ের, গেল মাসেই খ সেই জমি কিনেছে ক-য়ের থেকে, নগদ টাকা দিয়ে। ইদিকে সরকারি খাতায় সেটা আপডেট হয় নি, তাই জমির মালিক হিসেবে লালবাড়ি থেকে চেক ইস্যু হয়ে গেছে ক-য়ের নামে। খ এখন মাথায় হাত দিয়ে বসেছে।

    পুরো তাজমহল বেচার কেস।

    ধানজমি বেচার কেস যেখানে, সেখানে এমন মুড়িমুড়কির মতন চেক বিলোলে তো হরিল্লুট হবেই।
  • dam | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ০১:১১697384
  • একটু ঘাঁটাঘাটি করে এটা পেলাম।
    http://cities.expressindia.com/fullstory.php?newsid=160359
    http://cities.expressindia.com/fullstory.php?newsid=162968

    দিব্বি মনে আছে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে বলে, সম্ভবত হাইকোর্টের আদেশে ট্যাংরায় ট্যানারিগুলো একসময় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তাদের নাকি কতদিনের মধ্যেই চর্মনগরীতে উঠে যেতে হবে। এদিকে চর্মনগরীর তখনও একবাঁও মেলে না। এই নিয়ে কাগজে প্রচুর হইচই হয়েছিল।

    কথা হল,
    ১। সরকারের তরফে কোথায় নিয়মিত ভাবে প্রোজেক্টগুলোর স্ট্যাটাস জানানো হয়? সেটা জানলে সেখানে দেখবো।
    ২। ট্যানারিগুলো তাহলে আদৌ কোথায়ও যাবে, না ট্যাংরাতেই থাকবে?
    ৩। তাহলে পরিবেশ দূষণের কী হবে?

    পরিবারপিছু একটি করে চাকরী কে দেবে? সেটা জানতে আমিও ইচ্ছুক।
  • Bunan | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ০১:২৫697395
  • গোলাকৃতি R এর পয়েন্ট করে দেয়ার উত্তর গুলোর প্রশ্ন,

    ১। অরিজিত দার লেখাটি এত ক্ষনে নিশ্চয় পড়া হয়ে গেছে? সেটা পড়া হলে এই নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন ই থাকতে পারে না। শুধু একটা ছোট্ট কথা। ঐ জলা জায়গা টা কে অনুর্বর বলার আগে একটু নিজের চিন্তা ভাবনা টা কে use কর। প্রায় ১০০০ একরের মতন উর্বর জমির(বিরোধী দের কথা অনুযায়ী) আশে পাশে (মাত্র ৫ কিমি দুরে) অনুর্বর জমি পড়ে আছে বিশাল জায়গা জুড়ে ! এ কি Verhoeven এর Total recall সিনেমা নাকি? যে কাঁচের ডোমের ভেতর টা মানুষের থাকার যোগ্য, আর ঠিক বাইরে টা মরুভুমি?

    ২। দুর্গা পুর, আসানসোল শিল্পাঞ্চলের কথা বলেছিস দেখলাম। আমি সত্যি কোনোদিন ঐ জায়গায় যাই নি। জানতাম না যে ওখানে জমির ওপর sign borad বসানো আছে, 'পতিত জমি' বলে। আমি আবার চোখে দেখিও কম, জমি দেখে আমার বোঝার ক্ষমতা নেই, কোনটা পতিত, কোনটা 'অপতিত'। তবে ঐ District Statistical handbook বলে, ওখান কার বেশির ভাগ জমি কোনো না কোনো শিল্প গোষ্ঠীর আওতায় (বন্ধ কারখানা ও তার মধ্যে included)। যতক্ষন না সেই বন্ধ কারখানার management ঘোষনা করেছে জায়গাটি পরিত্যাক্ত বলে, ততক্ষন সরকারের পক্ষে ঐ জমি অধি গ্রহন করার আইন গত জটিলতা প্রচুর ( দ্রষ্টব্য যে সরকার জমি অধি গ্রহন করছে শিল্পের প্রয়োজনেই)।

    আচ্ছা MIDC র একটা reference দেখলাম কারো লেখাতে। তা মহারাষ্ট্র সরকার তো শিল্প বন্ধু সরকার এবং রাজ্য টিও শিল্পায়নে বহু গুন এগিয়ে আমাদের রাজ্যের চেয়ে (সত্য মানতে কোনো বাধা নেই)। তো সেই রাজ্যে নতুন শিল্পের জন্য কেনো MIDC কে আওরাঙ্গাবাদের জমি খুজতে হলো বলতো? ওখানেও তো প্রচুর বন্ধ কল কারখানা রয়েছে? শিল্প বন্ধু সরকার সেই জমি গুলোকে অধি গ্রহন করলো না কেনো?

    গতবছরের শেষ দিকে MEDC এর একটা সেমিনারে প্রস্তাব আনা হয়েছিল যে, বন্ধ কারখানার মালিক দের, জমি লীজ দেয়ার অধিকার হেয়া হোক, যাতে অন্য কোনো কারখানা সেখানে তাদের unit খুলতে পারে।
    Allowing owners of closed industries to lease out their land to another companies which are willing to set up their units. The purpose is to facilitate starting of new industries. By this way, closed industries would also get ren
    কিন্তু ঐ আইন গত জটিলতার কারনে সেটা আজও সম্ভব হয় নি। সেক্ষেত্রে বন্ধ কারখানার জমি দখল করে অন্য কোম্পানির হাতে তুলে দেয়া টা বেশ অসম্ভব ব্যাপার ই হবে।

    ৩। তুই নিজেই লিখেছিস যে পতিত জমি ছেড়ে দিতে লোকের আপত্তি কম হয়। আর এটাই তো সত্যি। এই জন্যই তো ৮০০ একরের ও বেশি জমি কৃষক রা স্বেচ্ছায় ছেরে দিয়েছে। ঐ ঘাস দিদি দের ডাকা বন্ধের দিনেও (তুই তো আবার ঘাস দিদির কথা তোলা পছন্দ করিস না, কিন্তু দেখ সব সিরিয়াস লেখার মধ্যে নিয়ম একটু কমিক রিলিফ রাখা। এই ঘাস দিদি হলো সেই কমিক রিলিফ আমাদের :) ) লাইন দিয়ে লোকজন জমি বিক্রির চেক সংগ্রহ করেছে। (সেদিনের সব কটা খবরের কাগজের প্রথম পাতার খবর এটা)। এর পরেও জোর করে কৃষক দরদী হওয়ার চেষ্টা যারা করে তাদের কে একটাই কথা বলার যে "মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ বেশী"।
    আর তুই এই খানে যে অল্টার নেটিভ গুলো দিয়েছিস, আমার ইচ্ছে করছিল তার সাথে আর একটা জুড়ে দিতে--- সান্দাকফু। মনোরম পরিবেশে নতুন কারখানা।

    ৪। কি আশ্চর্য, সত্যি তুই একটা দারুন যুক্তি দিয়েছিস রে। টাটা রাও কি বোকা, রেডিমেড infra structure হাতে পেয়েও ওরা অন্য জায়গায় যেতে চায়, যেখানে কোনো infra structure ই নেই। আমি আজ সারা রাত ভাববো যে টাটা এত বোকা কেন? তুইও প্লিজ আমার সাথে একটু ভাব, যে কেন ওরা এত বোকা?

    ৫। আম্মো no comments :)

    ৬। এই খানে চাষ যোগ্য জমির মাত্র ১ শতাংশ হলো এই singur এর জমি টা। ইশান দা, এই হিসেব টাও গোঁজা মিল, কারন চাষ যোগ্য জমি বলতে এক ফসলি ধরা হয় নি। তাও ধরলুম যে এটা একটা এক ফসলী হাই ব্রিড জমি, সেই ধরেও এটা আসলে ১% বেশি হয় না। খাওয়ার ব্যবস্থা ঠিক হয়ে যাবে।

    গোলাকৃতি R মনে হয় খুব রেগে গেলি। তোকে তাহলে এবারে কিছু থিওরি পড়াই।

    সেই ইকনমিক্সে lewis theory বলে কি একটা যেন আছে না। তো তিনি বলেছিলেন যে দেশ যত উন্নত হবে ততো agriculture থেকে দেশ labour industry তে shift করে যাবে। আর এটাই বাস্তব। কারন agriculture কখনঐ প্রচুর employment তৈরি করতে পারে না। disguish unemployment বলা হয় একে।

    আচ্ছা সেই মনে আছে একটা ছোট্ট দেশের কথা, আমাদের এশিয়া তেই। আমি বেড়াতে গেছিলাম। তুইও গেলি সেখানে, তো সেই দেশে খাবার কেন, পানীয় জল ও enough পরিমান নেই। তাও তারা অর্থ নীতি তে অনেক এগিয়ে, আর তাদের কোনো নাগরিকের খাবা দাবারের অভাব কখনো হয় না। labour industry দিয়ে দেশে উন্নতি হলে আখেরে দেশের ই লাভ হবে।

    নতুন পয়েন্ট তোর পরের থ্রেড টা নিয়ে
    ------------------------------------------------

    পড়ে বেশ এক চোট হাসলাম (এক বার ই হেসেছি রে, বোকা রা তিন বার হাসে আমি জানি, তাই ৩ টা কে আমি এড়িয়ে যাই)। তুই একটা online system এর সাথে আমাদের system এর তুলনা করেছিস।

    আচ্ছা পরিস্থিতি টা দেখা যাক কেমন--
    ধরা যাক TATA গোষ্ঠি মহারাষ্ট্রে এই কারখানাটা খুলবে। তো এমন ক্ষেত্রে তারা কি করতো ?

    net ঢুকে তারা দেখলো available জমি কোন গুলো। map ও দেখে নিল তার সাথে (map এর quality ধরে নিলাম খুব ভাল)। দেখে একটা জায়গা পছন্দ হলো। তারা online apply করলো।

    আর আমাদের রাজ্যে কি হয়েছে? Tata জানালো যে তারা একটা গাড়ির কারখানা খুলতে চায়। আমাদের নেতা রা নিজেরা তাদের কে ঘুরিয়ে দেখালো avialable জমি গুলো (কি করবো, আমাদের online system নেই)। তাদের যে জমি টা পছন্দ হলো, সেটার জন্য তারা hard copy তে apply করলো।

    একটা digital online system আর একটা mannual। কিন্তু দুই ক্ষেত্রেই জমির লিস্টি বানিয়েছে government। এক রাজ্যের সরকার সেটা netupload করেছে, আর এক রাজ্যের সরকার সেটার hard copyTata কে দিয়েছে।

    স্বচ্ছতা বা অস্বচ্ছতার কোনো গল্প ই নেই এখানে। এই রাজ্য যখন শিল্পে আরো এগিয়ে যাবে (এত বিরোধী থাকলে আদৌ কোনোদিন এগোবে কিনা সন্দেহ), তখন আমরাও system টা online করে দেব না হয়। তখন তুই নিশ্চয় খুশি হয়ে যাবি? তত দিন একটু কষ্ট কর রে।
  • r | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ০১:৩২697406
  • এ কি রে? সি পি এমের সমর্থনে সব রেফারেন্স আজকাল? আমাদের এতোদিনের চেষ্টা সব জলাঞ্জলি গেল।

    :-(

    আমি হলে বুদ্ধদেববাবুর স্টাইলে বলতাম: আমাদের পদ্ধতিগত কিছু দোষত্রুটি অবশ্যই রয়ে গেছে। আমরা শিল্পায়নের যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি সেই প্রক্রিয়াটাই যেহেতু অনেকটা নতুন, তাই সব পক্ষের থেকে গঠনমূলক সমালোচনা কাম্য। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য নিয়ে কোনো বিরোধিতা অযৌক্তিক। এই শিল্প শুধু রাজ্যের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সাহায্য করবে না, অন্যান্য শিল্পপতিদের কাছেও একটা সদর্থক বার্তা বয়ে আনবে। আজকের ভারতে দাঁড়িয়ে যখন দেশবিদেশ থেকে পুঁজি আনার চেষ্টা করছি, তখন এই সদর্থক বার্তার কথাটাও আমাদের মনে রাখা দরকার।

    ;-)

    অক্ষ-র উত্তরে: এটা খুব স্বাভাবিক। কারণ:

    ১)পুঁজির যোগানের থেকে চাহিদা অনেক বেশি।
    ২) এই সীমিত পুঁজির জন্য প্রায় প্রত্যেক রাজ্য মারামারি করছে।
    ৩) সাধারণ মানুষদের জীবনযাত্রা উন্নয়নের চাহিদা অনেক বেড়েছে, যা মেটাতে বড় পুঁজি দরকার। এই চাহিদা রাজনীতিকদের উপরেও শিল্পায়নের চাপ তৈরি করেছে।
    ৪) রাষ্ট্রীয় পুঁজির সমস্যা হল:
    ক) বেশির ভাগ রাজ্য সরকার আর্থিক সংকটে ভুগছে। তারা কোথা থেকে পুঁজি দেবে?
    খ) পরিকাঠামোতে বিনিয়োগের জন্য বিশাল পুঁজি দরকার যার বেশির ভাগটাই সরকারকে দিতে হবে, কারণ এই সব বিনিয়োগ ব্যক্তিগত মুনাফার দিক থেকে লাভজনক না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
    গ) রাষ্ট্রীয় পুঁজি বিনিয়োগের ইতিহাস মোটেও আশাপ্রদ নয়।
  • r | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ০১:৫১697417
  • খাইসে রে! লুইস মডেল আইয়া পড়সে! নস্টালজিক হইয়া পড়ে এই বুড়া! যাউগ্‌গা! এই পেপারটাও পইড়্যা লইলে ভালো হয়-

    Sector Growth and the Dual Economy Model: Evidence from Cote d'Ivoire, Ghana, and Zimbabwe- Niels-Hugo Blunch and Dorte Verner, World Bank Policy Research Working Paper No. 2175

    না পড়লেও ক্ষেতি নাই। মানে তক্কো চালানই যায়। ;-)
  • Ishan | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ০৪:৫৩697428
  • ঋজুকে লেখা বুনানের এক নম্বর পয়েন্ট নিয়ে দু-পয়সা। জাস্ট দুটো তথ্য:

    এক। প্রস্তাবিত সাইট থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে সত্যিই একটি জলা জায়গা আছে। এবং সেটি আয়তনে ১০০০ একরের চেয়ে অনেক কম।

    দুই। এছাড়াও দুর্গাপুর রোডের পাশেই আরও একটা বিশাল জায়গা আছে কাছেপিঠেই। ১০-১৫ কিলোমিটারের মধ্যে। সেটাকে দিয়াড়ার মাঠ/ডানকুনির মাঠ বলা হয়। সেটা আকারে ১০০০ একরের চেয়ে অনেক বেশি। এবং সেটা জলা জায়গা। অল্প কিছু চাষবাস হয়, কিছু ভেড়ি ফেড়ি বানানোর চেষ্টা করছে জনতা। বছরের ছমাস ওটা জলে ডুবে থাকে। ঠিক পাশ দিয়ে গেছে রেললাইন। প্রতি বছর বর্ষার শেষে ঐ জমিতে জল জমে তারকেশ্বর লাইন ভাসিয়ে দেয় এবং এক-আধদিন ট্রেন বন্ধ থাকে।

    টাটাকে ডানকুনির একটা জমি দেখানো হয়েছিল, টাটার সেটা পছন্দ হয়নি শুনেছি। সেটা এই জমিটাই কিনা জানিনা।
  • ® | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ০৭:৩১697439
  • আমার ও দু পয়সা -
    ১। ডানকুনি দিয়ারা নিয়ে ঈশান দার লেখা টাও নিশ্চই চোখে পড়েছে। :-)
    ২।পতিত জমি বোঝার জন্যে সাইনবোর্ড বসানোর দরকার হয় না।চাষ অযোগ্য বন্ধ্যা জমি বছরের পর বছর পড়ে থাকে। আর জমির চরিত্র অনুযায়ী সেটা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের খাতায় নথীভুক্ত থাকে।কারন জমির মালিক কে সেই অনুযায়ী ট্যাক্সো দিতে হয়।মালিক কেউ না থাকলে সরকার ই মালিক।
    ৩। হু। যেকোন সরকারী অধিগ্রহণেই লোকে "স্বেচ্ছায়" জমি ছেড়ে দেয়।তাই না? :-)
    on a light note সান্দাকফুর থেকেও অনেক দূর্গম জায়গা হিমাচলের চাম্বা।ভারমোর যাবার পথে ওখানে জয়প্রকাশ ইন্ডাস্ট্রি করেছে-রীতিমত পাহাড় কেটে সুড়ঙ্গ বানিয়ে।
    ৪। টাটা যে সিঙ্গুরেই কি মধু পেলো জানিনা।
    ৫। :-))
    ৬।দেশ যত উন্নত হবে ওমনি কৃষি কে জলাঞ্জলি দিতে হবে বুঝি?সিঙ্গাপুরের উদাহরন দিয়েছিস দেখলুম, কিন্তু দক্ষিন এশিয়ার অর্থনীতির মন্দার সময় ঐ দেশ টা হাল খারাপ হয়ে গেছিলো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কি হয় একবার সেটা দেখলেও হোতো।ক্যালিফোর্নিয়ার সবুজ জমি তে কারখানা বানায় কি?
    (কাবলি দা, আপনার ৪ দশকের অভিজ্ঞতা বলুন না - ওখানে জমি বন্টন নীতি টা কি?)
    সবশেষে
    MIDCর উদাহরন তুল্লাম ওদের জমি বন্টন নীতি কত স্বচ্ছ বোঝাতে।যেটা এখানে নেই।
  • dam | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১০:২৮697450
  • MIDC র উদাহরণ প্রসঙ্গে বুনান যেটা বোঝে নি, বা বুঝেও না বোঝার ভান করেছে, সেটা একটু খোলসা করে বোঝাই।

    রতন টাটা বা আজিম প্রেমজি বা নাড়ুদা গিয়ে জমির খবর জানতে চাইলে সরকার ল্যাজ নেড়ে নেড়ে হার্ড কপিতে দেখিয়ে দিয়ে ধন্য হয়ে যাবে -- তা জানি। কিন্তু হরিদাস পাল বা শ্যামা ঠাকরুন বা আমি জানতে চাইলে বলবে কি? না বলবে না। উল্টে প্রশ্ন করবে "আপনার কি দরকার? আপনি কে? কত ইনভেস্ট করবেন?"অথবা পাতি ফুটিয়ে দেবে। রঙ্গন আগেই একবার উল্লেখ করেছে ক্ষুদ্র শিল্পদ্যোগীদের সাথে রাজ্য সরকারের এবং আমলাদের দুর্ব্যবহারের কথা। সেখানে আম জনতা জানতে চাইলে কি হয়, সহজেই অনুমেয়।

    তো, MIDC র এটা থেকে যে একটু নেট ঘাঁটতে পারে সেই জানতে পারছে আইডেন্টিফায়েড জমি সম্পর্কে। তাকে টাটা বা আম্বানী হবার দরকার নেই।
  • Samik | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১০:৩২697462
  • সরকার কী ভালো! কারখানার ম্যানেজমেন্ট বন্ধ কারখানার জমিকে 'পরিত্যক্ত' ঘোষণা না করা পর্যন্ত, আইনি জটিলতার কারণে সেই জমি অধিগ্রহণ করতে পারে না, এদিকে উর্বর জমির মালিক তাতে ফসল ফলালেও সেখেনে আইনি জটিলতা তৈরি হয় না, দিব্যি অধিগ্রহণ করে নেওয়া যায়, র‌্যাফ নামিয়েই হোক বা চেক নাড়িয়ে।

    হবেই তো, কারখানার ম্যানেজমেন্ট আর হরিশ চাষা কি এক পদবাচ্য? স্টেটাসই আলাদা।

    আর বুনান, প্লিজ কাগজের রেফারেন্স টেনো না। আমরাও পশ্চিমবাংলা থেকে অনেক দূরে থাকি, কাগজের খবরই একমাত্র ভরসা, কিন্তু বিয়ন্ড আজকাল আবাপ আরও অনেক কিছু ঘটে হোরাশিও, যা সাংবাদিকতার হলুদ রংয়ে চাপা পড়ে যায়।
  • Bunan | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১১:০৩697473
  • ঈশান দা,

    Century textile
    --------------------------------
    সত্যি বড় ভুল হয়ে গেছে। এত কিছু মন্তব্য করার আগে আমার EPW সত্যি পড়া উচিৎ ছিল। তাহলে আর মন্তব্য করতুম না। একদম চেপে যেতুম। তবু একবার যখন পড়ে ই ফেললুম তখন কয়েক খানি প্রশ্নের উত্তর ভাবলুম একটু কিলিয়ার করে নি ....
    অ) "In one of the departmental files we found a petition of one Mallika De (dated September 11, 1998) of Mallancha village wherein she stated that she had not yet received any compensation although her land was acquired by the government of West Bengal for CTIL"
    আমার বড় জানতে ইচ্ছে করছে যে এই মল্লিকা মানুষ টি কে? ইনি কি খুব VIP কেউ? না হলে এনার জন্য একটা আলাদা ফাইল কেন maintain করা হয়? (বাধ্য হয়ে ধরে নিচ্ছি যে আলাদা ফাইল, কারন সেই ফাইলে যদি আরো অনেকের case থাকে, তো নিশ্চয় ধরে নিতে হবে যে তারা পুরো টাকা পেয়ে গেছিলেন, মল্লিকা দে ই একমাত্র বঞ্চিত আর তাই ওনাকে highlight করা হয়েছে, আর সে ক্ষেত্রে অনেকের বঞ্চনার থিওরিটি আবার খাটে না।)

    আ) The order sheet of the department in its notes from October 12, 1998 to March 15, 1999 revealed that the case was genuine but as the requiring body (CTIL) has not placed any funds since December 1996, payment could not be made to this case. Many other cases like this are still pending with the district land acquisition department
    আচ্ছা তার মানে মল্লিকা দের ব্যপার টা সত্যি ঘটনা। এবং উনি বঞ্চিত ( VIP কিনা এখনো জানি না আমি)। কারণ এখানে reference দেওয়া হয়েছে। অথচ এই reference এর পরে লেখকের নিজের inference যে এমন অনেক কেস pending। যদিও জানান নি যে এমন কেস কত আছে? এদিকে নিচের অনেক লেখায় দেখেছি যে উনি district land acquisition department এর অনেক গোপন নথি খুঁজে (?) বার করেছেন। কি আশ্চর্য ব্যপার। উনি এত নথি খুঁজে পেয়েছেন, অথচ exact number দিতে পারেন নি যে কত জন বঞ্চিত। এক জন জনৈকা মল্লিকা দের উদাহরণ আর তার পর ওনার নিজের মন্তব্য।
    ই) On April 19, 1999 the land acquisition officer of the Medinipur district wrote to the managing director of the West Bengal Industrial Development Corporation (memo No 592/LA) seeking advice about the future course of action in connection with the land acquired for Century Textiles and Industries. It is learnt from the letter that payment of nearly Rs 4 crore have been made to the affected persons but the company has not placed any fund after that and many farmers are facing hardships owing to the non-payment of compensation.
    ৪ কোটির ব্যাপার খানা দেখলুম এতে আছে। যাক, একটা তো সূত্র পেলাম। কিন্তু এটাই বুঝলাম না যে ১৯৯৬ র শেষ দিকে যে খানে টাকা দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে, সেখানে ওপর মহল কে একটা চিঠি লেখা হয়েছে তার ৩ বছর পর! Officer বাবু কি ৩ বছর নাকে তেল দিয়ে ঘুমোচ্ছিলেন?
    আর তাই যদি হয়, তাহলে ভেবে দেখ ইশান দা যে কত inefficient লোকেদের কে নিয়ে সরকার কে চলতে হয়। সরকারের কৃতিঙ্কÄ বলতে হবে।
    ঈ) Many peasants expressed their resentment and frustration whenever we enquired about the role of the CPI(M) dominated panchayat of the region regarding the acquisition of their agricultural land.
    কেমন যেন ধোঁয়া ধোঁয়া। সব ফ্রাস্টেশান EPW র লোকেদের জানানো হোলো, অথচ আর কেউ জানলো না। আর আবার সেই কত জনের ওপর সমীক্ষা চালানো হয়েছিল, আর কত জন এই frustration জানালো তার হিসেব নেই। কি আশ্চর্য ! এতো বাংলা সোপ অপেরার গপ্প মনে হচ্ছে।
    আগেও বলছি, আর এখনো বলছি যে কোনো এক জনের সাথেও বঞ্চনা হওয়া অন্যায়। কিন্তু Century textile এ বঞ্চনা হয়েছিল বলে singurTata project হবে না, এ আবার কেমন ধারা যুক্তি? বরং এখানে "চেক নাও, সই করো" নীতি তে জমি নেয়া হচ্ছে। যেটা century textile এ হয় নি। একেই তো বলে process improvement

    বানতলা
    -------------------------
    রুমাল টা কে ছিঁড়ে নষ্ট করার থেকে তো ওথেলো বানানো ভাল। তাই না? চর্ম নগরী যদি নাই করা যায় তো তথ্য নগরী হোক। এটাই তো হওয়া উচিৎ, আর এটাই তো সরকারের দায়িত্ব।
    যাই হোক, আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে, যখন আমি প্রথম join করি আমাদের কোম্পানী তে, তখন ই কোম্পানীর 3 stage expansion এর লিস্টি আমাদের বলা হয়েছিল।
    যার দ্বিতীয় টা ছিল রাজার হাট (যেটা প্রায় শেষ) আর তৃতীয় টি হলো বানতলা। মনে হয় সামনে বছরের শেষ দিকে আমাকে বানতলায় বসে guru access করতে হবে। তবে ঐ দিক কার রাস্তা ঘাট সত্যি দারুণ করে দেওয়া হয়েছে।
    একটা ছোট্ট প্রশ্ন, খুব ছোট্ট, বিরোধিতার দরকার হলেই কেন 'বান্তলা', 'ধান তলা', 'চমকাই তলা' উঠে আসে বলুন তো? এই সব 'তলা' ছেড়ে একটু উপরে ও তো ওঠা যায় :)।

    জমি অধিগ্রহণ ও সরকার
    ----------------------------------
    আমি আজকালের রিপোর্ট মানবো না, অথচ statesman, epw র রিপোর্ট মানবো ! এরে কয় বাঙালী। এই নিয়ে তাই আমার আর কিছু বলার নেই।
    চারদিকে র‌্যাফ ঘুরছে বুঝি? অথচ সেই দিন তো বিরোধী পক্ষ বলেছিল ওদের কে পুলিশ রা মেরেছে, র‌্যাফের কথা তো বলেনি। ওরা এত মহৎ হয়ে গেছে?
    আচ্ছা ঐ statesman এও তো কোনোদিন র‌্যাফ মার্চের ছবি দেখলুম না !!!!
    কি আশ্চর্য সরকারী রিপোর্ট তো অনেক আগে থেকেই বলছে জমি গুলো এক ফসলী। রীতিমতন ISI নামে সংস্থাটির বানানো District Statistical Handbook এর কথা ওটা। সেটাও মানবো না বুঝি? এর পর তো কেউ everest কে ৮৮৪৬ ফুট বললেও আমি মানবো না তাহলে। নিজে গিয়ে স্কেল পেতে মেপে দেখবো।
    সরকারের স্বচ্ছতা
    ---------------------------------
    আচ্ছা, যে আসে বাংলায় সেই হয় সৌরভ গাঙ্গুলি?
    এতদিন টাটা রা কোথায় কোন business deal করতো কেউ জানতো না, আর যেই এই পোড়া বাংলায় এলো, আমনি সৌরভ গাঙ্গুলীর মতন তাদের চিঠি ফাঁস হয়ে গেল।
    যদিও যে পত্রিকা টি এমন দাবী করেছিল, তারা আজ অব্দি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারে নি। হয়তো টাটা শিল্প গোষ্ঠী ওদের কানে কানে বলে গেছে।
    আর 140 কোটির জিনিস যদি 20 কোটি তে দেওয়া হয়, তার জন্য কি কি সমস্যা হতে পারে একটুস জানালে ভাল হয়।

    সার্কাসের টিকিট
    --------------------------
    600 পরিবারের মধ্যে 500 জনের চাকরী হবে এটা একটা সাধারণ চিন্তা থেকে বলা। তার থেকে যদি কম ও হয় অনেক টা তাহলেও অঙ্ক টা balance করা যায় না। কারণ অন্য দিকে সব জমি দুই ফসলী ধরে হিসেব করা হয়েছে। আর সেক্ষেত্রেও man hours প্রায় ২০৪ % বেড়েছে।
    ওখানে এক ফসলী ধরলে আমার নিজের ই হিসেব টা করতে লজ্জা হত।

    অর্থনীতি
    ----------
    কিচ্ছু বুঝিনি সত্যি বলছি। একটা থিওরি আছে বুঝলাম, কিন্তু সেই থিওরি মানলে কাজ হতেও পারে, নাও হতে পারে। এমন একটা থিওরি।
    বুঝি নি যে এমন থিওরি ফলো করার দরকার কি?
    "অর্থ নৈতিক সমৃদ্ধির নালা" ও যারা বইবে না বলে মনে করছে, আমি তাদের যুক্তি গুলো বুঝতে চাই।

    প্রায় রাত্তির ৩:৩০, আজ আর কিছু লিখতে পারছি না। দেখলাম আরো অনেকে লিখেছেন। কাল পারলে সে গুলো পড়বো।
    --------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

    (কাল রাতে এটা কে সাবমিট করা ছারা সব ই করেছিলাম। আজ সাবমিট করে দিচ্ছি)
  • Bunan | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১৩:১৫697484
  • হমিক দা,

    আজকাল এর লিংক দিলে পড়বো না, কিন্তু Statesman কি বলেছে সেটা মেনে নেবো, এটা এক চোখামি। আমার কইহ্‌হু বলার নেই।

    আর জমি বেচা কেনার ঘটনায় সবসময় নিজেকে গিয়ে সরকার কে আপডেট দিতে হয়। ঐ যে রেজিস্ট্রেশান, মিউটেশান কি সব বলে যে ওগুলো কে। সে গুলো সময় মতন না করলে এসব ঝামেলা হবেই।

    আর হলুদ সাংবাদিকতা ! সে দেখলুম বটে EPW তে।
  • r | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১৫:৩৯697495
  • আমারও এখন মনে হচ্ছে কাবলিদাই ঠিক বলেছেন। তর্ক করার জন্যই ছেলেটা তর্ক করছে। শেষে আবার EPW-কে বলেছে হলুদ সাংবাদিকতা! এই কথা শুনলে পুরো সি পি এম পলিটব্যুরো মূর্ছা যাবে! আজকাল-স্টেটসম্যান-আবাপর সাথে EPW-র তুলনা করছে! নীলুদা-সুজনদারা এই তৈরি করল শেষে!!
  • Arjit | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১৫:৫৪697506
  • অক্ষ - টার্মস ডিক্টেট - সেইইই আগে সেইনসবুরি নিয়ে একটা উদাহরণ দিয়েছিলুম মনে পড়ে? ওইরকম টার্মস ডিক্টেট বা শর্ত থাকুক আম্মো চাই, কিন্তু ওই কনসেপ্টটা আমাদের দেশে এখনো তৈরীই হয়নি। কেউ করে না কেন? জানি না। কি করে শুরু হতে পারে? এই আমাদের মতন লোকজন চাপ দিতে শুরু করলেই। আমরা চাপ দিই না কেন? এটার উত্তরও কি আমি দেবো?
  • Bunan | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১৬:২৭697517
  • R দা,

    তোমরা তো নিজেরাই ধরে নিয়েছ যে আমি সি পি এম এর হয়ে কথা বলব বলে এসেছি।

    সেটা ধরে নিয়েছ বলে এমন কথা বলছো। সি পি এম ভাল কাজ করলে নিশ্চয় সেটা কে সব রকম ভাবে সাপোর্ট করবো, আর EPW শুধু না, গন শক্তি তেও iillogical খবর বেড়োলে তার বিরুদ্ধে কথা বলবো। এটাই কি হওয়া উচিৎ না ?

    তোমার কি মনে হয়?
  • dam | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১৬:৪৬697528
  • এমা!! R আর r এর তফাৎ জানে না, এ নাকি আবার তক্কো করবে!!
  • r | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১৬:৫৩697539
  • দেখো বুনান, তর্ক করার ইচ্ছে থাকলে অনেক আগেই শুরু করতাম। কিন্তু তারপরে দেখলাম দুর্গাপুরে কেন শিল্পস্থাপন উচিত নয়, সরকারী নীতি প্রণয়নে কেন স্বচ্ছতার দরকার নেই, বানতলায় চর্মনগরী কেন হল না ভাবার দরকার নেই ইত্যাকার কিছু যুক্তি। তখনই বুঝলাম এইখানে খাপ খুলে কোনো লাভ নেই। হঠাৎ করে লুইস মডেলের কথা ওঠায় এই বিশ্বাস আরও দৃঢ় হল। তাই এখন ঠিক করেছি সিঙ্গুরের সমর্থকদের (সিপিএমের না) সাথে তর্ক করতে হলে বা তাদের সমর্থন করতে হলেও একটু বেছেবুছে করব। নইলে মিছা আঙুল ব্যথা! ঈশানের আঙুলে বোধ হয় খুব জোর আছে। তাই লিখে যাচ্ছে। আব্বুলিশ! ;-)
  • Bunan | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১৭:১৮697550
  • r দা,

    তর্ক করার ইচ্ছে থাকলেও কি তুমি তর্ক করতে পারতে? তুমি তো পোস্ট গুলো ভাল করে পড়ঐ নি।

    যাস্ট assume করে নিয়েছ যে আমি কি কি বলতে চেয়েছি। যেমন assume করে নিয়েছ যে সি পি এম ভুল কাজ করলেও আমি সাপোর্ট করবো।

    দুর্গা পুরে শিল্প স্থাপন কর উচিৎ কি উচিৎ নয়, এই নিয়ে এক লাইন ও লিখি নি আমি। সিঙ্গুরের বদলে দুর্গা পুর করতে গেলে কি কি সমস্যা হবে তাই নিয়ে যুক্তি দেয়া আছে। তুমি না মানলেও কিছু করার নেই। শিল্পে এগিয়ে থাকা রাজ্য গুলো ও করে উঠতে পারি এমন সব কাজ, আর এতো শিল্পে পিছিয়ে পরা রাজ্য।

    সরকারী ণিতি প্রনয়নে স্বচ্ছতার দরকার আছে কি নেই, এই নিয়েও কোনো কথা হয় নি। সিঙ্গুর ইস্যু তে সরকার আরো স্বচ্ছতা দেখাতে পারে কিনা, তাই নিয়ে কথা হয়েছে। "অবস্থা বুঝে ব্যাবস্থা" ই নিয়েছে সরকার। আজ যদি বিহার টাটা প্রোজেক্ট টা টেনে নিয়ে যেত তো তোমরাই সবার আগে চে চামেচি করতে।

    বানতলায় চর্ম নগরী কেন হল না তা ভাবার দরকার নেই ----- এই নিয়েও কোনো কথা হয় নি। কথা হয়েছে যে চর্ম নগরীর সাথে সাথে ওখানে শিল্প নগরী স্থাপন এর প্ল্যান ও হয়েছে।

    আর রাগ করছো কেন বলোতো? এখন ই এত রেগে থাকলে এর পরে যখন কারখানা তৈরি শুরু হবে, তখন কি করবে?

    এমন বিরোধী পাওয়াটাও দুর্ভাগ্য, যাদের একটু টাইপ করলেই আঙুল ব্যথা হয়ে যায়। BTW রাতে বোরোলিন গরম করে আঙুলে লাগিও। "ছোট খাট ওঠা পড়া গায়ে লাগবে না"।

    :)

    দময়ন্তি দি কে একটু পরে উত্তর দিচ্ছি দাড়াও। :)
  • Bunan | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১৭:২০697561
  • আমার আগের পোস্ট টা পড়তে খুব কষ্ট হবে, কারন বানানের মা বাবা নেই। তার ওপর দেখছি word ও মিস।

    আসলে আমার বাংলা preview আসে না।
  • r | ০১ নভেম্বর ২০০৬ ১৭:৩৯697573
  • বুনান, আমারে মনে হয় তুমি চেনো না। আমি সমর্থন করি কি বিরোধিতা করি তাও বুঝতে পারো নি। আর আমি রেগে গেছি শুনলে ঘুড়ায় হাসব কত্তা! চেনো না বলে বললে বোধ হয়। যাউগ্গা! তোমাদের দেখলে নস্টালজিক লাগে আজকাল!

    :-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন