এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ০১ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:১৪70399
  • JUTA resolutions from Emergency General Body meeting held on 29. 09. 2014. This is also the last post by me from Paris as I will be returning tomorrow. Solidarity and seasons greetings.
    1. Resolved that a Meeting of the Extended Executive Committee will be held on 9th October at JUTA Office at 1.40 pm. All members of JUTA are invited to attend.
    2. Noted that JUTA had resolved to demand the resignation of Prof Chakraborti on two grounds: a) the unlawful and insensitive handling of the complaint of molestation on campus on 28th August, 2014 b) directing the police to free him from an agitation. This led to severe police brutalities on our students and sexual harassment of girl students on the night of 16/17th September 2014.
    Resolved that a White Paper be compiled on the unlawful and anti-academic decisions of Prof Abhijit Chakraborti during his entire tenure be compiled and made public. A copy of the White Paper also be submitted to the Chancellor, JU. This should be compiled by 15th Oct.
    3. a) JUTA has consistently demanded a full enquiry which is in accordance with the laws of the country and the laws of the University into the complaint lodged by a student regarding allegations of molestation on campus on 28th August.
    b) JUTA calls for punishment of any student or person found guilty of charges of molestation.
    c) JUTA also calls for an end to police harassment of those students who are innocent and not guilty of involvement in the incident of molestation.
    4. Resolved: A Convention to be held in Gandhi Bhavan on "Restoration of Normalcy on JU Campus" on 17th October at 3.30 pm. Teachers, ex-teachers, students, other organisations, scholars, guardians, ex-students should be invited.
    5. Resolved that an Emergency Response Team be formed for any sort of incident during the Puja Break involving staff and students of the University which may be related to the current agitation.
    6. JUTA notes with grave concern that in campuses across the state, students and teachers are being victimised and even physically assaulted by TMC/TMCP members for showing their solidarity with the students and teachers of Jadavpur University.
    a) JUTA condemns the way a false FIR was lodged against Dr Roshanara Misra of CU who was away on academic work on another campus.
    b) JUTA condemns the physical attack on the members of Burdwan University who were in solidarity with the JU agitation.
    7. Resolved that a team convened by the General Secretary will explore the possibilities of taking the incidents of 28th August and the handling by the authorities and the police brutality of 16/17th Sept and the VC's handling of these incidents to the UGC, National Commission for Women, Supreme Court etc for justice and appropriate.
    Best wishes for a happy and peaceful Puja Break
    Nilanjana Gupta
    General Secretary
    JUTA
  • pi | ০১ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:১৬70400
  • 'সব কিছু ওদের হিসেবমতো ঝিমোয় না। পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল আর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ওদেরই বসিয়ে রাখা কিছু দলদাস ভেবেছিল পুজোর মৌতাতে, সময়ের বহমান স্রোতে ‘হোক কলরব’ ঝিমিয়ে যাবে। কিন্তু বিচার-চাওয়ার এই লড়াই, রাষ্ট্রশক্তির অন্যায়ের বিরুদ্ধে এই গর্জে ওঠা কোনো আফিমের ঝিম্‌-ধরা নেশা নয়, গদি দখলের লড়াই নয়। অনেক অপপ্রচার চলছে। চলছে নীরবে চোখ-রাঙানো। আর এইসকল দমনপ্রয়াসের মুখে দাঁড়িয়েও এই শারদোৎসবে আরও নিবিড় প্রচার শুরু করেছি আমরা। আরও কলরব। আরও মুক্তির গান। মহাষ্টমীর দিন (২য় অক্টোবর) বিকেল ৪টে থেকে আমরা সকলে আসছি ম্যাডক্স স্ক্যোয়ারে (কোলকাতা)। পোস্টারে গানে স্লোগানে কলরবে সেইখানে চলবে আমাদের প্রচার। যত মানুষ আসবেন সেইদিন সেইখানে প্রত্যেকে টের পাবেন এই আন্দোলনের স্নিগ্ধ উত্তাপ। দলমত নির্বিশেষে সকলকে আমন্ত্রণ। আসুন আপনার গিটার, ভায়োলিন কিংবা বাঁশি হাতে, নিয়ে আসুন সদ্য-বাঁধা গান, সঙ্গে আনুন রঙতুলি, আকাশজোড়া অপাপবিদ্ধ ক্যানভাস। আমাদের এই লড়াই স্বাধীন এক সংগ্রাম। কোনো উপরতলার শিখিয়ে দেওয়া বুলি আওড়ানো নয়, ‘হোক কলরব’ আমাদের হৃৎস্পন্দের মিলিত হল্লা বোল!'

    https://www.facebook.com/events/1474895019449811/?ref=4
  • Ishan | ০২ অক্টোবর ২০১৪ ০২:২০70401
  • পুজোর কলরব থামছেনা।

    ডাক ছিল ম্যাডক্স স্কোয়ারে জমায়েতের। অষ্টমীর দিন।



    সেখানে কলরব চলছে, এই মুহূর্তেঃ



    আপডেট দেখতে থাকুনঃ
    https://www.facebook.com/pujoyhokkolorob
  • কল্লোল | ০৩ অক্টোবর ২০১৪ ০২:১০70402
  • একটু আগে শুনলাম (এককের ফোন) পাই কে পুলিশ নাম-ধাম জিজ্ঞাসা করেছে। প্রতিবাদ বন্ধ করে দেবার তাল।
    যে যেখানেই থাকো, পাইকে ফোন করো।
  • Ishan | ০৩ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:১৯70403
  • আজকের আপডেট পাইই দিক। আমি শুধু পোস্টারটা এঁটে দিঃ

  • pi | ০৩ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:৪০70404
  • ওরা ভয় পেয়েছে। তাই ভয় পাওয়ানোর চেষ্টা শুরু হয়েছে। ভয় পেলেও তো কামড় দেয়।
    মরশুম পুজোর। ওরা ভেবে নিয়েছিল, পুজোর স্রোতে হোককলরব ভেসে যাবে। পুজোর হুজুগ দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়ে যাবে, হোককলরবের, হ্যাঁ, হুজুগ। হুজুগমাত্রই ভেবে নিতে শুরু করেছিল বোধহয়। আর সেই ভাবনাতেই চিড় পড়ে গেল অষ্টমীর সন্ধের হোককলরবের গর্জনে। গর্জনের আগে থেকেই। হবার সম্ভাবনার খবর পেয়েই। কাল বাইরের গেটে জমায়েত হয়ে পোস্টার আঁকাআকি হতেহতেই জনতা চেগে গেল, ম্যাডক্স স্কোয়ারের ভিতরে বসে আঁকা লেখা করা হোক, গানবাজনা করা হোক। লিখে ফেলা পোস্টারগুলো হাতে করে মাঠে ঢুকতেই চার দিক থেকে হোক কলরবের আওয়াজ। হোক কলরব ধ্বনি উঠতেই তার প্রতিধ্বনি। আশেপাশেই ক্যামেরা নিয়ে হাজির ম্যাডক্স স্কোয়ারে বসে থাকা অনেক জনতা। হাজির হয়ে গেলেন উদ্যোক্তারাও। বললেন কাল মাঝরাতে নাকি লালবাজার থেকে চিঠি পেয়েছেন, হোককলরবকে ওঁরা স্পেস দিচ্ছেন, এন্টারটেইন করছেন, কেন করছেন, যেন না করেন ই ইঃ। বললেন, আমাদের অনুরোধ করছেন আমরা যেন ওঁদের পুজো নষ্ট না করি। তো আমরা বললাম, নষ্ট করার কোন পরিকল্পনাই নেই আমাদের। ম্যাডক্সে যেমন নানা গ্রুপ বসে থাকে, আড্ডা মারতেই, তেমনি হবে। আমরা গান বাজলা করবো,ছবি আঁকবো। উদ্যোক্তারা বললেন এটা যদি অনেকের মহ্যে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে পুজো নষ্ট যাবে। সেই ভত পাচ্ছেন। আর লালবাজারে ভয় তো আছেই। অনুরোধ করলে মাঠে না করতে যদিও সেই দুরটা মাঝে মধ্যেই আদেশে রূপান্তরির হয়ে যাচ্ছিল। তো যাই হোক, ঠিক হল গেটের বাইরে কলরব হবে। এই সব কিচুই করা হবে। পোস্টার গুলো দেখাতে দেখাতে মাঠ থেকে বেরোনো হল। গেটের সামনের ফুটপথাএ জমায়েত শুরু হল, স্লোগানিং, গানবাজনা। লোক ছিলোই, আস্তে আস্তে আরো জড়ো হতে শুরু করলো। দাঁড়িয়ে পড়তে শুরু করলেন গেট দিয়ে ঢোকা বেরোনো মানুষজন। ছবি তুলতে লাগলেন। ভিসি তুমি দুশ্টু লোক/তোমার মাথায় উকুন হোক পড়তে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন অনেকেই, পড়তে লাগলেন অন্য পোস্টারগুলোও। জানতে চাইলেন কী হয়েছিল। বললেন পাশে আছি। জানতে চাইলেন, হোক কলরব তাঁদের ছেলেমেয়েদের জন্যেও কিনা, যারা অন্য কলেজে পড়ে। অন্য কলেজে পড়া ছেলেমেয়্রাও দাঁড়িয়ে গেল ভিড়ে।
    বিকেল সন্ধে হতে থাকলো, কলরব বাড়তে লাগল। স্লোগানের কলরব, গানের কলরব। উদ্যোক্তারা বাইরে চলে এলেন। উল্টোদিকের ফুটপাথে দাঁড়িয়ে রইলেন, পাশে পুলিশ। না, আমরা ঠিক করেছিলাম, কোনোরকম ডিসরাপশন আমাদের দিক থেকে নয়। তার রাস্তা আটকানো হয়নি। কয়েকজন ছেলেপুলে সমানে সেটা এনশিওর করে গেছে, রাস্তা দিয়ে যাতে ঠিকভাবে গাড়ি চলতে পারে, মানুষজন চলতে পারেন। মানুষজন যাতায়াত করছিলো, গাড়িও চলছিল। আর সেই মানুষাজন আমাদের স্লোগানিং শুনছিলেন, গান শুনছিলেন। যেতে যেতে কেউ কেউ গলা মেলাচ্ছিলেন, স্লোগানে, গানে। বলে উঠছিলেন হোক কলরব। কেউ কেউ থেমে দাঁড়িয়ে পড়ছিলেন। গাড়ি থেকে নেমেও। মিশে যাচ্ছিলেন আমাদেরই একজন হয়ে। বক্তব্য রাখলেন তাঁরাও। কীভাবে 'বহিরাগত' হয়েও তাঁরা পাশে থাকতে চান। আন্দোলনে শামিল হতে চান। হয়ে গেলেনও। এমনিতেই সেই জমায়েতে কম 'বহিরাগত' তো নেই। তখন স্লোগান উঠছে, আমরা হলাম বহিরাগত/থাকবো পাশে মারবে যত।
    ব্যারিকেড গড়ে তোলার স্লোগান উঠলো শুধু যাদবপুরের কমরেডদের জন্যই নয়, বিশ্বভারতী থেকে বর্ধমান থেকে কৃষ্ণনগর, কল্যাণী, নিউ ইয়র্র্ক, মানেসর, হিমাচল। । সব কমরেডদের নিয়েই।
    পুলিশ যখন সামনে দিয়ে যাচ্ছে, স্লোগান উঠে গেছে, পুলিশ তুমি মারলে এত, মাইনে তোমার বাড়লো কত ?
    পুলিশের গাড়ি যখন যাচ্ছে, সমস্বরে, পুলিশ তোমায় জাপটে ধরে, গান শোনাবো বিশ্রি সুরে।
    হ্যাঁ, পুলিশ চেয়ে চেয়ে দেখেছিলই। এই এত জনতার মোকাবিলা করার সাহস তাদের হয়নি। আর ভয় পেয়েছিল। এবং বোধহয় সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। নবমীর সন্ধ্যায় লাবণির প্রোগ্রামের জন্য,
    প্রোগ্রাম বলতে সেই আঁকা আর গানের কথাই ছিল।
    পাঁচটা চল্লিশ নাগাদ যখন লাবণির সামনে গেলাম, কিছু ছেলেপুলে লাবণির গেটের সামনের রাস্তার ডিভাইডারের ঘাসে বসে পোস্টার লিখছে। সবাই ঐ ডিভাইডারেই। আমি যেতেই বললো তোমার খোঁজ হচ্ছে বেশ কিছুক্ষণ ধরে। স্পেশাল ব্রান্চের লোক। বলতে না বলতেই তিনি হাজির। বললেন আমি স্পেশাল ব্রান্চ থেকে আসছি। আপনার নাম অমুক। আপনার ইনফরমেশন আমাদের কাছে আছে। আপনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাই। কালকের প্রোগ্রাম, আজকের প্রোগ্রাম নিয়ে জানতে চাই। লোকজনের নাম ধাম ইনফো চাই। পরে দেখা যাবে বলে অনদিকে গিয়ে আমি ফোন করতে শুরু করলাম, এ নিয়ে কীভাবে কী ডিল করা উচিত। কথা বলতে বলতেই দেখি দু গাড়ি পুলিশ, গাড়ি থেকে নামছে। এবং চলে এল ডিভাইডারে। যারা পোস্টারিং করছিলো তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করলো। জিজ্ঞাসার থেকেও বেশি হুমকি, আপনারা এসব করতে পারেন না। আগে থেকে অনুমতি না নিয়ে। জিগেশ করা হল কী করা হয়েছে। ডিভাইডারে বসে পোস্টার আঁকা যাবেনা। শুরু হল তর্ক, পুলিশ বললো আপনাদের যেতে হবে। এগুলো সব ই আমি ফোন করার ফাঁকে ফাঁকে শুনছি। তখন আমি পাগলের মত ফোন করতে শুরু করেছি একের পর এক মিডিয়ায়। লোকজনকে। আমার ফোন শেষ হতে হতে দেখি ওদের তুলে নিয়েছে। এমনি কপাল যে ক্যামেরার চার্জার নেই, কদিন চার্জ দিতে পারছিনা। ফোনে কথা বলবো না ছবি তুলবো। আর ফোনে আগে কখনো তুলিওনি। খুঁজে পেতে তুলতে শুরু করতে করতে গাড়ি চলে গেল, তার পরের কিছু ভিডিও আর সেই স্ময়ের কিছু ঝাপসা ছবি এল। এবার পুলিশ আমার কাছে। ডিভাইডারে তখন আমি আর আরেকজন। আশ্চর্যজনকভাবে আমাকে অপশন দিল, গাড়িতে উঠবো কিনা। কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানালাম, উঠবো না। ডিভাইডার থেকে নেমে রাস্তায় গিয়ে দাঁড়ালাম। এসে গেল আরো কয়েকজন। একজন থানায় গেল। মশামেসো এল। থানায় গেল, ব্যাংঅদি ফোন করলো। এল। আসতে থাকলো অনেক ফোন। নানা মিডিয়া থেকে। যা ঘটেছে, জানালাম। বললো নিউজ করবে। খবর পেতে থাকলাম, করছেও। খবর এল ওদের ১৫১ দিয়েছে। বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমরা। আবার পুলিশ এল। আমার সাথে কথা বলতে চাইলো। বললো, এখানে কোন জমায়েত করবেন না।কোন কিছু করবেন না। বল্লাম, কী আশ্চর্য, বাস স্ট্যাণ্ডে কয়েকজন মিলে দাঁড়িয়েও থাকতে পারি না ? তো, পুলিশ অফিসার বললেন, ম্যাডাম, আপনার সাথে কোন খারাপ ব্যবহার করছিনা, করছি কি ? এটাই বলে যেতে থাকলেন। তো বল্লাম, খারাপ ব্যবহার করার কথা তো বলিনি, কিন্তু আমরা এখানে থাকতে পারবো না, সেটা হয়না, সেটাই বলছি। সেটা ঠিক কিনা বলুন। চুপ করে গেলেন। আরেকজন প্রশ্ন করলেন, ওদের ধরা হল কোন অপরাধে ? উত্তর এল, সেটাও এখনো বোঝেন নি ? থানায় আসুন, বুঝিয়ে দিচ্ছি।

    ঘণ্টা দেড়েক বাদে ওদের ছাড়া পাবার খবর এল। কিছু লোকজন ছাড়া পেয়ে লাবণিতে চলে এল। অতঃপর কী, এসব নিয়ে কথার মাঝেই গান ধরা হল। পুলিশের সামনেই। বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে।
    উই শ্যাল ওভারকাম। ওরা আমাদের গান গাইতে দেয় না। আমার প্রতিবাদের ভাষা, আমার প্রতিরোধের আগুন।
    বাঁধ ভেঙ্গে দাও। ।

    হ্যাঁ, ওরা ভয় পেয়েছে। আমরা পাইনি।
    খুব আবেগাপ্লুত শোনাচ্ছে বটে। এই নিয়ে এখন চাট্টি খিল্লিও হয়ে যাবে হয়তো।
    আর হ্যাঁ, ন্যাপরটা বেশ আবেগদগদ ইস্কুলের রচনা মার্কাই দাঁড়াবে বটে, এখন যদি গানের এই কলিগুলো লিখি। কিন্তু এই কলিগুলোই তখন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে গাইতে ইচ্ছে করছিল, গাইছিলাম ও। এটাও যে সত্যিই।
    এ অরে নোত অফ্রইদ
    এ অরে নোত অফ্রইদ
    এ অরে নোত অফ্রইদ সোমে দয়
    হ, দীপ ইন ম্য হেঅর্ত
    ঈ দো বেলিএভে
    এ শল্ল ওভেোমে সোমে দয়

    পঃ হ্যাঁ, আমরা বুঝিনি। পুলিশ এসে অন্ধকারে ছাত্র পিটিয়ে গেলে, মেয়েদের যৌন হেনস্থা করে গেলে সেটা কোন অপরাধ হয়না, কিন্তু ডিভাইডারে বসে পোস্টার আঁকলে কেন অপরাধ হয়।
    বুঝিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে কতটুকু বলার অধিকার আমাদের আছে আর দেওয়া হবে। প্রশাসনের বিরুদ্ধে, ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে, অত্যাচার, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কতটুকু বলার অধিকার আছে আর দেওয়া হবে। তবে বুঝে নিতে চাই। বুঝিয়ে দিতেও।

    ফিরে এসে দেখি তাতিন লিখেছে, পুলিশ তোমার এত্ত ভয়; তোমার জন্য চিন্তা হয়। মামু পোস্টার বানিয়েছেঃ হ্ত্ত্প্সঃ//্ব।ফেবূক।োম/২৫গ্লোবল্প্রোতেস্ত/ফোতোস/অ।১৪৭৪৮৫১০৪৯৪০৬৪৮৯।১০৭
    ৩৭৪১৮২৮।১৪৭৪৩৫০৬২৯৪৫৬৫৩১/১৪৮০৪৬৪৫৬৮৮৪৫১৩৭/?ত্য়্পে=১&থেঅতের

    এসেছে অজস্র লোকজনের ফোন। পোস্ট। মেসেজ। পাশে থাকার আশ্বাস। কলরবের আওয়াজ। আবেগ আর সমাজচেতনার হদ্দমুদ্দ করে লিখেই ফেলি, হোক হোক হোক্কলরব !
  • pi | ০৩ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:৫৪70405
  • ধুত্তোর, ঘেঁটে গেছে !

    ওরা ভয় পেয়েছে। তাই ভয় পাওয়ানোর চেষ্টা শুরু হয়েছে। ভয় পেলেও তো কামড় দেয়।মরশুম পুজোর। ওরা ভেবে নিয়েছিল, পুজোর স্রোতে হোককলরব ভেসে যাবে। পুজোর হুজুগ দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়ে যাবে, হোককলরবের, হ্যাঁ, হুজুগ। হুজুগমাত্রই ভেবে নিতে শুরু করেছিল বোধহয়। আর সেই ভাবনাতেই চিড় পড়ে গেল অষ্টমীর সন্ধের হোককলরবের গর্জনে। গর্জনের আগে থেকেই। হবার সম্ভাবনার খবর পেয়েই। কাল বাইরের গেটে জমায়েত হয়ে পোস্টার আঁকাআকি হতেহতেই জনতা চেগে গেল, ম্যাডক্স স্কোয়ারের ভিতরে বসে আঁকা লেখা করা হোক, গানবাজনা করা হোক। লিখে ফেলা পোস্টারগুলো হাতে করে মাঠে ঢুকতেই চার দিক থেকে হোক কলরবের আওয়াজ। হোক কলরব ধ্বনি উঠতেই তার প্রতিধ্বনি। আশেপাশেই ক্যামেরা নিয়ে হাজির ম্যাডক্স স্কোয়ারে বসে থাকা অনেক জনতা। হাজির হয়ে গেলেন উদ্যোক্তারাও। বললেন কাল মাঝরাতে নাকি লালবাজার থেকে চিঠি পেয়েছেন, হোককলরবকে ওঁরা স্পেস দিচ্ছেন, এন্টারটেইন করছেন, কেন করছেন, যেন না করেন ই ইঃ। বললেন, আমাদের অনুরোধ করছেন আমরা যেন ওঁদের পুজো নষ্ট না করি। তো আমরা বললাম, নষ্ট করার কোন পরিকল্পনাই নেই আমাদের। ম্যাডক্সে যেমন নানা গ্রুপ বসে থাকে, আড্ডা মারতেই, তেমনি হবে। আমরা গান বাজলা করবো,ছবি আঁকবো। উদ্যোক্তারা বললেন এটা যদি অনেকের মহ্যে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে পুজো নষ্ট যাবে। সেই ভত পাচ্ছেন। আর লালবাজারে ভয় তো আছেই। অনুরোধ করলে মাঠে না করতে যদিও সেই দুরটা মাঝে মধ্যেই আদেশে রূপান্তরির হয়ে যাচ্ছিল। তো যাই হোক, ঠিক হল গেটের বাইরে কলরব হবে। এই সব কিচুই করা হবে। পোস্টার গুলো দেখাতে দেখাতে মাঠ থেকে বেরোনো হল। গেটের সামনের ফুটপথাএ জমায়েত শুরু হল, স্লোগানিং, গানবাজনা। লোক ছিলোই, আস্তে আস্তে আরো জড়ো হতে শুরু করলো। দাঁড়িয়ে পড়তে শুরু করলেন গেট দিয়ে ঢোকা বেরোনো মানুষজন। ছবি তুলতে লাগলেন। ভিসি তুমি দুশ্টু লোক/তোমার মাথায় উকুন হোক পড়তে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন অনেকেই, পড়তে লাগলেন অন্য পোস্টারগুলোও। জানতে চাইলেন কী হয়েছিল। বললেন পাশে আছি। জানতে চাইলেন, হোক কলরব তাঁদের ছেলেমেয়েদের জন্যেও কিনা, যারা অন্য কলেজে পড়ে। অন্য কলেজে পড়া ছেলেমেয়্রাও দাঁড়িয়ে গেল ভিড়ে।বিকেল সন্ধে হতে থাকলো, কলরব বাড়তে লাগল। স্লোগানের কলরব, গানের কলরব। উদ্যোক্তারা বাইরে চলে এলেন। উল্টোদিকের ফুটপাথে দাঁড়িয়ে রইলেন, পাশে পুলিশ। না, আমরা ঠিক করেছিলাম, কোনোরকম ডিসরাপশন আমাদের দিক থেকে নয়। তার রাস্তা আটকানো হয়নি। কয়েকজন ছেলেপুলে সমানে সেটা এনশিওর করে গেছে, রাস্তা দিয়ে যাতে ঠিকভাবে গাড়ি চলতে পারে, মানুষজন চলতে পারেন। মানুষজন যাতায়াত করছিলো, গাড়িও চলছিল। আর সেই মানুষাজন আমাদের স্লোগানিং শুনছিলেন, গান শুনছিলেন। যেতে যেতে কেউ কেউ গলা মেলাচ্ছিলেন, স্লোগানে, গানে। বলে উঠছিলেন হোক কলরব। কেউ কেউ থেমে দাঁড়িয়ে পড়ছিলেন। গাড়ি থেকে নেমেও। মিশে যাচ্ছিলেন আমাদেরই একজন হয়ে। বক্তব্য রাখলেন তাঁরাও। কীভাবে 'বহিরাগত' হয়েও তাঁরা পাশে থাকতে চান। আন্দোলনে শামিল হতে চান। হয়ে গেলেনও। এমনিতেই সেই জমায়েতে কম 'বহিরাগত' তো নেই। তখন স্লোগান উঠছে, আমরা হলাম বহিরাগত/থাকবো পাশে মারবে যত। ব্যারিকেড গড়ে তোলার স্লোগান উঠলো শুধু যাদবপুরের কমরেডদের জন্যই নয়, বিশ্বভারতী থেকে বর্ধমান থেকে কৃষ্ণনগর, কল্যাণী, নিউ ইয়র্র্ক, মানেসর, হিমাচল .. সব কমরেডদের নিয়েই। পুলিশ যখন সামনে দিয়ে যাচ্ছে, স্লোগান উঠে গেছে, পুলিশ তুমি মারলে এত, মাইনে তোমার বাড়লো কত ?পুলিশের গাড়ি যখন যাচ্ছে, সমস্বরে, পুলিশ তোমায় জাপটে ধরে, গান শোনাবো বিশ্রি সুরে।হ্যাঁ, পুলিশ চেয়ে চেয়ে দেখেছিলই। এই এত জনতার মোকাবিলা করার সাহস তাদের হয়নি। আর ভয় পেয়েছিল। এবং বোধহয় সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। নবমীর সন্ধ্যায় লাবণির প্রোগ্রামের জন্য, প্রোগ্রাম বলতে সেই আঁকা আর গানের কথাই ছিল।পাঁচটা চল্লিশ নাগাদ যখন লাবণির সামনে গেলাম, কিছু ছেলেপুলে লাবণির গেটের সামনের রাস্তার ডিভাইডারের ঘাসে বসে পোস্টার লিখছে। সবাই ঐ ডিভাইডারেই। আমি যেতেই বললো তোমার খোঁজ হচ্ছে বেশ কিছুক্ষণ ধরে। স্পেশাল ব্রান্চের লোক। বলতে না বলতেই তিনি হাজির। বললেন আমি স্পেশাল ব্রান্চ থেকে আসছি। আপনার নাম অমুক। আপনার ইনফরমেশন আমাদের কাছে আছে। আপনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাই। কালকের প্রোগ্রাম, আজকের প্রোগ্রাম নিয়ে জানতে চাই। লোকজনের নাম ধাম ইনফো চাই। পরে দেখা যাবে বলে অনদিকে গিয়ে আমি ফোন করতে শুরু করলাম, এ নিয়ে কীভাবে কী ডিল করা উচিত। কথা বলতে বলতেই দেখি দু গাড়ি পুলিশ, গাড়ি থেকে নামছে। এবং চলে এল ডিভাইডারে। যারা পোস্টারিং করছিলো তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করলো। জিজ্ঞাসার থেকেও বেশি হুমকি, আপনারা এসব করতে পারেন না। আগে থেকে অনুমতি না নিয়ে। জিগেশ করা হল কী করা হয়েছে। ডিভাইডারে বসে পোস্টার আঁকা যাবেনা। শুরু হল তর্ক, পুলিশ বললো আপনাদের যেতে হবে। এগুলো সব ই আমি ফোন করার ফাঁকে ফাঁকে শুনছি। তখন আমি পাগলের মত ফোন করতে শুরু করেছি একের পর এক মিডিয়ায়। লোকজনকে।Madhumita দি, Tapas দাকে, আরো অনেককে। আমার ফোন শেষ হতে হতে দেখি ওদের তুলে নিয়েছে। এমনি কপাল যে ক্যামেরার চার্জার নেই, কদিন চার্জ দিতে পারছিনা। ফোনে কথা বলবো না ছবি তুলবো। আর ফোনে আগে কখনো তুলিওনি। খুঁজে পেতে তুলতে শুরু করতে করতে গাড়ি চলে গেল, তার পরের কিছু ভিডিও আর সেই স্ময়ের কিছু ঝাপসা ছবি এল। এবার পুলিশ আমার কাছে। ডিভাইডারে তখন আমি আর আরেকজন। আশ্চর্যজনকভাবে আমাকে অপশন দিল, গাড়িতে উঠবো কিনা। কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানালাম, উঠবো না। ডিভাইডার থেকে নেমে রাস্তায় গিয়ে দাঁড়ালাম। এসে গেল আরো কয়েকজন। একজন থানায় গেল। বর এল। থানায় গেল, সুচেতনাদি করলো। এল। আসতে থাকলো অনেক ফোন। নানা মিডিয়া থেকে। যা ঘটেছে, জানালাম। বললো নিউজ করবে। খবর পেতে থাকলাম, করছেও। খবর এল ওদের ১৫১ দিয়েছে।ওরা তেরো জন ছেলেমেয়ে। Manmatha Roy, Prasun Chakraborty, Aritra Majumder, Amlan Agun Jole Uthuk, Arnab Ghosh, Madhurima Ghosh, Jayati Pal, Koushik Mukherjii, Bandana Mondal, Chandak Guha, Kushal Sen .
    বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমরা। আবার পুলিশ এল। আমার সাথে কথা বলতে চাইলো। বললো, এখানে কোন জমায়েত করবেন না।কোন কিছু করবেন না। বল্লাম, কী আশ্চর্য, বাস স্ট্যাণ্ডে কয়েকজন মিলে দাঁড়িয়েও থাকতে পারি না ? তো, পুলিশ অফিসার বললেন, ম্যাডাম, আপনার সাথে কোন খারাপ ব্যবহার করছিনা, করছি কি ? এটাই বলে যেতে থাকলেন। তো বল্লাম, খারাপ ব্যবহার করার কথা তো বলিনি, কিন্তু আমরা এখানে থাকতে পারবো না, সেটা হয়না, সেটাই বলছি। সেটা ঠিক কিনা বলুন। চুপ করে গেলেন। মারুনাদি প্রশ্ন করলেন, ওদের ধরা হল কোন অপরাধে ? উত্তর এল, সেটাও এখনো বোঝেন নি ? থানায় আসুন, বুঝিয়ে দিচ্ছি।
    ঘণ্টা দেড়েক বাদে ওদের ছাড়া পাবার খবর এল। কিছু লোকজন ছাড়া পেয়ে লাবণিতে চলে এল। অতঃপর কী, এসব নিয়ে কথার মাঝেই গান ধরা হল। পুলিশের সামনেই। বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। উই শ্যাল ওভারকাম। ওরা আমাদের গান গাইতে দেয় না। আমার প্রতিবাদের ভাষা, আমার প্রতিরোধের আগুন। বাঁধ ভেঙ্গে দাও ..
    হ্যাঁ, ওরা ভয় পেয়েছে। আমরা পাইনি।খুব আবেগাপ্লুত শোনাচ্ছে বটে। এই নিয়ে এখন চাট্টি খিল্লিও হয়ে যাবে হয়তো। আর হ্যাঁ, ন্যাপরটা বেশ আবেগদগদ ইস্কুলের রচনা মার্কাই দাঁড়াবে বটে, এখন যদি গানের এই কলিগুলো লিখি। কিন্তু এই কলিগুলোই তখন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে গাইতে ইচ্ছে করছিল, গাইছিলাম ও। এটাও যে সত্যিই। We are not afraid We are not afraid We are not afraid some day Oh, deep in my heart I do believe We shall overcome some day
    পঃ হ্যাঁ, আমরা বুঝিনি। পুলিশ এসে অন্ধকারে ছাত্র পিটিয়ে গেলে, মেয়েদের যৌন হেনস্থা করে গেলে সেটা কোন অপরাধ হয়না, কিন্তু ডিভাইডারে বসে পোস্টার আঁকলে কেন অপরাধ হয়। বুঝিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে কতটুকু বলার অধিকার আমাদের আছে আর দেওয়া হবে। প্রশাসনের বিরুদ্ধে, ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে, অত্যাচার, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কতটুকু বলার অধিকার আছে আর দেওয়া হবে। তবে বুঝে নিতে চাই। বুঝিয়ে দিতেও।
    ফিরে এসে দেখি Somnath Roy লিখেছে, পুলিশ তোমার এত্ত ভয়; তোমার জন্য চিন্তা হয়। Saikat Bandyopadhyay পোস্টার বানিয়েছেঃhttps://www.facebook.com/25globalprotest/photos/a.1474851049406489.1073741828.1474350629456531/1480464568845137/?type=1&theater
    এসেছে অজস্র লোকজনের ফোন। সবার নাম আলাদা করে আর নিলাম না। এসেছে পাশে থাকার আশ্বাস। কলরবের আশ্বাস। আবেগের হদ্দমুদ্দ করে লিখেই ফেলি, হোক হোক হোক্কলরব !
  • Tim | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৩১70409
  • ভাটে লিখেছিলাম, এখানেও জানিয়ে যাই। পাইয়ের লেখায় জানলাম এই জমায়েতের কথা। অভিনন্দন সংশ্লিষ্ট সবাইকেই। অনেক দূরে আছি, আমার কোন অবদানই নেই এই আন্দোলনে। তবুও বলতে ইচ্ছে হয়, হোক হোক হোক্কলরব।
  • de | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৫২70407
  • পাই আর বাকি সবাইকে সত্যিই অভিনন্দন - কিন্তু চিন্তাও হচ্ছে যে - সাবধানে থেকো পাই। আমি জানতাম না এই জমায়েতের কথা - কলকাতায় থেকেও যাওয়া হোলো না তাই!
  • anirban | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৫৭70408
  • হ্যাঁ, দারুন হয়েছে। এর পর বিধাননগরেই একটা বড় প্রতিবাদ প্রোগ্রাম হওয়া দরকার। পাই, দিন ও সময় ঠিক হলেই জানিয়ে দিস। হোক্কলরব।
  • a | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:০৪70410
  • না, এই ঘটনাকে সমর্থন করি না। কথা বলার অধিকার কেউ কেড়ে নিতে পারে না। সে অধিকার রক্ষার জন্যই, হোক কলরব
  • কল্লোল | ০৪ অক্টোবর ২০১৪ ১২:২৫70406
  • সাব্বাশ পাই ও লাবণীর কর্মসূচীতে যোগ দেওয়া সকলকে।
    তোদের জন্য গর্ব হচ্ছে।
    হোক হোক হোককলরব।
  • Indranath Sinha | ০৫ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:০২70411
  • "কলরব কাছে আছে তাই
    সন্ধ্যাবেলা ঘরের দাওয়ায়
    সুখে বসে কথা কয় গুটিকয় আত্মীয়স্বজন"

    -বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায়
  • Indranath Sinha | ০৫ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:২২70412
  • Pi wrote "খবর এল ওদের ১৫১ দিয়েছে"।
    I am worried. To me it appears that Section 151 is not applicable because neither the assembly was unlawful (Section 141), nor the command issued (if any) to disperse (Section 151) was a lawful one.
    Pi আপনার কোন আইনজ্ঞ বন্ধু আছেন? থাকলে তাঁর সাথে একবার আলোচনা করে নিন। মনে হচ্ছে লাবণীর ঘটনা শুরুয়াত মাত্র।
  • pi | ০৫ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:৫৬70413
  • দেখছি।
  • Abhyu | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:০৭70414
  • pi | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:২০70415
  • কমিশনারেটের কর্তা পুরো মিথ্যে বলেছেন। রাস্তায় কেউ ছিলোনা। সবাই ডিভাইডারে বসে আঁকছিলো।
  • #হোকশাম্তিতেপুজো | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৫৯70416
  • সাধারন কলকাতাবাসী হিসেবে পুলিশকে অভিনন্দন জানিয়ে গেলাম। পুজোর সময়ে এসব খুচরো ঝামেলা কন্ট্রোল করে পুলিশ দায়িত্বের পরিচয় দিয়েছে।
  • শ্রী সদা | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:০৫70417
  • ঠিকই। পুজোর সময় হারামির হাতবাস্কো ট্যাক্সিওলা আর অটোওলাদের কন্ট্রোল করার সময় পুলিশের দেখা পাওয়া যায়না, কিন্তু চাট্টি ছেলেমেয়ের শান্তিপূর্ণ জমায়েত তুলতে পুলিশ নামাতে হয়। ঢ্যামনামোর লিমিট থাকা উচিত মাইরি।
  • d | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:২৩70418
  • আহা অটোওলা, ট্যাক্সিওলাদের থেকে পুলিশ কত্ত কত্ত চাঁদা পায়। সেই চাঁদার ভাগ বাঁটোয়ারা যাদের মধ্যে হয় তারা পুলিশের কৃতিত্বে মুগ্ধ হবে, অভিনন্দন জানাবে -- এ তো স্বাভাবিকই।

    ছাত্রছাত্রীরা দুয়েকটা নোট দেখালেই পুলিশ কী করে দেখা যেত।
  • রাতুল | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:২৫70419
  • @শাম্তিতেপুজো আপনার রাজনৈতিক পরিশয় আপনার পোস্টেই স্পষ্ট হয়ে গেছে। আপনাকে বলি, ছাত্রদের এভাবে দমন করা যায় ন কোন দেশে করা যায়নি। আমরা আন্দোলনের পাশে আছি মীনাক্ষি লেখি কয়েকদিন আগেই এই দমনের নিন্দা করেছিলেন। ছাত্রবন্ধুদের এই আন্দ্লন দিয়েই আমরা আবার পরিবর্তন আনবো। এবার বিজেপি সরকার।
  • সিকি | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:২৮70420
  • কেলো করেছে!
  • π | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:৩৫70421
  • রাস্তার ডিভাইডারে বসে পোস্টার এঁকে ঠিক কী অশান্তিটা করা হয়েছিল ? কোন পুজোয় কোন বিঘ্নটা ঘটানো হয়েছিল ? ম্যাডক্সেও ছেলেপুলেরা নিজেরা দায়িত্ব নিয়ে রাস্তা খালি রেখেছে যাতে কারোর কোনোরকম অসুবিধা না হয়। সত্যি লিমিট থাকা উচিত !
  • ranjan roy | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:২৩70422
  • আমি খবর পাচ্ছি না--
    শিক্ষামন্ত্রীর নিযুক্ত উপাচার্য সুরঞ্জন দাসের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটির রিপোর্টের কী হল? ৭২ ঘন্টা কবে পেরিয়ে গেছে!
    মেয়েটির অভিযোগের কী হল?
  • Ishan | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৪৪70423
  • কেউ দেয় নাই, আমিই আপডেট দিই। আজকে বিধান নগর পুলিশের দাদাগিরির জবাবে আরেকদফা কলরব হচ্ছে। বেলেঘাটার মোড়ে আমরির উল্টোদিকে বিধাননগর কমিশনারিয়েটের সামনে।

    ডিটেল এখানে দেখলামঃ https://www.facebook.com/events/1478252855780120/
  • PT | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৪৪70424
  • The committee formed by the state government to probe the alleged molestation of a student at Jadavpur University will submit its report on Thursday, Calcutta University vice-chancellor Suranjan Das, the chairman of the panel, said.

    “We have completed the inquiry. We will submit the report to the government by Thursday evening,” Das said.
    http://www.telegraphindia.com/1140925/jsp/calcutta/story_18869781.jsp#.VDP2c1fbzEQ
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৫৭70427
  • Decisions of the Extended Executive Committee Meeting of JUTA held on 9th October 2014.
    Noted that the Hon. Chancellor, Jadavpur University and Governor of West Bengal has selected Prof Abhijit Chakrabarti to serve as Vice Chancellor, Jadavpur University for a full four year term.
    The meeting agreed that the resolutions of JUTA adopted at earlier General Body meetings still stands; namely that Prof Chakrabarti has no moral authority to serve as Vice Chancellor of Jadavpur University, and should therefore resign.
    The Extended Executive Meeting decided unanimously on the following programmes:
    Monday 13.10.14
    Black Banners to be put up on Campus
    Monday 13.10.14 at 10.00 am
    Protest in front of Aurobino Bhavan and Deputation to the Registrar demanding that the University immediately inform in writing to the Court that the University is right now not able to implement the Court Order regarding entry with ID cards only and needs more time to issue cards to all stakeholders and make suitable arrangements.
    Monday-Wednesday 12 noon onwards
    Leaflet distribution: Meeting Points: Anil's Canteen and Milan's Canteen
    Wednesday 15.10 at 3.30 pm
    General Body Meeting of JUTA at ESc 3/1
    Thursday 16.10 at 1.30 pm
    Protest Procession on Campus: Demand for Judicial Enquiry
    Starting Point: in front of JUTA Office
    Tuesday 21.10 from 2 pm
    Convention on “Restoration of Normalcy on JU Campus under Present Circumstances”
    Gandhi Bhavan, JU
    Teachers, Students, Officers, Staff, Former Teachers, Alumni, Guardians, Associations and all interested people are invited.
    Publication of White Paper on activities of Hon. Vice Chancellor, Jadavpur University.
    ‪#‎hokkolorob‬
  • d | ১০ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:৩২70426
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন