এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সোভিয়েত স্মৃতিচর্চা

    h
    অন্যান্য | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ | ২৬১৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ২১:০৫370462
  • স্তালিন খুব খারাপ বা লেনিন খুব ভালো বা বা ট্রটস্কি তো দুশ্টুমুনু পুচু পুচু এগুলো যাতে লোকে না বলে সেই জন্যেই আর্কাইভ্স মেটেরিয়াল যা আসছে তার খোজ রাখতে বলা আর স্মৃতিমেদুরতায় ভাসতে বারন করা বা অন্তত ডিসক্লেমার সহ ভাসতে বলা, হার্ড পজিশন না নিয়ে ইতিহাস শুধু না স্মৃতিচর্চাও সম্ভব। এটাই বক্তব্য।
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ২১:১৮370463
  • একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। ঠিক আছে দুটো দি। ভিক্টোর সারি এবঙ্গ বহদুরি গ্রোসমানের কাজের আগে ঠিক ভালো করে দুটো জিনিস জানা যায়নি , প্রথমত প্রচুর সমস্যা থাকা সত্ত্বেও ট্রটস্কি কোনো দিন ই মান্দেন নি, সোভিয়েত শ্রমিক স্বর্থে, শ্রমিক পরিচালক রাষ্ট্র না। অর্থাট তান্র এই অবস্থান লিডারশিপের চেয়ে খুব দূরে ছিল না, আবার এটাও আগে জানা যায়নি ক্রনস্টাড এর শ্রমিক বিদ্রোহ অ্যাজ আর্লি অ্যাজ ১৯১৯, ট্রটস্কি দমন করছেন কেন? আবার ধরুন ভিক্টর সার্জের লেখা পত্র নিয়ে বড় কাজ না ত্ভ্হলে জানা যেত না যে ইউরোপীয় ভাষা য় লেনিএন্ত অনুবাদে যখন তিনি করতেন তার হস্তে পুরো এডিটোরিয়াল কন্ট্রোল ছিল না। পস্তের্নক এর নতুন জীবনীর থেকেই জানা জাচ্ছে উনি প্র্যাকটিকালি গৃহবন্দী ছিলেন অথচ মান্ডেল্স্টামের মৃত্য়্র পরে স্তালিন নার ভসে ছিলেন এবঙ্গ খোজ নিতেন এর ইম্প্যাক্ট সম্পর্কে কিন্তু আশ্চর্য্যা ভাবে শস্তাকোভিচ এবোঙ্গ বুল্গাকোভ কে অনেক দ্বিমত সত্ত্বেও কিছু বাধা দিতেন না।অনেকদিন অব্দি।
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ২১:৩৫370464
  • **শ্রমিক পরিচালিত রাষ্ট্র
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ২১:৩৫370465
  • **শ্রমিক পরিচালিত রাষ্ট্র
  • Du | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ২১:৫৪370466
  • *মানেননি যে সোভিয়েত শ্রমিক স্বার্থে শ্রমিক পরিচালিত রাষ্ট্র না।
    এইটা?
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ২২:০৫370467
  • থ্যা'ন্ক ইউ দু।
  • dd | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ২২:৫০370468
  • আচ্ছা, এখানেই লিখে দি'। কেমন?

    ছোট্টোবেলার থেকে শুনে এসেছি "শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে কৃষি বিপ্লব"। কিন্তু কিছুতেই, কিছুতেই বুঝতে পারতাম না কৃষকদের বিপ্লবে শ্রমিক শ্রেণী কোন অধিকারে নেতৃত্ব দেবে? বা কেনো'ই বা দেবে?

    পার্টীর বড়ো নেতাও কোনো সদুত্তর দিতে পারেন নি। মেজো সেজোদের তো দূরের কথা। আপনেরা কেউ জানেন? হনু জানলে লিখো তো।

    এই জন কীগান বাবুর The Second World War বইতে একটা সম্ভাব্য explanation রয়েছে। যদিও ওনার context একে বারেই আলাদা। ব্যাপারটা নাকি সেই পারী কমিউনের সময় থেকেই। ফরাসীরা সেনাদলে চাষাদের নিতো না। তারা এতোই নির্জীব রুগ্ন "physically undernourished and socially doltish" ছিলেন যে সেনাদলে শুধুই শহুরে শ্রমজীবী লোকদের নেওয়া হতো। কীগান এটাও লিখলেন এই কারনেই মার্ক্স নাকি চাষাদের বিপ্লবের জন্য irredeemable লিখেছিলেন। (reference দেন নি)

    আস্তে আস্তে গ্রামীন লোকেদের physique ভালো হতে থাকলে গ্রাম থেকেও সেনাদলে রিক্রুটমেন্ট শুরু হলো। ১৯০০ সাল নাগাদ জার্মান সেনাদলে প্রায় আর্ধেকি ছিলেন গ্রামীন মানুষ।

    এই পুর্বস্মৃতির থেকেই কি ঐ আপ্তবাক্য চালু ছিলো - "শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে কৃষি বিপ্লব? হানু কি বলো ?
  • PT | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ২৩:১৩370469
  • অনুরোধ এইটুকুই যে দয়া করে ছোটতর বাক্য অ-কমলকুমারীয় ঢঙে লিখলে পড়তে এবং অবশ্যই অনুধাবন করতে সুবিধে হয়।
  • b | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:১৭370470
  • আপনার তো সাহস কম নয়! এইচ কে অনুধাবন করতে চান?
  • | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:৫৬370472
  • হাহাহা হাহাহা হাহা হাহা হা
  • aranya | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ১০:০০370473
  • পাঠক হিসাবে আমার ধারাবাহিক উন্নতি হয়ে চলেচে :-), হনু-র পোস্ট সমূহ পড়ছি এবং মোটামুটি বুঝতেও পারছি।
    যদিও ঐ সব বই পত্তর, আর্টিকল কখনও পড়ে উঠব বলে মনে হয় না। কল্লোল-দা বোধহয় এটাই বলতে চেয়েছিলেন, সব লেখালেখির পর হনু একটা সামারি মত করে দিলে (মানে নতুন পুরনো বিবিধ লেখাপত্র পড়ে সোভিয়েত জমানা সম্বন্ধে ওর ধারণা আর কি), তাইলে আমার মত অলস ও অগা পাব্লিকের সুবিধে হয়।

    এটাও অনুরোধ মাত্র, লেখক-কে ফরমাশী কিছু লেখার জন্য জোর করা যায় না, যেমন তার লেখার স্টাইল পাল্টানোর জন্যও জোর করা যায় না
  • h | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৪:২৬370474
  • এত বিনয় করবেন না তো। উফ্ফ বাবা।

    দেখুন আমি ট্রেনড হিস্টরিয়ান নই, কিন্তু ট্রেনড গাধা ও নই যে একটা দেশ বা অঞ্চল সম্পর্কে জানতে গেলে, তার আর্কাইভ্স কে অস্বীকার করবো। বিশেষত একেবারে হালের ইতিহাস যেটা, যেখানে আর্কাইভ্স রয়েছে। অথরিটারিয়ান রেজিম এর নেচার হল, অন্তত পশ্চিমে, রেকর্ড রাখা, নইলে যেন তাতে আর্বিট্রারি অত্যাচার কে ডিভেন্ড করা যায়, এটা অবশ্য আরবিট্রারিনেস এর বিচিত্র ডিফেন্স। কোম্পানী পলিল্সি বলে যে হাস্যকর শব্দবন্ধ মাঝে মাঝে কর্মক্ষেত্রে শোনা যায়, প্রায় সেরকম, যেন খসখস করে একখান পলিসি ল্লিখে ফেললেই সেটা ভিশন যৌক্তিক কিসু হল। অথরিটেরিয়ান রেজিম, প্রকরণে প্রায় এক ই, তবে এই আলোচ্য রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে বিষয় টাঅ জীবন ও মরণের, এবং অতীব ভয়ঙ্কর, অথচ আশ্চর্য্যজনক ও বটে।

    পেথমে কতটা কথা বলি। ধরুন ১৯৭০ এর দশক পর্যন্ত লোকে বিষয় টাকে সোভিয়েত স্টাডিজ বলতো। ডিপ্লোমাটিক, ইন্টেলিজেন্স এর স্বার্থে অল্পো কিছুটা ঊর্ধে উঠে জয়গাটা পোলিটিকাল সিস্টেম টা সম্পর্কে বোঝার চেষ্টা করা, ভাষা গুলো জানা ইত্যাদি। যতটুকু যা পাওয়া যাচ্ছে, এদিক সেদিক থেকে একত্রিত করা, এবং বুঝতে হবে, তখনো পর্যন্ত সোর্সে সম্বল মেনলি, ডিফেকশন আর স্মাগল্ড কাগজ্পত্র। ৭০স এর পর থেকে এটা সোভিয়েত হিস্টরি বলা শুরু হয়, লোকের মাথায় ঢোকে যত রিপ্রেস্ড ই হোক, একটা সমাজ/সোসাইটি আছে তো রে বাবা। আরেকটু বড় করে দেখা দরকার। এবং ৯০স থেকে আর্কাইভ্স খোলে। এখন অবস্থাটা এই, আপনি সোভিয়েত সিস্টেমের সমর্থনে, বা বিরোধিতায়, বা অবজেক্টিভ নুআন্স্ড পজিশন যাই সিদ্ধান্তে এসে পৌছন, আপনার সোর্স মেটেরিয়াল এ যদি নতুন আর্খাইভাল মেটেরিয়াল না থাকে, তাহলে, লোকে আপনাকে সিরিয়াসলি নেবে না, পেশাদারী ইতিহাস চর্চার জগতে। আমার পার্সোনাল বক্তব্য টা একটু সেটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। দেখুন বিশেষত ইনটারনেট জমানায় এটা অনস্বীকার্য্য, আকাদেমিয়ার বাইরে, ইতিহাস সম্পর্কে পারসেপশন তৈরী করার নানা প্রক্রিয়া রয়েছে, প্র্যাকটিকালি সব আর্ট ফর্ম ই খোলা, তো সেই আলোচনায়, পাঠকের পক্ষ থেকে যদি পার্টিসিপেট করতে হয়, তাহলে উই হ্যাভ টু ওয়ার্ক দ্য আর্স। রাশিয়ান বা তুর্ক্মেনিস্তানের ভাষা শিখে আর্কাইভ দেখা সম্ভব না হলেও, নতুন ধরণের প্রাইমারি সোর্স নিয়ে যারা কাজ করছে, তাদের খবর রাখতে হবে। এটা যে কোন অঞ্চল যে কোনো সময় সম্পর্কেই সত্য।

    ধরুন আমি বীরভুমের কৃষক বিদ্রোহের ইতিহাস লিল্খবো, বা পড়বো। কারণ দুটোর মধ্যে সিরিয়াসলি করলে তেমন আলাদা কিসু নাই, তাতে আমি ভাবলাম, আমি লোক কথা কে ই সোর্স করবো, লোক গান কেই সোর্স করবো, বা পারিবারিক ইতিহাস কেই সোর্স করবো, কিন্তু কলোনিয়াল রেকর্ড্স দেখবৈ না, কারণ ইংরেজ রা তো বিদেশী, ওরা ওদের সুবিধে মত রেকর্ড রেখেচে, বা অবস্থান নিলাম, আমি শুধু কলোনিয়াল রেকর্ড্স ই দেখবো বাবা, অন্য কোন ধরণের ওরাল বা পার্সোনাল রেকর্ড্স দেখবো ই না, দুটৈ মুর্খের মত পজিশন।

    এবার একটু একটু উদাহরণ দেওয়া যাক। যে আর্কাইভস বা আর্কাইভ্স নির্ভর কাজ পড়ে নুআন্স্ড ভাবনা কি ভাবে আসতে পারে এবং সেটা যখন মানুষের জানা ছিল না, তখন মাউষের কি সমস্যা হতে পারতো বা হয়েছে।

    একটু বলে নি, আমার বিদ্যা কিন্তু গোটাটাই নানা রিভিউ ম্যাগ এ বইয়ের খবর দেখে, আর তার পরে কিছুটা পার্সিউ করে বা দু একটা এদিক ওদিক স্ট্রে কিছু পড়ে, আপনরা এটাকে সিরিয়াস পড়াশুনো ভাবলে ভুল করবেন, কারণ তাহলে আপনাদের সিরিয়াস পড়াশুনো সম্পর্কে ধারণা বদলানো দরকার।

    অমি মোটামুটি হিসেবে করে দেখলে, অল্প স্বল্প গ্যাপ দিয়ে, ২০০১ সাল থেকে, আজ ষোলো বৎসর হল এল আর বি পড়ছি। তো তাতে বেশ কিছু চোখে পড়েহ্হে, তো তার থেকে উদা দিচ্ছি।

    জুল্য ২০১৪ সংখ্যায়, স্টিফেন লভেল কৃত একটা রিভিউ রয়েছে, জার্মান ঐতিহাসিক কার্ল শ্লোয়েগেল এর বই, পুরো বিবরণ তা ইনটারনেটে জা পাচ্ছি এর্কম।

    Moscow 1937 by Karl Schlögel, translated by Rodney Livingstone
    Polity, 650 pp, £16.99, March 2014, ISBN 978 0 7456 5077 7

    এই বই তে, উল্লেখ করা হচ্ছে, একটা নোটোরিয়াস ডকুমেন্ট এর কথা, যে গ্রোটেস্ক শব্দ টা কে অন্য মাত্রা দেয়।

    Operational Order No. 00447, of 30 July 1937 এই ডকুমেন্ট দেখা যাচ্ছে, কত মানুষ কে চরম শাস্তি/কঠিন শাস্তি/হত্যা দেওয়া হবে, তার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ডিস্ট্রিক্ট ভিত্তিক কোটা হচ্ছে, মস্কো তে ৫০০০, কালমিক রিজিওন এ মাত্র ১০০০ ইত্যাদি। একটা ছোটো অঞ্চলের নেতাকে ট্রটস্কিবাদী হওয়ার অপরাধে একজিকিউট করার কথা এতে রয়েছে বলে উল্লেখ পাওয়া যাচ্ছে।

    আবার রিভিউয়ার এবং শ্লোএগেল নিজেই বলছেন, যথেষ্ট অবজেক্টিভ এবং ডিসপ্যাশনেট ভাবেই বলছে, ১৯১৭-১৮-১৯ এর গ্রেট টেরর এর সময়ে যেমন কমিউনিটি ধরে নাজ্রে রাখা হয়েছিল এবং একসিকিউট করা হয়েছিল, পোলিশ দের, পুরোহিত দের, কুলাক দের, ১৯৩৭ এর পার্জে সেটা হয় নি, রাজনৈতিক স্পেসিফিক (স্পুরিয়াস অর্থে) চার্জ এনে করা হয়েছিল।

    আবার এটাও বলা হচ্ছে, রবার্ট কনকোয়েস্ট নামক যে হিস্টরিয়ান ১৯৩৭ এর পার্জে একটা হত্যার সংখ্যা এস্টিমেট করেছিলেন, সেটা আর্খাইভ্স দেখে বোঝা যাচ্ছে অতিরঞ্জিত ভুল এস্টিমেট।

    এবং স্তালিন পলিসির এবং সোভিয়েত অপরাধের চুড়ান্ত সমালোচনা করেও কিন্তু শিলা ফিট্জপাট্রিক(এঁর প্রবন্ধ ই আমি সবচেয়ে বেশি পড়েছি) ইত্যাদি ঐতিহাসিক রা বলছেন, একটা কথা কিন্তু বুঝতে হবে, ১৯২৮ থেকে ১৯৩৭ এর মধ্যে দেশটা ঊর্ধশ্বাসে ইনডাস্ট্রিয়ালাইজ্ড হচ্ছে, এবং পুরোনো সমাজ প্র্যাক্টিকালি সম্পূর্ণ আছড়ে পড়ছে।

    প্রচুর ধরনের কাজের খবর আমি এল আর বি থেকে পেয়েছি,

    শিলার লেখাতেই আছে, বাচ্চা মেয়েদের ডায়রি র সোর্স নিয়ে করা কাজ, তাতে যা পাওয়া যাচ্চে, তাতে বোকা বোকা দেশের উপকার নিয়ে সে ভাবছে না, এবং রেগে যচ্ছে তার ছেলে বন্ধু রা এসব দেশের প্রগতি ইত্যাদি নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বোর করছে। এখন এটা অব্ধুত অপ্রাসঙ্গিক, ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র ইনসিগ্নিফিকান্ট একসেপশন মনে হতে পারে, কিন্তু বুঝতে হবে, এটা লেখা হচ্ছে এমন একটা ব্যাকড্রপে, যখন এটা প্রায় স্বাতঃসিদ্ধ, এক দুজন হিস্টরিয়ানের কাজ ছাড়া, স্তালিন যখন এসব করছিলেন, সাধারণ মানুষ তাকে সমর্থন করছিলেন, এবং চারিদিকে অসংখ্য লিটল স্তালিন তৈরী হচ্চিলো, কিছু রেজিস্টান্স ই হয় নি, কিন্তু সচেতন, অচেতন, ব্যক্তিগত সব রেজিস্টান্স এর খবর ই দাঁড় করানো যায়।

    আবার ধরুন সম্ভবত সাংগাতিক স্তালিন্ক বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও জোর্জ স্টাইনারের একটা প্রবন্ধে আমি পড়েছি, গ্রোসমান এর মৃদু সমালোচোনা করতে গিয়ে বলছেন, লাইফ অ্যান্ড ফেট এ, যেরকম ভাবে তিরিশ চল্লিশের দশকে থেকে রাশিয়ান পোলিটিকাল এস্টাব্লিশমেন্টে অ্যান্তি সেমিটিজম যতটা প্রকট ও ব্যাপক বলে মনে করা হচ্ছে, তত অগে থেকে ততটা না, এবং পঞ্চাশের দশকে স্তালিনের মৃত্যুর অল্প আগে, যুদ্ধ ও তার পরবর্তীতে অতি বীরত্ত্বপূর্ণ জয় সেলিব্রেশনের আমলে রাশিয়ান ন্যাশনালিজম এর বাড়াবাড়ি ঘটছে, রাশিয়ান অ্যান্টিসেমিটিজম কে অনেক পুরোনো ভাবে ট্রেস করা গেলেও, পোলিটিকাল এস্টাবলিশমেন্ট সম্পর্কে সামান্য হলেও নুআন্স্ড কথা বলছেন। ইত্যাদি।

    যেটাতে আমার মনে হয়েছে, পেশাদারী ইতিহাসচর্চা র সময়ে শুধু না, অপেশাদারী স্মৃতিচর্চার, বা রাজনৈতিক তর্ক বিতর্কের সময়েও, নতুন ফ্যাক্ট মাথা রেখে কথা বলা উচিত। এই ডকুমেন্ট টার কথা ১৯৪০ এর দশকে যদি জানা থাকতো, তাহেল অনেক ইনটেলেকচুয়াল ই অন্তত পার্টি সদস্য হতেন না, যদিও কলোনী, সাম্রাজ্যবাদ ইত্যাদির অভিজ্ঞতা ছিল। এবং দুঃসহ অভিজ্ঞতা ছিল, অন্য কোনো ধরণের দল গড়ে তুলতেন, বা বা অন্য ভাবে এনগেজ করতেন, ইনফরমেশন ইতিহাস গতি বদলাতেই পারে। তবে স্পেকুলেশনে গিয়া লাভ নাই। এটুকু বলা যেতে পারে,

    এবারে অল্প করে ডিডি দার প্রশ্নকে অ্যাড্রেস করে আমরা স্মৃতিচর্চায় কি পেলাম এই বিষয়্টা টাতে ফিরবো।
  • h | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৫:১৬370475
  • ডিডি দা

    "আচ্ছা, এখানেই লিখে দি'। কেমন?

    ছোট্টোবেলার থেকে শুনে এসেছি "শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে কৃষি বিপ্লব"। কিন্তু কিছুতেই, কিছুতেই বুঝতে পারতাম না কৃষকদের বিপ্লবে শ্রমিক শ্রেণী কোন অধিকারে নেতৃত্ব দেবে? বা কেনো'ই বা দেবে?

    পার্টীর বড়ো নেতাও কোনো সদুত্তর দিতে পারেন নি। মেজো সেজোদের তো দূরের কথা। আপনেরা কেউ জানেন? হনু জানলে লিখো তো।

    এই জন কীগান বাবুর ঠে এোন্দ ওর্ল্দ অর বইতে একটা সম্ভাব্য এক্ষ্প্লনতিওন রয়েছে। যদিও ওনার োন্তেক্ষ্ত একে বারেই আলাদা। ব্যাপারটা নাকি সেই পারী কমিউনের সময় থেকেই। ফরাসীরা সেনাদলে চাষাদের নিতো না। তারা এতোই নির্জীব রুগ্ন "ফ্য়্সিল্ল্য উন্দের্নৌরিশেদ অন্দ সোিঅল্ল্য দোল্তিশ" ছিলেন যে সেনাদলে শুধুই শহুরে শ্রমজীবী লোকদের নেওয়া হতো। কীগান এটাও লিখলেন এই কারনেই মার্ক্স নাকি চাষাদের বিপ্লবের জন্য ইর্রেদীমব্লে লিখেছিলেন। (রেফেরেে দেন নি)

    আস্তে আস্তে গ্রামীন লোকেদের ফ্য়্সিqউএ ভালো হতে থাকলে গ্রাম থেকেও সেনাদলে রিক্রুটমেন্ট শুরু হলো। ১৯০০ সাল নাগাদ জার্মান সেনাদলে প্রায় আর্ধেকি ছিলেন গ্রামীন মানুষ।

    এই পুর্বস্মৃতির থেকেই কি ঐ আপ্তবাক্য চালু ছিলো - "শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে কৃষি বিপ্লব? হানু কি বলো ?"

    -- ডিডি দা, আমি একটা ভুল করেছি, যে সিরিয়াস ইতিহাস চর্চা কি ভাবে স্মৃতি চর্চাকে প্রভাবিত করতে পারতে ব্যর্থ হচ্ছে এই আলোচনায় থাকতে পারিনি, সূত্রের আলোচনা গেছি তো গেছি, আবার রাজনৈতিক আলোচনায় ঢুকতে চাই না খুব একটা।

    আপনি যেটার কথা বলছেন, সেটা বড় বিতর্ক। মার্ক্স যেগুলো বোঝেন নি, বা কম বুজেছেন বলে ধরা হয়, তার মধ্যে কৃষি, কলোনী ও আমেরিকা প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয়। পরে বিতর্ক মূলক ভাবে বলা হয় পরিবেশ ও নারী। প্রথম তিনটে র ইরেফুটেবিলিটি র এভিডেন্স সামান্য বেশি যদিও একেবারে তর্কের ঊর্ধে না ঃ-))))
    আপনি তো এসব জানেন, এই কৃষক বনাম শ্রমিক বিতর্কেই কমিউনিষ্টি সংসারে সবচেয়ে বড় ভাগ ভেন্ন হয়েছে, রাশিয়া ও চীনে। ঃ-))) আবার চীনের ভেতোরে ও এসব প্রশ্নে পার্জ হয়েছে।

    অথ্চ, দোসর এঙ্গেল্স, পেজান্ট ওয়ার ইন জর্মানি লিখ্ছেন এবং মধ্যযুগে বা প্রথম আধুনিক যুগে রিফর্মেশনের কাছাকাছি সময় থেকে, সুইজারল্যান্ড ও জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার প্রচুর কৃষক নেতা ও তাদের প্যাম্ফ্লেট এর কথা আছে সে বইয়ে আপনে নিশ্চয়ি পড়েছেন। এই নিয়ে আমি আর ইশান একবার আলোচনা করেহ্হিলাম, ইশান একট চমৎকার প্রবন্ধ লিখেছিল, কলোনী ইত্যাদি নিয়ে, তাতে আইরিশ ইমিগ্রান্ট শ্রমিক দের নিয়ে এঙ্গেল্স এর ডিসপারেজিং কথা বার্তা ও অতি কনভেনশনাল অবস্থান এর উল্লেখ করেছিল। এই গুরুর সংসার ও তো অনেক দিন হল, এটা কোন বছর মনে নেই।
    মার্ক্স মূলত যে অবস্থান থেকে দেখছেন, সেটা একাধারে রোমান্টিক, আমার বেশি থিয়োরী পড়া নেই, যতটুকু মনে হয়, ইউটালিটারিয়ান সরল রৈখিক প্রগতির ধারণার দ্বারা প্রভাবিত। বুঝতে পারছেন, ক্যাপিটালিজম একটা সর্ব কতৃত্ত্বময় ব্যবস্থা হিসেবে ইমার্জ করেছে, এবং একই সঙ্গে বুঝতে পারছেন, পুরোনো সমাজ এর হায়ারার্কি ইত্যাদি কে চ্যালেঞ্জ দিতে গিয়ে, পুরোনো সমাজের যে বোকা বোকা জিনিশ গুলো, তাতে ভালো টান পড়বে, কলের শহর এক ধরণের প্রগতিশীল লোকেল, যেখানে দাস রা নেই, মালিকরা অতি ক্ষমতাশালী হলেই, শ্রমিকের উপরে তাদের সামাইইক নিয়ন্ত্রন কম, বা তার মন দেওয়ার জন্য অনেক উত্তেজনাপূর্ণ জিনিশ রয়েছে, সেটা প্রফিট ঃ-))))

    তো এই প্রগতি প্রতিষ্ঠার কাজে উনি হয়তো ভাবছেন, কৃষকের পিছুটান বেশি। সে সমাজের অনেক পুরোনো কিছুকে স্থিত করে রাখতে চাইবে, যেটা ধাক্কা মারা দরকার। কিন্তু এই ধারণার ভিত্তি মাও রাই দেখিয়েছেন নেই, যারা যে ভাবে অত্যাচারিত হচ্ছে, তারা নিজেদের তার বিরুদ্ধে সংঘঠিত করতেই পারে।

    মার্ক্স এর একটা ধারণা ছিল, ক্যাপিটালিজম যেখানে যত বেশি এগিয়ে আছে, সেখানে তত বেশি শ্রমিক শ্রেণী এগিয়ে এবং বিপ্লব সম্ভবনা তত, লেনিন ই তাকে ভুল প্রমাণ করছেন, রাশিয়ায়, ইংল্যান্ড ফ্রান্স, জার্মানির আগে বিপ্লব হচ্ছে, যদিও মূলত নাগরিক প্রচেষ্টাতেই হচ্ছে।

    ইত্যাদি, এর বেশি কিছু জানি না, আর্মি রিক্রুটমেন্ট এর ট্র্যাডিশন টা জানতাম না
  • h | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৫:২৩370476
  • আবার একেবারে হালে দেখাও যাচ্ছে, পশ্চিমে শ্রমিকেরা, যারা যুদ্ধের পরের ওয়েলফেয়ার ও গুড টাইম্স যথেষ্ট বড়লোক ও হয়েছে, পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের শ্রমিকের তুলনায়, দেখা যাছে, অ্যাডভান্স্ড ইকোনোমির জায়্গা হওয় সত্ত্বেও তাদের ইনারশিয়া প্রচুর বেশি, তারা স্কিল বদলিয়ে নতুন ইকোনোমিতে আমাদের মতই ঢুকতে পারছে না। মোটামুটি পারসিভড উইস্ডম এখন এই, যে কৃষি শিল্প অন্য কাজ বা পেশা ইত্যাদি সর্বত্র ই কর্মহীন বা অস্থায়ী কর্মী রা এবং সামাজিক ভাবে নানা ভাবে মার্জিনালাইজ্ড ংশের ই ই সবচেয়ে বেশি মিলিটান্সির সম্ভবনা বেশি, তারা একা বড় ভারে শিল্পের কারখানার শ্রমিক না। ঃ-)
    তো ক্যাপিটালিজম এ ভাবে নিজেকে বদলেষে, রেজিস্টান্স ও বদলাছে, কখনো সফল ভাবে কখনো না।
  • h | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৫:২৪370477
  • ওএক অনেক বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে, এবার গ্যাপ।
  • de | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:১১370478
  • শ্রমিক শ্রেণীর শ্রমিক বিপ্লবেই তালা ঝুললো বলে - মহারাষ্ট্র, এক্কালের শ্রমিক বিপ্লবের পুরোধা, নতুন আইন আনতে চলেছে -

    http://epaper.timesgroup.com/Olive/ODN/TimesOfIndia/#

    Maharashtra’s proposed labour reforms on factory closures and sackings go beyond several states, including Rajasthan. If the proposals go through, all the 37,234 factories in the state will have the option of closing down and sacking workers without seeking government permission.

    Currently, the Industrial Disputes Act, 1947 allows factories with fewer than 100 workers to close down and retrench workers without seeking state clearances. The state labour department has proposed that the exemption be extended to factories with less than 300 workers, a reform already in place in states including Rajasthan and Haryana. TOIhad reported this on November 11.

    However, the proposal further suggests that factories with 300 or more workers also be allowed to close down and retrench workers without state clearances if they give 60 days’ notice and 60 days compensation to workers for each year of continuous service.

    This proposal is significant because 45% of the state’s factory workers—the largest chunk—are employed in factories with 300 or more workers. The state has 1,365 such factories employing 11.37 lakh of its 25.16 lakh factory workers.

    “This proposal will promote ease of business. It will also be beneficial to workers because they currently receive 15 days’ compensation for every year of continuous service if there is a closure. The proposal increases their compensation,” said state labour secretary Rajesh Kumar. The state’s proposals are patterned on the Centre’s model law.
  • h | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ২০:৫৪370479
  • অবশ্য ভ্যালর এর ইতিহাসে, ওয়ারিয়র ক্লাস আলাদা হওয়ার ট্র্যাডিশন মধ্যযুগীয় ধর্ময্য়্দ্ধ গুলোর সময় থেকে না আরো আগে , সেটা একটু খোজ খবর নিয়ে বলতে হোবে ডিডি দা।
  • dd | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ২৩:০৭370480
  • হানুকে থেংকু কিন্তু এক্ষপ্লেনেশনটাঠিক মনে ধরলো না।

    মানে, এই সিপিআই (এম এল ) সব সময়েই ঐ আপ্তবাক্যটি লিখে যেতো - "শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে কৃষি বিপ্লব"। কেনো বলতো এখোনো বুঝি না। নিশ্চয়ই মার্ক্সের কৃষক চেতনার খামতির জন্য নয়। উনিশশো সত্তর সালে মানে মার্ক্সের একশো বছর পরেও সেই দায় কি বর্তমানের কমুনিস্টদের ছিলো? না। আমার সেরকম মনে হয় না।

    সেই ই কতোদিন আগে ঐ কিতাবগুলো পড়েছি। এখন আর কিছুই স্মরণে থাকে না, আর নতুন করে বইগুলো পড়তেও ইচ্ছা করে না। বেশীর ভাগই আর নেই ও।

    যাগ্গে।
  • h | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০০:০১370481
  • দেখুন লেনিন,স্তালিন, শিবদাস ঘোশ, মাও, পল পট, চসেস্কু, কাস্ত্রো থেকে মায় তপন সুকুর অনিল লক্ষ্মন মায় হয়তো পলিট জেরেমি কোর্বিন ওব্দি অনেক হ্যাপা সামকেছি, সিপিআই এম এল অনওআরড্স আপনার চিরযুবারা দেখুন।ঃ-)))))))আজকাল তো ওবামা হিলারি ক্লিন্টন, কানহাইয়া শহেল অ উমর মায় রাস্তা সরকার অব্দি সবার ড্স্কুনেন্ট ডিফেন্ড করছি, আপ্নাকে এই দাউইত্ত্ব গুলো এজটু নিতেই হবে।
  • h | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০০:০২370484
  • *রায়া
  • h | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০০:০২370483
  • *রায়া
  • h | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০০:১৭370485
  • *হ্যারি পলিট।
  • Ishan | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০৪:২৪370486
  • কিন্তু পার্টির নেতারা এর উত্তর কেন দিতে পারেন নি বুঝিনি। উত্তরটা তো বইয়ে লেখাই ছিল। বিপ্লবের স্তরটা হল গণতান্ত্রিক বিপ্লব। সেটা নয়া গণতান্ত্রিকই হোক বা জনগণতান্ত্রিক। এই বিপ্লবটা ঐতিহাসিকভাবে পুঁজিপতিদের করার কথা। কিন্তু পুঁজিবাদিরা দুর্বল হয়ে পড়ায় এবং প্রগতিশীল চরিত্র হারানোয় জমিদারদের সঙ্গে আঁতাত করতে লাগল, মূলত তৃতীয় বিশ্ব তথা ভারতের পরিপ্রেক্ষিতে। যাদের উৎখাত করার কথা, তাদের সঙ্গেই হাত মেলালো। কিন্তু প্রগতি তো থেমে থাক্তে পারেনা। তাই, পুঁজিপতিদের জায়গায় এল সবচেয়ে শক্তিশালী প্রগতিশীল শ্রেণী, শ্রমিকশ্রেণী। তারাই এবার গণতান্ত্রিক বিপ্লবে নেতৃত্ব দেবে। জমিদার, সামন্তবাদকে উৎখাত করবে। কাজটা একই থাকবে, সামন্ততন্ত্র উৎখাত, অর্থাৎ, পুঁজিপতিদের যেটা করার কথা ছিল। কিন্তু নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতা পুঁজিপতিদের হাতে আর নেই। কাজটা ঘাড়ে এসে পড়েছে শ্রমিক শ্রেণীর। তাই তারা নেতৃত্ব দেবে। ইতিহাসের চয়েস।
    এবার, শ্রমিকরা তো আর বন্দুক নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে জমিদার উৎখাত করবেনা। গ্রামেগঞ্জে অ্যালাই চাই। সবচেয়ে নিকটতম সুহৃদ হল ভূমিহীন কৃষকরা। তারাও সর্বহারাই প্রায়, কিন্তু মানসিকতায় পিচুটান আছে, জমির কারণে। তার পরের ধাপে আরেকটি কম মিত্র হল ছোটো কৃষকরা। বড়ো কৃষকরা শত্রু আর মিত্রের কাছাকাছি। কিন্তু যেহেতু এরা কেউই বিশুদ্ধ সর্বহারা নয়, তাই এদের নেতৃত্ব দেবার যোগ্যতা নেই। চেতনা এবং নেতৃত্ব সরবরাহ করবে শ্রমিকরা।

    এবার, পুঁজির চরিত্র মুৎসুদ্দি হলে, যেমন নকশালরা বলত, শত্রু-মিত্রের হিসেব বদলে যাবে। কারণ কৃষকরা তো বাই ডিফল্ট সর্বহারা নয়। কিন্তু নেতৃত্বের ব্যাপারটা একই থাকবে। এই হল গপ্পো। এছাড়াও অব্শ্য কৃষক বিপ্লব হতেই পারে। কিন্তু শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্ব না থাকলে সেটা গণতান্ত্রিক বিপ্লব হবেনা।

    বলাবাহুল্য এতে নানা ফাঁকফোকর আছে। কিন্তু অফিশিয়াল ভার্সানটা এইরকমই।
  • S | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০৪:৪১370487
  • হানুবাবুর এতো বড় জনদরদী বামপন্থীদের লিস্টি থেকে দাদুর নাম বাদ পড়লো কি করে? ঃ)
  • aranya | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০৭:১৮370488
  • এই বিপ্লবের ব্যাপারে, একটা প্রচন্ড নেগেটিভ ব্যাপার যা দেখি - মানুষ মারতেই হবে। বহু মানুষ খুন না করে বিপ্লব সম্ভব হচ্ছে না - সে রাশিয়া, চীন,কাম্বোডিয়া, আমাদের নকশাল আন্দোলন - সবক্ষেত্রেই।

    শ্রমিক, কৃষক, সর্বহারা মানুষের স্বার্থে সো কলড শ্রেণীশত্রু খুন জায়েজ নয় - আমার মতে। অন্য কেউ অন্যরকম ভাবতেই পারেন।

    আর একটা সমস্যা হল, অনেক রক্তপাতের পর বিপ্লব সমাধা হলেও তার সুফল বেশিদিন ধরে রাখা যাচ্ছে না। সোভিয়েত ভেঙে গেল, ভেঙে যাওয়ার আগেও সাধারণ মানুষের অবস্থা খুব কিছু ভাল ছিল না, পার্টির উঁচুতলার লোকেরাই ক্ষীর খাচ্ছিলেন, সেই অরওয়েলের 'অল আর ইকুয়াল, বাট সাম আর মোর ইকুয়াল দ্যান আদার্স'।

    গরিব, বড়লোক যে শ্রেণীরই হোক, প্রায় সব মানুষই নিজের ভাল চায়, উন্নতি চায়, পরিবারের ভাল চায়, অল্প কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে।

    'From each according to his ability, to each according to his need' -
    এটা মনে হয় মানুষের বেসিক নেচারের বিরুদ্ধে যায়।

    বিবর্তনের মাধ্যমে কখনো হয়ত এমন উন্নত মানসিকতার অধিকারী হবে মানুষ, সে দিন এখনও আসে নি।

    এবং বেশির ভাগ মানুষের যদি এই মানসিকতা না থাকে, তাহলে বিপ্লব সফল হলেও তার সুফল বেশিদিন ধরে রাখা যাবে না।

    কাউন্টার আর্গুমেন্ট হল, উন্নত মানসিকতা ইত্যাদির কোন ব্যাপার নেই, মানুষ নিজের স্বার্থেই বিপ্লব চাইবে, কমিউনিজম চাইবে, কারণ কমিউনিস্ট সিস্টেমেই বেশির ভাগ মানুষ ভাল ভাবে বাঁচতে পারে।

    আমার সামহাউ মনে হয়, মানসিকতার একটা ব্যাপার থেকেই যায়। সমষ্টির স্বার্থ-কে ব্যক্তিস্বার্থের ওপরে স্থান না দিলে, লং টার্মে এমন কোন সিস্টেম টিঁকতে পারে না
  • কল্লোল | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৩৫370489
  • বিষয়টা রক্তপাত-সমেত বা রক্তপাতহীন নয়।
    রাশিয়া-চিন-ভিয়েৎনাম-কিউবায় রক্তাক্ত বিপ্লব হলো, দঃ আফ্রিকায় রক্তপাত ছাড়াই হলো বা কম রক্তপাতে হলো। তাতে কি কিছু বদলালো?
    আসলে রাষ্ট্রক্ষমতার উল্টোদিকে বা বিকল্পে সমাজের কুত্তাগিরি না থাকলে ....... সেই হিসাবে অল পাওয়ার্স তো সোভিয়েৎ ঠিকঠাক স্লোগান ছিলো। পরে সেটা অল পাওয়ার্স তো স্টেট হয়েই নানান ফ্যাসাদ হয়েছে।
    যাগ্গে। ফোড়ন না কাটলেই ভালো হতো।
    পড়ছি।
  • aranya | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৪৩370490
  • রাষ্ট্র / সরকার তো মানুষ দিয়েই তৈরী, কল্লোল-দা, যেমন সমাজ-ও মানুষের সমষ্টি।

    এখন সরকারে গেলেই অর্থাৎ হাতে ক্ষমতা পেলেই যদি মানুষের চরিত্র বদলে যায়, তাহলে তো মানুষের ডিনএ-তেই গন্ডগোল
  • aranya | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৪৬370491
  • এই প্রসঙ্গেই মানসিকতা-র কথাটা লিখছিলাম, সমষ্টির স্বার্থ-কে ব্যক্তিস্বার্থের ওপরে স্থান দেওয়াটা যদি মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি না হয়, তাহলে বিপ্লব, আন্দোলন কোন কিছুতেই খুব কিছু পরিবর্তনের আশা নেই
  • PT | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ১৩:৫৯370492
  • "তাহলে বিপ্লব, আন্দোলন কোন কিছুতেই খুব কিছু পরিবর্তনের আশা নেই"
    এসব দেশে পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু হয়েছে অন্যভাবে।
    These countries have the highest quality of life
    https://www.weforum.org/agenda/2016/07/these-countries-have-the-highest-quality-of-life
    মার্ক্সীয় ব্যাখ্যা কি তা পন্ডিতেরা বলবে। এসব দেশেও রাষ্ট্র আছে কিন্তু তা কল্লোলদার কথামত "রাষ্ট্রক্ষমতার উল্টোদিকে বা বিকল্পে সমাজের কুত্তাগিরি না থাকলে" জাতীয় ব্যাপার ঠিক নয়। রাষ্ট্রের সঙ্গে আলাপচারিতা চালু আছে এসব জায়গাতে। হয়ত সেইজন্যেই জীবন যাপনের মান ধরে রাখার একটা নিরন্তর প্রচেষ্টা আছে।
    তবে উত্তর ইউরোপে ঘাড়ের কাছে বেড়ে ওঠা সোভিয়েত কম্যুনিস্টদের দেশে বাড়-বাড়ন্ত ঠেকানোর জন্যেই হয়ত সোশাল ডেমোক্রাটরা বাধ্য হয়েছে ("egalitarian"=believing in or based on the principle that all people are equal and deserve equal rights and opportunities) রাষ্ট্রের সৃষ্টি করতে।
    এই তালিকায় ফিনল্যান্ড সবার ওপরে অথচ ১৯১৭-র পরে অন্যদের সঙ্গে মিলে সোভিয়েতের নতুন সরকারের পেছনে তারা প্রচুর কাঠি করেছিল......
  • কল্লোল | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ১৯:২১370494
  • অরণ্য। '' রাষ্ট্র / সরকার তো মানুষ দিয়েই তৈরী, কল্লোল-দা, যেমন সমাজ-ও মানুষের সমষ্টি। ''
    না। আমার দ্বিমত আছে। বাইরে আছি। পরে লিখছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন