এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বইপত্তর

  • কাগুজে গুরুর বইমেলা অভিযান - ২

    Samik
    বইপত্তর | ২১ নভেম্বর ২০১১ | ৫১০৯৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • maximin | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:২৪502948
  • ম্যামির ছবিতে কমেন্ট করে যাই -- প্রথমটা টেরা, দ্বিতীয়টা রোমান্টিক তিন নং অক-ওয়ার্ড টাইপ, চার ও পাঁচ ব্যাপক।
  • a | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:৩৪502949
  • ট্রেনে আইন অমান্য? করে দেখুন, ধরতে পারলে চুলকে চোদ্দ করে দেবে। ট্রেনে আর প্ল্যাটফর্মে ধূমপান অ--নে--ক কমে গেছে গত ১০ বছরে
  • sda | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:৪৯502950
  • স্মোকার হয়েও এরকম পরিবর্তনকে স্বাগত জানাই। এই আইনটা অনেকদিন আগেই হওয়া উচিত ছিল।
  • s | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০০:২০502951
  • ম্যামির লগে আরও জানি কে আছে, ম্যামি তারে ভুলেই গ্যাছে। খোমাবইয়ে খুঁজব কি নামে গো? ফোন্নং ও নিই নাই:-((

    পটাশম্যাম।
    এতো স্নেহ সচরাচর একজন স্বল্প পরিচিতকে কেউ করে না। সেদিন ঐ সিঙ্গাড়াখানি আরেকজনের জন্যে মনে করে দিয়ে দেওয়া, ভীষণ ছুঁয়ে গ্যাছে গো।
    এতো কিছু, এত কথা বলার আছে যে কিছুই বলা হচ্ছে না..

    কার কথা বলি আর কথা না বলি। ব্রতীন। জবসদস্ত মনোমালিন্য সত্বেও সঙ্গে বসে আমরা বই বিক্কিরি করেছি, কে জনে কত্তো কত্তো লোকের পেছনে লাইন দিয়ে, ভীড় ঠেলে চা-প্যাটি নিয়ে এসেছে, এ গুরু মহাত্ব ছাড়া আর কি!

    সুমিত ডাগদার, সেই কোথা থেকে কে জানে ওআরএস জোগাড় করে নিয়ে এসেছে, আর যে খাটুনি সে দিয়েছে নিজের কাজ কম্মো আর এর লিভার তাকে তো ওর লিভার এর পেটে বসিয়ে দিয়ে এসে, সে শুধু সেই জানে। সেই লিটিল ম্যাগ থেকে শুরু করে, এই বড় মেলা শুরু থেকে এক্কেবারে শেষ অব্দি!

    মিঠু।
    প্রায় প্রতিদিন টেবিলে বসে বই বিক্রি করেছে, আমরা তো ব্রেক নিই, এদিক ওদিক যাই, সে ঠায় বসে থেকেছে টেবিলে।

    মামু।
    পেটের ব্যথা, জ্বর, সব ধারে সরিয়ে রেখে রোজ হাইর হয়েছে, সঙ্গে থেকেছে সক্কলের, কে কোহায় মন খারাষের মতন না ঘুমিয়ে তালা-ছাবি খুলে টেবিল সাজিয়েছে, পুলিশকেও ধমকেছে!

    শমীক।
    দিল্লি থেকে য়াপিস কামাই দিয়ে চলে এসেছে শুধু এই মেলার জন্যে! ৫দিন শুধু টেবিল আঁকড়ে পড়ে থেকেছে, মেলা ঘরতেও যায়নি বোধ হয় একবারের জন্যেও।

    রঞ্জনদা, কল্লোলদা সেই কোথায় কত দূর থেকে চলে এসেছে গুরুর বইমেলা অভিযানে শামিল হতে!

    বম্বেপি?
    তার কথা আমি আর কী বলব। এমন মানুষ এই মেলায়, ১২দিন ধরে চলা মেলায় আর একজনও কী ছিল, যে শুধুমাত্র বইমেলার জন্যে আম্রিগা থেকে উড়ে চলে এসেছে? যে পরিমাণ মনোযোগ, পরিশ্রম, আর মানসিক চাপ সে নিয়ে এই কটা দিন কাটিয়ে গেছে, আমি তার খানিকতা আন্দাজ শুধু করতে পারি।

    কাবলিদা?
    শরীরের এই অবস্থায় যার বিছানায় শুয়ে থাকার কথা, সে প্রায় রোজদিন মেলায় এসেছে, বইয়ের বাক্স টানতে টানতে। এবং শুধু তাই নয়, প্রেস, হ্যানা ত্যানা না জানি আরও কত কি সে সামলেছে খোদা জানে।

    শ্রাবণী।
    সেও দিল্লি থেকেই আসে এই মেলায়। আর এসেই খানিক এদিক ওদিক করে গুরুর টেবিলে। সমানে বসে সিলিপ কাটে, কারও কিছু লাগবে কিনা, কিছু আনতে হবে কিনা সমানে জিগিয়ে যায়।

    কৌশিকদা।
    ইনি একজন নীরব সেবক। হৈ হট্টগোলে নেই, কিন্তু কাজগুলো করে যান নীরবে। সেই কোথায় প্রেস থেকে বই আনা, পার্কিং থেকে প্যাটরা প্যাটরা বই বয়ে নিয়ে আসা টেবিল অব্দি, টেবিল পাওয়ার জন্যে দৌড়-ঝাঁপ। এগুলো আমরা যেন না ভুলি।

    ইন্দোদাদা।
    এমনকি ইন্দোদাদাও বসে বই বিক্কিরি করে! রাত্তির। আপিসের পরের ভীড়ের বাস, বইমেলায় আসার হুজুগের ভীড় ঠেলে ঠেলে সে হাজির হয়েছে মেলায়, টেবিল আগলেছে, আর তারপর আবার সেই অস্বাভাবিক ভীড় ঠেলে বাড়ি ফিরে আপডেটও দিয়েছে অনাবাসী চণ্ডালদের জন্যে।

    রফিক, শংকর।
    এরা গুরু পড়ে না, কিন্তু গুরুর ঝান্ডা তুলে ধরার জন্যে এদের দুজন ছাড়া গতি নেই। একে তোলা, তাকে নামানো ইত্যাদি ছারাও বই-পত্র মেলায় পৌঁছে দেওয়া এবং ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া, এদের দুজনকে ছাড়া সম্ভবই ছিল না।

    আরও অনেকেই ছিলেন, আছেন, থাকবেন। সকলের নাম এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না, কিন্তু প্রত্যেকে, প্রত্যেকে যে আন্তরিকতার সঙ্গে গুরুর এই বইমেলা অভিযানে সঙ্গে থেকেছেন, পরিশ্রম দিয়েছেন, সময় দিয়েছেন, সে বলে শেষ করা যাবে না।

    কারও নাম বাদ পড়ে গেলে সে ইচ্ছাকৃত নয়, কেউ ভুল বুঝবেন না প্লিজ।

    সোমনাথ মানে তাতিন, সোমনাথ মানে ওমনাথ, টিম, যে যতটুকু সময় পেরেছে, নিজেদের মেলা ঘোরা, বই দেখা বিসর্জন দিয়ে গুরু-র সঙ্গে থেকেছে। যাঁরা পর্দার পেছনে ছিলেন, তাঁরাও সমানভাবেই উপস্থিত ছিল-ছিলেন আমাদের সঙ্গেই।

    হুতো-সুকন্যাকে খুব মিস করেছি। ইমরান আসতেই পারেনি সাহানা অসুস্থ বলে। আমরা জানতেই পারিনি যে সাহানা ৩দিন আইসিইউতে ছিল, সাত দিন হসপিটালে থেকে সে কাল বাড়ি ফিরেছে।

    ডিডিদাদা,
    এই মেলায় যাঁরা যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা অনুপস্থিত থেকেও ভীষণভাবেই উপস্থিত ছিলেন, তাদের প্রত্যেকে, প্রত্যেকেই আইকন।

    সুচেতনাকে ভুলি কি করে!
    একদিনের জন্যে মেলায় এসে তানা বসে টেবিল সামলেছে সে।

    সবাই এতখানি করে দিচ্ছেন বলেই তো গুরুকে লোকে হিংসে করে। নাকের ডগায় বসিয়ে পাহারা দেয়। অন্য একটি টেবিলে একটি বই কিনতে গেলে লোকে বলে, আরে, কেয়া বাত, গুরুর লোক আমাদের বই কিনতে এসেছে!!

    একটু সেন্টু হয়ে গেল কী! জাগগে..
  • s | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৭:৪৪502952
  • যাঁহারা দেখেন নাই, শোনেন নাই, তাঁহাদিগের জন্যে। ক্যামেরা করা বিষয়ক কোনো কথা দয়া করিয়া কেহ কহিবেন না, কারণ বিশেষজ্ঞ রায় দিয়াছেন যে আমার আর ক্যামেরা করাটা হয়ে উঠবে না। তা না হোক, সক্কলেই সক্কল কম্মো করবে এমন কথা কোথাও লেখা আছে নাকি!

    আপাতত এই, আরও আসিতেছে। বিএসএনএল যে গতিতে তুলিবে, আমিও সেই গতিতেই লিং দিব।



  • s | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৭:৫৪502953
  • অ, আরও এক পিস তো উঠে গেছে-
  • s | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১০:৫০502954
  • আরেক পিস-
  • maximin | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:২০502955
  • হ বুজসি, ছোট এস হইল সামরান।
  • kumu | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:২৮502956
  • ইনি ই ম্যামি,মচৎকার স্মার্ট চেহারা?(আমি ঐরকম চুল কাটব,কেউ এট্টু সাহস দিলেই)।

    আমি এনাকে তো প্রথম থেকেই দেকেচি,আর ভেবেচি জয়া মিত্র।আর সমানে ম্যামির ছবির জন্য ঘ্যানঘ্যান করেচি,সরি।এইবার সিকি সত্যি সত্যি রেগে যাবে।

    সিকি,আমি যেদিন গেছিলাম ঐদিন সামরান ছবি তুলছিল,তোমার ক্যামেরা ছিল না বোধহয়।

    সামরান,ঐ ঠান্ডা সিঙারা সুমেরুকে খাওয়াও নি আশা করি।তোমরা সকলেই তো খুব কাছের মানুষ,অনেক কিছু দিতে ইচ্ছে করে,কিন্তু পেরে উঠি না।
    শুধু সুমেরুকে একটু ভয় ভয় করে,কেন জানি না।সত্যের পথ ই:
  • kd | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:৩৬502958
  • ঠিক বলেছো কুমুদিদি। যা ঝাঁকড়া ঝাঁকড়া চুল! আমার ভুতো পর্যন্ত ভয়ে সিঁটকে থাকে।

    কিন্তু আমি সিঙ্গাড়া পেলুম না কেন? অন্য কেউ কি মেরে দিয়েছে?

    ডি: আমার ফ্রোজেন সিঙ্গাড়া, ফ্রোজেন পিৎজা আর নিউক্‌ড আইসক্রীম, স্পেশালি অরেঞ্জ-ভ্যানিলা খুব পছন্দের।
  • siki | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:৩৬502959
  • কাব্লিদাকে চক্রান্ত করে সেদিন আসতে দেওয়া হয় নি বইমেলায়।
  • kumu | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৫:১৪502960
  • কেডিদা,এবার হাতে সময় বড় কম ছিল গো।কিভাবে আধঘন্টার জন্য বইমেলা গেছিলাম তা আমরাই জানি।
    আপনি ঐদিন ছিলেন না,তাই দেখা হয় নি।পরে যখন যাব, দেখা করব।
    আর হ্যাঁ,গুরুর স্টলে,টেবিলের পেছনে ঢোকার রাস্তাটা সরু হওয়াতে ঢুকতে পার্লুম না।পরের বার এট্ট চওড়া করে দিলে,টেবিলে বসে সিলিপ কাটা ই: করতে পারি।
    অন্যদের বলে ক্ষ্যা,ক্ষ্যা হাসি শুনতে চাই না বলে আপনাকে বল্লুম।
  • vc | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৮:০৪502961
  • @ব্রতীন - হো হো আমি নই। আলপটকা allegation না আনাই ভালো।
  • Kaju | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২১:২৩502962
  • বোতিন্দা, আমার ধারণা ওটা 'ওপাড়ার ছেলে', চিমটি কাটেন সুযোগ পেলে। তুমি শুধু শুধু ভিজ্যায় চওহনবাউকে ** মারলে। তোমারেই না কাঞ্চা ঠাওরে বসে ! :))
  • pharida | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:৫৬502963
  • কলকাতা বইমেলার সময় বড় অস্থির কাটে আমার। মেলার মাঠে বেওয়ারিশ হ্যান্ডবিলের মতো মানুষের হাতে হাতে ঘুরে ঘুরে বেড়াই দুমড়ে মুচড়ে। কেউ কেউ তা ফেলে দেয় রাস্তায় মুঠো আলগা হলে – চেনা কারুর সঙ্গে দেখা হলে যেমন হয়। চপ সিঙাড়া খেয়ে হাত মোছে কেউ বা – আর তারপরে সেই হ্যান্ডবিল পড়ে থাকে মেলার মাঠে – হু হু হাওয়ায় এদিক ওদিক যায় – রাতে আলো নিভে গেলে শুয়ে পড়ে কোনো না কোনো স্টলের পাশে – রোজ রোজ ঝাঁটা দিয়ে বিদায় করা হয় তাকে আর সকাল হতেই ফের ফিরে আসে অন্য কারুর হাত ধরে।

    তার হাত ধরে ফের দেখাশোনা হতে থাকে। চেনা পরিচিতি হতে থাকে শব্দের গন্ধের স্বাদের। তাতে বুঁদ হয়ে ভেসে থাকা থাকে – চেনা হাতের স্পর্শ লেগে লাগে থাকে বহুক্ষণ। তার মুঠো আলগা হয়ে ফের ঘাসের মধ্যে, রাস্তার ধারে পড়ে থাকলেও সেই স্বপ্নগুলো ফিরে ফিরে বেজে চলে সারারাত – এইভাবে।

    এই কারণেই বোধ হয় সেই সময়ে কিছু পাতা ছেড়ে রাখা থাকে। সাদা। যাতে কোনো অক্ষর ভুল করে না পড়ে সেইখানে। শুধু থাকে রেখা নানা রঙে। সরু মোটা রেখা পড়ে, আলো ছায়া খেলে যায়, ভিজে গেলে মাঝে মাঝে দাগ থাকে গায়ে। ভাঁজ পড়ে এলোমেলো – ছিঁড়ে যায়। টুকরো টাকরা ছড়িয়ে পড়ে মাঠে মাঠে, মাঘের অকাল দক্ষিণ বাতাস এলে রবাহুতের মতো। সেইসব পাতা শুধু ছবি দেখে সেই উৎসবের। কেমন সাজ ছিল তোমাদের – কি কথা বলেছিলে সেই বিকেলবেলায়, কেমন হেসে উঠেছিলে অবান্তর কারণে তোমরা, বিষম খেয়েছ বুঝি একসাথে, তাতে আর ক্ষণিকের জন্য হলেও ভেবে উঠেছিলে কে যে এতো ভেবে যায় তোমাদের কথা। তখন সেই ছেড়ে রাখা নিরক্ষর পাতাগুলো রঙ চঙ মেখে নেচে গেল। জানালাম।

    সেই নিরক্ষর পাতার কথা লিখে রাখি – সে যেমনটি বলে যায় আমাকে। বারবার বলে লিখে নিতে। “কাজ আছে, এখন ব্যস্ত খুব – যাও” - বললেও চুপ থাকে সে। তাকিয়ে থাকে বড় বড় চোখে খুব – তাই লিখি – সেই পিচুটি ভরা চোখে যদি ফের আলো জ্বলে – লিখি –

    ঢাকির ছেলেটির উৎসব শুরু হয় বিজর পরে। বাবা বাড়ি এলে। ঝোলার ভেতর থেকে বের হয় মেলার রকমারি মুখোশ বাঁশি পুতুল হরেক রঙের। উত্তাল রঙ লাগে তাতে। গোল গোল চোখে ছেলেটির এটা এইহাতে নেয় – ওটা সেইহাতে। দুই হাত ভরে গেলে বাকিটুকু সব নিয়ে রাখে দুই চোখে। পুজোর এইকটা দিন সে তো কোনোমতে পার করে মাঠে মাঠে – রেলগাড়ি গেলে দিন গোণে কবে পুজো শেষ হবে – বাঁচা যাবে। ভাসানে সে মেতে ওঠে খুব। এই কারণেই।

    সেইদিন এলে সকাল সকাল ঘুম ভেঙে যায় তার। সারাদিন কাটে ঘর বার করে সারাক্ষণ। বিকের ট্রেন বুঝি লেট থাকে আজকাল এত। ক্ষেপে যায় ক্রমে ক্রমে। তারপর সন্ধে হলে চতুর্দশীর চাঁদ মেখে সেইসব অপার্থিব উৎসব নিয়ে ঝোলাখানি তার ঘরে আসে। সে ঘরে মাটির দেওয়াল ছিল ঝুরোঝুরো – ভেঙে পড়ে দ্রুত। ক্রমশ: ছেলেটি মেশে অনন্ত জ্যোৎস্নায় অবিরত।

    আর আমি তাতে মিশে যাই ক্রমে - দুই হাত ভরে গন্ধ নিই তার। খুঁজে পাতে দেখি সেই ঝুলি বারবার আরো কিছু রাখা আছে বুঝি। তারপর কথা শুনি – কত লোক এসেছিল সেইখানে। রাজার হাতি ঘোড়া এসেছিল বুঝি দলে দলে। গান হয়েছিল কবে কবে যেন সারারাত। আকাশের তারা নেমে এসেছিল দরজায় সুগন্ধি বিতরণ করেছিল সেইসব দিনে। ফিরে ফিরে সেইসব শুনি। ফের ঢাক বেজে ওঠে, কাঁসি বাজে সন্ধ্যারতি হয়। পাতা পড়ে সারি সারি – সবাই খেতে বসে পঙক্তিভোজনে। এরপরে নহব্‌ৎ শুরু হয় – যাত্রা আজকে হবে সারারাত। শহরের সেরা সব গাইয়ে বাজিয়ে আসে দলবেঁধে। ছেলেটি তখনো খুব উৎসাহে চেঁচামেচি করে বাগিয়েছে চটের এককোণে বসার জায়গা তার খুঁটিতে ঠেসান দিয়ে।

    জমে ওঠে পালা দ্রুত। ভিড় বাড়ে। বাড়ে চাপ। ক্ষণে ক্ষণে ক্ল্যাপ পড়ে সীন শেষে। ছেলেটি আরেক উৎসবে ঘুরে ঘুরে বেড়াতেই থাকে – ঘুমিয়ে কাদা হয়ে সেই ভরা উৎসবের মাঠে।
  • kumu | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:৪৭502964
  • মহাকবি !!!!!!!!!!!
  • Nina | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০২:৪৬502965
  • ফরিদা জাত কবি ! লেখাগুলো রেশমের মতন চিকন-চিকন পশমের মতন উষুম-কুসুম!
  • siki | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৯:১৫502966
  • আচ্ছা, এইখানেই অল্প করে জানিয়ে দিই। আমার ফোন ফর্ম্যাট করার ফলে বেশ কিছু ফোন্নং গায়েব হয়ে গেছে। এদিকে কে একজন যেন আমাকে কাল এমেমেস করে বইমেলার একটা ছবি পাঠিয়েছেন। কে সেটা বুঝতে পারছি না, যে-ই পাঠান, থ্যাংকু, শুধু নামটা দিলে আমি ফোনবুকে সেভ করে নিতে পারি।
  • kumu | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:১৮502967
  • আমি,আমি,অ সিকি,ঐটা আমি তো।আরো এট্টা আচে,তোমার পিঠ ও আধখানা পাই দেখা যাচ্চে।

    আমার নং মুছে গেছিল?
  • siki | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:২৬502969
  • প্রায় সমস্ত ফোন্নং। কীভাবে গেল কে জানে। সামান্য কিছু রয়ে গেছে, বাকি সব ভোগে। কেবল নামগুলো রয়ে গেছে।
  • kumu | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:৩৮502970
  • আরো দিদিকে নিয়ে মশকরা করো!
    ২৪x৭ জাগ্রত দেবী!
  • siki | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:৩৯502971
  • :(
  • ranjan roy | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৪:০৭502972
  • অয়নের দেয়া তথ্যের সমর্থনে একটু বলি:
    দিল্লির ট্রেনে, দক্ষিণের ট্রেনে বাথরুমের পাশে দাঁড়িয়ে সিগ্রেট খাওয়াও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেও তাই। কিন্তু কোলকাতায় বোধহয় সিগ্রেটপ্রেমীর সংখ্যা অনন্ত। তাই গীতাঞ্জলীতে আসতে আসতে ওড়িষ্যা অব্দি দেখলাম জনাকয় বাথরুমের পাশে খাচ্ছেন।
    তবে স্মোকিং রুমের ব্যবস্থা করলে কেমন হয়?
    বেডরুম বানালে বাথরুম বানাই না কি?:)))))
  • siki | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৪:৫৭502973
  • বাংলার বাইরে বাঙালির কিন্তু এটাও একটা আইডেন্টিটি। "বংগালিলোগ বহোত সুট্টে পীতে হ্যায়।'
  • siki | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৯:৪১502974
  • নিউ দিল্লি কালীবাড়ি প্রাঙ্গনে হতে চলেছে বাংলা বইমেলা। ১৪ থেকে উনিশে ফেব্রুয়ারি। দিল্লির বাংলা বইপ্রেমীরা চলে আসতে পারেন।

    বিস্তারিত:
  • aranya | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:৫৯502975
  • কল্লোল-দা লাইভ-গুলো রাত জেগে শুনছি, দেখছি - বড় ভাল লাগছে - থ্যাংকস সিকি, সামরান - মেনি থ্যাংকস।
  • kumu | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৬:৫৫502976
  • থাংকু সিকি,থাংকু।১৯ তারিখ যাবো।

    ওপরে যে একাংক নাট্য লেখা রয়েছে,সেটা কোথায় হচ্চে?
  • siki | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৭:৪৬502977
  • LTGauditorium.Kamani-rpashe.CopernicusMarg.
  • siki | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:৪১502978
  • আচ্ছা, দিল্লি বাংলা বইমেলার জন্য আপডেট। সমস্ত বই কলকাতা থেকে এসে গেছে। আজ বিকেলে আমি যাচ্ছি বইমেলায় বই দিতে।

    শনিবার আমার কিছু কাজ কম্মো আছে সকালের দিকে, সেরে বইমেলা পৌঁছতে পৌঁছতে বিকেল চারটে বাজবে। সেদিন বেলা সাড়ে বারোটা থেকে শুরু। দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত একজন করসেবা দেবার লোক চাই শনিবার। যে থাকবে তাকে আমি চা খাওয়াবো।

    কাল আর পরশু উইকডে, এমনিতে কেউই যাবার নেই, কিন্তু কেউ যদি একটু হেঁহেঁ করে আপিসকে টুপিটাপা পরিয়ে চলে যেতে পারো / পারেন, খুব উপকার হয়, গুরু এবং চণ্ডালদের।
  • siki | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২০:৫৬502981
  • জ্জয় গুরু। দিল্লি বইমেলায় আমরা স্টল পেতে চলেছি। নেহাত বসার লোক পাওয়া যাচ্ছে না বলে কাল থেকে স্টলে বসতে পারছি না।

    হ্যায় কোই দিল্লিবালা, যে কাল পরশু স্টলে বসতে পারবে(ন)? খুব উপকার হয় তা হলে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন