এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • ২০১৯ নির্বাচন ইত্যাদি

    pi
    নাটক | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬৫৭৬৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PM | ০৯ মে ২০১৯ ১৩:২১379425
  • গত ৪ দিনে রিলায়েন্স শেয়ার ১০ % কমেছে---- ৪ দিনে ১০ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৭০০০০কোটি টাকা হাওয়া বাজার থেকে
  • PT | ০৯ মে ২০১৯ ১৭:৩২379427
  • "ভীমের মতোই তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সংঘাত থেকেই গেরুয়া শিবির আঁকড়ে ধরেছেন গৌতম মাহাত, শান্তনু দে-রা। রাজ্য গোয়েন্দা দফতরের খাতায় যাঁদের পরিচয় মাওবাদী সংগঠক হিসাবে।.........জঙ্গলমহলের শালবনের আঁকেবাঁকে ভেসে বেড়ায় ভীমের কথার রেশ, ‘‘বিজেপি তো পরোক্ষ। লড়াইটা করে খাওয়াদের বিরুদ্ধে। ওদের ঔদ্ধত্যের বিরুদ্ধে।” আর তাই শ্যামলের মতো তৃণমূলের নেতাদের ভরসা সেই লাল পতাকা, ‘‘সিপিএমের পুরনো লোকজন অনেক দিন পর মিছিলে মিটিঙে যাচ্ছে। আমাদের পক্ষে শুভ লক্ষণ।”"
    https://www.anandabazar.com/state/lok-sabha-election-2019-left-may-decide-the-fate-of-tmc-in-jangalmahal-dgtlx-1.990252
  • dc | ০৯ মে ২০১৯ ১৯:২৮379428
  • "২০০৮-এ এলাকায় সিপিএম নেতাদের ঔদ্ধত্য-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেই অস্ত্র ধরেছিলাম। এখন সেই অত্যাচার আর দুর্নীতির জন্য আমি তৃণমূলের বিরুদ্ধে"

    অ্যাঁ সেকি, সেই স্বপ্নের রাম রাজ্যে সিপিএম নেতারা অত্যাচারও করতো নাকি? এটা নিউজ না ভিউজ?
  • রঞ্জন | ০৯ মে ২০১৯ ২০:০৮379429
  • ১) ইউপিএ জমানা অব্দি জিডিপি আকলন করা হত রিজার্ভ ব্যাংকের দেওয়া ডেটার ভিত্তিতে, সেই উপভোগ বা আয় পদ্ধতি ধরে, ডাবল কাউন্টিং বাদ দিয়ে রপ্তানি আমদানি ফারাকটা জুড়ে।
    বিমুদ্রাকরণের পর জিডিপি বাড়িয়ে দেখাতে এরা আমদানি করল নতুন মাপকাঠি-- এম সি এ--২১ পদ্ধতি যা মিনিস্ট্রি অফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স এর অধীন। এতে উৎপাদন এর সর্বস্তরে যা ভ্যালু অ্যাড হচ্ছে তা যোগ করা হয়। যেমন আকরিক লোহা, ইস্পাত, ইস্পাতের তৈরি মেশিন ইত্যাদি।
    এতে ওয়েটেজ বেশি হয় ম্যানুফ্যাকচারিং কম্পোনেন্টে। ইউরোপের উন্নত শিল্পপ্রধান দেশগুলো সম্ভবতঃ এই পদ্ধতিতেই কাজ করে।
    তাতে দেখা গেল জিডিপি বেড়েছে, উদ্বাহু নৃত্য!
    কিন্তু একই পদ্ধতি ইউপিএ ইকনমিতে ব্যবহার করে দেখা গেল মনমোহন সিং জমানায় জিডিপি ডাবল ডিজিট দেখাচ্ছে। কী আপদ!
    ২) কিন্তু এখন সরকারেরই এন এস এস ও জানাচ্ছে যে ওই পদ্ধতিতে যেসব কোম্পানির ভ্যালু যোগ করা হয়েছিল তাদের ৩৩% হয় রিটার্ন ফাইল করে নি, অথবা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ; শেল কোম্পানি, কী কাজ করে স্পষ্ট নয়।
    ৩) আই এম এফ এর চিফ ইকনমিস্ট গীতা গোপীনাথ ( যাঁকে কেরালার বিজয়ন আর্থিক উপদেষ্টানিযুক্ত করেছিলেন) বলছেন ভারতের জিডিপি নিয়ে সমস্যা আছে। উনি কিছু খোঁজ খবর করছেন।
    অথচ বিত্তমন্ত্রী ক'মাস আগে বাজেট বক্তৃতায় বলেছিলেন -- আই এম এফ সবচেয়ে অথেন্টিক ডেটা। ওরা যখন বলছে ভারতে গ্রোথ এত তো--।
    হরি হে, তুমিই সত্য!
  • sm | ০৯ মে ২০১৯ ২০:১০379430
  • তাহলে কি পরিবর্তন হলো?পিটির উত্তর।
    কোশ্চেন কমন পড়েছে
  • sm | ০৯ মে ২০১৯ ২০:৩০379432
  • এটি সরকারের উপদেষ্টার মতা মত!ভারী আশ্চর্য্য!
  • PT | ০৯ মে ২০১৯ ২২:৫৯379433
  • এমন দিন যে আসবে সেকি ভাবা গেছিল? পিটি-র হয়ে উত্তর দিচ্ছেন এসেম!!!!
  • lcm | ০৯ মে ২০১৯ ২৩:১০379435
  • কিরকম দিন, এইরকম ?

    When Red Takes On A Shade Of Saffron
    CPM Cadres Silently Help BJP In Fight Against Didi

    5/9/2019 The Times Of India - Kolkata eEdition

    BJP, which is putting up a spirited fight in West Bengal and is expected to raise its vote share substantially, has found an unlikely ally in the Left with CPM cadres silently helping it at the ground level. The common object of hate for the two sides, otherwise sworn enemies, is Mamata Banerjee’s Trinamool Congress.

    Unlike its formidable organisational machinery in the heartland states, BJP lacks muscle in these parts and is a much smaller force compared to TMC or even the emasculated Congress and Left. The party’s poll managers readily admit that they are banking on help from “unexpected quarters” — ground level CPM workers. These foot soldiers, squirming at the ruling regime’s harassment and growing might, would love nothing more than giving a bloody nose to Banerjee, even if it means joining hands with the growing saffronites.

    ...
    https://epaper.timesgroup.com/Olive/ODN/TimesOfIndia/shared/ShowArticle.aspx?doc=TOIKM%2F2019%2F05%2F09&entity=Ar01201&sk=6A56CF96&mode=text
  • রঞ্জন | ০৯ মে ২০১৯ ২৩:২৪379436
  • "The CPM politburo member’s message to the party while campaigning in Bengal on Tuesday was, “Don’t make the mistake of choosing BJP to save yourselves from Trinamool Congress. Look at Tripura. In just 14 months, what they have done in Tripura is far beyond TMC’s terror. Do not invite them in. It will be terrible blunder. It will be a suicidal decision.”
    -- এই কথা কমঃ মানিক বলে গেছেন?

    সখি, মন মানে না !
  • PT | ০৯ মে ২০১৯ ২৩:৩৫379437
  • "যে আসে আসুক, সিপিএম যাক " স্লোগানের মধ্যে তো "বিজেপি আসে আসুক"-ও প্রচ্ছন্ন ছিল। এখন হঠাৎ "আঁশ ছোব না/কাশী যাব" অবস্থান কেন?
  • lcm | ০৯ মে ২০১৯ ২৩:৫৯379438
  • এই রিপোর্ট অনুযায়ী, সিপিএম ভোটাররা তো এমন 'আঁশ ছোব না..." অবস্থান নেয় নি, মোটামুটি নির্দ্বিধায় বিজেপি-কে সাপোর্ট করবে বলছে। আর, অপশনও তো নেই।
  • Amit | ১০ মে ২০১৯ ০৩:৫১379439
  • এটা মনে করি 2011 তে বুদ্ধদেব এর সরকার কে সরানো ভুল। কিন্তু এটাও মনে করি এই মুহূর্তে ২০১৯- এ দাঁড়িয়ে পাখির চোখ হওয়া দরকার কি ভাবে মোদিকে সরানো যায়। সব ভুল এক সাথে শোধরানো যাবে এই আশা করি না।

    ঘরে আগুন লাগলে তখন কে আগে তেল জমিয়েছে বা ঢেলেছে, কারা কারা সেই তেল ঢালতে সাহায্য করেছে, তার জন্য ক্ষমা কবে চাইবে, সেই হিসেবে না করে আগে আগুন টা নেভাই, তারপর কার দোষ সে হিসেব করা যাবে। মোদী দিদি কে কবে এক সাথে সরানো যাবে, সেই আশায় বসে থাকলে পুরো ঘরটাই পুড়ে ছাই হবে।
  • সত্যি? | ১০ মে ২০১৯ ০৮:১৭379440
  • The silent slogan CPM workers have coined, ‘Unishey half, Ekushey saaf’ (Half in ’19 and saaf in ’21),
  • PT | ১০ মে ২০১৯ ০৮:২৪379441
  • হিসেবটা খুব সহজ।
    যখন তিনোরা ক্ষমতায় ছিল না তখন পব-তে বিজেপিও ছিল না। আর ত্রিপুরাতে কংএর লোকেরা তিনোর হাত ধরে বিজেপিতে ঢুকেছে। তিনোরা শক্তিশালী থাকলে কিছুদিন বাদেই দুষ্টু বিজেপি/মিষ্টি বিজেপি নিয়ে খেলা শুরু হবে। অন্ততঃ পব-তে বিজেপির শক্তিক্ষয় করাতে হলে তিনোর পতন দরকার। বামেরা কখনো হনুমানের লেজের দৈর্ঘ্য নিয়ে বিজেপির সাঙ্গে লড়তে পারবে না। কিন্তু রাজনৈতিক ভাবে লড়তে পারবে। আর পব-তে যদি বামেদের উত্থান না হয় তাহলে মধ্যপ্রদেশ কিংবা ইউপিতে কত পার্সেন্ট বাম ভোট আছে তাই নিয়ে তাত্বিক কচকচি করার কোন মানে হয়না। ওসব জায়গায় কং কিংবা বহেনজী বিজেপিকে ঠেকাবে নিজেদের সারভাইভালের জন্য।
  • Amit | ১০ মে ২০১৯ ০৮:২৮379442
  • এই মুহূর্তে পব তে বিজেপিকে ঠেকানোর ক্ষমতা একা বামেদের নেই। আমার নিজের খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি। তাই দিদি র দল যদি আজকে এদের যেকোনো ভাবে ঠেকাতে পারে, সেটা হোক। আজকে বাঁচলে কালকে লড়া যাবে।
  • lcm | ১০ মে ২০১৯ ০৮:৩৭379443
  • প্রায় ৫০ বছর ধরে (৬০-এর দশকের শেষ থেকে মোটামুটি) পশ্চিমবঙ্গে মূলধারার পলিটিক্স ছিল - বাম ভার্সেস কংগ্রেস(/তৃণমূল কং)।
    এখন সেটা যদি শিফট হয়ে - বিজেপি ভার্সেস কংগ্রেস(/তৃণমূল কং) এর দিকে এগোয়, তাহলে একসময় বাম-তৃণমূল-কংগ্রেস একটা ন্যাচারাল এলাইনমেন্ট হবে।
  • PT | ১০ মে ২০১৯ ০৮:৪৩379444
  • তিনোরা যে বিজেপিকে সত্যি আটকাতে (পুরোপুরি) চাইছে তেমন ভাবার কোন কারণ আছে? তিনোর ক্ষমতায় থাকাটা নির্ভর করছে বিরোধী ভোট ভাগ হওয়ার ওপরে। আগেও লিখেছি-আবার লিখি। তিনোরা সব সময়েই চাইবে যে বিজেপি ২০%-এর ধারে কাছে ভোট পেয়ে বিরোধী ভোট ভাগ করুক। নাহলে সেটা হয় কং অথবা বামেদের পক্ষে যাবে। এখন লড়াইটা চলছে দুই ব্যক্তির মধ্যে-কোন আদর্শের সংঘাত নেই।
    এবারের মত বাঁচলেও পরের বিধানসভা নির্বাচনে তিনোর আবার বিজেপিকে প্রয়োজন হবে। আর কিছু করার না থাকলে শুধু প্রার্থনাই করতে পারি যে দুটো শয়তানেরই শক্তিক্ষয় হোক।
  • lcm | ১০ মে ২০১৯ ০৮:৪৬379446
  • তবে এই এলাইনমেন্ট এখন হওয়া মুশকিল। কারণ এখন অ্যাডভান্টেজ তৃণমূল - মানে ভোট তিন ভাগ হলে তৃণমূলের অ্যাডভান্টেজ। বামেরা ২০%, বিজেপি ২০% পেলে( বা ২৫, ১৫), তৃণমূলের ৩০% ভোট পেলেই চলবে।
  • lcm | ১০ মে ২০১৯ ০৮:৪৮379447
  • রাইট। সেটাই বলছিলাম।
  • sm | ১০ মে ২০১৯ ০৮:৫২379449
  • পব তে তিনোরা বিজেপি কে ঠেকাবে আর বামেরা দলে দলে পদ্মে ছাপ দেবে;এই তো সল্যুশন!ভেরি ইজি।জলবৎ তরলম।
    যাইহোক,দুতিনটে লিডার জাতীয় স্তরে সক্রিয় বিজেপি বিরোধিতা করছেন।মমতা,তাঁদের একজন।
    বিজেপির পতনের জন্য ওঁদের পার্টির মধ্যেও ভাঙন দরকার।সুতরাং দুস্টু ও মিষ্টি বিজেপি ও স্ট্র্যাটেজির অঙ্গ।
    মোদি ও অমিত শাহ জুটি এবার ইলেকশনে 200 খানেক সিট জিততে পারলেও,বিরোধী দের অবস্থা করুন হয়ে যাবে।
  • PT | ১০ মে ২০১৯ ০৮:৫২379448
  • বিজেপিকে বাঁচিয়ে রাখা তিনোর একমাত্র বাঁচার রাস্তা। এটা পড়ুনঃ

    "সুব্রত মনেপ্রাণে চাইছেন, দুই প্রতিপক্ষই ভাল সংখ্যায় ভোট পান। অকপটে বলছেনও তা মাঝেমধ্যে। বলছেন প্রচারাভিযানে তৃণমূল প্রার্থীর সর্বক্ষণের সঙ্গীরাও। বিরোধী ভোটে এই আড়াআড়ি বিভাজনের সম্ভাবনাই তো আরও চওড়া করে দিচ্ছে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের দিল্লি পৌঁছনোর রাস্তা।"
    https://www.anandabazar.com/state/lok-sabha-election-2019-opposition-vote-share-to-split-subrata-feels-safe-in-bankura-dgtlx-1.990269
  • lcm | ১০ মে ২০১৯ ০৯:০০379450
  • বামেদের একঝাঁক (পার্টি মেম্বার এবং ভোটার) গত ৭-৮ বছর ধরে তৃণমূলে বেরিয়ে গেছে। এখন কিছু ভোটার শিফট করেছে বিজেপি-তে।
    তৃণমূল-এর বিক্ষুব্ধ পার্টি মেম্বার-নেতাদের ফার্স্ট চয়েস বিজেপি।
    তৃণমূল-এর ওপর ক্ষুব্ধ ভোটাররা কোন দিকে যাবেন - বিজেপি বা বাম - যদি দুদিকেই ভেঙে যায় এদের সাপোর্ট তাহলে তৃণমূলের অ্যাডভান্টেজ।
  • sm | ১০ মে ২০১৯ ০৯:০৪379451
  • lcm এর 8.46 এর পোস্টের মানে বুঝলাম না।
    বাম 20 পার্সেন্ট,বিজেপি 20 আর তিনো 30 পার্সেন্ট হলেই চলবে!এর মানে?
    বাকি 30 পার্সেন্ট ভোট কে পাবে?
    বাকি রয়েছে কংগ্রেস,নির্দল ও নোটা।তারা চেষ্টা করলেও 10 পারসেন্ট এর বেশি পাবে না। বাকি 20 পার্সেন্ট?
    অঙ্ক অতো সহজ দাদা?
    বিজেপি নিজের ভোট যদি 20 পার্সেন্ট হয়,তো বামেরা আরো 10 পার্সেন্ট উপহার দেবে।কংগ্রেস ও কিছু দেবে।তখন নেক টু নেক ফাইট হবে।যেটা বামেরা চাইছে অন্তর থেকে।
    কিন্তু,একটা বিরাট' কিন্তু' আছে।
    বিজেপি যতই মুখে বার ফাটটাই করুক।পব তে গ্রাস রুট লেভেলে সংগঠন নেই।অন্তত গ্রামাঞ্চলে।যেটা কিছু হলেও বামেদের আছে।
    সুতরাং পব তে বিজেপি ভালো ফল করলে,বামেদের বিরাট ভূমিকা থাকবে বৈ কি।
    তবে সব মিলিয়েও বিজেপি বিশেষ কিছু করতে পারবে না।
    আমার অনুমান তৃণমূল 35 এর বেশি সিট জিতবে।
  • PM | ১০ মে ২০১৯ ০৯:২১379453
  • বামেদের সরানো ভুল নয়। ৩৪ বছর কারুর ই ক্ষমতায় থাকা উচিত নয়--- নিরনিছিন্ন ভাবে--- কিন্তু ঐ যে কোনো মুল্যে সরাতে হবে-- তার জন্যে একদিকে মাও বাদি দের হাত ধরব, অন্য়্দিকে বিজেপির হাত ধরব---পুরুলিয়ায় শয়ে শয়ে বাম কর্মীদের লাশ পড়লেও অন্য দিকে তাকিয়ে থাকবো তত্ত্ব কথা আউরে---সরকারে যে খুশী আসুক টাইপ অবস্থান নেবো----সমস্যা এইসব নিয়ে। অতীতের পয়েন্ট গুলো গ্রাফ এ ফেলে এক্স্ট্রাপোলেট করলে আজকের দিনগুলই পাবেন। আন্য কিছু হবার ই ছিলো না
  • lcm | ১০ মে ২০১৯ ০৯:২১379452
  • না বলছিলাম যে -- বাম ২০, বিজেপি ২০ হলে তৃণমূলের ৩০ হলেই চলবে, ৪০ বা ৫০ এর দরকার নেই, তবে বেশি হলেও চলবে। ভোট ভাগাভাগির খেলা আর কি।
  • dc | ১০ মে ২০১৯ ০৯:২৭379454
  • "বিজেপি নিজের ভোট যদি ২০ পার্সেন্ট হয়,তো বামেরা আরো ১০ পার্সেন্ট উপহার দেবে।কংগ্রেস ও কিছু দেবে।তখন নেক টু নেক ফাইট হবে।যেটা বামেরা চাইছে অন্তর থেকে।"

    বলেন কি! এতো সব কঠিন তত্ব আলোচনা, এতো পাট্টি ক্লাস, এতো বুজি, এতো সিআইয়ে, সব শেষে কিনা বামেরা ভোট দিচ্ছে বিজেপিকে! হে রাম!
  • sm | ১০ মে ২০১৯ ০৯:৩৫379455
  • বামেদের আমলে রাজনৈতিক খুনোখুনি প্রচন্ড রকম বিদ্যমান ছিলো।
    মাওবাদী বাড়বাড়ন্ত কাগজের হেডিং জুড়ে থাকতো।জঙ্গলমহল তো প্রায় রেগুলারই খবরের শীর্ষস্থান দখল করে থাকতো।
    তৃণমূল আসার পর এই প্রবণতা কমেছে।
    দার্জিলিং এর গন্ডগোল ও কমেছে।
    যে ভাবেই হোক,এই দুই অস্থিরতা কমাতে তৃণমূল সরকার দক্ষতা দেখিয়েছে।উন্নয়ন ও ভালোই হয়েছে।সে,যেকোন দিক থেকে স্ট্যাটিস্স্টিক্স দেখলেই বোঝা যাবে।
    হ্যাঁ, খামতি আছে।তা হলো,পার্টির মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব বেড়েছে,সিন্ডিকেট বাজি বেড়েছে।বিরোধীদের রাজনৈতিক স্পেস একটু হলেও কমেছে।
    এগুলো কে রুখতেই হবে।শক্ত হাতে।নয়তো,বিজেপির মতো সংগবদ্ধ পার্টি,আজ না হয় কাল জায়গা দখল করবেই।
  • জনৈক | ১০ মে ২০১৯ ০৯:৩৭379458
  • *Md. Salim's rebuttal*

    *Media Falsehoods Generate Sense of Pessimism*

    In The Times of India, Kolkata edition, dated 9th May, 2019, a story headlined, 'When Red takes on a shade of saffron', with a subhead, 'CPM cadres silently help BJP in fight against Didi', by one Mohua Chatterjee, contains a series of pernicious lies about the Communist Party of India-Marxist, its members and supporters. The writer seeks to present shocking falsehoods about the CPIM, in a manner, that may even harm the social harmony of West Bengal in the short run.

    Ms Chatterjee's claim that 'CPIM workers are helping BJP manage booths', during the ongoing elections, does not follow basic journalistic norms. There is no quote of any CPIM cadre or polling agent, not even an anonymous one, nor has any effort been made to get the party's version. The entire report is based on statements by an unknown BJP member, which may well be a figment of the writer's imagination.

    The fact of the matter is, CPIM cadres have put their lives at stake, trying to ensure that all citizens are able to cast their own votes. As foot soldiers of democracy, CPIM polling agents have been attacked by Trinamul goons, even after voting was over. Countless first hand reports, in the form of videos, photographs and texts are available on social media, which prove how upbeat CPIM cadres fought ferociously to protect their booths. These examples have been verified by ToI's sister publication, Ei Samay, as well.

    It is well known to the politically conscious voters of West Bengal that The Times of India, along with other publications, receives advertisements worth lakhs, if not crores, from parties like Bharatiya Janata Party and Trinamul Congress. There is also great public anger over BJP government at the Centre and TMC government in West Bengal using crores in tax-payer money to put out advertisements with media publications. The impact of this financial exchange often shows up as a quid pro quo arrangement, which is becoming clear to readers, viewers and voters of West Bengal.

    Over the past few months, serious issues involving the youth have either been censored or grossly underplayed - be it the month-long SSC aspiring teachers' hungerstrike; or the serious scam involving salaries of computer teachers, who faced extreme police brutality for daring to protest.
    Even the shocking 'shadow ban' of a film 'Bhobishyoter Bhooth' was not taken up seriously by media houses in Kolkata, for fear of provoking the wrath of Chief Minister Mamata Bandyopadhyay.

    The people of West Bengal are deeply alarmed at the prevailing political situation in the state. They are exhausted by the corruption and violence of Trinamul Congress, where even journalists are facing brutal attacks, with no hope of getting justice.

    In this eco-system, saturated with conflict, the BJP is trying to create social disharmony and trigger even more violence.

    This is an unprecedented era of crisis for West Bengal. The media must rise to the occasion and play a responsible and honest role, by exposing the perpetrators of corruption, violence and communalism.

    Instead of this, the media has created false narratives by constantly projecting a mock fight between BJP and TMC, and writing scurrilous lies about the Communist Party of India-Marxist. This is nothing short of harakiri.

    For the sake of the people of West Bengal, we urge the journalist community to show professional integrity and desist from filing inaccurate, false reports that create a negative environment and generate pessimism and hopelessness.

    We also appeal to the media to highlight positive alternatives, give adequate space to optimistic politics and bring some hope and solace to the beleaguered people of West Bengal.

    9th May, 2019
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন