এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৬৭৯৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | 113.*.*.* | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ১৮:৩৯664585
  • দুদিন আগে মজার অভিজ্ঞতা হলো। একটা প্রডাক্ট শুট নিয়ে কথা বলতে পীনিয়া ইন্ডাস্ট্রীআল এস্টেট এ গেসলুম। তুমকুর হাইওযের ধারে, এই ব্যাঙ্গালোর এই। ফেজ এর পর ফেজ জুড়ে মূলত এমএসাই দের কারখানা। আমার কাজের ব্যাপারে না ঘুরলেও চলত, তাও মেশিন্পত্তরে আগ্রহ আছে বলে যেখানে গেছি সেই কারখানা মালিক নিজেই ঘুরে দেখালেন। ইউএস -ইউরোপ এ মাল পাঠাচ্ছেন। মূলত হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রডাক্ট। স্টেডি বিসনেস। টারবাইন ব্লেড এর ডিসাইন বুঝতে বুঝতে সময় কেটে গ্যালো।

    কদিন আগে শুন্ছিলুম না পশ্চিমবঙ্গে এমেসাই ফেটে পরেছে ? লিং ফিং কতকিছু। তা সেগুলো কোথায় ? কেও ঠিকানা দিতে পারেন ? তারা কিরকম প্রডাক্ট এক্সপোর্ট করে ? তাদের ওয়েবসাইট ? প্ল্যান্ট ? কলকাতা গেলে দেখা যায় ? কলকাতায় উপকন্ঠে আমার নিজের পরিচিত কিছু এমেসাই ইউনিট আছে। তাদের কী হার্দ্শিপ এর মধ্যে দিয়ে কাটছে তাও জানি। সে কথা থাক, যাঁরা মাঝে মাঝেই "আইটি ছাড়া কী কিছু হয়না, বৃহত শিল্প ছাড়া কিছু কী নেই " বলে বক্তৃতা দেন .......তাঁরা মাঝারি শিল্প ইউনিট এইমুহুর্তে কটা সাকসেসফুলি রান করছে পব তে এবং তাদের লাভ দরকার নেই, মর্চেন্দাইস ভ্যালু কতটা সেইটুকু বলতে পারবেন ? মানে চোখে দ্যাখা যায় এরকম ইন্দাস্ত্রিয়াল এস্টেট কোথায় ? এরা কাকে ঠকাচ্ছে এরা নিজেই জানেনা।
  • ranjan roy | 132.*.*.* | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ১৮:৪০664586
  • ব্রতীন,
    খুব হিংসে হচ্ছে। আমার পূজোর ভিড় সহ্য হয় না। ঘরে বসে বই পড়ি। কেউ আসলে আড্ডা দিই। পূজোর সময় তোমার সাংগঠনিক প্রতিভায় পিটি/পিএম এর সঙ্গে ঠেক! দারুণ হবে বুঝতে পারছি।
    কিন্তু আমার কোলকাতা আসা হবে নভেম্বরের শেষে। ডিসেম্বরের গোড়ায় কোন ঠেক হলে জানিও, সবচেয়ে আগে হাজির হব।
  • | 213.*.*.* | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ১৮:৪৪664587
  • আরে পিটি দা, গ্রেট তো। তার মানে তুমি পাল পাড়ায় ওখানে যাও মনে হচ্ছে। ও ই খান থেকে আমার বাড়ি ওয়াকিং ডিসট্যান্স। এবারে এলে অবশ্য ই আমাকে কলিও। আমার বাড়ি আসতেই হবে।

    আমার নতুন নাম্বারঃ ( এটা তোমার কাছে নেই মনে হচ্ছে!!)
    নয় -আট- সাত-চার -এক-পাঁচ-নয়-তিন-আট-ছয়।
  • | 213.*.*.* | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ১৮:৫২664588
  • ওহো রঞ্জন দা। ঃ((

    নিশ্চয় ই নিশ্চয় ই।তোমাকে আপডেট করবো।
  • lcm | 118.*.*.* | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ২১:০১664589
  • অটোমেশন, ম্যানুফ্যাক্চারিং-এর লেবার মার্কেট ইজ শ্রিংকিং। অবশ্য আদ্যিকালের কিছু কোম্পানী আছে এখনও ম্যানুয়াল লেবার দিয়েই চালাচ্ছে, মেশিনের চেয়ে শস্তা হয় কিছু ক্ষেত্রে, তবে রোবট/মেশিন অটোমেশন আনতে বাধ্য হবে একটু কম্পিটিশনে শুরু হলেই।

    সুইডেন দিনে ৬ ঘন্টা কাজের বিল পাশ করছে।
  • | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ২২:০৯664590
  • শ্রীজাত'র পোস্টটা এখানে তুলে রাখি
    ===========================

    "বেহালা বাজানো লোকটা

    অনেকগুলো প্রশ্ন নিয়ে উঠে এসেছে বিধান নগর। তাদের উত্তর খোঁজার চেষ্টায় অনেকের লেখা আমরা পড়ছি, বক্তব্য শুনছি। যদিও এ সবই রোগের উপসর্গমাত্র। আদত সংকটকে আয়ত্তে আনতে হলে সরকার আর প্রশাসনকে কড়া হাতে পদক্ষেপ নিতেই হবে। তবে পুরভোটে লাগামছাড়া যে-হিংসা নিয়ে আপাতত পর্যালোচনা চলছে, তার একটু দূরেই কিন্তু ঘনিয়ে উঠছে আরও ঠান্ডা ও হিংসাত্মক মেঘ। সেই নিয়ে কিছু কথা বলবার আছে বলেই এই লেখা।
    এই মুহূর্তের উত্তাল পরিস্থিতির আঁচের থেকে একটু দূরে বসে কেউ কেউ বলছেন, আহা, এতে বিচলিত হবার কী আছে? মারপিট ছাড়া কবেই বা ভোট হয়েছে? এর আগে যত ভোট হয়েছে রাজ্যে, সব কি দারুণ শান্তিপূর্ণ ছিল? সিপিএম মারত না? তারা বাইরে থেকে লোক এনে পেটাত না? তাদের আমলে হিংসার চূড়ান্ত রূপ আমরা দেখিনি? তাহলে? হঠাৎ কোথাকার কোন বিধান নগরে কিছু ননীর পুতুলের গায়ে হাত পড়েছে বলে এত কান্নাকাটির কী আছে? এসব হয়েই থাকে।
    এখন মুশকিল হচ্ছে, ভেতরকার কথাগুলো মিথ্যে নয় আদৌ। আমার বয়েস চল্লিশ হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে শান্তিপূর্ণ ভোট মনে করতে পারি না। সত্যিই তো। এর আগের শাসক দল কি হিংসার হাতিয়ার ব্যবহার করেননি? একশোবার করেছেন। সত্যিই তো। তখন কি বহিরাগত ডেকে এনে ভোট ‘করানো’ হয়নি? হয়েছে, সত্যিই তো। বাক্যের মধ্যে গুঁজে দেওয়া উদাহরণগুলো মিথ্যে নয়। কিন্তু তার আড়ালে শানানো যুক্তিখানা ভারী বিপজ্জনক। আগে যখন হয়েছে, এখনও চলুক। যুক্তিখানা শুনতে ভারী গা-গরম-করা হলেও আদতে অক্ষম ও নির্লজ্জ।
    এই যুক্তি মেনে নিলে আমরা ইতিহাসে পিছিয়ে যেতে পারি বহু দূর। সিপিএম তো চোখে দেখা। ৭৭-এর আগে কংগ্রেস মারেনি? সেই ইতিহাস এখনও মনে থাকবে অনেকের। কংগ্রেস ছেড়ে দিলাম। তার আগে ব্রিটিশরা মারেনি? পিটিয়ে ছাল তুলে নিয়েছে। ব্রিটিশ বাদ দিন। তার আগে মুঘলরা মারেনি? সেসব হিংসার বর্ণনা পড়লে এখনও রাতে ভাত খাওয়া যায় না। এইভাবে পিছিয়ে যেতে থাকলে আমরা দেখব, শাসনক্ষমতা যখন যার হাতে এসেছে, ক্ষমতায় থাকার মরিয়া লড়াইয়ে সে বাকিদের দেদার মেরেছে। কিন্তু আগেকার মারগুলোর কথা মনে করে যদি এখনকার মারগুলোয় বিচলিত না হয়ে বাড়িতে বসে শ্যামাসংগীত শুনি, বা রবীন্দ্রসংগীতের গায়নভঙ্গি নিয়ে চটুল বক্তৃতা করি, সে কি খুব কাজের কথা হবে?
    এইসব মোলায়েম ও সেয়ানা সন্ত্রাসবাদী যুক্তি যারা ছড়াচ্ছেন, তাঁরা অবশ্য মুঘল অব্দি যাননি, কিংবা সিপিএম-এর আগের শাসকদের ক্ষমাঘেন্না করে দিয়েছেন। তাঁদের মূল যুক্তি, সিপিএম মেরেছে, তৃণমূলও মারবে। বেশ করবে।
    বেশ, তাহলে সিপিএম-এর মারের প্রসঙ্গে আসি একবারটি। বেশিদিন আগেকার ঘটনা নয়, অনেকেরই মনে থাকবে, নন্দীগ্রাম-পরবর্তী পর্যায়ের কথা। ২০০৯-এ আমরা যখন হিংসার বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলাম (তখন অবশ্য জানি না যে, আমাদের মধ্যে অনেকেই আগামী শাসকদলে নাম লেখাবেন) তখন নাগরিক সমাজের ঐক্য ও জোর তৎকালীন শাসকদলকে বুঝে নিতে হয়েছিল। সুতরাং, হিংসাকে আমরা শেষমেশ মুখ বুজে মেনে নিইনি। অতএব, ঐকিক নিয়ম অনুসারে বলা যায়, এখনও নেব না। বিচলিত হব, বেশ করব। আজ যা পুরভোটের আঞ্চলিক হিংসায় সীমাবদ্ধ, কাল বিধানসভা নির্বাচনে সেটা সামগ্রিক ও আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে না, এই প্রতিশ্রুতি কেউ দিতে পারছেন কি? পারছেন যখন না, তখন হাজারবার বিচলিত হব। রাজ্যের সাধারণ নাগরিক হিসেবে সেই অধিকার আমাদের আছে।
    অনেকে আবার সাধারণ নাগরিক না। এমপি বা শিল্পী (প্রাক্তন)। বা হয়তো দুটোই একাধারে। তাঁদের ব্যাপার ও কোটা আলাদা। তাঁদের মধ্যেই কোনও এক দিগ্বিদিকজ্ঞানশূন্য, ২০১১-র সেই নাগরিক মহামিছিলের মঞ্চ থেকে ‘ধরে ধরে সিপিএম খুন’ করার অভূতপূর্ব হঠকারী নিদান দিয়ে হাঁক পেড়েছিলেন। তখনই বুঝেছিলাম, এ রাজ্যে কিছু হবে না। কারণ যাঁদের আমরা মাথায় বসিয়ে রাখি অনেক সময়ে, তাঁদের মাথায় আসলে খেলা করে ব্যক্তিগত হিংসার সমীকরণ। আর সেইসঙ্গে তাল বুঝে নিজের আখের গুছিয়ে নেবার দূরদর্শিতা। এক হিংসার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা তাই অনায়াসে আরেক ভয়াবহ সন্ত্রাসের আবেদন উন্মুক্ত করে দিতে পারেন। চোখের বদলে চোখ উপড়ে নেবার অন্তহীন খেলায় আহবান জানান। আমরা যারা সেদিন জড়ো হয়েছিলাম, বক্তব্য রেখেছিলাম, সকলেই তখনকার শাসকদলের কর্মকাণ্ডে চূড়ান্ত আহত ছিলাম। কিন্তু বিরুদ্ধ-হিংসার পক্ষে ছিলাম না। সেটা সুস্থতার লক্ষণ না।
    সময় বুঝে অবশ্য সুস্থ হয়ে যেতে পারেন অনেকেই। বক্তব্য ঘুরিয়ে নিতে পারেন। লাগাতার ডিগবাজি খেয়ে আবার বিশ্বস্ত হয়ে প্রভুভক্তি দেখাতে পারেন। চর্চা উপভোগ করেন দিব্যি, কিন্তু চর্চার বাইরে থাকলেই শরীর খারাপ করে। দীর্ঘদিন কুটোটি না-নেড়ে অপরাপর মানুষের কাজের ভ্রান্ত নিন্দায় নিমজ্জিত থাকেন। কিন্তু এতসব রাজকার্য চালাতে গিয়ে, সাধারণ মানুষকে নির্বোধ মনে করার হাস্যকর ভুলটা তাঁরা করেই যেতে থাকেন। নিজেকে অলীক মিনারে স্থাপন করে হিংসার ডিমে তা দিয়ে যেতে নেহাত মন্দ লাগে না। তবে ভাগ্য ভাল, প্রথমত, আমাদের রাজ্যে এখন এই ধরনের সেয়ানা ও প্রাক্তন-মানুষের অনুগামী কমতে কমতে হাতে-গোনায় এসে দাঁড়িয়েছে আর দ্বিতীয়ত, খোদ শাসকদলও আর এইসব সদস্যদের রাজনৈতিক মতামত ধর্তব্যের মধ্যে আনেন না (পূর্বে বহুবার প্রমাণিত)। কিন্তু মনে রাখতে হবে, একজনকেও হিংসায় বা হিংসা-দেখে-চুপ-করে-থাকায় উসকে দেওয়া যথেষ্ট বিপজ্জনক। রোম যখন পুড়ছিল, তখন বেহালা বাজানো লোকটা ঠিক কী ভাবছিল, আমরা কিন্তু এখনও জানি না!"
  • dd | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ২২:১৯664591
  • শ্রীজাতের তো ভালো লিখবারই কথা। লিখেওছে ভালো।

    নাম না করে কবীর সুমনকে গালি দিয়েছে। কিন্তু আমার কেবলই মনে হয় মহাশ্বেতা দেবী আর কবীর সুমনকে এইবার বাদ্দিলে হয়। এরা একেবারে অসংলগ্ন কথা বলেন এখন। সেনাইল। কাটিয়ে দেন।
  • PT | 213.*.*.* | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ২২:৩৮664592
  • "তাঁদের মাথায় আসলে খেলা করে ব্যক্তিগত হিংসার সমীকরণ।"
    কাটানোর আগে অন্ততঃ একবার বলে দিন যে পিটি এদের গাল দিয়ে খুব একটা ভুল কাজ করেনি.....অবিশ্যি ভাগ্যিস শ্রীজাত বললেন, তাই!
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ২৩:০৯664593
  • পিটি উবাচ - "কাটানোর আগে অন্ততঃ একবার বলে দিন যে পিটি এদের গাল দিয়ে খুব একটা ভুল কাজ করেনি....."

    এর উত্তরও শ্রীজাতের লেখাতেই স্পষ্ট। পিটি তখন শুধু এদেরই গাল দেয়নি, এদের সাথে শ্রীজাতদেরও গাল দিয়েছিলো।
  • ranjan roy | 132.*.*.* | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ২৩:১৬664595
  • ডিডি ও কল্লোলকে ক।
  • sm | 233.*.*.* | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ২৩:১৯664596
  • গালি দিলে লেখক কেও দিন। উনি নিজেই যখন বলছেন, পরিবর্তনের মিছিলে উনিও একজন অংশীদার ছিলেন।
    পুরোটা ভালো করে পড়েন নি বোঝা যাচ্ছে। যেকোনো আন্দোলন ও কর্মসুচিতেই কিছু ধান্দা বাজ আখের গোছানো লোক থাকে। তাবলে ইস্যু টা তো মিথ্যে হয়ে যায় না।
  • PT | 213.*.*.* | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ২৩:৫০664597
  • " পিটি তখন শুধু এদেরই গাল দেয়নি, এদের সাথে শ্রীজাতদেরও গাল দিয়েছিলো।"

    তাতে কসুর ভুলটা সংশোধন হয় না। কসু পাহাড় প্রমাণ মিথ্যাচার করেছিলেন। সাংবাদিক হিসেবে সেটা একটা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। আর মিথ্যাচার কসু কেন করেছিলেন সেটাও পরিষ্কার এখন শ্রীজাতর লেখায়। কোন চাষীর দুঃখে কসু ঐ মিথ্যাচার করেননি, তখনো আসলে খেলা করেছিল "ব্যক্তিগত হিংসার সমীকরণ।" সেটা ভাবতেও অন্ততঃ আমার ঘৃণায় গা গুলিয়ে উঠছে। আর এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে বলা যায় যে সেদিনের মিথ্যেবাদী সাংবাদিক কসুর জন্য আজকের ২২ জন সাংবাদিক পিটুনি খেয়েছে।

    আর সেই সময়ে কসুর মিথ্যাচারের প্রতিবাদ না করে আরো কয়েকজন বুজীর মত শ্রীজাতও সেই মিথ্যাচারের অংশীদার হয়েছিলেন। শ্রীজাত দু-এক্দিন আগেই টিভি আলোচনাতে বলেছেন যে তাঁর এক বন্ধু এবং তার পিতৃদেবকে তিনোর গুন্ডারা বেদম পিটিয়েছে বিধাননগরে। এই ব্যক্তিগত রোষের জন্যেই কি শ্রীজাত কলম খুললেন? নিজের শ্রেণীর মানুষের গায়ে হাত পড়ার জন্য শ্রীজাত অপেক্ষা করলেন সাড়ে চার বাছর?

    তাহলে কি ধরে নেব আরো কেউ কেউ কি চোদ্দটি লাশের অপেক্ষাতে আছে?
  • sm | 233.*.*.* | ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ২৩:৫৫664598
  • তাবলে ইস্যু টা তো মিথ্যে হয়ে যায় না।
  • ঈশান | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০০:০১664599
  • পিটির অন্য সমস্ত বক্তব্যের মত এটাতেও তথ্যগত ভুল আছে। সেগুলো ইচ্ছাকৃত কিনা জানিনা।

    "শ্রীজাত দু-এক্দিন আগেই টিভি আলোচনাতে বলেছেন যে তাঁর এক বন্ধু এবং তার পিতৃদেবকে তিনোর গুন্ডারা বেদম পিটিয়েছে বিধাননগরে। এই ব্যক্তিগত রোষের জন্যেই কি শ্রীজাত কলম খুললেন? নিজের শ্রেণীর মানুষের গায়ে হাত পড়ার জন্য শ্রীজাত অপেক্ষা করলেন সাড়ে চার বাছর?"

    শ্রীজাত-সুমন বাগযুদ্ধ বহুকাল আগে শুরু হয়েছে। ফলে সাড়ে চার বছরের অপেক্ষা এবং পিতৃদেবের মার খাওয়া পর্যন্ত মুখ না খোলা, এই দুটি দাবীর কোনোটাই ঠিক না। বাকি যুক্তিপরম্পরাটা, অতএব অসার, বলাই বাহুল্য।
  • pi | 24.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০০:০৩664600
  • শ্রীজাতর সম্মান প্রত্যাখান নিয়ে এত্ত কাণ্ড হয়ে গেল, সেসব খবরগুলো মনে হয় সবই বিশেষ চশমায় ফিল্টার হয়ে বেরিয়ে যায়।
  • PT | 213.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৬:০৫664601
  • হুঁ, হুঁ বাওয়া, কসুকে ডাম্প করে এখন নতুন আইকন শ্রীজাত.....
    শ্রীজাত তাঁর নবতম লেখাটিতেও বলেননি যে সুমন সাংবাদিক হিসেবে নন্দীগ্রামের শিশুদের নিয়ে যে জঘণ্য মিথ্যাচার করেছিলেন সেটা কাঁচা মিথ্যে ছিল। আরো কি কি মিথ্যাচার সুমন করেছিলেন কে জানে!! তবে সেগুলো মেনে নিলে নন্দীগ্রামের জন্য মিছিলে হাঁটাটাও কমজোরি শোনায়।
    অবিশ্যি যারা এখন শ্রীজাতয় মুগ্ধ তারাও স্বীকার করেনি.........
  • .. | 113.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৭:৪০664602
  • গুলাম আলিকে গাইতে না দেওয়া লজ্জার। হিন্দুত্ববাদীদের থেকে এর বেশি কিছু আশাও নেই। কিন্তু প্রগতিশীলতা দেখিয়ে যারা গুলাম আলি কে নিজের রাজ্যে গাইতে ডাকছেন তারা তসলিমাকে কি ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় দেবেন?এই ভোট জিনিসটার ওপরেই ঘেন্না ধরে যাচ্ছে।
  • Arpan | 125.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৮:৩১664603
  • ডেস্কটপে নতুন আইকন শ্রীজাত

    আর পুরনো অ্যান্টিভাইরাস একজনই, একা এবং অদ্বিতীয়।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৮:৩৩664604
  • ভোটের উপর ঘেন্না দেখাবেন না। যারা ভোট নিয়ে অসততা করে তাদের বরং ঘেন্না করুন। ভোট এবার "কাউকেই পছন্দ না" বোতামে দিন।
  • | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৮:৪১664607
  • ধ্যাঃ ক্কি যে বলেন!! শ্রীজাত এখন কেন বহুদিন ধরেই নিজের মত লেখালেখি করেন। 'আমরা মানুষ তোমরা মানুষ তফাৎ শুধু শিরদাঁড়ায়' লাইনটাই তো শ্রীজাতর। ওঁর পুরস্কার ফেরানো নিয়ে স্থবির কুমন আর নির্বোধ সরকার হেব্বি খিস্তিয়েছিল এবং শ্রীজাত কোনোদিন ঐভাবে পাল্টা গালিগালাজ করেন নি। এই নিয়ে ভাটে বহু আলোচনা হয়েছে। অভিজিত-বন্যাকে কোপানোর পর ওঁর ধারাবাহিক 'অন্ধকার লেখাগুচ্ছ' র জন্য ফারাবী গ্যাং ওঁর প্রোফাইল রিপোর্ট করে বসিয়ে দিয়েছিল।
  • PT | 213.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৮:৪১664606
  • তিনোর বিরোধীতা না করে "কাউকেই পছন্দ না" -তে ভোট দিন এবং তিনোদের দলে দলে জয়যুক্ত করুন।
    তিনোদের অক্সিজেন জোগানোর এটা একটা নতুন স্ট্র্যাটেজি......
  • aranya | 83.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৮:৪৯664608
  • 'ওঁর প্রোফাইল রিপোর্ট করে বসিয়ে দিয়েছিল'

    - শ্রীজাত-র 'অন্ধকার লেখাগুচ্ছ' - তে কি রিপোর্টেবল, ফেবু-নিয়ম বিরোধী কিছু ছিল? জাস্ট কিউরিয়াস
  • PT | 213.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৮:৫৫664609
  • এক বিখ্যাত ও নিভন্ত শিল্পী ও আরেকজন উঠতি কবি থুতু ছুড়লে কারটা কতদূরে যায় তা নিয়ে লোকের এত উৎসাহ কেন কে জানে!! কে হিঁদু আর কে মোছোলমান মৌলবাদীদের সমর্থক তাতেই বা কি আসে যায়?

    কথা হচ্ছে যে একজন কাঁচা মিথ্যে বলেছিল ব্যক্তিগত ঘৃণাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্যে আর অন্যজন সেই মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানায়নি।
  • | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৮:৫৯664610
  • আমি যেটাদেখেছি এই ফারাবী গ্যাঙ এদের বোধহয় ৪৫ হাজার ফলোয়ার, ওদের আঁতে লাগছে মনে হলেই দলে দলে গিয়ে রিপোর্ট করে আর ফেবু তৎক্ষণাৎ প্রোফাইলে ঢোকা বন্ধ করে দেয়। ফোটো আইডি দেখিয়ে পুরো নামে ফেরত আসতে হয়। শ্রীজাতর ক্ষেত্রেই যেমন প্রোফাইল ছিল 'শ্রীজাত স্পীকস' নামে, উনি তো পদবী ব্যভার করতেন না, ওঁর বইগুলোও শ্রীজাত নামেই, তো সেই প্রোফাইলে এখন পুরো পদবীশুদ্ধ লিখে ফেরত পেয়েছেন।

    এইটে হিমু, ষষ্ঠ পান্ডব, দ্রোহী এঁদের ক্ষেত্রেও হয়েছে।
  • kc | 198.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৯:০৩664611
  • আচ্ছা পিটিদা, এরকম হওয়ার চান্স কি একেবারেই নেই? যে অন্যজন তখন সেটা যে মিথ্যে, সেকথা বুঝতে পারেনি, তাই প্রতিবাদ জানায়নি। এরকম হতে পারেনা? আদপে তো মানুষই।
  • cm | 127.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৯:০৫664612
  • গত ভোটের পরে প্রশ্ন করতাম, বামফ্রন্ট বিরোধিতার কারণ কি? ঐ ঔদ্ধত্যের বাইরে বিশেষ কিছু শুনিনি।

    এইবার প্রশ্ন করব তিনো বিরোধিতা করলে কেন করবেন? মানুষ মরার স্কেল মাপতে আমি কৃষক মৃত্যু বা লেভেল ক্রসিং এ মৃতের সংখ্যার কথা বহুবার বলেছি।
  • aranya | 83.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৯:০৮664613
  • দ, বুঝলাম। কিছুটা তাহলে ফেবু-র দায়িত্ব-ও রয়েছে, বিনা কারণে প্রোফাইল ব্লক করার জন্য। বহু লোক অভিযোগ জানালেই যদি ব্লক করে দেয়, নিয়ম-বিরোধী কাজের কোন প্রমাণ ছাড়াই - সেটা খুবই দুঃখজনক
  • PT | 213.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৯:১০664615
  • *সাম্রাজ্য পত্তনের
  • PT | 213.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৯:১০664614
  • "যে অন্যজন তখন সেটা যে মিথ্যে, সেকথা বুঝতে পারেনি, তাই প্রতিবাদ জানায়নি। এরকম হতে পারেনা?"
    সেতো হতেই পারে। কিন্তু সেসব ঘটনার ৫/৬ বছর পরে যেগুলো অবভিয়াস মিথ্যে সেগুলো তো জনসমক্ষে মেনে নেওয়া যেত। তাহলে অন্ততঃ এখনো তাদের ধা-বুজী বলতে হত না আর।
    নাকি সেটা করলে তিনো সাম্রাজ্যের পতনের ভিতটাই নড়বড়ে হয়ে যেত বলে করা হয়নি এবং হচ্ছেনা?
  • pi | 74.*.*.* | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৯:১১664617
  • সত্যি, তিনোদের গাল দিলেও, তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করলেও যে তিনোবিরোধী কেউ এত গাল দিতে পরেন, সেটা এখানের পোস্ত না দেখলে বুঝতাম না। এও ভীষণভাবে মনে হয়, এধরণের পোস্ত এখানে সমানে এসে না চললে এখানে সিপিএম এত গাল খেতনা ও তিনোরা অনেক বেশি গাল খেত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন