এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৬৭৭৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কল্লোল | 111.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১০:৫১664818
  • পিএম।
    Name: কল্লোল IP Address : 135.17.65.226 (*) Date:12 Oct 2015 -- 02:11 PM
    ব্যাপারটা কি জানো, সিপিএম দলটা এখনো যে দর্শনে বিশ্বাস করে তার নাম মার্কসবাদ, যা শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রহীনতার কথাই বলে। নৈরাজ্যও রাষ্ট্রহীনতাই।
    এই আর কি।

    এভাবে শুরু হয়েছিলো তর্কটা। পিটি বা পিএম কি মনে করে মার্কসাবাদ রাষ্ট্রহীনতার কথা বলে না? মার্কসবাদ ও নৈরাজ্যবাদ উভয়েই মনে করে রাষ্ট্র দমনের যন্ত্র। রাষ্ট্র নিয়ে লেনিন – “মার্কসের মতে রাষ্ট্র হলো শ্রেণীগত শাসনের যন্ত্র। এক শ্রেণীর দ্বারা অন্য শ্রেণীকে পীড়ন করার যন্ত্র। যে “শৃঙ্খলা” শ্রেণী সংগ্রামকে প্রশমিত করে এই পীড়নকে বিধিবদ্ধ করে সেই কায়েমী “শৃঙ্খলা” প্রবর্তন করাই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য।” রাষ্ট্র ও বিপ্লব
    মার্কসবাদী মতে সমাজতন্ত্রেও রাষ্ট্র থাকবে। সেটা হবে শ্রমিকশ্রেণীর রাষ্ট্র। ধীরে ধীরে সমাজতন্ত্রের বিকাশের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র বিলুপ্ত হয়ে কমিউনিষ্ট সমাজ স্থাপিত হবে। নৈরাজ্যবাদীরা বলে সমাজতন্ত্রেই রাষ্ট্রের অবলুপ্তি। রাষ্ট্র পীড়ণের যন্ত্র তাই এই প্রতিষ্ঠান সমাজতন্ত্রে অপ্রাসঙ্গিক।
    অর্থাৎ রাষ্ট্র কখন অবলুপ্ত হবে সেটা নিয়ে মতভেদ। রাষ্ট্রহীনতা নিয়ে কোন মতভেদ নাই। শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রহীন সমাজ উভয়েরই কাম্য।
  • কল্লোল | 111.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১০:৫৪664819
  • Name: কল্লোল IP Address : 135.17.65.226 (*) Date:12 Oct 2015 -- 02:11 PM
    ব্যাপারটা কি জানো, সিপিএম দলটা এখনো যে দর্শনে বিশ্বাস করে তার নাম মার্কসবাদ, যা শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রহীনতার কথাই বলে। নৈরাজ্যও রাষ্ট্রহীনতাই।
    এই আর কি।
    এভাবে শুরু হয়েছিলো তর্কটা। পিটি বা পিএম কি মনে করে মার্কসাবাদ রাষ্ট্রহীনতার কথা বলে না? মার্কসবাদ ও নৈরাজ্যবাদ উভয়েই মনে করে রাষ্ট্র দমনের যন্ত্র। রাষ্ট্র নিয়ে লেনিন – “মার্কসের মতে রাষ্ট্র হলো শ্রেণীগত শাসনের যন্ত্র। এক শ্রেণীর দ্বারা অন্য শ্রেণীকে পীড়ন করার যন্ত্র। যে “শৃঙ্খলা” শ্রেণী সংগ্রামকে প্রশমিত করে এই পীড়নকে বিধিবদ্ধ করে সেই কায়েমী “শৃঙ্খলা” প্রবর্তন করাই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য।” রাষ্ট্র ও বিপ্লব
    মার্কসবাদী মতে সমাজতন্ত্রেও রাষ্ট্র থাকবে। সেটা হবে শ্রমিকশ্রেণীর রাষ্ট্র। ধীরে ধীরে সমাজতন্ত্রের বিকাশের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র বিলুপ্ত হয়ে কমিউনিষ্ট সমাজ স্থাপিত হবে। নৈরাজ্যবাদীরা বলে সমাজতন্ত্রেই রাষ্ট্রের অবলুপ্তি। রাষ্ট্র পীড়ণের যন্ত্র তাই এই প্রতিষ্ঠান সমাজতন্ত্রে অপ্রাসঙ্গিক।
    অর্থাৎ রাষ্ট্র কখন অবলুপ্ত হবে সেটা নিয়ে মতভেদ। রাষ্ট্রহীনতা নিয়ে কোন মতভেদ নাই। শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রহীন সমাজ উভয়েরই কাম্য।
  • কল্লোল | 111.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১০:৫৫664821
  • পোস্ট করা যাচ্ছে না।
  • B | 127.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১০:৫৫664820
  • PM
    আপনি আমার উদ্দেশ্যে যে বক্তব্য রেখেছেন, তার মাথা মুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারি নি। প্রতিবাদের সাথে সারদার টাকার কি সম্পর্ক তাও বুঝি নি। আপনার ইঙ্গিত যদি এই হয় যে সব বুদ্ধিজীবীরা, মানে যাঁরা বামফ্রণ্টের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছিলেন, তাঁরা সারদা থেকে টাকা পেয়েছিলেন, তাহলে কিছু উত্তর না দেওয়াই শ্রেয় মনে করব। আপনি সবে করলেন হয়ত'(?), কিন্তু এই ঘ্যানঘ্যান আর সারাক্ষণ জেনারালাইজ করে এই কদর্য ইঙ্গিত অনেক্দিন ধরে দেখছি। এর উপর কোন প্রতিক্রিয়া দিতে আর ইচ্ছে নেই। মাফ করবেন।

    PT
    আপনি একটা প্রশ্ন রেখেছিলেন বামত্ব মাপ নির্ণয়ের গজফিতে নিয়ে, সে বিষয়ে বলি -

    আপনার কোন এক পোস্টিং-এ সোদপুর স্টেশনে গিয়ে কালান্তর পড়ার কথা দেখে মনে হয় সোদপুরে বা তার আশেপাশে থকেন।

    তাহলে তো আপনার কাছে এই যন্ত্রের আধুনিকতম ভার্সান থাকার কথা মশাই ... মানে যেটা দিয়ে একসময় কমরেড সুভাষ চক্কোত্তি আপনাদের পাড়ার কমরেড অনিমেষ মজুমদারের বামত্ব মেপেছিলেন (দুজন'ই প্রয়াত বোধহয়)। আর পরবর্তীকালে কমরেড অমিতাভ নন্দী কমরেড সুভাষ চক্কোত্তিকে মেপেছিলেন, যার ফলে ও অঞ্চলটাকে আড়ালে লোকে এখন নন্দীগ্রাম বলে ডাকে। একটু দূরে গেলে কমরেড তড়িৎ তোপদারের কাছেও পেতে পারতেন, কিন্তু আধুনিকতমটি বোধহয় কমরেড অমিতাভ নন্দীর কাছেই আছে। ওই যে যাঁর ভাইপো না ভাগ্নের কোম্পানীর বিজ্ঞাপন খবরের কাগজের মুখ ঢেকে রাখে মাঝেমাঝে।

    আমার মতো মমতা-আবাহনকারীকে আর দৌড় করানো কেন?
  • PM | 11.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১১:১৫664822
  • ভাই B, এখানে বেশীরভাগ বুদ্ধিজীবীদের ( শঙ্খ/কৌশিকের মত কয়েকজন ছাড়া) প্রতিবাদের পেছনে ব্যক্তিগত সার্থ নিয়ে একটা মতৈক্য হয়েছে কয়েক পাতা আগেই। পারলে পড়ে নেবেন। আপনার অন্য মত থাকতেই পরে। স্বাগত।

    আপনি একটা পোস্ট করে জানতে চেয়েছেন এক্ষেত্রে বুজিররা প্রতিবাদ করছেন না কেনো। আমি আমার মত উত্তর দিয়েছি। পছন্দ না হলে পাতি কাটিয়ে দেবেন। যেমন আমি sm এর সাথে এই পাতায় পারতপক্ষে কোনো বিতর্কে জড়াই না।
  • PM | 11.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১১:২৩664823
  • "রাষ্ট্র কখন অবলুপ্ত হবে সেটা নিয়ে মতভেদ"। কিভাবে অবলুপ্ত হবে তা নিয়েও মতভেদ আছে বলে মনে হয়। ঐ যে বল্লাম বুড়ো হয়েও মরবৌ, খুন হলেও মরবো। কিন্তু দুটো মৃত্যু এক নয়।

    যাই হোক আমি এই চোরাবালিতে ঢুকে বর্তমান জ্বলন্ত সমস্যা থেকে দৃষ্টি সরাবার যে চেষ্টা আপনি করছেন তাতে ঘী দিতে চাই না এক্কেবারে।

    বাকুনিন আর নৈরাজ্য প্রসংগে লেনিন-ই দাড়ি টেনে গেছেন। ওনার বক্তব্য-ই আমার বক্তব্য। নতুন কিছু বলার নেই। আপনি অন্য টই খুলে লেনিনের বক্তব্যকে খন্ডন করুন। পড়ব মন দিয়ে। এ প্রসংগে আমার বক্তব্য়্কে আলাদা করে গুরুত্ব দেবার কোনো কারন নেই।
  • sm | 233.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১১:২৭664824
  • PM, বিতর্কে জড়াবেন না কেন ? না জড়ালেও, কুনো রকম ক্ষতি বৃদ্ধি তো দেখছি না। খামকা এনার সঙ্গে জড়াবো না; ওনার সঙ্গে লেপ্টে থাকব,এরকম লবঙ্গ লতিকাপনা অনেক দেখেছি। খোলা পাতায় এসেছেন যখন; সব কিছু হজম করার ক্ষমতা চাই তো।
    বিতর্ক চলুক, লজ্জা পাবেন না।
  • | 213.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১২:১২664825
  • ওফ, তোমরা ঝগড়া একটু থামাবে?

    তাহলে আমরা কোথায় বসছি? বেলুড়ে আমার বাড়ি না পিএম র বাড়ি নিউ টাউনে? পিএম এবং পিটি দা প্লিজ কনফার্ম ডেট এবং টাইম। উৎসাহী আর কেউ থাকলে জয়েন করতে পারো/পারেন অসংকোচে।
  • PM | 116.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৩:১৪664826
  • নিউটাউন-ঈ তো বেটার বোধ হয়। ঃ)
  • PT | 213.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৩:২৬664828
  • "পিটি ..... কি মনে করে মার্কসাবাদ রাষ্ট্রহীনতার কথা বলে না?"

    মার্কস কি বলেছেন বা না বলেছেন তা নিয়ে আমি কিস্যু বলিনি। বলার সাহাস বা পান্ডিত্য কোনটাই নেই।

    আমি শুধু বলেছি যে নৈরাজ্য আর রাষ্ট্রহীনতা শব্দ দুটোর বাংলায় ব্যবহারিক অর্থ এক নয়। আশা করি রাষ্ট্র wither away প্রসঙ্গে কোন বঙ্গপন্ডিত "নৈরাজ্য" শব্দটি অনুবাদে ব্যবহার করেননি।

    অনুবাদে ঠিকঠাক শব্দ ব্যবহার না করলে কি অবস্থা দাঁড়ায় সেটা বাল্যকালে খানিকটা দেখেছি। শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে মাওয়ের কোন একটি বক্তব্যের বিকৃত বঙ্গানুবাদের ব্যবহার করে অতিবাম সৈনিকরা স্কুলের বেঞ্চ বা লাইব্রেরিতে আগুন ধরিয়ে দিত।

    সেইজাতীয় কোন সেই বিকৃত বঙ্গানুবাদ জঙ্গলমহলে ৪০০ লোকের প্রাণ নিয়েছিল।

    আশা করি সে সব ভাষা বিপর্যয়ের দিন আর ফিরে আসবে না কখনো।
  • B | 127.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৩:৫২664829
  • "আপনি একটা পোস্ট করে জানতে চেয়েছেন এক্ষেত্রে বুজিররা প্রতিবাদ করছেন না কেনো..."
    ---------------------------------
    PM
    আমারই হয়ত' বোঝাতে ভুল হয়েছে, যার জন্য আপনি এই উত্তর দিয়েছেন।

    আমি গতকাল 'এইসময়'-এ প্রকাশিত যে খবরটির লিঙ্ক দিয়েছিলাম, সেটির ব্যাপারে জানতে চেয়েছিলাম এবং এখনও চাইছি যে, যে কজন ব্যক্তি পুরস্কার ফেরত দিলেন, তাঁদের মধ্যে কজন মেকি, কজন সাচ্চা, কজন আগে কংগ্রেস সরকারকে সমালোচনা করে জনমানসকে প্রভাবিত করে মোদী সরকারকে এনেছেন, ইত্যাদি ধরণের কোন বিতর্ক ওসব অঞ্চলে হচ্ছে কিনা..., বা আপনারা দুজন তার খবর রাখেন কিনা।
    ----------------------------------------------
    "এখানে বেশীরভাগ বুদ্ধিজীবীদের ( শঙ্খ/কৌশিকের মত কয়েকজন ছাড়া) প্রতিবাদের পেছনে ব্যক্তিগত সার্থ নিয়ে একটা মতৈক্য হয়েছে কয়েক পাতা আগেই।"
    ----------------------------------------
    মতৈক্য কাদের? মানে রঞ্জনদা, কল্লোল এবং আপনার ও পিটির। দুয়েকটি বাক্য দিয়ে এরকম উপসংহারে না আসাই ভাল। এটা আপনারই বলা 'বেশীরভাগ বুদ্ধিজীবী'র মত হয়ে গেলো। হ্যাঁ, বলতে পারেন 'অনেক বুদ্ধিজীবী'র বা কিছু কিছু বুদ্ধিজীবীর ব্যাপারে আমাদের কয়েকজনের মতৈক্য। অপর্ণা, শাঁওলি, ব্রাত্য-কে নিয়ে মোহগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা অত বিশাল কিছু ছিল না, যতোটা বিভাস চক্রবর্তী, সুমন মুখোপাধ্যায়, নবারুণ ভট্টাচার্য্য, ইত্যাদিদের নিয়ে ছিল।

    ভুলে গেছেন তখন নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী কিন্তু উল্টো দিকে ছিলেন, কারণ তাঁর জামাই আলাপনের দেদার চুরি, আর অপকীর্তি জ্যোতিবাবু কোলে করে ঢেকে রেখে দিতেন। শুধু নিজেদের বিন্দুমাত্র না শোধরানোর জেদ নিয়ে সমস্ত বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে বিভাজন রেখা তখন কারা টেনেছিল, মনে করে দেখবেন। 'মমতা' কোথায় তখন?

    পাড়ার নিবেদিতপ্রাণ নিষ্ঠাবান কর্মীদের সতর্কবাণীকে উপেক্ষা করে, পাত্তা না দিয়ে তাদের একঘরে করে দিয়ে অসৎ, লুম্পেন শক্তিকে প্রশ্রয় দিয়ে পার্টিকে দুর্বল করেছিল কারা? মমতা কোথায় তখন?

    যাঁদের যাঁদের অসৎ শক্তিকে, করাপশনকে অবলম্বন করে বামফ্রণ্টের শক্তি, আদতে 'চরম ঔদ্ধত্য" বাড়ছিল, তারা একে একে মমতার খাতায় নাম লেখালো। কমল গুহর ছেলে উদয়ন, সুভাষ চক্কোত্তি, রমলা চক্কোত্তির সন্তানসম সুজিত এবং গৌতম দেবের তাপস চট্টোপাধ্যায়। এরকম কতজনের লিস্টি দেবো?

    কি মেজরিটিই, কি উদ্দীপনা, কি স্বপ্ন দেখিয়েই না এসেছিল বামফ্রণ্ট? মমতা তো জন্মই নিলো এই ৯৭-এ, নিরন্তর অসভ্যতা, উচ্ছৃঙ্খলতা করে জনপ্রিয় হতেও তার যথেষ্ট সময় লেগেছিল। এত বছর একটা সংগঠিত পার্টি ক্ষমতায় থেকে কি করলো যে তার পরিণাম এই হলো?

    এসব ভাববেনও না, বলবেন তো না-ই। তাহলে আর কবে মমতা যাবে, কি ভাবে যাবে ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলে কি হবে? আপনার বয়স জানি না, আমি এই মাস দেড়েক ষাটে ঢুকলাম। আমি আর আশা দেখি না আমার জীবদ্দশায় বাম রাজনীতির জয় দেখার। দীর্ঘশ্বাস ফেলি এই ভেবে যে এ কোন রাজ্যে, এ কোন রাষ্ট্রে, এ কোন পৃথিবীতে আমার, আমাদের সন্তানদের ফেলে রেখে যচ্ছি আমরা।

    দীর্ঘশ্বাস ফেলেও লড়াই করতে হয়, তা তো হবেই। কিন্তু সে লড়াইয়ের বেশীটাই যখন নিজেদের মধ্যে, তখন আর কিসের মমতা নামক স্থানীয় মুসোলিনিকে সরানোর স্বপ্ন?
  • ।। | 113.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৪:৩০664830
  • নিন্দুকেরা বলে বেড়াচ্ছে -
    কোলকাতায় পেলে
    আর ক্রীড়ামন্ত্রী জেলে --
  • | 213.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৪:৩৬664831
  • " যা খুশী ওরা বলে বলুক
    ওদের কথায় কী আসে যায়.." ঃ))
  • PM | 116.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৫:৩৮664832
  • B বাবু এতো হতাশ হলে হবে? আহা আমাদের সময় কি ভালো ছিলো----, এটাই বার্ধক্যের লক্ষাণ। দেশের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আপনার আগের জেনেরেশন যা ছেড়ে গেছিলো আপনার জন্যে আপনি তার থেকে ভালো কিছুই ছেড়ে যাবেন--খারাপ না। যে কোনো অর্থনৈতিক প্যারামিটারের ভিত্তিতে। বিহারেও নির্বিঘ্নে ভোট হয়।

    আমারা যদি এই আকালেও স্বপ্ন দেখি কার তাতে কি ? ঃ)

    কাল্লোলদার এই বয়সেও স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা কে কুর্নিশ।। সে আমার বিচারে ভুল ভাল স্বপ্ন হলেও। আমি হয়তো ঐ বয়সে খিট্খিটে বুড়ো হয়ে যাবো, আর হা হুতাস করবো যে আমাদের সময় নর্দমা দিয়ে দুধ বইতো, আজ কি হাল দেশের ঃ)
  • ।। | 113.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৫:৫২664833
  • বাল্মীকি এগারো বছর ধ্যান তপস্যা করে এমন এক কাব্যগ্রন্থ লিখে ফেললেন যা এক জাতি বানিয়ে দিল। তিন সাড়ে তিন হাজার বছর ধরে ঘরেঘরে পূজিত হয় এই কাব্যগ্রন্থটি। কেউ ধূপ দেখান কেউ ধুনো। কেউ রামনাম জপ করতে করতে প্রেমে গদগদ হয়ে কেঁদে ফেলেন। হুনুমানের হাতে পাহাড় নিয়ে সাগরে ঝাঁপ দেবার গল্প শুনে শরীরের রোম রন্ধ্র এখনও খাড়া হয়ে যায়। রামের প্রতি দরদে বিগলিত হুনুমান তার লেজে আগুন নিয়ে সারাটা দেশ জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল। এই সব কিংবদন্তী গল্পের ধারে কাছে কোনও লেখা ঠেকতে পারে? কে পূজা করবে না হুনুমামা কে ? রেগে ক্ষিপ্ত হয়ে যদি একটা টেনে চাঁটা মারে হয়েছে আর কি। সেদিন বাজারে এক ভদ্রলোক তো বলেই বসলেন “জানেন কি মশাই ! শ্রীলঙ্কা দেশটি আগে ভারতের সাথেই ছিল। রাম রেগে লাথি মেরে দেশটাকে সমুদ্রের মাঝখানে ফেলে দিয়েছে”। বলেই পূব দিকে মুখ করে রাম নাম নিয়ে একটা পেন্নাম ঠুকে দিলেন। আমি পালাবার পথ পাচ্ছিলাম না। মাথাটা ঘুরছিল। আমার কাছে নেট আছে কম্পিউটার আছে স্কুল লাইফ থেকে কবতে লিখছি আমি শা... বালমীকির প্রথম দু অক্ষরের আর কবি হতে পারলাম না। কবি হতে গেলে চ্যানেল লাগে। পাঞ্জাবী লাগে। শান্তিনিকেতনি স্টাইলে পাঞ্জাবীর কলারে হাতায় কাজ করতে হয়। নিদেন পক্ষে একটা চশমা তো লাগেই। এছাড়া কি কেউ কবি হতে পারে? পয়সা পকেটে থাকলেও ফ্যাসানি দারিদ্র দেখাতে হয়। যেন পয়সা নেই বা অবকাশ নেই দাঁড়ি ছাঁটার। আমার যে সত্যি পয়সা নেই চুল কাটার সে দুঃখ শোনার কি আর কোনও কান আছে? কোনও রকমে ক্ষুরের ব্লেডটা জোগাড় করে জল দিয়েই টেনে দি, বার কয়েক।
    দেখি এবার বঙ্গবিভূষণ টা হাতাতে পারি কি না। তাই ভাবলাম আগে যেটা দরকার সেটা হল গিয়ে একটা চশমা।কাজ থেকে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ ঢুকেই পড়লাম চেনাশোনা একটা চোখের ডাক্তারের চেম্বারে। বললাম “ভাইপো দেখ তো চোখ দুটো একটু পরীক্ষা করে। সব কিছু কেমন যেন অস্বচ্ছ লাগছে। ঠিক চারিদিক মনে হচ্ছে ধোঁয়া ধোঁয়া। ডাক্তার একটা কালো বক্সের মধ্যে A B C লেখা দেখিয়ে বলল পড় কিংশুক দা, দেখি ঠিক পড়তে পারছ কি না?” আমি ইচ্ছে করেই A কে F, B কে Z ডাক্তার আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলল ইয়ার্কি মারছ ? আমি বললাম না না সিরিয়াস। তারপর ইনিয়ে বিনিয়ে সত্যিটা ঝেড়েই কেসে ফেললাম। ডাক্তার Assistant কে ডেকে ড্রয়ার থেকে একটা চশমা বের করে বলল এটা পড়ে ফেল। আমি বললাম কত? ডাক্তার বলল থাক তোমার থেকে কি আর নেব ? আমি বললাম বাঁচা গেল।
    তারপর থেকেই দেখি সব কিছু স্বচ্ছ পরিষ্কার। কে যেন চোখের ওপর একটা পোলারাইজড লেন্স লাগিয়ে দিয়েছে। এ বাংলা কে আমি আগে দেখতেই পাই নি। এ যেন স্বর্ণযুগ।চারিধার সোনালী আলোর ঝাঁ চকচকে দিন। সিঙ্গুরে টা টা র জমিতে উপচে পড়ছে ধান। দোকানে দু টাকা দরে পাঁচ কেজি চাল কেনার সাথে এক কেজি ফ্রি তেই দিয়ে দিচ্ছে। হাত কাটা শ্যামল, দিপু ন্যাপলা বোমা বাঁধা ছেড়ে রবীন্দ্র নাথের গান গাইছে। বীরভূমে অনু মস্তান বলছে “প্রমোদে ঢালিয়া দিনু মন”। মেদনাপুরের মাওবাদীরা সকালে ঘুম থেকে উঠেই মহুয়ার আদর মেখে বউদের লালপেড়ে শাড়ি পড়িয়ে নাচতে থাকে। তেইশ লক্ষ্য টেটের পরীক্ষার্থিদের মধ্যে অনেকেই চাকরী বাকরি পেয়ে ঘরসংসার করতে চলেছে। ঘাস ফুলের অফিস থেকেই নিয়ন্ত্রণ হয় সব কিছু। টপাস টপাস করে পড়ছে ব্যবসায়ীদের ঘরে লোন। হাসপাতাল থেকে প্রশাসন ঝাঁ তকতকে। কেরালাইট নার্স রমণীরা ইনজেকশন দেবার সময় এমন মিস্টি হাসিতে হেলিয়ে দিচ্ছে মন, যেন কোনও ব্যাথাই লাগছে না।
    মাছের বাজারে জ্যান্ত রুই গুলো লেজ নাড়িয়ে, আয় আয় বলে ডাকছে। গলদা চিংড়ীর মোহিত করা চাহনি যেন লজ্জায় নুইয়ে যাচ্ছে। আর আমিও গান ধরছি “লাজবতী নুপুরের রিনি ঝিনি ঝিনি”। আর ইলিশ মাছ, সে তো আরও অন্য ব্যাপার। বাজার থেকে এখন শুধু গন্ধটা আনি। জানি না কবে আবার গন্ধের জন্যও টাকা চাইবে দোকানদার।
    ঘাস অফিসের লোকেরা যেন শহর থেকে দারিদ্র ঝাঁটা মেরে তাড়িয়ে দিয়েছে। চশমা ছাড়া চোখে আমি এতসব দেখতেই পাই নি। চুরি ডাকাতি হাঙ্গামা কিছুই নেই। স্বর্ণ যুগ চলছে বাংলায়। আসলে সব হিংসুটে কুচুটে লোকের আজে বাজে ব্যাজ ব্যাজ। পেন্নাম করি এ বি পি আনন্দের সুমন বাবু কৌশিক সেন, মিরাতুন নাহার, বুলান দি, সমীর আইচ যারা এই বাংলার পরিবর্তনপন্থী যোদ্ধা। পেন্নাম করি সুবোধ বাবু জয় গোস্বামী, শুভপ্রসন্নর মত আদর্শ বান ব্যক্তিত্বদের। গায়ে চিমটি কাটি, প্রশ্ন করি ঠিক দেখছি তো? চশমাটা খুলে লেন্সে দুবার ফুঁ দি। ঠিক দেখাচ্ছিস তো ? চশমা টা বলে হ্যাঁ রে বাবা ঠিক ঠিক। সেই সব অবিস্মরণীয় ভিডিও ফুটেজ। মন্ত্রী সভায় খুব কম মন্ত্রী দিয়ে রাজ্য চালাবার পরিকল্পনা। আজ বাস্তবায়িত। হেলি কপ্টারে ভ্রমণ কালে ভ্যানিটি ব্যাগ খুলে দিদি বললেন “আমি ডাক্তারি টাও জানি”। দিদি আমার সব জানে ল আইন কানুন ডাক্তারি, কবিতা ছবি আঁকা সব। পরিবর্তনের এই স্বর্ণ যুগে আপনারা আর বেশী ব্যাজ ব্যাজ করবেন না। যেটা চেয়ে ছিলেন সেটা পেয়ে গেছেন। এখন গান গান “প্রমোদে ঢালিয়া দিনু মন......”
  • Ekak | 113.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৬:২৫664834
  • ট্রল করার জন্যে এই লেখাটা বরং বেটার লাগে :

    ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন পদ্ধতি

    দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে ছাগল পালনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পারে। ছাগল ভূমিহীন কৃষক ও দুস্থ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের একটি উল্লেখযোগ্য উপায়। বিশেষ করে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য মোচনে ভূমিকা রাখতে পারে। লিখেছেন- কৃষিবিদ মোঃ নিয়ামুল কবীর

    দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ছাগলের গুরুত্ব অপরিসীম। জাতীয় অর্থনীতিতে ছাগলের গুরুত্ব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে ছাগল পালনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পারে। ছাগল ভূমিহীন কৃষক ও দুস্থ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের একটি উল্লেখযোগ্য উপায়। ছাগলের মাংস উন্নতমানের প্রাণিজ আমিষের উৎস। ছাগলের দুধ সহজে হজম হয়। আদিকাল থেকে গ্রামবাংলার নারীরা বাড়তি আয়ের উৎস হিসেবে ছাগল পালন করে আসছেন। তাই বলা যায়, ছাগল বিশেষ করে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য মোচনে ভূমিকা রাখতে পারে। ছাগল পালনের তেমন কোনো কারিগরি দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। ছোট প্রাণী, দাম কমÑ তাই প্রাথমিকভাবে স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করা যায়। ছাগলের রোগবালাই তুলনামূলক কম। ১২ মাসে দু’বার বাচ্চা পাওয়া যায়। প্রতিবারে ১-৪টি বাচ্চা দেয়। ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। চামড়া খুবই মূল্যবান, যা বিদেশে রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। ছাগল লালন-পালন ও চিকিৎসা খরচ অন্যান্য পশুর তুলনায় অনেক কম।

    ছাগলের জাত পরিচিতিঃ

    পৃথিবীতে বিভিন্ন জাতের ছাগল রয়েছে। বাংলাদেশে ব্ল্যাক বেঙ্গল, যমুনাপারি, বারবারি জাতের ছাগল দেখা যায়। তবে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বাংলাদেশের আবহাওয়ায় বেশি উপযোগী। এদেশে কালো রঙের যে ছাগল পাওয়া যায় সেটি ব্ল্যাক বেঙ্গল বা বাংলার কালো ছাগল নামে পরিচিত। ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল শুধু কালো রঙের হয় না। কালো রঙ ছাড়াও সাদা ও ধূসর বর্ণের হয়ে থাকে। ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের মাংসের চাহিদা রয়েছে সারা বিশ্বে।

    ব্ল্যাক বেঙ্গল-দেশি জাতের ছাগলের বৈশিষ্ট্যঃ

    আকারে ছোট কিন্তু মোটাসোটা ও একসঙ্গে দুই থেকে চারটি বাচ্চা দেয়। গায়ের লোম ছোট ও মসৃণ।

    পাঁঠার ওজন ২০ থেকে ৩০ কেজি। ছাগীর ওজন ১৫ থেকে ২৫ কেজি। খাসির ওজন ২০ থেকে ৩৫ কেজি।

    ছাগীর শিং ছোট (৫ থেকে ৬ সেন্টিমিটার) এবং সরু ও ঊর্ধ্বমুখী। কিছু কিছু পাঁঠা ও ছাগীর দাঁড়ি থাকে।

    কিন্তু পাঁঠার শিং তুলনামূলকভাবে বড় (১১ থেকে ১২ সেন্টিমিটার) মোটা এবং পেছনের দিকে বাঁকানো।

    ছাগলের বাসস্থানঃ

    ছাগল পালনের জন্য খুব উন্নতমানের বাসস্থানের প্রয়োজন হয় না। বাসস্থানের জন্য সাধারণ ব্যবস্থাই যথেষ্ট। ছাগল সাধারণত শুষ্ক আবহাওয়া, পরিষ্কার, দুর্গন্ধমুক্ত, উষ্ণ ও প্রচুর আলো-বাতাস চলাচলকারী পরিবেশে থাকতে পছন্দ করে। ভিজা স্যাঁতসেঁতে, গোবরযুক্ত, দুর্গন্ধময়, বদ্ধ ও অন্ধকার পরিবেশ ছাগলের রোগবালাইয়ের উৎস হিসেবে কাজ করে। নিউমোনিয়া, চর্মরোগ, ডায়রিয়া ইত্যাদি সংক্রামক ও পরজীবী রোগ হতে পারে। ফলে ছাগলের ওজন বৃদ্ধির হার, দুধের পরিমাণ এবং প্রজনন ক্ষমতা কমে যায়। আমাদের দেশে গ্রামেগঞ্জে সাধারণত পারিবারিক পর্যায়ে ছাগল পালন করা হয়ে থাকে, যার জন্য আলাদা বাসস্থানের বন্দোবস্ত করা হয় না। গোয়ালঘরের এক কোণে বা ঘরের বারান্দায়, রান্নাঘরের এক কোণে এমনকি নিজের শোয়ারঘরে রাতে ছাগল থাকার ব্যবস্থা করে থাকেন অনেকে। যাদের আর্থিক সামর্থ্য আছে তারা ছাগলের জন্য আলাদা ঘর তৈরি করে থাকেন। এসব ঘর নির্দিষ্ট কোনো মাপে তৈরি করা হয় না। ছাগী, পাঁঠা, বাচ্চা একই ঘরে রাখা হয়। ছাগলের খামারের জন্য আলাদা ঘর তোলার সময় বিবেচনা করতে হয়Ñ

    ঘরের আয়তন বা মাপঃ

    একটি ছাগলের জন্য কমপক্ষে চারদিকে ১.৫ মিটার বর্গাকার জায়গা প্রয়োজন (১.৫ মিটারÍ১.৫ মিটার)। দোচালা বা চারচালা ঘর হলে দেয়াল কমপক্ষে ২ থেকে ২.৫ মিটার উচ্চতা হতে হবে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস যাতে ঘরে প্রবেশ করতে পারে সে ব্যবস্থা রাখতে হবে।

    ছাগলের খাদ্য ব্যবস্থাপনাঃ

    ছাগল প্রায় সব ধরনের লতাপাতা খেতে পছন্দ করে। সব সময় একই ধরনের খাবার খেতে পছন্দ করে না। অন্য পশুর ফেলে দেয়া বা নোংরা করা খাবার ছাগল পছন্দ করে না। ছাগল মাঠে অতি ক্ষুদ্র ঘাসের মধ্যেও চরে খেতে পারে। কাঁঠালপাতা, কলাপাতা, ইপিল-ইপিলপাতা, পেয়ারাপাতা, বরইপাতা ছাগলের প্রিয় খাদ্য। ছাগলকে প্রাকৃতিক খাবারের পাশাপাশি তৈরিকৃত সুষম-দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হয়।

    ছাগলের বাচ্চাকে খাসিকরণঃ

    ছাগলের বাচ্চার বয়স ২ থেকে ৪ সপ্তাহ অর্থাৎ ১৪ থেকে ২৮ দিন বয়সের মধ্যেই খাসি করানোর উপযুক্ত সময়। উপযুক্ত সময়ে ছাগলের বাচ্চাকে খাসিকরণ করা হলে তুলনামূলক দাম বেশি পাওয়া যায়। বাজারে খাসির চাহিদা বেশি। লগ্নিকৃত অর্থ লাভসহ সহজে উঠে আসে। পারিবারিক সচ্ছলতা আনায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। খাসির মাংস পাঁঠার চেয়ে উৎকৃষ্ট। খাসিকরণে তেমন কোনো খরচ হয় না।

    ছাগীকে পাল দেয়ার নিয়ম ও সময়ঃ

    ছাগী গরম হওয়ার ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাল দিতে হয়। সকালে গরম হলে বিকালের মধ্যে পাল দিতে হবে। বিকালে গরম হলে পরদিন সকালের মধ্যে পাল দিতে হবে। সম্ভব হলে ১২ ঘণ্টা ও ২৪ ঘণ্টা সময়ের মাথায় দু’বার পাল দিতে হবে। পাল দেয়ার ৫ মাসের (১৪০ থেকে ১৫০ দিন) মধ্যে ছাগী সাধারণত বাচ্চা দেয়।

    ছাগলের দাঁত দেখে বয়স নির্ণয়ঃ

    অস্থায়ী-দুধের দাঁত সবগুলো থাকলে ছাগলের বয়স ১২ মাসের নিচে। মাঝের এক জোড়া স্থায়ী দাঁত উঠলে ছাগলের বয়স ১২ থেকে ১৫ মাস। দুই জোড়া স্থায়ী দাঁত উঠলে ছাগলের বয়স ১৬ থেকে ২৪ মাস। তিন জোড়া স্থায়ী দাঁত উঠলে ছাগলের বয়স ২৫ থেকে ৩৬ মাস। চার জোড়া স্থায়ী দাঁত উঠলে ছাগলের বয়স ৩৭ মাস থেকে ঊর্ধেŸ হবে।

    ছাগলের পরিচর্যাঃ

    প্রতিদিন দুপুরে ছাগলকে প্রয়োজনমতো টাটকা ও পরিষ্কার পানি পান করাতে হবে। ছোবড়া জাতীয় খাবার যেমনÑ ঘাস, লতাপাতা, শুঁটিজাতীয় গাছ দিতে হয়। ছাগলকে প্রতি বছর নিয়মিত দুই থেকে তিনবার কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে। ছাগলকে নিয়মিত সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে।

    পচা বা দুর্গন্ধযুক্ত বা নোংরা খাবার না দেয়া। বাসস্থান উঁচু, শুকনা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গায় তৈরি করতে হবে। নিয়মিত বাসস্থানের মেঝের মলমূত্র পরিষ্কার করা এবং মেঝেতে চুন ছড়িয়ে দিয়ে জীবাণু সংক্রমণ কমাতে হবে। মাঝে মাঝে পরিষ্কার পানি দিয়ে ছাগলের শরীর পরিষ্কার বা গোসল করিয়ে দেয়া।

    বাংলাদেশে ছাগলের রোগ-ব্যাধিঃ

    ছাগলের বিভিন্ন ধরনের রোগ-ব্যাধি হয়ে থাকে। তবে গবাদিপশু অপেক্ষা ছাগলের রোগ-ব্যাধি কম হয়ে থাকে। বাংলাদেশে ছাগলের বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়ে থাকে। এর মধ্যে কৃমি, উকুন, নিউমোনিয়া, পাতলা পায়খানা, আমাশয়, পেট ফাঁপা, মূত্রনালিতে পাথর, পিপিআর, গোটপক্স, চর্মরোগ (মেইজ), ছাগলের ক্ষুরা রোগ, চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস এবং একথাইমা রোগ অন্যতম। নিম্নে ছাগলের পিপিআর ও গোটপক্স রোগের লক্ষণ ও তার প্রতিকার প্রদত্ত হলোÑ

    পিপিআর রোগের লক্ষণগুলোঃ

    এটি ভাইরাসঘটিত একটি রোগ, ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে প্রথম দেখা যায়। হঠাৎ ছাগলের শরীরের তাপ বেড়ে যায় (১০৪ ডিগ্রি থেকে ১০৫ ডিগ্রি) ও ক্ষুধামন্দা দেখা যায় এবং কাশতে থাকে। মুখের লালা ঝিল্লিতে রক্ত জমে লাল দেখা যায় এবং নাক দিয়ে সর্দি ও পানি ঝরে। নাকের ছিদ্রের পর্দায় ঘা দেখা যায় ও চোখে পিচুটি হয়, অনেক সময় চোখের পাতা বন্ধ হয়ে যায়। রোগ শুরুর ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই ছাগল মারা যায়।

    প্রতিরোধ : আক্রান্ত ছাগলকে বের করবেন না। ছাগল সুস্থ অবস্থায় টিকা দিয়ে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায়। ছয় মাস বয়সের ছাগলকে ১সিসি টিকা চামড়ার নিচে প্রয়োগ করতে হবে।

    গোটপক্স রোগের লক্ষণগুলোঃ

    মুখের চারপাশে, মুখগহ্বরে, কানে, গলদেশে, দুধের বাঁটে এবং পায়ুপথে বসন্তের গুটি দেখা যায়। দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, কিছু খায় না, জাবর কাটে না এবং ছাগলের পাতলা পায়খানা হয়।

    প্রতিরোধ : এই রোগ হলে অন্যান্য সুস্থ ছাগলকে এন্টিপক্সসিরাম ইনজেকশন ও টিকা সহজলভ্য হলে টিকা দিতে হবে। আক্রান্ত ছাগল বিক্রি করা উচিত নয়। পাল থেকে আক্রান্ত ছাগল সরিয়ে আলাদা করে রাখতে হবে।
  • | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৬:২৮664835
  • :-)))
    আরেকটা ছিল মাজরা পোকা। দীপু দিয়েছিল কোন এট্টা টইতে।
  • PT | 213.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৬:৩২664836
  • "আলাপনের দেদার চুরি, আর অপকীর্তি"
    এস খপর কোথায় গ্রন্থিত আছে? টাকাকড়ি সব সরালো কোথায়? অনুজ পান্ডের বাড়ি তছনছ করতে অতিবদ অতিবামেদের আধা ঘন্টাও সময় লাগেনি। সেই অবেলাতেও আলাপনকে ধরা গেল না?

    "কল্লোলদার এই বয়সেও স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা কে কুর্নিশ।"
    এক্কেবারে একমত!
    তার সঙ্গে গীটার বাজিয়ে এক্কেবারে বালখিল্যদের মত গান করে এই বয়সেও। আর গান কিংবা নাটকের জন্যে জন্যে আঁদাড়ে-বাঁদাড়ে ঘুরে বেড়ায়-যখন এই বয়সে ঘরের কাছের সাঁইবাবার মন্দিরে সময় কাটানোর কথা!!
    এরকম দু-চারটে আধ-পাগলের সঙ্গে তক্কে জড়িয়ে থাকা বেশ স্বাস্থ্যকর। এমনকি এক্কেবারে মতে না মিললেও!
  • | 213.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৭:৫৯664837
  • এ বাবা,পিটি দা, প্রকাশ্য নৈশালোকে কল্লোল দা কে "আধ-পাগল " বললো!! ঃ))
  • .. | 113.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৮:১৯664839
  • লেখক দের সাথে যুদ্ধ লেগেছে দাঙ্গাবাজ দের। মোট ২৭ জন কৃতী পুরস্কার ফেরালেন। বাংলার লেখকরা ?
  • .. | 113.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৮:২১664840
  • বাংলার লেখকেরা সুশীল বাবু...... এক এক জন মস্ত অরাজনৈতিক ব্যক্তি... রাজনীতি থেকে শত হস্ত দূরে থাকেন কি করা যাবে তবু ও,
    বাংলা থেকে সাহিত্য অ্যাকাডেমী সম্মান প্রাপকদের তালিকা, (যারা ফিজিক্যালি এখনও জীবিত)
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    মহাশ্বেতা দেবী
    শঙ্খ ঘোষ
    সমরেশ মজুমদার
    শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    দেবেশ রায়
    অলোকরঞ্জন দাসগুপ্ত
    অশোক মিত্র
    দিব্যেন্দু পালিত
    নবনীতা দেবসেন
    জয় গোস্বামী
    অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
    প্রফুল্ল রায়
    সুধীর চক্রবর্তী
    অমর মিত্র
    সৌরীন ভট্টাচার্য্য
    বাণী বসু
    সুব্রত মুখোপাধ্যায়
    সুবোধ সরকার
  • cm | 127.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৮:৩১664841
  • সুভাষ চক্রবর্তীর নাম শুনে মনে পড়লো, মদনবাবুর জেলে কদিন কাটলো? নিরপেক্ষবাবুদের অবিশ্যি বুকনি থামার নয়।
  • PM | 37.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৯:১৯664842
  • ব্রতীন, PT ফাঁকতালে বলখিল্য-ও বলে দিলো কল্লোলদাকে ঃ) ঃ)
  • ranjan roy | 69.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৯:৪০664843
  • পিটি বলছেনঃ
    "সবাই যাতে নিজের নিজের পছন্দের প্রার্থীকে, নোটা ধরেই, ভোট দিতে পারে"-সেটা কেন বা- ও ধা-বুজীদের কাছে ২০০৯ ও ২০১১-তে বিবেচ্য ছিল না সেটাই কেন্দ্রীয় প্রশ্ন। ???
    ---- ২০০৯ ও ২০১১তে বঙ্গে ছিল বাম সরকার। মুখ্য ও পুলিশমন্ত্রী কমঃ বুদ্ধদেব। দুটো ভোটই হয়েছিল ইলেকশন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ও কেন্দ্রীয় বাহিনীও ছিল।
    তখন ভোটে রিগিং/বুথ দখল/ ছাপ্পা ভোট হয়েছিল বলে শুনিনি। বাম নেতৃত্বও কোর্টে যান নি বা এমন দোষারোপ করেন নি। তাতে সিপিএম ক্ষমতাচ্যূত হল।
    সেবার নিজের নিজের পছন্দের প্রার্থীকেই তো জনগণ ভোট দিয়েছি। তখন নোটা ছিল না।
    তাহলে পিটি এই প্রশ্ন তুলছেন কেন? বাম হারলেই সেই ইলেকশনগুলো অবৈধ নাকি লোকে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে দেয় নি??
  • PT | 213.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ১৯:৫০664844
  • তাহলে বাম আমলে ঠিক-ঠাকই ভোট হত, কি বলেন?
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ২০:০৫664845
  • শুধু ২০০৯ আর ২০১১ই বাম আমলের ভোট?
    অন্য বছরগুলোতে কি শোনা যায় নি --বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারছে না তো আমরা কি করব???

    ঠিকঠাক ভোট হলে যখন সরকার চলে যায়? তাহলে কান্নাকাটি না করে আগামী বছর জনগণের রায়ের অপেক্ষা করুন। কে বলতে পারে হয়ত এই সরকারও বদলে যাবে!
    ইন্দিরা/সঞ্জয় যখন হেরেছিল তখন ভোট ওদের তত্ত্বাবধানেই হয়েছিল।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ২০:০৯664846
  • সেই দুটো ভোটে ইলেকশন কমিশনারের কড়া নজর ছিল, কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো হয়েছিল। ভোটের আগে কিচহু ডিএম ও পুলিশ অফিসারকে বদলি করা হয়েছিল এবং নাখুশ বিমান বসু ইলেকশন কমিশন নিয়ে কড়া কড়া উক্তি করেছিলেন।
  • | 213.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ২০:৩০664847
  • আমি আবার কী করলুম। পি এম র যত দুষ্টুমি ..
  • অম্বিকাচরণ আম্বেদকর | 195.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ২২:১৪664848
  • মন্দাক্রান্তা সেন সাহিত্য অ্যাকাডেমির পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছেন।

    ওদিকে জনৈক ভারতীয় চার্লস ডিকেন্স (sans চার্লস এবং এন্স - অ্যাজ পার টুইটারেটি) বলেছেন কেন আফনেরা অ্যাওয়ার্ড ফেরাচ্ছেন? কেন পাসপোর্ট বা ডিগ্রী নয়?
  • PT | 213.*.*.* | ১৩ অক্টোবর ২০১৫ ২২:১৮664850
  • ঠিক কি বলতে চান নিজেরা আলোচনা করে আগে থিক করে নিন। এই বলেন বাম আমলে কোন গ অতান্ত্রিক পরিবেশ ছিল না, সায়েন্টিফিক রিগিং হত, এখন বলছেম ২০০৯ আর ২০১১-তে ঠিক্ঠাক ভোট হয়েছিল। এর আগের ভোট গুলোতে ইলেকশন কমিশনের নজর ছিল না? আপনার দিদিই তো কোন একটা ভোটের পরে ইলেকশন কমিশন্রকে ধন্যবাদ দিয়েছিল আর তার পরে দেখ যায় যে হেরে ভূত হয়ে গিয়েছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন