এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তুঘলকি শাসন

    mila
    অন্যান্য | ০৮ নভেম্বর ২০১৬ | ১১৬৯৮৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sswarnendu | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ০০:১৫726050
  • আমার এক সুইস বন্ধু দেড় বছর মত ভারতে পোস্ট-ডক করেছিল। এখন চিলিতে পড়ায়। এখনো প্রতি বছরই ভারত যায়, সে জন্য সেসসময়ের রোজগারের সবটা কনভার্ট না করে মোটামুটি বড় সামই হাতে রেখেছিল। এবারেও ভারতে যাচ্ছে তবে ১৭ই জানুয়ারি। এদিকে হাতে বেশ অনেকটা ক্যাশ আছে যা প্রায় সবটাই ৫০০-১০০০ এর নোটে। আজ আমাকে মেল করেছিল। কেউ কিছু আইডিয়া দিতে পারলে খুব ভাল হয়। ভারতে থাকতে রোজগার করা টাকা, পে স্লিপ আছে সে সময়ের।
  • Ekak | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ০০:২৬726052
  • এটা সোয়াসালিসমের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আছে। জেলাসি এস আ কমন ড্রাইভিং ফোর্স। অর্থবানকে টেনে নাবাও। এবং ভারতবর্ষে অর্থনৈতিক বৈষম্য সত্যিই চোখে লাগার মতো তাই থিওরি আর প্রাকটিকাল মিলে খাপে খাপ।
  • sm | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ০১:০২726053
  • আমেরিকা তেও বৈষম্য চোখে পড়ার মতন।ট্যাক্স ফাঁকি দিতে এরা আরো ওস্তাদ।বড় বড় কোম্পানি ও বিলিয়নেয়ার দের দেখলেই বোঝা যায়। সোরোস/বাফে কত ট্যাক্স দিয়েছে আর কত ফাঁকি দিয়েছে তার হিসাব আছে?
    তবে কিনা সোশ্যাল সিকুরিটি ভারতের চেয়ে ভালো তো, তাই এতো এনভি প্রকাশ পায় না।
  • Abhyu | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:২৫726055
  • ট্রিডিঙ্গিপিডি | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:২৯726056
  • শালা এই কথায় কথায় জওয়ান টেনে আনলে যা জ্বলে না! স্যার জাদেজা টুইট করেছেন - জওয়ানরা ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে, দু ঘন্টা লাইনে না দাঁড়াতে পারলে ভারতীয় হিসেবে লজ্জা হওয়া উচিত।
  • pi | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:৩১726057
  • ব্যান্ক ন্যাশানালাইজেশন আর এটা তুলনীয় ? উদ্দেশ্য ও ফল হিসেবে ? এবঙ্গ ভোগান্তি হয়রানির হিসেবেও ?
  • ভবানী চ্যাটার্জী | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:৩৯726058
  • বিপ্লপী কেজরিওয়াল কি একাই ভ্রষ্টাচার বিরোধী নাটকের গুড় খাবেন? বদহজমের ঠ্যালা সামলাও।
  • বোকা | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:৪৮726059
  • ডায়মন্ড হারবারের পাইকারি মাছের বাজার (নগেন্দ্র বাজার) আজ থেকে বন্ধ। supply চেনে প্রথম হাত।
  • Ekak | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:৫৫726062
  • ব্যাংক ন্যাশনালাইজেশনের দরকার ছিল। শুধু ওটাকে বিচ্ছিন্নভাবে তুলে আনলে বোঝা যাবেনা। নেহেরু যা যা কালো ধান্দা হঠাবার হঠকারী স্টেপ নিয়েছিলেন কালোবাজারিদের ল্যাম্পোস্ট এ বাঁধার নামে সেগুলোকে একসঙ্গে কনসিডার করলে বোঝা যাবে। লক্ষ্যনীয় যে সেখানেও কিন্তু গুজ্জু শিল্পপতিদের কালা ধনে হাত পড়েনি। আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের পপুলিস্ট এবং সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দোল কংগ্রেসের ফান্ড কথা থেকে আস্ত খোঁজ নেওয়া হোক। স্বাধীনতার পর এদের রমরমা বাড়ে। একটা বিশাল পরিমানে মাঝারি শিল্প -ফোরে -দালাল -স্টকিস্ট কে তখন শেষ করে দেওয়া হয়েছিল। বড়োদেড় গায়ে হাত পড়েনি।

    আবার, মোদী যদি দাঙ্গা পরিস্থিতি -খাদ্য লুট অবধি না এগোতে দিয়ে আজকের পরিস্থিতি সামলে দে নেক্সট ফিউ মান্থস এর মধ্যে, এনাফ ক্যাশ -ইউপিআই ইত্যাদি দিয়ে, লিখে দিতে পারি আগামী দিনের প্রজন্ম ধন্য ধন্য করবে প্লাস্টিক মানি পুশ করায় মোদীর এই উদ্যোগ কে। তাতে কী, এখন যাদের ফাটছে তাদের তো ফাটছেই। পোস্টারিটি কেয়ারস ফর নান। তারাতাদের স্বার্থ দেখবে শধু। যেভাবে নেহেরু চাচা হয়ে যান।
  • b | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ০৮:০৩726063
  • ইন্দিরা দেখি নি। তবে মোদীজিকে দেখে আনজাদ করছি।

    দেশের এমন অবস্থা যে মোদীজী যদি প্রাতঃকৃত্যের পরে ডান হাত ব্যবহার করা শুরু করেন, মিডিয়া, ভক্তকুল, জনতা বোল্ড স্টেপ বলে ফাটিয়ে দেবে।
  • ঈশান | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ০৯:১৮726064
  • ঘোষণা ঘোষণা ঘোষণা। এই নোট-বাতিল মহাধামাকা (মতান্তরে নাট্যলীলা) নিয়ে সাইটে অনেকেই নানা লেখা, ধারাবিবরণী শেয়ার করছেন। একটা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে কিছু অন্তত থেকে যায় সময়ের দলিল হিসেবে। শেয়ার করা লেখাগুলি সাইটের একটা জায়গায় তুলে রাখা হবে, অবশ্যই লেখক বা লেখিকার নামধাম সহ।

    এই উদ্যোগে সকলের সহযোগিতা প্রার্থনীয়। যারা লিখেছেন, তাঁদের থেকেই কিছু লেখা বেছে নেওয়া হবে। যাঁরা লেখেননি ঝপাঝপ লিখে ফেলুন। সকলকে আলাদা করে জানানো অসম্ভব, কারো লেখা দিতে অসুবিধে থাকলে প্লিজ এখানে জানান। আলাদা করে অনুমতি নেওয়া চাপ। আর কারো লেখা না নিলে প্লিজ দুঃখ পাবেননা। এখানে ঠিক সাহিত্যগুণের বিচার করা হচ্ছেনা। জ্যান্ত এবং ইন্টারেস্টিং ছবিগুলিই তোলা হচ্ছে।
  • d | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১০:১০726065
  • সুশীলা আন্টির কথা আগেও লিখেছি গুরুতে। আমাদের এই ক্যাম্পাসটায় একদম শুরুর দিকের ফ্ল্যাট হ্যান্ডওভার হওয়া থেকে কাজ করেন। পিরঙ্গুটের দিকে পাহাড় টপকে ওদের গ্রাম। কিছু খেতিজমি আছে। তো উনি প্রথম থেকেই খুব খুশী, "মোদি-সরকারনে কেয়া কিয়া। শরদ পাওয়ারকা তো পুরো লাগি হুই হ্যায়"। গত শুক্রবারে জিগ্যেস করলাম সব ঠিকঠাক চলছে কিনা, বললেন হ্যাঁ ওর ছেলে বৃহষ্পতিবার গিয়ে ভোর ভোর ব্যাঙ্কে লাইন দিয়েছিল বিকেল পাঁচটা নাগাদ ৪০০০ নিয়ে ফিরেছে। আর উনি আমাদের থেকে যখন বেতন পান, তখন তাতে চকচকে ১০০ টাকার নোট, নতুন নোট দেখলে আন্টি আলাদা করে সরিয়ে রাখেন। সেইগুলো গুণে দেখা গেছে ১০০০০ হয়েছে। কাজেই খুবই খুশী।

    আজ আন্টি বললেন ওঁদের গ্রামের আশেপাশে শরদ পাওয়ারের ছেলে না ভাইপো কার যেন ৫০ একর জমি আছে, তার মধ্যে একটা ঘরে বোরা ভর্তি নোট থাকে, সেইসব নোটের কিছু অংশ শনিবার পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আবার ওঁর জমির ফসল উঠছে এখন, আন্টি শুক্রবার আসেন নি ঐ ফসল তোলার জন্য। তো তাতে নাকি এখন যে সব জন মজুরদের দিয়ে কাজ করিয়েছেন তাদের পয়সা দিতে হবে না। কারণ তারা কেউ এখন ৫০০র নোট নেবে না। আর ওঁরা ওঁদের স্টকের ১০০ তো আর এখন দেবেন না। এরা সব বিভিন্ন দিক থেকে আসা লো০ক। "সব কুছ বরাবর হোতে হোতে ইয়ে লোগ জরুর কঁহি অর চলা যায়েঙ্গে"। আমার মুখ দেখে বোধহয় আন্টির একটু বিবেক দংশন হল, বললেন নেহি উয়ো লোগোঁকো বোলা অগলে মাহিনে আনে কে লিয়ে, অগর আয়েঙ্গে অর হামারে পাস সব বরাবর হ্যায় তো উসকো পয়সা দে দেঙ্গে।

    বলাইবাহুল্য যে সঙ্গে মোদি-সরকারের প্রতি বেশ কিছু প্রশংসাবাক্যও ছিল।
  • pi | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১১:০৪726066
  • এখানে বহু বহু জায়গার এটিএম এ একবারের জন্যও টাকা আসেনি। খোলেইনি এদ্দিন ধরে। যত দূরে, তত ভোগান্তি।
  • সিকি | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১১:৫৭726067
  • দিল্লিতেই কিছু স্লাম এলাকায় সেই আট তারিখ থেকে এটিএমে টাকা আসে নি।
  • সিকি | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১২:১৯726068
  • এটা এইমাত্র শুনলাম একজনের থেকে - গ্রামের দিকে সরপঞ্চদের কানেক্ট করা হচ্ছে। গ্রামে যত কিষাণ ক্ষেতমজুর ইত্যাদি আছে, তাদের জনধন অ্যাকাউন্টে একটু একটু করে টাকা ঢুকিয়ে দেওয়া হবে, উইথ সাম ইনসেন্টিভ। পরে সেগুলো আস্তে আস্তে তুলে নেওয়া হবে।

    গল্প হচ্ছে, এই পরিমাণ টাকা ঢোকার ফলে কিষাণগুলো আর বিপিএল থাকবে না, ফলে বিপিএল হবার যে সুযোগসুবিধা, সেইসব থেকে তারা বঞ্চিত হবে, সেইগুলো সেইসব কিষাণদের জানানো হচ্ছে না।
  • ¿ | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১২:২৭726069
  • একটি রাজনৈতিক নেতা ফিফটি % এ কাজ সারছে। 4 হাজার নতুন নোট দাও বদলে 8 পুরোনো নাও। যত খুশি। বস্তি বাসীর লম্বা লাইন। পুলিশ এর গাড়ি দেখলে লাইন ফাঁকা।
  • দেব | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:১২726071
  • অন্য টইটাতে যা লিখেছি সেটাই আমার ভয়। প্রথম দু'দিন লোকে ধাক্কা একটু খেয়ে বেশী কেনাকাটা করেছে। আমিও ষ্টক আপ করেছি। ব্যাস চতুর্দিকে শীৎকার, শহরে ক্যাশলেস অর্থনীতি এসে গেছে।

    প্রথমত, সকলেই জানেন ট্যাক্স না দিয়ে ব্যব্সা চালানো মানেই এই নয় যে সে দেশের অর্থনীতিতে কিছু যোগ করছে না। উৎপাদন মানেই উৎপাদন। উৎপাদনটাই দেশের সম্পদ। ট্যাক্সটা কোন অতিরিক্ত সম্পদ নয়। ওটা উৎপাদনের থেকেই নেওয়া হয়, শুধু সরকারের ঘরে ঢোকে, সেই দিয়ে জনকল্যাণমূলক কাজ হয় (অন্তত হওয়ার কথা)। মাঝারী ও ছোট ব্যবসায়ীরা ট্যাক্স না দিলে সরকারের কোষাগারে চোট পড়ে কিন্তু অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চলতে থাকে। তাতেই ভাতের যোগান হয়।

    এবার আপনি যদি বলেন এই ব্যাটাদের ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে, আমার অনুরোধ টাইম মেশিনে চড়ে ৯১ এর আগে চলে যান। ধনতন্ত্র বলে লাফাবো, চুনোপুঁটিগুলোকে পিষবো আর বোয়ালরা দিব্যি ঘুরে বেড়াবে, এ জিনিস ফ্রিডম্যান সাহেবও মানা করে গেছেন। খেলতে গেলে অন্তত রুলবুক মেনে খেলুন।

    আমার কোন সন্দেহ নেই যে সাপ্লাই চেনগুলো ধাক্কা খেতে চলেছে। লোকে খরচাও কমিয়েছে। চাহিদা কম। যোগানও কম হবে। ভিসিয়াস সার্কল শুরু হতে চলেছে। গ্রামের দিকে কি হচ্ছে আমি কল্পনাও করতে পারছি না। কিন্তু দু'দিন পর শহরে আরো বাজে অবস্থা হবে। দেখি ক'দিন না খেয়ে বাঁচে লোকে।

    এমত নয় যে সরকার কোন পদক্ষেপ নেবে না। কিন্তু নিজের মাথায় ট্রিগার টানা রোগীকে বাঁচানো কঠিন। আরো দুর্ভাগ্য, লোকে এতকিছুর পরেও কিছু বুঝবেও না। আহা মোদি চেষ্টা করেছিলেন, ভারতীয়দের 'চরিত্র'টাই ওরকম। সৎপথে ব্যবসা করতে পারে না।
  • সিকি | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:১৯726073
  • একদম তাই। দোষ হবে অ্যান্টি ন্যাশনলদেরই। মোদী চেষ্টা করেছেন, এই গাওনা গতকাল থেকেই শুনতে শুরু করেছি।
  • Ekak | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৩৭726075
  • অনেকগুলো ঘটনা ঘটছে এবং ঘটতে চলেছে।

    একনম্বর, মাঝখানের লেয়ারে ব্ল্যাক কমছে এটা ঘটনা। এর ফলে বেশ কিছু সেক্টর সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একটা উদাহরণ দিই। একজন কাঠ ব্যবসায়ী ধরা যাক নর্থ ইস্টে টেন্ডার ধরছে। এবার সে দু লাখ টাকার কাঠ কিনছে অফিসিয়ালি কুড়ি হাজার টাকায়। চমকাবেন না। এটাই হয়। টেন্ডার পুল তৈরী করা হয় যেখানে প্রথম দু তিনটে টেন্ডারে সবাই বলে দে এটা দু লাখের কাঠ না কুড়ি হাজারের কাঠ। আপনি চেষ্টা করলেও সেখানে ঢুকতে পারবেন না দু লাখ নিয়ে কারণ মাফিয়া লাশ নাবিয়ে দেবে। কাজেই তিনবারের বার কোনো সরকারি মালা বলছে ওকে ফাইন বেস্ট প্রাইস কুটিতেই দিচ্ছি কিন্তু বাকি কুড়ি আমাকে ব্ল্যাক দাও।

    এবার কাঠ ব্যবসায়ী এক লাখের কাঠ কুড়ি হোয়াইট আর কুড়ি ব্ল্যাক দিয়ে সরকারের ঘর থেকে তুললো। তার খাতায় দেখালো কুড়ি দিয়ে কিনেছে। শহরে এসে সে এবার খুচরো ক্রেতা খুঁজছে। একজন ইন্টিরিয়র ডেকোরেটর তাকে গিয়ে ধরলো। কাঠ ব্যবসায়ী ডেকোরেটর কে অফার দিলো তুমি এই কাঠ এক লাখে পাবে কিন্তু সাদা দিতে হবে চল্লিশ হাজার টাকা। বাকিটা কালো। ইন্টিরিয়র ডেকোরেটরের হাতে ষাট কালো ছিল যেটা প্রোমোটারের কাছ থেকে পেয়েছে সে রাজী হয়ে গ্যালো কারণ অন্য কারো কাছ থেকে কিনতে গেলে এই কাঠের দাম এক লাখ কুড়ি হাজার।

    তাহলে কী দাঁড়ালো ? কাঠ ব্যবসায়ী খাতায় কলমে কুড়িতে কেনা কাঠ চল্লিশে বেচলো। চল্লিশ লাভের ওপর সরকার কে ট্যাক্স দিলো। বাকি ষাট কালো ঘরে এলো। আগে কুড়ি কালো খরচ করেছিল। এখন হিসেবে করে তার কালো টাকা বাড়লো চল্লিশ হাজার।

    এইযে চল্লিশ হাজারের এক্সট্রা কালো সেটা নিয়ে সে কী করবে বা কি করে ? আবার কালো ট্রান্সাকশন করতে কিছুটা যায়। আর বাকিটা যায় লাক্সারি কনসাম্পশনে। সে সোনা -হীরের গয়না কেনে, বিকট দামি হেটেল থাকে। দামি মোবাইল কেনে। প্রপার্টি তে ইনভেস্ট করে। সেখানে আবার ইন্টিরিয়র লাগে এবং প্রোমোটার তার কাছ থেকে ব্ল্যাক নেয়।

    একটা জিনিস বুঝতে পারছেন যে কীভাবে, মিডল লেয়ারে শুধু ব্ল্যাক ওয়েলথ এর উপর ডিপেন্ড করে একটা বিশাল বড়ো কনসাম্পশন বাবল তৈরি হয় ?

    এটাতেই ধাক্কা লাগছে। কতটা লাগছে, আবার কত সময়ের মধ্যে তারা একুমুলেট করে নিতে পারবে এগুলো সময় বলবে কিন্তু লাগছে এটা ঘটনা। কনসাম্পশন এ ধাক্কা লাগলে ইকোনমির পক্ষে ভালো নয় মোটেই। কিন্তু ভালো-মন্দের বাইরে গিয়ে এখানে আরেকটা দরজা খুলে যাচ্ছে সেটা হলো, মিডল লেয়ারে কম্পিটিশন। যেই ছোট ছোট লেভেলে পঞ্চাশ হাজার -দশ লাখ -বিশ লাখ থেকে কয়েক কোটি এরকম লেভেলের ব্ল্যাক আর আগের মতো নিশ্চিন্তে ফ্লো করতে পারছেনা অমনি আর খেলা টা অতো স্মুদ থাকছেনা। নতুন ব্যবসায়ীরা ঝাঁপাতে সুযোগ পেতে পারে যাদের ব্ল্যাক দেওয়ার ক্ষমতা হয়তো কম কিন্তু প্রসেস ফ্লো -নেটওয়ার্ক বেটার। বা আদানির মতো জনতা তো আছেই যার আবার বিশাল ব্ল্যাক কিন্তু তারা উপরিউক্ত ভাবে কাঁচা পদ্ধতিতে ব্ল্যাক ট্রান্সাকশন করেন বলে ধরা খাওয়ার চান্স নেই। মোদ্দা কথা মার্কেট ডায়নামিক্স কিছুটা পাল্টাতে বাধ্য।

    আর চমক আরও আছে বলেই মনে হয়। সরকার খুব সম্ভবত ক্যাশ ট্রান্সাকশনের উপরেই সর্বত্র ক্যাপিং আন্তে চলেছে। মানে ওই শাড়ির দোকানের মালিকের বৌ টুক করে সোনার দোকানে ঢুকে ক্যাশে এক লাখের গয়না কিনে ফেললেন ওই গল্প থাকবে না। দশ বা বিশ হাজারের একটা উর্দ্ধসীমা বেঁধে দেওয়া হবে ক্যাশ ট্রান্সাকশনের। তার উপরে হলেই প্যান কার্ড লাগবে সর্বক্ষেত্রে। এতে লাভ কী ? বাকিটা যদি ব্ল্যাক এ দি ? আবার উপরের লেখাটি পড়ে দেখুন যে মাঝারি ব্যবসায়ী এই ব্ল্যাক নেবে সে কিন্তু আবার টিভির দোকানে ঢুকে টুক করে একটা ঊনপঞ্চাশ ইঞ্চি ক্যাশ দিয়ে কিনে ফেলতে পারবে না কারণ প্যান কার্ড নাম্বার দিতে হবে। ফ্লো করাবার জায়গা না থাকলে মিডল লেয়ারে ব্ল্যাক নেওয়ার ইনসেনটিভ কমে আসে কারণ সবার পক্ষে চাইলেই সুইস ব্যাংকে একাউন্ট খোলা সম্ভব না।

    অর্থাৎ এই যে ব্ল্যাক মানি এনজয় করার মিডল লেয়ার লাইফস্টাইল এটাতে মারা হচ্ছে। উর্দ্ধসীমা খুব তাড়াতাড়ি বাঁধবে বলে মনে হয়। দেখা যাক।
  • Ekak | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৪১726076
  • মালা == আমলা
    চল্লিশ লাভের ওপর সরকার কে ট্যাক্স দিলো। == কুড়ি লাভের উপর সরকার কে ট্যাক্স দিলো।
  • Ekak | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৪৫726077
  • এইযে যত আমরা বড়ো হোটেল দেখি, কুচো হীরের দোকান, মাঝারি প্রোমোটারের করা প্রপার্টি, গোপন এডমিশন ফী ওয়ালা কলেজ বা প্রাইভেট ইনস্টিটিউট, ব্র্যান্ডেড ঘড়ি .........মানে জাস্ট বলে শেষ করা যাবেনা এই বাবল টাকে কীভাবে অক্সিজেন যোগায় মিডল লেয়ারের ব্ল্যাক মানি। ব্ল্যাক রোজগার করা সহজ কিন্তু ইনভেস্ট করা কঠিন। আর অটো বুধ্ধিও সবার থাকেনা। তাই লাক্সারি কনসাম্পশনে একটা বিশাল টাকা ব্ল্যাক মার্কেটে উড়ে বেড়ায় যার হিসেব কোনো সরকারের বাবার কাছে নেই। ধাক্কা টা পড়লে বোঝা যাবে একচুয়ালি কীভাবে এই মার্কেট টা তৈরী হয়েছিল।
  • Ekak | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৫১726078
  • *করেন না বলে ধরা খাওয়ার চান্স নেই
  • সিকি | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:০৬726079
  • এইমাত্র মেলে এল।

  • d | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:০৭726080
  • মোমোওয়ালার আপডেট হল আপাতত আশেপাশের চা সিগারেট লজেন্স ব্রেড পকোড়ার দোকান মিলিয়ে মানে গোটা ৩-৪ দোকান মিলিয়ে যদি ২০০ মত খরচ হয় তাহলে ৫০০ নেবে। খুচরো এমনিতে ফেরত দেবে না শুক্রবার অবধি খেয়ে নিলেই হল। তবে শুক্রবার নাগাদ ৫০০ দিলে হয়ত ফেরত দেবে।
  • রোবু | ১৫ নভেম্বর ২০১৬ ১৪:৩৩726081
  • ডিসাইড করে নিয়েছি। বৌ রাজি হয়ে যাবে আশা করি।
    ফুড কার্ড ছেড়ে দেব, ওই টাকা ট্যাক্স ভরবো।
    দুর্গা ভান্ডার থেকে মাসের বাজার করবো। লিস্টি ধরিয়ে দিয়ে আসবো, এরেঞ্জমেন্ট হয়ে গ্যাছে, রিকশা করে বাড়ি পৌঁছে দেবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন