এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৬৭৪২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | 192.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০০:২২665252
  • বেশ তো। তাহলে জেনেরালাইজ করে ডাক্তার না লিখলেই হয়।
  • PM | 233.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০০:২৭665253
  • s এ পাতায় কি শুধুই টানটান অ্যাকসন হবে ? ঃ) মাঝে মধ্যে কমিকাল রিলিফ-ও চাই।

    (ব্রতীনের সাথে আমার আলাপ এই পাতাতেই ঝগড়া করতে করতে। বেসিকালি ও আমার হিরক রানী তুতো বন্ধু ঃ) এখনো প্রত্যক্ষ মোলাকাত হয় নি)
  • PM | 233.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০০:৩৮665254
  • ব্রতীন, অ্যাক্টিভিসম তোমার/ আমার পেশা নয় তো। ওটাকে পেশা করতেও চাই না। আমার পেশার প্রতি আমি সৎ। আমার পারফরমেন্স সেখানে মনিটর্ড হয়।

    রাজনীতিক দেরও পারফরমেন্স মনিটর্ড হয় ভোটের মাধ্যমে। ১০০% সঠিক প্রসেস না হলেও, তারা অন্তত মানুষের কাছে খাতায় অলমে উত্তরদায়ী।

    এই প্রফেসানাল অয়্কটিভিস্টরা কাদের কাছে অ্যান্সারেবল? তাদের এদের টাকার সোর্স, পারফরমেন্স থেকে শুরু করে কিছুই স্বচ্ছ নয়। এদের ওপোর ভরসা করার বিন্দুমাত্র কারন আমি অন্তত খুজে পাই না।
  • pi | 192.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০০:৪৫665255
  • কামদুনিতে ব্যাগ কাঁধে যাওয়া কারা কারা ঠিক 'প্রফেশনাল' অ্যাক্টিভিস্ট ছিলেন বলুন তো ? এত্ত জানেন যখন আপনারা, এগুলূ জানেন বলেই নিশ্চয় এত্ত কনফিডেন্টলি বলছেন। একটু জানান এবার। একটু নাম ধাম গুলো পেলেও হবে। উত্তরটা আশা করি পিছলে যাবেনা ঃ)

    ও হ্যাঁ, সিপিএম, বিজেপি এর অনেক নেতানেত্রীও ব্যাগ কাঁধে গেছিলেন। তাঁদের সম্বন্ধেও পিএম আর শ্রীদাম নিশ্চয় ..
  • s | 202.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০০:৫০665256
  • পিটিদা Date:01 Nov 2015 -- 10:30 PM
    তাহলে ঢাকুরিয়া আর বেলুড় দুটো জায়গা বাদ গেল এই তালিকা থেকে।
    ---
    ঢাকুরিয়াতে সিপিয়েমের দাদাগিরি কখনই ছিল না। আর যতীন চক্রবর্তীর এলাকা হবার জন্য সিপিয়েমের থেকে আরেসপিএর সংঘটন বেটার ছিল। এখনও তৃনমূলেরও দাদাগিরি নেই। কলকাতার গত পুরোভোটের বাজারেও এখান থেকে সিপিয়েমের মধুছন্দা জিতেছেন এবং ভাল কাজ করছেন। সুতরাং ঢাকুরিয়া কখনই উদাহরণ হিসাবে আসবে না।
    তবে পাশেই কসবা আর হালতু। সিপিয়েম আমলে সেখানে কিরকম দাদাগিরি হত, ফাঁকা জমি পেলেই লোকাল কমিটি কিভাবে একটা ক্লাব বানিয়ে নিত, তারপর জমির মালিককে কি পরিমান হয়রাণ হতে হত, এসবগুলো একটু এলাকার মানুষের থেকে কথা বলে জেনে আসবেন।

    আর লুম্পেনাইশেসন প্রসংগে, ঢাকুরিয়ার রেলবস্তির পাশে যারা থাকে তাদের কাছ থেকে জেনে নেবেন যে বাম আমলে এরা হোলসেল লাল ছিল। টালির চালের ফাঁকে লাল পতাকা, কাস্তে হাতুরি তারা লাগানো থাকত। শনিপুজো থেকে শুরু করে, শীতলা, কালী, দুর্গা কোনোটাই বাদ নেই। মাইকের প্রবল চিৎকার তো আছেই। তার সংগে মাসে একবার করে রাত্রিব্যাপী ভিডিও প্রদর্শনী, সংগে মদ, গাঁজা, চরস, জুয়া, গভীররাত্রে উচ্চস্বরে খিস্তির ডিকশেনারি নিয়ে ঝগড়া, গালাগালি, মারপিট এসব তো ডেলি ব্যাপার। লোকাল কাউন্সিলার, সিপিয়েমের, আরেসপির নেতাদের তখন তাদের কাছে এসে কি দাঁতক্যালানি। ২০০৯-এর পর এরাই দলকে দল তিনো হয়ে গেল। লাল পতাকার জায়গায় এখন তেরাঙা, বাড়ির দেওয়ালে মব্যার ছবি। অন্য সব অ্যাক্টিভিটি একই আছে শুধু বাম আমলে মেজরিটি রিক্সা চালাত, তো রাত্রে রিক্সা রাস্তায় গ্যারেজ করাতে রাস্তায় হাঁটার জায়গা থাকত না। এখন রিক্সা তুলনায় কম, তার জায়গা নিয়েছে অটো।

    সুতরাং লুম্পেনাইশেসন বাম আমলে কম ছিল, এটি একটি অতি ভাটের কথা।
  • lcm | 118.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০১:০৫665257
  • আমরা যারা চাকরি করি তারা নিজেদের কাজের কাছে সৎ, কারণ আমরা কাজ করে মাইনে পাই, আমাদের স্বার্থ আছে।

    যারা রাজনীতি করেন তারাও নিজেদের কাজে সৎ, কারণ তারা ভোট পান, জেতেন বা হারেন, নিজেদের স্বার্থ আছে।

    কিন্তু কেউ নিঃস্বার্থ্ভাবে কেউ কিছু করছে এটা আমাদের অবিশ্বাস্য মনে হয়। নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে - এনজিওর ফরেন ফান্ড আছে, বা, নাম কেনার জন্য, টিভিতে মুখ দেখনোর জন্যে, বা, হোলিয়ার-দ্যান-দাউ ট্যাগ অর্জন করবার জন্যে - কোনো একটা স্বার্থ আছেই আছে -- মন খচ্‌ খচ্‌ করে, আমরা ঠিক খুঁজে বের করে নিই। নিঃস্বার্থ্ভাবে কেউ কিছু করছে এটা আর আজকাল আমরা বিশ্বাস করতে চাই না, খুব কষ্ট হয় এমন কিছু ভাবতে।
    নিজেরা করার কথা তো ভাবতেই পারি না, অন্য কেউ করছে দেখলেও মনে সন্দেহ হয়, নিশ্চয়ই কোনো স্বার্থ আছে - কিছু একটা আছে, নইলে কে আজকাল এমন বোনের মোষ...
  • সে | 198.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০১:১৬665259
  • জব স্যাটিস্ফ্যাক্শান - মোটিভেশনের কারণ হতে পারে
  • pi | 192.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০১:১৬665258
  • আশা করি আপনাদের লিস্টটা পেয়ে যাবো। কাল সকালে এসে দেখে নেবো।

    আপনাদের সুবিধার জন্য আমি বরং একটা লিস্ট দিয়ে যাই। এঁরা বেশ নিয়মিত কামদুনি যেতেন, এখনো অনেকে যান, প্রতি মাসের সাত তারিখে। ঐ হত্যার দিনে ওখানে প্রোগ্রাম হয়। এখানে ঠিক কারা কারা কামদুনি দিয়ে পেট চালান একটু জানাবেন কিন্তু।

    ''পার্ক স্ট্রীট, কামদুনি, মধ্যমগ্রাম, বিধান সরণী।।। নারীদের নিরাপত্তা কোথায়?
    সমস্ত ঘটনায় দ্রুত বিচার এবং অপরাধীদের কঠোর শাস্তি চাই!
    প্রিয় নাগরিকবৃন্দ,
    গত ২৮ এপ্রিল রাতে আমাদের শহরের কেন্দ্রের একটি ব্যস্ত এলাকায় ঘটে গেল আরো একটি জঘন্য নারী নির্যাতনের ঘটনা। অন্য জেলা থেকে কলকাতায় পড়তে আসা প্রথম বর্ষের এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের শিকার হতে হল। রাত দশটার কিছু আগে অনুসরণকারী দুষ্কৃতী তাকে বিধান সরণী- বিবেকানন্দ রোড মোড়ের নিকটবর্তী একটি নির্জন গলিতে ধর্ষণ করে।
    এই ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। পার্ক স্ট্রীট থেকে কাটোয়া, জগাছা, কামদুনি, মধ্যমগ্রাম, বারাসত – একের পর এক নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের পর রাজ্যের প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে আসা 'সাজানো ঘটনার তত্ত্ব', তদন্ত চাপা দেওয়ার চেষ্টা ও 'দুষ্টু' 'দামাল ছেলে'দের অবাধ প্রশ্রয় দেওয়ার জন্যই দুষ্কৃতীরা সাহস পাচ্ছে এই ধরণের ঘটনা ঘটাতে। একদিকে আড়াই বছর ধরে চলছে বিচার, আর পার্ক স্ট্রীট সহ বহু অপরাধ কান্ডের মূল অভিযুক্ত এখনও পলাতক। অন্যদিকে শাসকদলের হোমড়া-চোমড়ারা ধর্ষণের পর পুরুষতান্ত্রিক মন্তব্য করে ধর্ষণের সংস্কৃতিকেই উৎসাহিত করেছে বিগত দিনে। এবারেও আমরা দেখলাম ঘটনার পরের দিনই লালবাজারের গোয়েন্দা দপ্তরের প্রধান অপরাধীকে গ্রেপ্তার করার আগেই সংবাদ মাধ্যমকে বিভ্রান্তিমূলক বিবৃতি দিয়ে নির্যাতিতার বয়ানকে সন্দেহজনক এবং বিষয়টিকে লঘু করার চেষ্টা করলেন। অবশেষে যখন অপরাধী ধরা পড়ল এবং জানা গেল সে অনুরূপ অপরাধ আগেও করেছে, তখন কিন্তু গোয়েন্দা প্রধান আগের বিবৃতির জন্য ক্ষমা চাইলেন না।
    একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনা এবং প্রশাসনের প্রতিক্রিয়ার পরিঘটনায় আমরা স্তম্ভিত, শঙ্কিত, ক্রুদ্ধ। এই রাজ্যে মেয়েদের নিরাপত্তার অবস্থা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে বিধান সরণীর ঘটনা তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে রাত দশটার সময় রাজপথের সংলগ্ন গলিতে যদি নারীরা নিরাপদ না হন তাহলে তারা কোথায় নিরাপদ? আমরা রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন রাখছি নারীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করুন। যাতে নির্ভয়ে মহিলারা তাদের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, বাসস্থান সহ সর্বত্র দিনে ও রাতের সমস্ত সময়ে অবাধে চলাফেরা করতে পারেন। বিধান সরণীর ঘটনা সহ সমস্ত নারী নির্যাতনের ঘটনায় ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। প্রশাসনের পক্ষ থেকে 'সাজানো ঘটনার তত্ত্ব' ফেরি করা এবং নির্যাতিতার উপর চাপ সৃষ্টি করার অপসংস্কৃতি বন্ধ হোক। অভিযোগ জানানোর পরের দিন অভিযোগের দিকেই আঙুল তোলার জন্য লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ছাত্রীটির কাছে ক্ষমা চান। প্রতি জেলায় ২৪ ঘন্টা খোলা থাকা ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার চালু করা হোক, যেখানে অভিযোগ দায়ের, মেডিক্যাল পরীক্ষা ও শুশ্রুষা, আইনি পরামর্শ সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় পরিষেবা এক ছাদের তলায় মজুত থাকে।
    সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা সমস্ত শহরবাসীর কাছে আবেদন করছি আমাদের শহরে ও অন্যত্র যাতে নারীরা আর যৌন নির্যাতনের শিকার না হন তার জন্য সর্বস্তরে সরব হোন। এই উদ্দেশ্যে আমরা আগামী ১৪ মে এক প্রতিবাদী মিছিলের ডাক দিচ্ছি। আপনিও এই মিছিলে পা মেলান।
    অভিনন্দন সহ,
    নবারুণ ভট্টাচার্য, সাহিত্যিক
    মীরাতুন নাহার, অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক
    শাশ্বতী ঘোষ, অধ্যাপিকা ও নারী আন্দোলনের কর্মী
    সব্যসাচী দেব, কবি ও প্রাবন্ধিক
    কিন্নর রায়, লেখক
    মধুময় পাল, সাহিত্যিক
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী, প্রাবন্ধিক
    বোলান গঙ্গোপাধ্যায়, সাংবাদিক ও সমাজকর্মী
    কৃষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজকর্মী
    অম্বিকেশ মহাপাত্র, অধ্যাপক
    শুভেন্দু দাশগুপ্ত, অর্থনীতিবিদ
    সলিল বিশ্বাস, অধ্যাপক
    চৈতালী সেন, নারী আন্দোলন কর্মী
    প্রমীলা রায় বিশ্বাস, সুটিয়া আন্দোলনের কর্মী
    ভাস্কর মন্ডল, কামদুনি আন্দোলনের কর্মী
    ডাঃ দেবাশিস দত্ত, জনস্বাস্থ্য আন্দোলন কর্মী
    অমিত দাশগুপ্ত, অধ্যাপক
    মানস ঘোষ, অধ্যাপক
    অমলেন্দু ভূষণ চৌধুরী, নাগরিক আন্দোলন কর্মী
    ডাঃ সরোজ ঘোষাল
    মৌসুমী মান্না, অধ্যাপক
    সৌমিত্র দস্তিদার, চিত্রনির্মাতা
    বর্ণালী ঘোষ দস্তিদার, অধ্যাপক
    প্রমুখ'
    '

    --

    ও হ্যাঁ, এই প্রমুখদের মধ্যে আরো অনেকে আছেন। রূপশ্রী সরকার, বোলান গঙ্গোপাধ্যায়, শাশ্বতী ঘোষ, কৃষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাংতা মুন্সী সহ পনেরো জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এসেছিল। সরকারকে এই নিয়ে মেমোরাণ্ডাম দেবার জন্য। তা এর ফলে এঁদের কিছু ফাণ্ড টান্ড জোগাড় হয়েছে কিনা জানেন ? হলে কীসে ? নিজেদের চাকুরি ক্ষেত্রে ? ঃ)
    বরম আমি তো জানি এর মধ্যে কেউ কেউ সরকারি চাকুরে হবার কারণে এর ফলে বিশেষ অসুবিধেয় পড়েছেন।

    যাহোক, আপনাদের উত্তরের প্রতীক্ষায়।
  • Bratin | 11.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০১:২২665260
  • তোমাকে বলি নিরে বাবা!!

    ( পিএম কে) ঃ))
  • Bratin | 11.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০১:২৬665262
  • এল সি এম দা খুব খাঁটি কথা লিখেছো।
  • lBratin | 11.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০১:৩০665263
  • পাই, দাদা হিসাবে একটা ছোট্ট পরামর্শ মাঝে মাঝে কিছু জিনিস বাংলা ইগনোর করো। মনের শান্তি বজায় থাকবে।

    বিলিভ মি ইট ওয়ার্কস!!
  • rabaahuta | 215.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০২:৪৯665264
  • লসাগুদা'র Date:02 Nov 2015 -- 01:05 AM খুব ঠিকঠাক লাগলো।

    প্রফেশনাল অ্যাক্টিভিস্ট ঠিক কারা? বিজেপি/আরেসেস চোখে
    তিস্তা শেতলাওয়াড, সিপিয়েমের চোখে মেধা পাটেকর ইত্যাদি। মোটমাট যে যেখানে স্বার্থে ঘা দেন আরকি। অবশ্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কাদের বাড়ির বেড়াল গুলো হুলো ও কাদের মেনী সেই মতামতও পাল্টায়।

    বিদেশী ফান্ড বা বেইলাউটের টাকা বা বিপুল সরকারী ঋণ নিয়ে অনেকে নয়ছয় করে থাকেন। কাদের গুষ্টিশুদ্ধু দাগিয়ে দেবো আর কাকে ব্যতিক্রমী দুর্নীতিপরায়ন বলবো তা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে কিনা।
  • শ্রী দাম | 11.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০৪:৪৩665265
  • এতো দেখি বিরাট বড় লিস্ট, কিন্তু কিসের? অনেকে এখনও যান মানে ঠিক কজন এখনও কত ঘন ঘন যান? যে হারে ঘটনা ঘটছে তাতে ২৪ ঘন্টার দিনে খুব ঘন ঘন যাওয়া মনে হয় সম্ভব নয়। তা বোলান প্রভৃতি এখনো সিঙ্গুর দিবসে সেখানে যাচ্ছেন তো? শুনছি সেখানে নাকি ইদানীং তেমন জমায়েত হচ্ছেনা।
  • pi | 24.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:৩৩665266
  • এবাবা, সকালে উঠলাম কত আশা নিয়ে, উত্তর পাবো ভেবে। এ কী দেখি, উল্টে জানতে চেয়ে প্রশ্ন করছেন! আপনাদের এত কনফিডেন্টলি লেখা, গালাগাল এসব দেখে ভেবেছিলাম, সব কিছু জেনেশুনে খবর নিয়ে লিখছেন নির্ঘাৎ। ছ্যা ছ্যা। আর আপনাদের পোস্ট সিরিয়াসলি নেওয়া যাবেনা।
  • pi | 24.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:৪০665267
  • আর এই নাকি এই লিস্ট দেখলেন ( তাও লিস্টে কম নামই আছে) ! কারা কারা ব্যাগ ঝুলিয়ে বাঁদরের মত কামদুনিতে হাজির হয়েছিল সেসব নিয়ে মন্তব্য করতে সেই অজ্ঞতা অবিশ্যি বাধা দেয়নি। এই যেমন চা বাগান নিয়ে কারা কী কাজ করেন কিচ্ছুটি না জেনে কেউ কেউ মন্তব্য করে দেন না তাঁরা চা বাগানের শ্রমিকদের মারছেন।

    গালালাল দেবার জন্য অবশ্য হাওয়ায় কথা ভাসানোই ভাল।

    ওদিকে সরকার শুনলাম চা বাগানের মালিকের বিরুদ্ধে সি আই ডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সেজন্য নাকি আবার বণিকমহল চিন্তিত ও ক্ষুব্ধ। রাজ্যে শিল্পের জন্য ভুল বার্তা যাবে। আপনারাও নিশ্চয় সেই ব্যাপারে চিন্তিত হয়ে আরেক দফা গাল দেবেন। আর না দিলে আবার চা বাগান নিয়ে আক্টিভিস্টদের প্রশংসা করে ফেলতে হবে, সরকারের উপর চাপ দেবার। উভয় সঙ্কট। কী করবেন, ভেবে দেখবেন।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০৯:০২665268
  • "সুতরাং ঢাকুরিয়া কখনই উদাহরণ হিসাবে আসবে না।"
    যাক বাঁচালেন। আমি তো শুধু ঢাকুরিয়ার কথা জানি এমনটাই দাবী করেছি। হালতু, কসবা ইত্যাদি প্রসঙ্গে কিছু বলিনি তো!!

    "এই যেমন চা বাগান নিয়ে কারা কী কাজ করেন কিচ্ছুটি না জেনে কেউ কেউ মন্তব্য করে দেন না তাঁরা চা বাগানের শ্রমিকদের মারছেন।"
    দিন দুয়েক আগে টিভির আলোচনাচক্রে বোলান (এই প্রথম সম্ভব্তঃ) স্বীকার করলেন যে সিঙ্গুরের এক্টিভিস্টরা কিভাবে মব্যার "গ্যালারী শো"-এ ব্যবহৃত হয়েছে। "গ্যালারী শো" শব্দদ্বয় বোলানই ব্যবহার করেছেন। তাই পরের প্রশ্ন.......

    "এই যেমন চা বাগান নিয়ে কারা কী কাজ করেন কিচ্ছুটি না জেনে কেউ কেউ মন্তব্য করে দেন না তাঁরা চা বাগানের শ্রমিকদের মারছেন।"
    এখনো কিন্তু জানা গেল না যে এই আমলে তিনোর অনুমতি ছাড়া এক্টিভিস্টরা চা বাগানে কি করে কাজ করছে। উলোটোডাঙা আর বিদ্যুতের মাশুলের এক্টিভিস্টদের কি হাল হয়েছিল সেটা জানি বলেই এই প্রশ্নটা তুলেছি। এই প্রসঙ্গে এখনো aranya-র উত্তরের অপেক্ষাতে আছি।
  • sm | 53.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০৯:১৬665269
  • লিস্টে তো বাঙালির মেরুদন্ড আম্বিকেশ বাবুর নাম দেখলাম। ত়া, এটাও গ্যালারী শো নাকি?
  • মিকটেক্স | 152.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০৯:৪৫665270
  • সিঙ্গুর আন্দোলন হওয়া অত্যন্ত জরুরী ছিল, বেশ কয়েকটা কারনে।

    প্রথম কারন অবশ্যই তখনকার পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন আনার জন্য ওরকম কোন একটা আন্দোলন দরকার ছিল। তিরিশ বছরের বেশী পুরনো অচলায়তন নড়ানোর জন্য একটা আন্দোলন দরকার ছিল। মমতা ব্যানার্জি নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে সিঙ্গুর আন্দোলন করে কোন ভুল করেননি, কারন তিনি রাজনীতিক। সিঙ্গুর আন্দোলনের ফলে তখনকার শাসক দলকে বেকায়দায় ফেলে যদি তিনি ক্ষমতা দখল করে থাকেন তো অন্যায় কিছু করেন নি, তাঁর যা কাজ সেটাই করেছেন।

    কিন্তু এটা সিঙ্গুর আন্দোলনের প্রধান কারন না। প্রধান কারন, সেই সময়ে বহু রাজ্যে জমি অধিগ্রহনের নামে বাড়াবাড়ি শুরু হয়ে গেছিল। বহু জায়গায় সরকার নামমাত্র ক্ষতিপূরনে জমি নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টদের দিয়ে দিচ্ছিল। তার বিরুদ্ধে সাধারন লোকের আন্দোলন অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছিল। কোথাও না কোথাও শুরু হতই, ঘটনাক্রমে সিঙ্গুরে শুরু হয়। এটাও দেখা দরকার যে সেই সময়ে যাঁরা আন্দোলন শুরু করেছিলেন তাঁরা ভারতের বহু রাজ্যেই কৃষকদের নিয়ে আন্দোলন করছিলেন - কোথাও সফল হন, কোথাও সফল হননি। কিন্তু জমি অধিগ্রহনের নামে সরকার-ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট নেক্সাসের জমি আত্মসাৎএর বিরুদ্ধে সারা দেশে সাধারন মানুষ সরব হচ্ছিলেন।

    আর সিঙ্গুর আন্দোলনের সুফল হিসেবে পাওয়া গেছে পরবর্তী সময়ের জমি অধিগ্রহন আইন, যা অন্তত আগের আইনের থেকে অল্প কিছুটা ভালো। ভালো যে, তার প্রমান মোদী বহু চেষ্টা করেও শেষে পিছিয়ে এলেন, আইনের পরিবর্তন করলেন না। মোদী, অন্তত এখনো, জনতার পালস বোঝেন। এই নতুন আইন পাল্টাতে গেলে যে নিজের গদি উল্টে যেতে পারে, সেটা বুঝতে পেরেছেন। তো এই জনমত গড়ে তোলার কাজে সিঙ্গুর আন্দোলনেরও ভূমিকা ছিল।
  • PM | 59.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০৯:৪৭665271
  • পাইকে প্রশ্ন আপনার লিস্তির যারা গেলেন তাদের যাওয়ার ফল কি হইলো ? এদের কাজ সফল না ব্যর্থ --এর জন্য এর কার কাছে উত্তরদায়ী। এদের পারফর্মেন্সের মাপকাঠি কি?

    সফল হলে এদের কি লাভ হয় তা সিঙ্গুর/নন্দীগ্রামে দেখা গেছে ( রেল কমিটির মাইনে থেকে শুরু করে মন্ত্রীত্ব পর্য্যন্ত), ব্যর্থ হলে এদের কোনো খেসারত দিতে হয় কি। নাকি পুরোটাই উইন উইন কেস?
  • মিকটেক্স | 152.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ০৯:৫০665273
  • এটাও বলবো, এখনকার আমাদের দেশের আইনি জটিলতার কথা মাথায় রেখেও হয়তো অনেকে সিঙ্গুরে জমি আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। আইনের মারপ্যঁচে ঢুকে গেলে যে দশ বছরের আগে সিঙ্গুর মামলার সুরাহা হবেনা, সেটা হয়তো কেউ কেউ জানতেন। তাও তাঁরা আন্দোলন করেছিলেন কারন কোথাও একটা স্ট্যান্ড নিতেই হ্ত। নাহলে সারা দেশে সরকারের সহায়তায় লাগাতার জমি অধিগ্রহন বাড়তেই থাকতো। সেটা যে কিছুটা হলেও ধাক্কা খেয়েছে, এটাই সিঙ্গুর আন্দোলনের বড়ো অবদান।
  • sm | 53.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ১০:০৪665274
  • মিকটেক্স, বুঝিয়ে পারবেন না কারণ সিঙ্গুরের জন্য ৩৪ বছরের পাকা চাকরি চলে গেছে।
    আন্দোলনকারী ও সাধারণ জনতা কে গালমন্দ দেওয়া ছাড়া তো এদের কিছুই অবশিষ্ট নাই। আর আগের সরকারের আমলে কে কে কিভাবে চাকরি পেয়েছে, সেতো নতুন করে কিছু বলার নেই।
    কিছুদিন আগেই যাকে বাঙালির মেরুদন্ড বলা হচ্ছিল, তিনিও তো কোনো এক জমায়েতের ডাক দিয়েছেন, দেখলাম। তা, এর বেলা পি পন্ডিত দের কি বক্তব্য?
  • SC | 117.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ১০:০৮665275
  • miktex কে অনেকগুলো ক। এক্কেবারে।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ১০:১৬665276
  • miktex-এর লেখা ভাল লাগল। শুধু একটা ব্যাপার পরিষ্কার হলনা। সিঙ্গুরের চাষীর এতে কি উপকার হল?
  • মিকটেক্স | 152.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ১০:৩২665277
  • সিঙ্গুরের চাষীর কোন উপকার হয়নি। কিন্তু তাঁরা তো উপকার-অপকারের প্রশ্নের বাইরে বেরিয়ে গেছিলেন বহু আগে, যখন সরকার জমি অধিগ্রহন প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছিল! একটা রাজ্যের সরকার ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টের কথায় কেন জমি অধিগ্রহন শুরু করবে, কেন সামাজিক দিকটা খতিয়ে দেখবে না, এই প্রশ্ন তো তখন তোলা উচিত ছিল। সিঙ্গুর আন্দোলনের লাভ এটাই যে সারা দেশে জনমত গড়তে সাহায্য করেছে, সারা দেশের সরকারগুলোকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি এনে দাঁড় করিয়েছে।
  • pi | 74.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ১০:৪৯665278
  • পিএম প্রশ্ন তো আপনাকে ছিল। এদের মধ্যে কোন 'প্রফেশনাল অক্টিভিস্টদের 'গালি দিচ্ছিলেন ?
  • PT | 213.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ১০:৫১665279
  • "কিন্তু তাঁরা তো উপকার-অপকারের প্রশ্নের বাইরে বেরিয়ে গেছিলেন বহু আগে, যখন সরকার জমি অধিগ্রহন প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছিল! "
    অঐতিহাসিক সত্য হিসেবে প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে? যদি ধরেই নিই ব্যাপারটা তাই-ই, তাহলে আন্দোলন তো অপকার থেকে উপকারে উত্তরণের একটা পদ্ধতি। সেখানে এই আন্দোলন সিঙ্গুরের চাষীর স্বার্থ বাদ দিয়ে "সারা দেশে জনমত" গড়ার কাজে লাগানো হল? জনমত এতটাই প্রবল হল যে সেইজন্যে টাটারা সানন্দে কোন আন্দোলন ছাড়াই জমি পেয়ে গেল? আর হালে অমরাবতীতে নতুন রাজধানীর জন্য কোন শব্দ ছাড়াই ১০ লাখ একর জমি অধিগ্রীহিত হল?
  • PT | 213.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ১০:৫২665280
  • ** এটা ঐতিহাসিক
  • PM | 11.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ১১:০৫665281
  • মিকটেক্স এর যুক্তি আমারও ভালো লেগেছে। অনেক "বিপ্লাবীর"থেকে যুক্তিপূর্ন। একমত যে টাই সিঙ্গুরের পসিটিভ আউটকাম।

    কিন্তু আন্তরিক দুঃখের সাথে জানাচ্ছি এর জন্য আমাদের যে দাম দিতে হলো তা হলো-

    ১। সিঙ্গুরের চাষীদের বর্তমান ও ভবিষ্যত। আন্দোলনের সময় যদি পরিস্কার করে দেওয়া হতো যে এটা সিঙ্গুরের চাষীদের উপকারের আন্দোলন নয়- বরং তাদের স্যক্রিফাইসের বিনিময়ে দেশের পলিসি পরবর্ত্তন করা তাহলে গোল ছিলো না। এই আন্দোলনের জন্য যে সব মিথ্যা প্রোপাগান্ডা করা হয়েছিলো সেগুলোর জন্যে দুঃখ প্রকাশের সময় এসেছে। সিঙ্গুরের চাষীদের ক্ষতি আসলে--"বৃহত্তর লক্ষ্যের সাধনের জন্য সামন্য কোল্যাটেরাল ড্যামেজ "এরকম ঘোষনাও করা যেতে পরে।

    ২। পঃবঃ এর শিল্প সম্ভাবনা। পরবর্ত্তী দুই প্রজন্মের জন্য শিক্ষিত বাঙালীর পঃবঃ এ চাকরী পাওয়ার আশা দুরাশা। সরকারী চাকরী নেই থাকলেও পয়সা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। বেসরকারী ইন্ভেস্টমেন্ট হচ্ছে না ( বিষবত প্রয়), তাই সেটাও দুরাশা। এই সমস্যা জ্যোতিবাবুর সময়ের থেকেও ক্রিটিকাল, কারন এখন শিক্ষিতের সংখ্যা অনেক বেশী, শিক্ষিতদের চাহিদাও আমাদের সময়ের থেকে বেশী।
  • PM | 11.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ১১:১৫665282
  • পাই, কামদুনীর ঐ দুই মহিলার যদি সামন্য ক্ষতিও হয় তবে আপনার লিস্টের সক্কলকে গালাগালি দেবো।

    এই সব সখের প্রফেসনাল/সখের প্রতিবাদী এমনকি হৃদয়ের টানে প্রতিবাদী এদের যে প্রতিষ্ঠিত রজনৈতিক দলের বিকল্প বলে চালানোর চেষ্টা হচ্ছে সেত এক্কেবারেই ফোলানো ফানুষ
  • শ্রী সদা | 212.*.*.* | ০২ নভেম্বর ২০১৫ ১১:১৬665284
  • চাগ্রীবাগ্রী দিয়ে কি হবে। চাষ করুন চাষ। ওসব আইটি হ্যান ত্যান পুঁজিবাদী জিনিসপত্তর যাদের চাই তারা বরং অন্য রাজ্যে যাক।

    "Every nation gets the government it deserves."
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন