এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড?

    s
    অন্যান্য | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৯৭৪৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ১৭ মার্চ ২০১৩ ২০:১০582036
  • নাঃ, তোমার কথা বলছি না, কিন্তু এখানে 'মানবতাবাদী' দের তো অনেক খোঁচাই খেতে হয়ে থাকে, পাব্লিক লিংচিং এর ধমকিও বাদ যায় না। তো, বলার এটাই ছিল, শুধু অপরাধী সংশোধন নয়, অপরাধ সংঘটন আটকানোর জন্যেও অনেক কিছু করা যায়, করা হচ্ছেও, অ্যান্টি রেপ বিলে সে নিয়ে অনেক ক্লজই এসেছে। আমি সেগুলো নিয়ে বলেছি। মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করা লোকজনও অপরাধ আটকানো নিয়ে ভাবে, তাই নিয়ে আন্দোলন করে, সেটাই বলার ছিল।
  • sch | ১৭ মার্চ ২০১৩ ২১:১২582037
  • আসলে আমি কি চাই বলুন তো সোসেন দিদি। নাইট শিফট করে বোন বাড়ি না ফেরা অব্দি কাঁটা হয়ে থাকবো না, টুশানি থেকে সে সেফলি ফিরে আসবে, ক্যারাটে শিখিয়ে আর পিপার স্প্রে কিনে দিয়ে তো আর তাকে একশো ভাগ সুরক্ষা দিতে পারবো না আর তার জন্যে মনে হয় চারপাশটাকে পরিষ্কার করা forokar।
    বারাসতের ঘটনাগুলো ভাবার চেষ্টা করি - প্রতি দু তিন মাস অন্তর একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ভাবুন তো রাজীব দাসের খুনীদের জেলে বোঝানো হচ্ছে - আর জেলের বাইরের অপরাধীরা সেই শুনে সংশোধিত হচ্ছে। সরি ভাবা গেল না

    এই "রিফর্মের" মডেলটা তো reactive - বাইরের মানুষের কাছে কোনো মেসেজ যাচ্ছে না, শুধু ভেতরের লোকগুলো রিফর্মড হচ্ছে। লাভ তো হল না। আমি সেই জন্যে cruel punishment এর পক্ষে - আর সেটা প্রচারের পক্ষে। এই চুপি চুপি ফাঁসিতে লাভ নেই। এর প্রচার চাই - আর ফাঁসির প্রচার করা খুব ডিসেন্ট না লাগলে - একজন অপরাধী কি ভাবে জেলের মধ্যে অত্যাচারিত হচ্ছে সেটার প্রচার চাই - তার সেল্টা কতো ছোট, কতো কম খাবার সে পায়, কত কম ঘুমিয়ে তাকে খাটতে হয়- অবাধ্য হলে কি শাস্তি পেতে হয়, - একজন ধর্ষণকারীর কোনো মানবাধিকার নেই। অন্য কোনো অপরাধীর থাকতে পারে।

    জানি এই লেখার থেকেও পিকড আপ কমেন্ট হবে "ফাঁসির প্রচার করা উচিত" ঠিক যেভাবে পাব্লিক লিঞ্চিং বা বেত্রাঘাতের চমৎকার অর্থবিকৃতি ঘটানো হয়েছে। কিন্তু সমস্যা নেই আমার বক্তব্য ক্যারি করার "ধক" আমার আছে
  • riddhi | ১৭ মার্চ ২০১৩ ২২:৫৮582038
  • কল্লোলদা, হ্যাঁ রিকার্ডো দারিন! আমি এনার ছবি এই প্রথম দেখলাম।
  • কল্লোল | ১৭ মার্চ ২০১৩ ২৩:৫৩582039
  • সোসন।
    আসলে আমরা তো সাধারণভাবে মিডিয়া চালিত, তাই মিডিয়ায় না এলে কোন কিছুই কোন কিছু নয়। এই দিল্লীর কান্ডটি নিয়ে মিডিয়ার হৈচৈয়ে এতো কিছু। যেন এর আগে ধর্ষণ নিয়ে কারুর কোন মাথা ব্যথা ছিলো না।
    মাত্র কিছু কাল আগেও (হয়তো বছর ১০ আগেও) ধর্ষণ সংক্রান্ত আইনটি ছিলো অতীব হাস্যকর। কারুর বিরুদ্ধে খুনের/চুরির/ঠকানোর/মরামারি করার অভিযোগ থাকলে অভিযুক্তকে প্রমাণ করতে হয় যে সে অপরাধ করেনি। ধর্ষণ মামলায় উল্টোটা হতো। অভিযোগকারীকে প্রমাণ করতে হতো যে তিনি ধর্ষিত হয়েছেন। বহু মানবাধিকার সংগঠন বহু নারীবাদী সংগঠনের বহুদিনের লড়াইয়ের পর আইন পাল্টায় ও অন্য মামলাগুলোর মতো অভিযুক্তকে প্রমাণ করতে হয় যে সে অপরাধটি করেনি।
    এই আন্দোলন মিডিয়ায় আসেনি, তাই "অমানবতাবাদী"রা এসব নিয়ে মাথাও ঘামান নি।
    ভয় দেখিয়ে অপরাধ বন্ধ করা যায় কিনা সেটা তুমি আমাদের চেয়ে অনেক ভালো জানবে। একটা মানুষ যখন অপরাধ করে তখন শাস্তির কথা তার মাথায় থাকে কি? সে তো জানে খুন করলে শাস্তি কি হতে পারে। তাতে কি খুন করা থেকে সে বিরত হয়?
    স্চ।
    এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। পবতে এই নিরীক্ষা চলছে ধারাবাহিক্ভাবে। মাঝে মাঝেই খবরে আসে বন্দীদের দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে। বন্দীরা ছবি আঁকছে ইঃ।
    এই দিল্লীর ঘটনা নিয়ে কতো কান্ড ঘটলো। যাকে বলে "ওয়েল পাবলিসাইজড" এক্ষেত্রে তাই হয়েছে। কিভাবে রাম সিং আত্মহত্যা করেছে তাও সকলেই জেনেছে। এদের যে মৃত্যুদন্ড হবে সেটাও বেশ প্রচারিত। আইন যে পাল্টানো হলো সেটাও সবাই জানে। তরপরেও ঘটনা ঘটেই চলেছে। কেন? একদিন দিল্লী কান্ডের দুষ্কৃতিদের ফাঁসীও হবে। তাতে কমবে ধর্ষণ? পবতেই তো ধনঞ্জয়ের ফাঁসী হলো যথেষ্ট শোরগোল করে। তাতে বারসত আটকালো?
    অপরাধ ঘটতে না দেওয়া একটা বিষয়। অপরাধীকে রিফর্ম করা আর একটা বিষয়।
  • sch | ১৮ মার্চ ২০১৩ ০২:০৬582040
  • কল্লোলদা একটা উদাহরণ দি, আগেও বোধহয় বলেছিলাম। কাসব যাখন ধরা পড়ে প্রথমে মুখ খুলতে চায় নি তারপর তাকে মর্গে নিয়ে গিয়ে বাকি সংগীদের মৃতদেহ দেখানো হয়।তাদের অনেকের দেহ বীভতস ভাবে ক্ষতবিক্ষত, পোড়া, মুখে কষ্টের চিহ্ন - এইসব দেখার পর কাসব broke down - সে কাঁদতে কাঁদতে বলে আমায় যে বলেছিল এরা সোজা বেহস্তে যাবে - মৃত্যুর সময় ফরিস্তার দেখা পাবে। তারপরেই সে মুখ খোলে। সত্যি কিথ্যা জানি না - এটা মুম্বাইয়ের পুলিশ কমিশানারের দীর্ঘ এক ইন্টারভিউতে পড়া - লিঙ্ক এতদিন বাদে দিতে পারছি না।
    এই একই ভাবে ফাঁসি হয়েছে শোনা আর ফাঁসির কঠিনতাকে উপলব্ধি করা বোধহয় আলাদা। বাচ্চারা যদি দেখে কেউ আগুনে হাত দিলে হাত পুড়ে গেল বলে কষ্ট পাচ্ছে তারা আগুনকে ভয় পেতে শেখে। এটা সেই রকম। দিল্লীর অপরাধীদের ফা*সি হয়েছে এটা শুনলে লাভ হবে না কিছুই। কিন্তু মাঝে মাঝে যদি আদালতে তাদের জেরার সময় তাদের ভয়ার্ত মুখ দেখানো হয়, ফাঁসির আদেশ শোনার পর তাদের প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়, হয়তো কিছু লাভ হবে। একজন হলে হতে পারে ধর্ষণকারীর মনের পর্ডায় হয়তো সেই ছবিটা কিছু ছাপ রেখে যাবে। আরো ভালো হয় সাধারণ মানুষোকে ইন্টারভিউ করে তাদের ওপর মানুষের যে ঘৃণা সেটাকে প্রচার করলে।

    ভয় পাওয়াতে হয় - সহজে কি কেউ পায়? পুটুস করে ফাঁসি দিয়ে ফাঁসির খবর কাগজে ছাপলে কিচ্ছু অপরাধদমন হবে না - সে বিষয়ে আমি আপনার সাথে একমত
  • pi | ১৮ মার্চ ২০১৩ ০২:১১582041
  • অনেক আগে একটা পোস্ট করেছিলাম উত্তর পাইনি।

    যাবজ্জীবন কারাদণ্ডটা কোন ডেটারেন্ট নয় বলছেন ? মানে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তো হবেই জেনে, কিন্তু ও আর এমন কি ভেবে লোকে নির্দ্বিধায়, নির্ভয়ে ধর্ষণ করে ?

    আমার আবার ধারণা ছিল, ধরা পড়বো না বা পড়লেও অপরাধ প্রমাণিত হবে না, ডেসপারেশনের পিছনে এই জাতীয় ধারণা কাজ করে, কিম্বা ভবিষ্যতে এর ফল কী হতে পারে সেই নিয়ে কোন ভাবনাই কাজ করছে না, এরকম কোন ঝোঁকের মাথায় অপরাধ সংঘটিত হয়।

    এর সাথে আরেকটা প্রশ্ন এখন যোগ করে দি। এই ফাঁসির সম্প্রচার ইত্যাদি না হলে এফেক্টিভ ডেটারেন্ট হবেনা ইঃ পয়েন্ট পড়ার পর।

    ফাঁসি হবেই জেনেও, ফাঁসিই তো, ও আর এমন কি ব্যাপার, এই ভেবে লোকে ধর্ষণ করবে ?
  • sch | ১৮ মার্চ ২০১৩ ০৩:০৩582042
  • অপরাধতত্ত্ব আর মনোবিশ্লেষণ, দুটোতেই আমার শুন্য জ্ঞান। তাও ব্যবহারিক বুদ্ধি থেকে বলার চেষ্টা করছি। কখনো যখন ট্রাফিক আইনের খুব কড়াকড়ি হয় (ওই ট্রাফিক সপ্তাহ, রাস্তায় স্পীদ মাপার যন্ত্র লাগানো) ট্যাক্সি ড্রাইভাররা সাবধান হয়ে যায় - "দাদা একটু তাড়াতাড়ি চলুন না" বললে শুনতে হয় পাগলা নাকি দাদা - আপনার জন্যে হাজার টাকা ফাইন দেব - পুলিশ ধরলে কেস যা খাবো না। আবার এগুলো চলে গেলে ্যে কে সেই। কলকাতার কিছু রাস্তায় যখন পথচারীদের "আনন্দ ভ্রমণ" বন্ধ করার উদ্দেশে, নির্দিষ্ট জায়গা দিয়ে রাস্তা না পেড়োলে ফাইন করা চালু হয়েছিল তখন অনেকেই ভয়ে ঠিকঠাক রাস্তা পাড় হচ্ছিলেন। যেকোনো কাজে পেনাল্টি ফাইন এগুলোর উদ্দেশ্য তো সেগুলো বন্ধ করা, নিশ্চয় রেভিনিউ বাড়ানো নয়। তো সেগুলোতে লোকে পাত্তা দেয় - কারণ কি? তা না করলে কন্সিকোয়েন্স কি হবে দেখতে পায় চোখের সামনে।

    একজন যাবজ্জীবন সাজা মানে কি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে সেটা কি আমরা জানি? খবরটা পড়লে কি আমার চোখের সামনে কোনো ভয়ানক ছবি ভেসে ওঠে - ওঠে না। তাহলে এটা কিভাবে ডেটারাণ্ট হবে। এট লিস্ট ফাঁসি শুনলে একটা লোক বোঝে সে আর বেঁচে থাকবে না।

    রেপের ক্ষেত্রে আমার ধারণা দু ধরণের মনোবৃত্তি কাজ করে - ১) কামনা তাড়িত, জৈবিক প্রবৃত্তি, সেক্সুয়াল স্টার্ভেশান - ভারতবর্ষে নারী পুরুষ রেশীওর অসামঞ্জস্য, এবং কমার্মিশিয়াল মিডিয়ায় মেয়েদের যৌন পণ্য হিসেবে প্রোট্রেয়াল এটার কারণ বলে আমার মনে হয়। সৈন্যবাহিনীর কেউ সিভিলিয়ানদের ধর্ষণ করলে তার পেছনেও এই স্টার্ভেশান কাজ করে বলে আমার ধারণা - এটা বোধহয় খুব ইম্পালসিভ না বেশির ভাগ সময় - এর পেছনে বোধহয় কিছুটা প্ল্যানিং থাকে - সুযোগের অপেক্ষা, টার্গেটের অসহয়তা ইত্যাদি
    ২) বদলা নেওয়ার অস্ত্র, দমিয়ে রাখার অস্ত্র- সেটা দিল্লীর ঘটনার ক্ষেত্রে হয়েছিল বলে মনে হয়।

    যদি ধর্ষণ শব্দটা বললেই মানুষের মনে একটা শাস্তি সংক্রান্ত ভয়ের চিত্র আসে তাহলে হয়তো প্রথম কারণের ক্ষেত্রে সেই ভয়টা ডেটারেন্ট। (একটু খেয়াল করবেন, আমি কিন্তু আগের আগের লেখাটাতেও বলেছি ফাঁসির সম্প্রচার ফিসিবল না, আবারও লেখার জিস্ট সেই আমি যা ভেবেছিলাম সেইখানেই চলে যাচ্ছে)।
    যেটা দরকার সেটা হল লোকের মনে ভয়ের ছবিটা তুলে ধরা - সেটা যদি ফাঁসির অল্প আগে কয়েকজন রিপোর্টার ইন্টারভিউ নেয় - "এই যে ফাঁসি হবে আপনার কি মনে হচ্ছে" উত্তরে অপরাধী কাঁদতে কাঁদতে বলল আর একবার বাঁচার সুযোগ পেলে সে কোনোদিন এই অপরাধ করবে না - বা ফাঁসিতে ওঠার আগে লোকটার ভয়ার্ত মুখের ছবি দেখায়, সেটা একজন হলে হতে পারে অপরাধীর মনে কোনো ছবি ফেলবে।

    কি জানি - আমার তো মনে হয় এতে অল্প হলেও কাজ হবে - আসলে আমার বুদ্ধিতে কোনো কাজের রিস্ক আনালিসিস যখন কোনো সম্ভাব্য অপরাধী করে, তখন কি শাস্তি হতে পারে সেটা সে ভাবে, এক মুহুর্তের জন্যে হলেও। তা না হলে ধরুন আমায় মারার সুপুরি কাউকে দিলে আর একজন ভি আই পি কে মারার সুপুরি কাউকে দিলে তো লোকে একই চার্জ করত। আমায় মারতে গেলে রিস্ক কম। তাই খরচা কম - এখানেও কিন্তু সেই ধরা পড়া ইত্যাদি মাথায় থাকে

    মে বি হয়তো খুব "নেইভ" আনালিসিস হল
  • কল্লোল | ১৮ মার্চ ২০১৩ ১০:১০582043
  • স্চ। অনেক ধন্যবাদ কাসভের ঘটনাটা লেখার জন্য।
    খেয়াল করুন কাসভ কেন ভেঙ্গে পড়ছে -
    "সে কাঁদতে কাঁদতে বলে আমায় যে বলেছিল এরা সোজা বেহস্তে যাবে - মৃত্যুর সময় ফরিস্তার দেখা পাবে।"
    এইটা জরুরী। কাসভ জনতো যে তারা মারা যেতেই পারে। ইন ফ্যাক্ট তাদের বলা হয়েছিলো, যে ওরা মারা যাবেই। কিন্তু ওপারে শাহদাৎ অপেক্ষা করছে তাদের জন্য। ফরিস্তারা হাতে ধরে তাদের বেহস্তে নিয়ে যাবে। সঙ্গীদের ঝলসানো দেহ দেখে তার মনে হলো যে এরা মৃত্যুকালে ফরিস্তার দেখা পায় নি। তাইতে সে ভেঙ্গে পড়ে। কাসভ মরতে ভয় পেলে এই কাজে আসতো না। সে ভয় পেয়েছে মরার পরে ফরিস্তার দেখা না পাওয়ার সম্ভাবনায়।
    জরুরী হলো যে বিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে সে অপরাধ করেছে সেই বিশ্বাসের অন্তসারশূণ্যতাকে দেখিয়ে দেওয়া।
    ধরুন যদি কাসভ নাস্তিক হতো? বহু নাস্তিক সন্ত্রাসবাদীও তো আছে? সে তো ধরেই নিতো আদর্শের জন্য আত্মত্যাগই পথ। ক্ষুদিরাম ইঃদের ফাঁসী হয়েছিলো বলে কি ব্রিটিশের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নেয়নি কেউ? কিন্তু কোনভাবে যদি তাদের ভবিষ্যত দেখানো যেতো - এই দেখুন আপনাদের শহীদত্বকে দুপায়ে মাড়িয়ে আকন্ঠ দুর্নীতিগ্রস্তরা স্বধীন ভারতের ভাগ্যবিধাতা হবে, তবে কি তারা জীবনের ঝুঁকি নিতেন?
    বহু বিপ্লবী, যাঁরা পরেও বেঁচে ছিলেন, তাঁদের এটাই তো অভিযোগ ছিলো।
  • চান্দু মিঁঞা | ১৮ মার্চ ২০১৩ ১০:১২582044
  • বোকা বোকা প্রশ্নটা করেই ফেলি, দিল্লী কান্ডের অভিযুক্তদের মাসিক ক পয়সা করে রোজগার ছিল কেউ জানেন?
  • সে | ১৮ মার্চ ২০১৩ ১৫:৫৬582046
  • The history of intraracial (Indian-on-Indian) rape in early colonial India. Though at times uneven and unpredictable in their rulings, British judges created a set of evidentiary requirements and a body of legal decisions that were as harsh on rape victims as the precolonial Islamic system was presumed to be. Despite the colonial promise of a more modern and humane criminal law, the gradual displacement of Islamic law did little to widen rape victims' path to legal remedy. English common law presumptions about the frequency of false charges and a suspicion of women's claims combined with a colonial insistence on the peculiarity of Indian culture to make it difficult for victims of rape to prevail in court. The colonial legal treatment of the “unsensational” crime of rape was rather unsensational. It largely reflected contemporary trends in England, which raises the important question of what was distinctively colonial about it.
    The Journal of Asian Studies / Volume 69 / Issue 04 / November 2010, pp 1093-1117

    The issue of capital punishment does not merely involve the right state policy; it involves the deeper question of moral values in civil society. Given the intrinsic alienation, heterogeneity, and individualism of modern society, it is hard to imagine that a common culture of shared values, which will work as a binding agent for all of us, can be evolved. This, however, is the rationale for the theory of rehabilitation.
    Economic and Political Weekly /Vol. 33, No. 13 (Mar. 26 - Apr. 3, 1998), pp. 677-A1

    Although the rhetoric of capital punishment operates in the name of women, its objective is not the right to bodily autonomy of all women. Retribution aims at punishing men for having breached the contract between the masculinist state and all men. A reading of the Lok Sabha debates around the amendments to the rape law in 1983 indicates that the object of legislative reform was politicised between the state and the individual offender, defining the powers of the masculinist state over the kind of women who may be sexually accessible to all men, and others to some men.
    Economic and Political Weekly/ Vol. 35, No. 14 (Apr. 1-7, 2000), pp. 1196-1200
  • সে | ১৮ মার্চ ২০১৩ ১৬:১২582047
  • In a country like India where extreme social stratification and increasing social turmoil are likely to sharply affect the ideas and opinions of people, including judicial officers, putting in human hands the discretion to take life can be quite dangerous. Conflict and turmoil apart, the very deep stratification of Indian society makes even-handed dispensation of justice a problematic thing in the best of times. We live in times of severe social turmoil and the ascendance of the extremely illiberal politics of the Hindu fanatics. As this mood catches on we are going to find the courts silently handing out more and more harsh punishments bending backward to look at evidence from the policemen's point of view and sending more and more people to the hangman. It is in this context that the debate on capital punishment must be conducted.
    Economic and Political Weekly/ Vol. 33, No. 38 (Sep. 19-25, 1998), pp. 2438-2447
  • সে | ১৮ মার্চ ২০১৩ ১৬:১৯582048
  • Beginning with the passage of the death penalty for rapists of children in Louisiana in 1995, a series of similar statutes have been proposed and passed in state legislatures across the country. The Louisiana Supreme Court subsequently upheld the statute despite the United States Supreme Court holding in Coker v. Georgia that capital punishment was unconstitutional for rape. The supporters of the new statute have argued that Coker does not apply to the rape of children. As a result, the political forces in favor of increasing punishment of child molestors have pushed the death penalty as a solution.

    The United States has not been alone in pursuing this course. Even as the global trend has been away from using capital punishment, more countries are applying it the crime of rape. This is true even in countries where the death penalty is not allowed for murder.

    This article argues that the source of this movement in the United States and around the globe is a revival of Victorian notions that someone is better off dead than raped. The elevation of chastity and purity has led activists, governments, and media to increasingly believe rape is a crime worse than murder. The article cites a range of speakers and writers who have argued that rape is indeed a crime worse than death.

    Unfortunately, this trend serves to set back feminism in many ways. The emphasis on virginity and the invoking of Saint Maria Goretti has undermined efforts to help people recover from rape. After all, if it is better to be dead, then suicide is a logical option for many who have been raped. Further, the policy goals of these new statutes are often self-defeating. The end result of capital rape statutes is that criminals have an increased incentive to kill their victims so there will be no witnesses to their crime.

    Because of the rhetoric driving these statutes, it is important that the fight against this statues not be confined to the legislatures and courtrooms. The cultural norms underlying these efforts must be attacked and awareness must be raised. Otherwise, the attitudes of patriarchy supporting the capital rape statutes will continue to undermine the goals of feminism in America and around the world.

    St. Johns Law Review, Vol. 78, No. 4, p. 1119, Fall 2004
  • b | ১৮ মার্চ ২০১৩ ১৭:২৮582049
  • স্চ এর পোস্ট এর পরিপ্রেক্ষিতেঃ কামুর রিফ্লেকশন অন গিলোটিন থেকেঃ

    "Instead of vaguely evoking a debt that someone this very morning paid to the society, would it not be a more effective example to remind each taxpayer in detail of what he may expect? Instead of saying: "If you kill, you will atone for it on the scaffold," wouldn't it be better to tell
    him, for purposes of example: "If you kill, you will be imprisoned for months or years, torn between an impossible despair and a constantly renewed terror, Until one morning we shall slip into your cell after removing our shoes the. better to take you by surprise while you are sound asleep after the night's anguish. We shall fall on you, tie your hands behind your back, cut with scissors your shirt collar and your hair if need be. Perfectionists
    that we are, we shall bind your arms with a strap so that you are forced to stoop and your neck will be more accessible. Then we shall carry you, an assistant on each side supporting you by the arm, with your feet dragging behind through the corridors. Then, under a night sky, one of the executioners will finally seize you by the seat of your pants and throw you horizontally on a board while another will steady your head in the lunette and a third will let fall from at height of seven feet a hundred and-twenty-pound blade that will slice off your head like
    a razor."

    আরো

    "For the example to be even better, for the terror to impress each of us sufficiently to outweigh at the right moment an irresistible desire for murder, it would be essential to go still further. Instead of boasting, with the pretentious thoughtlessness characteristic of us, of invented this rapid and humane method of killing condemned men, we should publish thousands of copies the eyewitness accounts and medical reports of the'
    the state of the body after the execution, to be read in schools and universities."
  • pi | ১৯ মার্চ ২০১৩ ০৯:৫৯582053
  • বাজে হল।

    যাহোক, এই লেখাটা সবার পড়ার জন্য রইলো। এক প্রাক্তন তিহার জেল বন্দীর সাক্ষাতকার। এই গণধর্ষণের অপরাধীর। 'প্রাক্তন' কেন, সেটা আর বল্লাম না, লেখাতেই পড়ুন।

    http://india.blogs.nytimes.com/2013/03/18/a-conversation-with-former-tihar-inmate-niranjan-kumar-mandal/
  • অনিকেত পথিক | ১৯ মার্চ ২০১৩ ১২:০৯582054
  • যে কোন ঘটনা ঘটে যাবার পর শুধু অপরাধির শাস্তি দাবী করা ছাড়া আমাদের আর কিছু করার থাকে না ! মনে আশা থাকে এক অপরাধির শাস্তি পরের অপরাধিকে ভয় পাওয়াবে ! তাই আমরা দাবি করে যাই কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তির, ‘দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’র। কখনো কখনো অপরাধি তেমন শাস্তিই পায় কিন্ত আমাদের অংক মেলে না, অপরাধের মাত্রা কমে না, আমরাও ভাবি না আমাদের হিসেবে কোথায় ভুল হল ! যে ঘটনার পর দেশজোড়া এত বিক্ষোভ, মোমবাতি মিছিল, যার চাপে একজন অপরাধি আত্মহত্যাও করলেন, এই সবকিছুর প্রকৃত অভিঘাত কতটুকু হল ? কারো প্রাণেই কি লেশমাত্র ভীতি কিম্বা সুবুদ্ধির উদয় হয়েছে আজ পর্যন্ত নাকি কেউ একবারও ভাবছে যে রাম সিং দের যে অবস্থা / শাস্তি হবে, ধরা পড়লে আমারও সেই শাস্তিই হবে !
    অপরাধিরা ধরা পড়ার পর তাদের শাস্তি চাওয়া সব চেয়ে সহজ কাজ। কিন্ত অপরাধের গোড়ায় পৌছোতে চাইলে দেখা যায় ওই যে কথাটা ‘ধরা পড়লে’ ওইটিই আসল, সবাই ভাবছে যে ধরা পড়ে পড়ুক আমি ধরা পড়ব না.........একটা অপরাধ আর তার ‘দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’ পাওয়া এই দুই-এর মাঝে এক বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে ধরা পড়া ও বিচারের ধূসর অববাহিকা। ধরা পড়লে পরীক্ষা বাতিল জেনেও যেমন ছাত্ররা পরীক্ষায় টুকলি করে, জেলখাটার ভয় (তার আগে গণপিটুনি) আছে জেনেও যে চুরি-পকেটমারি চলে, খুনের শাস্তি ফাঁসি জেনেও ছা্পোষা গৃহস্থ জোট বেঁধে বাড়ির বউকে খুন করে, এই সব কিছুর পেছনে আছে একরকম নিশ্চিন্তি যে ‘আমি ধরা পড়ব না’। তাই মনু শর্মা কয়েকশো লোকের চোখের সামনে একজনকে অনায়াসে খুন করে ফেলে আর এই সেদিন হালিশহরে জমজমাট বিয়েবাড়ির মধ্যে একটা ওয়ান-শটার নিয়ে বরকে খুন করে ফেলে কনের প্রেমিক (যতটুকু জানি)। রাম সিং-ও সেই ভয়ানক অপরাধের পর বাড়িতে নিশ্চিন্তে বসে ছিল, ভাবেইনি যে সে ধরা পড়তে পারে। এরা কি কোনোদিন জানেনি, শোনেনি যে খুনের শাস্তি ফাঁসী ? তবে কি করে আমরা ভরসা করব যে আর একবার ফাঁসীর কথা শুনলেই ভবিষ্যতের অপরাধিরা ভয় পেয়ে যাবে ?
    ‘দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’র বিষয়ে বলি, যে নিজে মার খেয়েছে তার মনে ভয় জেগে থাকে যার দরুণ সে নিজে অপরাধ থেকে দূরে থাকে, কিন্ত অন্য কারুর শারীরিক নির্যাতন কি মানুষকে আদৌ প্রভাবিত করে ? দামিনীর শরীরে লোহার রড যে ঢুকিয়েছিল সে কি সত্যি অনুভব করতে পারে কি ভয়ানক যন্ত্রনা! পারে না (আমিও পারি না, কেবল ভেবে শিউরে উঠি)পারলে হয়তো এই কাজ করত না। তেমনি অপরাধিকে শাস্তি পেতে দেখলে কেউ শিউরে উঠবে, কেউ ভাববে ‘ঠিক হয়েছে, যেমন কর্ম তেমনি ফল’ ! আর সম্ভাব্য অপরাধি মনে মনে ভাববে খুব ‘সাবধানে কাজ সারতে হবে, যাতে ধরা না পড়ি’ কিম্বা ‘আমি ধরা পড়ব না............। তাই ঘটনা ঘটে যাবার পর শাস্তির পরিমাণ বাড়িয়ে কিছু গায়ের ঝাল মেটানো ছাড়া আর কিছু হয় ? নাঃ ! বর্বরতা দিয়ে কোন সমস্যার সমাধান হয় না। যে অপরাধ করতে চলেছে, তার মনে প্রথমে এই ভয় আসতে হবে যে আমি ধরা পড়ে যাব, তারপর যা শাস্তির বিধান আছে, তাই যথেষ্ট।
  • pi | ১৯ মার্চ ২০১৩ ২১:০২582057
  • কিছু মণিমুক্তো ঃ)

    "...And here comes the real culprit – what women wear!

    It’s almost a good thing that Lok Sabha TV isn’t on our favourites list usually. Because, if you were to see and hear who runs our country, who takes decisions, who contests them, you would probably feel safer in the Sunderbans than in your own homes.

    Shailendra Kumar of Samajwadi Party concludes his rather convoluted speech by blaming mobile phones, internet and yes, ‘pehnawa’ – clothes women wear.

    “Ajkal desh mein pehnawa itna galat ho gaya hai, ki kya bolun (These days the sense of dressing has become so wrong, what to say)?” says Kumar. And he doesn’t just stop at that. He turns at Jayaprada to take a dig at her and says in a wily tone, “Jayaprada ji, I have seen you films. I watch them…,” leaving a broad hint at the clothes that the actor has worn in her films.

    Strangely enough, the House doesn’t protest...
  • সে | ১৯ মার্চ ২০১৩ ২১:২২582058
  • আরো মণিমুক্তা

    ১৬ ডিসেম্বরের ঘটনার পর থেকে স্বকর্ণে শোনা কিছু উক্তি থেকে

    - আজকাল মেয়েদের পোশাক আশাকের যা অবস্থা হয়েছে তাকানো যায় না। শুধু একপক্ষকে দোষ দেওয়া যায় না ( পাড়ার অবসরপ্রাপ্ত আঙ্কেল)
    - অল্প কাপড় জামা পরে ছেলেদের উস্কে দিচ্ছেটা কারা? (মধ্য কলকাতার এক দোকানদার)
    - তুমি বাঘের সামনে মাংস রেখে দেবে আর সে খাবে না? (এক মাসীমা বললেন)
    - আমাদের সময়ে তো এসব রেপ টেপ ছিলো না! আমরা কি রাস্তায় বেরোতাম না? কিন্তু ভদ্রভাবে শাড়ী পরতাম। ( মাসীমা, ঐ)
    - শাড়ীর মতো এত সুন্দর পোশাক পর্যন্ত এমন অসভ্যভাবে পরে যে দেখবে তার আর দোষ কি? ( এটাও মাসীমা, অন্য)
    .
    .
    .
  • pi | ১৯ মার্চ ২০১৩ ২১:৫৯582059
  • ঃ)

    আরো কিছু।
    শরদ যাদব ঃ

    Why Sharad Yadav is the real rockstar

    This is one man Yash Chopra would have been proud of. Sharad Yadav of JD(U) continues his argument for ‘mohabbat’ or love and against provisions of the new anti-rape ordinance. “I still think that making stalking to voyeurism a punishable offence is too harsh and wrong. Peecha karne ke liye, taakne jhaakne ke liye, yeh bahut badi saza hai (It’s too harsh a punishment for stalking or following people),” says Sharad Yadav.

    “When you watch Sheila ki jawaani or Munni with her Zandu Balm what goes on in your mind…?” Yadav says teasingly, adding, “So what, we are all men after all!”

    He trashed the provision as ‘faaltu’ and said instead of such laws the government should make sure that people who marry for love, who get into inter caste marriages, are given government protection and government jobs.

    “Now that is doing great service to the youth of India. We have all followed women around in youth. And women don’t talk to men first, we men have to follow them and get them to talk. So, now will you put all young men in love in jails? There aren’t enough jails too here,” the wise man points out...
  • শ্রাবণী | ১৯ মার্চ ২০১৩ ২২:০০582060
  • বিরোধীদের প্রায় কোনো অ্যামেন্ডমেন্টই এলনা, সব নো হয়ে গেল....................পুলিশ কাস্টডিতে সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট, হোমগুলোতে, স্টকিং নন বেলেবল করা.....এরা অল পার্টি মিটিংয়ে করছিল কী, নাকি সেখানেও কেউ শোনেনি
  • pi | ১৯ মার্চ ২০১৩ ২২:০৩582061
  • তবে লাল্লুআংকল হেব্বি জবাব দিয়েছেন, শারদস্যারকে।

    "..For every Sharad Yadav, there is a Lalu Prasad Yadav

    Lalu Yadav takes it upon himself to educate the ever-romantic Sharad Yadav on the realities on the Indian backlands. He says that the Bill is not against the average Road Romeo, it is against the ‘habitual ghume wala’. Anti-rape Bill nor not, at least the stalker just got a new definition, desi style.

    And all those down-with-American Idol trolls, Lalu has news for you. “The Sun Temple in Konark is full of sculptures of naked women and men. Khajuraho is full of such images. What will you do about them? Cover them up all?”

    He then goes after Asaram Bapu. “What do you do when saints in the country are like this. This saint said that the girl should have begged with the rapists and called them brothers to escape the assault!”
  • sch | ২০ মার্চ ২০১৩ ০২:৪৬582062
  • @কল্লোলদা - সম্প্রতি ঘটে যাওয়া লাস্ট তিন চারদিনের ঘটনার (মধ্যপ্রদেশে সুইজারল্যান্ডের নাগরিকের ঘটনা আর দিল্লীর নাগরিকের ঘটনা) পর আমি কনভিন্সড যে ফাঁসি দিয়ে ধর্ষণের ঘটনা কোনো মতেই কমানো যাবে না - আমার ভাবনায় সত্যিই ভুল ছিল - ফাঁসি কোনো সলিউশানই না
  • কল্লোল | ২০ মার্চ ২০১৩ ০৬:৫৮582063
  • স্চ। মৃত্যুদন্ড-বিরোধী চিন্তায় স্বাগতঃ-)
  • চান্দু মিঁঞা | ২০ মার্চ ২০১৩ ০৮:৩৩582064
  • অপরাধীর মন এবং তার পশ্চাদপট বোঝা সবার আগে জরুরী।
  • pi | ২০ মার্চ ২০১৩ ০৮:৫২582065
  • সুইজারল্যান্ড, আগ্রা ... এসব তো মিডিয়ার দৌলতে হাইলাইটেড হচ্ছে, হইচই হচ্ছে, কিছুটা হাই প্রোফাইল কেস বলে, দেশের ইমেজ বাইরে খারাপ হবে বলে, নইলে রোজই এরকম ঘটনা দেশের নানা প্রান্তে ঘটেই চলেছে। এই ঘটনাগুলোতে তাও শাস্তি হয়তো হবে, অন্যগুলোর বেশিরভাগ .. কী জানি, মিডিয়াতে যদিও বা কোথাও খবরটুকু আসে, তো ফলো আপও আর দেখিনা। পার্ক স্ট্রীট ঘটনার পরপরই আরো দুটো কেস হয়েছিল, সেগুলো নিয়ে তো আর উচ্চবাচ্যাও দেখলাম না।
  • সে | ২০ মার্চ ২০১৩ ১৩:১৫582066
  • হয়ত বোকার মতো শোনাচ্ছে তবুও আমার ধারণা বিশাল এক পার্সেন্টেজ মানুষ* (অধিকাংশ বল্লাম না) মহিলাদের সম্মান করে না। ভোগের জিনিস হিসেবে বিবেচনা করে।
    পরিবারের মধ্যেই মহিলাদের সম্মান না করে করে এই অসাম্যের উদ্ভব। চারপাশের পরিবেশ এবং সমাজব্যবস্থাও এর জন্যে দায়ী।
    এই জেন্ডার বায়াস শুধু দরিদ্র অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত বর্গগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্বচ্ছল শিক্ষিতদের মধ্যেও এই মনোভাব বর্তমান যদিও সেটা খোলাখুলিভাবে প্রকাশ করে না।
    সমাজশিক্ষার মাধ্যমে মহিলাদের প্রতি অসম্মান কমানোর চেষ্টা করা যেতে পারে। যেকোনো মানুষের শরীর তার নিজের শরীর, একজন মহিলার শরীরও তার নিজের শরীর এবং তার অনিচ্ছায় বা জোর জবরদস্তি করা যে অনুচিত সেই বোধটুকু শিখিয়ে দিলে উপকার হতে পারে।

    সব রিসার্চ পেপার ফ্রি নয় তাই লিংক দিচ্ছিনা।

    চুরি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ জেনেও প্রচুর লোক ছোটো বড়ো চুরি করে চলছে।। সবাই ধরা পড়ে না। খুব সামান্য সংখ্যক ধরা পড়ে শাস্তি পায়। যতক্ষন না ধরা পড়ছে চুরি কিন্তু করে যায়। চোর বা ধর্ষক আঁট্ঘাট বেঁধেই কাজ করে। অন্যদিকে খুনী আঁট্ঘাট বেঁধেও কাজ করতে পারে রাগের মাথায় হঠাৎ করেও খুন করতে পারে।

    * মানুষ=মহিলা এবং পুরুষ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন