এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ১২৫৫০৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Santanu | ১৯ জুলাই ২০০৮ ০৯:৪৭562411
  • মুসলিমদের কয়টি সন্তান হচ্ছে, তা নিয়ে অনেকের মতো আমার বিন্দুমাত্র মাথাব্যাথা নাই। (আমার শালি মুসলিম বিয়া করিয়াছেন ও তার সন্তান হচ্ছে না, এ নিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে একটু চিন্তিত দেখি, ব্যস)।

    এই পোস্ট টা নেহাত ঐ World Bank এর ডাটা গুলো একটু বুঝে নেবার জন্য:

    ফার্টিলিটি রেট কমছে, নিশ্চই কমছে, হাজার বার কমছে, সারা জগৎ জুড়ে কমছে, জাতি ধর্ম ভেদাভেদ ভুলে কমছে। আর ঐ রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০০৪ এর World average fertility rate is 2.6

    তুলনা করার জন্য ১) মুসলিম জনসংখ্যার হিসাবে প্রথম ১৫ টি দেশ ২) তার মধ্যে যে দেশগুলি ইসলামিক স্টেট বা স্টেট রিলিজিয়ান মুসলিম সেগুলো কে নিলাম। তাতে ব্যাপারটা এই রকম হলো: Pakistan 4.3, Bangladesh 3.0, Egypt 3.2, Iran 2.1, Morocco 2.6, Algeria 2.5, Afghanistan 7.2, Saudi 4.0, Iraq 4.4, Syria 3.3, Malaysia 2.8

    ১১ টি বৃহত্তম মুসলিম ধর্মীয় মুসলিম জনসংখ্যার দেশের মধ্যে ৮ টি দেশের ফার্টিলিটি রেট World average এর থেকে বেশী।

    এর পর যদি কেউ বলেন, মুসলমানদের (অনেক রকম আর্থ-সামাজিক কারণে এবং কম করার ঐকান্তিক প্রচেস্টা সত্বেও) সন্তান বেশী হচ্ছে, সেটা খুব ভুল বলা হবে?
  • pi | ১৯ জুলাই ২০০৮ ১০:৪২562412
  • কেনিয়া ৫.
    জিম্বাবোয়ে ৩.
    উগাণ্ডা ৭.
    কম্বোডিয়া ৪.
    বলিভিয়া ৩.
    ভুটান ৪.
    জাম্বিয়া ৫.
    কঙ্গো ৬.
  • pi | ১৯ জুলাই ২০০৮ ১১:০০562413
  • আফ্রিকা মহাদেশের সমগ্র পৃথিবীর উপর আধিপত্য বিস্তার সংক্রান্ত ষড়যন্ত্রের কোনো গন্ধ পাচ্ছেন ? :)
  • dri | ১৯ জুলাই ২০০৮ ১১:০৮562414
  • না:, আফ্রিকা পারবে না। জিম্বাবোয়ের স্ট্রাইক রেট বড্ড কম।
  • pi | ১৯ জুলাই ২০০৮ ১১:১২562415
  • আহা, 'ওয়ার্ল্ড অ্যাভারেজের' থেকে তো বেশ বেশি ! :)
  • dri | ১৯ জুলাই ২০০৮ ১১:১৫562416
  • ওহো, বুঝেছি। জিম্বাবোয়েতে অনেক সাদা আছে না? ওদের জন্যেই রেট অ্যাতো কম।

    হম্‌। একটা প্যাটার্ন দেখতে পাচ্ছি। মুসলিম আর কালো। এরাই যত নষ্টের গোড়া।
  • santanu | ১৯ জুলাই ২০০৮ ১৭:৫৪562417
  • সংখ্যা যদি ষড়যন্ত্র করে, কি আর করা যাবে। তবে রসিকতার মধ্যে বোঝা গেল আফ্রিকার মুসলিম দের গোনা যাবে না। (কালো বলে, না কি? তবে গোনা গেলে কেচ্ছা হতো)বেশ গুনব না।

    আগের বার সর্বোচ্চ মুসলিম জনসংখ্যার দেশ নেওয়া হয়েছিল, এবার হোক সর্বোচ্চ ফার্টিলিটির দেশ, তার থেকে কালো মহাদেশ আর ছোটো দুএকটা দ্বীপ কে বাদ দিয়ে দিলাম। গল্প গুলো এখান থেকে নেওয়া http://tinyurl.com/pe8f8

    Afghanistan – Fertility rate: 6.58 – 99% Muslim Population
    Yemen – 6.41 – 99%
    Oman – 5.62 – 100%
    Maldives – 4.66 – 90%
    Laos – 4.5 – 1%
    Iraq – 3.97 – 97%
    Nepal – 3.91 – 4%
    Saudi – 3.89 – 100%


    ফার্টিলিটি রেটে সবার আগে থাকা ৮ টি দেশের মধ্যে খুদে লাওস আর নেপাল বাদ দিলে মুসলিম পপুলেসনের জয়জয়কার।।
    ডি: এবার কেউ যদি বলেন মুসলিমদের বেশী সন্তান হচ্ছে - তো:? আমি তার সাথে ২০০% একমত, হচ্ছে তো, হোক না তাতে কার কি?
  • pi | ১৯ জুলাই ২০০৮ ২০:৫৫562418
  • না:, রসিকতাটা আপনি কিছু ধরতে পারেননি মনে হয়।
    আফ্রিকার মুসলিমদের কথা বাদ দিতে কে বলেছে ?
    বলা হয়েছে আফ্রিকায় মুসলিম কি অ-মুসলিম, পরিসংখ্যান এক ই।

    তা, আফ্রিকা অর্থনৈতিক ভাবে অনুন্নত বলে ধর্মের angle টা আনতে অসুবিধে হচ্ছে কি ? :)

    ঠিক আছে, আপনার কথামত ওটা বাদ থাক।
    আপনার ই লিস্টের মিনিমাম ৩.৮৯ কে কাট -ওফ রাখলাম আর আপনার ই লিন্‌ক টা দেখলাম, আপনি ছটি মুসলিম ও মাত্র দুটো অ-মুসলিম দেশ পেয়েছেন তো, আমি আরো
    ছয়টি দেশ দিয়ে দিলাম।
    টোটাল ক'টা হল তালে ? :)

    ইস্ট তিমর ৬.৯৬ ( মুসলিম ১%)
    গুয়াতেমালা ৪.৬ (মুসলিম ০.০১%)
    পাপুয়া নিউ গিনি ৪.৩ (মুসলিমের প্রায় অস্তিত্ব বিহীন)
    মাইক্রোনেশিয়া ৪.২৩ (ঐ)
    ভানুয়াতু ৪.১৫ (ঐ)
    হাইতি ৪.০ (ঐ)

    :)
  • santanu | ১৯ জুলাই ২০০৮ ২১:৫৯562419
  • আপনি ঠিকই বলেছেন, কেবল বুঝলাম না, আপনার দেওয়া দেশ গুলো টেবিল ১ (যেখান থেকে আমি নিয়েছিলাম) এ নেই ক্যনো, থাকলে আমি ই তুলে দিতাম, আপনাকে কষ্ট করতে হতো না। যাক সে আর আপনি কি করবেন।

    না: ধর্মের angle কিছু নাই, গরীব মানুষ দের বেশী সন্তান হয়, অনগ্রসর জাতির হয়, SC/ST দের হয় আর মুসলমানদের Average এর থেকে বেশী সন্তান হয় না - না হোক।

    আপনার আরো একটা ধন্যবাদ বাকি আছে, আপনার মল সংক্রান্ত লিংক টা খুব কাজে লেগে গেল মেয়ের স্কুলের প্রোজেক্টের জন্যে।
  • Guruchandali | ২০ জুলাই ২০০৮ ১২:৫১562421
  • ---------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা: গণশত্রু
    ---------------------------
  • Suvajit | ২০ জুলাই ২০০৮ ২০:১৬562422
  • লেখাটার মধ্যে আমি কোনো মানে খুঁজে পেলাম না। লেখক নিজের কিছু ধারণাকে, তথ্যের বালাই না মেনে চাপিয়ে দিতে চেষ্টা করেছেন মনে হল। গনতান্ত্রিক দেশে সবার নিজস্ব মতামত দেবার অধিকার আছে, ইন্টারনেটে তো বটেই। সে মতামত আপনার পছন্দ না হলে আপনি বিরুদ্ধ মত দিন। কিন্তু তার থেকে একটা কনক্লুশনে আসাটা রজ্জুতে সর্পভ্রম মনে হয়। আর রিডিফের মেসেজবোর্ড নিয়ে আলোচনাই অবান্তর, ওখানে তো খেস্তাখিস্তি আর ভুলভাল ইংরেজি ছাড়া কিছু দেখি না।
  • h | ২০ জুলাই ২০০৮ ২২:১২562423
  • আমার এই লেখাটা সময়োপোযোগী মনে হয়েছে। ব্রেখটএর বিশ্বখ্যাত কবিতাটার কথা মনে করাচ্ছে। তার কারণ হল রিডিফ বা এনডিটিভি বা টাইম্‌স বা আরো কিসব যেন আছে, সেগুলোর ওপিনিয়ন সাইটে যে সব ছাগলের দেখা আমরা পাই, সেটার জেনেরালি একটাই টাইপ। সেইটা হল নিউ শাইনিং ইন্ডিয়ার ঢপ টারে গেলাতে যারা যারা অসুবিধে করতে পারে তাদের হগলকে গাল দেওয়ার মতৈক্য, অধিকার না বলে বলে বলা উচিত অনধিকারের স্টেটাস কুয়ো বজায় রাখতে যাদের যাদের অসুবিধে বলে মনে হচ্ছে তাদের গাল দেওয়ার মতৈক্য। ভীষণ তাড়াতাড়ি দেশের বিশ্ব শক্তি হয়ে ওঠার নেশায় যারা মশগুল (মানে ততক্ষণই মশগুল যতক্ষন এই ঢপে টু পাইস আসে) তারা দুর্বল আভ্যন্তরীন শত্রু খুঁজবেন এটা খুব আশচর্য্য নয়। এটারে ঠিক গণতন্ত্র বলে না, উল্টে মিডিয়ার বিশেষত: নিউ মিডিয়ার রিপ্রেজেন্টেটিভ চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আমার ধারণা যে কোন অর্থনৈতিক ট্রান্সফর্মেশনের চরিত্র হল তার যারা সবচেয়ে বেশি বেনেফিসিয়ারি, তারাই সবচেয়ে বেশি পরমত অসহিষ্ণু। এক্ষেত্রে আমি 'সন্ত্রস্ত' কথাটা ব্যবহার করছিনা, স্রেফ ম্যানিফেস্টো কে বেশি টোকা হয়ে যাবে বলে ;-)
  • nyara | ২১ জুলাই ২০০৮ ০৬:১৮562424
  • অকিঞ্চিৎকর এই লেখাটা সম্বন্ধে কিছু বেশিই লেখার আছে। কেন, তা বলি।

    লেখাটায় যা যা বলা হয়েছে, তার সঙ্গে অনেক কথার সঙ্গেই আমি একমত। যেমন, বাঙালী, হয়ত ভারতবর্ষেরও, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীতে যে সহজ, যুক্তিরহিত, বেআব্রু ও হায়াহীন মুশলমান বিদ্বেষ উচ্চারিত হচ্ছে, তা গায়ে কাঁটা দেবার পক্ষে যথেষ্ট। সেই সঙ্গে হিন্দু-মুশলমান রাজনৈতিক তর্জায় মিডিয়ার দোহারকিও চোখে পড়ার মতন। সে দিক দিয়ে লেখার বিষয় এই সময়ের উপযোগী।

    কিন্তু, এই লেখার গোলমাল দুটো জায়গায়। একটা হল, লেখাটা প্রোপাগ্যান্ডা-ধর্মী। যুক্তিবুদ্ধির বালাইহীন গবেট লেখা। অন্য একটি সফল মিডিয়ার প্রতি বিষোদগার। এমন নয় যে রিডিফ সম্বন্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তার সঙ্গে আমি ভিন্নমত। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে, ঠিক কোন আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক অবস্থা ও ব্যবস্থার জন্যে 'অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতাবান, সামজিকভাবে অগ্রসর, যুবক (ও কিছু যুবতী)' এই মুশলমানবিদ্বেষের প্রপাগ্যান্ডায় বিশ্বাস করছে ও সময়েবিশেষে উদ্বেলিত হচ্ছে - সে সম্বন্ধে অন্তত উল্লেখ না করায় এই লেখাও একটা গা-জোয়ারি প্রপাগ্যান্ডার বেশি এগোয় না। লেখায় যত আবেগ তার সিকিভাগ যুক্তি থাকলে পাঠযোগ্য লেখা পাওয়া সম্ভাবনা থাকলেও থাকতে পারত।

    এর সঙ্গে বিষ্ফোটক হিসেবে উপস্থিত, নাইভ, স্বকপোলকল্পিত বামপন্থী-ডানপন্থী বিভাজনের উইশফুল থিংকিং। শুধু থিংকিং থাকলে অসুবিধে ছিল না, রাইটিং হয়ে গিয়ে গোল বেধেছে। জগতে যা কিছু ভাল তা বামপন্থী ও বাকিরা দক্ষিণপন্থী - লেখক এরকম ভাবতে ভালবাসেন। অন্তত লেখা পড়ে তাই মনে হয়। যেমন ধরুন গিরিশের জলভরা তালশাঁস ভাল অতএব বামপন্থী। পাড়ার গোপাল ময়রার দানাদার কিটকিটে মিষ্টি এবং জঘন্য, অতএব ওটি দক্ষিণপন্থী। নইলে মুশলমানবিদ্বেষ নিয়ে বামপন্থী-দক্ষিণপন্থী ভাগ এত সহজে টানা যায় না। ভারতে উগ্র জাতীয়তাবাদী (আÒট্রা ন্যাশনালিস্টের বাংলা তো তাই?) যে দলগুলো - বিজেপি ও তার সাঙ্গপাঙ্গ আরএসএস বা বজরঙ্গ দল - তারা মুশলমানবিদ্বেষের সঙ্গে ছড়ায় অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি মুশলমানতোষনের অভিযোগ। এই অভিযোগের লক্ষ্য বামপন্থী দলগুলোর সঙ্গে দক্ষিণপন্থী কংগ্রেস ও বিভিন্ন আঞ্চলিক কংগ্রেসি শাখা-প্রশাখাও। কাজেই মুশলমানবিদ্বেষের বিরুদ্ধে দাঁড়ান শুধু বামপন্থীদের একচেটিয়া, এই মত পোষণ করা শুধু অতিসরলীকরণই নয়, ভুলও।

    আজকের ভারতবর্ষের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শেষের যুক্তিটি বিশেষ লেজিটিমেসি পায়। পারমাণবিক চুক্তি বিষয়ে বামদলগুলির যে অবস্থান, তার ঠিক ভুল বিচারে না গিয়েও বলা যায়, সেটি একটি জাতীয়তাবাদী অবস্থান। পার্লামেন্টের বামদলগুলির বিজেপির সঙ্গে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়ার প্রস্তুতির মানে দাঁড়ায় বামরা মনে করে এখন মৌলবাদবিরোধী অবস্থানের থেকে জাতীয়তাবাদী অবস্থান নেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটা ক্ল্যাসিকাল বামপন্থী অবস্থান থেকে বিচ্যুতি বলে আমি মনে করি।

    লেখাটার দ্বিতীয় যে গোলমাল সেটা ব্যক্তিগত। 'বুলবুলভাজা' যে কোন কাগজের অপ-এড কলামের সঙ্গে তুলনীয়। এনডোর্সড নয়, কিন্তু সম্পদকমন্ডলীর অ্যাপ্রুভড লেখা। সেখানে লেখা গুণগতমানের বিচার চলে আসে। এমন অগভীর, যুক্তিবুদ্ধিরহিত ও প্রপাগ্যান্ডিস্ট লেখা (এককথায় গবেট লেখা) যদি বার বার প্রকাশিত হতে থাক - বিশেষে অন্য স্বরের কোন লেখার অনুপস্থিতিতে, তখন আমাদের মতন পাঠকদের মনে হতে পারে তাহলে এটাই সম্পাদকমন্ডলীর অবস্থান। নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতন 'লিবারেল' পত্রিকার অপ-এড কলামনিস্টদের মধ্যে দক্ষিণপন্থী দুজন লেখক সবসময়েই বহাল থাকেন। রিডিফের মতন পত্রিকাতেও বামপন্থী কলামনিস্টরা একেবারে অচ্ছুৎ নন। কাজেই, গুরুচন্ডালির একসুর প্রপাগ্যান্ডিস্ট অবস্থান খুব পীড়াদায়ক। বছর সাত-আট আগে, যখন রিডিফ একটি সুস্পষ্ট অতি-দক্ষিণ বাঁক নেয় - বর্ষা ভোঁসলে, রাজিব শ্রীনিবাসনের মতন কলামন্সিস্টদের বিশেষ পাত্তা সহযোগে - ব্যক্তিগতভাবে আমি রিডিফে আকর্ষণ হারাই। আমি চাই না, গুরুচন্ডালীর ক্ষেত্রেও আমাকে সেই একই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে হোক। গবেট লেখা অনেক আছে ও থাকবে। গুরুচন্ডালীর সম্পাদিত পাতায় তাদের বার বার উপস্থিতি সেই লেখার লেখক সম্বন্ধে যত না বলে, গুচর সম্পাদকীয় দায়িত্ব বা পরিপক্কতার অনুপস্থিতি সম্বন্ধে অনেক বেশি সোচ্চারে বলে। বামপন্থী-ডানপন্থী-অমুকপন্থী-তমুকপন্থী লেখা আসুক, কিন্তু গুণগতমান যেন এই লেখার মতন না হয়।
  • santanu | ২১ জুলাই ২০০৮ ০৯:১৫562425
  • ন্যড়াবাবুর লেখাটির সাথে প্রায় একমত - আমারো পড়ে মনে হয়েছিল, গুরুচন্ডালি তে এরকম লেখা!! অদ্ভুত। আরো ভেবেছিলাম কোন বিজ্ঞ ব্যাক্তিকে জিগেস করে জানতে হবে বাম-ডানপন্থীর সাথে মুসলমান এর কি সম্পর্ক?

    তাহলে প্রায় ক্যানো?

    বুলবুলভাজাতে আছে আর ন্যাড়াবাবুও লিখেছেন - এই মুহুর্তে দেশে মুসলমান বিদ্বেষ গায় কাঁটা দেওয়া ভয়ংকর রুপ ধারণ করেছে। এটা কোথা থেকে জানা গেল? বিজেপি র অনেক ভোট বেড়েছে, অনেক রাজ্যতে সরকার গড়েছে, কেন্দ্রে আবার চলে আসতে পারে - এই যদি কারণ হয়, তাহলে তা তো বহুদিন আগেই শুরু হয়েছে।

    কিন্তু দুচারটি ব্লগে, ওয়েবসাইটে লেখালিখি দেখে যদি এই ধারণা হয়, সেটা বোধহয় ঠিক নয়। প্রথমত: ১১০ কোটির দেশে কটা লোক ব্লগে, ওয়েবসাইটে লেখালিখি করে? দ্বিতীয়ত যারা এইরুপ লেখেন তাদের মুসলমান বিদ্বেষ আগে থেকেই ছিল, ব্লগে লেখার concept টা ছিল না বলে, আগে লিখতেন না বা জানা যায় নি। এই মুহুর্তে হঠাৎ বেড়েছে বলে তো মনে হয় না। (বচ্চনবাবু কে জিগেস করেছিল, আরে আপনি তো সাংবাদিকদের তুলো ধুনতে শুরু করে দিলেন, কি হলো আপনার। উনি বললেন, এই ব্লগে লেখার ব্যাপারটা তো আগে জানতাম না।)

    কলকাতায় বছরের অনেকটা সময় কাটিয়ে আমার তো উল্টোটাই মনে হয়, মুসলমানদ্বেষ আমাদের আগের জেনারেসানের এর থেকে আমাদের জেনারেসানের অনেক কম আর আমাদের পরের জেনারেসানের তো নেই বললেই চলে।

    হয়তো আরো অনেক ব্যাপার আছে যা আমি জানি না।
  • h | ২১ জুলাই ২০০৮ ১৯:২৪562426
  • দক্ষিনপন্থীদের এডিটোরিয়াল স্পেস না দিলে একটা পত্রিকা যথেষ্ট লিবেরাল বা অ্যাকসেপ্টবেল হবে না ন্যাড়ার এই পজিশন টা আমার অদভুত ঠেকলো।
    এছাড়া ন্যাড়া আগে দেখেছে কিনা জানিনা বিভিন্ন ধরণের ক্লাসিকাল বামপন্থী পজিশন(মার্ক্স সহ ;-) ) কে কড়া থেকে মাঝারি ধরণের সমালোচনা করে যে সবচেয়ে বেশি প্রবন্ধ লিখেছে এতদিন সেটা সৈকত নিজে। ভালো দক্ষিনপন্থী প্রাবন্ধিক কেসটা অলভ্য বলছিনা, তবে তাঁদের মধ্যে যাঁরা তোমার পছন্দ হবে তাঁরা কেউ বিনে পয়সায় বাংলায় গুরুতে লিকে দেবে কিনা সন্দেহ আছে, তাদের অনেক বড় বড় ফোরাম আছে;-) এক যদি শ্যামলদা আর কেডিদা কিছু অনুবাদ নামান বা নিজে লেখেন!

    আর এন ওয়াই টাইমসের অপ এড পেজ খুব স্বাভাবিক ভাবেই গুরুর থেকে আকর্ষনীয় কিন্তু এন ওয়াই টাইমস এর ইরাক যুদ্ধের আগের ভূমিকার কথা মনে রাখলে জার্নালিজমের কোয়ালিটির আর্গুমেন্ট টা দাঁড়ায় না।

    এইবার লিবেরাল কারে কয়। পশ্চিম বঙ্গে আপাতত দুই প্রকার লিবেরাল। এক যারা মনমোহনের অর্থনীতি ও ফরেন পলিসি শিফটে মোহিত এবং পাবলিক সেকটরের ধ্বংস সম্পূর্ণ হওয়ায় পুলকিত। দুই সিপি আই এমের বিরোধী বিসু (বৈ, থ্যা:), এঁদের বড় অংশটাই দীর্ঘদিনের সিপিআই এম বিরোধী। মানে সিপি আই এম রাজ্য সরকারে আসার আগে থেকেই।

    তৃণমূলকে ভোট দিয়ে পঞ্চায়েত ভোটে যাঁরা ভাল ফল করতে সাহায্য করেছেন, যাঁরা রিজওয়ানের মৃত্যুর পরে খচে গিয়ে ঢিল টিল ছুঁড়েছিলেন বা হঠাৎ করে কার উপরে রাগ করা দরকার ঠিক না করে তসলিমার উপরে রেগে গেছিলেন, যাঁরা মরেন এবং কখনো কখনো মারেন, সুসিল নাগরিক সমাজে তাঁদের জায়গা আদৌ নেই। থাকবেও না। কারণ সুশাসনের বিভিন্ন সময়ের শিক্ষিত দের মধ্যে বা কাগজে পপুলার মডেল গুলোতে তাঁদের খুব বেশি স্থান নেই। এঁদের মধ্যে অনেকেই আগে সিপিএমেরে ভোট দিয়েছেন, যাঁদের কথা সিপিআই এম ছাগল নেতৃঙ্কÄ কনভিনিয়েন্টলি ভুলে গেছেন, এবং এঁরা আরো আপাতত আরো অনেকদিন সিপিএম/তৃণমূল/কংগ্রেসে বিভক্ত থাকবেন। ডাক্তার না থাকা হাসপাতালের মতই আমাদের যথার্থ মানুষের কাজে লাগার মত পার্টির আর নেতৃঙ্কেÄর অভাব আছে। কাগজের অপ এড পেজের ভালো প্রবন্ধের লেখক ও পাঠক দের দিয়া এই জায়্‌গা ভর্তি হওয়া কঠিন।

    তো এক আর দুই এদের মধ্যে যারা কমন তাঁরা বুদ্ধ নিরুপমের বিভিন্ন অপূর্ব পলিসির সমর্থক। আর সোশাল ডেমোক্রাসির সমর্থক যাঁরা মার্কেট ইকোনোমির সঙ্গে চক্ষুলজ্জা বাঁচানোর মত সুশাসন বা সোশাল সার্ভিস চান তাঁরা দ্বিতীয় গ্রুপের সাবসেট।

    প্রবন্ধের কোয়ালিটি বস্তুটা একটু চাপের। কারণ প্রফেসনাল প্রাবন্ধিক কেউ ই নন। মোটামুটি মতপ্রকাশ হচ্ছে। কখনো দাঁড়াচ্ছে কখনো দাঁড়াচ্ছে না।

    যে কয়েকটা গ্রুপের কথা বল্লাম সেখান থেকে নিরপেক্ষতার দিক থেকে খুব বেশি কোয়ালিটির প্রবন্ধ বেরোনো মুশকিল।

    লিবেরালিজম বস্তুটা কে প্রশ্ন করার ঐতিহ্য মারা গেছে, এইটাতে লিবেরালিজমেরি সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। মানে মুখোসটার। ওভারল।

    সবচেয়ে বড় কথা ন্যাড়া, মাইরী যতখুশি গাল দাও, বামপন্থীদের, কিন্তু নিজে প্রবন্ধ লেখ। এটা গুরুর কাজে লাগাবে কিনা তোমার ব্যাপার। সৈকতের ব্যাপার। তবে চিন্তা যারা করতে পারে তাদের না লেখার কোন মানে হয় না।
    কোন পত্রিকায় সেটা ইমেটেরিয়াল। এটা আমার ন্যাড়ারে বলার অধিকার আছে কারণ আমি আ: বা: যা পারি লিখি :-)

    সৈকতেরে কঠিন সমর্থন কইরা এই যে এতটা লিখলাম, এর বদলে আমারে না খাওয়ালে খুব ই ইন্‌জাস্টিস হবে।
  • rimi | ২১ জুলাই ২০০৮ ২২:৫২562427
  • "নিরপেক্ষতার দিক থেকে খুব বেশী কোয়ালিটির প্রবন্ধ বেরোনো মুশকিল" - নিরপেক্ষতার দিক থেকে কোয়ালিটি মানে কি? লেখক বামপন্থী মতবাদ প্রকাশ করতেই পারেন। কিন্তু কেন তাঁর এই মতবাদ গ্রহণ এই ব্যাখ্যাটি দেওয়াও তাঁর দায়িত্ব। প্রত্যেকটি কথার পিছনে যুক্তি থাকলে আর লেখার মধ্যে ধারাবাহিকতা ও পারম্পর্য্য থাকলেই কিন্তু প্রবন্ধ পাঠযোগ্য হয়। এর জন্যে প্রফেশনাল প্রাবন্ধিক হবার দরকার হয় না। নয়ত লেখক তাঁর পাঠকমন্ডলীকে এতই নিচু চোখে দেখেন যে যুক্তি এবং ব্যখ্যা দেওয়াটা প্রয়োজন মনেই করেন না।

    আমি বাম ডান নিয়ে কোনো বিতর্কে যেতে চাই না। সম্বিত সরকারের দুটি প্রবন্ধ পড়লাম, দুটি প্রবন্ধেই এক ব্যপার - যুক্তি ছাড়া কিছু মত খাপছাড়া ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। লেখায় পারম্পর্য্যের অভাব লক্ষণীয়। বেশ কিছু স্ববিরোধী মন্তব্য চোখে পড়ে (বিশেষ করে প্রথম প্রবন্ধ টিতে)। "কমপ্যাক্টনেস" ব্যপারটা তো একেবারেই নেই। ক্লাস নাইন টেনের ভালো ছাত্ররাও এর থেকে ঢের ভালো প্রবন্ধ নামাতে পারে।

    আমি সমালোচনা করলাম এর মানে এই নয় যে প্রবন্ধ আমাকেই লিখতে হবে। আমি পাঠক। অতএব সমালোচনা করাটা আমার অধিকার। গুরু তে আর যাই হোক, প্রবন্ধের মান আরো একটু উঁচু আশা করি। পাঠক হিসেবে।

    এই সম্বিতবাবুই দু সপ্তাহ আগের বুলবুলভাজায় লিখেছিলেন যে আন্তর্জালে লেখা ছাপাবার খরচ যৎসামান্য বলে যে যা খুশি লিখে ছাপিয়ে দিচ্ছে। এই কথাটি সবচেয়ে বেশি সত্যি ভদ্রলোকের নিজের লেখার ক্ষেত্রেই। কি আয়রনি!!!!
  • aja | ২২ জুলাই ২০০৮ ০৩:৩৭562428
  • একদম সময় পাচ্ছিনা বলে গুরুতে আসা বড্ড অনিয়মিত হয়ে গেছে। তবু যেহেতু সম্বিতের আগের লেখাটি নিয়ে আমি খড়্‌গহস্ত হয়েছিলুম, এটা নিয়ে কিচ্ছু না বলা অন্যায় হবে।

    সম্বিতবাবুর আগের লেখাটি নিয়ে আমার মূল বক্তব্য ছিল, সেটি ইনকোহেরেন্ট। এই গণশত্রু লেখাটিকে সে বদনাম দিতে পারছিনা। গণশত্রু কিছু ব্যাক্তিগত মতামত আর কিছু অ্যানেকডোটের কম্বিনেশন। খুব উঁচুদরের প্রবন্ধ নয় - আমার মতে। কিন্তু অপাঠ্য নয়।

    গণশত্রুর সমালোচকদের কাউকে কাউকে নিয়ে বরং আমার সমস্যা কিছু বেশী।

    ১। ন্যাড়া: প্রোপাগান্ডা-ধর্মী লেখা মানে কি? কোন লেখাকে গবেট লেখা মার্কা মারাই যথেষ্ট নয়। কেন গবেট সেটা বলা দরকার। একজন লেখক তার অবজার্ভেশন বলতেই পারেন। অন্য কেউ তার সঙ্গে ভিন্নমত হতেই পারে। কেউ অ্যানেকডোট লিখলেই সেই লেখা অপাংক্তেয় হয়ে যায় না।

    সমালোচনা করতে বসে স্ট্র-ম্যান খাড়া করাটা দুর্বলতার লক্ষণ। সম্বিত কোথাও যা কিছু ভাল তাই বামপন্থী - এমন কথা বলেন নি।

    ক্ল্যাসিকাল বামপন্থা থেকে বিচ্যুতি খারাপ কেন? পরমানু-চুক্তি নিয়ে সিপিএমের অবস্থান জাতীয়তাবাদী কেন (সাম্রাজ্যবাদবিরোধী না হয়ে)?

    আর দক্ষিণপন্থী লেখা সৈকত ছাপেনা নাকি?

    ২। রিমি: প্রায় একই কথা বলতে চাই। কোন লেখা অ্যানেকডোটের সংগ্রহ হলেই ছাপানোর অযোগ্য হয় না। পারম্পর্য্যের অভাব খুব খারাপ। কিন্তু গণশত্রুতে তেমন ভাবে সেটি আছে কি?
  • rimi | ২২ জুলাই ২০০৮ ০৭:৩৬562429
  • অজদা, আগের প্রবন্ধটার মতন গণশত্রুতে পারম্পর্য্যের অভাব তেমন নেই। ঠিকই। কিন্তু একেবারে নেই তা নয়। মুসলমান বিদ্বেষের সঙ্গে কমিউনিজমকে ক্রিমিনালাইজ করার কি সম্পর্ক? কমিউনিজম ব্যর্থ হয়েছে বলেই ভারতে বিজেপি উত্থিত হয়েছে? সেই জন্যেই লোকে ব্লগে এতকিছু লিখেছে? এই কার্যকারণ সম্পর্কগুলো গণশত্রুতে পরিষ্কার নয় একেবারেই। সেই জন্যেই পারম্পর্য্যের অভাব বলেছি।

    শুধু অ্যানেকডোটের সংগ্রহ কিন্তু গণশত্রু নয়। এখানে বেশ কিছু বক্তব্য আছে, যেগুলো কোনোরকম যুক্তি বা তথ্য ছাড়া পরিবেশন করা হয়েছে।

    প্রথম লাইনটা, কমিউনিজমকে পশ্চিম দুনিয়ায় ......... দ্বিধা করছেন না। এটা একটা স্টেটমেন্ট, যার স্বপক্ষে না আছে তথ্য, না আছে যুক্তি। পরের লাইনটা - আমাদের দেশে এর প্রভাব পড়েছে ধর্মের উপরে, যেটা নাকি হওয়া খুব স্বাভাবিক। অথচ কোনো ব্যাখ্যা নেই যে কেন আমাদের দেশে দক্ষিণপন্থী লোক চরম মনোভাব প্রকাশ করার প্রভাব ধর্মের উপর পড়বে। কি ভাবেই বা ধর্মের উপরে পড়বে? কমিউনিজম ক্রিমিনালাইজড হবার আগে কি মুসলমান বিদ্বেষ ছিল না?

    তৃতীয় প্যারাতেও অনেক কিছু বলা হয়েছে, যেগুলো অ্যানেকডোট নয়, ফ্যাক্ট স্টেটমেন্ট। যেমন ধরো, প্রতিদিন অফিসে বসে এক বড় সংখ্যক মানুষ মুসলমানদের সম্পর্কে যা তা বলছেন, এঁরা নাকি ক্রমাগত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চাকুরীর খোঁজ করেন, পশ্চিম দুনিয়ার নিম্নগামীতার নিন্দা করেন, আর ইরাক যুদ্ধ সমর্থন করেন। এই তথ্য লেখক পেলেন কোথায়? কোনো স্ট্যাটিস্টিকাল ডেটা আছে? নাকি শুধু ব্যক্তিগত ধারণা? যদি ধরেও নেই কোনো একতি মেসেজবোর্ডে এরকম কথা হয়েছে, এরকম কতো লক্ষ মেসেজবোর্ড আছে! লেখকের স্যাম্পেল কি নির্ভরযোগ্য?
    শুধুমাত্র রিডিফের মেসেজবোর্ড দেখেই এত বড় কনক্লুশন??

    অর্কুটে বেশ কিছু মুসলিম কমিউনিটি আছে, যারা ভারতকে জঘন্যতম গালাগাল দেয় দুবেলা। এতে যেমন প্রমাণ হয় না যে সব মুসলিম এটা করে, তেমনি উল্টোটাও সত্যি নয় কি? এরকম আরো কিছু মণিমুক্তো এই ছোট্টো লেখায় ছড়িয়ে আছে প্রচুর।

    টইতে কিছুদিন আগেই একজন যখন ধুম করে লিখে দিলেন মুসলমানদের বেশি বাচ্চা হয়, তখন সবাই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তাঁর উপরে। আর এখানে একটা সিরিয়াস প্রবন্ধে এতোগুলো সেন্সিটিভ স্টেটমেন্ট করা হল, সেই সব প্রতিবাদীদের কন্ঠস্বর কিন্তু এখানে শোনা গেল না। কেন? যেহেতু লেখাটি বামপন্থী সেই জন্যে??????

    যাই হক, বামপন্থী মতবাদ নিয়ে আমার কোনো আপত্তি বা মাথা ব্যথা নেই। কিন্তু প্রবন্ধ হিসাবে এটি অত্যন্ত নিচুমানের। কেন এরকম একটি প্রবন্ধ এখানে ছাপা হল? সম্পাদকমন্ডলী টইতে তথ্যবিহীন, যুক্তি বিহীন মন্তব্য একেবারেই সহ্য করেন না। সিরিয়াস প্রবন্ধের ক্ষেত্রে তাঁদের এই অসম্ভব সহিষ্ণুতা সন্দেহের উদ্রেক করে বৈকি। অতএব সম্পাদকমন্ডলীর স্ট্যান্ড নিয়ে ন্যাড়া যে প্রশ্ন তুলেছেন তা অযৌক্তিক নয়।
  • santanu | ২২ জুলাই ২০০৮ ০৮:৪৩562430
  • বা:, অন্যেরা কি সুন্দর করে আমার কথা গুলো বলতে পারেন। - শুধু রিডিফের মেসেজবোর্ড দেখে এত বড়ো কনক্লুসন!?
  • Blank | ২২ জুলাই ২০০৮ ০৯:০৬562432
  • শুধু 'রেডিফের মেসেজবোর্ড' দেখে এত বড় কনক্লুশান মনে হয় নয়। গত এক দশক ধরে আমরা বিজেপি আর তার আশে পাশের পার্টি গুলোর প্রচারে এই ছবিটাই বার বার দেখেছি আর দেখছি।
    একটা সময়ে অফিসিয়ালি ইতিহাস বদলে দেয়ার চেষ্টা করেছিল এই পার্টি গুলো। সিলেবাস বদলে, চতুর্দিকে প্রচার চালিয়ে এক 'গেড়ুয়া ভারত উদয়' দেখাতে চেয়েছিল এরা। লেখকের প্রবন্ধের কোয়ালিটি যাই হোক, লেখকের আশঙ্কা অমুলক নয়।
  • santanu | ২২ জুলাই ২০০৮ ০৯:৪৪562433
  • অ বিজেপি, রেডিফ নয় - তাহলে মোটেই অমুলক নয়।

    তবে বিজেপি হলে ঢের বেশী সমস্যা; ভারতের 22.2% (২০০৪ এর লোকসভার হিসেব, কাল ভোট হলে কত হবে কে জানে?)মানুষই গনশত্রু - কি ভয়াভয় পরিস্থিতি।
  • Blank | ২২ জুলাই ২০০৮ ১০:১৩562434
  • আর তার চেয়েও ভয়ের ব্যপার হলো, প্রচুর মানুষের চোখে এখনো ঠুলি :(
  • Arijit | ২২ জুলাই ২০০৮ ১০:২৭562435
  • রেডিফ কি প্রচার করে সেটার চেয়েও বেশি ভয়ের হল এই রেডিফ বা TOI-তে এই মেসেজবোর্ডগুলোতে এই টাইপের মেসেজের সংখ্যা - বেশ বড় সংখ্যা, আর সেটাই চিন্তার। এবং রেডিফে বিশেষ করে এডিটেড বোর্ড হলে সেখানে উল্টো কথা ছাপা হয় না - এই অভিজ্ঞতা আমার বহুবার হয়েছে - এটাও বড় পয়েন্ট।
  • rimi | ২২ জুলাই ২০০৮ ১৯:৪৬562436
  • শুধু রেডিফের মেসেজবোর্ড দেখে এত বড় কনক্লুশন নয় "মনে হয়"?? লেখাটি পড়ে কিন্তু মোটেও সেটা "মনে হচ্ছে না"। অবশ্য লেখকের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপ থাকলে "মনে হতে পারে"। কিন্তু সকলের পক্ষে তো আর সেটা সম্ভব নয়। সেইসব পাঠকদের জন্যে লেখকের আরেকটু চিন্তা করা উচিত ছিল। :-))

    অরিজিতের পয়েন্টগুলো নিয়ে দ্বিমত কেউই নয়। শুধু সেটুকু লিখলে কিছু বলার ছিল না। কিন্তু তার সঙ্গে যারা রেডিফে লেখে তাদের চাকুরি খোঁজা ও আরো আনুষঙ্গিক বৃত্তান্ত কোনো রকম তথ্য প্রমাণ ছাড়াই উল্লেখ করে আমেরিকার সঙ্গে এই ঘটনার একটা যোগসূত্র টানার চেষ্টা কেন? ভারতে মুসলিম বিরোধী মনোভাবের বাড়াবাড়ি শুরু হয়েছে সেই বাবরি মসজিদের সময় থেকে। ক্রমশ বাড়ছে তা ঠিক। তার সঙ্গে ৯-১১ হওয়ার ফলে পৃথিবী জুড়েই এখন মুসলিম বিদ্বেষী হাওয়া। কিন্তু তবুও ভারতে সাম্প্রদায়িক সমস্যা, আম্রিকার কমিউনিজম বিরোধিতা, আর ৯-১১ এর পরে সারা পৃথিবীর মুসলিম বিদ্বেষ এগুলো আলাদা আলাদা সমস্যা।

    গণশত্রু প্রথম থেকে শেষ অবধি পড়লে যা মনে হয়:
    আমেরিকার কমিউনিজমের মুন্ডুপাত -- বামপন্থার কন্ঠরোধ ও ডানপন্থার সরবতা (যা কমিউনিজমের মুন্ডপাতের আগে ছিল না) -- আমাদের দেশে মুসলমান বিরোধের তীব্রতা বৃদ্ধি --- শিবসেনা ইত্যাদির উত্থান (যদিও এরা আবার পশ্চিমী থুড়ি আমেরিকান অপসংস্কৃতির বিরোধী) ---রিডিফে উল্টোপাল্টা মেসেজ ছাপা হওয়া। অর্থাৎ কিনা আমেরিকা কমিউনিজমের মুন্ডুটি পাত না করলে এগুলো কিছুই হত না। এই সরলীকরণ, তাও আবার উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ ছাড়া, ঠিক হজম হল না।
  • Ishan | ২২ জুলাই ২০০৮ ২৩:০৯562437
  • সম্পাদকমন্ডলীর কথা যখন এসে গেছে, দুকথা না লিখলে অন্যায় হবে।

    সম্পাদনার কাজকর্ম পছন্দ না হলে সমালোচনা প্রাপ্য। লেখা ভালো লাগলে লোকে যেমন সাধু সাধু বলেন, খারাপ লাগলে সেটাও বলবেন। পাঠকের মতামতকে সম্পাদনার সময় যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হয়। এক্ষেত্রেও হবে।

    তবে আমাদেরও কিছু সমস্যা/সীমাবদ্ধতা আছে। সেগুলো, চান্স যখন পাওয়া গেছে, বলে ফেলা যাক।

    এক। আমাদের লেখা যোগাড়ের সমস্যা আছে। ভালো-খারাপ বাছার অনেক সময় সুযোগ থাকেনা, কারণ, সপ্তাহের শেষে অনেক সময়েই হাতে একটিই লেখা থাকে।
    দুই। "সম্পাদকমন্ডলী' বলে সেভাবে খুব কংক্রিট কিছু এখনও তৈরি হয়নি। এই যেমন, আমি এটা লিখছি, দময়ন্তীর সঙ্গে কোনো কথা বলিনি। দময়ন্তী ইচ্ছে করলে এর সঙ্গে কিছু যোগ করতে পারে, যেটা আমার কথার সঙ্গে নাও মিলতে পারে। :) একটি পদ্ধতি/স্ট্রাকচার বানানোর চেষ্টা চলছে। আশা করা যায়, অদূর ভবিষ্যতে সেটি দাঁড়িয়ে যাবে।

    তো, টইয়ে যারা কঠোর সমালোচনা করছেন, তাঁদের কাছে আবেদন এই, যে, আপনারাও প্রবন্ধ টবন্ধ লিখুন একটু। বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের মতামত নিয়েই লিখুন, সম্পাদকমন্ডলীর সঙ্গে একমত হবার দরকর নেই। তাতে বিষয়/বৈচিত্র বাড়ে। আমদের হাতেও অনেক বেশি অপশান আসে। সম্পাদকমন্ডলীর সঙ্গে সুর মিলিয়ে লিখতে হবে, তার কোনো মানে নেই, কারণ, লেখকের মতামত লেখকের নিজের, সম্পাদকমন্ডলীর নয়।

    হ্যাঁ, মতামতের দায় লেখকের হলেও, লেখাটি দুর্বল হলে সেটি বাছার দায় সম্পাদকমন্ডলী অস্বীকার করতে পারেন না। আগেই বলেছি, সেক্ষেত্রে সমালোচনা প্রাপ্য।

    এই আমর কথা। দময়ন্তী এর পরে কিছু লিখতে পারে। যদি কিছু যোগ-বিয়োগ করার থাকে।
  • RIMI | ২৩ জুলাই ২০০৮ ০২:০৩562438
  • ইশান, এক নম্বর সমস্যাটি অবশ্যই বুঝি। এই সমস্যার কারণে এরকম লেখা ছাপা হলে কিছু বলার নেই। এটা তোমাদের প্রফেশন নয়। তবুও তোমরা প্রতি সপ্তাহে লেখা বের করছ, এটা কম কথা নয়।

    তবুও সমালোচনা করলাম,আরো ভালো লেখা পড়ার আশায়। পরপর দুবার একই লেখকের দুটো বাজে প্রবন্ধ পড়ে একটু বোর হয়ে গেসলাম, এই যা।
  • aja | ২৩ জুলাই ২০০৮ ০২:৪৯562439
  • গুটিকতক অবজার্ভেশন:

    ১। আমেরিকান অপসংস্কৃতির (পছন্দের শব্দ নয়, রিমির থেকে ধার করা) বিরোধি হওয়া আর আমেরিকান রাষ্ট্রের কমিউনিস্ট বিরোধিতার পক্ষে কাজ করা সম্ভব। দুটো উদাহরণ মনে পড়ছে। তালিবান, যাদের রেগন অ্যান্ড কোং সোভিয়েতের পেছনে লেলিয়ে দেবার জন্য পোচ্চুর ঘি-মাখন খাইয়েছিল। আর রিপাবলিকানদের সোশ্যাল কনজারভেটিভ/বর্ণ-এগেন ক্রিশ্চান অংশটি, যারা হলিউডকে গালাগাল না দিয়ে জল খায় না।

    ২। যদিও কোন স্ট্যাটিসকাল ডাটা আছে বলে জানিনা, বিজেপি-শিবসেনার সমর্থক হওয়া আর মার্কেট ফান্ডামেন্টালিস্ট হওয়া/আমেরিকান কনজার্ভেটিভদের সমর্থক হওয়া - এর মধ্যে একটা যোগসূত্র আমিও খেয়াল করেছি। পারফেক্ট কোরিলেশন নয় হয়তো, কিন্তু সিগনিফিক্যান্ট কোরিলেশন। স্ট্যাটিসটিকাল ডাটার অভাবে আমার অবজার্ভেশন ও অন্য পক্ষের অবজার্ভেশন, দুই-ই অ্যানেকডোট। আমার কথা হল, আম্মো বলি, তুম্মো বল। অ্যানেকডোট যদি বলা না যায়, তো সম্বিত ও সম্বিত-বিরোধী, দু'য়েরই কথা বন্ধ করতে হয়।

    ৩। সম্বিতের প্রবন্ধের কোয়ালিটি ভাল নয়, সে কথা আগেই বলেছি। কিন্তু অপাঠ্য নয়। সোভিয়েতের পতনের পর থেকে দক্ষিণপন্থীদের বাড়বাড়ন্ত একটু হয়েছে সে কথা অস্বীকার করা বোধহয় যায়না। এখন সে বাড়বাড়ন্তে সাম্প্রদায়িকতা বৃদ্ধি পেয়েছে কিনা সে তর্কের বিষয়। আপাতত: দুদিকের কারোরই যুক্তিতে তেমন ধার নেই। এক পক্ষ বলছেন আমি দেখেছি। অন্য পক্ষ বলছেন তোমার দেখার দাম কি? আর সম্পাদক কি করে তোমার দেখার ওপর নির্ভর করে এই সব ছাপেন?

    সম্বিতের প্রবন্ধটি কোন স্কলারলি জার্নালে ছাপার যোগ্য নয়। আর সমালোচকদের আলোচনাও ঐ সব জার্নালের রেফারীদের উপযুক্ত নয়। মাঝখান থেকে সৈকত আর দময়ন্তীর জন্য একটু দু:খ হচ্ছে।

    গুরুর কাছে অনেক আশা। পুর্ণ কর হে সম্পাদক, নইলে গালাগালি - এ বড্ড বালখিল্য কথা। সম্পাদকের দায়িত্ব আমার মতে তিন পর্য্যায়ে।

    ক। বানান, ব্যাকরণ যেন ঠিক থাকে। আর ভুল উপমা, অর্থহীন অলংকার যেন না থাকে। এইটি না হলে সম্পাদকের গালাগালি প্রাপ্য হয়।

    খ। লেখা যেন ভদ্রতার সীমা অতিক্রম না করে। তবে এখেনে সম্পাদকের একটু স্বাধীনতা আছে। কখনো কখনো এক্সপেরিমেন্টাল ও প্রোভোকেটিভ লেখার যন্য ছাড় আছে। তবে পাঠকেরও, সেক্ষেত্রে, দ্বিমত হবার ও সেটি জানাবার অধিকার থাকে। তো যে লেখার সমালোচনা, তার চেয়ে যদি সমালোচনা উঁচুদরের না হয় তো তৃতীয় পক্ষ (সম্পাদক সমেত) ফাঁফরে পড়ে।

    গ। লেখার যেন সাহিত্যগুন থাকে। এটি তো খানিক সাবজেক্টিভ, আর খানিক হাতে কটি লেখা আছে - তার ওপর নির্ভরশীল। আমার মনে হয় সম্বিতের লেখাটি এই যুক্তিতে বাদ দেওয়া যায়। কিন্তু সৈকত বলেছে যায় না, কেন না অন্য লেখা ছিল না।

    সম্বিতের প্রথম লেখাটির বেলায় আমার মনে হয়েছিল ক-এর দিক থেকে সম্পাদকের অবহেলা হয়েছে, তাই এত কথা বলেছিলাম।
  • rimi | ২৩ জুলাই ২০০৮ ০৭:৩৫562440
  • অজদা, তোমার সঙ্গে আরেকটু তক্কো করার লোভ সামলাতে পারলাম না। :-))

    ১। আমেরিকান রাষ্ট্রের কমিউনিস্ট বিরোধিতার পক্ষে আর আমেরিকান অপসংস্কৃতির বিপক্ষে কাজ করা শুধু সম্ভব নয়, সেটাই হয়ে থাকে। কিন্তু সম্বিত সেকথা কোথায় বলেছেন? সম্বিত লিখেছেন, যারা রেডিফে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ায় তারা আমেরিকায় চাকরী খোঁজে, আবার আমেরিকার সংস্কৃতির নিন্দা করে, ওদিকে তারাই ইরাক যুদ্ধ সমর্থন করে। তথ্য ছাড়া এই ধরণের বক্তব্য কেন মেনে নেব?

    ২। সম্বিত এই কোরিলেশনটা অ্যানেকডোট হিসাবে নয়, কনক্লুশন হিসাবেই লিখেছেন। "আমি খেয়াল করেছি" বলা, আর "এরকমই হয়ে থাকে" বলা সমার্থক নয়। লেখাটা সম্বিতই না লিখলে এতকিছু মনে হত না। কিন্তু কিছুদিন আগেই ইনিই লেখককুলের সততা নিয়ে অনেক কিছু বলেছিলেন।

    আর সম্বিত বিরোধী কথা প্রসঙ্গে - সম্বিত এতসব বাজে কথা না লিখলে সম্বিতবিরোধী বাজে কথার প্রশ্নই উঠত না। :-)) "আম্মো বলি তুম্মো বল"র সহিষ্ণুতা সর্বত্র দেখা যায় না কেন?

    ৩। সোভিয়েতের পতনের পর দক্ষিণপন্থীদের বাড়বাড়ন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে - সম্বিত একথা লিখলে তবুও বুঝতাম। সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হলে দক্ষিণপন্থীদের গলা বড় হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু সম্বিত পরিষ্কার বলেছেন পশ্চিম দুনিয়া কমিউনিজমকে ক্রিমিনালাইজ করার ফলে দক্ষিণপন্থীদের বাড়বাড়ন্ত ইত্যাদি ইত্যাদি। পশ্চিম দুনিয়া কমিউনিজমকে ক্রিমিনালাইজ করেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই। তারপরেও বহুদিন ঠান্ডা যুদ্ধ চলেছে, আমেরিকাকে কলা দেখিয়ে কমিউনিজমের বাড়াবাড়ন্ত ছিল আরো বেশ কিছু বছর। সেই ক্রিমিনালাইজেশনের সঙ্গে সোভিয়েতের পতনের কি সম্পক্ক????

    মোট কথা, তুমি যা যা লিখেছ তার কোনোটাই সম্বিত লেখেন নি। তুমি বরং এই লেখাটাই রিরাইট করে আবার ছাপাও। তাহলে সম্বিত বুঝবেন একই লেখা কি ভাবে লেখা উচিত ছিল।
  • h | ২৩ জুলাই ২০০৮ ১০:৫০562441
  • ইশানের সম্পাদকীয় স্টেটমেন্টে আমাকে খাওয়ানোর কথাটা কোথাও নেই। এরকম অবহেলার প্রতিবাদে আমি এইবার থেকে ইংরেজি তে লিখবো।
  • d | ২৩ জুলাই ২০০৮ ১২:০৩562443
  • ঈশান মোটামুটি গুছিয়েই কভার করেছে। আমার শুধু একটু যোগ করার আছে। সেটা হল, বুলবুলভাজাকে আমি গুরুচন্ডা৯ সাময়িকীর তুলনায় একটু কম প্রায়োরিটি দিয়ে থাকি। অর্থাৎ সাময়িকীতে ছাপার জন্য লেখার ক্ষেত্রে যতটা খুঁত্‌খুঁত করি, বুলবুলভাজার জন্য ততটা করিনা। কারণ এটা প্রত্যেক সপ্তাহে ছাপা হয় কাজেই আমার মনে হয় এক আধ সপ্তাহে নিতান্ত বাধ্য হয়ে হাবিজাবি দিতে হলে, দেওয়াই যায়। তা না হলে সেই সপ্তাহে আপডেট না করা যেতে পারে। কিন্তু এই আপডেট না করাটা আমার তেমন পছন্দ নয়। "অনিয়মিত' হওয়ার অভ্যেসটা খুব খারাপ বলে আমার মনে হয়। আমি সময়টাও (ভারতীয় সময় রবিবার সকাল) সাধ্যমত ঠিক রাখতে চেষ্টা করি। এক্ষেত্রে আমার স্ট্যান্ড হল, খুব সাংঘাতিক "হ্যাক থু' টাইপ না হলে ছেপে দাও, পরের সপ্তাহে চেষ্টা কর অনেকটা ভালমানের কোন লেখা যোগাড় করতে। ঈশান মোটামুটি এতে একমত। তাই সেভাবেই চলছে।

    এইবারে "হ্যাক থু টাইপের লেখা'র সংজ্ঞা অনেকটাই সাবজেক্টিভ। কাজেই আমার যেটা ততটা খারাপ নয় বলে মনে হল, সেটা অন্য অনেকের কাছে একেবারে যাচ্ছেতাই মনে হতেই পারে। উদাহরণস্বরুপ বলা যায়, "ফিসফিস' এর কনসেপ্ট ও কনটেন্ট দুইই আমার বাজে লেগেছে। কিন্তু অনেকের কাছে প্রথম ফিসফিস খুব ভাল লেগেছে, অনেকের কাছে কনসেপ্ট ভাল লেগেছে, ইত্যাদি ....। তো, কথা হল, খারাপ মনে হলে বলবেও। সেটাই এক্সপেক্টেড। সমালোচনা হচ্ছে মানেই পাঠক যথেষ্ট এনগেজড কলামটার সাথে। সেই এনগেজমেন্টটা বনের মোষ তাড়ানো "সম্পাদকমন্ডলী'র কাছে উৎসাহজনক।

    শেষে বিশেষ করে রিমিকে প্রবন্ধ লেখার দাবী জানিয়ে রাখলাম। রিমি আর অজদা নিজেদের মধ্যে মেলামেলি করে কোন বিষয়ে তর্ক করে পুরোটা আমাকে/ঈশানকে পাঠিয়ে দিতে পারে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন