এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৬৭০৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কল্লোল | 111.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৭:৪৯665751
  • পিটি।
    তারা জনতা পার্টিতে ও জেপির জোটে থাকাকালীন আরএসেস কিসের চচ্চা কত্তো বলে মনে হয়?

    তারা হিন্দুত্বের চর্চা করতে না পেরে জনতা পার্টি থেকে বেরিয়ে আসেনি।
    তারা জনতা জোট/পার্টিতে থাকাকলীনই হিন্দুত্বের চর্চা করছিলো বলে তাদের বেছে নিতে বলা হয় - হয় জনতা পার্টি নয় অরএসেস।
    আর সে তো অনেক পরের কথা। ছিপুয়েম তাদের হাত ধরেছিলো জনতা সরকার গড়ার অনেক আগেই। সেটা রাজনৈতিকভাবে ঠিকই ছিলো।

    "যে মানুকে তার নিজের দলও ছেঁড়া ন্যাকড়ার মত ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল তাকে একমাত্র দু-এক পিস প্রাক্তন নক্শাল ছাড়া আর কেই বা ডিফেন্ড করতে পারে? এটা তো এক ব্যক্তির রাজনৈতিক অবস্থান-তার সঙ্গে সত্যাসতের কোন যোগাযোগ নেই।"

    হ্যাঁ, হ্যাঁ তাই তো, তাইই তো। শুধু ছিপুয়েমের সমর্থকেরা তাকে উদ্ধৃত করতে পারে। তখন সে খুব বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে।

    কিন্তু পিটি, অভিমানটা দেকলে না - মানু, তুই মিচে কতা কয়েছিলি!!!
  • PT | 213.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৯:০৩665752
  • কল্লোলদা
    একটা পাকা বদমাইশ রাজনীতিবিদ হাজারটা মিথ্যে কথা বলার জন্য একটা রাজ্যের মানুষ এবং তার নিজের দল তাকে নোংরা আবর্জনার বাক্সে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। সেই লোকটা তার নিজের কৃতকর্মকে বাহবা জানাচ্ছে ছাপার অক্ষরে। সেখানে কারো বিশ্বাস-অবিশ্বাসের কোন জায়গাই নেই। কেননা তাকে দিয়ে জোর করে কেউ কিছু বলিয়ে নেয়নি।
    এবারে সে আরো তিন চারজনের নাম উল্লেখ করে নিজের মত করে কিছু বলছে যেটার সত্যাসত্য প্রমাণ করার ইচ্ছে বা ক্ষমতা কোনটাই আমার নেই। তাছাড়া ঐ সময়ে সিদ্ধার্থ যেখানেই সুযোগ পেত ঘেউ ঘেউ করত। তাকে কেউই পাত্তা দেওয়ার প্রয়োজন মনে করত না।
    কিন্তু বোঝাই যাচ্ছে এই প্রতিষ্ঠীত মিথ্যেবাদীর কিছু কথা যা দিয়ে জ্যোতি বসুকে টেনে নামানো যায়- সারা বিশ্বে একমাত্র তুমি বিশ্বাস কর। সেতো তোমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস-মানুষের ধর্মবিশ্বাসের মত। এটা নিয়ে কারো কিছুই বলার নেই।

    আর যতক্ষণ না তুমি কোন ডকু দেখাচ্ছ যে জয়প্রকাশের সঙ্গে থাকাকালীন বাজপেয়ী-আদ্বানী হিন্দুত্ব propagate করার চেষ্টা করছিল ততক্ষণ তোমার কথা মেনে নেওয়ার কোন কারণ নেই। বিষদাঁত ভেঙ্গে দেওয়া কেউটে আর ঢোঁড়ার সঙ্গে বিশেষ তফাৎ থাকেনা। ইন্দিরার পেঁদানীর হাত থেকে বাঁচার জন্য সেই সময়ে হিন্দুত্ববাদীরা ঢোঁড়া সাপ হয়েছিল। তাই বিষদাঁত গজানোর সম্ভাবনাতেই তাদের দল ছাড়তে হয়। জনসঙ্ঘীদের সত্যি সত্যি লড়ার ক্ষমতা থাকলে তারা কোনদিন জয়প্রকাশীর ছাতার তলায় আসত না।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১০:২৪665753
  • পিটি। তুমিই তো উদ্ধৃত কল্লে -
    "with most Janata leaders demanding that Atal Bihari Vajpayee and Lal Krishna Advani choose between staying in government and being members of the RSS. Both Vajpayee and Advani as well as other members of the former BJS opted to remain members of the RSS and consequently resigned from their posts and from the party."
    উইথ মোস্ট জনতা লিডারস ডিমান্ডিং দ্যাট অটলবিহারী বাজপেয়ী অ্যান্ড লাল কৃষ্ণ আডবানী চুজ বিটুইন স্টেইং ইন গভর্মেন্ট অ্যান্ড বিয়িং মেম্বার্স অফ দ্য আরএসেস।
    প্রঃ - অধিকাংশ জনতা নেতারা অটল বিহরী বাজপায়ী আর লাল কৃষ্ণ আডবানীদের আরেসেস আর জনতা সরকারের মধ্যে বেছে নিতে বল্লেন ক্যানো???
    উঃ - কারন তারা (অটল বিহরী বাজপায়ী আর লাল কৃষ্ণ আডবানীরা) মার্ক্সীয় সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে সরকারকে নিয়ে যেতে চাইছিলো।
    আরেসেস ঐ সময়টায় হিন্দুত্ব ছেড়ে মার্ক্সবাদ propagate করার চেষ্টা কচ্ছিলো।
    তাই তো?
    একটা পাকা বদমাইশ মিথ্যে বললো। তা খবরের কাগজে ছাপা হলো, আর ভায়ানক সাধু সন্তেরা তার কোন প্রতিবাদ তো করলো-ই না, চুপ করে থেকে সেটা সমর্থন কল্লো। তা তুমিই বলো - আমি মানুবঁধুরে ডিফেন্ড করছি না ছিপুয়েম করেছে।
    হ্যাঁ, এবার জয়প্রাকাশী ছাতা। তাতে তো অনেকেই ছিলো। মোরারজী দেশাইয়ের আদি কং - যারা ইন্দিরার ব্যাঙ্ক জাতীয়করণের বিরোধীতা করেছিলো। যে পদক্ষেপকে ছিপুয়েম সমর্থন করেছিলো। স্বতন্ত্র পার্টি, যারা ইন্দিরার দেশীয় রাজাগজাদের পেনশন বন্ধ করার বিরোধীতা করেছিলো। যা তখন ছিপুয়েম সমর্থন করেছিলো। তাদের সাথে হাত মিলিয়েছিলো ছিপুয়েম।
    আমি মনে করি ঠিকই করেছিলো। ইন্দিরা হঠাতে সমস্ত ইন্দিরা বিরোধীদের জোটের দরকার ছিলো, তা জনসঙ্ঘ/আরেসেসের সাথে হলেও।

    যেমন আজকে পবতে মমতার বিরুদ্ধে অমনই একটা জোট দরকার। তুমি কি বলো? শিলিগুড়ি মডেল।
  • SC | 117.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১০:৫৪665754
  • ওটারই prelude হিসেবে গেয়ে রেখেছেন তো, যে মোদী আসলে বালখিল্য ফ্যাসিস্ট।
    মমতা বড় শত্রু, তার বিরুদ্ধে লড়ার জন্য এসব বালখিল্য ফ্যাসিস্ট দের হাত ধরাই যেতে পারে।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৩:১১665755
  • কল্লোলদা
    ক্রমাগত অযৌক্তিক কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছ। বাজপেয়ী -আদ্বানী জয়প্রকাশকে আশ্রয় করেছিল ইন্দিরার পেঁদানির থেকে বাঁচার জন্য। তাদের হিন্দুরাষ্ট্রের তত্ব কারো কাছে গ্রহণীয় হবেনা জেনেই ৭৭-৭৯ তারা তা নিয়ে কিছু বলেনি। যখনই বলার কথা ভাবে তখনই তাদের দ্ল ছাড়তে হয়। এই দল ছাড়াতেই পরিষ্কার যে দলে থাকাকালীন তারা হিন্দুরাষ্ট্রের তত্ব প্রোপাগেট করতে পারছিল না। কাজেই জয়প্রকাশের ছাতার তলায় যারা এসেছিল তারা মনে মনে কি ভাবত আমার জানার দরকার নেই।

    এবারে জনসংঘ ছেড়ে মোরারজী, স্বতন্ত্র পার্টি ইত্যাদি আঁকড়ে ধরে নিজের যুক্তি আরো ডাইলুট করলে। এইসব অর্থনৈতিক বিরোধীতা -এর সঙ্গে হিন্দু রাষ্ট্র ইত্যাদির কোন যোগাযোগ নেই।

    আর ২০০৯-এর সিদ্ধার্থ রায় প্রসঙ্গে বলি যে বারকিং ডগের কন্ঠস্বরে কেউ বিব্রত বোধ করেনা। তিনি বোধহয় ইতিহাসের আস্তাঁকুড়ে বসে জ্যোতিবাবুর সঙ্গে নিজের নাম জড়িয়ে নিজেকে বিখ্যাত করার শেষ চেষ্টা করছিলেন।

    "শিলিগুড়ি" মডেল সম্পর্কেও তোমার তথ্য সঠিক নয়। ২০১৬-তে কি হবে জানিনা কিন্তু শিলিগুড়িতে বিজেপির সঙ্গে বামেদের কোন জোট হয়নি। শ্লোগানটা ছিলঃ "যাকে খুশী ভোট দিন, নিজের ভোট নিজে দিন"।

    দয়া করে ইতিহাস বিকৃতি বন্ধ কর।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৩:৩২665756
  • তারা যদি হিন্দুত্ব প্রোপাগেট নাই করবে, তো তাদের জনতা সরকার ও আরেসেসে ভেছে নিতে বলা হলো কেন? তারা তো ছাড়তে চায় নি। তাদের অল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিলো হয় সরকার নয় আরেসেস। তাতেই প্রমান হয় যে তারা হিন্দুত্ব প্রোপাগেট করছিলো বলেই তাদের বেছে নিতে বলা হয়।
    তারা অরএসেসের সদস্য ছিলো আগাগোড়াই। আরেসেস কবে হিন্দুত্ব থেকে সরে এসেছে?? কোনদিনই না।

    ২০১৬তে কি হয় দেখাই যায়। ওদিকে মমতা নাকি কংকে আর তেমন অক্রমন করছে না। আক্রমনের বর্শামুখ বাম ও বিজেপি।

    মানুবন্ধুর কথার প্রতিবাদ না করে চুপ করে থেকে ছিপুয়েম মানু-গনা বন্ধুত্বকেই মান্যতা দিয়েছে।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৩:৩৬665757
  • "এবারে জনসংঘ ছেড়ে মোরারজী, স্বতন্ত্র পার্টি ইত্যাদি আঁকড়ে ধরে নিজের যুক্তি আরো ডাইলুট করলে। এইসব অর্থনৈতিক বিরোধীতা -এর সঙ্গে হিন্দু রাষ্ট্র ইত্যাদির কোন যোগাযোগ নেই।"

    এটাই দেখালাম বৃহত্তর স্বার্থে শ্রেনী শত্রুদের সাথে হাত মেলানো এমন কোন অন্যায় ব্যাপার নয়।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৩:৩৭665758
  • সিপিএমকে গাল দেওয়াটা তোমার চারুবাবুর কাছে দীক্ষা নেওয়া ধর্মবিশ্বাসের ব্যাপার। গত কয়েক ব্ছর ধরে এবং এখন জনসংঘ ও সিদ্ধার্থ এই দুই ব্যাপারেই তোমার অবস্থান সেটাই বারংবার প্রকটিত করছে।
    কারো ধর্মবিশ্বাস নিয়ে তক্ক করার ব্যাপারে আমার কোন উৎসাহ নেই।
  • cb | 208.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:০৪665759
  • কল্লোলদা জানেন কিনা জানিনা, ফেসবুকে কিন্তু বিজেপি তিনু একসাথে বামেদের বিরুদ্ধে প্রচার করছে। মানে বিজেপির বিরুদ্ধে বললে ডেডিকেটেড তিনু কর্মীরা সেটাকে ডিফেন্ড করছে অ্যান্ড ভাইসি ভার্সা। এগুলো খুব সাটল চেন্জ। সারদা ইত্যাদি তে তো রীতিমত একে অপরের ধন ধরে আছে

    সত্যি ই বলছি সিপিয়েম + বিজেপি, এটা কষ্ট করেও খাওয়ানো মুশকিল অ্যাট দিস পয়েন্ট
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:৪২665761
  • সিবি।
    ফেবুতে কারা কি করছে জানি না। তবে মমতা এখন কং আক্রমন বাদ্দিয়ে বাম বিজেপিকে টার্গেট করেছে - এমনটাই খবর।
    কষ্ট করে খাও বা আনন্দ করে এই মুহুর্তে পবতে এটাই বাস্তব - মমতা হঠাতে বিরোধীদের সর্বাত্মক জোট।

    পিটি।
    তক্কো না কত্তে চাও তো কোরো না। কিন্তু তাতে এ ইতিহাস মোছা যাবে না। সত্য বলতে কি মোছা উচিৎও নয়। ইন্দিরাকে উচ্ছেদ করার জন্য একটা সর্বাত্মক বিরোধী জোটের দরকার ছিলো।

    জ্যোতি-সিদ্ধার্থ বন্ধুত্ব চিরকালই ছিলো। জোতিবাবু সেই বন্ধুত্বের ফয়দা তুলেছেন পার্টির জন্য। বেশ করেছেন।

    আজ মমতাকে হঠানোর জন্য ওরকম একটা জোটের দরকার। এটা বোঝো কি?
  • cb | 208.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:০৮665762
  • কিন্তু কল্লোলদা, প্রদেশ কং কে মমতা মোস্টলি করুণার চোখেই দেখে এসেছে, সাইনবোর্ড ইত্যাদি। মানে উল্লেখযোগ্য কিছু ডিফারেন্স হয়েছে কি আগের থেকে?
  • PT | 213.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:১০665763
  • ইন্দিরাকে উচ্ছেদ করার জন্য সিপিএম জয়প্রকাশের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল। আর রাজনৈতিক বিষদাঁত ভাঙ্গা বাজপেয়ী ও অদ্বানী তাতে যোগ দিয়েছিলেন ইন্দিরার হাত থেকে বাঁচার জন্য। এর থেকে অন্য কিছু extrapolate করা সম্পুর্ণ একটি মৌলবাদী প্রচেষ্টা।

    একই ভাবে জ্যোতি-সিদ্ধার্থের (এমনকি জ্যোতি-ইন্দিরার) বন্ধুত্বের কথা সকলেই জানে কিন্তু তাকে extrapolate করে একজনের one-sided দাবী সত্যি বলে justify করার চেষ্টা অত্যন্ত হাস্যকর।

    বিকৃত ইতিহাস-ও মোছা যায়-একটু বেশী সময় লাগে এই যা!!
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:৩০665764
  • সিবি।
    ঠিক। কিন্তু তারপরেও মমতা ইদানিং সোনিয়ার সাথে ঘনিষ্টতা বাড়াচ্ছে।
    এখন বিজেপিকে মমতার তেল দিয়ে লাভ নেই। বিজেপি রক্তের স্বাদ পেয়েছে। এবার না হলেও পরেরবারের জন্য ঝাঁপাবে। ঐ যে নতুন একটা গণতন্ত্র বাঁচাও হয়েছে, তাতে কিন্তু বামঘেঁষা ও বিজেপিঘেঁষারা একত্রে। পবর কংকে সাথে পেতে চেষ্টা হচ্ছে।
  • EC | 24.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৮:১৮665765
  • PT দা নিজের লজিক defend করতে গিয়ে কি যে সরলীকরণ করলেন !! " ইন্দিরাকে উচ্ছেদ করার জন্য সিপিএম জয়প্রকাশের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল। আর রাজনৈতিক বিষদাঁত ভাঙ্গা বাজপেয়ী ও অদ্বানী তাতে যোগ দিয়েছিলেন ইন্দিরার হাত থেকে বাঁচার জন্য " - কাকে রাজনৈতিক বিষদাঁত ভাঙ্গা অবস্থা বলা যায় একটু পর্যালোচনা করা হোক। তখন সিপিআই ইন্দিরা জোটে আর CPIM ও নিছক তিনটে রাজ্যে সীমাবদ্ধ নয়। লোকসভার ফল দেখি কার শক্তি ও জনসমর্থন কত - ৬৭ সালে জনসন্ঘের সিট ৩৫ আর ভোট শতাংশ ৯% আর CPIM এর সিট ২৩, ভোট ৫% ; ৭১ সালে BJS ২২ ( ৭% ভোট ) cpim ২৫(৫% ভোট)। সুতরাং অবস্থা ঠিক "দাঁত ভাঙ্গা" ছিল না , বরং শক্তির নিরিখে CPIM এর তুল্যমূল্য ছিল। তাই ইন্দিরাকে উচ্ছেদ করার জন্যে জয়প্রকাশের সাথ দেওয়ায় CPIM এর চেয়ে কম অবদান নেই BJS এর । বরং BJS ততকালীন প্রধান বিরোধী দল রাজাগোপালচারীর স্বতন্ত্র পার্টির সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ ছিল - পার্লামেন্টে রেগুলার ফ্লোর coordination চলত । জরুরির অবস্থার সময় অটলবিহারী আর লালকৃষ্ণ তো বেশ পরিচিত নেতা ছিল যারা গ্রেপ্তার হয়। জ্যোতির্ময় বসু ছাড়া সিপিএমের কেউ গ্রেপ্তার হয় নি এটা ও তো ফ্যাক্ট।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৯:২০665766
  • EC
    আমি একবারও সিপিএম আর BJS-এর শক্তির তুলনা করিনি। যেটা বলেছি সেটা হচ্ছে যে বামমার্গী জয়প্রকাশের ছাতার তলায় আসার জন্য BJS তাদের হিন্দু রাষ্ট্রের তাত্বিকতা শিকেয় তুলে রেখেছিল (= বিষদাঁতভাঙ্গা)। এমনকি তারা ইন্দিরার প্যাঁদানীর ভয়ে BJS নামটিও পরিত্যাগ করতে রাজী হয় যেটা CPIM-করেনি। বাজপেয়ী-আদবানী ভালই জানতেন যে তাঁদের হিন্দুরাষ্ট্রের প্রস্তাবনা বজায় রাখলে কেউ তাদের সঙ্গে যাবে না (বা নেবে না)। সেই তাত্বিকতা কারণেই শেষ পর্যন্ত তাঁদের দলত্যাগ করতে হয়।
    আর বামেরা, অন্ততঃ পব-তে ৭১/৭২ সাল থেকেই প্যাঁদানী খাচ্ছিল সিদ্ধার্থের পুলিশ, নব কংগ্রেস আর কংশালদের হাতে। একটা সময়ে গোটা পব-ই প্রায় জেলখানার তুল্য ছিল। কাজেই তাদের জরুরী অবস্থা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়নি জেলে যাওয়ার জন্য।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ২১:৩৯665767
  • তাই নাকি পিটি???? ১৯৭২ থেকে ছিপুয়েমের কোন কোন ন্যাতা জেলে ছিলেন তার লিস্টি পাওয়া যাবে কি? ন্যাতাদের লিস্টি, কর্মীদের নয়।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ২৩:২২665768
  • ন্যাতাদের সন্ধান করিনি কখনো কল্লোলদা। ওসব তোমার ডিপার্টমেন্ট। তোমার দেখছি ন্যাতাদের ব্যাপারেই উৎসাহ বেশী। এখন বুঝি নকশাল আন্দোলন কেন প্রসারিত হয়নি। সবাই বোধহয় নিজেদের ন্যাতা মনে করত।
  • sm | 233.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ২৩:৩৫665769
  • cpm পার্টি টা বোধ হয় ন্যাতা দের বাদ দিয়ে!
    মানুর সঙ্গে ন্যাতা দের ভালই রসায়ন ছিল।
    তাই তো ন্যাতারা কেমন মুখ বদল ফিস ফ্রাই খেয়ে আসে।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ২৩:৪৩665770
  • এই নাও কল্লোলদা। তোমার ঢাকের তালে কাঁসি বাজছে!!
  • sm | 233.*.*.* | ০২ ডিসেম্বর ২০১৫ ২৩:৪৪665772
  • PT, নিজের ঢাক নিজেই পেটায়!
  • SC | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৯:৩৬665773
  • ইমার্জেন্সি তে সিপিএম এর নেতারা কেউ জেলেও যাননি? জানতাম না। জানলাম।
    যে বাদীই হোক, সেই সময় দক্ষিনপন্থীদের অনেকের কিন্তু বড় ভূমিকা ছিল, ইমার্জেন্সি র বিরুদ্ধে লড়াই তে।
    তারা তো অনেকে জেলেও গিয়েছিলেন। তারপরে যে লালু বললে সিপিএমের বিদ্দজ্বনেরা নাক সিঁটকে অঙ্গভঙ্গি করেন, দুদিন আগেও করছিলেন, তিনিও জেলে ছিলেন।
    আমার জানা ছিল না, যে বিদ্দজ্জনেরা তখন ফুরফুরে হাওয়ায় তত্ব, তত্ব খেলছিলেন। এখন আবার "নেতাদের খবর রাখি না" বলে পালানোর পথও বার করেছেন।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৯:৪৬665775
  • পিটি।
    ন্যাতাদের খবর আর রাখবে কি!! জ্যোতির্ময় বসু আর রাজদেও গোয়ালা ছাড়া কোন ন্যাতাই ৭২-৭৭এ পুলিশের হাতে পড়েন নি। তার কারন এটা নয় যে তারা সব আন্ডারগ্রাউন্ডে ছিলেন। ঐ সময়ে আলিমুদ্দিন, এসএফাই, ডিওয়ইএফ অপিস দিব্যি চলতো। অন্য বাম দলগুলির অপিস দিব্য চলতো।
    জরুরী অবস্থায় যখন গৌরকিশোর ঘোষ, জ্যোতির্ময় দত্ত, বরুণ সেনগুপ্তের মতো দক্ষিণপন্থী মানুষেরা গ্রেপ্তার। যখন জয়প্রকাশ, জর্জ ফার্নান্ডেজ, আডবানী, মিনু মাসানীর মতো নেতারা জেলে, তখন জ্যোতি বসু, গোপালন, সুন্দরাইয়া সহ বড় এমনকি মাঝারী ন্যাতারাও গায়ে হাওয়া লাগিয়ে থেকেছেন। এই তথ্যটুকুই অনেক কথা বলে দেয়।

    আজ আবাপতে
    http://www.anandabazar.com/editorial/end-to-regimented-party-rule-1.253786
    ঠিকঠাকই লাগলো। এদ্দিনে চৈতন্য হয়েছে।
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১০:০২665776
  • "এই তথ্যটুকুই অনেক কথা বলে দেয়।"
    আবার অনেক কিছু বলেও না।
    নেতাদের গ্রেপ্তার না করে সাধারন সমর্থকদের সন্ত্রস্ত করে রাখাটাই অনেক বেশী কার্যকরী পদ্ধতি আর সেটা ৭১-এর ভোটের আগে থেকেই দুর্দান্ত কাজ করেছিল ইন্দিরা কংগ্রেসের পক্ষে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে সেই সন্ত্রাসের মধ্যে জীবন কাটিয়েছি আমার পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে। এদের মধ্যে বেশীর ভাগই এমনকি দলের কর্মীও ছিল না।
    কাজেই ৭১-৭৭ সন্ত্রানের ইতিহাসের খোঁজে যারা শুধু নেতাদের গ্রেপ্তারির সন্ধান করে তাদের কাছ থেকে আমার এই ব্যাপারে জানার বা শেখার কিছু নেই।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১০:৫০665778
  • পিটি। "নেতাদের গ্রেপ্তার না করে সাধারন সমর্থকদের সন্ত্রস্ত করে রাখাটাই অনেক বেশী কার্যকরী পদ্ধতি " একদম ঠিক।
    কারন ছিপুয়েম নেতাদের থেকে বিপদ ছিলো না। তারা ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে থাকতেন। বিপদ কর্মীদের থেকে, তাই ওদের জেলে পোরো।
    কিন্তু তাহলে জয়প্রকাশ, জর্জ ফার্নান্ডেজ আডবানী, মিনু মাসানী এদের জেলে পোরা কেন? এদের কর্মীদের জেলে পুরলেই তো হতো। এবং কর্মীরা গ্রেপ্তারও হয়েছেন।
    কারন এরা গ্রেপ্তারের আগে পর্যন্ত গোপনে আন্ডারগ্রাউন্ডে কর্মীদের সংগঠিত করছিলেন। তাই এদের জেলে পুরতে হয়েছিলো। ছিপুয়েম ন্যাতাদের থেকে সে বিপদ ছিলো না। মানু-গনা কথা হয়ে গেছিলো হয়তো।
  • EC | 24.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১০:৫০665777
  • "সেই তাত্বিকতা কারণেই শেষ পর্যন্ত তাঁদের দলত্যাগ করতে হয়।" - আতিসয্যে অতিসরলীকরণ - "দলত্যাগ" কথা টা খাটে না, কারণ ৭৭ সালে জনতা পার্টি নতুন তৈরী হয় একাধিক দল মিশে গিয়ে - তাতে চরণ সিঙের লোকদল (পূর্বতন স্বতন্ত্র পার্টি ), বাজপেয়ী আদবানির জনসংঘ, মোরারজি কামরাজের কং (ও ) এবং JP - লোহিয়া - জর্জ দের সোসালিস্ট পার্টি ছিল এদের সাথে যোগ দেয় চন্দ্রশেখর দের কং (আর) এর একাংশ- শুধু ইন্দিরা কে হঠাতে এই জোট তৈরী হয়,যাদের প্রত্যেকের নিজস্ব মাস বেস ছিল, জনপ্রিয় মাস লিডার ছিল। পিটির লজিকে এরা সবাই কি তাহলে " ইন্দিরার প্যাঁদানীর ভয়ে " নিজ নিজ "দলত্যাগ" করে ? :-)) মানতে পারলাম না।
  • sm | 233.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১১:০৩665779
  • ভালই হলো একজন মহিলা ধুমপায়ী মুখ্য মন্ত্রী পাবো।
  • Manish | 127.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৩:৪৪665780
  • কল্লোল,

    আমি যেখানে থাকতম, (নেতাজি নগর এলাকা) সেখানে কিন্তু সিপিয়েমের সব ক্যাডাররা underground হয়ে গেছিলো ১৯৭১ ভোটের পর।including প্রশান্ত শুর ও মনোজ গাংগুলি।
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৩:৫৮665781
  • কল্লোলদা
    এটা তোমার মৌলবাদী অবস্থান তাই মেনে নেওয়ার কোন কারণ দেখিনা। নেতারা কোন কম্মের না হলে সেই দলটাই ধ্বসে যাওয়ার কথা। সেটা যে হয়নি তা আমরা সকলেই জানি।
    ১৯৭১-টা শুধু বামেদের প্যাঁদানোর সময় নয়, বাংলাদেশ যুদ্ধের কাল-ও ছিল। যার জন্য USSR-এর সাহায্য ইন্দিরার একান্ত প্রয়োজন ছিল। বহির্বিশ্বে ইন্দিরার জন্য রকমারী সাহায্য USSR চালু রেখেছিল ১৯৭৫-এর পরেও। সেজন্য আমার একটা অন্য ব্যাখ্যা আছে। USSR-কে খুশী রাখার জন্য ইন্দিরার নির্দেশে বাম নেতাদের গায়ে হাত দেওয়া হয়নি। এর কোন প্রমাণ দিতে পারব না।

    "পিটির লজিকে এরা সবাই কি তাহলে " ইন্দিরার প্যাঁদানীর ভয়ে " নিজ নিজ "দলত্যাগ" করে ? ঃ-)) মানতে পারলাম না। "
    পেঁদানীর ভয় (বা জেলের ভাতের ভয়) যে ছিল সেতো সকলেই জানে। এ নিয়ে আর "অতিসয্যের" জায়গা কোথায়? মোরারজী-জগজীবন ইত্যাদিদের দল বদল আর বাজপায়ী-আদ্বানীর এমনকি BJS নামটাই পরিত্যাগ করার মধ্যে ফারাক আছে বৈকি। তারা তো CPIM-এর মত স্বতন্ত্র অস্ত্বিত্ব বজায় রাখতে পারত। রাখেনি কেন? কিন্তু এই বাজপেয়ী ইন্দিরাকে ৭১-এর যুদ্ধজয়ের পরে মা দুগ্গা না কি যেন আখ্যা দিয়েছিলেন না?
  • PM | 11.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৪:১০665784
  • ইদানিং কল্লোলদার রাজনৈতিক পোস্টে প্যাথোলজিকাল বাম বিরোধীতা, আর তার জন্য যখন যেরকম দরকার সেইভাবে ইতিহাস ব্যাখ্যা/ বিকৃতি ছাড়া আর কিছু পাই না। কখনো কখনো এটা হাস্যকর পর্যায়েও চলে যাচ্ছে।

    ক্ষত কতটা গভীর হলে ৪০ বছর বাদে এই বয়সেও এই "যুদ্ধ" চালিয়ে যাওয়া যায় সেটাও ভাববার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন