এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৬৭০২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৪:১৭665785
  • এটা এমনকি বাম বিরোধীতাও নয়। এটা এখন একটা সিঙ্গল পয়েন্ট এজেন্ডা। যেন তেন ভাবে প্রমাণ করা যে জ্যোতি বাবু সিদ্ধার্থের সঙ্গে বন্ধুত্বর কারনে ৭১-৭৭ জেলে যাননি। আরো কেউ কেউ তালিকায় আছে কিন্তু জ্যোতি বাবুই আসল টার্গেট। আর তার জন্য ইতিহাসের যত বিকৃতি দরকার সেগুলো চলতেই থাকবে-আজীবন!!
  • SC | 117.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৪:২৩665786
  • মানে এবারে জ্যোতি রাশিয়া পন্থী হয়ে গেল! রাশিয়া কে খুশি রাখতে জ্যোতি কে ধরেনি?
    আইদার ভারতের বামপন্থার সম্পর্কে জিরো জ্ঞান, আর নইলে যুক্তির খুব অভাব ঘটেছে।
    মা, মা গো, এমন দিনও দেখতে হলো। ও সি এস একটা দুটো ভালো কর্মীও পাঠাতে পারেনা, দলকে defend করতে।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৪:২৫665787
  • মণীশ। মনোজবাবুর কথা বলতে পারবো না। প্রশান্তবাবু আন্ডারগ্রাউন্ডে জাননি। তাকে নব-যুবরা পাড়া ছাড়া করে। তিনি তখন আলিমুদ্দিনের কমিউনে থাকতেন। তার উপর কোন ওয়ারেন্ট ছিলো না যে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে তাকে আন্ডারগ্রাউন্ডে যেতে হবে।

    পিটি।
    তখন USSRপন্থীরা ইন্দিরার সাথেই ছিলো। তারা CPI। CPIM কোনকালে USSRপন্থী ছিলো না। তারা ক্রুশ্চভকে সংশোধনবাদী বলেছে তার শান্তিপূর্ণ সহবস্থানের তত্ত্বের কারনে। নকশালবাড়ীর আগে পর্যন্ত CPIM চীনপন্থী ছিলো। হরেকৃষ্ণ কোনার প্রায়শই তাঁর বক্তৃতায় মাওয়ের হুনান রিপোর্টের কথা বলতেন। নকশালবাড়ীর পর যখন CPCর সাথে দূরত্ব তৈরী হলো, তখন চীন ও রাশিয়ার থেকে সমদূরত্ব বজায় রাখতো CPIM। তাদের একমাত্র মিত্র ছিলো কিম ইল সুংএর নেতৃত্বে উত্তর কোরিয়ার কম্যুনিস্ট পার্টি। কিছুটা ভলো সম্পক্কো ছিলো য়ুগোস্লাভিয়ার সাথেও। গণশক্তির অফসেট মেশিন এসেছিলো য়ুগোস্লাভিয়া থেকে।
    কাজেই USSRকে তুষ্ট রাখতে ছিপুয়েমের ন্যাতাদের গায়ে আঁচটি লাগেনি - এটা বেশ কৌতুহলোদ্দীপক।

    ছিপুয়েম ন্যাতারা কম্মের নয় কে বল্লো? নিজেদের গ্রেপ্তারী এড়িয়েছেন কায়দা করে। ৭১এ কান্তি গাঙ্গুলী বাংলাদেশ থেকে বিপ্লবের জন্য অস্ত্র আনার কথা বলে খুব হুড়ো খেয়েছিলো।
    কর্মীরা যারা ৭০ থেকে ৭৭ ঘরছাড়া ছিলো, তারা অনেক আশা নিয়ে ফিরেছিলো, এবার কিছু একটা হবে। ৮০র থেকে তাদের নীরবে বসে যাওয়া শুরু হয়।
    পার্টি টিঁকে থাকে ন্যাতাদের জন্য নয় কর্মীদের জন্য মূলতঃ। তারা সরে গেলো ৮০ থেকে ৮৫র মধ্যে, তখন পার্টি পাট্টি হয়ে গেছে। হেবো, লালু, পচারা দখল নিয়েছে LC। ২০১১ পজ্জন্তো তারাই টিঁকিয়ে রেখেছিলো। ২০১১র পর তারাই মামামা হয়ে গেলো। এই তো গল্প।
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৪:৫৫665788
  • "প্রশান্তবাবু আন্ডারগ্রাউন্ডে জাননি। তাকে নব-যুবরা পাড়া ছাড়া করে। "
    যাক বেড়াল একটু গোঁফ দেখিয়েছে। অর্থাৎ কিনা নব-কং-এর নেক নজর থাকলে তাকে পুলিশ ধরার দরকার নেই। অবিশ্যি যারা সিদ্ধার্থ-বচনে আস্থাশীল তাদের কাছে "পাড়া ছাড়া" করাটা খুব একটা দোষের ব্যাপার নয়। পুলিশে ধরে জেলে ঢোকালে তবে না বামুনের পৈতে দেখা গেল!!

    এটা এখানে লিখে রাখা ভাল যে আমি বা আমার পরিবারের কেউ জেলে যায়নি। কিন্তু ভোটের আগের মাস ছয়েক ধরে এক অসহনীয় সন্ত্রাসের মধ্যে থেকেছি। সিপিএমের বিভিন্ন লেভেলের স্থানীয় কর্মীরা -যাদের কেউ কেউ কল্লোলদার অবমাননাকর ভাষায় "ন্যাতা" -সব অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল-ঐ মণীশ যেমন লিখেছেন। আর বিধায়ক গোপাল ভট্টাচার্যকে যদি কল্লোলদার ফিতের মাপে "ন্যাতা" বলা যায়, তাঁর বাড়ি/অফিসেই প্রথম আগুন লাগানো হয়। মালপত্র ছুঁড়ে বাইরে ফেলে দেওয়া হয়। তাঁকে পুলিশে ধরেছিল কিনা জানা নেই কিন্তু তার পর থেকে সকাল বিকের পাইপগান আর কাতানের প্রদর্শনীর মধ্যে থেকেছি।

    কল্লোল/SC
    সিপিএমের রাশিয়াপন্থী হওয়ার দরকার ছিল না। ভারতে "গণতান্ত্রিক পরিবেশ" বজায় আছে কিনা সে প্রশ্নে বাম নেতাদের কথাই আগে ওঠার কথা। এর মধ্যে খুব একটা যুক্তির অভাব নেই। আর এইজাতীয় আলোচনা আমি বিভিন্ন ফোরামে শুনেওছি।
    আসলে আমরা এমন সময়কাল নিয়ে আলোচনা করছি যেগুলো নিয়ে সাদা-কালো প্রমাণ দাখিল করা খুব মুশকিল। যেমন ধরুণ, কথিত আছে যে USSR-এর চাপেই নাকি ফার্নাডেজ ৭৪-এর রেল স্ট্রাইক তুলে নেন। সেই ফার্নান্ডেজকেই আবার ইন্দিরা জেলে ঢোকান জরুরী অবস্থার সময়ে।
  • pi | 233.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:৫৮665789
  • ক্লাবে ক্লাবে যে টাকা অনুদান দেওয়া হচ্ছে, তার খরচের হিসেব কি দিতে হয় ? সেগুলো কোথাও পাওয়া যায় ? আর টি আই করলে জানা সম্ভব ?

    চা বাগানের জন্য নাকি মমতা বিশাল অঙ্কের একটা টাকা দেবেন বলেছিলেন, কিছুই দেওয়া হয়নি, এটা নিয়েও আর টি আই করা সম্ভব? কেউ করতে পারেন ?
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:১৭665790
  • আন্ডারগ্রাউন্ডে যাওয়া আর পাড়া ছাড়া হওয়ার মধ্যে আকাশপাতাল ফারাক।
    আন্ডারগ্রাউন্ডে যাওয়া মানে পাড়া-বাড়ী ছাড়া তো হওয়াই, তার উপর ছদ্মনামে, ছদ্মপরিচয়ে, চেনা জায়গা থেকে দূরে থাকা। আর পুলিশে ধরাপড়া থেকে বাঁচিয়ে চলা।
    যারা পাড়া ছাড়া হয়েছিলেন, তাদের ওপর অন্য চাপ থাকতো। সকলে তো পরিবার সমেত পাড়াছাড়া হতে পারেন নি। নিজেরা অন্য কোথাও চলে গেছিলেন। চাকরীও করেছেন। কিন্তু সারাক্ষণ পরিবারের জন্য অসম্ভব চাপে থাকতেন।
    ঐ সময়ে সিপিএম করা বেশ কিছু মানুষ কেওড়াতলা অঞ্চলে আশ্রয় নেন। এরা ছিলেন, মূর অ্যাভেনিউএর সুভাস, টালিগঞ্জ পঞ্চাননতলার তপন আর রাণীকুঠির রঙ্গ। ওদের সাথে আমাদের এক বন্ধুর মাধ্যমে যোগাযোগ। আমরা গুরুদ্বারের উল্টোদিকে আড্ডা মারতাম। ওরা চাকরীর জায়গায় কোন ঝামেলা পোয়ায় নি। কিন্তু দেখেছি কি অসম্ভব চাপে থাকতো ওরা, ওদের মা বাবা ভাই বোনেদের চিন্তায়। সুভাসের প্রতিদিন সন্ধ্যে থেকে মাথা যন্ত্রনা করতো, আর মুঠো মুঠো স্যারিডন জাতীয় ওষুধ খেতো। গ্যাস্ট্রিক হয়ে যায় তার ফলে।
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:১৯665791
  • গুড!!
    তাহলে পুলিশ দিয়ে না ধরিয়ে পাড়া ছাড়া করানোটা আরো বেশী effective সন্ত্রাস ছিল।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:৪৩665792
  • দুটো-ই সন্ত্রাস। কিন্তু পুলিশের হাত থেকে বাঁচিয়ে চলা যে কি বস্তু, সে যাদের করতে হয়েছে তারাই জানে। দূরে কোথাও কালো গাড়ি (পুলিশের কি না জানা নেই) দেখলেই কি অসম্ভব টেনশন হতো অনেকের। অনেকে পুলিশ দেখলে মুখ বিকৃত করে হাঁটতে থাকতো। এগুলো মানসিকভাবে অসুস্থ করে দিয়েছে কতোজনকে।
    সবচেয়ে বড় ঝামেলা ছিলো চাকরীতে যেতে না পারা।
    খুব কম মানুষকেই ঐ অবস্থায় স্বাভাবিক থাকতে দেখেছি।

    পাড়াছাড়ারা তবু চাকরীর জায়গায় কোনমতে আপস করে থাকতে পেরেছেন। মাস গেলে মাইনেটা পেতেন, আর তা দিয়ে পরিবার ও নিজেদের খরচ তো চালাতে পারতেন। কিন্তু ওয়ারেন্ট বেরুনো মানুষদের তো তারও উপায় ছিলো না। বন্ধুবান্ধবদের সাহায্যে বেঁচে থাকা। তার উপর যদি পরিবার তাদের ওপর নির্ভরশীল হতো, তো চরম অবস্থা হতো সেই সব মানুষদের।
    আমার পরম সৌভাগ্য যে এমন বেশ কিছু মানুষের জন্য সাধ্যমতো করতে পেরেছি। তখন তো ছাত্র ছিলাম। টিউশনি করে শাখানেক টাকা কামাতাম। তাতে আর কিই বা হতো। অনেক বিরাট মনের বন্ধুরা ছিলেন, যারা বয়সে খানিক বড়, চাকরী করতেন, তারা আশ্রয় দিয়েছেন, খাবার জামাকাপড় যুগিয়েছেন, ওদের পরিবারকে টাকা পাঠিয়েছেন। আমরা লুকিয়ে টাকা দিয়ে আসতাম মাসীমা মেশোমশায়দের। ওদের ছোট ভাইবোনেদের পড়ানোর নাম করে ওদের বাসায় নিয়মিত যেতাম। দিনের পর দিন, আমাদের বাড়ীতে থেকেছেন ওদের অনেকে। কৃতজ্ঞ আমার মা বাবার কাছে, তারা কোনদিনও কোন আপত্তি করেন নি।
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:০৮665793
  • পাড়া ছাড়া করার মেথডটা এতই যখন effective তখন আর বড় নেতাদের জেলে ভরে ঝামেলা কাঁধে নেওয়ার প্রয়োজন কি শাসকের?

    যারা অন্যত্র চলে যেত তাদের টেনশন তো একরকম। কিন্তু যাদের যাওয়ার জায়গা ছিল না উপায় ছিল না তারা কি করত? ৭১-এ সন্ত্রাস বাড়ির ভেতরে চলে আসার ভয়ে আমার পিতৃদেবের গাদা-গুচ্ছের বই আমরাই এক রাতে পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছিলাম।

    "ফারেনহাইট 451" অবিশ্যি তার অনেক বছর আগেই ত্রুঁফো চিত্রায়িত করেছিলেন। আমি ছবিটি দেখি বোধহয় ৮০ দশকের মাঝামাঝি আর কত সহজেই একটা বিদেশী ছবির সঙ্গে রিলেট করতে পেরেছিলাম!!!!
  • de | 24.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:৪২665795
  • এমনিতে সব ঠিকই আছে - শুধু রূপা গাঙ্গুলির একমাত্র পরিচয় " মহিলা ধূমপায়ী" - এটাই খালি নেওয়া গেলো না!
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ২১:০৬665796
  • নেতাদের জেলে পোরার দরকার হয় যখন নেতারা প্রচন্ড প্রতিকুল পরিবেশেও কর্মীদের পাশে এসে দাঁড়ান, আর কর্মীরা সাংঘাতিক খারাপ অবস্থাতেও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা পায়। যেটা হয়েছিলো জয়প্রকাশ, জর্জ ফার্নান্ডেজ, আডবানী, মিনু মাসানীর ক্ষেত্রে।
    ন্যাতারা সেরকম কিছু না করে ঘর খুলে বসে গুলতানী করলে জেলে পোরার দরকার হয় না।
    এই আর কি।
    ফারেনহাইট 451এ সরকারই বই পোড়াতো, দমকল কর্মীদের দিয়ে।
    এর সাথে তুলনীয় নকশালদের লাইব্রেরী পোড়ানোর অবিমৃশ্যকারী হঠকারীতা।
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ২৩:০০665797
  • বামপন্থী নেতাদের সম্পর্কে তোমার অবমাননাকর উক্তিটি তোমার একান্ত নিজস্ব। সেই কবেকার ঘৃণা পুষে রেখে আর বারংবার একই শব্দ উচ্চারণ করে কি লাভ হচ্ছে তা তুমিই জান। আর যাদের নাম করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছ তাদের একজন ভারতের ইতিহাসে ঘৃণ্যতম সাম্প্রদায়ীক রাজনীতি ও দাঙ্গার জনক। আশা করি ভারতে এরকম ঘৃণ্য রাজনীতিবিদ আর কোনদিন জন্মাবে না।
    বিকৃত ইতিহাসচর্চা মানুষের রাজনৈতিক অবস্থান ও বিবেচনাকে কোথায় নিয়ে যায় এই আলোচনা তার একটা প্রকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে রইল।

    "ফারেনহাইট ৪৫১এ সরকারই বই পোড়াতো, দমকল কর্মীদের দিয়ে"
    একটা মারাত্মক দৃশ্য ভুলে গিয়েছ। এক বয়্স্ক মহিলার বাড়িতে দমকল বই পোড়াতে এলে তিনি নিজে বইয়ের স্তুপের ওপরে দাড়িয়ে নিজের হাতে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।
  • ?? | 102.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৩:১৯665800
  • কম্যু কোরিয়ার রাজা'ও ভগবান
    সমুদ্রে এত লাশ ?। ওহ।
    সত্যি তো ? না কি বুর্জোয়া খবরের কাগজের তৈরি কোন খবর। ঃ)) ঃ)) ঃ))
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৭:১২665801
  • পিটি।
    আমি আডবানী বা জর্জ ফার্নান্ডেজ বা জয়প্রকাশ এদের কারুরই রাজনীতির সমর্থক না। কিন্তু যেটা ঘটনা সেটা ঘটনাই।
    তারা যে রাজনীতিই করুন, জরুরী অবস্থা ও তার ঠিক আগের ভয়ংকর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের দিনে কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাতে আডবানীর রামরথ আর বাবরী ভাঙ্গা ভালো কাজ হয়ে যায় না। জর্জএর কফিন কেলেঙ্কারী মিথ্যে হয়ে যায় না। কিন্তু তারা ৭৪-৭৬ যা করেছেন তাও মুছে ফেলা যাবে না।
    পবতে ৭০-৭৭এ সিপিএম সহ বেশীরভাগ বাম দলের শীর্ষ নেতারা সেদিন কর্মীদের পাশে থাকেন নি। এটাই ঘটনা।
  • PT | 213.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৮:০৪665802
  • "পবতে ৭০-৭৭এ সিপিএম সহ বেশীরভাগ বাম দলের শীর্ষ নেতারা সেদিন কর্মীদের পাশে থাকেন নি। "
    এই হাস্যকর বাক্যটি একমাত্র তোমারই সৃষ্ট ইতিহাস। আনন্দের কথা হল বেশীর ভাগ মানুষই সে কথা বিশ্বাস করেনা কেননা এই কথা বিশ্বাস করার কোন ভিত্তি নেই। অবিশ্যি এখন দেখছি "শীর্ষ" শব্দটি নতুন করে ব্যবহৃত হয়েছে।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৯:১০665803
  • পিটি। শীর্ষ নেতা - ওটা আমার আগেই ব্যবহার করা উচিৎ ছিলো। আমি লজ্জিত যে নেতা বলতে ন্যাতাদেরই মনে করেছি। সিপিএমএর অসংখ্য স্থানীয় নেতা ও কর্মীর সাহস আত্মত্যাগ দলটাকে ৭৭এর ওরকম তুমুল জনপ্রিয় দলে পরিনত করেছিলো। ৭০-৭৭ তারপরে ৭৮এর বন্যায় খুব কাছ থেকে দেখেছি, কাজ করেছি। বহু বাম কর্মীদের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তারা প্রায় প্রত্যেকেই ৮০র পর থেকে হতাশ হতে শুরু করেন। ৮০ বলছি কেন? ইন্দিরার প্রত্যাবর্তন। সেদিন বামেদের সাম্প্রদায়িকতা না স্বৈরতন্ত্র নিয়ে দোলাচলের সুযোগ নিয়ে ইন্দিরা ফিরে আসে। ভারতের অন্য প্রদেশে তার এতো প্রভাব পড়েনি, যতটা পড়েছিলো পবতে। আবার সেই নব-যুবরা উঠে আসছে, আর আমাদের পার্টির দোলাচলের হাত ধরে, এটা সেদিন বড় ভয়ানক হয়ে দেখা দিয়েছিলো ঐ সব অত্যাচারীত কর্মীদের কাছে।
  • PT | 213.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৯:১৩665804
  • Were the Socialists right in their decision to align with the Jan Sangh to form the Janata Party after the Emergency? Basu, .........said he was averse to the idea of an alliance with the Jan Sangh. "I warned JP not to align with the Jan Sangh. I told him they (the Jan Sangh leaders) would put you in an awful predicament, but he said there was no alternative in the given circumstances but to align with the Jan Sangh........
    http://www.rediff.com/news/2000/jun/24basu.htm

    আর যারা "ঘর খুলে বসে গুলতানী" করতেন তাদের একজনের কীর্তিকলাপঃ
    Jyoti Basu,........travelled from Kolkata to Jalandhar in Kashmir Mail under an assumed name to avoid arrest on the way.......
    ....As Mrs Gandhi had directed the police authorities to put all political leaders opposed to her and the Emergency behind bars, the police was also on the lookout for top CPM leaders........
    http://www.tribuneindia.com/2010/20100110/spectrum/main5.htm

    সত্যাসত্য বিচার করা যাবেনা কেননা কুশীলবেরা কেউই আর বেঁচে নেই। তবে কিনা এইসব তথ্য বিকৃত ইতিহাস চর্চাকে বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে দেয়।
  • cb | 208.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১১:০৭665806
  • ছেড়ে দিন কল্লোলদা আর পিটিদা, সবে মরে হেজে গেছে, এই নিয়ে আর উত্তেজিত হয়ে আর কি হবে?
  • SC | 117.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১২:৪৬665807
  • farenheit 451 truffaut র ছবির আগে কিন্তু ray bradbury র বই।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৩:৫৫665808
  • আমাদের ধরে রাখা আর ছেড়ে দেওয়ায় কিই বা আসে যায়।
    গোটা ৭০-৭৭ সিপিয়েমের শীর্ষ ন্যাতারা জ্যোতির্ময় বসু আর রাজদেও গোয়ালা বাদে সকলেই প্রকাশ্যে ছিলেন। কেউ কেউ ঘরছাড়া হয়ে আলিমুদ্দিনের কমিউনে ছিলেন। তাদের ঠিকানা পুলিশ জানতো না বল্লে, ঘুড়ায়েও আসবো। কেউ গ্রেপ্তার হন নি।
  • PT | 213.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৩:৫৯665809
  • বিকৃত ইতিহাস চলতেই থাক্বে কেননা উৎসে আছে চারুবাবুর মস্তিষ্ক প্রক্ষালন ও ৪০ বছরের জমে থাকা ঘৃণা!!
  • PM | 116.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৪:২৭665810
  • ৭৫ এ সিপিএম নেতারা জরুরী অবস্থাকে পরোক্ষে সমর্থন করেছিলো---কিন্তু ৭৭ এ জনগন জরুরী অবস্থার বিরোধী মুখ হিসেবে সিমিএমকেই আনলো।

    কাল্লোলদা ক্রমশ = জনগন -ছাগল তত্বের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন ঃ)
  • | 213.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৪:৩১665811
  • উফ্ফ!! জ্বালিয়ে দিলে!!

    "আজ তবে এই টুকু থাক,বাকি কথা পরে হবে.."
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:৪৪665812
  • জনগন জরুরী অবস্থা বিরোধী মুখ হিসাবে তো জনতা পার্টিকে আনলো।
    সিপিএম? পবতে জনতা পার্টি মূর্খের মতো বামেদের সাথে নির্বাচনী জোটে গেলো না। বাম জোট সবচেয়ে বেশী সিট জনতা পার্টির জন্য দিতে চেয়েছিলো।
  • PT | 213.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:১৬665813
  • গত তিন মাসে ১১১ জন চা শ্রমিকের মৃত্যু!!
  • PM | 59.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:১৭665814
  • ভালো তো। তারা কনফিডেন্ট ছিলো তাই বামেদের সাথে আতাতে যাইনি। জনতা দলেরি তো পঃবঃ এ ক্ষমতায় আসার কথা ছিলো সেক্ষেত্রে।

    কিন্তু জনগন সিপিয়েম কেই কংগ্রেস বিরোধীতার মুচ বলে মনে করলো কেনো যখন সিপিয়েম প্রয় ৫-৭ বছর ক্ষমতায় নেই। তার আগেও যখন ছিলো সহযোগী দল হিসেবেই ছিলো।

    এতো অপদার্থ সিপিয়েম নেতৃত্বকে রিগিঙের অভিযোগ নেই এমন ভোটে ক্ষমতায় আনলো কেনো।৭৭ এ জ্যোতিবাবুর এতো জনপ্রিয়তার-ই বা কি কারন?

    বুঝতে পারি ৩৪ বছরের চেপে রাখা রাগ সুযোগ পেয়ে বহিপ্রকাশের সময় যুক্তি মনে না। তবে ইতিহাস পাল্টানোর অপচেষ্টায় নামার আগে আরেকটু হোমওয়ার্ক দরকার। চেষ্টায় কি না হয় ঃ)
  • কল্লোল | 111.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:৪৮665815
  • পিটি।
    আগের পোস্টটা মিস করে গেছি।
    "I warned JP not to align with the Jan Sangh. I told him they (the Jan Sangh leaders) would put you in an awful predicament, but he said there was no alternative in the given circumstances but to align with the Jan Sangh........"
    একটা বিষয় খুব পরিস্কার জনসঙ্ঘকে জোটে নেওয়া ছড়া অন্য কোন বিকল্প ছিলো না।
    সেই জোটে সিপিএম জেনে বুঝে সামিল হয়েছিলো (the Jan Sangh leaders) would put you in an awful predicament,।
    আমি তো এতে দোষের কিচু পাই না বাপু।

    পিএম।
    জ্যোতি বসু জনপ্রিয় সেই প্রথম নির্বাচন থেকে। বিধানসভায় জ্যোতি বসু ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির মুখ। বিধান রায়ের মতো দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতার সাথে সমানে সমানে টক্কর দিয়েছেন উনি। ওনার রেলওয়ে শ্রমিকদের মধ্যে সংগঠনের কথা তো ভুলে যাওয়ার নয়। বিশেষ করে আসামে উনি যেভাবে সংগঠন গড়েছেন, তা আজও গল্পের মতো। যদিও সে সব কথা কেউ মনে রাখে নি। উনি মারা যাওয়ার পর যত লেখা সবই তো মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু, বড়জোর বিরোধী নেতা জ্যোতি বসু ইঃ। উনি যে লন্ডন থেকে ফিরে কাঁচড়াপাড়ায়, আসামে রেল শ্রমিক ইউনিয়ানের অন্যতম সংগঠক ছিলেন, সেকথা আজ আর কে মনে রেখেছে। আসামে সংগঠন করতে গিয়েই ওনার যক্ষ্মা হয়।
    তারপর ট্রামভাড়া বৃদ্ধি আন্দোলন, খাদ্য আন্দোলন এসবের মধ্য দিয়ে অর্জিত কমিউনিস্ট পার্টির জনপ্রিয়তা, ও তার মুখ হিসাবে ওনার জনপ্রিয়তা তো প্রবাদ প্রতিম।
    কিন্তু, তার ও সিপিএমের এই সমস্ত ভালো কাজ তো জরুরী অবস্থায় চুপ করে থাকার মান্যতা হতে পারে না।
    জনতার পবতে কোন সংগঠন ছিলো না। কিন্তু তবু বামেরা তাদের বেশী আসন দিতে চেয়েছিলো পব বিধানসভায়। তারা রাজি হলো না। তাতে যা হবার তাই হলো।
    আমার মতে ঠিকই হলো।
  • PT | 213.*.*.* | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৮:১৬665817
  • জরুরী অবস্থায় সিপিএম "চুপ" করে বসে ছিল এটা কোন ঐতিহাসিকের তথ্য বা মত?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন