এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড?

    s
    অন্যান্য | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৯৭১৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৩ জুন ২০১৩ ১৯:৪৭582102
  • নীলাভ্রবাবু,

    হ্যাঁ আইন সব ঠিকঠাকই আছে। রেয়ারেস্ট অফ দা রেয়ার ক্রাইমের শাস্তি মৃত্যুদন্ড। তাই দিল্লীর ঘটনা বা কামদুনির ঘটনা, যেটাকে আমরা ভাবছি রেয়ারেস্ট অফ দা রেয়ার, তাতে তো মৃত্যুদন্ডই হবার কথা।

    এখন প্রশ্ন হ'ল। আমি আপনি তো ভাবলে হবেনা, কোর্ট কী ভাবলেন, সেটাই প্রশ্ন। শুধু ছোটখাট কোর্ট নয়, ভারতের সর্বোত্তম ও সর্বোচ্চ সুপ্রীম কোর্টে আরুষি তলওয়ার হত্যায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে গেলেন কষ্টে বুক ফাটা একমাত্র সন্তান হারানো বাবা-মা। কেসের বিবরণ পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে বিভিন্ন মিডিয়ায়, এমন কি বিদেশের মিডিয়াতেও বেরিয়েছে। কোর্ট একটা সত্বাহীন, চিন্তাহীন, বিবেকহীন যন্ত্র, তাকে যা প্রমাণ, সাক্ষ্য ইত্যাদি দেয়া হবে, সে তার ওপর রায় প্রদান করবে। সেই সাক্ষ্য, প্রমাণ ইত্যাদি যদি আপনি ট্যাম্পার করেন, কোর্টের কিছুই করার নেই।

    ধনঞ্জয় চ্যাটার্জির কেসটা উল্লেখ করলেন, কেসটা খুঁটিয়ে ফলো করেছিলেন কী ? অনেক ফাঁকফোকর ছিল। গরীব মানুষ, তার হয়ে কেস লড়েছেন কম পয়সার দুর্বল উকিল। যখন মানবাধিকারবাবুরা আর জয়মাল্য বাগচি মশাই (তখনও জজ হননি) ময়দানে নামলেন, তখন অনেক দেরী হয়ে গেছে। প্রেসিডেন্টের ক্লেমেন্সি রিজেক্টেড। তখন আর ফিরে যাবার রাস্তা ছিলনা। ও কেসটা আলাদা। এখন আর ওসব নিয়ে কিছু বলেও লাভ নেই।

    কামদুনির ব্যাপারে আন্দোলন তো সেই যন্যেই হওয়ার কথা বলছে লোকে। সাক্ষ্য, প্রমাণ, ইত্যাদি গুছিয়ে কোর্টের কাছে সাবমিট যেন ঠিকঠাক করা হয়। মাঝপথে গায়েব না হয়ে যায়।
  • a x | ১৩ জুন ২০১৩ ১৯:৫৫582103
  • রূপংকর লিখেছেন - অনুন্নত এলাকায় জাস্ট পছন্দের মানুষকে বিয়ে করার সাধ্য নেই বলে ধর্ষণ হয়। দুটোকে ধরে বিয়ে দিয়ে দিলেই ঝামেলা চুকে যায়।

    এটার মানে একদম বুঝলাম না।
  • cm | ১৩ জুন ২০১৩ ২০:১১582104
  • আরুষিকে মেরেছে তার বাবা তো অন্য কেউ দোষী হবে কেন?
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৩ জুন ২০১৩ ২০:১৭582105
  • অক্ষবাবু,
    মাঝখান থেকে খানিকটা তুলে দিলে পরিষ্কার হয়না।
    অনুন্নত এলাকায়, যা হয় তা গতকালকের কাগজেই আছে। ওইযে গোন্ডদের মাস ম্যারেজ প্যান্ডালে ৯ জন গর্ভবতী মেয়েকে বের করে দেয়া হল। সেইরকম কান্ড অনেক ঘটে, কাগজে চোখ রাখলে পাওয়াও যায়। ওগুলো স্বেচ্ছায় সহবাস, ধরা পড়লে ধর্ষণ। যে করল তার বিয়ে করার সামর্থ নেই। অর্থের অভাব, হয়তো কাজকর্মও করেনা। যাকে করল সে বা তার বাড়ির লোকও মেনে নিত কিন্তু আশপাসের লোক জেনে যেতেই 'ধর্ষণ',।

    এগুলো হাল আমলের বাই প্রডাক্ট ও রাজনীতিকরণের প্রভাব। আগে এসব নিয়ে কেউ মাথা ঘামাতনা। আমি দীর্ঘদিন গ্রামাঞ্চলে কাজ করেছি। কিছু দেখেছি, শুনেছি অনেক।
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৩ জুন ২০১৩ ২০:২৩582106
  • সিএম

    আপনি দয়া করে কেস হিস্ট্রিটা মন দিয়ে পড়ুন। আমি লিঙ্ক দিতে চেষ্টা করতাম কিন্তু পাইয়ের কাছে অনেক ভাল লিঙ্ক আছে। যেহেতু সুপ্রীম কোর্ট বলে দিয়েছে, তাই বলছেন তো, যে বাবা মেরেছেন? এখন কামদুনির তর্কাতর্কিতে ব্যাস্ত। তবু পাই বা সিকি যদি লিঙ্কগুলো দিয়ে সাহায্য করে তো সিএম ছাড়াও আরো কিছু জনের জানতে সুবিধে হয়।

    পাই/সিকিকে অনুরোধ - আরুষি মামলার লিঙ্ক দিতে।
  • a x | ১৩ জুন ২০১৩ ২০:২৯582107
  • কাগজেই লিখেছে যে বাড়ির লোক মেনে নিত? আর জোর করে বিয়ে তাহলে কীভাবে দেওয়া হবে - যদি রোজগার নেই এমন অবস্থা হয়? জোরটা কার বিরুদ্ধে? আর এইসব অনুন্নত এলাকাতে "ধর্ষিতা" হিসেবে ট্যাগড হলে কী কী হতে পারে?
  • চান্দু মিঁঞা | ১৩ জুন ২০১৩ ২০:৪৬582108
  • আমি আরুষির বাপের পেশেন্টের মুখেতো তেমনি শুনেছিলাম। মারতে গেছিলেন চাকরটাকে গিয়ে লাগে মেয়ের গায়ে। ওনারা যে ভাবে প্রমাণ লোপাট করেছেন তার জন্যই শাস্তি দরকার। যাক এখন এ আলোচনায় দরকার নেই।
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৩ জুন ২০১৩ ২০:৪৮582109
  • অক্ষবাবু,
    বাড়িতে মেনে নিত - এটা কাগজে লিখেছে বলিনি তো, এটা প্রত্যক্ষ জ্ঞান থেকে বলছি।

    জোর করে মানে, ধরে এনে একটা পুরুত বা জানগুরু ডেকে আনুষ্ঠানিক দম্পতি ঘোষনা। রোজগার না থাকলে অনুন্নত জায়গায় শুধু নয়, খোদ কোলকাতায় বিয়ে হয়। আমার বাড়ির খুব নিকটে একটি স্পীচ ইমপেয়ার্ড (মূক) যুবকের বিয়ে হল পরশু। সে কিছুই করেনা। ( অবশ্য সে ধর্ষণও করেনি কাউকে, সম্বন্ধ করে বিয়ে) আর তারা মোটেই বড়লোক নয়, তবে দুবেলা খাবার জোটে মোটামুটি।

    এইসব জায়গায় ট্যাগড হলে কিচ্ছু হয়না। কেউ মাথাতেও রাখেনা ওসব ব্যাপার। খালি ধরা পড়ে গেলে বিয়ে করতেই হয়। যে সমাজের যা নিয়ম।
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৩ জুন ২০১৩ ২০:৫৬582113
  • চান্দু মিয়াঁ

    ওনারা প্রমাণ লোপাট করেছেন? আপনি কি জেনে বলছেন? আলোচনায় দরকার নেই ঠিকই কিন্তু বহু কথা বলার থাকলেও একটাই কথা বলে যাই। আপনি কি জানেন, যে সিবিআইয়ের সাবমিশনের ভিত্তিতে কেস ডিসমিস হয়ে গেছিল? এটা কিন্তু তথ্য, খাতায় কলমে। ডক্টর তলওয়ার ও ডক্টর মিসেস তলোয়ার বেকসুর খালাস হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছিলেন? এটা জানেন?

    তারপর ওঁরাই অ্যাপীল করেন আসল অপরাধীকে খুঁজে বার করার জন্য? দুজনেই ডাক্তারি পাশ করেছেন মানে তো মিনিমাম বুদ্ধিশুদ্ধি আছে। তা নিজে খুনি হলে খুনের দায়ে সুপ্রীম কোর্টের রায়ে পুরোপুরি খালাস পেয়ে আবার খুঁচিয়ে ঘা করতে যান?

    কি জানি আমার বুদ্ধিতে কুলোচ্ছেনা। শুধু আমার নয় ভারত ও ভারতের বাইরেও নানা লোকের বুদ্ধিতে কুলোয়নি। পাই দেখছে কিনা জানিনা। লিঙ্কটা পেলে ভাল হ'ত।
  • siki | ১৩ জুন ২০১৩ ২০:৫৬582112
  • আরুষির কেসটা সিএম খুবই কম জানেন তাই এ রকম একটা স্টেটমেন্ট দিলেন। তার বাবার বিরুদ্ধে আজও কোন প্রমাণ পাওয়া যায় নি। যাবেও না।
  • here jaaoaa manush | ০২ জুলাই ২০১৩ ১৭:৪১582115
  • na fansi to noy-i. ota shasti-o noy, shodhranor rasta-o noy. apatoto chotjoldi hisebe balaa jete oaare: sangshodhaner kathaa mathay rekhei muktaabasthaay bondi kore rekhe take/tader diyei pathor bhangai hok, it baoaai hok, shikhkhakaati hok, daktari-i hok... yamon anek kaaj-i karanoo jete pare. tar poribartei to take/tader posha arthaat tar/tader jonyo khaadyo-bastro ityadir byabostha karaa... jara chinta korchhen, tade TAX-er takay ityadi... Tarpor sotyisotyi-i sangshodhito hole mool samaaje firiye anlei... Hoy na ? Khub boka boka kathaa bollam ? Asole ar je kichhu maathaay elo na BOSS !!
  • debu | ০৩ জুলাই ২০১৩ ০৪:৪৬582116
  • দেশে কি redlight area বেআইনি ?
    অন্তোতোপক্ষে ৩০লক্ষ ছেলে মেয়ে এই পেশা তে যুক্তো আছে !
  • Blank | ০৩ জুলাই ২০১৩ ১৩:৫৬582117
  • হ্যা বে-আইনি
  • কল্লোল | ০৩ জুলাই ২০১৩ ১৫:৩৭582118
  • না বোধ হয়। এককথায় লাল বাত্তি ইলাকা বেআইনী নয়। যে কোন প্রাপ্তবয়ষ্ক পুরুষ ও নারী যৌনসম্পর্কে যেতেই পারে যে কোন কিছুর বিনিময়ে বা এমনিই, কিন্তু স্বেচ্ছায়। তার মধ্যে পয়সার বিনিময়ে যৌনকর্মও পরে। কিন্তু কেউ প্রকাশ্যে কাউকে তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ফুসলাতে গেলে সেটা বেআইনী।
    ফলে লাল বাত্তি এলাকায় বা যেকোন একান্ত যায়গায় নরনারীর যৌন সম্পর্ক বেআইনী নয়। কিন্তু ঘরের সামনে বা রাস্তায় বা পার্কে দাঁড়িয়ে খদ্দেরকে ডাকা, সে চোখের ইসারাতে হলেও বা খদ্দেরের ইচ্ছাপ্রকাশের ইসারাও বেআইনী। কি একটা আইন আছে ইমমরাল ট্রাফিক অ্যাক্ট না কি তাতে।
  • ম্যামি | ১২ জুলাই ২০১৩ ১৪:২০582119
  • খুশি তো? Whatever the verdict, his name and role in the crime will remain permanently sealed. The crime will also not reflect when he seeks employment in the future.
  • pi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৪৫582120
  • এটা এখানে থাক।

    I understand the sense of anger and the need for retribution and closure that we need. I want to make that very clear. Our rage is completely justified. But there are some things to be considered: Firstly, we shouldn’t suffer from the delusion that this death sentence will deter rape, even a single one, because there is absolutely no evidence of this.

    And then, we need to think about all the cases still fighting for justice – what kind of system makes it so difficult to even get a perpetrator to trial? Manorama Devi is picked up, gangraped, shot with bullets through her vagina. Was this not heinous?

    Let’s consider this category of the ‘rarest of the rare’ – what about the Khairlanji case? Where the victim’s entire family is picked up, raped and killed. That didn’t qualify as the rarest of the rare either.

    And Soni Sori..

    Yes, Soni Sori. A case where the stones shoved inside a woman’s anus have been placed in front of a judge, and still, a case of rape has not even been booked. We need to reflect about each of these crimes as well – what justice are we delivering to them, when their rapists receive gallantry awards and are protected by the state?

    http://www.tehelka.com/we-shouldnt-suffer-from-the-delusion-that-the-death-sentence-will-deter-rape/

    আর, এই দিকটা নিয়েও ভাবনাচিন্তা করা হোক।

    But as we know now, 20 of the 23 cases tried in that same court have ended in acquittals this year. So then will rape only be considered rape if there is forensic evidence? The value of the survivors’ testimony is not something we respect. In a vast majority of cases, this forensic evidence is very hard to come by. One of the reasons conviction rates are low because our laws place very high value on the survivor’s testimony, but in actual practice, this testimony is treated like the least important part of a trial. The survivor is the most devalued person in that courtroom. Her evidence is pilloried, ridiculed.

    After the Mumbai rape, former police commissioner of Mumbai YP Singh said 90 percent rape cases are false. How do we know this? Because he says, they do not end up severely injured in hospitals. So until our intestines are ripped out, we won’t be considered raped, the police will think we’re lying. This is the second reason convictions will now be even lower.

    Only cases which result in mass outrage in Delhi will receive conviction. Mass outrage in Khairlanji, Nagpur or mothers naked on the streets in Manipur don’t count. Only the small niche where we have brutal injury combined with mass outrage in the national capital, will we have punishment. In the others, it’s hard to get any penalty at all. Justice is a lottery.
  • কল্লোল | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৫১582121
  • ভালো লেখা।
    http://www.anandabazar.com/17edit3.html
    http://www.anandabazar.com/17edit4.html
    শাস্তি ও নিশ্চিন্দি নিয়ে খুব সময়োপযোগী প্রশ্ন। যুদ্ধ জয়ের সাফল্য কে প্রতিহিংসার উদ্যাপন থেকে দূরে রাখা কতটা কঠিন, তা মহাভারত জানতো। অসাধারণ।
    প্রথম লেখায় প্রশ্ন "উন্নয়ন" নিয়েও।
  • PT | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:৩০582124
  • ধর্ষককে ফঁসি দিলে ধর্ষণ কমে না - তাই ধরে নেওয়া যায় যে ধর্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলেও ভবিষ্যতের ধর্ষককে ঠেকানো যাবে না। কোন ভাবেই যখন কিছু করা যাবে না তখন এই সব কোর্ট-কাছারির ঝামেলাতে না গিয়ে ধর্ষককে মৃদু ধমক দিয়ে ছেড়ে দিলেই তো হয়!!

    উন্নয়নের ব্যাপারে একদম ওপরের সারির দেশ সুইডেনের অবস্থা কি রকম? Sweden now has the second highest number of rapes in the world, after South Africa, which at 53.2 per 100,000 is six times higher than the United States. Statistics now suggest that 1 out of every 4 Swedish women will be raped.
    http://frontpagemag.com/2013/dgreenfield/1-in-4-swedish-women-will-be-raped-as-sexual-assaults-increase-500/

    মানে উন্নয়ন ধর্ষণ ঠেকাতে পারেনা?
  • কল্লোল | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:২১582125
  • প্রশ্নটা শাস্তি ব্যবস্থা ও শাস্তির প্রতি আমাদের মনোভাব নিয়ে। মৃত্যুদন্ড সমাধান নয়।
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=6465&boxid=17335718 এই প্রতিবেদনের প্রথম খবরটা দিল্লীতেই ঘটেছে মৃত্যুদন্ড ঘোষনার পরপরই।
    মৃত্যুদন্ড নয় মানে মাথা হাত বুলিয়ে আহা বাছা বলে ছেড়ে দেওয়া, এটা কি করে মাথায় আসে বুঝতে পারি না। এদের যাবাজ্জীবন হওয়া উচিৎ আর গোটা সময়টা জুড়ে কাউন্সিলিং চলা উচিৎ। এবার অবশ্য ট্যাক্সের পয়সা ও মহার্ঘ অক্ষিজেনের কথা উঠবে। আর শোনা যাবে "আপনার নিজের হলে কি কত্তেন?" যেন জেলে আর যত অপরাধী আছে তারা সব সাধুসন্ত।
    তা সত্ত্বেও আমার এটাই মত।

    শাস্তিতে উল্লাস। গদাযুদ্ধে দুর্যোধনের পরাজয়ের পর ভীম উল্লাস করছিলেন। উত্তেজিত ভীম মাটিতে পরে থাকা দুর্যোধনের মাথায় লাথি মারেন। তখন যুধিষ্ঠির ভীমকে তার ব্যবহারের জন্য তিরষ্কার করেন।
    "যুদ্ধ জয়ের সাফল্য কে প্রতিহিংসার উদ্যাপন থেকে দূরে রাখা কতটা কঠিন, তা মহাভারত জানতো।"

    উন্নয়নের সাথে ধর্ষনের সম্পর্ক নিয়ে কোন কথা কোথাও হয় নি। প্রথম লেখাটায় গ্রাম থেকে উচ্ছেদ হওয়া কৃষক, শহর থেকে পিছিয়ে পরা প্রযুক্তির মানুষ নিয়ে কিছু কথা আছে। তারা যে কি "সুখে" আছেন, তার কথা আছে।
    এই আর কি।
  • ranjan roy | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:০৯582126
  • পিটি,
    হল কি? ছেড়ে দেয়ার কথা কোত্থেকে আসছে? মৃত্যুদন্ড না দেওয়া মানে শাস্তি দেয়া? এমন অদ্ভূত যুক্তি বা দাবি ?
    ছেড়ে দিলে আবার করবে। মুম্বাইয়ের মহিলা রিপোর্টারের ধর্ষকদের কেস ফাইল দেখুন।

    যাবজ্জীবন কারাবাস মানে ধর্ষকদের চিড়িয়াখানার জন্তুর মত ইনোকুয়াস পজিশনে রেখে দেওয়া যাতে এইসব বিপজ্জনক অপরাধীরা সমাজের জন্যে পোটেনশিয়াল ডেনজার না হয়।

    অন্য মতকে ট্রিভিয়ালাইজ করছেন কেন?
  • তাতিন | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:১২582127
  • শাস্তি হিসেবে ফোর্সড লেবার বা গুলাগের কথা কেন আসে না?
  • PT | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৩৮582128
  • কাউন্সিলিং করলে তো যে ধরষণ করেছে তার চিত্তশুদ্ধি হলেও হতে পারে। সেটা অন্য পোটেনশিয়াল ধর্ষককে রুখবে কি করে?

    "চিড়িয়াখানার জন্তুর মত ইনোকুয়াস পজিশনে রেখে" দেওয়ার থেকে বোধহয় ফাঁসি দেওয়া ভাল।
  • cm | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৩:৪৭582129
  • এ ধরনের কোন কাজের অনুপ্রেরণা আসে হতাশা থেকে। মানে হতাশা একটি সম্ভাব্য কারণ। সুইডেনে ওদের ব্রেন ম্যাপিং করেনা কেন?
  • কল্লোল | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৫:২০582130
  • যতোদিন পুরুষতান্ত্রিক চিন্তা থাকবে ততোদিন ধর্ষণও থাকবে। ধর্ষণ বা খুন উবে যাবে আমার মনে হয় না। ঈর্ষা ও লোভ থাকলে খুন থাকবে। কিন্তু এর বিরুদ্ধে লাগাতার লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। একদম ব্যক্তিগত লেভেল থেকেই চালানো যায়। যে ভাবে লড়াই চালাতে চালাতে বাল্য বিবাহ চোখে পড়ার মতো কমে গেছে। যেভাবে লড়াই চালাতে চালাতে মেয়েরা শিক্ষার সব স্তরে পৌঁছে গেছে, যেমন খুশী চাকরী করছে। একদিন এগুলো ভাবাও যেতো না।
    নিজেদের গন্ডিতে মেয়েদের নিয়ে সেক্সিস্ট চুটকি / ছোট করে দেখানোর চুটকির প্রতিবাদ করুন। কেউ ফেসবুকে বা মেইলে এরকম কিছু পাঠালে তাকে বন্ধুতালিকা থেকে বাদ দিন। নিজের শরীরের সাথে সাথে অন্যের শরীরকে সম্মান করার কথা বলুন। লিঙ্গবৈষম্যের বিরোধীতা করুন নিজের ঘর থেকেই।
  • সে | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৫:৩৮582131
  • এই কথাটাই তো লিখেছিলাম ভাটিয়া৯তে। রেস্পেক্ট।
    কতো আওয়াজ খেয়েছি সেজন্য।
  • কল্লোল | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৫:৪০582132
  • সে। আবাজ তো খাবারই জিনিস। খেয়ে দেয়ে গায়ে জোর হবে। আবার লড়ে যাবেন।
  • সে | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৬:০৯582133
  • পুরোনো পোস্ট থেকে এখানে তুলে দিলাম।

    name: সে IP Address : 203.108.233.65 (*) Date:02 Sep 2013 -- 04:19 PM

    .....সবার আগে রেস্পেক্ট করতে শেখাতে হবে বাচ্ছাকে। শুধু মানুষকে নয় - মেয়েমানুষদেরও যেন রেস্পেক্ট করতে শেখে। বাড়িতে হয়ত দেখছে বাপ মাকে ধরে ঠ্যাঙায়, গালি দেয়, মায়ের কোনো রেস্পেক্ট নেই, বোন-দিদি-কাকি-জেঠি-ঠাকুমা-দিদিমা-ফিমেল মেম্বারদের রেস্পেক্ট নেই, মেল মেম্বাররা তাদের হেলাফেলা করে, - এইসব দেখে দেখেই বাচ্চারা শেখে। কেবল বলে বলে শেখালেও হয় না, অনেক অনেক জিনিস বাচ্চারা দেখে শেখে। আজকের যে কোনো মেইনস্ট্রীম মুভিতে দেখছে সুন্দরী হিরোইন বিপদে পড়লেই হিরো তাকে বিপদ থেকে রেস্কিউ করছে। উল্টোটা দেখতে পায় না।এটাই নর্ম হয়ে যায়। মাথায় গেঁথে যায়। ফিমেল মানেই দুর্বল - বিপদে পড়লে মেল এসে তাকে রেস্কিউ করবে। কিম্বা ফিমেলকে শাস্তি দিতে বা প্রতিশোধ নিতে মেল (ভিলেন) তাকে রেপ করে। এই জিনিস বরাবর দেখে আসছে। ফলত ফিমেলদের প্রতি রেস্পেক্ট নেই। রেস্পেক্ট করতে শেখাতে হবে। যে রেস্পেক্ট করে না - সে নিজের মা কেও রেস্পেক্ট করেনা, বউকেও না, বোনকেও না, নিজের মেয়েকেও না।
    ফোরাম টোরামে হয়ত অনেক বড়ো বড়ো বানী দিতে পারে কিন্তু ছোটোবেলার শিক্ষা থেকে যে বুনিয়াদ তৈরী হয়ে গেছে সেটা সহজে পাল্টায় না। জেলে (কারেক্শান হোম) ভরে রেখে বাল্মিকী প্রতিভায় দস্যু রত্নাকরের রোলে অ্যাক্টিং করিয়ে কতজনকে ঠিক করা যায় জানি না। সেটা বাল্য বয়েসে ঘরে সুস্থ পরিবেশে শেখানোটাই বেটার অপশন। বড়োলোক গরীবলোক নয়- রেস্পেক্ট করতে শেখাটাই আসল। রেস্পেক্ট।

    name: সে IP Address : 203.108.233.65 Date:02 Sep 2013 -- 04:35 PM

    দেশশুদ্ধ লোককে শেখাতে হবে কেন? শুধু নিজের বাড়িতে চারদেয়ালের মধ্যে রেস্পেক্টটুকু থাকলেই যথেষ্ট। আমি আমার চার দেয়ালের মধ্যিখানটায় যেন রেস্পেক্টটুকু সকলকে দিতে পারি, সেটাই মোর দ্যান এনাফ।….

    name: সে IP Address : 203.108.233.65 Date:02 Sep 2013 -- 08:10 PM

    …..কাল্পনিক পরিস্থিতি বলছেন কেন? শুধু বস্তিই বা কেন? সবরকম বিত্ত এবং সামাজিক অবস্থানেই এক ফ্যামিলি মেম্বারের অন্য মেম্বারের প্রতি অসম্মান হতে পারে। খুব পয়সাওয়ালা হোক বা খুব পড়াশোনা জানা ফ্যামিলি হলেও। শুধু ফিজিক্যাল অ্যাসল্ট কেন, ভার্বাল অ্যাবিউজ ও হয়। গালি না দিয়েও শুধু ব্যবহার দিয়েও একজন অন্যজনকে অসম্মান দেখাতে পারে। শিশুরা এটা খুব ভালো বোঝে। অল্প বয়স থেকেই দেখে দেখে শুনে শুনে বুঝে নেয়। প্রান্তিক মানুষ বা বস্তিবাসীদের ঘরে গিয়ে দেখবার দরকার নেই। এ জিনিস আমাদের চারপাশেই হচ্ছে। একজনের উপার্জ্জন বেশি হলে সে কম উপার্জ্জনকারীকে অসম্মান করছে। এটা অধিকাংশ ("অধিকাংশ" লিখেছি, সব ক্ষেত্রেই যে হয় তা লিখিনি) ক্ষেত্রেই জেন্ডার বায়াসে পরিণত হচ্ছে।
    আপনি যে পিরামিড দেখালেন, সেটা ক্ষমতার পিরামিড। ক্ষমতা=সম্মান এইরকম ইকুয়েশন নিশ্চয় বলতে চাননি।
    যত ক্ষমতা (আর্থিক, শারিরীক, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বুদ্ধি, ইঃ), তত সম্মান -- এমন যদি হয় তবে তো কিছুই বলবার থাকে না।
    কিন্তু সংসারে মিলেমিশে সকলকে ভালোবেসে থাকতে গেলে পারষ্পরিক সম্মান (রেস্পেক্ট) ছাড়া সুস্থ পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। বাবা যদি মাকে (মারধোর করবার মতো এক্সট্রীম কিছু বলছি না) কথায় কথায় হেয় করে (বা উল্টোটা ও হতে পারে- মা বাবাকে) হয়ত ক্ষমতার (যেগুলো আগে ব্র্যাকেটে লিখেছি, আর্থিক, শারিরীক, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বুদ্ধি, ইঃ) জোরে, তবে বাচ্ছারা সেটা দেখতে দেখতে সীজন্ড্ হয়ে যায়। বোঝে এটাই দস্তুর। মায়ের প্রতি রেস্পেক্ট থাকে না কিন্তু করুণা থাকে। বোন দিদি কাকি জেঠিদের ওপরেও অনুরূপ (হয়ত জেঠাকে দেখছে জেঠিকে ধমকাচ্ছে, বা বাড়িতে বাবা ঢুকতেই সব চুপচাপ হয়ে গেল ভয়ে, এগুলো সম্মান থেকে হয় না ভয় থেকে হয়) ব্যবহার দেখতে দেখতে এই প্যাটার্ণটার ওপরে বেস করে মেয়েদের নীচু দুর্বল হিসেবে মেনে নেয়। সিনেমগুলোতে যেগুলো দেখানো হচ্ছে (নায়িকার বাইক চালাচ্ছে কিন্তু সেটা ব্রেক ফেইল করলে নায়ক এসে রেস্কিউ করছে, এরকম হাজার হাজার উদাহরণ দিতে পারি, প্রায় প্রত্যেকটা মেইন্স্ট্রীম ফিল্মে, অথবা যে মেয়েটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট থিঙ্কিং করছে সে খলনায়িকা বা সেক্স ওয়ার্কার*, অন্যদিকে নায়িকার সবকিছুই নায়কে ন্যস্ত। *সেক্স ওয়ার্কার কোনো খারাপ পেশা মীন করিনি একেবারেই) সেখানে ইন্ডিপেন্ডেন্ট মেয়েরা "ভালো মেয়ে" নয়।
    এসব প্রতিনিয়ত দেখতে পাচ্ছি আমরা বাচ্চারাও দেখছে। সম্মজের একক যদি পরিবার হয় তবে পরিবার থেকেই সুস্থ মানসিকতার শিক্ষা শুরু হওয়া উচিৎ নয় কি?
    এই আলোচনা শেষ হবার নয়। অন্যের পরিবারের দায়িত্ব নেবার চেয়ে আমরা প্রত্যেকে যদি নিজের পরিবারের মানুষদের সম্মান দিই তবে বাচ্চারাও সেটা দেখে শিখবে। বাস্তবিক সেটা আমরা কজন দিই সেটাই প্রশ্ন। কর্মস্থাল থেকে বাড়ি ফিরে সেই নিয়ে আলোচনা কোন মহিলা কেমন ড্রেস পরেছিলো সেই নিয়ে আলোচনা, বাচ্চারা সব শোনে।
  • Blank | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৬:৫৪582135
  • মেয়েদের চাকরি, বাকরি - শিক্ষায় এগিয়ে আসা ইত্যাদি সব ই হয়েছে বাজারের প্রয়োজনে। ব্যাক্তিগত লেভেলে আন্দোলন করে টরে এই সব পরিবর্তন এসেছে ভেবে সান্তনা পাওয়া যায়।
    শিল্প বিল্পবের সময়ে বিপুল পরিমানে লেবারের দরকার - তখন মহিলা শ্রমিকের দরকার পরেছে, সেখান থেকে বাজার যখন যেমন দরকার তখন তেমন খেলিয়ে নিয়েছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন