এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আগামীর অবয়ব

    dri
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১১ | ২৬৬১৬৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দ্রি | ০৪ জানুয়ারি ২০১৩ ২১:৫৫490166
  • সবে তো ড্রোন ওড়ানো লিগালাইজ্‌ড হল। কর্পোরেট এখনও ভালো করে ড্রোন ওড়ানোর টাইম পেল কই?

    তবে ড্রোন ওড়ানোর পার্মিশান পেল মানে, নিশ্চয়ই তার জন্য লবিইং হয়েছিল। আর লবিয়িং হয়েছিল, মানেই ওদের মাথায় কিছু প্ল্যান আছে। দেখা যাক। বিভিন্ন স্পেকুলেশান করা যেতেই পারে।

    যেদুটো আর্টিক্‌ল এই পাতায় আলোচনা হয়েছে তাতে কিছু স্পেকুলেশান + ফ্যাক্ট আছে।

    And drone fleets owned by private corporations means that a first amendment right of assembly is now over: if Occupy is massing outside of a bank, send the drone fleet to surveil, track and harass them. If citizens rally outside the local Capitol? Same thing. As one of my readers put it, the scary thing about this new arrangement is deniability: bad things done to citizens by drones can be denied by private interests – "Oh, that must have been an LAPD drone" – and LAPD can insist that it must have been a private industry drone. For where, of course, will be the accountability from citizens buzzed or worse by these things?

    ...

    Real estate brokers have already used drones to photograph for-sale properties, and in the future, the devices could be used to monitor oil pipelines, dust crops, or snap paparazzi photos of celebrities.

    নতুন টেকনোলজির অনেক পোটেনশিয়াল। কর্পোরেট সেগুলো নিশ্চয়ই ব্যবহার করবে। করলে মানুষের প্রাইভেসির সাথে ঠোকাঠুকি লাগবেই।
  • dd | ০৪ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:০৮490167
  • ড্রোন একটি খাসা টেকনলজি। প্রচুর কাজে লাগবে। তার মধ্যে বাঁদরামি আর খুনোখুনিও থাকবে। কিন্তু এই টেকনলজির যে কমারসিয়াল ভারসন খোলাবাজারে লিগালি পাওয়া যায় (খেলনা হেলিকপ্টারের মতন), অলরেডী সেই দিয়ে মানুষ খুন করা যায়।

    এই টেক তো ইউজ হবেই। সরকারে করবে। ডাকাতে করবে। পারভার্টে করবে।বিপ্লবীরাও করবে।

    কিন্তু একে ঠেকিয়ে রাখা যাবে না।
  • দ্রি | ০৪ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৩৭490168
  • সুনামি আর দ্রুনামি। এরা আবহমান কাল থেকেই তো ছিল। কিন্তু রিসেন্ট কালে (মানে টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরীর সেকেন্ড হাফ থেকে) খেলাটা একটু ঘুরে গেল। হিউম্যান ট্রিগার থেকে ঝড়ঝঞ্ঝা, ভূমিকম্প, সুনামি হওয়া সম্ভব হল। আমার বক্তব্য সংক্ষেপে এটাই।

    আগেকার দিনে একটা ঝড় হলে স্ট্রেট গডকে স্যু করে দেওয়া যেত। নট এনি মোর। যেটা গড পারে সেটা মানুষও পারে। কিন্তু এই ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষেরই কোন অ্যাওয়্যারনেস নেই। (এবং সেজন্য দায়ী মিডিয়া)। ঝড় বা ক্ষরাকে মানুষের কারসাজি হওয়ার সম্ভাবনাকে কন্সিডার করেনা ম্যাক্সিমাম লোক।

    তো, প্রথম স্টেপ হল, এটা মাথার মধ্যে ঢোকানো যে টর্নেডো, সুনামি আর্টিফিশিয়ালও হতে পারে। এসবের প্রচুর এভিডেন্স আছে। আমি টইতে অনেক দিয়েছি।

    একটা পার্টিকুলার ঝড় ম্যান-মেড কিনা, সেটা তো স্পেকুলেশানের ব্যাপার। ইরাকে একটা বোম ফাটলে সেটা কে ফাটালো স্পেকুলেট করার মত। এগুলোর এনাফ ডিটেল আমরা কোনদিনও জানব না। কারা করালো? অবভিয়াসলি, যারা এই টেকনলজিগুলো পার্স্যু করেছে। বোঝাই তো যাচ্ছে, এটা ঠিক এরোপ্লেন বানানোর মত সবার সাথে শেয়ার করা টেকনলজি নয়। ফর এক্সাম্প্‌ল, সুনামি করার চেষ্টা করেছিল ইউ এস আর নিউজিল্যান্ডের সাইন্টিস্টরা ১৯৪৪ সালে। এই সাইন্টিস্টদের যারা ফাইনান্স করেছিল তাদের কাছেই এই টেকনলজি আছে। ঝড়বৃষ্টি আর্টিফিশিয়ালি করানোর প্রচেষ্টার ফার্স্ট রেকর্ড আছে ভিয়েতনাম ওয়ারে। ইউ এস মিলিটারী। এসব নিয়ে এই টইতে এনাফ মেটিরিয়াল আছে।

    কিন্তু যেটা ইম্পর্ট্যান্ট, কোথাও একটা সুইসাইড বম্বিং হলে আমরা ধরে নিই ইসলামিস্ট টেররিস্ট। সেইরকম কোথাও একটা ঝড় হলেই ধরে নিই এটা একটা অ্যাক্ট অফ গড। মে বি, উই শুড রিথিংক।
  • দ্রি | ০৪ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৪৭490169
  • এসপি, অ্যাকচুয়ালি হার্প এবং ওয়েদার মডিফিকেশান নিয়ে প্রচুর কথা অলরেডি হয়ে গেছে এই টইতে অথবা এর আগের টইগুলোতে, নিউজের নক্সীকাঁথা, দি আনবেয়ারেব্‌ল ফাজিনেস অফ সিয়িং, কনস্পিরেসি।

    আপনি কিছু ছাড়ুন না।
  • দ্রি | ০৪ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৫৬490170
  • আর ডিডিদাদা, আশা করব টাইটানিকের কনস্পিরেসিটা সামলানোর দায়িত্ব আপনিই নেবেন।

    টাইটানিক ঢপ, তাই ওয়েদার মডিফিকেশান ঢপ? নো। ইট ডাজন্ট ওয়ার্ক লাইক দ্যাট। দেখতে হবে মেটিরিয়াল এভিডেন্সগুলো কি কি। বায় দা, ওয়ে আমি কিন্তু বলছিনা টাইটানিকের এই ক্লেমের কোন মেরিট নেই। কিন্তু আপনি যেটুকু দিলেন তাতে বিশেষ কোন ডিটেল পেলাম না। ভিডিওটা তো কাজও করছেনা।
  • PM | ০৪ জানুয়ারি ২০১৩ ২৩:১১490171
  • ডিডি বাবু স্বভাব সিদ্ধ খিল্লি করছেন ...ঠিক আছে। কিন্তু আমরা অনেকেই দ্রির লেখা ফলো করি।
    কৃত্তিম বৃষ্টি অনেকদিন ধরেই প্রমানিত প্রযুক্তি। অনেক কেস স্টাডি আছে এ নিয়ে। কিন্তু প্রজুক্তিটা কমার্সিয়ালি ভায়াবল নয় এখোনো কিন্তু তার মানে এই নয় যে অস্ত্র হিসেবে ভায়াবল নয়।

    আমার মনে হয় সুনামি-ও কৃত্তিম ভাবে করা যেতে পারে। ভুমিকম্প নিয়ে আমারো বহুল সন্দেহ আছে। কিন্তু কতটুকুই বা জানি?

    জিও পলিটিকাল সংক্রন্ত বিষয়ে গুরুতে কজন-ই লেখেন।

    ডিডি বাবুর নিজস্ব চিন্তা ভাবনা সহ মৌলিক লেখার অভাব অনেক দিন থেকেই অনুভব করছি।কিছু লিখুন না সময় করে
  • দ্রি | ০৪ জানুয়ারি ২০১৩ ২৩:৪৯490172
  • ফিস্কাল ক্লিফের বিলঃ

    Multiple Senate sources have confirmed to CNSNews.com that senators received the bill at approximately 1:36 AM on Jan. 1, 2013 – a mere three minutes before they voted to approve it at 1:39 AM.

    http://cnsnews.com/news/article/senators-got-154-page-fiscal-cliff-bill-3-minutes-voting-it

    এর থেকেই বোঝা যায় বিল লেখে যারা তাদের চোখেও দেখা যায় না। লবিইস্টরা শুধু বিল পাস করিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব নিয়ে নেন।
  • dd | ০৫ জানুয়ারি ২০১৩ ১০:২৮490174
  • @ দৃ সাহেব।"সুনামি আর দ্রুনামি। এরা আবহমান কাল থেকেই তো ছিল। কিন্তু রিসেন্ট কালে (মানে টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরীর সেকেন্ড হাফ থেকে) খেলাটা একটু ঘুরে গেল। হিউম্যান ট্রিগার থেকে ঝড়ঝঞ্ঝা, ভূমিকম্প, সুনামি হওয়া সম্ভব হল। আমার বক্তব্য সংক্ষেপে এটাই।" ...... সে তো বোঝলাম। এই সব ঐশ্বরিক ঘটনা এখন মানুষেও পারে।

    কিন্তু স্যার, আমার প্রশ্ন্টার উত্তর দিলেন না। রাশা,চীন,জাপান,ইরান,পাকিস্তান ইঃ তে (বা যে কোনো দেশেই) ইত্যকার তৈরী করা বন্যা /ভুমিকম্প ঘটাচ্ছে তারা কারা? আর এইসব করেই বা তাদের কি উবগার হচ্ছে?

    কারাই বা কন্স্পিরেটর? কাদের বিরুদ্ধে তদের কনস্পিরাসী?

    ফর্র এগজাম্পল একটি বা দুটি উদা দেন্না। দেখি। যেগুলিতে আপনের সন্দেহ এগুলি কৃত্তিম। এবং তাতে কার কি সুবিধে হোলো? কারা ঘটালো ? এইসব। লিং তো প্রচুর দেখলাম গতো চার পাঁচ বছরে। এবারে অন্ততঃ একটা ডিরেকশন থাকুক।
  • kd | ০৫ জানুয়ারি ২০১৩ ১৪:০০490176
  • আসলে সমস্যার শুরু হয়েছিলো কিছুদিন আগে থেকেই। আমার মনে আছে, ডিডিরও বোধহয় মনে আছে। ওই যে, যেদিন পাড়ার ওই ছোকরাটা চাকা আবিষ্কার করলো। তারপর থেকেই তো একটার পর একটা ঝামেলা, লেগেই আছে।
  • dd | ০৫ জানুয়ারি ২০১৩ ১৯:৩১490177
  • চাকা কে ঠিক কোরলো, তার নাম আর মনে পরে না। ঢ্যাঙা মতোম, বাদামী চুল। কুমীর খেতে খুব ভালোবাসতো। আমাকে খুব খাতির কোরতো। সামনে আলু মুলো কিছু খেতো না।

    প্রথমটায় চৌকো মতোম চাকা চালাতে গেছিলো পরে আমি হাতে ধরে সব বুঝিয়ে দিলে খুব খুসী হয়েছিলো।
  • দ্রি | ০৫ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:০৯490178
  • "সে তো বোঝলাম। এই সব ঐশ্বরিক ঘটনা এখন মানুষেও পারে।"

    এটা তো একটা মস্ত বড় স্টেপ। কিন্তু আপনি যখন বললেন, 'এসব তো আবহমান কালের', আমার মনে হল আপনি প্রিসাইজলি এই জিনিষটাই বুঝতে চান নি। বা না বোঝার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। ঠিক বললাম?

    তো ফার্স্ট স্টেপ হল, ওয়েদার মডিফিকেশানের রিয়েল্টিটাকে ফেস করা। প্রচুর পয়েন্টার আছে, অপারেশান পপআই, রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ডেভনের কাছে ক্লাউড সিডিং এক্সপেরিমেন্ট, রাশিয়ান উডপেকারের আমেরিকান জেট স্ট্রীমে ইন্টারফিয়ারেন্স, প্রোজেক্ট সীল। পড়ে দেখতে পারেন।

    'না-না, ওয়েদার মডিফিকেশান বলে কিসু নাই', এই হার্ডলটুকু অন্তত পার হওয়া গেল।
  • dd | ০৫ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:২২490179
  • আমার তো আত্মিক উন্নতি হয়েই গেলো অসাড়ে। টেরও পেলাম না। সে এক সুখবর।

    কিন্তু হে ছায়াপিন্ড ... আমার প্রশ্নগুলি?
  • দ্রি | ০৫ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৪২490180
  • এর পরের রিয়্যাকশান যেটা পাওয়া যায়, তা হল, 'ওয়েদার মডিফিকেশান, ইয়েস, বাট সো হোয়াট?'

    ড্রোনের মতই এও একটি টেকনোলজি (বা একাধিক টেকনোলজির সমাহার)। এবং সত্যি বলতে কি এটা 'মন্দ' কাজে যেমন ব্যবহার করা যায়, 'ভালো' কাজেও ইকুয়ালি ব্যবহার করা যায়, যেকোন টেকনোলজির মতোই।

    কিন্তু হিস্টোরিকাল ফ্যাক্ট হল, অধিকাংশ টেকনোলজির মত এটির জন্ম ডিফেন্স ডিপার্টমেন্টের গর্ভে। তাই এর ইনিশিয়াল ইনটেন্ট পীসফুল না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী। সেটা মাথায় রাখা দরকার। অনেক টেকনোলজিই শুরুতে মিলিটারী পারপাসে শুরু হয়, কিন্তু পরে তার সিভিল্যান অ্যাপ্লিকেশান বেরোয়। যেমন আজকের দিনের খুব বিনাইন লনমোয়ারের টেকনোলজি প্রায় ৫০০ বছর আগে কনসেপচুয়ালাইজ করা হয়েছিল একটা ঘুরন্ত শার্প ব্লেডকে এনিমি লাইনের মধ্যে চালিয়ে দেওয়ার জন্য। এবং এই আবিষ্কারটি কে করেছিলেন জানেন? লিওনার্দো দা ভিঞ্চি।

    তাহলে আসুন আমরা এগ্রি করি যে মিলিটারীরা ওয়েদার মডিফিকেশান বানিয়েছিল, তাই মোস্ট প্রব্যাবলি এর কোন কমব্যাটের ইন্টেনশান ছিল?
  • dd | ০৫ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৫৭490181
  • ওয়েদার মডিফেকেশন আর ক্লাইমেট মডিফিকেশন আদৌ এক জিনিস নয়। স্কেলের আকাশ পাতাল তফাৎ।

    প্রচন্ড খরার সময়ে এই গতো বছরেই নর্থ কর্নাটকে প্রচুর ক্লাউড সিডীং করা হোলো। রেজাল্ট প্র্যাকটিক্যালি জিরো। এখনো এই টেকনলজি বেশ শৈশবেই আছে।

    আর ঘুরন্ত শার্প ব্লেডকে এনিমি লাইনের মধ্যে চালিয়ে দেওয়া তো বহু প্রাচীন ব্যাপার মশাই। রথের চাকায় তরোয়াল বেঁধে ঘচাং ফু করতেন পারসীকেরা। সেই ই আলেকজান্দারের সময়েই। ভিঞ্চিদাতো সেদিনের ছেলে।
  • দ্রি | ০৫ জানুয়ারি ২০১৩ ২৩:৪৯490182
  • ডিডিদা, ৫০ বছর ধরে যে রিসার্চ চলছে তাকে আর শৈশব বলা যায় না। কর্নাটকে কি হয়েছিল তার ডিটেল আমার জানা নেই। ক্লাউড সিডিং করতে মাথার ওপর কিছুটা জেট স্ট্রীম লাগে। সেই কন্ডিশান না থাকলে বৃষ্টি সম্ভব না। কিন্তু ওয়েদার মডিফিকেশানের পাওয়ার যথেষ্ট। এবং এই নিয়ে কনস্ট্যান্ট রিসার্চ চলছে। ক্ল্যান্ডেস্টাইন ভাবেই। অনেক ঝড়বৃষ্টি এইসব এক্সপেরিমেন্টেরও ফল।

    আর আলেকজান্ডারের সময় যা ছিল দাভিঞ্চি তার থেকে আরেকটু সফিস্টিকেটেড জিনিষ বানিয়েছিলেন, যেটাকে লনমোয়ারের কাটারের একটা প্রোটোটাইপ বলা যেতে পারে। কিন্তু আমার পয়েন্ট ছিল এখন যেটা আপাতদৃষ্টিতে একটা সিভিলিয়ান টেকনোলজি, সেটা শুরুতে ছিল মিলিটারী টেকনলজি। এরকম অনেক এক্সাম্প্‌ল আছে।

    কোথাও কোন জলকণা নেই সেখানে জল এনে ফেলা, এটা ওয়েদার মডিফিকেশান টেকনোলজি পারে না। কিন্তু কিছু জলকণা রয়েছে এরকম সিচুয়েশানে সিলভার আয়োডাইড ন্যানোপার্টিক্‌ল ছড়িয়ে ভারী বৃষ্টি করানো যায়। সমুদ্রে ফর্ম করা একটা ছোটখাটো হারিকেনকে আরো বড় হারিকেনে পরিণত করা যায়, তাকে একটা বিশেষ দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া যায়। ফর এক্সাম্প্‌ল, হারিকেন ক্যাট্রিনার গতিপথের একটা অংশ ছিল আনিউজুয়ালি স্ট্রেট। প্রায় তীরের মত। সেই দেখে কেউ কেউ বলেন, একটা ন্যাচারাল হারিকেনের পাথ কখনো এত স্ট্রেট হতে পারে না।
  • দ্রি | ০৬ জানুয়ারি ২০১৩ ০০:১৮490183
  • যাই হোক, এবার দু একটা এক্সাম্প্‌লে আসা যাক।

    এখানে প্রমাণ নেই, থাকবে না। ওয়েদার মডিফিকেশান টেকনোলজির বিউটি হল, কেউ লুকোতে চাইলে সহজেই পারবে। অন্য ধরনের যুদ্ধের টেকনিক, যেমন বোম ফেলা ইত্যাদি লুকানো যায় না।

    এমন একটা এক্সাম্প্‌ল নেওয়া যাক, যেখানে কোন প্রমাণ না থাকলেও, কেউ একজন ইঙ্গিত দিয়েছেন। হাইতির ভূমিকম্প। যার পর হুগো শাভেজ বলেছিলেন, আমেরিকা আর্থকোয়েক মেসিন দিয়ে এই ভূমিকম্প করিয়েছে। এইসব তথ্য এমন লোকের পক্ষেই জানা সম্ভব যার কাছে একটা দেশের ইন্টেলিজেন্স ব্রিফিং দেওয়া হয়, আমাদের পক্ষে নয়। "কারা করিয়েছেন?" এর উত্তর হুগো শাভেজ দিয়েছেন। যদিও এটা একটু বেশী ওভারসিম্প্লিফায়েড। বাট ফর নাও, লেট্‌স কীপ ইট অ্যাট দ্যাট। "এটা করে কী উবগার হল?" সবচেয়ে বড় যেটা হল, আই এম এফ একটা বিরাট লোন হাইতিকে ধরিয়ে দিতে পারল। ইন্টার্ন্যাশানাল ব্যাঙ্কিং কমিউনিটির একটু লাভ হল। এমন একটা সময়ে যখন পৃথিবী মন্দার দিকে এগোচ্ছে। সিস্টেমে প্রচুর ডেট। নতুন ঋণ নেওয়ার মুরগী কমে আসছে। যারা লোন নিয়েছে, তারা তাদের সুদটুকু ফেরত দিতে হিমসিম খাচ্ছে। বাকিদের কোন পয়সা নেই। এই রকম একটা সময় মানিলেন্ডারদের জন্য বড় কষ্টের। কাকে লোন দেবে? এই রকম একটা সময় ডেস্ট্রাকশান হেল্প্‌স। ডেস্ট্রাকশান মানেই রিকনস্ট্রাকশান। আর রিকনস্ট্রাকশান মানেই লোন। আরো উপকার হয়েছিল বিভিন্ন রকম ওষুধ্হ, ভ্যাকসিন বিক্রেতাদের। দীর্ঘদিন খুব খারাপ ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল হাইতিকে। প্রচুর রিফিউজি। প্রচুর রোগ। ভ্যাকসিন টেস্টিংএর আইডিয়াল গ্রাউন্ড।
  • দ্রি | ০৬ জানুয়ারি ২০১৩ ০০:৫৩490184
  • আর একটা এক্সাম্প্‌ল নেওয়া যাক ইরানে ২০১২ র খরা। এখানেও আমেদিনেজাদ বলেছিলেন, এই অস্বাভাবিক খরা আমেরিকার সফ্‌ট ওয়ার। "কারা করিয়েছে?" আমেদিনেজাদ বলে দিয়েছেন। "কী উবগার?" ইরানকে কোণঠাসা করা। পুরো কনটেক্সটা দেখলে বুঝতে আরো সুবিধে হবে। ইরানে তেল আছে, ইরান রাশিয়ার অ্যালাই, এগুলো তো আছেই। তা ছাঢ়াও ইউ এসের ইরানের ওপর লোভ আরেকটি কারণে। নর্থ পাকিস্তান, নর্থ আফঘানিস্তান, আর নর্থ ইরান এই তিনে মিলে গোল্ডেন ক্রেসেন্ট। আফিম ট্রেডের জন্য এই পুরো অঞ্চলটা খুব স্ট্র্যাটেজিক। পাকিস্তান আফঘানিস্তানে মুলত চাষ হয়। কিন্তু কনজামশান খুব কম। এই আফিম প্রসেস হয়ে ইওরোপ যাবে, তবে প্রফিট ঘরে উঠবে। পাকিস্তান, আফঘানিস্তান তো এখন দখল হয়েছে, কিন্তু ইরান এখনও পথের কাঁটা। একটা ট্রেড রুটে মাঝে শত্রুপক্ষ থাকলে খরচ বাড়ে। ইরানের টেরিটরি পার হওয়ার সময় বেশী ঘুষ দিতে হয়, বেশী ঘনঘন রেইড হয়, প্রফিট আন্ডারকাট হয়। ইরানকে নানাভাবে জ্বালাতন করছিল আমেরিকা। স্যাংশান, অর্থাৎ কেউ ইরানের সাথে বাণিজ্য করতে পারবে না। ইন্টারন্যাশানাল ট্রেডে SWIFT বলে একটা ব্যাপার আছে। যেখানে অ্যাকাউন্ট থাকলে দেশেরা নিজেদের মধ্যে ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট সেট্‌ল করতে পারে। সেই সুইফ্‌ট থেকে নাম কেটে দেওয়া হয়েছিল ইরানের। (যে কারণে ভারতকে ইরানের তেল সোনা দিয়ে কিনতে হচ্ছে, কোন ব্যাঙ্ক ইরানের পেমেন্ট সেট্‌ল করবে না)। এটা হল ইরানকে তার অয়েল ইনকাম থেকে বঙ্চিত করার একটা ছক। এটা হার্ড ওয়ার। তার পাশাপাশি সফ্‌ট ওয়ার হল ওয়েদার মডিফিকেশান দিয়ে খরা করিয়ে একটা সীজ্‌নের ক্রপ নষ্ট করে দেওয়া। তাহলে যদি খাদ্য ইম্পোর্ট করতে ইরান লোন নিতে বাধ্য হয়। কোথায় যেন বিভিন্ন দেশের আই এম এফ ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের লোনের স্ট্যাটিসটিক্স দেখছিলাম। ইরানের কোন লোন নেই। যার কোন লোন নেই সে ট্রুলি ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এসব ব্যাঙ্কারদের পছন্দ নয়। একটা দেশকে কন্ট্রোল করার সবচেয়ে এফেক্টিভ উপায় হল তাকে লোন দেওয়া। সামর্থ্যের চেয়ে একটু বেশীই দেওয়া। নিওকনরা বলে ইরানকে বোম মেরে দাও। সব ভেঙ্গেচুরে গেলে তখন রিকনস্ট্রাকশানের জন্য বাপ বাপ বলে লোন নেবে। কিন্তু ওবামা বলে বোম মেরো না, গলা টিপে ধর।
  • প্পন | ০৬ জানুয়ারি ২০১৩ ০০:৫৬490185
  • হুঁ, দিদি তো কবেই ধরে ফেলেছিলেন এ সব। ম্যানমেড বন্যা ইত্যাদি।
  • lcm | ০৬ জানুয়ারি ২০১৩ ০২:১৫490187
  • তাই তো আমেদিনেজাদ আমেরিকায় স্যান্ডি ঘটালো। ড্রট এর বদলা স্টর্ম।
  • lcm | ০৬ জানুয়ারি ২০১৩ ০৩:৪৭490188
  • যাই হোক, বাজারে যে লেটেস্ট কন্সপিরেসি থিওরি চলছে --
    ...The government was behind the school massacre... in a ruse to take our guns away...

    According to James H. Fetzer, an emeritus professor at the University of Minnesota, Duluth, “This is what Israel always does, they go after the children.”
    Fetzer, who still maintains a faculty page at the University of Minnesota’s website, sputters that “The Sandy Hook massacre appears to have been a psy op intended to strike fear in the hearts of Americans by the sheer brutality of the massacre, where the killing of children is a signature of terror ops conducted by agents of Israel.”

    http://www.thedailybeast.com/articles/2012/12/27/newtown-conspiracy-theories-obama-iran-and-other-culprits.html
  • dd | ০৬ জানুয়ারি ২০১৩ ১৫:২১490189
  • বাঃ। এতো ভালো হোলো। সেই একটানা লিংএর বদলে দুটি কনক্রীট এগজাম্পল পাওয়া গেলো। এ অতি উত্তম হইলো।

    না, মোটেই আমি প্রমানের দাবী রাখছি না।

    কিন্তু যেটা পাজলিং, সেটা হচ্ছে কারা এই কন্স্পিরেটর্স ? অনেকগুলো নাম আসলো যে সামনে? আই এম এফ? ব্যাংকের কনসর্টিয়াম? আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ? কাদের ডিফেন্স কার স্বার্থে শুধু ব্যাংককে টাকা পাইয়ে দিতে অন্যতম গরীব দেশ হাইতিতে ভুমিকম্প করালো? এটা তো পরিষ্কার হোলো না দৃ স্যার। এতোগুলো এজেন্সী/সরকার/ডিপারটমেন্ট যে গুলিয়ে যায়? নাকি আপনি কইছেন যে এরা একই ক্লাবের মেমবর? সে রমনী হোক বা ওবামা।

    ইরানের খরা ইউ এসে র নির্মান এটা লজিক্যালি ভাবতে অসুবিধে হয় না। মোটিভ তো পরিষ্কার। বিশ্বাস করি না করি,সে নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই।
  • দ্রি | ০৬ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৪৭490190
  • আচ্ছা। এর উত্তর পাওয়ার আগে আরো সহজ একটা সিচুয়েশান নিয়ে ভাবা যাক। ধরা যাক, সেই বহু আলোচিত ইরাক ওয়ার। এটা করে ঠিক কার লাভ হল? আমরা পিনপয়েন্ট করতে পারব কি?

    বলুন তো, আপনার মতে কী মোটিভ ছিল ইরাক যুদ্ধে?
  • দ্রি | ০৬ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৫৯490191
  • @এলসিএম, ইরান কি ওয়েদার ওয়ারে কেপেব্‌ল মনে হয়? ইউ এস, ওয়ার্ল্ড ওয়ারের সময় থেকেই এই রিসার্চে ইনভেস্ট করছে। সেটা কি ইরানের পক্ষে সম্ভব ছিল? তাছাড়া, ওয়েদার ওয়ারফেয়ারে টেস্টিং করতে কলোনি চাই। লোকবসতি থেকে দূরে নির্জন দ্বীপ, যেখানে বেশী এয়ার ট্রাফিক নেই। এগুলো তো আম্রিকা আর তার বন্ধু দেশদেরই আছে। মে বি রাশিয়ারও কিছু আছে।
  • lcm | ০৭ জানুয়ারি ২০১৩ ০৪:৩০490192
  • দ্রি, এইখানে আমার একট প্রশ্ন আছে। ডিফেন্স রিসার্চের আড়ালে বা অন্যভাবে ঢেকেঢুকে এসব এক্সপেরিমেন্ট যে করা যায় সেটা ঠিক। ইন্টারনেট কম্যুনিকেশনের বেসিক শুরু হয়েছিল মিলিটারি কম্যুনিকেশন টেকনলজি থেকেই।
    কিন্তু তাহলে নিজেদের দেশে সেগুলো করে কেন ঝড়/ঝাপটা/খরা কন্ট্রোল করা যাচ্ছে না, কেন স্যান্ডি বা ক্যাটরিনা কন্ট্রোল করবে না। ইরানে খরা তৈরী করা যাবে অথচ টেক্সাসে আটকানো যাবে না কেন। হয়ত, এই স্কেলে করার মতন টেকনলজি এখনও হয় নি।
    এটা একটা প্রশ্ন।
    আর হল, যে দুটো উদাহারণ তুমি দিলে সেগুলো নিয়ে।
    এক, হাইতি-র মতন ছোট একটা দেশকে ঋণে ফাঁদে জড়িয়ে সত্যি কি আর্থিকভাবে প্রচুর লাভ হয়। ভূমিকম্প করানোর খরচও তো উঠবে না। ভাইরাস টেস্টিং-এর জন্য এত ঘন জনবস্তিপূর্ণ গরীব দেশ থাকতে হাইতিতে আর্টিফিশিয়াল ভূমিকম্প লাগিয়ে সেখান থেকে স্যাম্পল নেবার থিওরিটাও ঠিক কেমন যেন ....
    ইরানে আমেরিকার ইন্টারেস্ট কেন, এ নিয়ে অনেক থিওরি আছে। ওপিয়ান ট্রেড কিন্তু অন্যতম থিওরি নয়। আফগানিস্তানে বছরে ৮০-১০০ বিলিয়ন ডলারের ওপিয়ান ট্রেডিং হচ্ছে এখন। উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু শুধু তার জন্যে এত কিছু। ইস্রায়েল/ইরান/প্যালেস্টাইন/সিরিয়া- এই ইকোয়েশনে বরং থিওরিটা বেটার ফিট করে।
  • দ্রি | ০৭ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৪৭490193
  • "এক, হাইতি-র মতন ছোট একটা দেশকে ঋণে ফাঁদে জড়িয়ে সত্যি কি আর্থিকভাবে প্রচুর লাভ হয়। ভূমিকম্প করানোর খরচও তো উঠবে না। ভাইরাস টেস্টিং-এর জন্য এত ঘন জনবস্তিপূর্ণ গরীব দেশ থাকতে হাইতিতে আর্টিফিশিয়াল ভূমিকম্প লাগিয়ে সেখান থেকে স্যাম্পল নেবার থিওরিটাও ঠিক কেমন যেন ...."

    ভূমিকম্প করানোর খরচ ওঠার কি দরকার? খরচ তো দেবে ট্যাক্সপেয়ার। অনেকেই তো বলেন, ইরাক ওয়ার পড়তায় পোষায় নি। কিন্তু তাতে যুদ্ধ আটকায় নি।

    হাইতিতে ভূমিকম্পের আগেও অনেক দুঃখ কষ্ট ছিল। কিন্তু ছিল না কলেরা। ভূমিকম্পের পর ইউ এন পীসকীপার আসার পর কলেরার আউটব্রেক হয়। তারপর ইউ এন সেনার তাঁবুর পাশে সুয়েজ লীক পাওয়া যায়। জল পরীক্ষা করে সাউথ ইস্ট এশিয়ার কলেরা স্ট্রেন পাওয়া যায়। কিছু লইয়ার মিলে ইউ এনকে স্যু করেছে, উপকার করতে আসার নাম করে অপকার করার জন্য। আরো একটা পয়েন্ট টু বি নোটেড। বিভিন্ন এক্সকিউজে নানান সভারিন দেশে ইউ এনের ডুকে পড়া। ন্যাচারাল ডিজাস্টার একটা ছুতো। ন্যাশানাল সভার্নিটিকে ডিগ্রেড করা ইউ এনের একটা লং টার্ম গোল।

    আর ঋণ? হাইতি ইজ অল টু ফ্যামিলিয়ার উইথ দ্যাট। নাইন্টিন্থ সেঞ্চুরীর ফার্স্ট হাফে হাইতি ফ্রান্সের থেকে স্বাধীন হয়। কিছুদিন পরেই ফ্রান্স হাইতির থেকে ক্ষতিপূরণ দাবী করে। স্লেভরা ইন্ডিপেন্ডেন্ট হওয়ায় স্লেভমাস্টারদের অর্থনৈতিক ক্ষতির জন্য। আজকে ব্যাপারটা হাস্যকর শুনতে লাগতে পারে, কিন্তু এক বিপুল ঋণের বোঝা হাইতির ওপর চাপে, যা হাইতি প্রায় ১০০ বছর ধরে শোধ দেয়। ঋণের অ্যামাউন্টটা বড় কথা নয়। ঋণের ফলে গ্রহীতার ওপর কন্ট্রোলটাই আসল।
  • দ্রি | ০৭ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৪৯490194
  • "ইস্রায়েল/ইরান/প্যালেস্টাইন/সিরিয়া- এই ইকোয়েশনে বরং থিওরিটা বেটার ফিট করে।"

    আরেকটু খোলসা করে?
  • দ্রি | ০৭ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৫৯490195
  • "কিন্তু তাহলে নিজেদের দেশে সেগুলো করে কেন ঝড়/ঝাপটা/খরা কন্ট্রোল করা যাচ্ছে না, কেন স্যান্ডি বা ক্যাটরিনা কন্ট্রোল করবে না। ইরানে খরা তৈরী করা যাবে অথচ টেক্সাসে আটকানো যাবে না কেন। হয়ত, এই স্কেলে করার মতন টেকনলজি এখনও হয় নি।"

    বা হয়ত হয়েছে। এই ঝড়ঝাপটাগুলো আটকানোর কোন চেষ্টা করা হয়নি কোন কারণে?

    দিস মাইট ওপেন আ প্যান্ডোরাজ বক্স।

    ওয়েদার মডিফিকেশান টেকনোলজি শৈশবে রয়েছে এটা মনে করার কোন কারণ নেই। ইউ এস মিলিটারী তাদের নিজেদের হোয়াইট পেপারে প্রোজেক্ট করেছে বায় ২০২৫ দে আর গোয়িং টু 'ওন দা ওয়েদার'। ঠিক এই ল্যাংগুয়েজ।
  • lcm | ০৮ জানুয়ারি ২০১৩ ০০:২৭490196
  • ইরান নিয়ে বলতে গেলে প্রথমে কাস্পিয়ান সি নিয়ে বলতে হয়। কাস্পিয়ান বেসিনে রয়েছে তৈল ভান্ডার। ২০০০ সালের হিসেব অনুযায়ী, প্রায় ২০০ বিলিয়ন ব্যারেল, যার মূল্য প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ডলার। এছাড়া ৩২৫ ট্রিলিয়্ন কিউবিক ফিট ন্যাচারাল গ্যাস।
    কাস্পিয়ান সাগর (নামেই সাগর, আসলে লেক), চারপাশের দেশগুলো হল - রাশিয়া, আজেরবাইজান, কাজাকাস্তান, তুর্কেমেনিস্তান এবং ইরান।
    ২০০১ সাল নাগাদ ইরান কাস্পিয়ান সি সারফেস আর সি বেড-এর প্রায় ২০% নিজেদের বলে দাবী করে। বিপি-অ্যামোকো-র ওয়েল রিসার্চ ভেসেল সরিয়ে দেয়। আজেরবাইজান-এর সঙ্গে এই নিয়ে ইরানের চাপা কনফ্লিক্ট চলছিল (বাকু-তেহেরান কনফ্লিক্ট)। ২০০২ তে আজের্বাইজান বিতর্কিত এলাকায় ওয়েল এক্সপ্লোরেশন বন্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়।
    যাই হোক, বোঝা যাচ্ছে যে কাস্পিয়ান সাগরের ওপর ইরানের এই কন্ট্রোল ইউএস/ইউকে এবং ওয়েস্ট লবির পছন্দ নয়।
    সেই থেকে ইরান নিয়ে ওয়েস্টের ঝামেলা শুরু।
    ম্যাপ দেখলে বোঝা যাবে, ইরান কিন্তু বড় দেশ, সাইজে ইরাকের তিনগুণের বেশী। মধ্য প্রাচ্যের সবথেকে বড় দেশ দুটি হল - ইরান এবং সৌদি আরব। সুতরাং, ইরান-এর সঙ্গে যুদ্ধে গেলে অনেক ঝামেলা। ইস্রায়েল-সিরিয়া-ইরান একটি অক্ষরেখা তৈরী হল। ইরাক আর এখন ইকোয়েশনে নেই। ইজিপ্টে মর্সি মোটামুটি হাতের মুঠোয়। সিরিয়াকে ঝামেলায় ফেলো, ইরানকে স্যাংশন চালিয়ে দাও - বছর পাঁচেক এভাবে চলুক।
    কাস্পিয়ান সাগরের সম্পদে ওয়েস্ট কন্ট্রোল চায়, তার আর একটি কারণ চায়না। ওদের এনার্জি ক্ষিদে এখন অনেক বেশী, পয়সাও আছে।
  • lcm | ০৮ জানুয়ারি ২০১৩ ০০:৪১490198
  • আর ইরানকে ইকনমিক্যালি উইক করে দিতে গেলে ওদের যুদ্ধ বাজেট বাড়িয়ে দিতে হবে। ইরান-ইস্রায়েল কনফ্লিক্ট তার জন্যে জরুরী। একে জিয়ে রাখতে গেলে সিরিয়া-কে হাতে চাই। ইরাক অলরেডি ডান। যেভাবেই হোক ইরান যেন কাস্পিয়ান সাগরের ৫-১০ ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদের বড় ভাগ না নিতে পারে।
    এই হল এক থিওরি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন