এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ১২৫৩৪০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Suvajit | ২০ আগস্ট ২০০৮ ১৫:১০562478
  • লেখাটা বেশ ভালো লাগলো। প্রথম প্যারাটা দুটো প্যারায় ভেঙে দিলে ভালো হতো।
  • Guruchandali | ২৪ আগস্ট ২০০৮ ১০:১৫562479
  • -----------------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা: সোনার দেশের সোনার ছেলেরা
    -----------------------------------------------
  • bozo | ২৫ আগস্ট ২০০৮ ০১:১৯562480
  • খুব ভালো লেখা। এই সব প্রতিভা তুলে আনা-ই ২০১২ এর লক্ষ্য হোক।
  • rimi | ২৫ আগস্ট ২০০৮ ২০:২১562481
  • খুব সুন্দর লেখাটি। পরিষ্কার বক্তব্য, ঝরঝরে ভাষা। ভালো লাগল।
  • Guruchandali | ৩১ আগস্ট ২০০৮ ১৭:০৮562482
  • -------------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা: সোমনাথবাবুর গলাধাক্কা পর্ব
    -------------------------------------------
  • r | ০১ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৫:০৭562483
  • এইজন্যই বলি- বঙ্গদেশের যাবতীয় বিবাদ-বিসম্বাদ বন্ধ হবার একটিই উপায় আছে- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হউন। এতে এক ঢিলে বহুবিধ পাখির জান নেওয়া যাবে। দেবীপক্ষের প্রাক্কালে বাঙালী তাদের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী পাবে- শক্তিপূজার ফেমিনিস্ট অর্ঘ্য- ফ্রিবি হিসেবে বুকের সাথে সাথে মহিষের চক্ষুও বিদ্ধ হবে, দ্য বুল"স আই। সি পি এমের বনেদী সাম্যবাদ বিশ্বায়নের প্রকোপে যেরকম কলুষক্লিন্ন রূপ নিয়েছে, তার হাত থেকে বাঁচবার একমাত্র রাস্তা টেম্পোরারি ভি আর এস। আমরা বঙ্গীয় সাম্যবাদীরা ভরসা করতেই পারি, এই ভি আর এস-রূপী ল্যাক্সেটিভ যাবতীয় বেনোজল ফ্লাশ করে দিয়ে আমাদের আদরের ফেয়ার এন্ড লাভলি সাম্যবাদকে পুনর্মহিমায় প্রতিষ্ঠিত করবে। রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে এবং জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের ত্বরণের স্বার্থে এও আশা করব, পূর্ণেন্দু বসু, প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুরাধা তলোয়ারেরা মাতৃ-ক্যাবিনেটে স্থান পাবেন। পেয়ারকা সাইড এফেক্ট হিসেবে বুদ্ধবাবু আবার নন্দনে বাসা বাঁধতে পারবেন, বিমানবাবু বিদ্যাসাগর মেলার পিছনে বেশি সময় দিয়ে পারবেন, সুনন্দ সান্যাল শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে পবিত্রবাবুর সামনে এতদিনে কলার উঁচিয়ে ঘোরার সুযোগ পাবেন, বৃদ্ধ বৃদ্ধা বিদ্বজ্জন ধর্মতলা মেট্রো চ্যানেলের ঐ ভয়ঙ্কর ধোঁয়াধুলো গেলার হাত থেকে রক্ষা পাবেন। এর পরেও কোনো প্রশ্ন থাকলে সিঙ্গুরে যান, ডেরেক ওব্রায়েনকে প্রশ্ন করুন- তবে মনে রাখবেন এই রাউন্ডে কোনো বোনাস পয়েন্ট নেই।
  • Du | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২৩:১৪562484
  • সোমনাথবাবুর সদস্যপদ খারিজ নিয়ে এতগুলি কাগজে এত লেখা ছাপা হয়েছে যে এ বিষয়ে আর লেখার কি ছিল বুঝি নাই। প্রশ্নও করি নাই সদস্যপদ খারিজ না করে সিপিএম বিরোধী হয়ে অধ্যক্ষ পদটি ধরে রাখার কি কারণ দিতে পারতো।
    বরং অন্য কোন পার্টির ডিসিপ্লিন নিয়ে কিছু ভাবা যেতে পারতো যেখানে একটা লোক পার্টির বিরুদ্ধেও নয়, শুধু একটা নেতার বিরুদ্ধে মুখ খুলে ভয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়, এবং তার স্ত্রী পর্য্যন্ত তার হয়ে কথা বলার কথা ভাবতে পারে না।
  • ranjan roy | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৬:৩৪562485
  • Duকে,
    হ্যাঁ, সিঙ্গুর-নন্দিগ্রাম-অলিম্পিক থেকে শুরু করে সমস্ত ইম্পর্ট্যান্ট বিষয়েই অনেক পত্রিকা অনেককিছু লিখেছে, তবে আলাদা পরিপ্রেক্ষিত থেকে।
    কিন্তু সিপিএম এর সংবিধানের যে ধারা-উপধারার উল্লেখ করে সোমনাথবাবুকে নিষ্কাসন করা হয়েছে, তার প্রয়োগ ও বিসংগতি নিয়ে কোন দৈনিক-সাপ্তাহিক-পাক্ষিক পত্রিকা লিখেছে বলে জানিনে। আপনি যদি জানান তবে খামোকা হ্যাজানোর জন্যে এইপাতায় মাপ চেয়ে নেব।
    হক্‌ কথা, পার্টি বিরোধী কাজ করে কেউ পার্টিতে থাকবে কি করে? মামাবড়ির আবদার নাকি? এনিয়ে আমার মত গড়পড়তা বুদ্ধির লোকের মনেও কোন প্রশ্ন নেই।
    কিন্তু প্রশ্নটা সেখানেই। সোমনাথবাবু পার্টিবিরোধী কি করে হলেন? কোন একটি ইস্যুতে( ধরুন নিউক্লীয়র ডীল) নেতৃত্বের সঙ্গে ভিন্নমত হলেই কি পার্টিবিরোধী? বুদ্ধদেব তো বন্ধ নিয়ে শুধু নেতৃত্বের নয়, বাম-মতাদর্শের বিরোধী প্রেসকে দেয়া বক্তব্য বেরিয়েছে।
    তবে কি স্পীকার পদ না ছাড়া?
    তাহলে তো আরো ক্যাচাল! কমরেড কারাত স্বয়ং দুটি প্রেস স্টেটমেন্ট দিয়ে জনতাকে জানালেন যে সিপিএম স্পীকার-নামক সাংবিধানিক পদকে পার্টিরাজনীতির উর্দ্ধে রাখতে চায়। অতএব পদত্যাগের ব্যাপারটি সোমনাথের ব্যক্তিগত নির্ণয়ের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তাহলে সেই নির্ণয় নিয়ে সোমনাথ না-পসন্দের কাজ করেছেন, কিন্তু ডিসিপ্লিন ভেঙ্গেছেন কি?
    এর পরেও দুটি কথা থাকে।
    এক, নিষ্কাসন পত্রে দলবিরোধী কাজের কোন স্পেসিফিক চার্জ বলা নেই। আপনি-আমি অনুমান করছি মাত্র।
    ন্যায়প্রক্রিয়ায় বলে চার্জশীট এবং অর্ডারে অপরাধের স্পষ্ট উল্লেখ না থাকলে সেটি ipso facto বাতিল,null &void. সেখানে সিনিয়র আইনজীবি সোমনাথকে এমন কাঁচা এক্সপালসন অর্ডার? এ যেন দাড়িদাদুকে দেয়া মানপত্রে বাংলাবানান ভুল!
    দুই, মানবসভ্যতা বিকাশের ধারায় সামাজিক ন্যায় খুঁজতে গিয়ে দুটি নীতিকে স্থাপিত করেছে। প্রিন্সিপল অফ ইক্যুইটি আর প্রিন্সিপল অফ ন্যাচারাল জাস্টিস্‌।
    দ্বিতীয়টির মূল কথা হল no one shall be punished without being heard. সেইজন্যেই চাকরি বা পার্টি থেকে তাড়াতে হলে একটা শো'কজ দেয়ার নিয়ম আছে।
    আদালতেও শুনানির শুরু হয় কাঠগড়ায় দাঁড়ানো লোকটিকে ""guilty or not guily? জিজ্ঞেস করে। কারাতবাবু তাও করলেন না? তড়িঘড়ি চল্লিশবছরের সাথীকে তাড়ালেন? এত ভয় কিসের কারাতবাবুর?
    আর অন্য দলের কাছে আমার কোন প্রত্যাশা নেই,কাজেই ওদের ডিসিপ্লিন নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নেই। আমার বিশ্বাস বৃহত্তর বাম- মতাদর্শে।
    ঐ লেখাটা লেখার পেছনে আমার মোটিভেশন এইটুকুই।
    কেন ছাপল সেটা দময়ন্তী-ঈশেন বলবে। হয়তো তখন হাতে কোন লেখা ছিলনা।:))))))::
  • Guruchandali | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১১:২৩562486
  • --------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা : ব্যক্তিগত স্পেস, আত্মজীবনী, সব ঘেঁটে ঘ, বাঁদররা কি বলছে শুনুন
    --------------------------------------
  • ranjan roy | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২০:০৯562488
  • পার্সোনাল স্পেস ও বাঁদরদের গল্প-- এককথায় খাসা। একটি কৌতূহল--- একজন দর্শনের অধ্যাপক অরিন্দম চক্রবর্তি "" ছটি শারীরক তর্ক'' নামে একটি চমৎকার বই লিখেছেন।
    আপনি কি কোনভাবে-----?
    অবিশ্যি এটা যদি আপনার পার্সোনাল স্পেসে ট্রেসপাস হয়--! :)))
  • Du | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০০:২২562489
  • রঞ্জনদা,
    আমার যা নিয়ে প্রশ্ন ছিলনা আদপেই আপনি তারই উত্তর দিয়েছেন আরো একবার, আমারই বোঝানোর ভুল ছিল। সোমনাথবাবুর সিপিএম বিরোধীতা নিয়ে প্রশ্ন নেই, যে প্রশ্ন ইচ্ছে করে করিনি তা হল 'বিরোধী হয়ে সিপিএম -- ইত্যাদি ' তা ছিল সংসদে বিরোধী পক্ষ হয়ে সিপি এম স্পীকার পদটি নিজের সদস্যের জন্য রাখতে পারে কিনা?
    সোমনাথ বাবু কোন কিছুরই বিরোধিতা করেননি - নিরপেক্ষ হলে এন ডীলের মত বিষয় নিয়ে কোন মতই রাখা যায় না বলেই তিনি মনে করেন যদ্দুর বুঝেছি।
  • aja | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০২:১৭562490
  • পশ্চিমে কেউ পাবলিক পার্সোনা হলে তার প্রাইভেসি রাইট অনেক কম। লোকে বলে তাঁদের সম্পর্কে জানা জনস্বার্থে জরুরি। কিন্তু রমা-বৌদিকে নিয়ে মাথা ঘামানো কুরুচির পরিচয়।

    আমরা ঠিক উল্টো। মহাপুরুষের পরদারগমন নিয়ে আলোচনা কুরুচির পরিচায়ক। কিন্তু রমাবৌদি ফেয়ার গেম।

    আর রমাবৌদির জার যদি পাবলিক পার্সোনা হয় তো পশ্চিমে রমা বৌদির রেপুটশন হল গিয়ে কোল্যাটারাল ড্যামেজ। আমরা বলি গুরুপ্রসাদী :)।

    ভন্ডামী তো আর কারো একচেটিয়া নয়।
  • arindam | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৭:৫০562491
  • না রঞ্জন, আমি সেই অরিন্দম চক্রবর্তী নয়, আমার সঙ্গে আপনার আলাপ আছে অন্য মায়াপাতায়।
    অরিন্দম
    কলকাতা-৭০০০৫৪
  • d | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৯:৫২562492
  • এই বাঁদরী'র নাম "পুঁটি' ছিল না আগের আগের সব লেখায়?

    ঈশান,
    তোমাকে যে বলে দিলাম লেখকের থেকে কনফার্ম করে নাও "পুঁটি' না "টেঁপী'?? আর নাহলে নিজে পুরানোগুলো একটু ঘেঁটে দেখে নাও?
  • ranjan roy | ১০ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০০:০৩562493
  • Du,
    আমি অত্যন্ত দু:খিত, আপনার বক্তব্যটি ঠিক বুঝিনি বলে।
  • Guruchandali | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০৯:২৪562494
  • --------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা : সিঙ্গুর এবং অন্যান্য
    --------------------------------------
  • Arijit | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১০:২২562495
  • ব্যাপারটা হল কেউ আইন মানে না, না সরকার, না বিরোধী, না জনগণ - তো সব্বাইকে ধরে মগজধোলাই যন্ত্রে ভরে দাও (সত্যজিত রায় নিগ্‌ঘাত ডিজাইনটা কোথাও রেখে গেছেন), আর যক্ষর মন্ত্র হিসেবে একগুচ্ছ আইন রেকর্ড করে দাও (কল্যাণকামী রাষ্ট্রের আইন), সব সিধে হয়ে যাবে।
  • arjo | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২২:২০562496
  • কেয়া বাত।
  • shyamal | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২২:৫২562497
  • ঈশানকে অনেক ধন্যবাদ। অনেকদিন পরে একটা বুলবুলভাজা পড়লাম যাতে গভীরতা ও প্রাসঙ্গিকতা আছে।

    ভারতের একটি প্রধান সমস্যা হল জুডিসিয়ারি এতো শম্বুকগতি যে লোকে আইন নিজের হাতে নিতে পরোয়া করেনা। তার সঙ্গে আছে পাবলিকের অ্যাটিচুড -- ঐ ব্যাটা অন্যায় করেছে, ওকে লিঞ্চ করলে ক্ষতি কি? এজন্যই যখন এক বাস ড্রাইভার একটি বাচ্চা মেয়েকে ধাক্কা দেওয়ার ফলে সে মারা যায়, তখন ড্রাইভারকে লিঞ্চ করা হয়। পুলিশও এই গনপিটুনীর হোতাদের ধরার চেষ্টাও করেনা।

    আচ্ছা, সব কাজেই তো ডেডলাইন থাকে। কেন জাজদের, বাদী, বিবাদী, উকিলদের বলা হয়না, এই কেস ৪৫ দিনে নিষ্পত্তি করতে হবে। যদি না হয় জাজের মাইনে কাটা যাবে। কয়েকবার হলে চাকরী যাবে।
  • c | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০২:৫১562499
  • মগজধোলাই ফর্মূলা তো শঙ্কুর কাছে!
    মানবিক কারণে উনি তা দেন না! লোহার বাক্সে ভরে তালা মেরে চাবি হারিয়ে ফেলেছেন।:-)))
  • kallol | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১২:২৬562500
  • ঈশানকে জ্জিও। অনেকদিন পরে গণপিটুনি আর সিঙ্গুর নিয়ে ভালো লেখা পড়লাম।

    শ্যামল - জজবাবুদের একলা দোষ দিয়ে লাভ নেই। অনেক উকিলবাবুরাও চান (খুব সহজবোধ্য কারনে) কেস অনেকদিন চলুক। তাই তারা আইনের নানান প্যাঁচ পয়জার কষেন যাতে জজবাবুদের কিছু করার থাকে না। আবার অনেক ক্ষেত্রে আইনই এত জটিল যে তাতে সময় লাগে। তারপর আইনের ফাঁক তো আছেই। গোটা আইন ব্যবস্থাটাই ঢেলে পাল্টানো দরকার। প্রথম কাজটাই হতে পারে - আইনের ভাষাকে সহজবোধ্য করা। সেটা করলেই অনেক কাজ এগিয়ে যায়।
  • sarathi | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৩:০৫562501
  • লেখাটার মধ্যে সিঙ্গুর নিয়ে কোথাও যেন একটা প্রোপাগাণ্ডা লুকিয়ে আছে
    থাকতেই পারে, লেখকের ব্যাক্তিগত মতামত

    কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম বা প:বঙ্গের যেকোন ঘটনার পর শুধুমাত্র এই ধরনের প্রোপাগাণ্ডাধর্মী লেখা শুধু চোখে পড়ে কেন? (নন্দীগ্র্রামের পর সেই "অন্যস্বর" টাইপের)
  • Arijit | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৩:৫২562502
  • লেখো। ইশানের বক্তব্য অনুযায়ী নেহাত খাজা না হলে সব লেখাই ছাপা হবে। আমার এক দুইটা বুলবুলভাজা যা ছিলো, তার তুলনায় খাজা হতে গেলে তোমারে স্পেশ্যাল চীজ হতে হবে, এবং সেটা হ্যাণ্ডস্ট্যাণ্ড করে কে২-তে ওঠার সামিল:-)
  • kallol | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৬:২১562503
  • সারথী বেশ ভদ্রলোক, তাই অপছন্দকে কেমন ""প্রোপাগান্ডা"" বলে দিলো। তাই নিয়ে দুটো কথা।
    এক) সেই অর্থে যেকোন মতামতই প্রোপাগান্ডা। প্রত্যেকেই তো তার নিজের মত প্রচার করবে, তাই না?
    দুই) আবার ""প্রোপাগান্ডা"" বলতে ইছাকৃতভাবে মিথ্যা বা অর্ধসত্য প্রচারকেও বোঝায়। যেমন গোয়েবলসীয় বা স্তালিনীয় ""প্রোপাগান্ডা""।
    ঈশেন দেখাতে চেয়েছে কিভাবে সাধারন মানুষ থেকে রাষ্ট্র সকলেই সুযোগ বুঝে আইনকে এড়িয়ে যাচ্ছে। সেটা বলতে গিয়ে ঈশেন কি কোনো অসত্য বলেছে? বা কোনো ঘটনাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যখ্যা করেছে?
  • sarathi | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৭:০১562504
  • না: এ বিষয়ে আর নতুন কিছু বলার ইচ্ছা নেই
    সিঙ্গুরের শিল্পায়নকে বাদ দিয়ে শুধু ঐ বিষকন্যার যাত্রাপালাকে প্রাসঙ্গিক করা চেষ্টা একটা, তেনারাও যে চুক্তির বাইরে গিয়ে কার্যত অসম্ভব দাবীদাওয়া করছিলেন বা কমিটি সদস্যদের ঠুঁটো জগন্নাথ করে রেখেছিলেন সে ব্যাপারে লেখক হয় চুপ বা বা জানেন না।
    প্যকেজ ঘোষণার আগে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তথ্যকেন্দ্রে মিটিংটাও চেপে যাওয়া হল

    যদি না জানেন তাহলে অসুবিধা নেই কিন্তু জেনেবুঝে চেপে গেলে একশবার প্রোপগান্ডা বলব
  • kallol | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৭:১৫562505
  • আমি যতদূর মনে করতে পারছি, ঈশেন তার লেখায় অন্তত দুবার লিখেছে যে চুক্তির পরেই উভয়পক্ষই (""উভয়পক্ষই"" বড় হরফ এবং নিম্নরেখ নিয়ে পড়তে হবে) সুর বদল করে।
  • ranjan roy | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১৯:১৭562506
  • ঈশেনের লেখাটি বারতিনেক পড়লাম।
    আমার মনে হল এটি বিশেষ মনোযোগ দাবি করে।
    মিলান কুন্দেরার বক্তব্য: অর্থাৎ কিভাবে শিষ্যপরম্পরায় একটি স্টেটমেন্ট( দর্শন বা ইডিওলজি)Dilute হতে হতে প্রায় অধরা হয়ে যায়, বা অন্য কিছু হয়ে যায়,-- এটা প্রায় স্বত:প্রমাণিত। আলাদা করে প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না।
    ভারতীয় পরম্পরায় আদি বৌদ্ধ দর্শন কি ভাবে হীনযান-মহাযানের মধ্যে দিয়ে নাগার্জুনের শূন্যবাদ ও অসঙ্গ-বসুবন্ধুর যোগাচারে এসে প্রায় অদ্বৈত বেদান্তের পর্যায়বাচী হয়ে গেল সেতো সবাই জানেন।
    তেমনি মার্ক্সবাদী দলগুলোর উন্নয়ন-চিন্তা।
    স্বাধীনতার পর তিনদশক ধরে শিখলাম কৃষিতে উৎপাদন সম্পর্ক বদলে উৎপাদনীশক্তির বিকাশ ঘটিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রামীন অর্থনীতি করে ইন্ডাস্ট্রির জন্যে এফেক্টিভ ডিমান্ড সৃষ্টি করা আর শ্রমনিবিড় টেকনোলজি ব্যবহার
    করে ক্রমশ: ডিসিশন-মেকিং স্তরে শ্রমিকদের ইন্‌ভলভ্‌ করে এক নয়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি করাই হল বিকাশের চাবিকাঠি। হায়ার টেকনোলজি ও অটোমেশন শুধু সিলেক্টেড সেক্টরে লাগানো হবে।
    আর টাটা-বিড়লা ? ওরা ছিলেন পার্টিপ্রোগ্রামের রাষ্ট্রের শ্রেণীচরিত্রের
    ("" landlord-bourjoise government headed by big bourjoise'')বৃহৎ বুর্জোয়ার সবচেয়ে বড় প্রতিভূ।
    আজ জানলাম রতন টাটা বিকাশপুরুষ। উনি রাগ করলে বাংলার ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
  • shyamal | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২১:৪৭562507
  • রঞ্জনদা,
    "শুধু শ্রমনিবিড় টেকনোলজি ব্যবহার আর হায়ার টেকনোলজি ও অটোমেশন শুধু সিলেক্টেড সেক্টরে লাগানো হবে "

    এটার বিপদটা বুঝতে পারছেন? কিছু আমলা বলেছে আমরা ঠিক করছি কি টেকনোলজি ব্যবহার করা হবে। পুরো ডিক্টেটরশিপ। জানাই কথা যে অটোমেশন না করলে প্রডাকটিভিটি খুব কম হয় ও পৃথিবীর প্রতিযোগীতায় পিছিয়ে পড়তে হয়।
    আমার মনে হয় সামন্ত্রতন্ত্রের সাথে ধনতন্ত্র গোলানোর জন্য ভারতে প্রথম চার দশকে ভুল পথ নেওয়া হয়েছে। সামন্ত্রতন্ত্র থেকে বেরোনোর দুটো পথ : ধনতন্ত্র আর সমাজবাদ। আজ দেখাই যাচ্ছে যে প্রথমটা ঠিক (ফিন্যান্স বাবল ফাটা সত্বেও) আর দ্বিতীয়টা ভুল।
  • ranjan roy | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০০:১৯562508
  • শ্যামলভাই,
    খাঁটি কথা, কিন্তু দেশের পরিচালন ব্যাপারটা যদি কিছু আমলাদের হাতে ছেড়ে না দেয়া হয়? এইসব নিয়েই তো এক্স্‌পেরিমেন্ট।
    আর এইযে বলছেন "" আজ'' প্রমাণিত হয়েছে যে বিকাশের জন্য পুঁজিবাদি পথ সঠিক, সমাজতন্ত্র ভুল(?)--- আপনাকে বলি এমন অনেক ""আজ'' ইতিহাসের পথ চলায় দেখা গেছে/দেখা যাবে। এই নিয়ে শেষ কথা বলার সময় কি এসে গেছে?
    খোদ মাও সে তুং একবার বলেছিলেন--- সমাজতন্ত্র ও পুঁজিবাদের মধ্যে লড়াই দীর্ঘসময়, হয়তো হাজারবছর ধরে চলবে, তাতে বহুবার পালাবদল হতে পারে।কে জিতবে এনিয়ে শেষকথা বলার সময় এখনও আসেনি।।
    এবার ঈশানের লেখা:--
    জমিদার-প্রজা সম্পর্কের চমৎকার রূপ দেখছি রতন টাটার ব্যবহারে।
    রাজ্যপালের আমন্ত্রণ সঙ্কেÄও আলোচনায় অংশীদার হতে আসেনি। এদিকে প্রেস কন্‌ফারেন্স দেখ, যেন ব্যবসা করতে আসেনি, সমাজসেবা করতে এসেছে।
    আলোচনায় গিয়ে ২০০কোটি টাকা যোগ করে প্যাকেজ বাড়াতে পারতো। সারথি, চিন্তা করবেন না। কর্ণাটকের খবরটার পর টিভি কমেন্ট দেখুন। ব্যাপারটা শুধু ১০০০ একর জমি দেয়ার নয়। কমেন্টেটররা বলছে -- বাম সরকার টাটাকে যে প্যাকেজ দিয়েছে সেটা কোন অন্য রাজ্য সরকার দিতে পারবে না।
    এধরণের দীর্ঘকালীন লীজের ক্ষেত্রে
    নিয়ম হল একটা বড় শতাংশ ডিপোজিট করা। টাটাকে এসব থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে। তারপর লীজের অংকটার বড় হিস্যা সফট লোন দেয়া হয়েছে। হ্যাঁ, আমাদের টাকায়।
    টাটা তাহলে ফ্যাকটরি আর মেশিন ছাড়া খরচা কি করলো? সেখানে প্যাকেজ আলোচনায় কিছু দিতে পারতো না?
    আপনারা চিন্তা করবেন না।
    জিন্দালরা ছত্তিশগড়ের রায়গড়ের পর সম্ভবত: বর্ধমানের জামুরিয়ায় ১০লক্ষ মেট্রিক টন ইস্পাত কারখানা খুলছে। চাষীর সঙ্গে খোলাখুলি দরদাম করবে।
    ক্ষতিপূরণ যা দেবে, ধরুণ x, ততটাই ইক্যুইটি দেবে। তাছাড়া প্রতি পরিবারে একটি চাকরি।
    তাহলে প্রতি পরিবার পাবে ২x+ চাকরি।
    ঈশানের ক্ষতিপূরণের কথায় বলি-- অমর্ত্য সেন ও অন্য অর্থশাস্ত্রীরা বলছেন ওটা চাষের জমির দামকে আধার মূল্য না ধরে আগামী পাঁচবছরে সম্ভাবিত মূল্যকে ধরতে। কারণ শিল্পের জন্যে অধিগ্রহণ মাত্র ওর দাম অনেকগুণ বেড়ে গেছে। ফলে বুদ্ধ বাড়িয়েও যে দাম দিচ্ছেন তাতে চাষীরা ঐ এলাকায় সমপরিমাণ তো দূর, ওর কাছাকাছি পরিমাণ জমিরও নাগাল পাবেন না।
    আসলে সমস্যাটা হল, যেমন রাঙ্গা বলেছে, বাস্তুহারা চাষীর পুনর্বাসনের। চাকরির জন্যে সরকার চেষ্টা করবে মাত্র। কোন গ্যারান্টি নেই।
    এ'ব্যাপারে বাম সরকারের ট্র্যাক রেকর্ড কি রকম?
    হলদিয়া পেট্রো কেমিক্যাল হবার আগে দেয়ালে লেখা হত---তিন লক্ষ চাকরি।
    পরে অর্থমন্ত্রী অসীমবাবু বল্লেন --একলক্ষ চাকরি।
    এতবছর পর হিসেব টা কি রকম?
    সাতশ' চাকরি হয়েছে। আর অ্যান্‌সিলিয়ারি এসব ধরে মোট পঞ্চাশহাজার ছাড়িয়েছে।
    কদিন আগে মন্ত্রী নিরুপম বল্লেন--- চাকরির গ্যারান্টি দেয়া সম্ভব নয়। আর রাতারাতি বুদ্ধ উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন কারখানায় সবাইকে চাকরি দেবেন?
    আগে হলদিয়ায় দিন।
    এখানে জমিদার-প্রজা নাটকে জমিদার বাম সরকার নয়, জমিদার টাটা, বাম সরকার নায়েব--দু:খ এটুকুই।
    হ্যাঁ, আমার কথাগুলো অবশ্যি প্রচার তবে মমতার নয়, আমার বিশ্বাস বুদ্ধের জায়গায় মমতা হলে এইসবই করতেন। আরো বাজে ভাবে করতেন।
    তবে বম সরকার যেভাবে টাটার প্রোপাগান্ডা করছে, তারপর আর কাউকে প্রোপাগান্ডিস্ট বলাটা কি ঠিক?
  • lcm | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ০০:৪৭562510
  • রঞ্জন-কে ধন্যবাদ। টাটা-র ভুমিকা, চাকরি এই বিষয়গুলো নিয়ে গুছিয়ে লেখার জন্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন