এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • ২০১৯ নির্বাচন ইত্যাদি

    pi
    নাটক | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬৫৭৬৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • lcm | ১৬ মে ২০১৯ ১০:১৯379625
  • মানিক,
    ২০১১-তে যে ছাগলেরা ভোট দিয়ে তিনোদের জেতাল তারা কারা? কোথাকার ছাগল? কোথা থেকে এল? তারা কি আগে ছিল?
  • lcm | ১৬ মে ২০১৯ ১০:২০379626
  • ২০১১ না, ২০০৯ তে
  • lcm | ১৬ মে ২০১৯ ১০:২২379628
  • *১৯৭৭
  • lcm | ১৬ মে ২০১৯ ১০:২২379627
  • যে আসে আসুক আবার কি, ২০০৯ সালে লোকে চেয়েছে তৃণমূল আসুক।
    যেমন ১৭৭৭ সালে লোকে চেয়েছিল লেফ্ট ফ্রন্ট আসুক।
  • মানিক | ১৬ মে ২০১৯ ১০:৩০379629
  • এলসিএম, ২০০৯ কেন, এখনো যারা তৃণমূলকে ভোট দেয় তারা সবাই সেই চৌত্রিশ বছরেও ছিল। তা সে সেই মৃত বাচ্চারাও সিপিএম আমলে পেটে এসেছিল। যে সব ব্রিজ ভেঙে পড়েছে তারা সবাই সিপিএম আমলে ছিল। যারা তোলা তুলছে, যারা তোলা দিচ্ছে, যারা উন্নয়ন করছে, যারা অক্সিজেন পাচ্ছেনা সবাই, সবাই সেই ৩৪ বছরে ছিল।

    অবজারভেশন। সিদ্ধান্ত নয়।
  • dc | ১৬ মে ২০১৯ ১০:৩২379630
  • পিটিদা, আমি তো প্রশ্নাকারেই আনলাম, অন্য কোনভাবে তো আনিনি। ভেবেছিলাম আপনি উত্তর দিতে পারবেন, কারন এখানে সিপিএম বা বাম দলেদের সবচেয়ে বেশী ট্রোলিং আপনিই করেন। তবে এও জানি যে আপনি উত্তর দেবেন না, কারন ইন্টেলেকচুয়াল ডিশনেস্টি (ন্যাড়াবাবুর ভাষায়) ছাড়া আপনার এখানে কিছুই দেবার নেই।
  • PT | ১৬ মে ২০১৯ ১০:৩৪379631
  • এখনো যারা বিজেপিকে ভোট দেবে তারা বোঁটকা গন্ধওয়ালা রামছাগল এবং যারা তিনোদের আগেও দিয়েছে এবং দিতেই থাকবে তারা কালো রঙের বাংলা ছাগল। আর যারা এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি তাদের খাসিকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে।
    (dc হয়্ত আরেকটি কঠিন প্রশ্নবাণ ছুঁড়বেন!)
  • মানিক | ১৬ মে ২০১৯ ১০:৩৮379632
  • মমতা কয়েকদিন আগেও বলেছেন, আরএসএস তেমন খারাপ কিছু তো নয়। শুধু বিজেপির সাথে মিশে খারাপ হয়ে গেছে।

    যে আসে আসুক, শুধু বিজেপি বা তার বি টিম নয়।
  • lcm | ১৬ মে ২০১৯ ১০:৪০379633
  • অরণ্য,
    গ্র্যাজুয়েট-দের মধ্যে বেকারত্বের হার খুব বেশি, সারা ভারতে এখন বলছে ১৩% এর মতন, পশ্চিমবঙ্গে এটা বেশি হবে, এগ্জ্যাক্ট নাম্বার পেলাম না।

    এখানে বলছে, যে NSSO-র রিপোর্টের থেকে,

    Chhattisgarh logged the lowest unemployment rate at 3.3 per cent in 2017-18, followed by Madhya Pradesh at 4.5 per cent and West Bengal at 4.6 per cent

    আর একটা ব্যাপার হল মেয়েদের মধ্যে বেকারত্বের হার কমেছে -

    The report also analysed the gender-wise unemployment situation in the country exhibiting interesting observations. The joblessness rate among females declined in West Bengal (3.6 per cent in 2011-12 to 3.2 per cent in 2017-18) and Bihar (8.8 per cent in 2011-12 to 2.8 per cent in 2017-18) which were the only states to demonstrate this trend.

    https://www.businesstoday.in/sectors/jobs/unemployment-rate-states-nsso-report-unemployment-rate-worse-in-11-states-compared-to-national-average-report/story/336646.html
  • sm | ১৬ মে ২০১৯ ১০:৪১379635
  • মাকুদের ফালতু আর্গুমেন্ট শুনে কি লাভ?বরঞ্চ মাকুরা বলুক,ত্রিপুরা,কেরল থেকে মুছে যাচ্ছে কি করে?
    ওই,তাত্বিক করাতকে কি জন্য এতো তোল্লাই দিয়ে থাকে?
    বাজপেয়ীর হাত ধরে পোজ দিয়ে ছবি তুলে প্রচার করেছিল?কি বার্তা ছিল তাতে?
  • lcm | ১৬ মে ২০১৯ ১০:৪৫379636
  • মানিক,
    আরে ওসব তো এক্কেবারে ইয়ে পাতি ব্লেম গেম - সব দোষ আগের সরকারের।
    দেখো, কথা হল, বামেদের অপদার্থ্তায় তিনোমুল ক্ষমতায় এল, আর তিনোমুলের অপদার্থতায় যদি বিজেপি আসে, তাহলে একদিন আবার বামেরা আসবে। ইন ফ্যাক্ট, কেরালার এসেছে, বার বার এসেছে। তবে আমার মনে হয়, কেরালার বাম একটু কম আঁতেল।
  • lcm | ১৬ মে ২০১৯ ১০:৪৬379637
  • কেরালার বাম নাঁতেল।
  • lcm | ১৬ মে ২০১৯ ১১:০২379638
  • এসেম,
    মাকু মানে কারা? নকু তো নকশাল, মাকু কি সিপিএম?
    যাই হোক, বামেরা মুছে যাবে না, বিভিন্ন ফ্যাক্শন গুলো আস্তে আস্তে এক হবে। কারণ, এখন আর স্ট্রটস্কি বনাম মাও বনাম কাস্ত্রো -- এসব লোকে নিতে পারে না। এই সব ঝগড়া করে করে পুরো ব্যাপারটাই গুলিয়ে গেছে। বামপন্থার বিবর্তন হবে। অন্যান্য দেশে শুরু হয়ে গেছে।
  • sm | ১৬ মে ২০১৯ ১১:১৩379639
  • নামের পাশে মার্কসিস্ট জুড়লে, মাকু হয়ে যায়।
    আবার মাকুন্দ এর ছোট নাম মাকু
  • sm | ১৬ মে ২০১৯ ১১:২০379640
  • বাম পন্থা বিবর্তিত হয়ে কি প্রোডাক্ট বেরুবে,ভাবতেই ভয় লাগে।
    হয়তো পারথেনিয়াম, হয়তো ক্যাকটাস বা হয়তো বা কোন মিসিং লিংক।
  • | ১৬ মে ২০১৯ ১১:৩২379641
  • আচ্ছা দাঁড়িগোঁফ না থাকাটা একটা হেয় করার বিষয়!!
    বেশ বেশ।
  • sm | ১৬ মে ২০১৯ ১১:৩৭379642
  • হেয় কে করলো?যা খুশি লিখে দিলেই হলো?
  • sei | ১৬ মে ২০১৯ ১১:৪৮379643
  • বিজনবাবু ফুল ফর্মে আল বাল বকে চলেছেন।কোনো যুক্তি তর্ক তথ্য কিছুই নেই। সেরেফ অবান্তর বকবকানি।
  • sm | ১৬ মে ২০১৯ ১২:০০379644
  • কোনটার যুক্তি চাও,বলে ফেলো।
  • মানিক | ১৬ মে ২০১৯ ১৮:৪২379647
  • এলসিএম,

    সেটাই বলছিলাম। ওটা অমুক আমলে শুরু হয়েছিল, সেটা আসলেই ব্লেম গেম।
  • sm | ১৬ মে ২০১৯ ১৯:১৮379649
  • @Data,আপনার রিপোর্টটা তো এল সি এম দিয়েই দিয়েছে।একর্ডিং টু এন এস এস ও,পব এর আনেমপ্লয়মেন্ট এর প্রভুত উন্নতি হয়েছে,গত 6 বছরে।মানে আনেমপ্লোয়মেন্ট কমেছে।
  • রঞ্জন | ১৬ মে ২০১৯ ১৯:৪৪379651
  • আর একটা ইস্যু পন্ডিতেরা তুলে ধরেছেন। দিল্লি বনাম বাংলা।
    বাঙালী মানসে বরাবর দিল্লি আম্মাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করছে --এ ব্যাপারটা বরাবর আমরা খেয়েছি।
    তাই গান্ধীর চেয়ে সুভাষ আম্মাদের পছন্দ, নেহ্ররুর চাইতে বিধান রায়। ইন্দিরার চাইতে ধুতি পরা বিলেতফেরত ব্যারিস্টার জ্যোতিবাবু।
    বাম জমানার গোড়ার দিকে অশোক মিত্র ফ্রেট ইনইকুয়ালিটি এবং অন্যান্য প্যারামিটারে এটা ভাল তুলে ধরেছিলেন। জ্যোতি বসু কেন্দ্রের বঞ্চনা, রক্ত দিয়ে বক্রেশ্বর, এসব ইস্যু তুলে বাঙালী ভাবাবেগের পার্টি করে দলকে বঙ্গে শক্ত ভিত দিলেন, সংগে কংগ্রেসের অসমাপ্ত কাজ -- বর্গাদারদের পাট্টা-- পুরো করলেন। আর আনলেন ত্রিস্তর পঞ্চায়েত রাজ যা পরে রাজীব গান্ধীর সৌজন্যে গোটা ভারত কপি করল।
    সিপিএম বংগে মূলতঃ বাঙালী পার্টি হয়ে রয়ে গেল। কিন্তু লিডারশিপে প্রলেতারিয়েত বা কৃষক নয়, মধ্যবিত্ত বুদ্ধিজীবি। কেরালা সেই অর্থে মালয়ালী পার্টি হয় নি, ফলে সমানে রুটি পালটে গেছে-- সে বিধানসভাই হোক, বা লোকসভা। এ ব্যাপারে ত্রিপুরা প্রায় বংগের মতন। তাই তিনদশকের উপর স্থায়ী।
    কিন্তু এই সময়ে একটা জেনারেশন বদলে গেল। টেকনোলজি বদলে গেল। শিক্ষায় পরিবর্তন এল। অ্যাস্পিরেশন বেড়ে গেল, নতুন প্রজন্মের।
    জোত ভাগ হতে হতে কৃষি অলাভকারী হতে শুরু করল।
    এই জায়গায় তিনো জমি পেতে শুরু করল।
    অ্যান্টি-ইঙ্কাম্বেন্সি, জমি ছোট হওয়ায় নিঃস্ব হওয়া গরীব কৃষক, অল্প হলেও সিগনিফিক্যান্ট নতুন মধ্য কৃষক নতুন কিছু চাইছিল।
    মমতা এই জায়গাটা ধরে নিলেন। এক, টিপিক্যাল বাঙালি সেন্টিমেন্ট উস্কে দেওয়া। দুই, মা-মাটি-মানুষ শ্লোগান। দুর্গে ফাটল ধরতে শুরু করল।
    প্রথমে তিনো মার খেয়েছে। বর্ধমানে, মিদনা;পুরে, কোলকাতায়।
    তারপর পালটা মাসল পাওয়ার দেখানো শুরু। বিশাল লুম্পেন প্রলেতারিয়েতদের ছাতার তলায় আনা। ট্র্যাফিক সামলাতে যে এক লাখ তিরিশ হাজার সিভিক ভলান্টিয়ারকে চাকরি দেওয়া হল, তাতে ততগুলো পরিবারকে জিতে নেওয়া হল।
    কিছু রাস্তাঘাট, ওয়াটার লগিং ঠিক হল। আমার দেখা বাঙুর এভিনিউ ও নাকতলা।
    আগে প্রতিবর্ষায় বাঙ্গুরে আমার কাকার ফ্ল্যাটে জল উঠত অন্ততঃ বছরে দু'বার। নীরেন্দ্রনাথ কবিতা লিখলেন, বিকাশ ভট্টাচার্য ছবি আঁকলেন। কিন্তু জল ওঠা বন্ধ হয় নি। সিপিএম থেকে বলা হল কেষ্টপুরের খালের নিকাশি সমস্যা--প্রাকৃতিক ব্যাপার। এক্ষুনি কিছু করা সম্ভব নয়। কিন্তু তিনো কাউন্সিলর মৃগাংক নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করিয়ে সমাধান করলেন। আট বছর হল, জল ওঠে না, গতবছরও না। কাকিমা কর্পোরেশন ইলেকশনে তিনো কে দেন, বিধানসভা/লোকসভায় সিপিএম কে।

    ২)কিন্তু তোলাবাজি বেড়েই চলেছে। গুণ্ডামি মাত্রাছাড়া। সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল হাস্যকর অবস্থায়। স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা ইত্যাদিতে নৈরাজ্য। শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্যে বাইরে যাওয়া বাড়ছেই। সরকারি কর্মচারিদের বকায়া ডিএ এসব নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। ২০১৭তেই কোলকাতা ছাড়ার সময় এক ট্যাক্সি ড্রাইভার, বাঙালী, আমায় বলছিলেন-- আগে লেফটকে দিয়েছি, তারপর দিদিকে, কিন্তু আগামী বার মোদীকে একটা চান্স দিয়ে দেখব।
    গুজরাতের উন্নয়নের ফলস ন্যরেটিভ কিছু বাঙালী খাচ্ছে।
    মোদীর বালাকোট স্ট্রাইকের জন্যে এয়ারফোর্সকে গাইড করার বড় বড় কথা, এবং দিদির ছবি বিক্রি করে কোটি টাকা পার্টিকে দেওয়া প্রায় তুল্যমূল্য। কবিতাবলীর কথা নাই বললাম--সবাইকে সব ব্যাপারে জানতে হবে, সব স্কিল থাকতে হবে এমন কেন? ইদানীং মোদিও কবিতা লেখার কথা বলছেন।
    বিজেপি ঢুকছে বাংলাদেশের থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীর ধুয়ো এবং কথিত রূপে মমতার মুসলিম তোষণের ক্যাম্পেন করে। আর লেফট/মমতা এবং গুজরাত ক্যাম্পেনের কায়াদায় কথিত 'বাঙালী অস্মিতা" (আইডেন্টিটি)কে খুঁচিয়ে।
    ৩) কিন্তু আমার মনে হয় এই জায়গাটায় বিজেপি মার খাচ্ছে। কাজেই ওদের এখনও দেরি আছে।
    জোর প্রচার চলছে-- বঙ্গে দুর্গাপূজো বন্ধ, মোহররম এ পাঁচদিন ছুটি এইসব। এগুলো যে মিথ্যে তা যে কোন বঙ্গবাসী জানে। ওদের সাংস্কৃতিক ফ্রন্ট চেষ্টা করছে বাঙালী কবি, বাঙলা নাটক এসব বাগে আনতে।
    বিদ্যাসাগরের স্ট্যাচু যারা ভেঙেছে তারা বোধহয় ওঁকে চেনেই না, নামও শোনে নি। নইলে এমন ভুল করত না।
    বাঙালীর কাছে রামায়ণ হল কৃত্তিবাসের। তাই বাঙালী রামকে দ্যাখে ট্র্যাজিক হিরো হিসেবে, সীতার দুঃখে বিগলিত হয়, রামকে হিন্দিবলয়ের মত 'মর্যাদাপুরুষোত্তম' ভাবে না, ঠিক ভগবান ভাবে না। দুর্গা-কালী-শিবের পাশে স্ত্রীকে বনবাসে পাঠানো দুর্বল স্বামী রাম যেন ডেলিভারির আগে স্ত্রীকে বাপের বাড়ী পাঠিয়ে মন খারাপ করা বাঙালী স্বামী।
    আর হনুমান আদৌ বজরংবলী নয়, রামের অনুচর মাত্র। কোন বাঙালী বাপ-মা নিজের ছেলের নাম হনুমান রাখে না, হিন্দিবলয়ে আকছার।
    হিন্দিবলয়ে কেউ বাঙালী মায়ের মতন বাঁদর ছেলেকে মুখপোড়া হনুমান বলে গাল দেয় না। কাজেই রাস্তায় ভিড় দেখা এক, আর মন থেকে নেওয়া আর এক।
    ৪) @এলসিএম,
    ঠিক বলেছেন। যতদিন সামাজিক সম্পদ বন্টনে বিরাট অসাম্য থাকবে ততদিন বামপন্থার মৃত্যু নেই। ফিনিক্সের মত জন্মাবে, তবেঁ নতুন নামে, নতুন ন্যারেটিভ নিয়ে। বিশ্বে হচ্ছে।
    ভারত ও বংগ সেই অপেক্ষায়। নতুন ন্যারেটিভ চাই।
    আগামী সপ্তাহে এইসময় রেজাল্ট এসে গেছে।ঃ))))
  • মানিক | ১৬ মে ২০১৯ ২০:০২379652
  • দুর্ভাগ্যক্রমে, মোদীর ডাটা যেমন বিশ্বাসযোগ্য নয়, পশ্চিমবঙ্গের ডাটাও বিশ্বাসযোগ্য না।

    একটা বড় কারণ হল, এনসেসওর কোন নিজস্ব ডাটা কালেকশন মেশিনারি নেই, যতদূর জানি। ডাটা কালেক্ট করার জন্য এনসেসও অঙ্গনওয়ারী কর্মী বা ওই ধরণের রাজ্য সরকারের নীচু স্তরের পার্টটাইম কর্মীদের ব্যবহার করে। এই ধরণের কয়েকজনের মুখে শুনেছি, ডাটা কালেকশনের সময় তাদের রাজ্য সুপারভাইজার বলে দেয় কি ধরনের ডাটা এলে ঠিক হয়। মমতার রাজত্বে উঁচু পদের কর্মীরাও নিরন্তর ভয়ের মধ্যে বাস করে। এই স্তরের যারা তাদের তো কথাই নেই।

    কোথায়, কোন সেক্টরে কিভাবে চাকরি বাড়ল, সেই হিসেব না পেলে, অথবা এনসেসওর ডাটা কালেকশন রাজ্য সরকারের থেকে স্বাধীন, এই কনফার্মেশন বা পেলে, এই ডাটাগুলো বিশ্বাস করতে অসুবিধা হয়।
  • PT | ১৬ মে ২০১৯ ২০:৩৭379653
  • বোধহয় ৪৫% কলকাতাবাসী অবাঙালী। তাদের বেশীর ভাগই, আমি নিশ্চিত বিদ্যাসাগরকে চেনেনা। অথবা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙাতে তাদের সাংস্কৃতিক অবস্থান খুব একটা ধাক্কা খায় না। কিন্তু "জয়্শ্রীরাম" বলার কারণে গ্রেপ্তারের নিউজ বা ভিউজ তারা খাবেই খাবে।

    রাঁচী-হাওড়া এক্সপ্রেসে তীব্র হিন্দীগান বাজছে মোবাইলে। হাওড়া-গড়িয়ার AC6 বাসেও গুটি দুএক বাদ্দিলে সারাক্ষণ হিন্দি গানই বাজল।

    হিন্দির (অন্তত গানের ও সিনেমার) প্রাবল্য বিদ্যাসাগরদের বহুদিন আগেই ভাসিয়ে বের করে দিয়েছে পব-র সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল থেকে।
    "মন তাই ভাবছে কি হয়, কি হয়!"

  • sm | ১৬ মে ২০১৯ ২০:৫৭379654
  • তার মানে, গুজরাট,মহারাষ্ট্র,ইউপি,এম পি,ঝাড়খন্ড এসব রাজ্যে কর্মীরা ভয়ে কাজ করে না?সরকারের অপছন্দের স্ট্যাট নির্ভয়ে সাপ্লাই করে !
    বাঙালি রসিক জাত,মানিকের পোস্ট দেখে বোঝা যায়।
  • sm | ১৬ মে ২০১৯ ২১:০১379655
  • পিটির পোস্টের উত্তরে--
    আরো বেশি করে এই বিজেপির হিন্দুস্থানী মানে হিন্দি বলয়ের কালচার জোর করে ঢোকানোর চেষ্টা করুক।
    তাহলে দুটি জিনিস হবে।
    হয়, মিন মিন করে বাঙালী মেনে নেবে আর বদ হজমের চোঁয়া ঢেকুর তুলবে।
    নয়তো,তীব্র প্রতিবাদ শুরু হবে।একেবারে গ্রাসরুট লেভেল থেকে।
    খেলা জমবে।
  • PT | ১৬ মে ২০১৯ ২১:১২379657
  • হিন্দি কালচার অনেকদিন ঢুকে বসে আছে আর বেশ কিছুদিন হল ডমিনেটিং কালচার হয়েছে। কথা হচ্ছে যে বিজেপি সেটার ফয়দা তুলতে পারবে কিনা!!
    পোতিবাদের বিশেষ স্কোপ নেই। বাঙালী তার "র-ফলা" অনেকদিন পরিত্যাগ করেছ্হে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন