এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড?

    s
    অন্যান্য | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৯৬৫৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কল্লোল | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:০৬582169
  • পিটি। সব কিছুই এতো বাইনারীতে ভাবলে তো সমস্যা। মৃত্যুদন্ড চাই না - মানে দুনিয়ার খুনি-ধর্ষনকরীকে জামাই আদর করো। পুরুষতান্ত্রিক চিন্তা থাকলে ধর্ষন থাকবে - মানে মাতৃতান্ত্রিক চিন্তা এলে ধর্ষন থাকবে না। কেন? মেয়েরা ধর্ষন করতে পারে না? একজন পুরুষকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পাঁচজন নারী যৌন সংসর্গ করতে বাধ্য করতে পারে না?
    অন্যের শরীরকে সম্মান করতে শেখাটা জরুরী। যেমন অন্যের মতকে সম্মান করাটাও জরুরী।
    একজন নারী বিবস্ত্র হয়ে বাজার করতে গেছে। লোকে কি করবে? যে কোন ছুতোয় বা ছুতো ছাড়া তার শরীর স্পর্শ করবে। কেন?
    একজন মানুষ বলছে ঈশ্বর নেই। শুধু এই কারনে কেউ তাকে খুন করবে। কেন? কারনটা ঐ সম্মান করতে শেখার মধ্যেই আছে। অন্যের শরীরকে/মতকে সম্মান করো। নাহলেই তাকে ভায়লেট করার কথা ওঠে।।
  • pi | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:১৬582170
  • এই লুপে আর ঢুকবো না।
    খালি একটা কথাই বলে যাই, একজন যৌনকর্মী হোলেও, তা তিনি স্বেচ্ছায় আসুন কি বাধ্য হয়ে কি বিক্রি হয়ে, তাঁকেও 'ধর্ষণ' করার কোন অধিকার জন্মায় না কারো।
  • সিদ্ধার্থ | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:১৯582171
  • পিটি দা, আপনি নিশ্চয় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সময়্য থেকেই সিপিএম-কে সাপোর্ট করতে শুরু করেছেন? নিশ্চয় তার আগে অ্যান্টি বাম ছিলেন?

    প্লিজ, হ্যাঁ বলুন :( প্লিজ :( একবার বলুন আপনি আসলে সত্তর আশী নব্বই-এর দশকে বামপন্থী ছিলেন না :(
  • :-) | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:২৪582172
  • তা, ২০০ টাকা নাহয় বেসিক ভ্যালুজের পক্ষে বড়ই কম হল। মোটামুটি কত টাকা বা অন্য কিসের বিনিময়ে বিছানায় এসে শুলে সেটা বেসিক ভ্যালুজের পক্ষে সহনীয় রকমের যথেষ্ট হয়, সেটা জানা যাক।
  • Atoz | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:২৭582174
  • এই তো অর্থনীতির লাইনে এসে গেছে। ঃ-)
  • Blank | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:২৭582173
  • মেয়েরা যখন পাশাপাশি কাজ করতে শুরু করেছে তখনই এই পরিবর্তন হলো ইনিসিয়েট হয়েছে। পাশাপাশি কাজ করার এই ট্রিগারটা ছিল বাজার। কোনো ব্যাক্তিগত লড়াই এই ট্রিগার বানায় নি।
  • :-) | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৩৮582175
  • আর অরেক জায়গায় একটু সমস্যা, একটু ঘুরিয়ে পড়লে খানিক ক্লিয়ার হতে পারে। সার্বিকভাবে মেয়েদের প্রতি সব স্তরে সম্মান গড়ে ওঠার আশা রাখতে হলে তাদের ২০ টাকায় ... ২০০০ টাকায় বিক্রি হয়ে যাওয়ার দিকেও নজর দিতে হবে। সত্যমেব জয়তের ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের এপিসোডেই, যদি মনে পড়ে, এহেন মানসিকতা কোট হয়েছিল, যে পাশের রাজ্যে ২০০০ টাকায় লওন্ডিয়া বিক্রি হচ্ছে, ইত্যা। লক্ষ্যনীয়, যে মহিলাটিকে এই কথাগুলি শোনানো হচ্ছে, তিনি কিন্তু ২০০০ টাকায় বিক্রি হয়ে আসেন নি। তাকে বিয়ে করে আনা হয়েছে। তথাপি তার ভ্যালুয়েশনটা ঐটুকুই, ঐ ২০০০ টাকা।
  • Atoz | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৪০582176
  • ছেলেদের কাছে জিগ্গেস করতে ইচ্ছে হয়, "হ্যাঁরে তোদের কত টাকায় কেনা যায় রে?"
  • san | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৪৬582177
  • আজ্ঞে টাকা তো আরো বেশি লাগবেই, কিন্তু শুধু টাকায় সহনীয় হবেনা। সম্মান ও লাগবে। অন্যান্য পেশার নাগরিকদের সমান নাগরিক অধিকার ও লাগবে। তবে সহনীয় হবে।
  • সিনফট | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:০০582179
  • আগের প্রশ্নগুলোর উত্তর পেলাম না। মেয়েদের টাকা দিয়ে কেনা যায় বলে মেয়েদের প্রতি অসম্মান করা হয় এই অসাধারন থিওরির আলোয় ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সকে দেখলে এমন দাঁড়াবে - স্বামী বলবে, প্রায় সব মেয়েরাই তো পয়সা দিয়ে ক্রয়যোগ্য, তোমাকে বিয়ে করেছি তো কি হয়েছে, চাইলে কিনতেও পারতাম। তাই তোমার এই অসম্মান প্রাপ্য।
  • PT | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:০৮582180
  • সিদ্ধার্থঃ এই প্রশ্ন কেন?

    কল্লোলদা
    বাইনারিতে ভাবছি না। একজন ধর্ষকের ফাঁসি (ভারতে) বা যাবজ্জীবন (সুইডেনে) কোনটাই ধর্ষণ কমাতে সাহায্য করছে না। তাহলে কোন শাস্তি দিলে সমাজে তার প্রভাব পড়বে?

    আর বেশ মেনে নিলাম মাতৃ/পিতৃ কোন তান্ত্রিকতাই নয়-ঠিক কোন ধরণের সমাজ হলে ধর্ষণ আর থাকবে না?যদিও "একজন পুরুষকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পাঁচজন নারী যৌন সংসর্গ করতে বাধ্য করতে পারে না?"-উত্তর একজন ডাক্তার দিতে পারবে। কিন্তু কোন কল্পিত সমাজে অন্য কোন ডমিনেশন না থাকলেও শেষ পর্যন্ত হর্মোন আর পেশী শক্তির ডমিনেশন তো রয়েই যাবে।
  • :-) | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:০৫582181
  • সিফো বেশ কিছুটা ঠিক বুঝেছে। সত্যমেব জয়তের ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের এপিসোডটা আরেকবার দেখে নিলে প্রমাণটুকুও পেয়ে যাবে। ডাউনলোড তো নিশ্চয়ই করাই আছে। বাকিটুকু তো সেক্সুয়ালাইজেশন আর মরালিটি, প্রোটোটাইপিং, জেনারেলাইজেশন, ইগো, ক্ষমতা, আর পিটিদা যেমন বল্লেন, হর্মোন ও পেশীশক্তি। ৮।০৫ পিএম ঠিক হয় নি। কাল সময় পেলে আরেকটু গুছিয়ে তত্ত্বকথা লিখে দেব। বকি উত্তর দেওয়া রয়েছে। পড়তে হবে।
    যৌন সংসর্গ প্রশ্নে একটা কথা মনে এল, পুরুষের আনন্দ যেমন নারীর ওপর ঝাপানোয়, নারীর আনন্দ ও কিন্তু সেই নারীর উপর পুরুষের ঝাঁপানোয়ই। অন্তত প্রচলিত প্রোটোটাইপিং তাই বলে। অবিলম্বে সিনেমায়/মিডিয়ায় পায়ুমৈথুনে পুরুষের প্রভূত আনন্দ পাওয়ার নিদর্শন প্রচারিত হতে থাকলে পুং ধর্ষণের নতুন দিগন্ত খুলে যেতেও পারে। তবু সেখানে ধর্ষণকারী নারীদের যৌনানন্দ লাভের সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহই থেকে যায়।

    পাই কে কখন বলা হল যৌনকর্মী ধর্ষণযোগ্য? ৮।১৬ পিএম কে কি গাঁতের স্লোগান বা স্লোগানধর্মী গাঁত বলব?
  • debu | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:৪১582182
  • এই সিনেমাটা দেখুন B.A.Pass"
  • pi | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:৫১582183
  • কোনোটাই না। কিন্তু এই চর্বিতচর্বণে ঢুকবার ইচ্ছা বা সময় আপাতত নেই বলে পাস দিলাম।
  • Ishan | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:৩৯582184
  • ধুর এইসব পড়ে পড়ে বোর হয়ে গেছি। "সিনেমায় নাভি দেখালে ধর্ষণ হবেই" জাতীয় কথার খুবই চল হয়েছে, কিন্তু "টিভিতে ল্যাপির সিডাক্টিভ অ্যাড দেখালে ল্যাপির দোকান লুঠ হবেই" কাউকে বলতে শুনিনা। অথচ ব্যাপারটা একই। শরীর অথবা দ্রব্যকে লোভনীয় করে দেখানো হচ্ছে, পণ্য বানানো হচ্ছে, কিন্তু ল্যাপির দোকান ভাঙা হলে সেটা আইনশৃঙ্খলা সমস্যা হয়ে যায়, আর ধর্ষণের রুট কজ খুঁজে বার করতে হয় নাভির গভীরে। এর নাম রুট কজ অ্যানালিসিস নয়, জগদ্দল ফিউডালত্বকে নতুন বোতলে পুরে প্রকাশ করা।

    হ্যাঁ, টিভিতে, সিনেমায় প্রকট যৌনতা দেখানো হয়। লোভনীয় করে দেখানো হয়। আলো আর আবছায়াকে এমন করে দেখানো হয়, যাতে যৌন আবেদন বাড়ে। দশটি খালি গায়ের পুরুষ যখন আইটেম সঙে একটি নাভিতে দুল পরা মেয়েকে তুলে নাচে, তার যৌন অভিঘাত সাংঘাতিক। কিন্তু কমরেডগণ, শিল্প জিনিসটাই ওই। ওখানে স্বপ্ন দেখলে বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে। ওখানে অত্যাচার দেখলে গা গুলোয়। ওখানে দারিদ্রকে পথের পাঁচালির মতো মহিমান্বিত আর সালাম বোম্বের মতো অসহ্য করে দেখানো হয়, এবেলা ওবেলা। সেসবে আমাদের কোনো সমস্যা হয়না, সমস্যা শুধু যৌনতায়। শুধু যৌনতায় নয়, বিশেষ করে মেয়েদের যৌন আবেদনে।

    ওসব গপ্পো ছাড়ুন। লোকে সিনেমার আকাঙ্খাকে ঝালমুড়ির ঠোঙার মতো সিনেমা হলেই ফেলে আসে। গুগাবাবা দেখে বাইরে বেরিয়ে কেউ ম্যাজিক জুতো কেনার জন্য বাটার দোকানে লাইন দেয়না। স্লাম ডগ মিলিয়নিয়ার দেখে লটারির টিকিটের জন্য লাইন দেয়না। ফলে স্রেফ মাধুরির নাভি দেখে লোকে ধর্ষণ করতে দৌড়য় আর মালাইকা আরোরার চিকন ত্বক দেখে বাস্তব মেয়েদের চামড়া খুলে নিতে ইচ্ছে হয় ভাবলে সেটা আপামর জনসাধারণকে গাম্বাট ভাবা ছাড়া আর কিছু হবেনা।

    আর লোককে অতটাই গাম্বাট ভাবতে হলে সমস্ত গোপন ও নিষিদ্ধ কামনায় ছিপি লাগাতে হবে। পানু তুলে দিতে হবে। ফ্যান্টাসি ও হস্তমৈথুন ব্যান করতে হবে। কারণ স্বপ্নসুন্দরীরা (বা সুন্দররা) সিডাক্টিভ হয়ে শুধু সিনেমার পর্দায় আসেন নাকি? মনে এমনিতেই তাঁদের নিত্য আনাগোনা।
  • Ishan | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:৪৭582185
  • আর এই সত্যমেব জয়তে। "নাভি দেখলে ধর্ষণ বাড়বে" যেমন একটা অজুহাত, "পয়সা দিয়ে মেয়ে কেনা যায়" তেমনই আরেকটা অজুহাত। ওটা না থাকলে আরেকটা অজুহাত খোঁজা হবে। সত্যমেব জয়তের ওই এপিসোড আম্মো দেখেছি। আরেকটি অনুরূপ অজুহাত ছিল "অন্য মেয়ের বাপ-মা কত পয়সা দিত, তোর বাপ দেয়নি, অতএব ক্যাল খা"। এই অজুহাতটার ব্যাপারে ওমনাথের কি বক্তব্য? এর সঙ্গেও ২০০০ টাকায় মেয়েদের বিক্রি হয়ে যাবার সম্পর্ক আছে নাকি?

    তবে এইসব রিয়েলিটি শোর প্রসঙ্গ না তোলাই ভালো। ওমনাথ তুলেছে তাই বললাম। ওর কতটা গুল, কতটা সাজানো, কতটা ঢ্পবাজি, সে আমিও জানিনা, ওমনাথও না।
  • pi | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:৪৯582187
  • আরো অনেক কিছু করতে হবে। খাজুরাহো কোনার্কের মূর্তিগুলোকে বোরখা পরাতে হবে, কালিদাসের সাহিত্যে কালি ঢালতে হবে।
  • Ishan | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:৪৯582186
  • আর এই তনু। এই গ্রস স্টেটমেন্টগুলো বন্ধ করোনা রে বাবা। করতে করতে বোরও লাগেনা?
  • pi | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:১৫582188
  • আর ওমনাথকে বলেই দি। ধর্ষণ কোদ্দিয়ে এল। এই টইটা ধর্ষণ নিয়েই। 'সম্মান' করার কথাটা এসেছে ধর্ষণ রোখা প্রসংগেই। নাভি দর্শন প্রসঙ্গও সেখান থেকেই। মেয়েরা কী কী করলে মেয়েদের সম্মান করা যাবেনা, তার থেকে 'ঘৃণা' 'জাত' হবে, এই যুক্তি পরম্পরার অভিমুখ তো সেই লাইন ধরে নির্যাতন করাকে বৈধতা দেওয়া নিয়েই। সত্যমেব জয়তের কথাও ও তো সেই নির্যাতন প্রসঙ্গেই। এবার ধর্ষণ আর নির্যাতন আলাদা করে লিখতে হবে এরকম দাবি থাকলে আলাদা কথা। আমার স্টেটমেন্টে ধর্ষণ কে নির্যাতন দিয়েও রিপ্লেস করা যেতে পারে।
  • Atoz | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:২৪582190
  • আর এই ঈশান!!! উফ্ফ!!! কে কি করবে না করবে বলবে না বলবে সব ডিক্টেট করবেন!
    গ্রস স্টেটমেন্টটা কোথায়? মেয়েদের ২০ টাকায় কেনা যায় শুনে কাউন্টার কোয়েশ্চেন করা হয়েছে ছেলেদের মূল্যমান কত? এতে গ্রস স্টেটমেন্ট কোথা থেকে এলো? ??????
  • Ishan | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:১১582191
  • --------
    ছেলেদের কাছে জিগ্গেস করতে ইচ্ছে হয়, "হ্যাঁরে তোদের কত টাকায় কেনা যায় রে?"
    -------
    -- ডিক্টেশন আবার কই? এইটা গ্রস লেগেছে। আমার পছন্দসই নয়। এবার এখান থেকে বিষয়টা পুং বনাম নারীতে টার্ন নেবে, এই আর কি। তবে সেটা অন্য কারো পছন্দ হতেই পারে।
  • Atoz | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:৩৫582192
  • ঈশান, আপনার পছন্দসই কথাই কি বলতে হবে নাকি শুধু???? জানতাম না।
    আরো বলি ঐ
    "দেশে যদ্দিন মেয়েরা ২০ টাকায় বুক খুলে দেবেন, ২০০ টাকা বিছানায় এসে শোবেন ও ২০০০ টাকায় বিক্রি হয়ে যাবেন, তদ্দিন সার্বিকভাবে তদের প্রতি সবস্তরে সম্মান গড়ে উঠবে এটা আশা করা একটু কঠিন।"
    আমার কাছে এটা খুবই অপছন্দের লেগেছে, অত্যন্ত চূড়ান্ত খারাপ লেগেছে। কিন্তু হয়তো বহু লোকের কাছে দিব্যি লেগেছে, তাই আমি যদি ঐ বক্তব্যের বক্তাকে বলি এগুলো বন্ধ করা যায় না? সেটা ডিক্টেট করা হবে না কি?
  • Ishan | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:০২582193
  • না হবেনা।

    আর আমার পছন্দসই কথা বলতে হবে কেন? কিন্তু আমার পছন্দসই না হলে আমি নিশ্চয়ই বলব।
  • কল্লোল | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:০২582194
  • ব্ল্যাঙ্ক।
    পশাপাশি কাজ করা, আর তাকে আনন্দের সাথে মেনে নেওয়া। দুটো বিষয়ের মধ্যে কোন তফাৎ দেখতে পাও কি? আমি পাই। তুমি পাও না বলেই মনে হচ্ছে(তোমার পোস্ট পড়ে)।
    ঐ আনন্দের সাথে মেনে নেওয়ার জায়গাতে পৌঁছাতে যে লড়াইটা করতে হয়েছে, তাতে ব্যাক্তি ও সমাজ দুইই আছে, বাজার নেই।

    পিটি। ডাক্তার কেন লাগবে? আসলে তুমি ধর্ষন বলতে ঢোকানো (যাকে বাংলায় পেনিট্রেশন বলে) বুঝছো। একজনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার শরীর স্পর্শ করাও ধর্ষন। সেটা ও তার অনেক বেশী পাঁচটা মেয়ে মিলে একজন পুরুষের উপর চাপাতে পারে।

    ডমিনেশন থাকবে। তার বিরুদ্ধে লড়াইও থাকবে। এভাবেই সমাজ এগোয়। পুরোনো ডমিনেশনের জায়্গায় নতুন ডমিনেশন আসে (জলসাঘর দ্রষ্টব্য), তার বিরুদ্ধে লড়াইও চলে। আর হ্যাঁ, লড়াই সবসময় হাত মুঠো করেই হয় না। মুখ ফিরিয়ে নিয়েও হয়।
  • Atoz | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:২১582196
  • পছন্দসই না হলেই থামতে বলবেন, তাও সেটা ডিক্টেট করা হবে না।
    আহা, বাহা, কী লজিক!!!!
  • pi | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:২১582195
  • ' নতুন অর্থনীতির হাত ধরে জন্ম হচ্ছে নতুন ভারতের। একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক, উন্নত ভারত। সেই উন্নত ভারতে রামুয়ার জন্য ঠিক কী ভবিষ্যৎ নির্দিষ্ট করা আছে? এ প্রশ্নও অনিবার্য। এগারো বছর বয়সে ‘একা’ কেবল ভরপেট খেতে পাবে বলে মা যাকে অচেনা অজানা দিল্লিতে পাঠিয়ে দেয়, সতেরো বছর বয়সে যে ‘বিরল থেকে বিরলতম’ নৃশংসতা ঘটায়, এক বার ভেবে দেখব না, তার সঙ্গে সমাজ-সংসার কী ব্যবহার করেছে? কোন সুস্থতা আর স্বাভাবিকতা তাকে আমরা দিয়েছি, যে তার কাছ থেকে সুনাগরিকের ব্যবহার আশা করব? তাকে যদি সরিয়ে দিই, তা হলেও কি আমরা নিরাপদ? এক বার ভাবব না, এই বয়সে কেন তার নারী শরীরের উপর এত হিংস্র রাগ? কেন ‘মজা’ করার আর কোনও উপায় তার মনে এল না? কেমন করে তৈরি হল তার মনের গড়ন? কে তার জন্য দায়ী?'

    আবাপ তে বোলান গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা থেকে। নাভিদর্শন করে সুস্থ নাগরিক হয়ে বেড়ে উঠবে কিনা ভাবার থেকে এই প্রশ্নটা বোধহয় বেশি জরুরি।
  • Atoz | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:৩১582197
  • বোলান গঙ্গোর লেখাটার অংশটা পড়ে অনেক প্রশ্ন এলো। ভারত যে দরিদ্র দেশ সেটা তো আজ নয়, বহু বহু বছর ধরেই। এরকম "একা" ছেলেকে অন্য শহরে পাঠিয়ে দেয় মা-বাবা, করেকম্মে খাবার জন্য, সেটাও অজানা অচেনা কোনো ব্যাপার তো না। এখন সেই অজুহাতে যদি লোকে বলে সুনাগরিক হওয়ার কোনো দায় নেই, দস্যু হতে পারি, খুনী হতে পারি---সেটা কি সত্যি ই কোনো জোরালো যুক্তি হতে পারে?
    আমরা যদি বলি আমাদের দরিদ্র পরিবার, অজ পাড়াগাঁয়ের ভাঙাচোরা ইস্কুলে পড়েছি, আমাদের ব্যঙ্গ করেছে ট্যাঁশ স্কুলে পড়া বড়লোকের ছেলেপিলে আমাদের সামনে কোনো দর্জা খোলা ছিল না, সর্বত্র দূর দূর ছেই ছেই-এখন তাই আমরা ঐ বড়লোকের ছেলেপিলেকে দল বেঁধে গিয়ে পেটাবো আর তাদের জিনিস সব কেড়ে নেবো????
    এ কি কোনো যুক্তি হতে পারে? কোনোরকম ডিফেন্স?
  • pi | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:৩৫582198
  • এগুলো দিয়ে জাস্টিফিকেশনের কোনো চেষ্টা বোধহয় করা হয়নি।
    লেখাটা রইলো। http://www.anandabazar.com/17edit3.html
  • সিনফট | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৩৬582199
  • Atoz

    আপনার যেমন লেখার ঐ অংশটা আপত্তিকর লেগেছে, আমারও লেগেছে। কিন্তু তারপর আপনার "হ্যাঁরে তোদের কত টাকায় কেনা যায় রে?" দেখে কিন্তু একইরকম আপত্তিকর লাগলো। এ তো মুদ্রার অপর পিঠ হলো। আপনার যা আপত্তিকর লাগছে, সেটাই ুল্টে করতে চাইছেন। তাই দুটো কথায় কোনো তফাত খুঁজে পেলাম না।
  • s | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৫৩582201
  • মামুর Date:18 Sep 2013 -- 03:39 AM পোস্টটা পড়ে অবাক ও বিস্মিত হলাম। সিনেমা দেখে মানুষের ওপর কোন প্রভাব হয় না? ছেলেরা হিরোর অনুকরণ, মেয়েরা হিরো ইনের অনুকরণ করে না? এই আইটেম সং, সুড়সুড়ি দেওয়া কথা, কটিমাত্র আবৃত্ত হয়ে নাচ মানুষ সিনেমা হলের বাইরে এলেই ভূলে যায়?
    দুটো বাজে আর এক্স্ট্রিম উদাহরণ দিয়ে (তাও যাস্ট আন্দাজে) মামু এই অবাস্তব থিওরি প্রমান করার চেষ্টা করল?

    আমরা নারীকে সন্মান দেবার কথা বলছি। একশোবার সত্যি। অন্যের শরীরকে সন্মান দেবার কাথা বলছি। হাজারবার সত্যি। কিন্তু আমাদের দেশে মানুষ নিজেই সেই সন্মান পায়? এই ট্রেনে বাসে গা ঘেঁষাঘেঁসি করে চ্লাফেরার শিক্ষা, ধাক্কাধাক্কি না করলে কোনো যায়গায় ঢোকা বেরোনো যায় না, পথেঘাটে আফিসে বাজারে প্রতি মুহুর্তে মানুষের (স্ত্রী পুরুষ নির্বিশেষে) আত্মিক ও শারিরীক সন্মান ভুলুন্ঠিত হচ্ছে, তাই সন্মান শব্দটা বেশীরভাগ মানুষের কাছে স্রেফ কেতাবী কথা। এখন এই অব্স্থাকে পরিবর্তন করা বহু শতাব্দীর মনীষির কাজ।
    এখন মানুষ তাকেই সন্মান দেয় যার বেশী ক্ষমতা আছে। একদল ছেলে মিলে একলা একটা কিশোরীকে টেনে নিয়ে যায় কেননা মেয়েটি শারিরীকভাবে অসহায়। এবার যদি মেয়েটার কাছে একটা অস্ত্র থাকত যা দিয়ে সে আঘাত হানতে পারে, অথবা একটা মেয়ের যায়গায় যদি ২০টা মেয়ে থাকত, তাহলে এই সাহস সেই ছেলেগুলোর হত না। তখন তারা সন্মান দিত।
    তো এই সন্মানরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রেরও বটে। প্রশাসন যদি এরকম প্রতিটা যৌন উৎপীড়নের কেসে কড়া শাস্তি এবং ক্ষেত্রবিশেষে চরম শাস্তি দেওয়া সুনিশ্চিত করতে পারে তাহলে অন্তত ভয়ে এই সন্মানবোধ ফিরে আসতে পারে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন