এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • যাক | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:১৬703139
  • সবাইকে গুড়-বাতাসা আর গুড়-জলের শুভেচ্ছা। নিজের ভোট নিজে দেবেন।
  • aranya | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৫৮703140
  • পল্লবে-র গান শুনলাম অনেক দিন পর, ওর ফেবু পেজ থেকে
  • কেষ্ট | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ১১:২১703141
  • সকাল সকাল নিজের ভোট দিয়ে মোটরসাইকেলের পেছনে বসে হুউশ করে বেরিয়ে গেলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনি আর নজর রাখা ম্যজিস্ট্রেট কোনও খবরই রাখতে পারলেন না কেষ্ট কোথায় গেলেন।

    খানিক পরে কেষ্টকে আবিষ্কার করা গেল পার্টি অফিসে। নজর নাই, কেন্দ্রীয় বাহিনি নাই, ম্যাজিস্ট্রেট নাই। খালি কেষ্ট আছেন আর মিডিয়া আছে।

    কী খোরাক :)
  • S | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ১৩:০৮703142
  • কে কে গুড় বাতাসা খেলেন আজকে?
  • Arpan | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ১৭:১৩703143
  • ৭০% ভোট পড়েছে এনডিটিভিতে দেখলাম। দেখা যাক কমিশন কী হিসাব দেয়।
  • PM | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ১৯:৪২703144
  • অরিজিৎ, আজকের খবর কি? বামেরা রিপোল তো চায়নি কোথাও ? হয় ভোটে খুশী, নয় হল ছেড়ে দিয়েছে ঃ) কোনটা ??
  • ক বাবু | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২১:১৪703145
  • লকেট তো ফাটিয়ে দিয়েছে। জোটের কারো তো এই মূর্তি দেখিনা।
  • লকেটের গল্পটার | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২১:১৯703146
  • দুটো দিক আছে।

    এক তো, যদি ধরি প্রিসাইডিং সত্যিই ছাপ্পা করিয়েছেন, লকেটের দাবি, মোবাইলে রেকর্ড করা আছে ছাপ্পার ঘটনা। লকেটের গলাই শোনা যাচ্ছিল, প্রিসাইডিং অফিসারের গলা প্রায় শোনাই যাচ্ছিল না, হতে পারে উনি সত্যিই অপরাধী, তাই গলায় জোর ছিল না, সেক্ষেত্রে লকেট গুছিয়ে ঝেড়েছে।

    দুই নম্বর দিক হচ্ছে, লকেট ঐ বুথে ঢুকল কীভাবে? প্রার্থীর তো নিজের ভোটকেন্দ্রের বুথ ছাড়া কোনও অন্য বুথে ঢোকবার অধিকার নেই! যদি প্রিসাইডিং অফিসার দোষী হয়েই থাকেন, লকেট সেক্ষেত্রে সরাসরি কমিশনে ফুটেজ সমেত অভিযোগ জমা দিক, কেন্দ্রীয় বাহিনিকে বলুক, হোয়াটেভার। অত জোর গলায় য বলছিল, আমি এই ভিডিও দিল্লিতে পাঠাব, তারপরে আপনার কী হয় আপনি দেখুন, ভিডিও পাঠালে লকেটের বিরুদ্ধেই তো কমিশন ব্যবস্থা নিতে পারে।
  • Mmu | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২১:৪৬703147
  • শ্র্ধ্বেয় গুরুর গুরুজনেরা এটা একটু মন দিয়ে পড়লে ফেলে দিতে পারবেন না। এটা একদম সঠিক --------------

    বর্তমান
    ১৭ ই এপ্রিল
    -------------

    সমৃদ্ধ দত্ত: জোট বিরোধীরা বলছেন এরকম তেলে জলে মিশ খাওয়ানোর মরিয়া চেষ্টা করার সমঝোতা আদতে নাকি অনৈতিক। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যদি সূক্ষ্মভাবে ব্যাখ্যা করা যায়, তাহলে কি মনে হয় না যে,এই মুহূর্তে একমাত্র সিপিএম এবং কংগ্রেসের মধ্যেই জোট বা আসন সমঝোতা সবথেকে বাস্তব? কারণ এই দুটি দলের মধ্যে সাদৃশ্য প্রশ্নাতীত। এরকম হরিহর আত্মা বন্ধুত্ব অত্যন্ত স্বাভাবিক। কারণ দুপক্ষই বিগত বছরগুলিতে সমান ব্যথা পেয়েছে। উভয়ের অবস্থা হুবহু একইরকম। তাই এই দুঃখের সময় এই দুই একদা শত্রু যদি হাতে হাত মিলিয়ে শপথ নেয় নতুন করে একজোট হয়ে পথ চলার তা নিয়ে এত কূটকচালির কী আছে? তাদের কি অস্তিত্ব রক্ষার অধিকার নেই? ভালো করে লক্ষ করা যাক সিপিএম এবং কংগ্রেসের মধ্যে কেমন আশ্চর্য মিল।
    ১) মাত্র ১৮ বছর বয়সি তৃণমূলের কাছে নাস্তানাবুদ হয়ে রীতিমতো নাজেহাল দশা হয়েছে প্রায় ৯৩ বছরের প্রাচীন বামপন্থীদের। একইভাবে মাত্র ৩৬ বছর বয়সি বিজেপির কাছে ১৮৮৫ সালে জন্ম হওয়া ১৩১ বছরের কংগ্রেসের হাল ১০ গোলে হারার মতো লজ্জাকর। জাতীয় রাজনীতিতে বঙ্গীয় সিপিএমের এরকম করুণ দশা আর কখনও হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করতে পারছে না। মাত্র দুজন এমপি! ঠিক একইভাবে কংগ্রেসের ইতিহাসে মাত্র ৪৪ জন এমপি এই প্রথম। সুতরাং রাহুল গান্ধী এবং সীতারাম ইয়েচুরিরা নিজেদের দলকে স্রেফ
    সমান দক্ষতায় অপ্রাসঙ্গিক করে দিয়েছেন সংসদীয় রাজনীতিতে। তাই আজ তারা ভ্রাতৃপ্রতিম হবেন
    এতে আশ্চর্য কী! উভয়কেই তো অস্তিত্ব রক্ষা করতে হচ্ছে।
    ২) কমিউনিজমের আদর্শ আর নীতিতে অবিচল থাকার শপথ নেওয়া ৫১ বছরের সিপিএম তৃণমূল নামে কোনও ছোকরা দল পর্যুদস্ত করেনি। বিপর্যস্ত করেছে একজন মাত্র মহিলা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একা মমতার কাছে সিপিএম যা ধাক্কা খেয়েছে যে দ্বন্দ্বমূলক বস্তবাদকে ভুলিয়ে এসেছে ধান্দামূলক সুবিধাবাদ। আবার অন্যদিকে নিছক প্রতিপক্ষ দল হিসাবে বিজেপি হারায়নি কংগ্রেসকে। সোনিয়া গান্ধী রাহুল গান্ধীরা স্রেফ একজন ব্যক্তির কাছে হেরে ভূত হয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি। সিপিএমের একটা গোটা দল যাবতীয় কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টোর পেটেন্ট সঙ্গে নিয়েও একজন সাধারণ মেঠো ভাষায় কথা বলা মেয়ের কাছে যেমন জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় পরাজিত হয়েছে, ঠিক তেমনই গান্ধী পদবি আঁকড়ে ধরেও সোনিয়া, রাহুলরা একজন মাত্র ব্যক্তির ক্যারিশমায় উড়ে গি঩য়েছেন। এতটাই মিল।
    ৩) পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমের ভোটব্যাংক কী ছিল? মুসলিম তো বটেই, খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষ, শ্রমিক, কৃষক সমাজকে সিপিএমের ক্যাপটিভ অডিয়েন্স বলা হত। কারণ এই দরিদ্র এবং বিপুল জনতার হয়ে কথা বলতো একমাত্র বামপন্থীরা। এছাড়া কমিউনিজমের প্রতি সহজাত আকর্ষণ থাকা শিক্ষিত মধ্যবিত্ত। ২০০৯ সাল থেকে সিপিএমের এহেন সিংহভাগ নিজস্ব ভোট হাইজ্যাক করে নিয়েছেন মমতা। মুসলিম সম্প্রদায় সম্পূর্ণ মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে। কৃষক ও শ্রমিক ভোটও হারিয়েছে সিপিএম। অবিকল এভাবেই বিগত বছরগুলিতে উচ্চবর্ণ, মুসলিম, দলিত সকলেই একে একে ছেড়ে চলে গিয়েছে কংগ্রেসকে। শুধু উত্তরপ্রদেশের কথা ধরলে কংগ্রেসের বাক্স থেকে তাবৎ উচ্চবর্ণের ভোট জমা হয়েছে বিজেপির কাছে। কংগ্রেসের দলিত ভোট কেড়ে দিয়েছেন মায়াবতী। আর মুসলিম ভোট হস্তগত করেছেন মুলায়ম সিং যাদব। কংগ্রেস তাই উত্তরপ্রদেশে আজ সব হারিয়ে কাশ্যপ গোত্র। বিহারেও একই হাল। মুসলিম আর যাদব ভোট লালুপ্রসাদ যাদবের কাছে। দলিত আর অনগ্রসর ভোট নীতীশ কুমারের ঝুলিতে। রইল বাকি উচ্চবর্ণ। বিজেপি প্রায় একক দাবিদার। তাই কংগ্রেস সেখানেও লালু-নীতীশের তল্পিবাহকে পরিণত। সুতরাং নিজেদের ভোটব্যাংক হারানো কংগ্রেস এবং সিপিএম আজ সমব্যথী। তাই সফরসঙ্গী।
    ৪) ২০১১ সালে মমতাকে ভালোবেসে বঙ্গবাসী ভোটে জিতিয়ে এনেছেন তা নয়। বরং তার থেকে বড় কারণ হল মানুষ সিপিএমের শাসনের উপর ভয়ংকর ক্ষিপ্ত হয়ে যেভাবেই হোক বামফ্রন্টকে সরাতে এককাট্টা হয়েছিল। তাই একমাত্র বিকল্প হিসাবেই স্বাভাবিক নিয়঩মেই সরকারে আগমন মমতার। ঠিক হুবহু সেই ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি দেখা গেল ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে। নরেন্দ্র মোদি কিংবা বিজেপির প্রতি মুগ্ধ হয়ে যতটা না মানুষ পদ্মফুলে ছাপ দিয়েছেন, তার থেকে অনেক বড় কারণ ছিল সোনিয়া, রাহুলের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস পরিচালিত সরকারের লাগামছাড়া দুর্নীতির প্রতি বিরক্তি। একের পর এক হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু রাহুল সোনিয়া মনমোহন সিং একটিও উচ্চবাচ্য করেননি। মানুষ ধরেই নিয়েছিলেন তাঁদের কাছে জবাব নেই।
    ৫) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই করার ক্ষেত্রে সিপিএমের সবথেকে বড় সমস্যা কোনটা? মুখ। মমতার সমকক্ষ হাই ভোল্টেজ কোনও স্টার নেতানেত্রীই নেই সিপিএমের মধ্যে। তাই মানুষ তৃণমূলের উপর অসম্ভব বিরক্ত হলেও গ্রহণযোগ্য এবং সেয়ানে সেয়ানে কোলাকুলির মতো কোনও বিকল্প মুখই খুঁজে পাচ্ছে না সিপিএমের অন্দরে। ঠিক সমস্যা কংগ্রেসেরও। মমতাকে সরিয়ে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে বসবেন এরকম কোনও তুমুল জনপ্রিয় নেতানেত্রী নেই কংগ্রেসের মধ্যেও। যাঁরা আছেন তাঁরা প্রত্যেকেই পাড়ার লিডার টাইপ। অর্থাৎ নিজেদের জেলা বা শহরেই জনপ্রিয়। লক্ষ্য করে দেখুন নারায়ণগড়ে সূর্যকান্ত মিশ্র ১০০ শতাংশ জিতছেন এরকম কেউ বাজি ধরতে পারছেন? পারছেন না। কারণ সেই আত্মবিশ্বাসসের স্পার্কটাই নেই তাঁর মধ্যে। অথচ মমতা ভবানীপুরে হারছেন এরকম একটিও জল্পনা আছে? একে বলে পারসেপশন। সেই পারসেপশনের বিচারেও মমতার জনপ্রিয়তার ধারেকাছে কেউ নেই। অতএব নিজেদের দলে জনগণমনঅধিনায়ক নেতানেত্রী হওয়ার মতো গ্রহণযোগ্য মুখ না থাকাটাও কংগ্রেস এবং সিপিএমের কমন সমস্যা। এটাই এই দুই দলের একটি সাদৃশ্য।
    ৬) ভারতের মতো এই বিরাট দেশে এবারের ভোটের পর কংগ্রেসের দখলে হাতেগোনা কটি রাজ্য থাকতে চলেছে? বড় রাজ্য বলতে এক ও একমাত্র কর্ণাটক। অসম ও কেরলে এবার গদিচ্যুত হতে চলেছে কংগ্রেস। তাহলে কংগ্রেসের প্রদীপটি জ্বলবে কর্ণাটক ছাড়া হিমাচল প্রদেশ, মিজোরাম, মণিপুর, মেঘালয়। সোজা কথায় মধ্য ভারত, পশ্চিম ভারত, উত্তর ভারত, পূর্ব ভারত। কোথাও কংগ্রেস নেই। আর কংগ্রেসের নতুন ভাই সিপিএমের শাসন চলছে শুধুমাত্র ত্রিপুরায়।
    এবার ভোটের পর সম্ভবত কেরলে সিপিএম আবার সরকার গড়বে। তাহলে কী দাঁড়ালো? সিপিএমের হাতে থাকবে দক্ষিণের শেষ প্রান্ত কেরল এবং উত্তর পূর্ব ভারতের শেষ প্রান্ত ত্রিপুরা, এই দুটি রাজ্য। আর সোনিয়া গান্ধী রাহুল গান্ধীর কংগ্রেসের দখলে থাকবে দক্ষিণে একমাত্র কর্ণাটক এবং উত্তর পূর্ব ভারতের কয়েকটি রাজ্য। সুতরাং নির্বাচন কমিশনের কাগজে কলমে রাজনৈতিক শক্তির বিচারেও আপাতত দুটি জাতীয় স্তরের দল খুব কাছাকাছি আসতে চলেছে। সিপিএম ২ টি রাজ্যে, কংগ্রেস ৫টি রাজ্যে। সুতরাং দূরদর্শী সোনিয়া রাহুল জানেন এই খারাপ সময়ে একমাত্র সমব্যথীরাই প্রকৃত সহানুভূতিশীল হতে পারে। তাই সিপিএম এখন কংগ্রেসের সত্যিকারের বন্ধু। এত বেশি মিল যখন দুটি দলের মধ্যে থাকে, তখন বিপদে পরস্পরকে শক্ত হাতে ধরে থেকে সাহায্য করবে এতে বিস্ময়ের কী আছে? সুতরাং কংগ্রেস এবং সিপিএম ঠিক করেছে। তারা কি অপেক্ষা করবে কবে মমতা ঝড় সিপিএমকে সাফ করে দেবে তার জন্য? আর মোদি ঝড় কংগ্রেস মুক্ত ভারত গড়ে ফেলবে তার জন্য?
    বুধবার সুজাপুর, মুরারইতে সোনিয়া গান্ধীর প্রচারের বক্তব্যগুলি টিভিতে দেখতে দেখতে লোকসভার অন্দরের একটি দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। সচরাচর সোনিয়া গান্ধী নিজের আসনে বসে মাঝেমধ্যে পিছনে ঘুরে দলকে নানাবিধ ইস্যুতে নির্দেশ দেন। কিন্তু নিজে কখনও আসন ছেড়ে উঠে হট্টগোল করেন না। এই ডিসেম্বরে শীতকালীন অধিবেশনে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা নিয়ে বিজেপি কংগ্রেসকে চেপে ধরেছে। ১৯৩৮ সালে জওহরলাল নেহরু প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদপত্র সংস্থাকে কংগ্রেসের নিজস্ব তহবিল থেকে ৯০ কোটি টাকা লোন পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং সেই লোন মকুবও হয়ে যায় অন্য একটি সংস্থার মাধ্যমে সমস্ত টাকা পরিশোধের মাধ্যমে। এই গোটা ডিলের পিছনে সোনিয়া ও রাহুল গান্ধীর আর্থিক মুনাফা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে মামলাও হয়েছে। সেই মামলায় সোনিয়া রাহুলকে আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে। এখনও চলছে মামলাটি।
    সেদিন লোকসভায় যখন বিজেপি এই নিয়ে তুমুল আক্রমণ করছে সোনিয়া রাহুলকে, তখন বিচলিত সোনিয়া নিজের আসন ছেড়ে উঠে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভার নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধ করছিলেন তাঁর দলকে সমর্থন করতে। প্রায় অনুনয় বিনয়। সোনিয়া ও রাহুলকে ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন থেকে নির্দেশ দিয়েছিলেন নিজের দলকে। যাতে তাঁরা কংগ্রেসকেই সমর্থন করে। তারপর থেকে টানা কয়েকদিন দেখা গেল কংগ্রেসের পাশে থেকে তৃণমূল এমপিরাও প্রতিবাদ করছেন লোকসভার অন্দরে এবং বাইরেও। সোনিয়া গান্ধী বুধবার সভার পর সভায় যখন বলছিলেন মমতা ও মোদি সমান স্বৈরাচারী, মমতার সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত, মমতার সরকার মহিলাদের আব্রু রক্ষা করতে ব্যর্থ, এই সরকারকে সরাতে হবে...তখন বারংবার প্রকট হয়ে পড়ছিল সোনিয়ার অসহায়তা। কারণ তাঁর দলের রাশ এখন আর পুরোপুরি তাঁর হাতে নেই। কারণ সোনিয়ার স্টাইল এটা নয়। তিনি কখনও অবিজেপি কোনও দলের সুপ্রিম নেতানেত্রীকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেননি আজ পর্যন্ত। মমতাকে তো কোনওদিন নয়। কারণ তিনি জানেন এই দলগুলিকে যে কোনও সময় কাজে লাগবে। সেই রাস্তা তিনি খোলা রাখেন বরাবর। এখন কিন্তু বোঝা গেল কংগ্রেসের দখল প্রায় নিজের হাতেই নিয়ে নিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তাঁর চিত্রনাট্যই অনুসরণ করতে বাধ্য হচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। তাই মমতাকে আক্রমণ। এখানেই জিত সিপিএমের। তারা রাহুল এবং সোনিয়াকে নিপূণভাবে ব্যবহার করে নিচ্ছে এবারের ভোটে।
    সিপিএম গান্ধী পরিবারকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছে আমরা জোট না করলে বিজেপি অন্যতম প্রধান প্রতিপক্ষ হিসাবে উঠে আসতে পারে। পশ্চিমবঙ্গেও কি বিজেপিকে পা রাখার জায়গা করে দেবেন আপনারা? যদি তা না চান তাহলে আমাদের একজোট হওয়া জরুরি। এই বিজেপি জুজুর তত্ত্বে বিশ্বাস করে রাহুল জোটে হ্যাঁ বলেছেন হয়তো। আর তার ফলশ্রুতি হল এই জোটে সবথেকে বেশি লাভবান হতে চলেছে সিপিএম। এবারের মতো অস্তিত্বটা টিকে গেল। এবং সবথেকে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে চলেছে রাজ্য কংগ্রেস। সিপিএমের হাত ধরে তারা জাত খুইয়েছে। ১৯ মে মমতাকে হারাতে না পারলে অস্তিত্ব খোয়ানোর চান্স। কারণ ১৯ মে যদি মমতা আবার জিতে যান তাহলে বার্তা হবে এটাই যে, উড়ালপুল, স্টিং অপারেশন, সারদা কেলেঙ্কারি...সবকিছুর জন্য মমতা দায়ী...তৃণমূল অতি জঘন্য একটি দল..সব ঠিক..। তাও খারাপ তৃণমূলও জোটের থেকে ভালো! অতএব সিপিএম এবং কংগ্রেসের অগ্নিপরীক্ষা। হারাতেই হবে মমতাকে। না পারলে? একটাই সান্ত্বনা। টিভি চ্যানেলের সান্ধ্য আসরে খাস কলকাতায় বসে মাদারিহাট-বাঘমুন্ডির মানুষের মন বুঝে যাওয়ার প্রক্রিয়া তো চালু রইলই।
  • PT | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২১:৫০703149
  • পল্লবের গানটি আমারো শোনার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু সে বোধহয় আমার জন্যে নয়।
    তবে আজকাল কি "গান দিয়ে চায় চেনা"?
    কালকে প্রতুল বাবু দেখলাম সঙ্গীদের "এইরকম ভায়োলেন্স স্কুলে হয়" বক্তব্যের সঙ্গে একমত। এবার থেকে ওনার গান আব্বুলিশ বলে শুনতে হবে।
    আর গত পরশু ব্রহ্মপুরে তিনোদের এক ভোট-সভায় ইন্টারন্যাশনল বাজছিলঃ শুধু "তিনোমুল আন্বেই ভোর" জাতীয় একটা ধুয়ো ফিরে ফিরে আসছিল!!
  • S | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২১:৫০703150
  • বিজেপির জন্য দরদ উথলে উঠছে দেকচি।
  • PT | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২১:৫১703151
  • **যায় চেনা
  • Mmu | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২১:৫৭703152
  • ** শ্র্ধ্বেয়
  • Mmu | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২১:৫৮703153
  • বানান টা আসছে না। sorry
  • বানান | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:০৫703154
  • ওটা ধ+ব নয় দ+ধ, শ্রদ্ধেয় shraddheya
  • kc | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:০৬703155
  • পিটিদা, প্রতুলের এই লেখাটা মনে রাখুন, ২০১১ তে লেখা সবকিছু একই নিক্তিতে নাই বা মাপলেন, ফর এ চেঞ্জ,

    বোতামে চাপ আঙুলে ছাপ
    এদিকে পাপ ওদিকে পাপ
    একটা পাপ অনেকদিন
    অন্য পাপকে সুযোগ দিন।
  • PT | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:১৭703156
  • "অন্য পাপকে সুযোগ দিন"?
    আমার কোন নিক্তি নাই। প্রতুল বাবু নিজেই কোনদিন নিজেকে নিক্তিতে বসিয়ে মাপবেন আশা করি।
    উনি এখন জেনে-বুঝে "অন্য" পাপের হয়ে খিদমদ্গারী করছেন বলতে চান?
  • S | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:২২703157
  • "এদিকে পাপ ওদিকে পাপ
    একটা পাপ অনেকদিন
    অন্য পাপকে সুযোগ দিন।"

    এইটা কোনো মানুষ সুস্থ মস্তিস্কে লিখতে পারেন? এরা বিদ্বজ্জন?
  • :) | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:২৩703158
  • কথার পাহাড় হলো
    পাহাড়ের চূড়ো দেখে
    এবার ফিরবে চলো।
  • তবে | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:২৫703160
  • ২০১১তে এ কথা ভাবা যেত। ২০১১তে এই চিন্তায় অন্যায় দেখি না খুব একটা। ২০১৬তে এই কথা (বা খেলার মাঠের সন্ত্রাস জাতীয় কথা) শুনলে অবশ্য খুউব চিন্তা হয়।
  • kc | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:২৬703161
  • পি টিদা, বুকে হাত দিয়ে বলুনতো পাপের ঘড়া কি কোনওদিকেই কম? না বলতে পারুন, ঠিক আছে, একটু ভাবুন, পাপ কি আমরাও কম করেছি?
  • S | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:২৮703162
  • কেউ যদি রাজনীতি নিয়ে এমন কথা বলেন যেটা ৫ বছরও টেঁকে না তাঁর মনে হয় এইসব নিয়ে কথা না বলাই ভালো।
  • kc | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:৩১703163
  • আরে দাদা, পাপ বেশিদিন টেকেনা। এটাতো জানা কথা।
  • S | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:৩২703165
  • তাহলে আর আবাপের দোষ কী?
  • PT | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:৩২703164
  • আমি জনগণের সামনে বা চ্যানেলে গান গেয়ে মানুষকে "উদ্বুদ্ধ" করার সঙ্গে যুক্ত নই। সে কাজটা প্রতুল বাবু করে থাকেন। কাজেই বুকে হাত দেওয়ার দায়িত্ব তাঁর।
    আর মদন তাঁতীর গপ্প যদি ক্লিশে হয়ে থাকে তাহলেও কোন পাপের সঙ্গ ছাড়াই তো তিনি তাঁর মনের কথা বলে যেতে পারতেন।
  • S | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:৩৬703166
  • আচ্ছা অরিজিত বাবু কিছু খবর দেন না কেন? আবাপের একজিট পোলের গোপন খবর কী?
  • kc | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:৩৯703167
  • যা ক্কলা! যে কথাটা আমি আপনাকে কইলাম, সেটা আফনি নির্দ্ধিধায় প্রতুলবাবুকে শান্টিং করে দিলেন!! নট টেকন। @পিটিদা।
  • PT | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:৪৭703168
  • কথাটা তো প্রতুল বাবুকে নিয়েই। তাই পাপের দায়িত্ব তাঁরই (ref. দস্যু রত্নাকর)। আমি বা অন্যেরা সে ভার বহন করবে কেন?

    তবে আপনার "পাপের ঘড়া কি কোনওদিকেই কম? .....পাপ কি আমরাও কম করেছি?"-র স্থান-কাল-পাত্র কিছুই বুঝিনি।
  • হুঁ | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:৫০703169
  • না বোঝাটাই এক্ষেত্রে কনভেনিয়েন্ট।
  • kc | ১৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:৫৪703171
  • সত্যি বলছেন বোঝেননি? সত্যিই? বুকে হাত দিয়ে বলছেন বোঝেননি? পারছেন বলতে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ প্রতিক্রিয়া দিন