এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • ২০১৯ নির্বাচন ইত্যাদি

    pi
    নাটক | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬৫৮৪৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | ১৬ মে ২০১৯ ২১:১৬379658
  • সেই বাজোরিয়ার কোলে,
    জ্যোতি বাবু দোলে,--
    মনে পড়ে, পিটি?
  • lcm | ১৬ মে ২০১৯ ২১:১৮379659
  • এসবের একটি গালভরা নাম আছে - কালচারাল অ্যাসিমিলেশন - সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন। সংজ্ঞা বলছে -
    Cultural assimilation is the process in which a minority group or culture comes to resemble a dominant group or assume the values, behaviors, and beliefs of another group.
    খেয়াল করুন বলছে যে একটি ডমিনেন্ট গ্রুপের দিকে ঝুঁকে থাকে।

    এর মূল কারণ অর্থনৈতিক, এবং আর্থসামাজিক। ২০০৩ সাল থেকে চায়না-তে ক্লাস থ্রি থেকে ইংরেজি শেখা বাধত্যামূলক হয়েছে, অথচ চিন দেশে ইংরেজির তেমন দরকার নেই। এখানেও মূল কারণ অর্থনৈতিক। "গ্লোবাল ওয়ার্কফোর্স" একটি টার্ম, যার সঙ্গে ইংরেজি ভাষা ও সংস্কৃতি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।
    ভারতের ক্ষেত্রে জাতীয় স্তরে কাজকর্ম করে জীবিকা নির্বাহ করতে হলে (সফটোয়্যার ইঞ্জিনিয়ার থেকে রাজমিস্ত্রি) ইংরেজি-হিন্দি ভাষা ও কালচার অঙ্গাঙ্গীভাবে এসে পরে।
  • lcm | ১৬ মে ২০১৯ ২১:২১379660
  • হ্যাঁ, পিটি বলেছেন - ডমিনেটিং কালচার।
  • sm | ১৬ মে ২০১৯ ২১:২৬379661
  • ভারতে সারভাইভ করতে হলে হিন্দির দরকার নেই।ইংলিশ ই কাফি।
    হিন্দি হলো বোরো চাল।আর ইংলিশ বাসমতি।
    সাউথের লোকজন হিন্দি কে জেনে বুঝে অবজ্ঞা করে।
  • lcm | ১৬ মে ২০১৯ ২১:৩৪379662
  • ইংরেজি শুধু এডুকেটেড ক্লাসে।
    যে লোক রাজমিস্ত্রির কাজ করতে ব্যাঙ্গালোর বা ত্রিবান্দম যাচ্ছে, সে ইংরেজি-মন্নড়-মালয়ালি এসব না জেনে স্রেফ ভাঙ্গা হিন্দির ভরসায় যাচ্ছে। আর অন্যান্য জায়গায় দিল্লি-মুম্বই-পুনে হলে তো হিন্দিই তার ভরসা।
  • PT | ১৬ মে ২০১৯ ২১:৩৫379663
  • "it is generally accepted that somewhere in the range of 30% are able, to varying degrees, speak English—though only a third have some semblance of reading and writing aptitude. Still, it is unadorned disenfranchisement and an embarrassing plight for the other 70-80% of Indians. Contextually, this would mean anywhere from 770-900 million people are being oppressed on a daily basis. Even if one subtracts the 25-30% who are illiterate (another matter entirely), this is still about 577-630 million."
    https://www.forbes.com/sites/realspin/2014/11/06/the-problem-with-the-english-language-in-india/#13e0b16f403e
  • Ela | ১৭ মে ২০১৯ ০৭:২৪379664
  • রন্জনদার পোস্টের অন্তত একজায়গায় আপত্তি করে যাই। কর্মসূত্রে নিচুতলার সরকারি কর্মীদের সঙ্গে আমায় অনেকটা সময় কাটাতে হয়, স্পেসিফিক্যালি বলতে গেলে পুলিশকর্মী, কনস্টেবলদের সাথে। তাদের মুখ থেকে শোনা কথা বলছি। অ্যানেকডোট বলতে পারেন, চাইলে।

    ঐ ‘কথিত মুসলিম তোষণ’টা পুরোটা কিন্তু শুধু কথিত নয়। কিছু কিছু জায়গায় পুলিশের কাছে সরাসরি নির্দেশ থাকে ঝামেলার সময় শুধু হিন্দুদের পেটানোর বা গ্রেফতারের। বসিরহাট, বাদুড়িয়া, নৈহাটির কিছু পকেটে এমনকি পুরুলিয়াতেও এই ঘটনা ঘটছে।

    মুসলিমদের আদৌ অন্য কোনও উন্নতি হয়েছে কি না জানি না, কিন্তু এই সর্বনাশা নীতি বিজেপির পথ আরো পরিষ্কার করে দিচ্ছে চূড়ান্ত মেরুকরণ ঘটিয়ে।

    গরিব, অসহায় মানুষের ভাল কেউ কোথাও চায় না। এভাবে দাবার বোড়ে হয়ে আর কতদিন?
  • Ekak | ১৭ মে ২০১৯ ০৭:৪১379665
  • এগুলো যে হয় অস্বীকার করার জায়গা নেই। কমিউনালি সেনসিটিভ এরিয়াতে রেইড বা ধরপাকড় ওপরতলার বিশেষ অনুমতি ছাড়া সম্ভব নয়।

    কিন্তু এসবের তো একটাই মানে। মুসলিমদের কোনো এমপাওয়ারমেন্ট না করে, মুসলিম অপরাধীদের ক্রমাগত তোল্লাই দিয়ে যাওয়া। এর আগেও একবার লিখেলছিলুম, একটা ঘটনায় : জাল সিডির মুসলিম ব্যবসায়ী নিজের পরিবার রেখেছে সল্টলেকে, আর গুদাম খিদিরপুরে। দুদুবার ধরতে গিয়ে মারের হাত থেকে বেঁচে ফিরেছে পুলিশ।

    তো এগুলো কি মুসলিম তোষণ ? কোন নিরপরাধ সাধারণ খেটে খাওয়া মুসলিমের সামান্যতম সুবিধে হয়েছে এর মাধ্যমে ??
  • Ekak | ১৭ মে ২০১৯ ০৭:৪৭379666
  • সরকারের কিছু মাইনোরিটি স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট আছে যার টাকার সিংহভাগ আড়কাঠিদের পকেটে যায় আর গরিব মুসলিমদের মধ্যে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ।

    এ বাদে, সারা ভারতে মুসলিমদের এমপাওয়ারমেন্ট এর কী কী স্পেসিফিক প্রজেক্ট বা স্কীম আছে, এবং তার দ্বারা মুসলিম সম্প্রদায়ের কী এমপাওয়ারমেন্ট হয়েছে সেটা কেও ডেটা দিয়ে, হিন্দুদের দলিত ও পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের সঙ্গে তুলনা করে লিখলে ভালো হতো। একটা পরিষ্কার ছবি পাওয়া যায় যে, হিন্দুরা কোথায় বঞ্চিত।
  • একক | ১৭ মে ২০১৯ ০৭:৫৪379668
  • এক কথায়, এলার বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু অপরাধী তোষণ == মুসলিম তোষণ কিনা সেটাই প্রশ্ন।
  • Ela | ১৭ মে ২০১৯ ০৮:৩৪379669
  • একক, একদম একমত। অপরাধী তোষণ আর মুসলিম তোষণ একেবারেই এক নয়, আর হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে গরিব মানুষের উপকার কোথাও হয়নি। মানে এ নিয়ে দ্বিমতের অবকাশই নেই। ঠিক করে বুঝিয়ে বলতে না পারা আমার ভাষার বা লেখনীর অপারগতা।

    মেরুকরণটা করানো হচ্ছে কেন তাও আমার কাছে পরিষ্কার না। মানে বিজেপি কেন করছে বুঝতে পারি। কিন্তু বাকিরা কেন? পুরুলিয়ার যে ঘটনাটা শুনেছি সেখানে দু’দিকেই কিছু সাধারণ লোককে লড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, আড়ালে কোনও কালীচরণ নিশ্চয় ছিল। কিন্তু পুলিশকে কেন বেছে বেছে হিন্দুদের মারতে বলা হল তা ঐ কনস্টেবলরা নিজেরাও জানেন না।
  • PT | ১৭ মে ২০১৯ ০৯:৪৫379670
  • "মানে বিজেপি কেন করছে বুঝতে পারি। কিন্তু বাকিরা কেন?"

    "বাকিরা" মানে?
    তিনোরা যে মুসলিম ভোট ধরে রাখার জন্য যা খুশী তাই করছে সেটা কি সন্দেহ আছে? রিজানুরের মৃত্যু নিয়ে যে অসভ্য অ-রাজনীতির শুরু সেটা বিষাক্ত ধর্মীয় মেরুকরণের রাস্তা তৈরি করে দিয়েছে পব-তে। গত ৮ বছর ধরে এসবের প্রতিবাদ না করে বাঙালী বুদ্ধিজীবিরা বিজেপির জন্য খেলার প্রশস্ত মাঠ তৈরি করে দিয়েছে।

    তিনোদের ধারণা ছিল যে RSS-এর শাখার সংখ্যা বাড়তে দিলে তারা খুশী হয়ে চুপ থাকবে। এই নির্বোধ ধান্দাবাজী এখন হাতের বাইরে চলে যেতে বসেছে।

    বিজেপির ২০% ভোট তিনোদের ক্ষমতায় থাকার জন্য বিশেষ প্রয়োজন। কাজেই এবারের মত যদি মোদীর রাজত্বের পতন হয় (হবে?) তাহলেও ২০২১-এর জন্য বিজেপিকে পুনরায় লালন পালন করা হবে এ রাজ্যে।
  • sm | ১৭ মে ২০১৯ ১০:০০379671
  • রিজানুরের মৃত্যু নিয়ে কি অসভ্য, অ রাজনীতি হলো বুঝিয়ে বলুন।
  • Ela | ১৭ মে ২০১৯ ১২:৪১379672
  • মুসলিম ভোট ধরে রাখার জন্য মেরুকরণের কতটা প্রয়োজন? হিন্দু ভোট হারানোর ভয় নেই? বিজেপির ভোট তো ২০% এ আটকে থাকবে না?

    তৃণমূল অসভ্য, গুণ্ডা বদমাইশ সব হতে পারে, কিন্তু নির্বোধ ভাবার কারণ নেই।
  • PT | ১৭ মে ২০১৯ ১৫:২০379673
  • খুব ছোট ঘটনা দিয়ে শুরু। রিজানুরের মৃত্যুকে ব্যবহার করে, রিজানুরের ভাইকে জিতিয়ে আনা। কিছু পরে নন্দীগ্রাম কান্ডের পেছনে সিদ্দিকুল্লার ধর্মের অপব্যবহার ও তিনোর উত্থানে তার অবদান নিয়ে বৃহৎ বৃহৎ থিসিস লেখা যেতে পারে।

    হিন্দু ভোট নিয়ে ভাবনার শুরু বিজেপির হনুমানরা লাফালাফি শুরু করার পরে। তিনোরা অন্ততঃ এই একটা ব্যাপারে নির্বোধের মত কাজ করেছে। আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে মনে হয় যে তারা RSS-কে শাখার সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে বামমুক্ত পব গড়তে সাহায্য করে (ও তাদের সাহায্য নিয়ে) ভেবেছিল যে RSS বিজেপির উচ্চাভিলাষ নিয়ন্ত্রণে রাখবে। সেটি বুমেরাং হয়েছে। "কাজ ফুরোলেই কিষেণজী" সর্বত্র প্রযোজ্য নয়। RSS/BJP যে অনেক লম্বা দৌড়ের ঘোড়া সেটি ঠিক ঠাহর করতে পারেনি তিনোরা।
  • sm | ১৭ মে ২০১৯ ১৫:৪৪379674
  • রিজানুর কে তদানীন্তন পি সি ও অন্যন্য অফিসাররা হেনস্থা করেছিল।তখন পুলিশ মন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধ বাবু।অপজিশন এই অন্যায় এর প্রতিবাদ করেছে।
    কোন অন্যায় তো করে নি।
    তার দাদাকে নির্বাচনে দাঁড় করিয়েও কোন অন্যায় করে নি।
    বর্তমানে বামেরা যদি এই রকম কোন নিরীহ ভিকটিম এর পরিবারের কাউকে রুলিং পার্টির এগেইন্সটে দাঁড়াতে বলে তো, বলুক না।অন্যায় তো কিছু নয়।
    আর সিদ্দিকুলা তো একজন শিক্ষিত মুসলিম রাজনীতিবিদ।তিনি তো রাজনীতি করবেন,জানা কথা।
    আমরা তো মোদি বা শাহ কাউকেই রাজনীতি করবেন না বলে উপদেশ দিতে পারি না।
    সিদ্দিকুল্লাও সেরকম একজন রাজনীতিবিদ,যিনি নিজের সমাজের প্রতিনিধি ও সেই সমাজের হয়ে কথা বলেন।
    পছন্দ না হলে ভোট দেবেন না।মিটে গেলো।
  • PM | ১৭ মে ২০১৯ ১৭:৫৭379675
  • বাংলায় ২৮% সংখ্যালঘু। ঐ ভোট টা যাতে বিরোধী দের মধ্যে ভাগ না হয় তার জন্যেই এতো কান্ড।

    বিজেপি তিনোর হয়ে পোলারাইসেসন এনসিওর করছে। ৭২ % সংখ্যাগুরু ভোটের বেশীরভাগ যেনো কোনো ভাবেই একজায়্গায় না পড়ে সরকার বিরোধীতার জন্য। বিজেপী ১৫-২৫ যেকোনো % ভোট পেলেও বড় কিছু করতে পারবে না, তিনোর সরকারে থেকে যাওয়াটা নিশ্চিত করাটা ছাড়া।

    বাম বা কং ১ টা সিট পেলেও সেটা বিজেপী বিরোধী হবে কেন্দ্রে। তিনো টেক্নিক্যালি নিরপেক্ষ থাকলেও, বা কং জোটে ভাঙচী দিলে তাও বিজেপীর লাভ।

    তাই বিজেপী আর তিনো হল স্ট্রেটেজিক মিথোজীবী। পোলারাইসেসন যতো হবে তত লাভ দুজনের ই। এখনকার পরিস্থিতিতে( তিনো+ বিজেপী) জোট, সরকার আর বিরোধী দুপক্ষ কেই লিড করছে। এর থেকে ভালো পরিস্থিতি আর কি হতে পরে। ঃ)

    পাবলিক ডোমেন এ তিনো বিজেপী কুস্তিটাও স্ট্র্যাটেজিক--- পোলারাইসেসনের টুল। সারদা / নারদা নিয়ে পোলারাইসেসন স্ট্র্যাটেজি কে সফল করতে যতটুকু ভোটের সময় না করলে নয়---ততটুকুই করেছে বিজেপী সরকার

    এলা যা দেখেছেন তা হলো এই পোলারাইসেসন স্ট্র্যাটেজির রুপায়ন। এখন ও পর্য্যন্ত এই রাজ্যে এই গাছের ও খাবো, তলার ও কুরোবো স্ট্র্যাটেজি দারুন সফল ঃ)
  • Ela | ১৭ মে ২০১৯ ২০:১৩379676
  • বাম রাজনীতির মাজা ভাঙ্গতে আর এস এসকে তোল্লা দেওয়ার থিয়োরীটা শুনেছি, খুব একটা অবিশ্বাসও করি না। তবে মেরুকরণের রাজনীতি এবার ফ্রান্কেনস্টাইন হয়ে দেখা দিচ্ছে। ঐ পুলিশকর্মীদের অনেকের মুখেই আফশোস শুনছি, হিন্দু হয়ে হিন্দুর ছেলেকে মারছি অথচ একই দোষে ওরা পার পেয়ে যাচ্ছে।

    এনারা যে সাম্প্রদায়িক শক্তির বাড়বাড়ন্ত বা তার বিষময় ফল সম্পর্কে সচেতন নন, তাও কিন্তু নয়। তবু কোথাও একটা গিয়ে যে আসে আসুক তৃণমূল যাক মনে করছেন। বেশিরভাগই ওপরের অফিসারদের চুপ করে থাকা নিয়ে বীতশ্রদ্ধ।

    গোটা রাজ্যই বাঘের পিঠে সওয়ার।
  • Ela | ১৭ মে ২০১৯ ২০:১৭379677
  • আর ঐ যে আসে আসুক তখনও খুব বালখিল্য নীতি ছিল এখনও তাই।

    মরতে সানাইওলা-রাই মরবে, জাতধর্ম নির্বিশেষে। যার যাবে, সে-ই শুধু জানবে গেলে ঠিক কেমন লাগে, ব্যাস এইটুকুই।
  • dc | ১৭ মে ২০১৯ ২০:২০379680
  • তিনো আর বিজেপি স্ট্র্যাটেজি করছে, কোস্তাকুস্তি করছে বা মক ফাইট করছে, এসবই তো বুঝলাম। আমার যেটা অবাক লাগে, বামফ্রন্ট বা সিপিএম পবতে একেবারে মুছে গেল কিভাবে? দলটা কি এতোটাই ফোঁপরা হয়ে গেছিল? সেই ২০০৯ এর থেকে শুরু, তারপর এতো বছর পেরিয়ে গেল, তাও কিছুই করতে পারলো না? সব রাজ্যেই তো ক্ষমতাসীন দল বিদায় নেয়, বিরোধী দল ক্ষমতায় আসে, তারপর আবার ফাইট দেয়, আবার ক্ষমতায় আসে। এরকম ভাবে একদম মুছে যেতে খুব একটা দেখা যায়না।
  • dc | ১৭ মে ২০১৯ ২০:২৪379681
  • এলা, "যে আসে আসুক" নীতিটা কি ব্যপার বলুন তো? এই গুরুতে ছাড়া আর কোথাও এরকম নীতি শুনেছেন কি? আপনার কি মনে হয় গুরুতে ২০১১ তে এই নীতি প্রচার করার জন্য পবতে মানুষ সরকার পাল্টে দিয়েছিল? পবর সাধারন মানুষ ২০১১ তে সিপিএমকে ভোট দেয়নি তার অনেক কারন আছে। সাধারন মানুষ খুব একটা এইসব "যে আসে আসুক" ইত্যাদি তত্ত্বকথা মেনে ভোট দেয়না, নিজেদের ভাবনাচিন্তা মতো ভোট দেয়।
  • Ela | ১৭ মে ২০১৯ ২০:৪৫379682
  • ডিসি, শুনেছি। আপনার বাকিদু’টো প্রশ্নের উত্তরেই বলছি, খুব পরিষ্কার করেই বলছি, না। সিপিএম যাওয়ার পিছনে অনেক কারণ ছিল, অবাধ দূর্নীতি আর অসম্ভব ঔদ্ধত্য তার মধ্যে অন্যতম।

    যে আসে আসুক তত্ত্বকথা তাও আবার গুরুর হতে যাবে কেন? সিপিএম তথা বামফ্রন্ট সরকার যাক এ তো সাধারণ মানুষই চেয়েছিলেন, যার মধ্যে গুরুও পড়ে (এখানে কেউ নিজেকে ‘অসাধারণ’ মনে করেন না কি?)। তখন চোখের সামনে একমাত্র বিকল্প ছিল তৃণমূল।

    অন্তত সরকারি কর্মীদের একটা ভাগ আজকেও সেটাই চাইছেন, যে আসে আসুক। বিপদ জেনেও কারণ আপাতত যে আসে আসুক বলতে বিজেপি ছাড়া অন্য কোনও দল ওনারা দেখতে পাচ্ছেন না। বর্তমান লোকসভা ভোটে না হলেও বিধানসভায় এর প্রভাব পড়বে, যদি লোকে ভোট দিতে পারে।

    পন্চায়েত ভোটে ভোট না হওয়া (যেখানে বিরোধীশুন্য) বা হলেও নিজের ভোট নিজে দিতে না পারার অপমানটাও কম না। খেতে পাক না পাক, ভোটের একটা দিন নিজের গুরুত্বটাও অনেক ‘সাধারণ’ মানুষের কাছে অনেকখানি। আস্তে আস্তে আবার দমবন্ধ হয়ে আসছে, এবার ৩৪ অবধিও ধৈর্য্য ধরতে হয়নি।

    স্বীকার করছি, ভয় পাচ্ছি। আমরা সাধারণেরা পাচ্ছি ভয়। আবার বলি, গেলে আমাদেরই যাবে।
  • লেবেলেএ | ১৭ মে ২০১৯ ২১:১১379684
  • মনোবীণা কোট করেছেন সুমন সেনগুপ্তকে, যিনি কিছুদিন আগেও তৃণমূলকে ভোট দিন বলেছেন, যিনি আরেকজনকে কোট করেছেন, তিনি আবার জনৈক তৃণমূল কাউন্সিলর। একটাও ক্রেডিবল সোর্স নেই, এদিকে তাই নিয়ে মাতামাতি। অথচ সাধারণ সম্পাদক স্পষ্ট ভাষায় রিফিউট করেছেন।

    এজেন্ডা ক্লিয়ার নয়?
  • PT | ১৭ মে ২০১৯ ২১:৫১379685
  • "সিপিএম তথা বামফ্রন্ট সরকার যাক এ তো সাধারণ মানুষই চেয়েছিলেন.....তখন চোখের সামনে একমাত্র বিকল্প ছিল তৃণমূল"

    এদের মধ্যে বাম ভোটারের একটা অংশ ছিল না? ছিল নিশ্চয়ই। নাহলে তো বামেদের হারার কথা নয়!! তারপরেও বিস্তর বাম মন্ত্রী সান্ত্রী গ্রামীন কর্মীরা ভয়ে বা নির্ভয়ে তিনোতে ভিড়েছে। তো বিধানসভা লন্ডভন্ড করা তিনোদের পক্ষে বামেরা গেলে সেটা ঠিক আছে? সে নিয়ে তো তেমন কান্নাকাটি শুনিনি আগে। নাকি তখন তারা বাম নয় "সাধারণ" ভোটার মাত্র!!

    এখন কি তবে টনক নড়েছে? দোদুল্যমানেরা বিজেপিতে যাচ্ছে বলে? তিনোদের নির্বোধতম রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল চাচার ভোট কেটে দিলীপ ঘোষকে জিতিয়ে আনা। ভেবেছিল এসবেই বিজেপি খুশী থাকবে। সেই ভোটে বাম কর্মীরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে করজোড়ে তাদের ভোট কংগ্রেসকে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। কিন্তু সেসব নিয়েও এত লেখালিখি বা কান্নাকাটি শুনিনি এর আগে।

    বাঙালী নির্বোধের মত একসময় সিধুদার বাম-নিধনকে সমর্থন করেছিল। আর গত আট বছর ধরে তার উত্তরসূরীদের নির্বোধ বাম নিধনের কর্মসূচীকে অনুসরণ করছে।

    আগে এই সুযোগ ছিল না। এখন হয়্ত তাদের মনে হয়েছে যে ডানপন্থী যদি হতেই হয় তো নিও কমুনিজিমের চাইতে হনুমান হওয়াই বেশী লাভজনক!!
  • sm | ১৭ মে ২০১৯ ২২:১৭379686
  • চমৎকার, পিটির মত অনুযায়ী বামেরা যাই করুক--যেমন ধরুন,সিঙ্গুর,নন্দীগ্রাম,কেশপুর,নানুর,নেতাই,বিজনসেতু,কেরল বিধানসভা লন্ড ভন্ড,যাই করুক তা,হলো শিশুর চপলতা।
    উটিতে কুনো দোষ নাই।
    আবার দাদাগিরি,ক্যাডার দিয়ে চমকানো;সেগুলো হলো হজমিগুলি।
    আবার মজা দেখুন,জনগণ অন্য কোন দল কে ভোট দিলেই ঠোঁট ফুলিয়ে সে কী কান্না!
    দুস্টু,পাজি,ছাগল জনতা আরো কতো কি!
    যাই হোক,বামেরা খুব ভালো।ওরা এখন নিজেদের সম্পত্তি রক্ষা করুন।ভেনিজুয়েলা নিয়ে মাথা চুলকে যান।কার কি!
  • Ela | ১৭ মে ২০১৯ ২২:৩৭379687
  • পিটি, সেমসাইড গোল করছেন। কোনও দলে না গিয়েও কেউ ভোট দিতেই পারে কাউকে। আনুগত্য থাকতেই হবে এমন তো কথা নয়?

    না ভেবেচিন্তে কোনও কিছু সমর্থন করার অনিবার্য ফল এই দমবন্ধ হয়ে আসা।
  • PT | ১৭ মে ২০১৯ ২২:৩৮379688
  • sm
    খেয়াল করেছেন কি যে মাইক্রোস্কোপেও যে দলটিকে দেখা যায় না বলে আপনি, আপনার পিসী বা দিদি, যুবরাজ ভাইপো কিম্বা আপনার প্রিয় দিলীপদা ক্রমাগত দাবী করে যাচ্ছেন তাদের নিয়েই পাতার পর পাতা নিবন্ধ লেখা হচ্ছে? তারাই নাকি পবর রাজনীতির ভাগ্য-নির্ধারক এখন?!
  • PT | ১৭ মে ২০১৯ ২২:৪৩379690
  • "কোনও দলে না গিয়েও কেউ ভোট দিতেই পারে কাউকে।"
    সেটা তো আমিও জানতাম।
    কিন্তু আপনি (ও বিভিন্ন কাগজগুলো) বাম ভোটার ও সাধারণ ভোটারের মধ্যে কি করে ফারাক করছেন সেটা বুঝিয়ে দিন। তারা তিনোকে ভোট দিলে যদি অপরাধ না করে থাকে তাহলে বিজেপিকে ভোট দিলে দোষ হবে কেন?
    তারা "না ভেবেচিন্তে"-ই তিনোকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। এখনো বিজেপিকে সমর্থন করলে না ভেবেচিন্তেই করছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন