এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হীরকের রানী ভগবান!

    aanteldi
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৩৩১৭৯৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | 202.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০০:০৯525552
  • ব্র্যান্ড বুদ্ধ আর কমরেড রতন টাটার জয়গান তো রামধনু জোটেরই অংশ। এত কনভিনিয়েন্টলি ভুলে যান কিকরে? :)
  • Ishan | 214.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০০:১১525553
  • নাম করেই বলি। আকাশ ও চব্বিশ ঘন্টা নামক দুটি চ্যানেল, আজকাল নামক একটি সংবাদপত্র, আবাপ নামক একটি গোষ্ঠী -- এই বৃহৎ মিডিয়ারা সিঙ্গুরের সময় বুদ্ধবাবু ও সিপিএমকে সমর্থন করছিল কেন? জনস্বার্থ বিতর্ক তোলার জন্য? এইটা একটু বলবেন। :)
  • কল্লোল | 111.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০০:১২525554
  • পশুপাখি তো দূরস্থান তাদের বর্জ্যও হাসছে। কলকাতা মরিশাস, ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিহারীরা নাচতে নাচতে গেছিলো এই কথা শুনে। শিখেরা বহু আগে থেকেই এখানে, সেই অর্থে সারা উত্তর ও পূর্ব ভারতেই কাপড়ের ব্যাবসা করতো। মাড়োয়ারীরা পরে এসেছে, কলে কাজ করতে নয়। ব্যবসা কত্তে।

    কবে শুনবো বলছো ওসব দাস ব্যবসা-ট্যাবসা বাজে কথা। আফ্রিকানরা লেচে লেচে আয় মা স্যামা বলে আমেরিকা ইউরোপ গেছিলো।

    বল্লাম তো এতো ভাটের কি আছে - তুমি জিতে গেছো। ব্যস।

    যাকগে। খুব তর্ক করতে ইচ্ছে করলে - বিমান বোসের সাথে করো। সে তো মার্কসবাদী। তারাই তো এসব বলে। প্রলেতারিয়েৎএর জন্ম কি ভাবে ইঃ।
  • PT | 213.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০০:১৪525555
  • শেষ বিচারে বুদ্ধ সিপিএমের-আবাপর নয়। আর বামেদের প্রতি তীব্র ঘৃণা আবাপ-র জন্মগত। বামেরা ক্ষমতার ধারে কাছে না থাকার সময়েও আবাপ র একমাত্র কাজ ছিল বামেদের প্রতি প্রাত্যহিক বিষোদ্গার করা-বরুণ সেনগুপ্তর নেতৃত্বে। সেসব কথা এত কনভিনিয়েন্টলি ভুলে গেলে কি করে চলবে?
  • Ishan | 214.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০০:১৬525556
  • আফ্রিকানরা লেচে লেচে আয় মা স্যামা বলে আমেরিকা ইউরোপ গেছিলো। এইটা ব্যাপক। :)
  • Ishan | 214.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০০:১৮525557
  • সে তো একসময় আবাপ সিপিএমকে গাল দিয়েইছিল। কিন্তু সিঙ্গুরের সময় "জনস্বার্থ" বিতর্কের সময় বৃহৎ মিডিয়া কোন পক্ষে ছিল? মনে তো আছেই। একটু বলুন্না শুনি।
  • PT | 213.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০০:১৯525558
  • তুমিও ভাটাচ্ছ বেশ। আর তাই করতে গিয়ে যা যা বলা হয়নি সেসবই আমার মুখে বসাচ্ছ। অন্ততঃ আজকে যতবার সাম্রাজ্যবাদের শ্রাদ্ধ করেছে গত এক সপ্তাহে বিমান বসুও ততবার ঐ শব্দটি উচ্চারণ করেননি।

    উন্নয়ন হলেই সেটা সাম্রাজ্যবাদ বা দাসপ্রথার ফলশ্রুতি এ খুব হাস্যকর তত্ব!!
  • PT | 213.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০০:২৯525559
  • "শিখেরা বহু আগে থেকেই এখানে, সেই অর্থে সারা উত্তর ও পূর্ব ভারতেই কাপড়ের ব্যাবসা করতো। মাড়োয়ারীরা পরে এসেছে, কলে কাজ করতে নয়। ব্যবসা কত্তে।"-এবারে খানিক বোঝা গেল। কলে কাজ করা মোটে ভাল কাজ নয়-ব্যব্সা করা ভাল।

    তবে চন্দ্রায়নের পেছনে ৮০০ কোটি টাকা খরচা না করে সেটা কেন নলবাহিত জল দেওয়ার জন্য খরচা করা যাবনা সে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল না!
  • Ishan | 202.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০০:৪০525561
  • ও পিটি। বলবেন তো। সিঙ্গুরের সময় বৃহৎ মিডিয়া কোন দিকে ছিল।
  • maximin | 69.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০১:০৪525562
  • জলপাইগুড়ি জিন্দাবাদ। জেলা পরিষদ বামেদের দখলে। জিও জিও জিও।
  • T | 24.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০১:১০525563
  • চন্দ্রায়ন প্রকল্প নিয়ে এত প্রবলেম কেন?
  • ppn | 190.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০১:২১525564
  • ব্রাজিল চন্দ্রায়ন করেনি, ওয়ার্ল্ড কাপ হোস্ট করছে। খরচ চন্দ্রায়নের থেকে বেশিই পড়ছে।
  • rivu | 78.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০১:৩৩525565
  • কল্লোল দার ত্রিপুরি কোশ্চেন টার উত্তর কেউ দেয়নি। আমি ই চেষ্টা করি। দেখুন শিল্পপতি শিল্প গড়েন লাভের জন্যে, লোকের কর্মসংস্থান করার জন্যে নয়। যদি কারো মনে হয় ত্রিপুরায় শিল্প গড়লে লাভ হবে, তবে তিনি গড়বেন।

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে শিল্প গড়ার ক্ষেত্রে সরকারের কি ভূমিকা হওয়া উচিত। ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা এতটা কম্প্লিকেতেদ নয় কারণ সেখানে সরকার ট্যাক্স নেয় ও ল্যাঠা চুকে যায়। শিল্পের ক্ষেত্রে যেহেতু কর্ম সংস্থান হয় সুতরাং সরকারের দ্বায়িত্ব থাকে শিল্পপতিকে এনকারেজ করার। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এনকারেজমেন্ট করতে গিয়ে যদি সিচুএশন দাঁড়ায় যে লাভের গুড় পুরোটাই একপক্ষ খাবে, তাহলে সরকার এর নীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। এই এনকারেজমেন্ট নিয়েই ইকনমিক ডিবেট, যা সারা বিশ্বের পলিটিকাল গতিপথ নির্ধারণ করে। ত্রিপুরা যদি মনে করে ভারী শিল্পের মাধ্যমে কর্ম সংস্থান বাড়াবে, তাহলে তাদের এমন কিছু প্যাকেজ দিতে হবে যা সমস্ত অসুবিধা সত্ত্বেও শিল্পপতিকে শিল্প গড়তে এনকারেজ করবে। এখন ত্রিপুরা কে ভাবতে হবে যে সেই প্যাকেজে তাদের কি লাভ হবে।

    ভারতবর্ষে এই এনকারেজমেন্ট এর লড়াই এ শিল্পপতির একটা আপার হ্যান্ড থাকেই কারণ প্রতিটি রাজ্য সরকারই দেখাতে চায় (এছাড়াও অন্য কারণ থাকতে পারে) যে তারা শিল্পবন্ধু, কারণ ভারতের বিরাট মিডল ক্লাস এটা খায় ভালো। সুতরাং প্রতিটি রাজ্যই মোটামুটি বিরাট ধরনের সুবিধা শিল্পপতিকে দিতে রাজি থাকে। আমার মনে হয় এই জন্যেই প্রিদিফায়ন্দ ফেডারেল (এইটা ইম্পর্ত্যান্ট) ল্যান্ড ব্যাঙ্ক, শিল্প নীতি, জমি অধিগ্রহণ নীতি থাকা প্রয়োজন। রাজ্য গুলির bargaining পাওয়ার কমিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। কিভাবে এসমস্ত হবে সেই নিয়ে সংসদে আলোচনাও প্রয়োজন। কিন্তু, আইন তৈরি হয়ে যাবার পরে, জমি অধিগ্রহনের ব্যাপারে পার্সোনাল আপত্তির স্পেস থাকা উচিত নয়। মানে অধিগ্রহণ যদি আইন সম্মত হয়, আমার এটা বলার অধিকার থাকা উচিত নয় যে আমার ইচ্ছা, সুতরাং জমি আমি দেবনা। "জনস্বার্থের" ডিবেট এর সাথে সাথে এই ডিবেট হওয়াটা ও খুবই জরুরি। সিঙ্গুরকে সিপিএম, টাটার পরাজয় বা তৃণমূলের জয় হিসাবে দেখলে মুস্কিল, এটা দেখা দরকার সিঙ্গুর কোন কোন ডিবেটের স্পেস ওপেন করলো।
  • Sibu | 183.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৫:০৯525566
  • আমার মনে হচ্ছে এই আলুচান্নায় এট্টু বাদেই কেরালা আসবে, তাই এই লিংটা আগেত্থেকে দিয়ে রাখা।

    http://en.wikipedia.org/wiki/Economy_of_Kerala#Foreign_remittances

    In a state of 32 million where unemployment approaches 20 percent, one out of six employed Keralite now works overseas. As of 2008, the Gulf countries altogether have a Keralite population of more than 2.5 million, who send home annually a sum of USD 9.25 billion,[20] which is more than 15.13% of Remittance to India in 2008. The largest number work in construction, although high literacy allows Keralites to secure office work. Foreign remittances augment the state’s economic output by nearly 25 percent. Migrants’ families are three times as likely as those of nonmigrants to live in superior housing, and about twice as likely to have telephones, refrigerators and cars.[21] Pathanam thitta and Thrissur districts have on an average one member from each household a Non Resident Indian.
  • Sibu | 183.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৫:৩৯525567
  • http://business.rediff.com/slide-show/2010/jun/28/slide-show-1-kerala-is-actually-first-in-per-capita-income.htm#5

    According to the Consumer Pyramid, Kerala ranks first, and not sixth, in terms of per capita household income.

    Kerala's per capita income in 2009 at Rs 63,000 was the highest among all states in the country. It is way ahead of Delhi (Rs 55,000). Punjab is a distant third with Rs 42,000.

    The official per capita NSDP understates the income of Kerala households by 22 per cent at Rs 49,000. It also overstates the income of Delhi households by a massive 65 per cent at Rs 90,500. Punjab is overstated by 22 per cent.

    Delhi generates a lot more income than Kerala does. But the income of Delhi does not accrue to the people of Delhi. Therefore, the purchasing power of consumers is much lesser in Delhi.

    Kerala does not generate much income, but its households receive a lot of transfers in the form of remittances from its people working outside. These transfers raise the purchasing power of Kerala households substantially.
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৫:৪৬525568
  • রিভু। তো তাইলে বোঝা গেলো, "দেখুন শিল্পপতি শিল্প গড়েন লাভের জন্যে, লোকের কর্মসংস্থান করার জন্যে নয়। যদি কারো মনে হয় ত্রিপুরায় শিল্প গড়লে লাভ হবে, তবে তিনি গড়বেন।"
    তাইলে এটাও বোঝা গেলো যে বড় ত্রিপুরায় সিল্প হবেন্না। তাইলে এখানকার রেসিডেন্ট সিল্পগুরুদের মতে ত্রিপুরার লোকজন সেইইই চাষবাসের অন্ধকারে পরেই থাকবেন। ক্ষিই ক্ষারাপ। তাদের আর জীবনে কোন উন্নতি হবেন্না।
    কিন্তু হতেই পারে, উন্নতি হতেই পারে, যদি তারা কেরালা হয়।
    উপরেই শিবু পোস্ট করেছে - one out of six employed Keralite now works overseas. As of 2008, the Gulf countries altogether have a Keralite population of more than 2.5 million, who send home annually a sum of USD 9.25 billion,[20] which is more than 15.13% of Remittance to India in 2008. Foreign remittances augment the state’s economic output by nearly 25 percent. Migrants’ families are three times as likely as those of nonmigrants to live in superior housing, and about twice as likely to have telephones, refrigerators and cars. কিন্তু ক্ষিইই দুষ্কু ক্ষিই দুষ্কু, তারা ঘরের ভাত খেতে পায় না। হাউ হাউ।
    কিন্তু যেটা বোঝা গেলো না সারা ভারত নাচতে নাচতে ইংরাজ আমলে কক্লাতায় চলে এলো - সেটা খুব ভালো। আর আজ, কক্লাতার লোক, বাংলার লোক - কন্নাটকে, ছেন্নাইতে, বোম্বাইতে, ঝাড়খন্ডে গেলেই ক্ষি দুষ্কু, ক্ষিইই দুষ্কু, ঘরের ভাত পায় না। বাংলার উন্নতি হয় না। এই আর কি।
    আর হ্যাঁ, কেন কলোনী, কেন সাম্রাজ্যবাদ জনতে পড়ে ফেলো - http://www.marxists.org/archive/lenin/works/1916/imp-hsc/
  • Sibu | 183.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৫:৫৪525569
  • যে বিজেপি সাপোর্টার আমাকে কেরালার ইকনমি নিয়ে এই লিং দুটো দেখালো তার বক্তব্য ছিল কেরালা HDI শূন্যে ভাল করে নি। GDP যাই হোক, কেরালার personal income level খুবই উঁচু, কেন না ফরেন রেমিটেন্স আনইউজুয়ালি বেশী। করোলারি ছিল - লার্জ স্কেলে কেরালার সাকসেস স্টোরী রেপ্লিকেট করা অসম্ভব।

    এইবারে আপনেরা কন, আমি শুনি।
  • এক বামপন্থী | 103.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৭:৫১525570
  • ঈশাণ - বৃহৎ মিডিয়া বৃহৎ পুঁজির পিছনে কেন বাঁশ দিতে পারেনা, সেই কারণটা বুঝলামনা। আপনি যাদের নাম উল্লেখ করলেন, যেমন আবাপ ইত্যাদি, তারা কি টাটাদের মালিকানাধীন? তা যদি না হয়, তাহলে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য একেঅপরকে কেন বাঁশ দেবেনা? ধনতন্ত্রের প্রাথমিক শর্তই তো হলো প্রতিযোগিতা, আর নিজের উন্নতি সাধনের জন্য অন্য সবাইকে বাঁশ দেওয়া! বৃহৎ মিডিয়ার অন্তরালে ঐ সময়ে যারা ছিলো, তাদের মূল লক্ষ ছিল বামফ্র্ণ্টকে হঠানো, যেনতেন প্রকারে হঠানো। এই লক্ষ সাধনের উদ্দেশ্যে তারা যে টাটাকে বাঁশ দিতে পারেনা, এমন ভাবার কী কারণ আছে? হতে পারে টাটারা তাদের সঙ্গে উপযুক্ত দরাদরিতে যায়নি, এমনো হতে পারে টাটারা যথেষ্ট পরিমাণে লাভের গুড়ের ভাগ দিতে চায়নি!
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৮:৪২525573
  • বেশ তো। বৃহৎ পুঁজি, বৃহৎ মিডিয়া তাহলে খুব ঐক্যবদ্ধ একটা এনটিটি নয় বোঝা যাচ্ছে। তারা প্রয়োজনে এ ওর পিছনে লাগে। বাঁশ টাশ দেয়। তাহলে খামোখা বামফ্রন্ট সরকার আর টাটার বিরুদ্ধে কেন এরা ঐকবদ্ধ হয়ে গেল বলুন তো?

    এর একটা উত্তর এরকম হতে পারে, যে, বামফ্রন্ট সরকার আর টাটা হাতে হাত মিলিয়ে এমন এক শ্রেণী সচেতন সংগ্রাঈ ঐক্য গড়ে তুলেছিল, তা বাকি বৃহৎ পুঁজির কাছে বিপদ সংকেত। বামফ্রন্ট সরকার আর টাটার সংগ্রাঈ ঐক্যকের এই অপশনটাই তাহলে ধরে নেব কি?
  • এক বামপন্থী | 103.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৮:৪৬525574
  • ঈশাণ, পাই - আশা করি মানবেন, ভারতে এখনো সামন্ততান্ত্রিক ব্যাব্স্থা প্রচলিত। এখনো ধনতন্ত্রও পুরোমাত্রায় আসেনি, জনগণতান্ত্রিক বিপ্লব তো বহুদূর। এই অবস্থায় একটি অঙ্গরাজ্যে বামফ্রণ্ট যখন সরকার গঠন করে, তখন সেই সরকারের কী করণীয়? সেই সরকার কী আকাশের দিকে চেয়ে বসে থাকবে, কবে বিপ্লব টুপ করে তার কোলে এসে পড়বে, না সেই সরকার চেষ্টা করবে বর্তমান ব্যাব্স্থার মধ্যেই সাধারণ মানুষের য্থাসম্ভব উপকার করার?

    এই নিয়ে বহু তর্ক হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে, কিন্তু আমার নিজস্ব মত দ্বিতীয়টি। এবার টাটাদের এই রাজ্যে লগ্নি করার সময়টি স্মরণ করুন। ২০০৪ সালে বামফ্র্ণ্ট সরকার গড়েছিল শিল্পায়নের স্লোগান দিয়ে। সেই সময়ে কর্মসঙ্গস্থান ছিল অত্যন্ত জরুরি। এটাও পরিষ্কার হয়ে গেছিল যে শুধু চাষবাষ দিয়ে এই কর্মসঙ্গস্থান সম্ভব নয়, এর জন্য চাই ভারী শিল্প। সেই সময়ে টাটারা লগ্নি করার পরিকল্পনা করে, আর পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কিন্তু অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতা করে এই লগ্নি টানতে হয়। টাটাদের বেশ কিছু জায়্গা দেখানো হয়, যাদের মধ্যে ওরা সিঙ্গুরকে বেছে নেয়। ব্যাপারটা কিন্তু কখনো এমন সরল ছিলনা, যে সরকার যে জমি বেছে দেবে টাটারা সেই জমিতেই কারখানা খুলে ফেলবে। এই সমস্ত দিক মাথায় রেখেই সরকার সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণে রাজী হয়েছিল, আর চেষ্টা করেছিল য্থাসম্ভব ক্ষতিপূরণ দিতে। একথা মানতে কোন দ্বিধাই নেই যে ক্ষতিপূরণের মাত্রা আরো বাড়ানো যেত, বিকল্প কাজের ব্যব্স্থার দিকে আরো জোর দেওয়া যেত, সর্বোপরি পার্টি মানুষের পাশে দাড়িয়ে বোঝাতে পারতো। কিন্তু আপনারা যদি বলেন যে বিন্দুমাত্র চাষজমি অধিগ্রহণ না করেই শিল্পস্থাপন করতে হবে, তাহলে আমার মনে হয়্না কোন দেশের কোন সরকারই সেটা পারবে। এমনকি সম্পূর্ণ সমাজতান্ত্রিক দেশেও প্রয়োজনে চাষজমি অধিগ্রহণ করতেই হবে, নাহলে হয়তো শিল্পটিই অলাভ্জনক হয়ে উঠবে।
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৮:৫২525575
  • আঃ কেরালাটা কমন পড়ে গেছে। এত করে বলছেন যখন রচনাটা লিখেই ফেলি।

    যে দেশ/অঞ্চলগুলি বিভিন্ন ইনডেক্সে এগিয়ে আছে, তাদের মধ্যে দুটো বড়োসড়ো বৈপরীত্য দেখা দেখা যায়। লাইফ এক্সপেক্টেন্সি (বা সম্ভাব্য আয়ু)র হিসেবে মাপলে এরা দুরকমঃ

    ১। প্রবলগতিতে অর্থনৈতিক ভাবে উন্নতিশীল দেশগুলির মধ্যেঃ
    ক। প্রচুর অর্থনৈতিক উন্নতি ও গড় আয়ুর অভাবনীয় বৃদ্ধি (দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান)
    খ। প্রচুর অর্থনৈতিক উন্নতি হয়েছে কিন্তু গড় আয়ু বাড়েনি (ব্রাজিল)।

    ২। গড় আয়ুর প্রবল উন্নতি যাদের হয়েছে
    ক। গড় আয়ু ও অর্থনীতির একযোগে উন্নতি (আবার কোরিয়া, তাইওয়ান)
    খ। গড় আয়ুর প্রবল উন্নতি কিন্তু অর্থনৈতিক বৃদ্ধি তেমন না (কেরালা, শ্রীলঙ্কা)।

    ফলে দেখা যাচ্ছে অর্থনীতির উন্নতি আর গড় আয়ুর সবরকম সম্ভাব্য মিক্স অ্যান্ড ম্যাচই আছে।

    (চলবে)
  • এক বামপন্থী | 103.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৮:৫৪525576
  • বামফ্র্ন্ট সরকার আর টাটাদের এক করে দেবার এত প্রচেষ্টা কেন? বামফ্র্ন্ট সরকারের কোন মন্ত্রী কি কখনো বলেছিল যে টাটাদের সাথে হাত মিলিয়ে শ্রেণী সংগ্রাম গড়ে তোলা হবে? নাকি বামফ্র্ন্ট সরকারের বলা উচিত ছিল, আমাদের শিল্প-টিল্প চাই না, সব শিল্প দূর হটো, আগে বিপ্লব আসুক, তারপর ওসব ভেবে দেখা যাবে?
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৯:০২525577
  • তাহলে দেখা যাচ্ছে অর্থনৈতিক উন্নতি আর জীবনযাপনের মান মোটেও সুন্দরভাবে কো-রিলেটেড নয়। প্যাটার্নটি এবড়োখেবড়ো।

    তা এটা নিয়ে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে কয়েকটা জিনিস দেখা গেছে।

    ১। কোরিয়া বা তাইওয়ানের মতো যে দেশগুলি অর্থনীতি এবং গড় আয়ু উভয় দিকেই হুহ এগোচ্ছে, তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্বাধীনতা এগুলোতে বহুকাল আগে থেকেই অনেক এগিয়ে ছিল। সেগুলোর উপর ভিত্তি করে তাদের অর্থঐতিক উল্লম্ফন। অর্থনীতিকে ভিত্তি করে শিক্ষা স্বাস্থ্য স্বাধীনতার প্রসার নয়।

    ২। দ্বিতীয় পয়েন্টটি আরও অনেক ইন্টারেস্টিং। কেরালা, চিন, শ্রীলঙ্কা, নাইবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা -- এইসব দেশ/অঞ্চলগুলির GNP আর গড় সম্ভাব্য আয়ুর যদি তুলনা করেন, দেখবেন, GNPতে সবার নিচে কেরালা। কিন্তু গড় আয়ুতে প্রায় সবার উপরে। দুই নম্বরে।

    "জীবনের মান" যদি মাপতে হয়, তাহলে GNP দিয়ে কেরালার খুব বেশি কিছু এসে যায়নি।ব্রাজিলের জিএনপি কেরালার তিনগুণ, কিন্তু কেরালার সম্ভাব্য আয়ু ব্রাজিলের চেয়ে ১০ বছর বেশি।

    (চলবে)
  • এক বামপন্থী | 103.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৯:০৬525578
  • তাহলে খামোখা বামফ্রন্ট সরকার আর টাটার বিরুদ্ধে কেন এরা ঐকবদ্ধ হয়ে গেল বলুন তো?

    আমি যদি বলি, লড়াইটা হয়েছিল আসলে বামফ্রন্টের সাথে বৃহৎ পুঁজির, টাটারা স্রেফ কোল্যাটারাল ড্যামেজ, তাহলে কী আমার কথা মেনে নেবেন? যদি বলি যে টাটাদের যায়্গায় অন্য যেকেউ থাকতো, তাকেই কোল্যাটারাল ড্যামেজ স্বীকার করতে হত, তাহলে মেনে নেবেন? আর যদি বলি বৃহৎ পুঁজি কোনদিন চায়নি ভারতের একটি অঙ্গরাজ্যেও বামফ্রণ্ট সরকার থাকুক, গত তিরিশ বছর ধরেই বামফ্রণ্ট এই লড়াই লড়ে আসছে, তাহলে?
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৯:১৩525579
  • মোটের উপর যা দেখা যাচ্ছে, তা হল উন্নয়নশীল দুনিয়ায় জীবনের মানোন্নয়ন মোটামুটি দুরকমভাবে হয়েছে। একটা অর্থনৈতিক উন্নতির সঙ্গে জড়িয়ে। তারও কিছু শর্ত আছে (আগেই লিখেছি)। অন্যটা সাপোর্ট লেড। যা সরকারি বা বেসরকারি বা কমিউনিটির সাপোর্ট-চালিত। এটা জীবনের মানোন্নয়ন করে, কিন্তু তার জন্য অর্থনীতির উন্নয়ন প্রয়োজনীয় পূর্বশর্ত নয়।

    বাকিটুকু সরাসরি কোট করি। "the success of the support-led process as a route does indicate that a country need not wait until it is much richer.... before embarking on rapid expansion of basic education and health care. The quality of life can be vastly raised, despite low incomes, through an adequate program of social services."

    এর জন্য টাকাকড়ি খুব দরকার আছে তা নয়। কারণ এই সোশাল সার্ভিসগুলি উন্নয়ননশীল দেশে খুবই শ্রমনিবিড়। এবং এগুলি একই সঙ্গে দুটি জিনিস করে। একদিকে জীবনের মানোন্নয়ন ঘটায়। অন্যদিকে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক উন্নতির পথও সুগম করে।

    (চলবে)
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৯:১৭525580
  • সোর্স দিয়ে দিই বাবা। যা দিনকাল। এই পুরোটাই মোটামুটি ভাবার্থ হিসেবে টুকলাম একটি বই থেকে। বইটির নাম ডেভেলাপমেন্ট অ্যাজ ফ্রিডম। লেখক অমর্ত্য সেন। ডেটা ইত্যাদি বইটি খুললেই পেয়ে যাবেন। অত টুকলাম না (এই করতে গিয়ে আমার হ্যারি পটার ধরা হচ্ছেনা)।

    যাঁরা মনে করেন, যে, বন্দুকের নল যেমন ক্ষমতার উৎস তেমনই শিল্পই হল জীবনের মানোন্নয়নের একমাত্র পথ, তাঁরা অকারণে ডিম্পাউরুটি রচনা না লিখে বইটা একবার রিডিং দিয়ে নিন। দেখবেন, ওরকম কোনো লিনিয়ার লাইন হয়না।

    (শেষ)।
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৯:২২525581
  • "আমি যদি বলি, লড়াইটা হয়েছিল আসলে বামফ্রন্টের সাথে বৃহৎ পুঁজির, টাটারা স্রেফ কোল্যাটারাল ড্যামেজ, তাহলে কী আমার কথা মেনে নেবেন? যদি বলি যে টাটাদের যায়্গায় অন্য যেকেউ থাকতো, তাকেই কোল্যাটারাল ড্যামেজ স্বীকার করতে হত, তাহলে মেনে নেবেন? আর যদি বলি বৃহৎ পুঁজি কোনদিন চায়নি ভারতের একটি অঙ্গরাজ্যেও বামফ্রণ্ট সরকার থাকুক, গত তিরিশ বছর ধরেই বামফ্রণ্ট এই লড়াই লড়ে আসছে, তাহলে?"

    না মেনে নেবনা। কারণ,

    ১। আপনি এইমাত্র বললেন বৃহৎ পুঁজি ঐকবদ্ধ কোনো এনটিটি নয়। তারা নিজেদের প্রয়োজনে একে অপরকে লিঙ্গি দিতে পারে এবং দেয়। এমনকি প্রয়োজনে টাটার মতো বিগ প্লেয়ারকেও দেয়। যারা ঐকবদ্ধ্য এনটিটিই নয়, সেই বৃহৎ পুঁজি "চায়নি" কথাটার তাহলে কোনো মানেই দাঁড়ায়না। একটা ঐক্যবদ্ধ এনটিটি হলে তো তবে চাওয়া না-চাওয়া।

    ২। বৃহৎ পুঁজি যদি সামগ্রিকভাবে বামসরকারকে হঠাতেই চেয়েছে, তাহলে টাটার মতো ইয়াব্বড়ো পুঁজিপতি হঠাত বাম সরকারের প্রতি হাত বাড়ালেন কোন যাদুতে? তিনি কি বৃহৎ পুঁজির বাইরে বেরিয়ে হঠাৎ ওয়েলফেয়ার শুরু করেছেন? একই কথা প্রযোজ্য বৃহৎ সংবাদপত্রগুলি প্রসঙ্গেও।
  • PT | 213.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৯:২৮525582
  • আগে প্রচেষ্টাটা ছিল সিপিএম আর তিনোকে এক করে দেখানো-পাইদিদি কি একটা কোট করে ফেলায় সেটা এখন বেশ নড়বড়ে দেখাচ্ছে। তাই এখন টাটা আর বামেদের এক করে দেওয়ার একটা প্রবল প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। এটা জারি থাকবে যতক্ষণ না অন্য কোন খড়কুটো পাওয়া যায়!

    কিন্তু হাজার লিং দিয়েও কল্লোলদা কিছুতেই প্রমাণ করতে পারছে না যে নলবাহিত জল দিতে গেলে ভারতকে কেন সম্রাজ্যবাদী শক্তিতে পরিণত হতে হবে? যে মার্কসবাদে আস্থা হারিয়েছে সে কেন তক্কে জেতার জন্য লেনিনের কোলে আশ্রয় নেয়? আর কোলকাতার লোক অন্যত্র কাজ করতে গেলে সেটা খুব খারাপ কাজ সেটাই বা কে বলেছে? কল্লোলদার জন্য ঈশাণের কোট থেকে কোটঃ "the success of the support-led process as a route does indicate that a country need not wait until it is much richer.... before embarking on rapid expansion of basic education and health care. The quality of life can be vastly raised, despite low incomes, through an adequate program of social services."
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৯:৩৭525584
  • পিটির তো অসম্ভব প্রতিভা। যা পান তাই দিয়েই ডিম্পাউরুটি বানান। এবার তো আমাকে বাকিটাও হাতে ধরে টুকতে হবে দেখছি। অতো আর নাই বা খাটালেন স্যার।
  • PT | 213.*.*.* | ৩০ জুলাই ২০১৩ ০৯:৪০525585
  • আপনিও কঠিন পরিশ্রম করছে খড়কুটো খুঁজে বের করার। সেটা চালু রাখুন-কোন ব্যক্তিগত অক্রমণ বাদ দিয়ে সেটা চালিয়ে গেলে ব্যাপারটা আরও শোভন হয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন