এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ভারতীয় চাকুরে

    riddhi
    অন্যান্য | ২৭ মে ২০১২ | ৪২২৮৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • maximin | ২৮ মে ২০১২ ২৩:৫৯552053
  • চাপ দেওয়ার জন্যে লেখা হয়েছে, এমনটা আমার মনে হয় নি। ডিগ্রিকে অত্যধিক মূল্য না দিতে বলেছেন। সেই সঙ্গে কিছু সাজেশন দিয়েছেন এই এই জিনিস তুমি গড়ে তুলতে পারো।

    যাদের খুব ভালো কলেজের ডিগ্রি নেই, তাদের জন্যে এই সাজেশনগুলো উপকারী হতে পারে।
  • অপু | ২৯ মে ২০১২ ০০:০৪552064
  • S, নিশ্চয় ই হয়। ভালো মানের কাজ। তবে তা শতকরা হিসেব বেশ কমের দিকে।
  • maximin | ২৯ মে ২০১২ ০০:২০552075
  • চার নম্বর পয়েন্টের মধ্যে দুটো পয়েন্ট আছে।
    ক) ইন্সট্রাকশন বোঝো নি, ফোন তুলে বলো বুঝিনি।

    লেখক অবশ্য টপ ম্যানেজারের কথা বলেছেন। খুব একটা ঠিক বলেন নি। টপ ম্যানেজাররা অ্যাকসেসিবল হন না। কথাটাকে একটু মডিফাই করে ভাবলে দেখব, ইন্সট্রাকশন সাধারনত টপ ম্যানেজার দেন না, ইমিডিয়েট বস দেন। তো, ইমিডিয়েট বসকে জিজ্ঞেস করাই যায়।

    খ) there is a strong cultural bias of deference and subservience to titles in India, it is as much your responsibility 'as it is ours' to challenge this view. (লেখক বলছেন দায়িত্বটা দুপক্ষেরই।)

    এই কালচারাল বায়াসটা সত্যি করেই আছে। সেটাকে কাটানোর দায়িত্ব প্রধানত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের।
  • S | ২৯ মে ২০১২ ০০:২৩552086
  • আমার লেখাটা খুব সাধারন মানের লেগেছে - কেপিএমজির পার্ট্নার যার বাইরে থেকে এমবিএ করা রয়েছে, খুব ভালো স্কুল কলেজ থেকে পড়াশুনা করা - তিনিও লিখতে বসে সেই ভাঁট বকে দিলেন। মানে নিজেই আউট অব দ্য বক্স চিন্তাভাবনা করলেন না। কোনো সলিউশন বা সাজেশন দিয়েছেন কি?
  • maximin | ২৯ মে ২০১২ ০০:২৮552097
  • লেখাটা খুবই সাধারণ মানের, এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
  • S | ২৯ মে ২০১২ ০০:৩০552108
  • ম্যাক্সিমিন, আপনার খ পয়েন্টটা খুব বেশি রয়েছে আইটির বাইরে। বিশেষ করে যে কেপিএমজির পার্টনার লিখছেন সেখানে তো বেশ ভালো রকমের রয়েছে। কিন্তু শিক্ষকরা (এমনকি আমেরিকাতেও) ইন্ডাস্ট্রির থেকে বেশ দুরে থাকেন, তাঁদের উপরে খুবেকটা ভরসা করে লাভ নেই।

    আমি একজন সিনিয়ারকে চিনতাম, বেশ সিনিয়র, মানে রিপোর্ট করে COO কে। তাঁকে স্যার বলে ডাকলে বলতেন আমকে স্যার বলবে না। অথচ সবসময় জুনিয়ারদের - ইন্ক্লুডিঙ্গ ফ্রেসারদের - সবার সামনে গুছিয়ে ঝাড় দিতেন।
  • maximin | ২৯ মে ২০১২ ০০:৩৯552119
  • ডেফারেন্স এবং সাব সার্ভিয়েন্স কাটানোর দায়িত্ব প্রধানত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেটা খুব কম লোকই করতে পারেন।

    এবিষয়ে অমর্ত্য সেনের একটা লেখা শেয়ার করছি। কথাগুলো একেবারে অন্তর থেকে উঠে এসেছে।

    http://www.telegraphindia.com/1101219/jsp/opinion/story_13319710.jsp
  • ব্ল্যাঙ্ক | ২৯ মে ২০১২ ০১:২১552130
  • এস কে,
    ২০০৫ এ নন্দন নিলেকানি কি বলেছিল এবং এরা পাবলিক মিটিং এ আদৌ কি এবং কতটা বলে সেটার ওপরে ভরসা না করাই ভাল। আজকের যুগের ক্লায়েন্টরা অনেক পরিনত। শুধু পিপিটি দেখে প্রোজেক্ট কেউ ধরে দেয় না। বা শুধু পিপিটি বানিয়ে বসে থাকলে জীবনে প্রজেক্ট আসবে না।
    আইটি সেক্টরে আজ গ্রোথ কমবেই, ১ মিলিয়নের কোং এর গ্রোথ যা ছিল ১ বিলিয়নেও সেটা রাখা তো চাপ।
    এবং আবার আমার প্রশ্ন, ভাল কলেজ মানে কারা? যাদবপুর শিবপুর ধরলে এখুনো ঢেউ এর মতন আইটিতে আসে জনগন।

    ক্ল্যারিফিকেশানঃ ভাল কলেজের MBA মানে এক্সপেরিয়েন্স কম আমি বলিনি। টিমে MBA রাখতে গেলে আমি এক্সপেরিয়েন্স ওলা লোক প্রেফার করি। সে যেখানকারই MBA হোকনা কেন। IIM আর XLRI এর ফ্রেশ MBA দের সাথে কাজের exp ভাল না।
  • maximin | ২৯ মে ২০১২ ০১:৩০552141
  • শিক্ষকরা ইন্ডাস্ট্রি থেকে দূরেই থাকেন। তবে শিক্ষক যদি ছাত্রদের ক্রিটিকাল রিজনিং শেখাতে পারেন (এটা শেখানো কখনোই সহজ হয়না) তাহলে যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় তা যে কোনও চাকরিতে কাজে লাগে। তখন আর মোহিত চন্দ্রর কথায় পাত্তা দেওয়ারও দরকার হয়না।

    stretching yourself to work longer hours when needed, feeling vested in the success of your employer -- মোহিত চন্দ্রর এই কথাটা ভালো লাগে নাই।
  • maximin | ২৯ মে ২০১২ ০১:৩৪552153
  • being ethical about expense claims is good.
  • S | ২৯ মে ২০১২ ০১:৪৫552164
  • ২০০৫ এ নন্দন নিলেকানি নিজের এম্প্লয়িদের এই কথাটা বলেছিলেন - এটা ক্লায়েন্ট ফিডব্যাক ছিলো। আচ্ছা ইন্ফি, টিসিএস আর উইপ্রোর মধ্যে কি ডিফারেন্স আছে? হ্যাঁ, পিপিটি তো দিতেই হয় নতুন ক্লায়েন্ট ধরতে গেলে/ এমনকি পুরনো ক্লায়েন্টের ক্ষেত্রেও। আপনি বলুন নইলে আর কি বলে প্রজেক্ট নিয়ী আসা হয়?

    একটা কম্পানির সিইও নিজের কম্পানির ব্যাপারে বলছে - আর সেটাকে পাত্তা না দিয়ে আমার কি মনে হয় সেটা নিয়ে আলোচনা করবো?

    গ্রোথ না হয় কমলো বেস এফেক্টের জন্যে। আইবিএমের কতো গ্রোঠ হচ্ছে - ঔ কম্পানির সাইজ তো ভারতের পুরো আইটির থেকেও বেশি। আর ইন্ফির প্রফিটাবিলিটি তো লাস্ট ৫ বছরে একি জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে। অন্য অনেক কম্পানির প্রফিটাবিলিটি কমেছে।

    IIM, XL থেকে খুবেকটা ভালো ছেলে আজকাল আইটিতে যাচ্ছে না - এটা একটা প্রব্লেম। লাস্ট ১০ বছরে নাম্বারটা বেশ কমে গেছে। সিটিএসে হয়তো কিছু যায় - কিন্তু কেউই ডেলিভারিতে কাজ করতে চায়্না। আর আপনার এক্ষপেরিয়েন্স ভালো না হওয়ার অনেক কারন থাকতে পারে।
  • S | ২৯ মে ২০১২ ০১:৫০552171
  • ম্যাক্সিমিন, আনফরচুনেটলি বেশিরভাগ এমবিএদের থেকে সব এম্প্লোয়াররা এই বেশি ঘন্টা কাজ করাটাই চায়। মানে অনেকটা সপ্তাহে ৪০ ঘন্টা কাজ করলে এতো দেওয়া হয়, তুমি তার দ্বিগুন পাচ্ছো - অন্তত ৬০ ঘন্টা কাজ করে দাও।

    বেশিরভাগ ইন্ভেস্টমেন্ট ব্যান্কারকে ৯০-১০০+ ঘন্টা কাজ করতে হয় সপ্তাহে। অবশ্য তারা যে টাকা পায় ঃ)
  • ব্ল্যাঙ্ক | ২৯ মে ২০১২ ০২:০১552173
  • ১। পিপিটিতে প্রোজেক্ট আসে না। আজকাল ডেমো দেখানো, সলিউশান, আর্কিটেকচার ইত্যাদি অনেক কিছু দেখাতে হয়। প্রমান করতে হবে বাকিদের থেকে আমরা এগিয়ে। নইলে ক্লায়েন্ট ক্যাজ কাটিয়ে দেবে।
    ২। কোম্পানির সিইও র কথার এত সিম্পল ইন্টারপ্রিটেশান না ধরাই উচিৎ। আল্টিমেটলি দেখতে হবে কোং এর স্ট্যাটেজি কি হলো না হলো। সে কি বল্লো সেগুলো পাত্তা না দেওয়াই ভাল।
    ৩। আইবিএম সার্ভিসেসের নেট ইনকামের গ্রোথ কত ২০১২ কিউ ১ এ? ৭ % মনে হয়।

    আর MBA তে বড় অংশ চিরকাল ফিনান্সে যায়। পয়সা অনেক বেশি যে। সে যতই বুম আসুক।
  • maximin | ২৯ মে ২০১২ ০২:০১552172
  • ফীল ভেস্টেড ইন দ্য সাকসেস অফ ইয়োর এমপ্লয়ার। এমপ্লয়ারের সাফlল্যেই তোমার চরিতার্থতা। :P
  • maximin | ২৯ মে ২০১২ ০২:০৪552174
  • *সাফল্যেই।
  • S | ২৯ মে ২০১২ ০৬:৫২552175
  • ১) তর্কের জন্যে তর্ক করে তো লাভ নেই। আলটিমেটলি যেটা করতে হয় সেটা হোলো ক্লায়েন্টকে প্রেজেন্টেশন। দুএকটাতে আমাকেও থাকতে হয়েছে। কিন্তু এটা নিয়ে তো আলোচনা হচ্ছেনা। যাইহোক ডিফারেন্সিয়েশন যে নেই সেটা মনে হয় আর বলে দিতে হয়্না।

    ২) কোম্পানির সিইও কি বললো - আপনাকে বলে রাখি - সেটা সবথেকে ইম্পর্ট্যান্ট। বাকি ঐ স্ট্র্যাটেজি ইত্যাদির ইন্টার্প্রিটেশনও তাকেই করে দিতে হয়। তার কথার উপরেই সবথেকে বেশি ভরসা করা হয় - কারন সিইও কোম্পানির ব্যবসা সম্বন্ধে সবথেকে বেশি জানকারি রাখে। এটা সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রিতে বিশেষ করে বেশি প্রযোজ্য। সিইও ইজ দ্য ম্যানেজার অব দ্য কম্পানি।

    ৩) আই বিএম ঐ সাইজে যায় গ্রো করেছে লাস্ট ৫-৭ বছরে সেটা তো অনেক। ২০১০-১১ তে মোট টপলাইনে ৭% গ্রোথ আছে।

    লাস্ট ৫-৭ বছরে আরো বেশি করে MBA রা অন্য সেক্টরে যাচ্ছে। তার আগে অন্তত শেষ ৩ টে থেকে ভালৈ যেতো IT তে।
  • aka | ২৯ মে ২০১২ ০৭:২০552176
  • সেতো ভালো, তারমানে এখন অন্য সেক্টরও বেশ ভালো মাইনে দিচ্ছে। এমনিতেই আইটিতে আইআইএম ই হোক আর অন্য কোন এম ই হোক এমবিএ রা একটু না ঘর কা না ঘাটকা টাইপ। বিশেষ করে অনসাইটে পুরো নাজেহাল হয়ে যেত। অফশোরে তাও পিপিটি করে দিন গুজরান হত। কিন্তু অনসাইটে ক্লায়েন্ট কমিউনিকেশন থেকে শুরু করে সমস্ত কিছুতেই গুছিয়ে ঝাড় খেত। কারণ তিনটে এক্সপেরিয়েন্স কম, প্রত্যাশা অত্যন্ত বেশি (পাশ করেই সবাই ম্যাঞ্জার), টেকনিকাল নলেজ/ডোমেইন নলেজ প্রায় জিরো।

    আইটিতে পিওর এমবিএ কাজ খুব কম (সেলস ছাড়া)। কনসাল্টিং হলে অন্য কথা।
  • Abhyu | ২৯ মে ২০১২ ০৭:২৪552177
  • আমিও তাই ভাবতাম - এম বি ও গুলোর এই অলমোস্ট জিরো নলেজ দিয়ে কি করে চলে - আমরা ৫ বছরে যা শিখেছি এরা ৫ মাসে সেটা শিখে নিয়ে কি হনু হলাম মনে করতে চায় !
  • aka | ২৯ মে ২০১২ ০৭:২৮552178
  • ঃ)

    অমন বলতে নেই ওটা হোস্টাইল কমেন্ট। এমবিএরা কখনোই এমস্ট্যাটের মতন স্ট্যাট জানবে না। কিন্তু ভ্যানিলা স্কিল যেখানে লাগে মানে কনসাল্টিং - কিছুটা স্ট্যাট, কিছুটা ফিনান্স, কিছুটা অ্যাকাউন্টিং, কিছুটা মার্কেটিং, কিছুটা স্ট্র্যাটেজি - মূলত একটু বেশি কমন সেন্স - সেখানে ভালই করে। আর ভালো এমবিএর ভালো কমিউনিকেট করে রিটেন, প্রেজেন্টেশন এবং ভার্বালি। আর আমেরিকান ভালো এমবিএরা ভালো ম্যাঞ্জার হয়।
  • Abhyu | ২৯ মে ২০১২ ০৭:৩০552180
  • তা বটে, ওটা হস্টাইল কমেন্ট - সরি। আসলে বিসনেস স্কুলে সবসময়েই ওই রকম একটা এক-সেমিস্টারে-সব-শিখে-যাওয়া কোর্স থাকে !
  • S | ২৯ মে ২০১২ ০৭:৩২552182
  • এই দেখুন ইন্ফির ডিফারেন্সিয়েটর ঃ high-quality standards of physical and technological infrastructure, HR management, financial accounting, and corporate-governance practices. ভাবুন।

    আসলে ১০ বছর আগে ফিন আর কন্সাল্টিঙ্গে চাকরি অনেক কম ছিলো। এখন তো ভরে ভরে রয়েছে। তাই তখন অনেক বেশি ছেলে যেতো আইটিতে।

    একমাত্র সিটিএস (এটাও শোনা কথা) ছাড়া আর কোনো ভারতীয় আইটি কম্পানী জানেনা এমবিএদের নিয়ে কি করবে। অথচ দেখুন সেই একেবারে বাচ্চা ছেলেদের দিয়ে ব্যান্ক থেকে কন্সাল্টিঙ্গ গুলো দিব্বি করে করিয়ে খাচ্ছে। ইনফ্যাক্ট এখন তো আইটিতে সেই ২-৩ বছর এক্সপেরিয়েন্স ছেলেদের নেওয়া হয়, যারা এমবিএর আগে আইটিতে কাজ করতো। তাই সেরকম অসুবিধে হোয়ার কথা নয়। কিন্তু হয়। প্রসঙ্গত বলে রাখি - আমি একবার একটা জব অ্যাড দেখেছিলাম - ভারতে বিজনেস অ্যানালিস্ট চাইছে - ৫-৮ বছরের এক্সপেরিয়েন্স চাই হাজার গন্ডা ফিনান্সিয়াল ডেরিভেটিভে।
  • Abhyu | ২৯ মে ২০১২ ০৭:৩২552181
  • কমিউনিকশন নিয়ে কোনো কথা হবে না - কিন্তু একটু সিরিয়াস ব্যাপারে কমিউনিকশান-সর্বস্ব লোক কি করে সামলাবে সেটাই আমার অবাক লাগে
  • aka | ২৯ মে ২০১২ ০৭:৩৫552183
  • পিওর রিসার্চ ছাড়া পরিণত মস্তিষ্কে নতুন জিনিষ শিখতে এক সেমিস্টারের বেশি লাগেও না কিন্তু। বিশেষত কাজে কম্মে যা লাগে সেসব শিখতে। বাকিটা আসে ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স থেকে যা কিনা দশ বছর পড়েও আসবে না।

    ধরা যাক একটি ক্রিটিকাল আইটি প্রোজেক্ট আছে তিন মাসে করতে হবে, চ্যালেঞ্জিং জব। সেক্ষেত্রে কম্প সায়েন্স পিএইচডি যার রিয়েল প্রোজেক্ট এক্সপেরিয়েন্স কম তার থেকে ওয়ার্ক এক্সপিরেয়েন্স বেশি অথচ লেস এডুকেটেড বেশি প্রেফার্ড এনিডে।

    এইসব আরকি। রিস্ক অ্যানালিসিসে প্রচূর আইএসাই কাজ করে, কিন্তু পিওর কনসালটিংয়ে বেশি এমবিএ কাজ করে।
  • aka | ২৯ মে ২০১২ ০৭:৩৬552184
  • সিটিএসও খুব কনফিউজড ছিল এমবিএদের নিয়ে কি করবে। আগে ধরে ধরে অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার বানাত আর ডেলিভারিতে ঝাড় খেত।
  • S | ২৯ মে ২০১২ ০৭:৪৩552185
  • @ Abhyu আইএসাই এর পাবলিকের সাথে পাতি এমবিএর তুলনা করলে তো হবেনা - সেটা নেহাত মুর্খতা হয়ে যাবে। কিন্তু এই এমবিএ গুলই তো টেকনিকাল অ্যানালিসিস করছে। এটা বলতে পারি ভালো কলজে স্ট্যাটিস্টিক্স অনেকটা হ্যাঁ অনেকটাই পড়ানো হয়। ফিনান্সে বা যে একটা হিউজ অ্যামাউন্ট অব এমবিএ কাজ করে, তার কারন ঐ ভ্যানিলা স্কিল - অনেকটা স্ট্যাটিস্টিক্স, অনেকটা ইকোনমিক্স, অনেকটা ফিনান্স পড়ে আসে। প্লাস কিছু মার্কেটিঙ্গ, স্ট্র্যাটেজিও পড়ে আসে।

    একটা জিনিস দেখবেন - বেশ কিছু এমবিএ যায় ইকোতে পিএইচডি করতে। তাদের কিন্তু নেওয়া হয় কারন প্রফরা জানেন যে তারা অনেকটা স্ট্যাট আর ইকো পড়ে আসছে। আর ফিনান্সের আর্ধেক হলো স্ট্যাটিস্টিক্স।
  • aka | ২৯ মে ২০১২ ০৭:৪৯552186
  • কিন্তু কথাটা কি নিয়ে হচ্ছিল সেটা গুলিয়ে গেছে।

    দেশে কিন্তু প্রোডাক্টের কাজ ভালই হয়। মাইক্রসফট, গুগুলের অফশোরে ভালো লেভেলের কাজকম্মোই হয়।

    এককালে এইচসিএলে হার্ডওয়ার নিয়ে এবং ওএস নিয়ে ভালো কাজ হয়েছে।

    টিসিএস, কগনিজেন্ট, ইনফোসিসের ফোকাসটাই তো আলাদা। প্রোডাক্ট তৈরির জন্য একটা কোম্পানি কালচারও তো চাই।
  • ব্ল্যাঙ্ক | ২৯ মে ২০১২ ০৯:১৩552187
  • এসের যেটা মেন সমস্যা সেটা হলো এখনকার সিচুয়েশান না জানা। উনি এখনো মনে করেন যে পিপিটি দিয়ে প্রজেক্ট ধরা হয়। এবং তার এগেন্স্টে বল্লে বলছেন যে তর্কের জন্য তর্ক করে লাভ নেই।
    আইটি তে প্রোজেক্ট লেভেলে BA ডেনসিটি কম। BA লাগে স্টার্টাপে বা প্রজেক্ট ধরার সময়। এদের কাজ টা অনেকটাই হয় বিটুইন দ্য লাইন্স বোঝা। নাহলে রিকোয়ারমেন্ট বুঝে প্রজেক্ট নামানোর জন্য টেকনিকাল ছেলে পিলে যথেষ্ট। আর এই কেসে দেখেছি ফ্রেশ BA দের আউটপুট খুব সুবিধের না। অবশ্য এই লাস্ট কেসটা আমার নিজের অভিজ্ঞতা।
  • biplab | ২৯ মে ২০১২ ০৯:৩৬552188
  • অনেকেই অনেক কিছু লিখেছে। আমি ভবিষ্যতের কথা লিখি।

    ইদানিং মেশিং লার্নিং, প্রেডিক্টিভি কোডিং এবং হাডূপ ( বিগ ডেটা)- এই তিনের অভূতপূর্ব উন্নতির ফলে, কোম্পানীর সমস্ত সিদ্ধান্ত নেবে এনালিস্টরা-এবং তাদের সাহায্যে আসবে অসম্ভব শক্তিশালী কিছু বিজনেস ইন্টালিজেন্স টুল। কগনোজ বা এপিএসস যা করে, তা নেহাতই কিছু স্টাকচারড ডেটার ওপর বাচ্চাদের স্টাটিস্টিক্স। আগামী প্রজন্মের [ যার গবেষণা বা বিটা এখনই পাওয়া যায়া] মেশিং লার্নিং বি আই টুল-কোম্পানীর স্ট্রাকচারড এবং আনট্রাকচারড ডেটার ওপর বসে, নিজে থেকেই বলে দেবে কোম্পানীর সামনে নানান অপশঞ এবং ফল আউট।

    ফলে এম বি এ বলে কিছু থাকবে না-সবাই এনালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার টাইপের হয়ে যাবে।

    বেসিক্যালি কেসস্টাডি যা এম বি এ প্রোগ্রামে শেখানো হয়, তা মেশিনকেও শেখানো সম্ভব। মেশিন তার ডেটাবেস রাখে। এবং ভুল থেকে শেখে। যেভাবে ডিপ ব্লু ক্যাস্পারভের বিরুদ্ধে শিখে এখন যেকোনো সাধারন প্রোগ্রাম ও ক্রাম নিককে হারিয়ে দেয়।

    এমন এক সফটওয়ারের বিটা এখনই পাওয়া যাচ্ছে। ১০ বছর বাদে-সেটাই হবে স্বাভাবিক।
  • S | ২৯ মে ২০১২ ০৯:৪৬552189
  • আইটি তো ইন্জিনিয়ারিঙ্গ সেক্টরের মধ্যেই পরে - সেই কারনে সেখানে ইন্জিনিয়ারদের দিয়েই সব কাজ কর্ম করা যায়। মোস্টলি - মানে মার্কেটিঙ্গ ইত্যাদি ছাড়া।

    আর ম্যাক্সিমাম আইটি কম্পানির সেল্সে তো যারা থাকেন তাদের আইটিতে তেমন কোনো এক্সপেরিয়েন্স থাকেনা। এমনকি তেল সাবান বেচা লোকজনদের ধরে নিয়ে সেল্সে ঢোকানো হয়েছে। ইন্ফ্যাক্ট প্রেফার করে।

    এমবিএর একটা খুব ছোট্টো পার্ট হোলো - কেস স্টাডি। সাধারনত যারা স্ট্র্যাটেজিতে যায়, তাদেরকে পড়তে হয়।
  • Toon Army | ২৯ মে ২০১২ ০৯:৫১552191
  • এই শেষ পোস্টটা সিলেবাসের মধ্যে পড়েছেঃ-)

    অপ্টিমিজম ভালো, কিন্তু এর অনেকটাই কষ্টকল্পনা। মানে অসম্ভব বলছি না, কিন্তু ওই অবধি পৌঁছতে (এখন যা লেভেলে আছে সেটার হিসেবে) এখনো অনে-এ-এ-এ-এ-এ-ক দেরী।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন